পটুয়াখালীর চারটি আসনের বিএনপি মনোনয়নপ্রত্যাশী ৮ নেতা ডাক পেলেন গুলশানে। সবার সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় রাজধানীর গুলশান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে এ বৈঠক।
ধারণা করা হচ্ছে, এ বৈঠকের পর শুরু হবে চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের সবুজ সংকেত দেওয়ার কাজ। চলতি মাসের শেষ থেকে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই সংকেত পাবেন প্রার্থীরা।
পটুয়াখালী জেলা থেকে ডাক পেয়েছেন- পটুয়াখালী-১ (সদর-দুমকী-মির্জাগঞ্জ) থেকে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী। পটুয়াখালী-২ (বাউফল) থেকে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদার এবং বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার। পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) থেকে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন ও পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) থেকে কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন ও কলাপাড়া বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মনির।
গুলশানে ডাক পাওয়ার বিষয়ে পটুয়াখালী-২ বাউফল আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী কেন্দ্রীয় বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন কালবেলাকে বলেন, আমাদের কাল বিকেল ৪টায় গুলশান অফিসে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। তবে কে নমিনেশন পাবে বা কবে চূড়ান্ত করা হবে এ বিষয় কথা বলতে রাজি হননি তিনি।
আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক এমপি শহিদুল আলম তালুকদার বলেন, আমাদেরকে কাল বিকেল ৪টায় গুলশান অফিসে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। কোন বিষয় ডাকা হয়েছে তা আমাদেরকে বলা হয়নি।
পটুয়াখালী-১ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি বলেন, গুলশানে উপস্থিত থাকার চিঠি আমরা পেয়েছি। কোন বিষয় ডাকা হয়েছে তা আমরা জানতে পারিনি।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকটি একটি সাংগঠনিক প্রক্রিয়া। বিএনপির মতো বড় একটি দলে সংসদ সদস্য নির্বাচন করার মতো যোগ্যতাসম্পন্ন নেতা প্রতিটি আসনেই গড়ে ৪-৫ জন করে রয়েছেন। মনোনয়ন চাইলেই যেমন সবাই পাবেন না, তেমনি দলেরও তো একটি পদ্ধতি রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বৈঠকে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের জন্য দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মনোনয়ন চাওয়া কিংবা এমপি হওয়া বড় কথা নয়, আমাদের সবার একটাই লক্ষ্য, ধানের শীষের বিজয়।

২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৫৬
পটুয়াখালীর দুমকিতে আব্দুল হাই ফাউন্ডেশনের আয়োজনে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে বাকেরগঞ্জ একাদশকে ৩-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দুমকি একাদশ।
গতকাল বিকেলে সরকারি জনতা কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে দুমকি একাদশ। ধারাবাহিক আক্রমণ থেকে তারা তিনটি গোল আদায় করে নেয়। বিপরীতে একাধিক সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারেনি বাকেরগঞ্জ একাদশ।
খেলা শেষে বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম। খেলার উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান টোটন।
এ সময় পবিপ্রবির প্রো-ভিসি এবিএম সাইফুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. জামাল হোসেন, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোহাম্মদ বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মিলন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী, থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মৃধাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, যুব সমাজকে ক্রীড়ামুখী করা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে আব্দুল হাই ফাউন্ডেশনের আয়োজনে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে বাকেরগঞ্জ একাদশকে ৩-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দুমকি একাদশ।
গতকাল বিকেলে সরকারি জনতা কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে দুমকি একাদশ। ধারাবাহিক আক্রমণ থেকে তারা তিনটি গোল আদায় করে নেয়। বিপরীতে একাধিক সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারেনি বাকেরগঞ্জ একাদশ।
খেলা শেষে বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম। খেলার উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান টোটন।
