https://banglalink.net/en

ভোলা

ভোলায় জামায়াতের ৪৫ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান ‎

বরিশালটাইমস রিপোর্ট

বরিশালটাইমস রিপোর্ট

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:৩০

প্রিন্ট এন্ড সেভ

ভোলায় জামায়াতের ৪৫ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান ‎

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আহম্মেদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমির ও দুলারহাট থানা শাখার বায়তুলমাল (কেশিয়ার) মাওলানা ওমর ফারুকের নেতৃত্বে জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের মোট ৪৫ নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চরফ্যাশন ও মনপুরা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দীন আলমের চরফ্যাশনের বাসভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফুলের মালা পরিয়ে তাদের দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

যোগদান অনুষ্ঠানে নাজিম উদ্দীন আলম বলেন, ‎বিএনপির কার্যক্রমে আস্থা রেখে এবং গণতন্ত্রের পক্ষে থাকার প্রত্যয়ে আপনারা বিএনপিতে যোগদান করেছেন। এজন্য আমি আন্তরিকভাবে আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের এই যোগদান বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আগামী নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের পথ সুগম হবে।

জামায়াতের ৪৫ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান ‎

সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া মাওলানা ওমর ফারুক বলেন, চরফ্যাশন দুলারহাট থানা এলাকায় জামায়াতের কর্মকাণ্ডে আমরা সন্তুষ্ট ছিলাম না। বিএনপির কার্যক্রম আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হওয়ায় আমিসহ ৪৫ জন নেতাকর্মী সাবেক এমপি নাজিম উদ্দীন আলমের হাত ধরে বিএনপিতে যোগদান করেছি। দেশের গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আমরা সবসময় বিএনপির সঙ্গে থাকব।

‎এ সময় চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুল ইসলাম মিন্টিজ, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আশরাফুর রহমান দিপু ফরাজি, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম দুলালসহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:

ভোলায় নবনির্মিত দুই স্টেডিয়ামসহ সুইমিংপুল উদ্বোধন

বরিশালটাইমস রিপোর্ট

বরিশালটাইমস রিপোর্ট

০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:১৪

প্রিন্ট এন্ড সেভ

ভোলায় নবনির্মিত দুই স্টেডিয়ামসহ সুইমিংপুল উদ্বোধন

ভোলা শহরে নবনির্মিত গজনবী স্টেডিয়াম, চরফ্যাশন উপজেলার মিনি স্টেডিয়াম ও জেলা সুইমিংপুলের উদ্বোধন করেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে সচিবালয় থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।  ভোলার জেলা প্রশাসকের সম্মেলণ কক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘উপজেলা স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০১ টি স্টেডিয়াম আমরা নির্মাণ করছি। ভোলা যে মিনি স্টেডিয়াম সেটা উন্নতমানের, প্রায় ১০ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার সম্পূর্ণ। আমাদের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পলিসি হচ্ছে-দেশের সব পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ বাস্তবায়ন করব।’

অবকাঠামোর বাইরেও অবকাঠামোর সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করে খেলাধুলার ইকোসিস্টেম বিল্ড করার জন্য দৃশ্যমান অগ্রগতি ১ বছরের বেশি সময়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দেখাতে পেরেছে।

এসময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ভোলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো.বিল্লাল হোসেন। এছাড়া ভোলার স্থানীয় রাজনৈতিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ভোলায় সেতুর দাবিতে দূরপাল্লার পণ্যবাহী ট্রাক আটকে দিল ছাত্র-জনতা

বরিশালটাইমস রিপোর্ট

বরিশালটাইমস রিপোর্ট

০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:৩০

প্রিন্ট এন্ড সেভ

ভোলায় সেতুর দাবিতে দূরপাল্লার পণ্যবাহী ট্রাক আটকে দিল ছাত্র-জনতা

ভোলা-বরিশাল সেতুর দাবিতে পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান আটকে দিয়েছে ছাত্র-জনতা। এতে স্থবির হয়ে পড়েছে ভোলার ওপর দিয়ে অন্যান্য জেলায় যাতায়াতকারী পরিবহন ব্যবস্থা। এ সময় দূরপাল্লার ট্রাক, পণ্যবাহী যানবাহন আটকে সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার পরানগঞ্জ বাজার সংলগ্ন বিশ্বরোড চত্বরে পূর্ব ঘোষিত করিডোর অবরোধ কর্মসূচিতে এসব গাড়ি আটকে দেওয়া হয়।

