জুলাই গণ-অভ্যুত্থান উপলক্ষে মাসব্যাপী অনুষ্ঠানের কর্মসূচি নির্ধারণের লক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভা শিক্ষার্থীদের বর্জনের মধ্য দিয়ে বিতর্কিত হয়ে ওঠে। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমের সভাপতিত্বে বুধবার (৯ জুলাই) বিকেল ৪টায় উপাচার্যের কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।
তবে সভা শুরু হতেই শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদস্বরূপ তা বর্জন করে বেরিয়ে আসেন। তাদের অভিযোগ, উক্ত সভায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামীপন্থী ও জুলাই আন্দোলনের বিরোধীতাকারী শিক্ষকদের উপস্থিত রাখা হয়েছে, যারা অতীতে ‘একদফার আন্দোলন’ ভাঙতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক রাকিব আহমেদ বলেন, “জুলাই আন্দোলনের পক্ষের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিয়ে সভার কথা থাকলেও, আমরা গিয়ে দেখি বিরোধীতাকারীরাই সেখানে বসে আছে। তাই আমরা সভা বর্জন করি।”
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আশরাফুল মোল্ল্যা বলেন, “যারা একদফার কবর দিতে চেয়েছিল, যারা শেখ হাসিনার পক্ষে দাঁড়িয়েছে, তাদের সঙ্গে আমরা জুলাই অভ্যুত্থানের কর্মসূচি পরিকল্পনা করতে পারি না।”
পরে উপাচার্য বিকল্প একটি সভা করেন শিক্ষার্থীদের নিয়ে, যেখানে বিভিন্ন বিভাগ থেকে আগত ছাত্ররা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী মোকাব্বেল শেখ বলেন, “প্রতিটি বিভাগে ফ্যাসিবাদের দোসররা বসে আছে। তারা চায় না জুলাই আন্দোলন সফল হোক। বিচার না হলে কোনো প্রোগ্রামই সফল হবে না।”
সভায় উপাচার্য ড. তৌফিক আলম শিক্ষার্থীদের কর্মসূচির বিষয়ে সরাসরি প্রস্তাব দিতে অনুরোধ করেন এবং বিতর্কিত প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:২৪
জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই পাম্পে পাম্পে মাপজোকের হিসাব কষতে নেমেছে প্রশাসন। অভিযানে ধরা পড়েছে অনিয়ম—গ্রাহককে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম জ্বালানি দেওয়ার অভিযোগে বরিশালের দুই ফিলিং স্টেশনকে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে বরিশাল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনুজ ভৌমিক পিয়াসের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর বিমানবন্দরসংলগ্ন কামিনি ফিলিং স্টেশনকে ২০ হাজার টাকা এবং নগরীর গড়িয়ারপার এলাকার সারা ফিলিং স্টেশনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানসংশ্লিষ্টরা জানান, জ্বালানি তেলের সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মেশিনের মাপ পরীক্ষা করা হচ্ছে। অভিযানে দুটি স্টেশনে পরিমাণে কম দেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনুজ ভৌমিক পিয়াস বলেন, মাপে কম দেওয়ার অভিযোগে দুই ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা করা হয়েছে। সারা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার জয়কে মেশিন ঠিক করার জন্য সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কামিনি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সোহেলকে সতর্ক করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, বিএসটিআইয়ের উপ-পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান, পরিদর্শক আলামিন সরকারসহ মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই পাম্পে পাম্পে মাপজোকের হিসাব কষতে নেমেছে প্রশাসন। অভিযানে ধরা পড়েছে অনিয়ম—গ্রাহককে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম জ্বালানি দেওয়ার অভিযোগে বরিশালের দুই ফিলিং স্টেশনকে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে বরিশাল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনুজ ভৌমিক পিয়াসের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর বিমানবন্দরসংলগ্ন কামিনি ফিলিং স্টেশনকে ২০ হাজার টাকা এবং নগরীর গড়িয়ারপার এলাকার সারা ফিলিং স্টেশনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানসংশ্লিষ্টরা জানান, জ্বালানি তেলের সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মেশিনের মাপ পরীক্ষা করা হচ্ছে। অভিযানে দুটি স্টেশনে পরিমাণে কম দেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনুজ ভৌমিক পিয়াস বলেন, মাপে কম দেওয়ার অভিযোগে দুই ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা করা হয়েছে। সারা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার জয়কে মেশিন ঠিক করার জন্য সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কামিনি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সোহেলকে সতর্ক করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, বিএসটিআইয়ের উপ-পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান, পরিদর্শক আলামিন সরকারসহ মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৩৪
