
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৭
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বিতর্কের মুখে বিক্রির টাকায় নতুন পশু কিনে ছেড়ে দিলেও দল থেকে পেলেন শোকজ নোটিস
বরিশালের শায়েস্তাবাদ পল্লীতে মানতের পশু জবাই করাসহ গোশত বিক্রি করে রাজনৈতিকভাবে বেকায়দায় পড়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা সামছুল কবির ফরহাদ ওরফে ফরহাদ। গত ২৪ এপ্রিল স্থানীয় আটহাজার গ্রামে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ষাঁড়টি জবাই করে বিক্রির ঘটনায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব ফরহাদকে দলীয়ভাবে শোকজ অর্থাৎ কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ২৫ এপ্রিল পশুটির মালিক দাবি করে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানায় একটি অভিযোগ দেন চরকাউয়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার। সেই অভিযোগের প্রেক্ষাপটে স্থানীয় পত্র-পত্রিকা এবং ফেসবুকে ফরহাদের ছবিসংবলিত বিভিন্ন নেতিবাচক লেখালেখি হয়। বিতর্কের এড়াতে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা নতুন একটি ষাঁড় ক্রয় করে ছাড়লেও এনিয়ে দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিকরা নেপথ্যে থেকে তাকে ঘায়েল করতে নানান তৎপরতায় চালানোয় বিষয়টি নিয়ে এখন সর্বত্র চর্চা হয়, হচ্ছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র নিশ্চিত করে গত ২৪ এপ্রিল সকালে শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সামছুল কবির ফরহাদের নেতৃত্বে স্থানীয় আটহাজার গ্রামে ষাঁড়টিকে জবাই করা হয়। এবং পরবর্তীতে ভাগা দিয়ে ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে। মানতের ষাঁড় বিক্রির ৯৩ হাজার টাকা তার কাছে রেখে দিলে বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যেকার বিতর্ক তৈরি হয়।
সূত্র জানায়, স্বেচ্ছাসেবক দলনেতার এই নীতিবিবর্জিত কর্মকান্ডটি আলোচনায় আসলে চরকাউয়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার ষাঁড়টির মালিক দাবি করে কাউনিয়া থানায় একটি অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে পুলিশ তদন্ত শুরু করলে চাপের মুখে পড়ে যান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফরহাদ। এবং বিষয়টি নিয়ে দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের দৌড়ঝাপ দেখে সমূহ বিপদের আলামত পেয়ে তিনি ৮৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি ষাঁড় কিনে ছেড়ে দেন। কিন্তু এরপরেও কিছুতেই যেনো বিতর্ক থামছে না। এবার তাকে খোদ দল থেকে শোকজ নোটিস বা কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) স্বেচ্ছাসেবক দল বরিশাল জেলা শাখার তরফ থেকে নোটিসটি দেওয়া হয়।
অবশ্য নোটিসে মানতের ষাঁড় জবাই করে বিক্রির বিষয়টি উল্লেখ না থাকলেও স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদের বিরুদ্ধে সংগঠনে বিশৃঙ্খলা তৈরির কথা বলা হয়। এবং তাকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে নোটিসের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তাছাড়া অভিযোগ তদন্তে গিয়ে কাউনিয়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) উজ্জল ভক্ত ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন বলে জানা গেছে। ফলে মানতের পশু জবাইকান্ড নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদ যে পুলিশ এবং শীর্ষস্থানীয়দের চাপে আছেন তা সহজেই অনুমেয়।
তবে মানতের ষাঁড় ধরে জবাই করা এবং পরবর্তীতে মাংস বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করছেন স্বেচ্ছাসেক দলনেতা সামছুল কবির ফরহাদ ওরফে ফরহাদ। তিনি এ প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেছেন, ষাঁড়টি তারা ক্রয় করেছিলেন এবং সেটি রোগাক্রান্ত হওয়ায় গ্রামবাসীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জবাই করে বিক্রি করেন।
তাহলে আপনার বিরুদ্ধে মানতের ষাঁড় বিক্রির অভিযোগ কেনো উত্থ্যাপিত হলোÑ এমন প্রশ্ন রাখা হলে তিনি তার কোনো সদুত্তোর দিতে পারেননি। বরং টেলিআলাপের একপর্যায়ে তিনি নিজের বক্তব্যে তালগোল পাকিয়ে ফোনসংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন। অবশ্য এর আগেই তিনি উল্টো অভিযোগ করেন, দলীয় ঘরনার বিরোধী একটি পক্ষ তাকে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত করতে অপপ্রচার অব্যাহত রেখেছে।
কিন্তু স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদ যে মানতের পশু জবাই করেছেন তা কাউনিয়া থানা পুলিশের ওসি সন্জিৎ চন্দ্র দাসও নিশ্চিত হয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এই ঘটনায় চরকাউয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার বাদী হয়ে একটি অভিযোগ করেছেন। সেই অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে, আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সেক্ষেত্রে ধারনা করা হচ্ছে, মানতের ষাঁড় খাইতে গিয়ে মামলার পাশাপাশি দলীয় পদটিও সামছুল কবির ফরহাদ হারাতে পারেন, যা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শোকজ নোটিস দেখলে কিছুটা অনুমান করা যায়।
ইউনিয়নপর্যায়ের নেতার পশু জবাইকান্ড সম্পর্কে জানতে বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম জনিকে বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনায় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
