আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপির বিবাদমান দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর ও বাবু মালিথা (৫০) নামে বিএনপির এক কর্মীকে কুপিয়ে যখন করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।
সোমবার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের মানিকনগর পূর্বপাড়া মাস্টার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত বাবু মালিথা ওই ইউনিয়নের মৃত রশিদ মালিথার ছেলে। তিনি সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সক্রিয় কর্মী এবং ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থক।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে , শনিবার (৮ নভেম্বর) রাতে স্থানীয় একটি মাজারে নেতৃত্ব দেওয়াকে কেন্দ্র বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থক বাবু মালিথা ও তার ছেলে রাব্বি মালিথার সঙ্গে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মেহেদী হাসান ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সুমনের সমর্থক পলাশ, হাসান, সবুজ সহ স্থানীয় যুবদল কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষের ঘটনায় রোববার শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করে ঈশ্বরদীর থানায় উভয়পক্ষ পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে।
ওই ঘটনার সূত্র ধরে সোমবার সন্ধ্যায় আবারো সংঘর্ষে জড়ায় বিবাদমান দুগ্রুপ। এসময় যুবদল কর্মী হাসান ও সবুজের নেতৃত্বে বাবু মালিথার বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার বাড়ি ভাঙচুর রা হয়। এসময় আতঙ্ক সৃষ্টি করতে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও পটকা ফোটায় হামলাকারীরা। হামলায় ধরালো অস্ত্রের আঘাতে বাবু মালিথা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
ঘটনার পরপরই ঈশ্বরদী থানা পুলিশ ও পাবনা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ঘটনাস্থলে যৌথ অভিযান চালায়। রাত সাড়ে আটটায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনার জের ধরে এলাকায় বিরাজ করছিল। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর নূর জানান, বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৪৬
কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ‘বিএনপির দোসরদের’ তালিকা করার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘সময় এসেছে, চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বিএনপির দোসরদের তালিকা করার।’
চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সরকারকে ‘আসসালামু আলাইকুম’: পাটওয়ারী
তিনি যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে রয়েছেন- পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বাকিদের নাম কমেন্টে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন এনসিপির এই নেতা।
এর আগে গতকাল এক পোস্টে চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সরকারকে ‘আসসালামু আলাইকুম’ জানাবেন বলেও মন্তব্য করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ‘বিএনপির দোসরদের’ তালিকা করার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘সময় এসেছে, চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বিএনপির দোসরদের তালিকা করার।’
চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সরকারকে ‘আসসালামু আলাইকুম’: পাটওয়ারী
তিনি যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে রয়েছেন- পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বাকিদের নাম কমেন্টে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন এনসিপির এই নেতা।
এর আগে গতকাল এক পোস্টে চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সরকারকে ‘আসসালামু আলাইকুম’ জানাবেন বলেও মন্তব্য করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:২৪
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তৎকালীন ডিআইজি মো. হুমায়ুন কবিরের তদন্ত সংস্থায় দেওয়া জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জবানবন্দিটি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণের আবেদন করা হলে তা মঞ্জুর করা হয়। একই দিনে মামলায় ২৩ নম্বর সাক্ষী হিসেবে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণও সম্পন্ন হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা জবানবন্দিতে সাবেক ডিআইজি মো. হুমায়ুন কবির দাবি করেন, তৎকালীন বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর রাজনৈতিক নির্দেশ ও প্রভাবের কারণে তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ আগৈলঝাড়ায় দুই বিএনপি নেতাকে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যার ঘটনায় জড়িত হন।
