Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৩
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত সময়ে যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন না করে নিজেদের পকেট ভারি করেছে। দেশ থেকে ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে নওগাঁর এ.টিম মাঠে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত নির্বাচনী জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হ্যাক ও অপপ্রচারের অভিযোগ
নিজের বিরুদ্ধে চলা অপপ্রচারের জবাব দিতে গিয়ে জামায়াত আমির বলেন, গত ৫ দিন ধরে ধারাবাহিকভাবে আমার ওপর মিসাইল নিক্ষেপ (অপপ্রচার) করা হচ্ছে।
যারা এই দেশকে গোলামের রাষ্ট্রে বানাতে চায়, তারা আমার এক্স (সাবেক টুইটার) আইডি হ্যাক করে জালিয়াতির মাধ্যমে এসব মিথ্যা ছড়াচ্ছে। আমাদের আইটি টিম তাদের শনাক্ত করতে পেরেছে।
আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আফসোস হলো-দীর্ঘদিন যারা একসঙ্গে আন্দোলনে ছিলাম, সেই দলের ভায়েরাই এখন আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। আমি তাদের কোনো উত্তর দেইনি, দিতেও চাই না।
আমি তাদের ক্ষমা করে দিয়েছি এবং আল্লাহর কাছেও তাদের জন্য ক্ষমা চাই।
জুলাই স্মৃতি ও হুঁশিয়ারি
জুলাই অভ্যুত্থানে নারীদের অবদানের কথা স্মরণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন মায়েদের ওপর হাত দেওয়া হয়েছিল, তখন সারাদেশ ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল। কিন্তু দুঃখজনক বিষয়, ইদানীং কেউ কেউ মায়েদের সঙ্গে অপমানজনক আচরণ করছেন। যদি মায়েদের সম্মান করতে না পারেন, হুমকি-ধমকি বন্ধ না করেন, তবে জুলাইয়ের মতো আবারও আন্দোলন হবে।
মনে রাখতে হবে, সন্তানেরা এখনো ঘুমায়নি।
উত্তরবঙ্গ ও স্থানীয় উন্নয়ন
নওগাঁকে দেশের খাদ্যভাণ্ডার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছোট্ট এই জেলাটি দেশের খাদ্যের যোগান দিলেও তারা ন্যায্য অধিকার পায়নি। উত্তরবঙ্গকে আমরা কৃষি শিল্পের রাজধানী করার ঘোষণা দিয়েছি। আল্লাহ সুযোগ দিলে এখানে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও উন্নতমানের মেডিকেল কলেজ করা হবে। এছাড়া আম, কুল ও লিচু চাষিদের সুবিধার্থে একাধিক হিমাগার (সংরক্ষণাগার) নির্মাণ করা হবে।
শিক্ষা ও মেধার মূল্যায়ন
নেতৃত্ব ও শিক্ষা প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, আমরা শুধু রাজার ছেলে রাজা এবং বংশপরম্পরায় নেতৃত্ব-এটা চাই না। একজন ভ্যানচালকের ছেলে যদি মেধাবী হয়, তবে তাকেও দেশ পরিচালনা করার ব্যবস্থা করা হবে।
এছাড়া ছাত্রীদের জন্য মাস্টার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে লেখাপড়ার সুযোগ থাকবে।
তিনি ঘোষণা করেন, আমাদের অঙ্গীকার-আমরা চাঁদাবাজি করি না, কাউকে করতেও দেবো না। মামলাবাজি আমাদের খাসলত নয়। আমরা এমন নিরাপদ জনপদ গড়তে চাই, যেখানে মায়েদের দিকে কেউ চোখ তুলে তাকাতে পারবে না।
লুন্ঠিত টাকা উদ্ধার ও দুর্নীতি দমন
বিগত সরকারের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশে যারা ক্ষমতায় ছিল তারা জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন না করে নিজেদের উন্নয়ন করেছে। ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। ইনশাআল্লাহ আমরা কথা দিচ্ছি, ক্ষমতায় গেলে নতুন করে আর কাউকে চুরি ও দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না। আর লুন্ঠিত টাকা পেটের মধ্যে হাত দিয়ে বের করে আনা হবে, যা সরকারের কোষাগারে যুক্ত হবে।
উত্তরবঙ্গ হবে কৃষি শিল্পের রাজধানী
নওগাঁ ও উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের খাদ্য ভাণ্ডারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে ছোট্ট এই জেলাটি। কিন্তু তারা তাদের ন্যায্য অধিকার পায়নি। উত্তরবঙ্গকে আমরা ইতিমধ্যে কৃষি শিল্পের রাজধানী করার ঘোষণা দিয়েছি। এখানে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও উন্নত মানসম্মত মেডিকেল কলেজ করা হবে। আম, কুল ও লিচু সংরক্ষণের জন্য একাধিক হিমাগার (সংরক্ষণাগার) নির্মাণ করা হবে।
নারীদের শিক্ষা ও মেরিটোক্রেসি
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ছাত্রীদের জন্য আমাদের বিশেষ কর্মসূচি থাকবে। মাস্টার্স পর্যন্ত তাদের বিনামূল্যে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করা হবে। আমরা শুধু রাজার ছেলে রাজা এবং বংশপরম্পরায় নেতৃত্ব-এটা চাই না। একজন ভ্যানচালকের ছেলে যদি মেধাবী হয়, তবে তাকেও দেশ পরিচালনা করার ব্যবস্থা করব।
তিনি আরও বলেন, আমাদের অঙ্গীকার-আমরা চাঁদাবাজি করি না, কাউকে করতেও দেবো না। মামলাবাজি আমাদের খাসলত নয়। আমরা ক্ষমতায় গেলে মায়েদের প্রতি কেউ চোখ তুলে তাকাতে পারবে না, এমন নিরাপদ জনপদ গড়ে তোলা হবে।
সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত সময়ে যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন না করে নিজেদের পকেট ভারি করেছে। দেশ থেকে ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে নওগাঁর এ.টিম মাঠে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত নির্বাচনী জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হ্যাক ও অপপ্রচারের অভিযোগ
