
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:০০
স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর ১০ নং ওয়ার্ডে বিএনপির দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম এবং মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিক অনুসারী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের রোববার রাতের এই সংঘর্ষে বান্দরোড-বেলসপার্কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা দেখা দেয়। উভয়গ্রুপের অন্তত ত্রিশ মিনিটের অধিক সময় লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বেলসপার্কে আগন্তক দর্শনার্থীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেকার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে উভয়গ্রুপকে ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র বলছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে ১০ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম-কবির সিকদারদের সাথে আধিপত্য বিস্তারের লড়াই শুরু হয় মহানগর ছাত্রদল সিনিয়র সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিকের অনুগত হিরন-বেল্লালদের। বেশকিছু দিন ধরে উভয়গ্রুপের মধ্যে এনিয়ে ভেতরে ভেতরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
বুধবার দুপুরে তরিক অনুসারী ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতাকর্মী পার্শ্ববর্তী বরফকল এলাকায় কবিরের সাথে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। তখন ওয়ার্ড বিএনপি নেতা তোতাসহ আরও কজনের হস্তক্ষেপে থামলেও রাত ১১টার দিতে তা ব্যাপক আকারে দেখা দেয়।
ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম এ প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেন, কোস্টগার্ডে মাঝি নিয়োগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা তরিক অনুসারীরা বরিশাল মহানগর যুবদলের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক কবির সিকদারকে মারধর করেছে। অবশ্য এই কবির সিকদারের বিরুদ্ধেও আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে স্থানীয় নীরিহ বাসিন্দাদের হয়রানির অভিযোগ আছে।
কামরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দুপুরে কবির সিকদারকে হেনস্থার ঘটনাটি মীমাংসা করতে একটি সিদ্ধান্ত হয়েছিল। রাত ১০টায় আহুত সেই শালিস আয়োজনে তরিকের অনুসারী কেউ অংশ নেয়নি। বরং রাব্বি নামের যুবক তাকে ফোন করে মারার হুমকি দেয়।
১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা জানান, তিনিও রাতের সংঘাতের ঘটনার সাক্ষী। দুটি গ্রুপ লাঠিসোটা এবং অস্ত্রের মহড়া দিয়ে সংঘাতে জড়িয়েছে। এতে কামরুল-কবির গ্রুপের চারজন বেল্লাল, মামুন, ইমন এবং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মালেক আহত হয়েছেন, তাদের বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময় ছাত্রদল নেতা তরিক উপস্থিত থাকলেও তিনি উভয়গ্রুপকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন, জানান তোতা।
তবে তরিক অনুসারীদের দাবি, বেলসপার্ক মাঠ থেকে তার কর্মীরা একযোগে ১০ নং ওয়ার্ডের বরফকল এলাকায় শালিস বৈঠকে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগে কামরুল-কবির লোকজন নিয়ে এসে তাদের ওপর হামলা করে। এতে বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছেন। তরিকের কর্মীদের অভিযোগ, বিএনপি নেতা কামরুল আওয়ামী লীগের লোকজন নিয়ে ‘জয়বাংলা’ শ্লোগান দিয়ে তাদের ওপর হামলা করে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের আওতাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে কেডিসি-বান্দরোড এবং বেলসপার্ক এলাকার বিশৃঙ্খলা রোধ করে। পুলিশের ধাওয়ায় দুগ্রুপ ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে পরিবেশ পরিস্থিতিও শান্ত রয়েছে। পরবর্তীতে এই ঘটনায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সংঘাতের এই ঘটনার পরে বরফকল এবং কেডিসি এলাকায় পুলিশ-সেনাবাহিনী কয়েক দফা হানা দিয়েছে। তবে সংঘর্ষে জড়িত কাউকে আটক করার খবর পাওয়া যায়নি।
বুধবার রাত পৌনে ২টার সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, দুটি গ্রুপই মুখোমুখি অবস্থানে আছে এবং এনিয়ে স্থানীয় আতঙ্কে রয়েছেন।
যদিও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা এ প্রতিবেদককে এবার বলছেন, বিষয়টি তাদের রাজনৈতিক অভিভাবক বরিশাল সদর আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ার এবং বরিশাল মহানগর যুবদলের সভাপতি মাসুদ হাসান মামুনকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন, এই জন্য সবাই অপেক্ষা করছেন।
অবশ্য ছাত্রদল নেতা তরিকও এমপি সরওয়ারের অনুসারী এবং বেল্লাল-সোহেল ও আল আমিনদের নিয়ে কেডিসি এলাকায় তার একটি বৃহৎ বলয় রয়েছে।