জবানবন্দির বরাত দিয়ে মামলার নথিতে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আগৈলঝাড়ায় ফলবাহী একটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় মামলা হয়। ওই মামলায় এসপি এহসানউল্লাহর তদারকিতে ঢাকা ও কেরানীগঞ্জ থেকে আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং উপজেলা জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ১৫ মিনিটে আগৈলঝাড়া এলাকায় গুলি করে তাঁদের হত্যা করা হয় বলে মামলার অভিযোগ।
সাবেক ডিআইজি হুমায়ুন কবিরের জবানবন্দি অনুযায়ী, ঘটনার পর তিনি আগৈলঝাড়া থানার তৎকালীন ওসি মনিরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ওসি তাকে জানান, এসপি এহসানউল্লাহ গ্রেপ্তার দুই আসামিকে ‘ক্রসফায়ার’ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে আগৈলঝাড়া থানার পুলিশ সদস্যরা এতে রাজি না হওয়ায় উজিরপুর থানা থেকে পুলিশ সদস্য এনে হত্যাকাণ্ডটি কার্যকর করা হয় বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
জবানবন্দিতে আরও বলা হয়, ঘটনার পর এসপি নিজে থানায় গিয়ে জিডিতে এ বিষয়ে নোট দেওয়ার নির্দেশ দেন।
হুমায়ুন কবির আরও দাবি করেন, এহসানউল্লাহর ওই ভূমিকার কারণে ২০১৫ সালে তাঁর বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে (এসিআর) বিরূপ মন্তব্য লিখে পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠিয়েছিলেন তিনি। পরে এহসানউল্লাহকে বরিশাল থেকে মাগুরায় বদলি করা হয়।
তবে মামলার নথিতে সাবেক ডিআইজির জবানবন্দির বরাতে আরও দাবি করা হয়েছে, আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন হওয়ায় বিরূপ মন্তব্য থাকা সত্ত্বেও এহসানউল্লাহ পরবর্তীতে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি পান এবং পুনরায় বরিশাল রেঞ্জে পদায়ন পান।
এ মামলায় আসামি করা হয়েছে সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন এসপি এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিনকে।
আসামিদের মধ্যে হাসানাত আবদুল্লাহ ও এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। মঙ্গলবার তাঁদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
প্রসিকিউশনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার জেরে টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লাকে হত্যার পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে গৌরনদী–গোপালগঞ্জ হাইওয়ের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় ব্রিজের পশ্চিম পাশে অধস্তন পুলিশ সদস্যদের দিয়ে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তৎকালীন ডিআইজি মো. হুমায়ুন কবিরের তদন্ত সংস্থায় দেওয়া জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জবানবন্দিটি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণের আবেদন করা হলে তা মঞ্জুর করা হয়। একই দিনে মামলায় ২৩ নম্বর সাক্ষী হিসেবে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণও সম্পন্ন হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা জবানবন্দিতে সাবেক ডিআইজি মো. হুমায়ুন কবির দাবি করেন, তৎকালীন বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর রাজনৈতিক নির্দেশ ও প্রভাবের কারণে তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ আগৈলঝাড়ায় দুই বিএনপি নেতাকে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যার ঘটনায় জড়িত হন।
জবানবন্দির বরাত দিয়ে মামলার নথিতে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আগৈলঝাড়ায় ফলবাহী একটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় মামলা হয়। ওই মামলায় এসপি এহসানউল্লাহর তদারকিতে ঢাকা ও কেরানীগঞ্জ থেকে আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং উপজেলা জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ১৫ মিনিটে আগৈলঝাড়া এলাকায় গুলি করে তাঁদের হত্যা করা হয় বলে মামলার অভিযোগ।
সাবেক ডিআইজি হুমায়ুন কবিরের জবানবন্দি অনুযায়ী, ঘটনার পর তিনি আগৈলঝাড়া থানার তৎকালীন ওসি মনিরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ওসি তাকে জানান, এসপি এহসানউল্লাহ গ্রেপ্তার দুই আসামিকে ‘ক্রসফায়ার’ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে আগৈলঝাড়া থানার পুলিশ সদস্যরা এতে রাজি না হওয়ায় উজিরপুর থানা থেকে পুলিশ সদস্য এনে হত্যাকাণ্ডটি কার্যকর করা হয় বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
জবানবন্দিতে আরও বলা হয়, ঘটনার পর এসপি নিজে থানায় গিয়ে জিডিতে এ বিষয়ে নোট দেওয়ার নির্দেশ দেন।