নিজের বিরুদ্ধে চলা অপপ্রচারের জবাব দিতে গিয়ে জামায়াত আমির বলেন, গত ৫ দিন ধরে ধারাবাহিকভাবে আমার ওপর মিসাইল নিক্ষেপ (অপপ্রচার) করা হচ্ছে।
যারা এই দেশকে গোলামের রাষ্ট্রে বানাতে চায়, তারা আমার এক্স (সাবেক টুইটার) আইডি হ্যাক করে জালিয়াতির মাধ্যমে এসব মিথ্যা ছড়াচ্ছে। আমাদের আইটি টিম তাদের শনাক্ত করতে পেরেছে।
আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আফসোস হলো-দীর্ঘদিন যারা একসঙ্গে আন্দোলনে ছিলাম, সেই দলের ভায়েরাই এখন আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। আমি তাদের কোনো উত্তর দেইনি, দিতেও চাই না।
আমি তাদের ক্ষমা করে দিয়েছি এবং আল্লাহর কাছেও তাদের জন্য ক্ষমা চাই।
জুলাই স্মৃতি ও হুঁশিয়ারি
জুলাই অভ্যুত্থানে নারীদের অবদানের কথা স্মরণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন মায়েদের ওপর হাত দেওয়া হয়েছিল, তখন সারাদেশ ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল। কিন্তু দুঃখজনক বিষয়, ইদানীং কেউ কেউ মায়েদের সঙ্গে অপমানজনক আচরণ করছেন। যদি মায়েদের সম্মান করতে না পারেন, হুমকি-ধমকি বন্ধ না করেন, তবে জুলাইয়ের মতো আবারও আন্দোলন হবে।
মনে রাখতে হবে, সন্তানেরা এখনো ঘুমায়নি।
উত্তরবঙ্গ ও স্থানীয় উন্নয়ন
নওগাঁকে দেশের খাদ্যভাণ্ডার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছোট্ট এই জেলাটি দেশের খাদ্যের যোগান দিলেও তারা ন্যায্য অধিকার পায়নি। উত্তরবঙ্গকে আমরা কৃষি শিল্পের রাজধানী করার ঘোষণা দিয়েছি। আল্লাহ সুযোগ দিলে এখানে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও উন্নতমানের মেডিকেল কলেজ করা হবে। এছাড়া আম, কুল ও লিচু চাষিদের সুবিধার্থে একাধিক হিমাগার (সংরক্ষণাগার) নির্মাণ করা হবে।
শিক্ষা ও মেধার মূল্যায়ন
নেতৃত্ব ও শিক্ষা প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, আমরা শুধু রাজার ছেলে রাজা এবং বংশপরম্পরায় নেতৃত্ব-এটা চাই না। একজন ভ্যানচালকের ছেলে যদি মেধাবী হয়, তবে তাকেও দেশ পরিচালনা করার ব্যবস্থা করা হবে।
এছাড়া ছাত্রীদের জন্য মাস্টার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে লেখাপড়ার সুযোগ থাকবে।
তিনি ঘোষণা করেন, আমাদের অঙ্গীকার-আমরা চাঁদাবাজি করি না, কাউকে করতেও দেবো না। মামলাবাজি আমাদের খাসলত নয়। আমরা এমন নিরাপদ জনপদ গড়তে চাই, যেখানে মায়েদের দিকে কেউ চোখ তুলে তাকাতে পারবে না।
লুন্ঠিত টাকা উদ্ধার ও দুর্নীতি দমন
বিগত সরকারের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশে যারা ক্ষমতায় ছিল তারা জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন না করে নিজেদের উন্নয়ন করেছে। ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। ইনশাআল্লাহ আমরা কথা দিচ্ছি, ক্ষমতায় গেলে নতুন করে আর কাউকে চুরি ও দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না। আর লুন্ঠিত টাকা পেটের মধ্যে হাত দিয়ে বের করে আনা হবে, যা সরকারের কোষাগারে যুক্ত হবে।
উত্তরবঙ্গ হবে কৃষি শিল্পের রাজধানী
নওগাঁ ও উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের খাদ্য ভাণ্ডারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে ছোট্ট এই জেলাটি। কিন্তু তারা তাদের ন্যায্য অধিকার পায়নি। উত্তরবঙ্গকে আমরা ইতিমধ্যে কৃষি শিল্পের রাজধানী করার ঘোষণা দিয়েছি। এখানে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও উন্নত মানসম্মত মেডিকেল কলেজ করা হবে। আম, কুল ও লিচু সংরক্ষণের জন্য একাধিক হিমাগার (সংরক্ষণাগার) নির্মাণ করা হবে।
নারীদের শিক্ষা ও মেরিটোক্রেসি
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ছাত্রীদের জন্য আমাদের বিশেষ কর্মসূচি থাকবে। মাস্টার্স পর্যন্ত তাদের বিনামূল্যে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করা হবে। আমরা শুধু রাজার ছেলে রাজা এবং বংশপরম্পরায় নেতৃত্ব-এটা চাই না। একজন ভ্যানচালকের ছেলে যদি মেধাবী হয়, তবে তাকেও দেশ পরিচালনা করার ব্যবস্থা করব।
তিনি আরও বলেন, আমাদের অঙ্গীকার-আমরা চাঁদাবাজি করি না, কাউকে করতেও দেবো না। মামলাবাজি আমাদের খাসলত নয়। আমরা ক্ষমতায় গেলে মায়েদের প্রতি কেউ চোখ তুলে তাকাতে পারবে না, এমন নিরাপদ জনপদ গড়ে তোলা হবে।
সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৫৭

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১১