এ সময় পবিপ্রবির প্রো-ভিসি এবিএম সাইফুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. জামাল হোসেন, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোহাম্মদ বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মিলন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী, থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মৃধাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, যুব সমাজকে ক্রীড়ামুখী করা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

২৬ আগস্ট, ২০২৬ ০১:৩৩
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীর এই হামলায় পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তত ১২ সদস্য আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের জেটিসংলগ্ন বটতলা বাজার এলাকায় ধানখালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তপন মৃধার নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়।
আহতদের মধ্যে রেজাউল প্যাদা (৪০), হীরন প্যাদা (৩৫), ইমাম প্যাদা (৩০), খোকন (২৫) এবং হাসানকে (২০) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের অভিযোগ, ধানখালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তপন মৃধার নেতৃত্বে ৭-৮ জন লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান।
শ্রমিকরা জানান, মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে পায়রা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে জাহাজের মালামাল বোঝাই ও খালাস কার্যক্রমে সরকার নিবন্ধিত সংগঠন পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন তারা। পরে বিকেল ৩টার দিকে কলাপাড়া থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় সাময়িকভাবে আন্দোলন স্থগিত করা হয়। তবে কয়েকজন শ্রমিক বটতলা বাজার এলাকায় অবস্থান করছিলেন।
শ্রমিকদের অভিযোগ, বিকেল ৫টার দিকে যুবদল নেতা তপন মৃধার নেতৃত্বে ৭-৮ জন সেখানে এসে অতর্কিত হামলা চালান। এ সময় বেশ কয়েকজন শ্রমিক আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে যান।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে ধানখালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তপন মৃধা বলেন, ‘ঘটনাস্থলে প্রশাসনের লোকজন ছিলেন। তারা যদি বলেন, আমি মারধরের সঙ্গে জড়িত ছিলাম, তাহলে আমি অপরাধী। মারধরের পর ঘটনা শুনে আমি সেখানে গিয়েছি। কারা কারা মারামারি করেছে, তা আমি জানি না।’
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীর এই হামলায় পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তত ১২ সদস্য আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের জেটিসংলগ্ন বটতলা বাজার এলাকায় ধানখালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তপন মৃধার নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়।
আহতদের মধ্যে রেজাউল প্যাদা (৪০), হীরন প্যাদা (৩৫), ইমাম প্যাদা (৩০), খোকন (২৫) এবং হাসানকে (২০) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের অভিযোগ, ধানখালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তপন মৃধার নেতৃত্বে ৭-৮ জন লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান।
শ্রমিকরা জানান, মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে পায়রা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে জাহাজের মালামাল বোঝাই ও খালাস কার্যক্রমে সরকার নিবন্ধিত সংগঠন পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন তারা। পরে বিকেল ৩টার দিকে কলাপাড়া থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় সাময়িকভাবে আন্দোলন স্থগিত করা হয়। তবে কয়েকজন শ্রমিক বটতলা বাজার এলাকায় অবস্থান করছিলেন।
শ্রমিকদের অভিযোগ, বিকেল ৫টার দিকে যুবদল নেতা তপন মৃধার নেতৃত্বে ৭-৮ জন সেখানে এসে অতর্কিত হামলা চালান। এ সময় বেশ কয়েকজন শ্রমিক আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে যান।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে ধানখালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তপন মৃধা বলেন, ‘ঘটনাস্থলে প্রশাসনের লোকজন ছিলেন। তারা যদি বলেন, আমি মারধরের সঙ্গে জড়িত ছিলাম, তাহলে আমি অপরাধী। মারধরের পর ঘটনা শুনে আমি সেখানে গিয়েছি। কারা কারা মারামারি করেছে, তা আমি জানি না।’
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০১
