
১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:২৮
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সিঙ্গাপুরে অবতরণ করছে।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের সেলেতার বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এর আগে, এদিন বেলা ১১টা ২২ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় পৌঁছে। পরবর্তীতে দুপুরের দিকে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ওসমান হাদিকে বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। দুপুর দেড়টার কিছু আগে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে দেড়টার দিকে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়।
ওসমান হাদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন তার ভাই ওমর বিন হাদি এবং বন্ধু আমিনুল হাসান ফয়সাল। তিনি হাদির রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ছিলেন।
জানা গেছে, ৪ ঘণ্টা উড্ডয়নের পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুর থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার এয়ারকেয়ার হাসপাতাল ও সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে তার দীর্ঘ এই সফরে সম্মত হয়েছেন।
গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে ওসমান হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। তারপর থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন ওসমান হাদি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সিঙ্গাপুরে অবতরণ করছে।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের সেলেতার বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এর আগে, এদিন বেলা ১১টা ২২ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় পৌঁছে। পরবর্তীতে দুপুরের দিকে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ওসমান হাদিকে বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। দুপুর দেড়টার কিছু আগে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে দেড়টার দিকে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়।
ওসমান হাদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন তার ভাই ওমর বিন হাদি এবং বন্ধু আমিনুল হাসান ফয়সাল। তিনি হাদির রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ছিলেন।
জানা গেছে, ৪ ঘণ্টা উড্ডয়নের পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুর থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার এয়ারকেয়ার হাসপাতাল ও সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে তার দীর্ঘ এই সফরে সম্মত হয়েছেন।
গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে ওসমান হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। তারপর থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন ওসমান হাদি।

০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২০
বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন আলোচনায় রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন মঙ্গু কন্যা অধ্যাপক ডা. জাহানারা লাইজু। চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এই নেতা জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।
বর্তমানে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ও ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ডা. লাইজু। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদিক (মহিলা বিষয়ক) এবং উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ শাখা ড্যাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি মুলাদী উপজেলা বিএনপির সদস্য ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ফাউন্ডেশন মেম্বার।
রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা ডা. জাহানারা লাইজু সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ মো. মোশাররফ হোসেন মঙুর কন্যা। তার পিতা বরিশাল-৩ আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও জাসাসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।
তার স্বামী অধ্যাপক ডা. এস. এম. খালিদ মাহমুদ শাকিল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। তিনি ঢাকা শিশু হাসপাতালের সাবেক উপপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি বলেন, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি সরাসরি অংশ নেন এবং জাসাসের শিল্পী হিসেবে আন্দোলনে গান পরিবেশন করেন। ২০২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের সময় আহতদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এ ছাড়া বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে আহত নেতাকর্মীদের চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন বলে জানান। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলেও পড়তে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন এবং পরে ফার্মাকোলজিতে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। একসময় বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত শিল্পী ছিলেন এবং রবীন্দ্রসংগীতে জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার লাভ করেন।
ডা. জাহানারা লাইজু বলেন, আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি মানে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন চিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘদিন রোগীদের সেবা করেছি। আমি দেখেছি, প্রান্তিক মানুষের বড় সমস্যা হচ্ছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা না পাওয়া। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মানসম্মত প্রাইমারি হেলথকেয়ার নিশ্চিত করা গেলে হাসপাতালের ওপর চাপ অনেক কমবে।
তিনি আরও বলেন, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য, টিকাদান ও পুষ্টি সেবাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। আমি সংসদে গেলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, দরিদ্রবান্ধব চিকিৎসা নীতি প্রণয়ন এবং নারীদের স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার বিষয়টি অগ্রাধিকার দেব।