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্বনির্ধারিত বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ সদর উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসন এই সফর বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো তারিখ ঠিক করা হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তারেক রহমান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শপথ গ্রহণের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ওই শূন্য আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এই সফর স্থগিতের বিষয়ে বলেন, বগুড়া সদর আসনে বর্তমানে নির্বাচনী তফসিল চলছে। এ সময়ে সরকারের কোনো বিশেষ কর্মসূচি বা ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মতো অনুষ্ঠান হলে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই বিধি ভঙ্গের সুযোগ না দিতেই তিনি এই সফর স্থগিত করেছেন।
এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শিবগঞ্জ সফরে এসে জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। তবে নির্বাচনী বিধিনিষেধের কারণে শেষ মুহূর্তে সফরটি পিছিয়ে দেওয়া হলো।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির রেজাউল করিম বাদশাসহ ৩ জন। এই আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের ছেড়ে দেওয়া আসন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে।

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৪
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলাে আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে মুক্তির পর তার বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবি ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তার বাসায় ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।
বুধবার রাতে তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল আহমেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে।
বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে। উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।”
কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, “বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না।
আমার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব সমান।” তার এই বক্তব্য ঘিরে বুড়িচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত খুঁজছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে সদস্যদের কণ্ঠভোটে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পড়ান। এ খবরে তার নিজ জেলা নেত্রকোনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস বইছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কায়সার কামালের বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। বাবার সেই জনপ্রতিনিধিত্বের ধারাবাহিকতায় ছেলে এখন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই নির্বাচনি এলাকা ছাড়াও জেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন।
বিজ্ঞাপন
কলমাকান্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অত্যন্ত মানবিক মানুষ। তিনি ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।
স্বাধীনতার পর এই আসন থেকে প্রথমবারের মতো একজন ডেপুটি স্পিকার পেয়েছি। তার বাবাও জনপ্রতিনিধি ছিলেন। বাবাকে ছাড়িয়ে ছেলে এখন ডেপুটি স্পিকার হয়েছেন-এটা আমাদের জন্য গর্বের।
তিনি আরও বলেন, এই পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে জনসেবা করে আসছে। কায়সার কামালের দাদা ও নানাও পঞ্চায়েতের সভাপতি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কায়সার কামাল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে কয়েক হাজার দরিদ্র ও চিকিৎসাবঞ্চিত জটিল রোগীর (হৃদরোগ, ক্যানসার, থ্যালাসেমিয়া, কিডনি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও মানসিক রোগী) চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, অস্থায়ী সেতু, গির্জা ও মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্মশান ও কবরস্থান নির্মাণ ও সংস্কার করেছেন।
কায়সার কামালের জন্ম ১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর কলমাকান্দার চত্রংপুর গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে। বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মা প্রয়াত বেগম যোবাইদা কামাল ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি মেজো। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।
শিক্ষাজীবনে তিনি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে এসএসসি, আনন্দমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়ে ইউনিভার্সিটি অব লভারহ্যাম্পটন থেকে এলএলবি (অনার্স) সম্পন্ন করেন এবং লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৮ সালে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হন এবং একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য পদ লাভ করেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি অবস্থার সময় তিনি জিয়া পরিবারের আইনজীবী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে সদস্যদের কণ্ঠভোটে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পড়ান। এ খবরে তার নিজ জেলা নেত্রকোনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস বইছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কায়সার কামালের বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। বাবার সেই জনপ্রতিনিধিত্বের ধারাবাহিকতায় ছেলে এখন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই নির্বাচনি এলাকা ছাড়াও জেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন।