পটুয়াখালীর বাউফলে পুলশিরে বিশেষ অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ একাধিক মাদক মামলার আসামি মো. সুমন মৃধা (৩০) ও তানিয়া বগেম (৩৩) নামে দুজনকে আটক করে বাউফল থানা পুলশি।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী পুলশি সুপার (বাউফল সারকেল) সব্যসাচী মজুমদার ও ওসি সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের আর্দশপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সুমন মৃধা তানিয়ার স্বামীর কাছ থেকে ২০০ পসি ইয়াবা কিনে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের হাতে আটক হন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তানিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আরও ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় তানিয়াকে আটক করা হলেও তার স্বামী মোঃ সুমন মৃধা (৩৫) পালিয়ে যায়।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, আটক সুমন এর আগেও মাদকসহ গ্রেফতার হয়েছিল। এ ঘটনায় আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে । মাদকরে বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
পটুয়াখালীর বাউফলে পুলশিরে বিশেষ অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ একাধিক মাদক মামলার আসামি মো. সুমন মৃধা (৩০) ও তানিয়া বগেম (৩৩) নামে দুজনকে আটক করে বাউফল থানা পুলশি।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী পুলশি সুপার (বাউফল সারকেল) সব্যসাচী মজুমদার ও ওসি সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের আর্দশপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সুমন মৃধা তানিয়ার স্বামীর কাছ থেকে ২০০ পসি ইয়াবা কিনে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের হাতে আটক হন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তানিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আরও ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় তানিয়াকে আটক করা হলেও তার স্বামী মোঃ সুমন মৃধা (৩৫) পালিয়ে যায়।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, আটক সুমন এর আগেও মাদকসহ গ্রেফতার হয়েছিল। এ ঘটনায় আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে । মাদকরে বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

২৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:১৬
পটুয়াখালীর চারটি আসনের বিএনপি মনোনয়নপ্রত্যাশী ৮ নেতা ডাক পেলেন গুলশানে। সবার সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় রাজধানীর গুলশান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে এ বৈঠক।
ধারণা করা হচ্ছে, এ বৈঠকের পর শুরু হবে চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের সবুজ সংকেত দেওয়ার কাজ। চলতি মাসের শেষ থেকে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই সংকেত পাবেন প্রার্থীরা।
পটুয়াখালী জেলা থেকে ডাক পেয়েছেন- পটুয়াখালী-১ (সদর-দুমকী-মির্জাগঞ্জ) থেকে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী। পটুয়াখালী-২ (বাউফল) থেকে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদার এবং বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার। পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) থেকে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন ও পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) থেকে কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন ও কলাপাড়া বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মনির।
গুলশানে ডাক পাওয়ার বিষয়ে পটুয়াখালী-২ বাউফল আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী কেন্দ্রীয় বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন কালবেলাকে বলেন, আমাদের কাল বিকেল ৪টায় গুলশান অফিসে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। তবে কে নমিনেশন পাবে বা কবে চূড়ান্ত করা হবে এ বিষয় কথা বলতে রাজি হননি তিনি।
আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক এমপি শহিদুল আলম তালুকদার বলেন, আমাদেরকে কাল বিকেল ৪টায় গুলশান অফিসে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। কোন বিষয় ডাকা হয়েছে তা আমাদেরকে বলা হয়নি।
পটুয়াখালী-১ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি বলেন, গুলশানে উপস্থিত থাকার চিঠি আমরা পেয়েছি। কোন বিষয় ডাকা হয়েছে তা আমরা জানতে পারিনি।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকটি একটি সাংগঠনিক প্রক্রিয়া। বিএনপির মতো বড় একটি দলে সংসদ সদস্য নির্বাচন করার মতো যোগ্যতাসম্পন্ন নেতা প্রতিটি আসনেই গড়ে ৪-৫ জন করে রয়েছেন। মনোনয়ন চাইলেই যেমন সবাই পাবেন না, তেমনি দলেরও তো একটি পদ্ধতি রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বৈঠকে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের জন্য দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মনোনয়ন চাওয়া কিংবা এমপি হওয়া বড় কথা নয়, আমাদের সবার একটাই লক্ষ্য, ধানের শীষের বিজয়।
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ২০:১৪
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৫৬
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৫৭
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:২৫