
০৬ জুলাই, ২০২৫ ১৮:২৬
বরগুনা জেলায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। চলতি বছর জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ২৯ জন। সর্বশেষ শনিবার (৫ জুলাই) দুপুরে রাইছা নামে ১১ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সে বামনা উপজেলার সদর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহমান মল্লিকের মেয়ে।
বরগুনা স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত বরগুনায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৩ হাজার ৩৫৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ৬৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্থানীয় জনসাধারণ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে।
জানা গেছে, রাইছাকে কয়েক দিন আগে স্থানীয় এক চিকিৎসক ডা. এনামুল হক তুহিনের কাছে নেওয়া হয়। সেখানে এনএসওয়ান অ্যান্টিজেন এবং সিবিসি পরীক্ষা করা হলে ডেঙ্গু নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। তবে রিপোর্টে তার প্লাটিলেট স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম ছিল বলে জানান চিকিৎসক।
বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মনিরুজ্জামান বলেন, রাইছার শরীরে ডেঙ্গুর লক্ষণ ছিল। পরীক্ষায় নেগেটিভ এলেও অনেক সময় রিপোর্টের বাইরে গিয়েও উপসর্গ দিয়ে রোগ নির্ণয় করতে হয়। তার প্লাটিলেট দ্রুত কমে যাচ্ছিল, যা ডেঙ্গুর একটি সাধারণ এবং মারাত্মক লক্ষণ।
দুর্ভাগ্যজনকভাবে, উন্নত চিকিৎসা পাবার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে বরগুনা জেলায় ডেঙ্গুতে মৃত্যুবরণ করা ২৯ জনের মধ্যে ছয়জন বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে মারা যান। বাকিরা বরিশাল ও অন্যান্য হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অথবা হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মৃত্যুবরণ করেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বরগুনায় সচেতনতার অভাব, সময়মতো রোগ নির্ণয়ের ঘাটতি এবং চিকিৎসা সুবিধার সীমাবদ্ধতা ডেঙ্গু পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
এদিকে শিশু রাইছার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বামনা উপজেলা, বরগুনা জেলা ও কেন্দ্রীয় বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী। তারা এক বিবৃতিতে বলেন, শিশু রাইছার এ অকাল মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের জন্য নয়, পুরো সমাজের জন্য এক চরম বেদনাদায়ক ঘটনা। আমরা সরকারের কাছে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাই।
বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মনিরুজ্জামান বলেন, ডেঙ্গু একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ। তবে সময়মতো পরীক্ষা, সঠিক তথ্য ও দ্রুত চিকিৎসা না হলে তা প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। তাই প্রত্যেককে সচেতন থাকতে হবে।
বরগুনা সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা জোরদারে কাজ চলছে। বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং জরুরি ওয়ার্ডে আলাদা শয্যা বাড়ানোর কাজ করছে তারা।
বরগুনা জেলায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। চলতি বছর জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ২৯ জন। সর্বশেষ শনিবার (৫ জুলাই) দুপুরে রাইছা নামে ১১ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সে বামনা উপজেলার সদর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহমান মল্লিকের মেয়ে।
বরগুনা স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত বরগুনায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৩ হাজার ৩৫৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ৬৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্থানীয় জনসাধারণ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে।
জানা গেছে, রাইছাকে কয়েক দিন আগে স্থানীয় এক চিকিৎসক ডা. এনামুল হক তুহিনের কাছে নেওয়া হয়। সেখানে এনএসওয়ান অ্যান্টিজেন এবং সিবিসি পরীক্ষা করা হলে ডেঙ্গু নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। তবে রিপোর্টে তার প্লাটিলেট স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম ছিল বলে জানান চিকিৎসক।
বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মনিরুজ্জামান বলেন, রাইছার শরীরে ডেঙ্গুর লক্ষণ ছিল। পরীক্ষায় নেগেটিভ এলেও অনেক সময় রিপোর্টের বাইরে গিয়েও উপসর্গ দিয়ে রোগ নির্ণয় করতে হয়। তার প্লাটিলেট দ্রুত কমে যাচ্ছিল, যা ডেঙ্গুর একটি সাধারণ এবং মারাত্মক লক্ষণ।
দুর্ভাগ্যজনকভাবে, উন্নত চিকিৎসা পাবার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে বরগুনা জেলায় ডেঙ্গুতে মৃত্যুবরণ করা ২৯ জনের মধ্যে ছয়জন বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে মারা যান। বাকিরা বরিশাল ও অন্যান্য হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অথবা হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মৃত্যুবরণ করেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বরগুনায় সচেতনতার অভাব, সময়মতো রোগ নির্ণয়ের ঘাটতি এবং চিকিৎসা সুবিধার সীমাবদ্ধতা ডেঙ্গু পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
এদিকে শিশু রাইছার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বামনা উপজেলা, বরগুনা জেলা ও কেন্দ্রীয় বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী। তারা এক বিবৃতিতে বলেন, শিশু রাইছার এ অকাল মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের জন্য নয়, পুরো সমাজের জন্য এক চরম বেদনাদায়ক ঘটনা। আমরা সরকারের কাছে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাই।
বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মনিরুজ্জামান বলেন, ডেঙ্গু একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ। তবে সময়মতো পরীক্ষা, সঠিক তথ্য ও দ্রুত চিকিৎসা না হলে তা প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। তাই প্রত্যেককে সচেতন থাকতে হবে।
বরগুনা সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা জোরদারে কাজ চলছে। বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং জরুরি ওয়ার্ডে আলাদা শয্যা বাড়ানোর কাজ করছে তারা।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৬
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.