আটকে পড়া ট্রাকচালক মো. হোসাইন ও মো. বাবুল বলেন, আমরা ট্রাকে কারখানার কাঁচামাল নিয়ে ভেদুরিয়া ফেরিঘাট হয়ে লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরী ঘাটে যাওয়ার জন্য এসেছি। এখানে আন্দোলনের মুখে পড়েছি। আন্দোলনকারীরা বলেছে, এ রাস্তা বন্ধ, তাই ট্রাক নিয়ে বসে আছি।

তারা বলেন, সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পাড়লে কম্পানি এবং আমাদের লোকসান হবে। কম্পানি আমাদের প্রতি ট্রিপে নির্দিষ্ট পরিমাণে রোড খরচ দেয়, এর বাইরে দিবে না। বাকি রোড খরচ নিজেদেরই বহন করতে হবে।

আটকে পড়া ট্রাক চালকদের মধ্যে কেউ কেউ বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতুর দাবিতে আন্দোলনকারীরা আমাদের আটকে দিয়েছে। এটি আামাদের জন্য ভোগান্তির কারণ। তবে আমরাও চাই ভোলা-বরিশাল সেতু হোক। এটি হলে আমাদের জন্যও ভালো হবে। ফেরিঘাটে আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হবে না। আমরা সহজেই যাতায়াত করতে পারব।

আন্দোলনকারী মো. শরীফ হাওলাদার বলেন, বাইরের জেলার যে সব গাড়ি ভোলার ওপর দিয়ে অন্য জেলায় যাতায়াত করে, সেগুলোকে আমরা আটকে দিয়েছি। তবে ভোলাতে আসা-যাওয়া করা গাড়িগুলো চলাচল করবে। এটি আমাদের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি।

তিনি বলেন, আগামীকালের (বৃহস্পতিবার) আমাদের কর্মসূচি হলো-ভোলার জেলা প্রশাসক কার্যালয়সহ সাত উপজেলার নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি। সরকার যদি আমাদের সঙ্গে না বসে, তাহলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে।

আন্দোলনকারী মো. রাহিম ইসলাম বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঘোষণা দিয়েছেন, ২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ভোলা-বরিশাল সেতুর কাজ শুরু করবে। হঠাৎ করে গত মাসে সেতু উপদেষ্টা ভোলায় এসে বললেন, সেতুর কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তারা এটি পুনরায় যাচাই-বাছাই করে দেখবেন এবং ভোলা-বরিশাল সেতু করলে পরিবেশের জন্য ক্ষতি হবে। উপদেষ্টার এমন কথা ভোলাবাসীর সঙ্গে প্রতারণার শামিল।

তিনি বলেন, আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা কর্মসূচি চালিয়ে যাব।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা না থাকায় ২ মাস ধরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বন্ধ

বরিশালটাইমস রিপোর্ট

বরিশালটাইমস রিপোর্ট

০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:০৯

প্রিন্ট এন্ড সেভ

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা না থাকায় ২ মাস ধরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বন্ধ

ভোলার লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা না থাকায় দুই মাস ধরে বেতন-ভাতা তুলতে পারছেন না হাসপাতালে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এতে চরম দুর্দশায় পড়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রায় ১৩০ জন কর্মকর্তা এবং কর্মচারী রয়েছেন। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণির ১২ জন ও দ্বিতীয় শ্রেণির ৩২ জন কর্মকর্তা এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ৮৬ জন কর্মচারী। তারা গত অক্টোবর ও নভেম্বর মাসের কোনো ধরনের বেতন-ভাতা তুলতে পারেননি। এতে তারা চরম অর্থ সংকটে ভুগছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার (ইউএইচএফপিও) বদলির পর থেকে গত দুই মাস ধরে আমাদের সবার বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে। ভারপ্রাপ্ত একজন দায়িত্বে থাকলেও তাকে ডিডিওশিপ (আয়ন-ব্যয়ন ক্ষমতা) না দেওয়ায় হয়নি।

এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. মহসীন খান জানান, আমি বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে রয়েছি। তবে আমাকে ডিডিওশিপ না দেওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের বেতন-ভাতা তুলতে পারছেন না। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করছি এ সমস্যা সমাধানে কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

ভোলা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মু. মনিরুল ইসলাম মোবাইল ফোনে বলেন, লালমোহনে ইউএইচএফপিও পদায়ন না করায় এ সম্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তবে এই সপ্তাহের মধ্যে সেখানে ইউএইচএফপিও পদায়ন করা না হলে আমিই ডিডিওশিপ এনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা করব।

custom sidebar ads

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

জনপ্রিয়

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.