স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর ১০ নং ওয়ার্ডে বিএনপির দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম এবং মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিক অনুসারী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের রোববার রাতের এই সংঘর্ষে বান্দরোড-বেলসপার্কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা দেখা দেয়। উভয়গ্রুপের অন্তত ত্রিশ মিনিটের অধিক সময় লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বেলসপার্কে আগন্তক দর্শনার্থীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেকার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে উভয়গ্রুপকে ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র বলছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে ১০ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম-কবির সিকদারদের সাথে আধিপত্য বিস্তারের লড়াই শুরু হয় মহানগর ছাত্রদল সিনিয়র সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিকের অনুগত হিরন-বেল্লালদের। বেশকিছু দিন ধরে উভয়গ্রুপের মধ্যে এনিয়ে ভেতরে ভেতরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
বুধবার দুপুরে তরিক অনুসারী ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতাকর্মী পার্শ্ববর্তী বরফকল এলাকায় কবিরের সাথে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। তখন ওয়ার্ড বিএনপি নেতা তোতাসহ আরও কজনের হস্তক্ষেপে থামলেও রাত ১১টার দিতে তা ব্যাপক আকারে দেখা দেয়।
ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম এ প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেন, কোস্টগার্ডে মাঝি নিয়োগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা তরিক অনুসারীরা বরিশাল মহানগর যুবদলের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক কবির সিকদারকে মারধর করেছে। অবশ্য এই কবির সিকদারের বিরুদ্ধেও আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে স্থানীয় নীরিহ বাসিন্দাদের হয়রানির অভিযোগ আছে।
কামরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দুপুরে কবির সিকদারকে হেনস্থার ঘটনাটি মীমাংসা করতে একটি সিদ্ধান্ত হয়েছিল। রাত ১০টায় আহুত সেই শালিস আয়োজনে তরিকের অনুসারী কেউ অংশ নেয়নি। বরং রাব্বি নামের যুবক তাকে ফোন করে মারার হুমকি দেয়।
১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা জানান, তিনিও রাতের সংঘাতের ঘটনার সাক্ষী। দুটি গ্রুপ লাঠিসোটা এবং অস্ত্রের মহড়া দিয়ে সংঘাতে জড়িয়েছে। এতে কামরুল-কবির গ্রুপের চারজন বেল্লাল, মামুন, ইমন এবং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মালেক আহত হয়েছেন, তাদের বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময় ছাত্রদল নেতা তরিক উপস্থিত থাকলেও তিনি উভয়গ্রুপকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন, জানান তোতা।
তবে তরিক অনুসারীদের দাবি, বেলসপার্ক মাঠ থেকে তার কর্মীরা একযোগে ১০ নং ওয়ার্ডের বরফকল এলাকায় শালিস বৈঠকে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগে কামরুল-কবির লোকজন নিয়ে এসে তাদের ওপর হামলা করে। এতে বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছেন। তরিকের কর্মীদের অভিযোগ, বিএনপি নেতা কামরুল আওয়ামী লীগের লোকজন নিয়ে ‘জয়বাংলা’ শ্লোগান দিয়ে তাদের ওপর হামলা করে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের আওতাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে কেডিসি-বান্দরোড এবং বেলসপার্ক এলাকার বিশৃঙ্খলা রোধ করে। পুলিশের ধাওয়ায় দুগ্রুপ ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে পরিবেশ পরিস্থিতিও শান্ত রয়েছে। পরবর্তীতে এই ঘটনায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সংঘাতের এই ঘটনার পরে বরফকল এবং কেডিসি এলাকায় পুলিশ-সেনাবাহিনী কয়েক দফা হানা দিয়েছে। তবে সংঘর্ষে জড়িত কাউকে আটক করার খবর পাওয়া যায়নি।
বুধবার রাত পৌনে ২টার সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, দুটি গ্রুপই মুখোমুখি অবস্থানে আছে এবং এনিয়ে স্থানীয় আতঙ্কে রয়েছেন।
যদিও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা এ প্রতিবেদককে এবার বলছেন, বিষয়টি তাদের রাজনৈতিক অভিভাবক বরিশাল সদর আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ার এবং বরিশাল মহানগর যুবদলের সভাপতি মাসুদ হাসান মামুনকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন, এই জন্য সবাই অপেক্ষা করছেন।
অবশ্য ছাত্রদল নেতা তরিকও এমপি সরওয়ারের অনুসারী এবং বেল্লাল-সোহেল ও আল আমিনদের নিয়ে কেডিসি এলাকায় তার একটি বৃহৎ বলয় রয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’