চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ঘুষের টাকাসহ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সহকারী কাম অফিস সহকারী শাহ আলমকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে বাঁশখালী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে নিজ রুম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের সাবেক অফিস সহায়ক ও নিরাপত্তা প্রহরী মুদ্দাছেরুল হক মাসুদ দীর্ঘদিনের বকেয়া ভাতা ও পেনশনসংক্রান্ত সরকারি পাওনা আদায়ে শাহ আলমের বিরুদ্ধে দুদকের কাছে হয়রানি ও ঘুষ দাবির লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের কমিশনের অনুমোদনক্রমে চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ থেকে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় অভিযোগকারী মাসুদের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় শাহ আলমকে হাতেনাতে ধরা হয়। এ সময় সকলের উপস্থিতিতে ঘুষের টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে শাহ আলমের বিরুদ্ধে আইনিব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
ঘুষের টাকাসহ পরিবার পরিকল্পনার অফিস সহকারী গ্রেপ্তার
মাকে জীবিত কবর দেওয়ার চেষ্টা ২ ছেলের
অভিযানকালীন তদারকি কর্মকর্তা ছিলেন- চট্টগ্রাম দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক রিয়াজ উদ্দিন, সহকারী পরিচালক মুসাব্বির আহমেদ, জসীম উদ্দীন, উপসহকারী পরিচালক সুরাইয়া সুলতানা, আবুল হাসান, বাঁশখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুধাংশু শেখর হালদার, দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রামের কর্মকর্তারা।
দুদকের সহকারী পরিচালক মুসাব্বির আহমেদ বলেন, চাকরি থেকে অবসরকালীন সময়ে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মোহাম্মদ মোদ্দাছের মাসুদের (নিরাপত্তা প্রহরী) কাছ থেকে অফিসের কাগজপত্র ঠিক করতে ৯০ হাজার টাকা দাবি করেন শাহ আলম। প্রথম দফায় ব্যাংক চেকের মাধ্যমে কিছু টাকা দেওয়া হয়। বারবার চাপের মুখে আবারও ২০ হাজার টাকা নগদ প্রদান করা হয়।
তিনি আরও বলেন, সমন্বিত দুদকের টিম অভিযান চালিয়ে ড্রয়ার থেকে টাকাসহ তাকে হাতেনাতে আটক করে। এ সময় অফিসের বিভিন্ন কাগজপত্র জব্দ করা হয়েছে। শাহ আলমের বিরুদ্ধে আইনিব্যবস্থা গ্রহণ করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৮
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০২
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক ও আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃতদের তালিকা প্রকাশ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ১২৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।
স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন—গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, হাফিজুর রহমান, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহবুবার রহমান ওরফে বাবু, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া, এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন এবং প্রক্টর দপ্তরের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ৯ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।
তার মৃত্যুর ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তী সময়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক ও আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃতদের তালিকা প্রকাশ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ১২৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।
স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন—গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, হাফিজুর রহমান, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহবুবার রহমান ওরফে বাবু, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া, এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন এবং প্রক্টর দপ্তরের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ৯ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।
তার মৃত্যুর ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তী সময়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৩৭
কক্সবাজারের টেকনাফে শাহপরী দ্বীপসংলগ্ন নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। জব্দ করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তবে অভিযানের সময় নৌকায় থাকা মাদক পাচারকারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
কোস্ট গার্ড জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাহপরী দ্বীপের জালিয়াপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট শাহপরী।