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সামনের বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক সংস্কারের কোন কাজ না করায় শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েছেন বরিশাল সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম।
মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল সওজ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ শুরু না হওয়ার কারণ জানতে চায়। এ সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল ইসলাম তাদের তোপের মুখে পড়েন বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত চলতি বছরের ৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন দপদপিয়া ব্রিজে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। তার মৃত্যুর পর বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক সংস্কারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
ওই আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের সামনে এসে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম লিখিত প্রতিশ্রুতি দেন। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সড়কের বিটুমিন উঠে গেলে তা পুনরায় সংস্কার করা, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে সড়কের দুই পাশে ফুটপাত নির্মাণের কাজ শুরু করা এবং ১০ নভেম্বরের মধ্যে মূল সড়কে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ করার কথা ছিল। একই সঙ্গে সড়কের দুই পাশে আলোর ব্যবস্থা করারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আন্দোলনের পর মাত্র একবার সড়কের গর্তগুলো বিটুমিন দিয়ে সংস্কার করা হলেও পরবর্তীতে আর কোনো দৃশ্যমান কাজ হয়নি।
মঙ্গলবার সরেজমিনে দপদপিয়া সেতুর টোল প্লাজা থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ভোলা রোড পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে । বিশেষ করে দপদপিয়া সেতুর ওপর বেশ কয়েকটি বড় গর্ত দেখা গেছে। এতে যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটের সামনেও ড্রেনে পানি জমে থাকতে ও অসংখ্য ছোট বড় গর্ত দেখা যায়।
স্থানীয় ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ করে বলছে , সড়কের খানাখন্দের কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। গত এক মাসে প্রায় পাঁচটি থ্রি-হুইলার উল্টে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানান। এসব ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সদস্য মো. রাজীব বলেন, কথা ছিল আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে সকল প্রক্রিয়া শেষ করে রাস্তার দুই পাশে ফুটপাত নির্মাণের কাজ শুরু করতে হবে, পাশাপাশি ১০ নভেম্বরের ভিতর আরসিসি ঢালাই ও সড়কের পাশে আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। এই কাজের তদারকি করার জন্য সড়ক জনপদের কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটা প্রতিনিধি টিম গঠন করা হয়। আমরা দেখেছি তাদের প্রতিশ্রুতি মোতাবেক কোন কাজই হচ্ছে না। এখনো পর্যন্ত কোন কাজের টেন্ডারই করতে পারিনি। তাহলে তারা কিভাবে নির্ধারিত সময়ের ভিতরে কাজ শুরু করবে? তাদের কাজের সময় পার হচ্ছে যাচ্ছে সেটা জানান দিতেই আজ এখানে আসা।
আরেক সদস্য মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন, সড়ক ও জনপদের কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম বলেছিল রাস্তায় যতবার গর্ত হবে ততবার সেটা বিটুমিন দিয়ে সংস্কার করে দিবে। কিন্তু নামে মাত্র একবার সংস্কার করে দিয়েই সড়ক ও জনপদের লোক হাওয়া হয়ে গেছে। রাস্তায় অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে প্রতিদিনই কোন না দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় দুরবস্থার কারণে আমরা মাইশা, ইয়াসিন আরাফাতকে হারিয়েছি। এখন আর কত লাশ দিলে এই রাস্তার সংস্কার হবে? লিখিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত সড়ক সংস্কার, ফুটপাত নির্মাণ, আরসিসি ঢালাই ও সড়কের পাশে আলোর ব্যবস্থা করার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্যই এখানে আসা।
