পটুয়াখালীর দুমকিতে জমিজমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে।
ওই ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু হানিফ হাওলাদার অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে নিজেদের ঘরের বেড়া, দরজা-জানালা খুলে তার পরিবারের ওপর ভাঙচুরের দায় চাপিয়েছে।
আবু হানিফ বলেন, “আমরা কাউকে মারধর করিনি বা কোনো ভাঙচুর করিনি। তারা নিজেরাই ঘরের দরজা-জানালা খুলে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে। এতে আমাদের পরিবার মানসিকভাবে অত্যন্ত বিপর্যস্ত।”
অভিযোগে তিনি আরও জানান, নুরুল ইসলাম তালুকদারের স্ত্রী রাহিমা বেগম পূর্ব শত্রুতার জেরে তাদের হয়রানি করতে থানায় মিথ্যা মামলা করেছেন। জমিজমা নিয়ে দুই পক্ষের এই দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অন্যদিকে, রাহিমা বেগম দাবি করেন, তিনি আবু হানিফদের হামলার শিকার হয়েছেন এবং নিরাপত্তার স্বার্থে আইনি সহায়তা নিতে বাধ্য হয়েছেন।
এ বিষয়ে দুমকি থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। উভয় পক্ষকে উত্তেজনা পরিহার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়া পর্যন্ত শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে যার দায় প্রমাণ হবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিনের জমি বিরোধই দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনার মূল কারণ, যা প্রায়ই সংঘাতে রূপ নেয়।

১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:১১
পটুয়াখালীর বাউফলে বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, আসবাবপত্রসহ পুড়ে গেছে নিজের ও বোনের বিয়ের জন্য ১০ থেকে ১২ বছরে জমানো প্রায় সাত লাখ টাকা। এতে সর্বস্ব হারিয়ে পড়েছেন মোশাররফ হোসেনের (৩০) পরিবার।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলালিংক টাওয়ারসংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় হঠাৎ মোশাররফের বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও সফল হননি। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই ঘরের মালামাল, গবাদিপশু ও নগদ টাকা পুড়ে যায়।
মোশাররফ হোসেন জানান, কৃষিকাজের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গরু-ছাগল পালন করে আসছেন তিনি। এর আগে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তবে অটোরিকশার ব্যাটারি চুরি হয়ে যাওয়ায় সেটি বিক্রি করে দেন। এরপর গবাদিপশু পালন শুরু করেন।
মোশাররফ বলেন, গত ১০ থেকে ১২ বছরে পাঁচটি গরু ও ৪০টির বেশি ছাগল বিক্রি করে প্রায় সাত লাখ টাকা জমিয়েছিলেন। নিজের ও বোনের বিয়ের খরচের জন্য টাকাগুলো ঘরে রেখেছিলেন। কিন্তু আগুনে তাঁর সব সঞ্চয় পুড়ে গেছে। প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের দুটি গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি ও ঘরের আসবাবপত্রও আগুনে নষ্ট হয়েছে। এখন কীভাবে সংসার চালাবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।
বাউফল ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার ছাব্বির আহমেদ বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ১৮ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। পরে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের পর আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, আসবাবপত্রসহ পুড়ে গেছে নিজের ও বোনের বিয়ের জন্য ১০ থেকে ১২ বছরে জমানো প্রায় সাত লাখ টাকা। এতে সর্বস্ব হারিয়ে পড়েছেন মোশাররফ হোসেনের (৩০) পরিবার।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলালিংক টাওয়ারসংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় হঠাৎ মোশাররফের বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও সফল হননি। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই ঘরের মালামাল, গবাদিপশু ও নগদ টাকা পুড়ে যায়।
মোশাররফ হোসেন জানান, কৃষিকাজের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গরু-ছাগল পালন করে আসছেন তিনি। এর আগে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তবে অটোরিকশার ব্যাটারি চুরি হয়ে যাওয়ায় সেটি বিক্রি করে দেন। এরপর গবাদিপশু পালন শুরু করেন।
মোশাররফ বলেন, গত ১০ থেকে ১২ বছরে পাঁচটি গরু ও ৪০টির বেশি ছাগল বিক্রি করে প্রায় সাত লাখ টাকা জমিয়েছিলেন। নিজের ও বোনের বিয়ের খরচের জন্য টাকাগুলো ঘরে রেখেছিলেন। কিন্তু আগুনে তাঁর সব সঞ্চয় পুড়ে গেছে। প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের দুটি গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি ও ঘরের আসবাবপত্রও আগুনে নষ্ট হয়েছে। এখন কীভাবে সংসার চালাবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।
বাউফল ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার ছাব্বির আহমেদ বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ১৮ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। পরে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের পর আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।

১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৫৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ১০ মাস বয়সী শিশু রাইয়ানের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ঘুটাবাছা গ্রামে আল আমিনের বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাইয়ান ওই গ্রামের রাসেল খানের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে বাবার সঙ্গে ঘরে ঘুমিয়ে ছিল রাইয়ান। এ সময় শিশুটির মা রুমানা বেগম ঘরের বাইরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সকাল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে রাসেল ঘুম থেকে উঠে ঘরে তাঁর স্ত্রীর বোনের স্বামী আল আমিনকে দেখতে পান। এরপর তিনি আবার ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে আর খুঁজে পাননি।