তার ভাষায়, স্বাস্থ্যখাতকে গুরুত্ব দিয়ে জনকল্যাণের জন্য কাজ করতে হবে। একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ গঠনে শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন বণ্টনে বিএনপি সর্বাধিক সংখ্যক সংরক্ষিত ৩৫টি আসন পাবে।
বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন আলোচনায় রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন মঙ্গু কন্যা অধ্যাপক ডা. জাহানারা লাইজু। চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এই নেতা জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।
বর্তমানে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ও ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ডা. লাইজু। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদিক (মহিলা বিষয়ক) এবং উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ শাখা ড্যাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি মুলাদী উপজেলা বিএনপির সদস্য ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ফাউন্ডেশন মেম্বার।
রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা ডা. জাহানারা লাইজু সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ মো. মোশাররফ হোসেন মঙুর কন্যা। তার পিতা বরিশাল-৩ আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও জাসাসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।
তার স্বামী অধ্যাপক ডা. এস. এম. খালিদ মাহমুদ শাকিল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। তিনি ঢাকা শিশু হাসপাতালের সাবেক উপপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি বলেন, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি সরাসরি অংশ নেন এবং জাসাসের শিল্পী হিসেবে আন্দোলনে গান পরিবেশন করেন। ২০২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের সময় আহতদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এ ছাড়া বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে আহত নেতাকর্মীদের চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন বলে জানান। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলেও পড়তে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন এবং পরে ফার্মাকোলজিতে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। একসময় বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত শিল্পী ছিলেন এবং রবীন্দ্রসংগীতে জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার লাভ করেন।
ডা. জাহানারা লাইজু বলেন, আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি মানে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন চিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘদিন রোগীদের সেবা করেছি। আমি দেখেছি, প্রান্তিক মানুষের বড় সমস্যা হচ্ছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা না পাওয়া। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মানসম্মত প্রাইমারি হেলথকেয়ার নিশ্চিত করা গেলে হাসপাতালের ওপর চাপ অনেক কমবে।
তিনি আরও বলেন, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য, টিকাদান ও পুষ্টি সেবাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। আমি সংসদে গেলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, দরিদ্রবান্ধব চিকিৎসা নীতি প্রণয়ন এবং নারীদের স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার বিষয়টি অগ্রাধিকার দেব।
তার ভাষায়, স্বাস্থ্যখাতকে গুরুত্ব দিয়ে জনকল্যাণের জন্য কাজ করতে হবে। একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ গঠনে শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন বণ্টনে বিএনপি সর্বাধিক সংখ্যক সংরক্ষিত ৩৫টি আসন পাবে।

০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৮
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হলেন বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম (মণি)। সোমবার সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের বরাত দিয়ে ওই নিয়োগের বিষয়টি উল্লেখ আছে। এর আগে বরিশাল বিভাগ থেকে দুজন পূর্ণ মন্ত্রী ও তিনজন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নবগঠিত মন্ত্রিসভায়। এবার মন্ত্রীর পদমর্যাদায় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নিয়োগ পেলেন নুরুল ইসলাম (মণি)। ফলে বরিশাল বিভাগে ঝালকাঠি ছাড়া অন্য পাঁচটি জেলা থেকেই এবার মন্ত্রী হয়েছেন। এর মধ্যে বরিশাল জেলায় দুজন মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন।
নুরুল ইসলাম বরগুনা-২ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। অষ্টম জাতীয় সংসদে তিনি বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি জাতীয় সংসদের প্যানেল স্পিকারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
এর আগে এই বিভাগ থেকে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হয়েছিলেন বরিশাল-১ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ।
নুরুল ইসলাম মণি ১৯৮৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০০১ সালে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জামায়াতের প্রার্থীকে পরাজিত করে জয়ী হয়েছেন।
বরিশাল বিভাগে প্রায় ৪৬ বছর পর নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে বিএনপি। বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে এবার বিএনপি ও জোটের প্রার্থীরা ১৮টিতে জয় পেয়েছেন। এর আগে ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপি বরিশাল বিভাগে ১৮টি আসনে জয়ী হয়েছিল।