বিতর্কের মুখে বিক্রির টাকায় নতুন পশু কিনে ছেড়ে দিলেও দল থেকে পেলেন শোকজ নোটিস
বরিশালের শায়েস্তাবাদ পল্লীতে মানতের পশু জবাই করাসহ গোশত বিক্রি করে রাজনৈতিকভাবে বেকায়দায় পড়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা সামছুল কবির ফরহাদ ওরফে ফরহাদ। গত ২৪ এপ্রিল স্থানীয় আটহাজার গ্রামে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ষাঁড়টি জবাই করে বিক্রির ঘটনায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব ফরহাদকে দলীয়ভাবে শোকজ অর্থাৎ কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ২৫ এপ্রিল পশুটির মালিক দাবি করে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানায় একটি অভিযোগ দেন চরকাউয়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার। সেই অভিযোগের প্রেক্ষাপটে স্থানীয় পত্র-পত্রিকা এবং ফেসবুকে ফরহাদের ছবিসংবলিত বিভিন্ন নেতিবাচক লেখালেখি হয়। বিতর্কের এড়াতে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা নতুন একটি ষাঁড় ক্রয় করে ছাড়লেও এনিয়ে দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিকরা নেপথ্যে থেকে তাকে ঘায়েল করতে নানান তৎপরতায় চালানোয় বিষয়টি নিয়ে এখন সর্বত্র চর্চা হয়, হচ্ছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র নিশ্চিত করে গত ২৪ এপ্রিল সকালে শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সামছুল কবির ফরহাদের নেতৃত্বে স্থানীয় আটহাজার গ্রামে ষাঁড়টিকে জবাই করা হয়। এবং পরবর্তীতে ভাগা দিয়ে ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে। মানতের ষাঁড় বিক্রির ৯৩ হাজার টাকা তার কাছে রেখে দিলে বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যেকার বিতর্ক তৈরি হয়।
সূত্র জানায়, স্বেচ্ছাসেবক দলনেতার এই নীতিবিবর্জিত কর্মকান্ডটি আলোচনায় আসলে চরকাউয়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার ষাঁড়টির মালিক দাবি করে কাউনিয়া থানায় একটি অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে পুলিশ তদন্ত শুরু করলে চাপের মুখে পড়ে যান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফরহাদ। এবং বিষয়টি নিয়ে দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের দৌড়ঝাপ দেখে সমূহ বিপদের আলামত পেয়ে তিনি ৮৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি ষাঁড় কিনে ছেড়ে দেন। কিন্তু এরপরেও কিছুতেই যেনো বিতর্ক থামছে না। এবার তাকে খোদ দল থেকে শোকজ নোটিস বা কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) স্বেচ্ছাসেবক দল বরিশাল জেলা শাখার তরফ থেকে নোটিসটি দেওয়া হয়।
অবশ্য নোটিসে মানতের ষাঁড় জবাই করে বিক্রির বিষয়টি উল্লেখ না থাকলেও স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদের বিরুদ্ধে সংগঠনে বিশৃঙ্খলা তৈরির কথা বলা হয়। এবং তাকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে নোটিসের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তাছাড়া অভিযোগ তদন্তে গিয়ে কাউনিয়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) উজ্জল ভক্ত ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন বলে জানা গেছে। ফলে মানতের পশু জবাইকান্ড নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদ যে পুলিশ এবং শীর্ষস্থানীয়দের চাপে আছেন তা সহজেই অনুমেয়।
তবে মানতের ষাঁড় ধরে জবাই করা এবং পরবর্তীতে মাংস বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করছেন স্বেচ্ছাসেক দলনেতা সামছুল কবির ফরহাদ ওরফে ফরহাদ। তিনি এ প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেছেন, ষাঁড়টি তারা ক্রয় করেছিলেন এবং সেটি রোগাক্রান্ত হওয়ায় গ্রামবাসীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জবাই করে বিক্রি করেন।
তাহলে আপনার বিরুদ্ধে মানতের ষাঁড় বিক্রির অভিযোগ কেনো উত্থ্যাপিত হলোÑ এমন প্রশ্ন রাখা হলে তিনি তার কোনো সদুত্তোর দিতে পারেননি। বরং টেলিআলাপের একপর্যায়ে তিনি নিজের বক্তব্যে তালগোল পাকিয়ে ফোনসংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন। অবশ্য এর আগেই তিনি উল্টো অভিযোগ করেন, দলীয় ঘরনার বিরোধী একটি পক্ষ তাকে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত করতে অপপ্রচার অব্যাহত রেখেছে।
কিন্তু স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদ যে মানতের পশু জবাই করেছেন তা কাউনিয়া থানা পুলিশের ওসি সন্জিৎ চন্দ্র দাসও নিশ্চিত হয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এই ঘটনায় চরকাউয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার বাদী হয়ে একটি অভিযোগ করেছেন। সেই অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে, আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সেক্ষেত্রে ধারনা করা হচ্ছে, মানতের ষাঁড় খাইতে গিয়ে মামলার পাশাপাশি দলীয় পদটিও সামছুল কবির ফরহাদ হারাতে পারেন, যা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শোকজ নোটিস দেখলে কিছুটা অনুমান করা যায়।
ইউনিয়নপর্যায়ের নেতার পশু জবাইকান্ড সম্পর্কে জানতে বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম জনিকে বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনায় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৩১
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’