অপর দিকে বরিশাল সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে ফুটপাত নির্মাণ, আরসিসি রোড নির্মাণ, সড়কে লাইটের ব্যবস্থা করা। সে ব্যাপারে একটা প্রস্তবনা ইতিমধ্যে প্রেরণ করা হয়েছে। সেটা যদি অনুমোদন হয় তাহলে আমরা অতিশীগ্রই নতুন দরপত্র আহ্বান করে এই কাজগুলো করতে পারবো। তবে কবে নাগাত এই কাজ শুরু করতে পারবো সেটা বলতে পারছি না।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সামনের বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক সংস্কারের কোন কাজ না করায় শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েছেন বরিশাল সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম।
মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল সওজ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ শুরু না হওয়ার কারণ জানতে চায়। এ সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল ইসলাম তাদের তোপের মুখে পড়েন বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত চলতি বছরের ৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন দপদপিয়া ব্রিজে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। তার মৃত্যুর পর বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক সংস্কারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
ওই আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের সামনে এসে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম লিখিত প্রতিশ্রুতি দেন। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সড়কের বিটুমিন উঠে গেলে তা পুনরায় সংস্কার করা, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে সড়কের দুই পাশে ফুটপাত নির্মাণের কাজ শুরু করা এবং ১০ নভেম্বরের মধ্যে মূল সড়কে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ করার কথা ছিল। একই সঙ্গে সড়কের দুই পাশে আলোর ব্যবস্থা করারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আন্দোলনের পর মাত্র একবার সড়কের গর্তগুলো বিটুমিন দিয়ে সংস্কার করা হলেও পরবর্তীতে আর কোনো দৃশ্যমান কাজ হয়নি।
মঙ্গলবার সরেজমিনে দপদপিয়া সেতুর টোল প্লাজা থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ভোলা রোড পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে । বিশেষ করে দপদপিয়া সেতুর ওপর বেশ কয়েকটি বড় গর্ত দেখা গেছে। এতে যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটের সামনেও ড্রেনে পানি জমে থাকতে ও অসংখ্য ছোট বড় গর্ত দেখা যায়।
স্থানীয় ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ করে বলছে , সড়কের খানাখন্দের কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। গত এক মাসে প্রায় পাঁচটি থ্রি-হুইলার উল্টে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানান। এসব ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সদস্য মো. রাজীব বলেন, কথা ছিল আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে সকল প্রক্রিয়া শেষ করে রাস্তার দুই পাশে ফুটপাত নির্মাণের কাজ শুরু করতে হবে, পাশাপাশি ১০ নভেম্বরের ভিতর আরসিসি ঢালাই ও সড়কের পাশে আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। এই কাজের তদারকি করার জন্য সড়ক জনপদের কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটা প্রতিনিধি টিম গঠন করা হয়। আমরা দেখেছি তাদের প্রতিশ্রুতি মোতাবেক কোন কাজই হচ্ছে না। এখনো পর্যন্ত কোন কাজের টেন্ডারই করতে পারিনি। তাহলে তারা কিভাবে নির্ধারিত সময়ের ভিতরে কাজ শুরু করবে? তাদের কাজের সময় পার হচ্ছে যাচ্ছে সেটা জানান দিতেই আজ এখানে আসা।
আরেক সদস্য মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন, সড়ক ও জনপদের কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম বলেছিল রাস্তায় যতবার গর্ত হবে ততবার সেটা বিটুমিন দিয়ে সংস্কার করে দিবে। কিন্তু নামে মাত্র একবার সংস্কার করে দিয়েই সড়ক ও জনপদের লোক হাওয়া হয়ে গেছে। রাস্তায় অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে প্রতিদিনই কোন না দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় দুরবস্থার কারণে আমরা মাইশা, ইয়াসিন আরাফাতকে হারিয়েছি। এখন আর কত লাশ দিলে এই রাস্তার সংস্কার হবে? লিখিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত সড়ক সংস্কার, ফুটপাত নির্মাণ, আরসিসি ঢালাই ও সড়কের পাশে আলোর ব্যবস্থা করার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্যই এখানে আসা।