অভিযানের সময় নদীতে একটি সন্দেহজনক ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা দেখতে পেয়ে সেটিকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে নৌকায় থাকা ব্যক্তিরা দ্রুতগতিতে পালিয়ে যায়।
পরে সন্দেহজনক নৌকাটির গতিপথ ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালান কোস্ট গার্ড সদস্যরা। একপর্যায়ে নদীতে ভাসমান একটি ব্যাগের সন্ধান পাওয়া যায়।
ব্যাগটি উদ্ধার করে তল্লাশি চালালে এর ভেতর থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। পরে ইয়াবাগুলো জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জব্দ করা মাদকের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, মাদকের বিস্তার রোধে নাফ নদী ও সীমান্তবর্তী এলাকায় কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কক্সবাজারের টেকনাফে শাহপরী দ্বীপসংলগ্ন নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। জব্দ করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তবে অভিযানের সময় নৌকায় থাকা মাদক পাচারকারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
কোস্ট গার্ড জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাহপরী দ্বীপের জালিয়াপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট শাহপরী।
অভিযানের সময় নদীতে একটি সন্দেহজনক ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা দেখতে পেয়ে সেটিকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে নৌকায় থাকা ব্যক্তিরা দ্রুতগতিতে পালিয়ে যায়।
পরে সন্দেহজনক নৌকাটির গতিপথ ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালান কোস্ট গার্ড সদস্যরা। একপর্যায়ে নদীতে ভাসমান একটি ব্যাগের সন্ধান পাওয়া যায়।
ব্যাগটি উদ্ধার করে তল্লাশি চালালে এর ভেতর থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। পরে ইয়াবাগুলো জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জব্দ করা মাদকের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, মাদকের বিস্তার রোধে নাফ নদী ও সীমান্তবর্তী এলাকায় কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:০৭
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ঘুষের টাকাসহ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সহকারী কাম অফিস সহকারী শাহ আলমকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে বাঁশখালী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে নিজ রুম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের সাবেক অফিস সহায়ক ও নিরাপত্তা প্রহরী মুদ্দাছেরুল হক মাসুদ দীর্ঘদিনের বকেয়া ভাতা ও পেনশনসংক্রান্ত সরকারি পাওনা আদায়ে শাহ আলমের বিরুদ্ধে দুদকের কাছে হয়রানি ও ঘুষ দাবির লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের কমিশনের অনুমোদনক্রমে চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ থেকে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় অভিযোগকারী মাসুদের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় শাহ আলমকে হাতেনাতে ধরা হয়। এ সময় সকলের উপস্থিতিতে ঘুষের টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে শাহ আলমের বিরুদ্ধে আইনিব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
ঘুষের টাকাসহ পরিবার পরিকল্পনার অফিস সহকারী গ্রেপ্তার
মাকে জীবিত কবর দেওয়ার চেষ্টা ২ ছেলের
অভিযানকালীন তদারকি কর্মকর্তা ছিলেন- চট্টগ্রাম দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক রিয়াজ উদ্দিন, সহকারী পরিচালক মুসাব্বির আহমেদ, জসীম উদ্দীন, উপসহকারী পরিচালক সুরাইয়া সুলতানা, আবুল হাসান, বাঁশখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুধাংশু শেখর হালদার, দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রামের কর্মকর্তারা।
দুদকের সহকারী পরিচালক মুসাব্বির আহমেদ বলেন, চাকরি থেকে অবসরকালীন সময়ে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মোহাম্মদ মোদ্দাছের মাসুদের (নিরাপত্তা প্রহরী) কাছ থেকে অফিসের কাগজপত্র ঠিক করতে ৯০ হাজার টাকা দাবি করেন শাহ আলম। প্রথম দফায় ব্যাংক চেকের মাধ্যমে কিছু টাকা দেওয়া হয়। বারবার চাপের মুখে আবারও ২০ হাজার টাকা নগদ প্রদান করা হয়।
তিনি আরও বলেন, সমন্বিত দুদকের টিম অভিযান চালিয়ে ড্রয়ার থেকে টাকাসহ তাকে হাতেনাতে আটক করে। এ সময় অফিসের বিভিন্ন কাগজপত্র জব্দ করা হয়েছে। শাহ আলমের বিরুদ্ধে আইনিব্যবস্থা গ্রহণ করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:১৬
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৩১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:৫২