এ ঘটনায় পারিবারিক বিরোধের জেরে আল আমিন শিশুটিকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে রাইয়ানের পরিবার। বৃহস্পতিবার রাতেই আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে কলাপাড়া থানায় মামলা করেন রুমানা বেগম। এর আগে ওই দিন দুপুরে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খাল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ১০ মাস বয়সী শিশু রাইয়ানের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ঘুটাবাছা গ্রামে আল আমিনের বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাইয়ান ওই গ্রামের রাসেল খানের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে বাবার সঙ্গে ঘরে ঘুমিয়ে ছিল রাইয়ান। এ সময় শিশুটির মা রুমানা বেগম ঘরের বাইরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সকাল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে রাসেল ঘুম থেকে উঠে ঘরে তাঁর স্ত্রীর বোনের স্বামী আল আমিনকে দেখতে পান। এরপর তিনি আবার ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে আর খুঁজে পাননি।
এ ঘটনায় পারিবারিক বিরোধের জেরে আল আমিন শিশুটিকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে রাইয়ানের পরিবার। বৃহস্পতিবার রাতেই আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে কলাপাড়া থানায় মামলা করেন রুমানা বেগম। এর আগে ওই দিন দুপুরে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খাল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:১১
পটুয়াখালীর দুমকিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীনের বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন ঘিরে উত্তেজনা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়েছে। বদলি আদেশ প্রত্যাহার ও বহাল রাখার দাবিতে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর। এদিকে কর্মঘণ্টায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মানববন্ধনে অংশগ্রহণের কারণে হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ‘দুমকি উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. জি এম এনামুল হকের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে চিকিৎসক, নার্স, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাঠকর্মী, বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ও স্থানীয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকেরা অংশ নেন।
তবে মানববন্ধন চলাকালে স্থানীয়দের অপর একটি অংশ কর্মসূচির বিরোধিতা করে ডা. শাহীনের বদলি আদেশ বহাল রাখার দাবি জানান। এ সময় উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও বাগ্বিতণ্ডায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ওয়াসিমের নেতৃত্বে প্রতিবাদকারীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে ডা. শাহীনের নেতৃত্বে হাসপাতালকেন্দ্রিক একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। তাঁদের দাবি, এই সিন্ডিকেট হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করে আসছে।
প্রতিবাদকারীরা আরও অভিযোগ করেন, হাসপাতালে ধারণক্ষমতার তুলনায় রোগীর চাপ বেশি থাকায় এমনিতেই সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাসেবা পেতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এর মধ্যে বদলি আদেশ ঠেকাতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে কর্মঘণ্টায় মানববন্ধন আয়োজন করায় রোগীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
তাঁদের দাবি, ডা. শাহীনের বদলি ঠেকাতে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. এনামুল হকের নেতৃত্বে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ফলে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়েছে। এমনকি উপজেলার বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিকের মাঠপর্যায়ের কর্মীদেরও মানববন্ধনে উপস্থিত করা হয়েছে। এতে তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে স্থানীয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকদের অংশগ্রহণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রতিবাদকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, একজন সরকারি কর্মকর্তার বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক প্রতিষ্ঠানের মালিকদের এত তৎপরতার কারণ কী? এর পেছনে কোনো বিশেষ স্বার্থ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানান তাঁরা।
অন্যদিকে, বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জি এম এনামুল হক, কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. জাহিদ, কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার কাজী ফাবিয়া জাহানসহ স্থানীয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধিরা।
বক্তারা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীনকে একজন মানবিক ও জনবান্ধব চিকিৎসক হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি উপজেলার সাধারণ মানুষের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর বদলির ফলে স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবার ধারাবাহিকতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তাঁরা বলেন, সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবার স্বার্থে ডা. শাহীনের বদলি আদেশ পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। এ সময় অবিলম্বে বদলি আদেশ প্রত্যাহারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।
এদিকে একই কর্মকর্তার বদলি নিয়ে দুই পক্ষের বিপরীতমুখী অবস্থান ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পক্ষ বদলি প্রত্যাহারকে জনস্বার্থের দাবি হিসেবে তুলে ধরলেও অপর পক্ষ সরকারি সিদ্ধান্ত বহাল রাখা এবং হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানায়।
তবে হাসপাতালকেন্দ্রিক সিন্ডিকেট গড়ে তোলা এবং কর্মঘণ্টায় চিকিৎসাসেবা বন্ধ রেখে মানববন্ধন আয়োজনের অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পৃথক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বদলি আদেশকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট এ বিরোধের মধ্যে সাধারণ রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং হাসপাতালের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়টি সামনে এসেছে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীনের বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন ঘিরে উত্তেজনা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়েছে। বদলি আদেশ প্রত্যাহার ও বহাল রাখার দাবিতে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর। এদিকে কর্মঘণ্টায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মানববন্ধনে অংশগ্রহণের কারণে হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ‘দুমকি উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. জি এম এনামুল হকের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে চিকিৎসক, নার্স, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাঠকর্মী, বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ও স্থানীয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকেরা অংশ নেন।