বিজ্ঞাপন
কলমাকান্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অত্যন্ত মানবিক মানুষ। তিনি ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।
স্বাধীনতার পর এই আসন থেকে প্রথমবারের মতো একজন ডেপুটি স্পিকার পেয়েছি। তার বাবাও জনপ্রতিনিধি ছিলেন। বাবাকে ছাড়িয়ে ছেলে এখন ডেপুটি স্পিকার হয়েছেন-এটা আমাদের জন্য গর্বের।
তিনি আরও বলেন, এই পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে জনসেবা করে আসছে। কায়সার কামালের দাদা ও নানাও পঞ্চায়েতের সভাপতি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কায়সার কামাল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে কয়েক হাজার দরিদ্র ও চিকিৎসাবঞ্চিত জটিল রোগীর (হৃদরোগ, ক্যানসার, থ্যালাসেমিয়া, কিডনি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও মানসিক রোগী) চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, অস্থায়ী সেতু, গির্জা ও মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্মশান ও কবরস্থান নির্মাণ ও সংস্কার করেছেন।
কায়সার কামালের জন্ম ১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর কলমাকান্দার চত্রংপুর গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে। বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মা প্রয়াত বেগম যোবাইদা কামাল ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি মেজো। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।
শিক্ষাজীবনে তিনি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে এসএসসি, আনন্দমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়ে ইউনিভার্সিটি অব লভারহ্যাম্পটন থেকে এলএলবি (অনার্স) সম্পন্ন করেন এবং লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৮ সালে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হন এবং একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য পদ লাভ করেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি অবস্থার সময় তিনি জিয়া পরিবারের আইনজীবী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্বনির্ধারিত বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ সদর উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসন এই সফর বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো তারিখ ঠিক করা হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তারেক রহমান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শপথ গ্রহণের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ওই শূন্য আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এই সফর স্থগিতের বিষয়ে বলেন, বগুড়া সদর আসনে বর্তমানে নির্বাচনী তফসিল চলছে। এ সময়ে সরকারের কোনো বিশেষ কর্মসূচি বা ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মতো অনুষ্ঠান হলে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই বিধি ভঙ্গের সুযোগ না দিতেই তিনি এই সফর স্থগিত করেছেন।
এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শিবগঞ্জ সফরে এসে জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। তবে নির্বাচনী বিধিনিষেধের কারণে শেষ মুহূর্তে সফরটি পিছিয়ে দেওয়া হলো।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির রেজাউল করিম বাদশাসহ ৩ জন। এই আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের ছেড়ে দেওয়া আসন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে।
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলাে আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে মুক্তির পর তার বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবি ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তার বাসায় ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।
বুধবার রাতে তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল আহমেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে।
বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে। উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।”
কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, “বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না।
আমার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব সমান।” তার এই বক্তব্য ঘিরে বুড়িচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত খুঁজছেন।
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