বরিশাল বিভাগ থেকে বিএনপি ও মিত্রজোটের পাঁচজন গত ১৮ ফেব্রুয়ারি গঠিত মন্ত্রীসভায় স্থান পান। এদের মধ্যে বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী, ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এ ছাড়া বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, পিরোজপুর-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর এবং পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির মিত্র জোট গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হলেন বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম (মণি)। সোমবার সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের বরাত দিয়ে ওই নিয়োগের বিষয়টি উল্লেখ আছে। এর আগে বরিশাল বিভাগ থেকে দুজন পূর্ণ মন্ত্রী ও তিনজন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নবগঠিত মন্ত্রিসভায়। এবার মন্ত্রীর পদমর্যাদায় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নিয়োগ পেলেন নুরুল ইসলাম (মণি)। ফলে বরিশাল বিভাগে ঝালকাঠি ছাড়া অন্য পাঁচটি জেলা থেকেই এবার মন্ত্রী হয়েছেন। এর মধ্যে বরিশাল জেলায় দুজন মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন।
নুরুল ইসলাম বরগুনা-২ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। অষ্টম জাতীয় সংসদে তিনি বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি জাতীয় সংসদের প্যানেল স্পিকারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
এর আগে এই বিভাগ থেকে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হয়েছিলেন বরিশাল-১ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ।
নুরুল ইসলাম মণি ১৯৮৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০০১ সালে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জামায়াতের প্রার্থীকে পরাজিত করে জয়ী হয়েছেন।
বরিশাল বিভাগে প্রায় ৪৬ বছর পর নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে বিএনপি। বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে এবার বিএনপি ও জোটের প্রার্থীরা ১৮টিতে জয় পেয়েছেন। এর আগে ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপি বরিশাল বিভাগে ১৮টি আসনে জয়ী হয়েছিল।
বরিশাল বিভাগ থেকে বিএনপি ও মিত্রজোটের পাঁচজন গত ১৮ ফেব্রুয়ারি গঠিত মন্ত্রীসভায় স্থান পান। এদের মধ্যে বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী, ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এ ছাড়া বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, পিরোজপুর-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর এবং পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির মিত্র জোট গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন।

০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
বরগুনার বামনা উপজেলার সাহেব বাড়ী বাজারে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দ দেওয়ার নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্র সমন্বয়ক সৈয়দ নাহিয়ান আহসান রাহবার ও তার সহযোগী আবু সালেহের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুথানের পর তাদের ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদ করা হয়। পরে রাহবার ও সালেহ তাদের প্রতিশ্রুতি দেন যে প্রদত্ত টাকার বিনিময়ে বাজারে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে।
এই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে তারা নানা সময়ে মোটা অংকের টাকা পরিশোধ করেছিলেন। তবে ১৮ মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো দোকান বা বরাদ্দকৃত ঘর পাওয়া যায়নি। টাকা ফেরত চাইলে রাহবার ও সালেহ সময়ক্ষেপণ করে আসছেন।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তারা সাধারণ ফুটপাত ব্যবসায়ি। সামান্য আয়ের উপর সংসারের নির্ভরশীল। তাই টাকা ফেরত না পাওয়া তাদের জীবনযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
সোমবার (২ মার্চ) সকালে বামনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ব্যবসায়ীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সুধীর দাস, নূরুল হক নাজির, শাকিল, হারুন, গোবিন্দ, ধীরেন চন্দ্র দাস ও রুস্তম আলী।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকাহাৎ আরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয়রা এই ঘটনার দ্রুত সমাধান ও প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার বামনা উপজেলার সাহেব বাড়ী বাজারে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দ দেওয়ার নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্র সমন্বয়ক সৈয়দ নাহিয়ান আহসান রাহবার ও তার সহযোগী আবু সালেহের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুথানের পর তাদের ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদ করা হয়। পরে রাহবার ও সালেহ তাদের প্রতিশ্রুতি দেন যে প্রদত্ত টাকার বিনিময়ে বাজারে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে।
এই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে তারা নানা সময়ে মোটা অংকের টাকা পরিশোধ করেছিলেন। তবে ১৮ মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো দোকান বা বরাদ্দকৃত ঘর পাওয়া যায়নি। টাকা ফেরত চাইলে রাহবার ও সালেহ সময়ক্ষেপণ করে আসছেন।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তারা সাধারণ ফুটপাত ব্যবসায়ি। সামান্য আয়ের উপর সংসারের নির্ভরশীল। তাই টাকা ফেরত না পাওয়া তাদের জীবনযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
সোমবার (২ মার্চ) সকালে বামনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ব্যবসায়ীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সুধীর দাস, নূরুল হক নাজির, শাকিল, হারুন, গোবিন্দ, ধীরেন চন্দ্র দাস ও রুস্তম আলী।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকাহাৎ আরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয়রা এই ঘটনার দ্রুত সমাধান ও প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বরিশাল টাইমস
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২০
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৮
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