তবে মানববন্ধন চলাকালে স্থানীয়দের অপর একটি অংশ কর্মসূচির বিরোধিতা করে ডা. শাহীনের বদলি আদেশ বহাল রাখার দাবি জানান। এ সময় উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও বাগ্বিতণ্ডায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ওয়াসিমের নেতৃত্বে প্রতিবাদকারীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে ডা. শাহীনের নেতৃত্বে হাসপাতালকেন্দ্রিক একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। তাঁদের দাবি, এই সিন্ডিকেট হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করে আসছে।
প্রতিবাদকারীরা আরও অভিযোগ করেন, হাসপাতালে ধারণক্ষমতার তুলনায় রোগীর চাপ বেশি থাকায় এমনিতেই সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাসেবা পেতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এর মধ্যে বদলি আদেশ ঠেকাতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে কর্মঘণ্টায় মানববন্ধন আয়োজন করায় রোগীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
তাঁদের দাবি, ডা. শাহীনের বদলি ঠেকাতে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. এনামুল হকের নেতৃত্বে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ফলে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়েছে। এমনকি উপজেলার বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিকের মাঠপর্যায়ের কর্মীদেরও মানববন্ধনে উপস্থিত করা হয়েছে। এতে তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে স্থানীয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকদের অংশগ্রহণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রতিবাদকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, একজন সরকারি কর্মকর্তার বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক প্রতিষ্ঠানের মালিকদের এত তৎপরতার কারণ কী? এর পেছনে কোনো বিশেষ স্বার্থ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানান তাঁরা।
অন্যদিকে, বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জি এম এনামুল হক, কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. জাহিদ, কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার কাজী ফাবিয়া জাহানসহ স্থানীয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধিরা।
বক্তারা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীনকে একজন মানবিক ও জনবান্ধব চিকিৎসক হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি উপজেলার সাধারণ মানুষের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর বদলির ফলে স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবার ধারাবাহিকতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তাঁরা বলেন, সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবার স্বার্থে ডা. শাহীনের বদলি আদেশ পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। এ সময় অবিলম্বে বদলি আদেশ প্রত্যাহারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।
এদিকে একই কর্মকর্তার বদলি নিয়ে দুই পক্ষের বিপরীতমুখী অবস্থান ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পক্ষ বদলি প্রত্যাহারকে জনস্বার্থের দাবি হিসেবে তুলে ধরলেও অপর পক্ষ সরকারি সিদ্ধান্ত বহাল রাখা এবং হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানায়।
তবে হাসপাতালকেন্দ্রিক সিন্ডিকেট গড়ে তোলা এবং কর্মঘণ্টায় চিকিৎসাসেবা বন্ধ রেখে মানববন্ধন আয়োজনের অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পৃথক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বদলি আদেশকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট এ বিরোধের মধ্যে সাধারণ রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং হাসপাতালের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়টি সামনে এসেছে।

১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:৪০
পটুয়াখালীর দুমকিতে জমিজমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে।
ওই ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু হানিফ হাওলাদার অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে নিজেদের ঘরের বেড়া, দরজা-জানালা খুলে তার পরিবারের ওপর ভাঙচুরের দায় চাপিয়েছে।
আবু হানিফ বলেন, “আমরা কাউকে মারধর করিনি বা কোনো ভাঙচুর করিনি। তারা নিজেরাই ঘরের দরজা-জানালা খুলে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে। এতে আমাদের পরিবার মানসিকভাবে অত্যন্ত বিপর্যস্ত।”
অভিযোগে তিনি আরও জানান, নুরুল ইসলাম তালুকদারের স্ত্রী রাহিমা বেগম পূর্ব শত্রুতার জেরে তাদের হয়রানি করতে থানায় মিথ্যা মামলা করেছেন। জমিজমা নিয়ে দুই পক্ষের এই দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অন্যদিকে, রাহিমা বেগম দাবি করেন, তিনি আবু হানিফদের হামলার শিকার হয়েছেন এবং নিরাপত্তার স্বার্থে আইনি সহায়তা নিতে বাধ্য হয়েছেন।
এ বিষয়ে দুমকি থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। উভয় পক্ষকে উত্তেজনা পরিহার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়া পর্যন্ত শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে যার দায় প্রমাণ হবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিনের জমি বিরোধই দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনার মূল কারণ, যা প্রায়ই সংঘাতে রূপ নেয়।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:১১
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৫৮
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৪৮
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:১১