অপর দিকে বরিশাল সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে ফুটপাত নির্মাণ, আরসিসি রোড নির্মাণ, সড়কে লাইটের ব্যবস্থা করা। সে ব্যাপারে একটা প্রস্তবনা ইতিমধ্যে প্রেরণ করা হয়েছে। সেটা যদি অনুমোদন হয় তাহলে আমরা অতিশীগ্রই নতুন দরপত্র আহ্বান করে এই কাজগুলো করতে পারবো। তবে কবে নাগাত এই কাজ শুরু করতে পারবো সেটা বলতে পারছি না।

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪১
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এর প্রভাবে দেশের সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৭৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা থেকে ৬২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোতে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। নিম্নচাপের কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সময় বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে।
নিম্নচাপের কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এদিকে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতরের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের গতিপথ ও শক্তি পরিবর্তন সম্পর্কে নতুন তথ্য পাওয়া যাবে।
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এর প্রভাবে দেশের সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৭৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা থেকে ৬২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোতে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। নিম্নচাপের কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সময় বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে।
নিম্নচাপের কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এদিকে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতরের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের গতিপথ ও শক্তি পরিবর্তন সম্পর্কে নতুন তথ্য পাওয়া যাবে।

১০ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৪৩
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান উপলক্ষে মাসব্যাপী অনুষ্ঠানের কর্মসূচি নির্ধারণের লক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভা শিক্ষার্থীদের বর্জনের মধ্য দিয়ে বিতর্কিত হয়ে ওঠে। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমের সভাপতিত্বে বুধবার (৯ জুলাই) বিকেল ৪টায় উপাচার্যের কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।
তবে সভা শুরু হতেই শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদস্বরূপ তা বর্জন করে বেরিয়ে আসেন। তাদের অভিযোগ, উক্ত সভায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামীপন্থী ও জুলাই আন্দোলনের বিরোধীতাকারী শিক্ষকদের উপস্থিত রাখা হয়েছে, যারা অতীতে ‘একদফার আন্দোলন’ ভাঙতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক রাকিব আহমেদ বলেন, “জুলাই আন্দোলনের পক্ষের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিয়ে সভার কথা থাকলেও, আমরা গিয়ে দেখি বিরোধীতাকারীরাই সেখানে বসে আছে। তাই আমরা সভা বর্জন করি।”
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আশরাফুল মোল্ল্যা বলেন, “যারা একদফার কবর দিতে চেয়েছিল, যারা শেখ হাসিনার পক্ষে দাঁড়িয়েছে, তাদের সঙ্গে আমরা জুলাই অভ্যুত্থানের কর্মসূচি পরিকল্পনা করতে পারি না।”
পরে উপাচার্য বিকল্প একটি সভা করেন শিক্ষার্থীদের নিয়ে, যেখানে বিভিন্ন বিভাগ থেকে আগত ছাত্ররা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী মোকাব্বেল শেখ বলেন, “প্রতিটি বিভাগে ফ্যাসিবাদের দোসররা বসে আছে। তারা চায় না জুলাই আন্দোলন সফল হোক। বিচার না হলে কোনো প্রোগ্রামই সফল হবে না।”
সভায় উপাচার্য ড. তৌফিক আলম শিক্ষার্থীদের কর্মসূচির বিষয়ে সরাসরি প্রস্তাব দিতে অনুরোধ করেন এবং বিতর্কিত প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:৪৯
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১১
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৪
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:১৬