হুমায়ুন কবির আরও দাবি করেন, এহসানউল্লাহর ওই ভূমিকার কারণে ২০১৫ সালে তাঁর বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে (এসিআর) বিরূপ মন্তব্য লিখে পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠিয়েছিলেন তিনি। পরে এহসানউল্লাহকে বরিশাল থেকে মাগুরায় বদলি করা হয়।
তবে মামলার নথিতে সাবেক ডিআইজির জবানবন্দির বরাতে আরও দাবি করা হয়েছে, আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন হওয়ায় বিরূপ মন্তব্য থাকা সত্ত্বেও এহসানউল্লাহ পরবর্তীতে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি পান এবং পুনরায় বরিশাল রেঞ্জে পদায়ন পান।
এ মামলায় আসামি করা হয়েছে সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন এসপি এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিনকে।
আসামিদের মধ্যে হাসানাত আবদুল্লাহ ও এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। মঙ্গলবার তাঁদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
প্রসিকিউশনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার জেরে টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লাকে হত্যার পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে গৌরনদী–গোপালগঞ্জ হাইওয়ের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় ব্রিজের পশ্চিম পাশে অধস্তন পুলিশ সদস্যদের দিয়ে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৫০
পটুয়াখালীর মহিপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে এক ছাত্রদল নেতাকে তুলে নিয়ে রাতভর মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের সময় অভিযুক্তদের পা ধরে ‘আব্বা’ বলে ডাকলেও তাকে রেহাই দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন মেহেদী হাসান ফারুক নামে ওই ছাত্রদল নেতা।
ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পর মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন তিনি। ফারুক মহিপুর থানা সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক।
সংবাদ সম্মেলনে ফারুক দাবি করেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে মহিপুর থেকে সাদা পোশাকে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাকে তুলে নেন। তাদের হাতে ওয়াকিটকি ছিল বলেও দাবি করেন তিনি। পরে মোটরসাইকেলে করে তাকে কলাপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তার অভিযোগ, সেখানে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ফাহিমের নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে দফায় দফায় মারধর করেন। রাত ১টা পর্যন্ত চলে নির্যাতন।
ফারুক বলেন, “আমি তাদের পা ধরে ‘আব্বা’ বলে ডেকেছি। বলেছি, আমার বাবা নেই, আপনারাই আমার বাবা। আমার মা অসুস্থ—এ ঘটনা জানলে তিনি মারা যেতে পারেন। তারপরও তারা আমাকে ছাড়েনি।”
পরে খবর পেয়ে তার দুই বন্ধু মহিপুর ইউনিয়ন শাখা ছাত্রদল নেতা কামরুল ইসলাম শাওন ও রবিউল ইসলাম গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করেন বলে জানান ফারুক। প্রথমে তাকে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে ১৫ দিন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরেন তিনি। তবে গত ২৬ সেপ্টেম্বর আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বরিশালে নেওয়া হয়।
ফারুকের দাবি, তাকে তুলে নেওয়ার দৃশ্য সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে। ওই ফুটেজ পর্যালোচনা করলে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। এতে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন এই ছাত্রদল নেতা।
সংবাদ সম্মেলনে ফারুক বলেন, কোনো বিয়ের অনুষ্ঠানে সাক্ষী হওয়া অপরাধ নয়। অথচ ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তাকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
অভিযোগের তীর রয়েছে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা, সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ফাহিম, রাশেদসহ ১০ থেকে ১৫ জনের দিকে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আমিরুল ইসলাম ফাহিম ও মাসুদ রানা। তাদের দাবি, ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার সত্যতা অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ করছে।'
পটুয়াখালীর মহিপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে এক ছাত্রদল নেতাকে তুলে নিয়ে রাতভর মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের সময় অভিযুক্তদের পা ধরে ‘আব্বা’ বলে ডাকলেও তাকে রেহাই দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন মেহেদী হাসান ফারুক নামে ওই ছাত্রদল নেতা।
ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পর মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন তিনি। ফারুক মহিপুর থানা সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক।
সংবাদ সম্মেলনে ফারুক দাবি করেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে মহিপুর থেকে সাদা পোশাকে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাকে তুলে নেন। তাদের হাতে ওয়াকিটকি ছিল বলেও দাবি করেন তিনি। পরে মোটরসাইকেলে করে তাকে কলাপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তার অভিযোগ, সেখানে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ফাহিমের নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে দফায় দফায় মারধর করেন। রাত ১টা পর্যন্ত চলে নির্যাতন।
ফারুক বলেন, “আমি তাদের পা ধরে ‘আব্বা’ বলে ডেকেছি। বলেছি, আমার বাবা নেই, আপনারাই আমার বাবা। আমার মা অসুস্থ—এ ঘটনা জানলে তিনি মারা যেতে পারেন। তারপরও তারা আমাকে ছাড়েনি।”
পরে খবর পেয়ে তার দুই বন্ধু মহিপুর ইউনিয়ন শাখা ছাত্রদল নেতা কামরুল ইসলাম শাওন ও রবিউল ইসলাম গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করেন বলে জানান ফারুক। প্রথমে তাকে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে ১৫ দিন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরেন তিনি। তবে গত ২৬ সেপ্টেম্বর আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বরিশালে নেওয়া হয়।
ফারুকের দাবি, তাকে তুলে নেওয়ার দৃশ্য সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে। ওই ফুটেজ পর্যালোচনা করলে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। এতে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন এই ছাত্রদল নেতা।
সংবাদ সম্মেলনে ফারুক বলেন, কোনো বিয়ের অনুষ্ঠানে সাক্ষী হওয়া অপরাধ নয়। অথচ ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তাকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
অভিযোগের তীর রয়েছে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা, সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ফাহিম, রাশেদসহ ১০ থেকে ১৫ জনের দিকে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আমিরুল ইসলাম ফাহিম ও মাসুদ রানা। তাদের দাবি, ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার সত্যতা অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ করছে।'

১০ নভেম্বর, ২০২৫ ২৩:৩৩
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপির বিবাদমান দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর ও বাবু মালিথা (৫০) নামে বিএনপির এক কর্মীকে কুপিয়ে যখন করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।
সোমবার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের মানিকনগর পূর্বপাড়া মাস্টার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত বাবু মালিথা ওই ইউনিয়নের মৃত রশিদ মালিথার ছেলে। তিনি সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সক্রিয় কর্মী এবং ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থক।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে , শনিবার (৮ নভেম্বর) রাতে স্থানীয় একটি মাজারে নেতৃত্ব দেওয়াকে কেন্দ্র বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থক বাবু মালিথা ও তার ছেলে রাব্বি মালিথার সঙ্গে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মেহেদী হাসান ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সুমনের সমর্থক পলাশ, হাসান, সবুজ সহ স্থানীয় যুবদল কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষের ঘটনায় রোববার শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করে ঈশ্বরদীর থানায় উভয়পক্ষ পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে।
ওই ঘটনার সূত্র ধরে সোমবার সন্ধ্যায় আবারো সংঘর্ষে জড়ায় বিবাদমান দুগ্রুপ। এসময় যুবদল কর্মী হাসান ও সবুজের নেতৃত্বে বাবু মালিথার বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার বাড়ি ভাঙচুর রা হয়। এসময় আতঙ্ক সৃষ্টি করতে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও পটকা ফোটায় হামলাকারীরা। হামলায় ধরালো অস্ত্রের আঘাতে বাবু মালিথা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
ঘটনার পরপরই ঈশ্বরদী থানা পুলিশ ও পাবনা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ঘটনাস্থলে যৌথ অভিযান চালায়। রাত সাড়ে আটটায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনার জের ধরে এলাকায় বিরাজ করছিল। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর নূর জানান, বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০২
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৩৭
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:১৬
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:০৪