
১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:২৮
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সিঙ্গাপুরে অবতরণ করছে।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের সেলেতার বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এর আগে, এদিন বেলা ১১টা ২২ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় পৌঁছে। পরবর্তীতে দুপুরের দিকে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ওসমান হাদিকে বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। দুপুর দেড়টার কিছু আগে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে দেড়টার দিকে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়।
ওসমান হাদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন তার ভাই ওমর বিন হাদি এবং বন্ধু আমিনুল হাসান ফয়সাল। তিনি হাদির রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ছিলেন।
জানা গেছে, ৪ ঘণ্টা উড্ডয়নের পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুর থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার এয়ারকেয়ার হাসপাতাল ও সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে তার দীর্ঘ এই সফরে সম্মত হয়েছেন।
গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে ওসমান হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। তারপর থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন ওসমান হাদি।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সিঙ্গাপুরে অবতরণ করছে।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের সেলেতার বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এর আগে, এদিন বেলা ১১টা ২২ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় পৌঁছে। পরবর্তীতে দুপুরের দিকে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ওসমান হাদিকে বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। দুপুর দেড়টার কিছু আগে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে দেড়টার দিকে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়।
ওসমান হাদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন তার ভাই ওমর বিন হাদি এবং বন্ধু আমিনুল হাসান ফয়সাল। তিনি হাদির রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ছিলেন।
জানা গেছে, ৪ ঘণ্টা উড্ডয়নের পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুর থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার এয়ারকেয়ার হাসপাতাল ও সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে তার দীর্ঘ এই সফরে সম্মত হয়েছেন।
গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে ওসমান হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। তারপর থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন ওসমান হাদি।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৭
ইরানে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ হঠাৎ করেই সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের বদলে নির্বিচারে সরকারি স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানায় বিক্ষোভকারীরা। এ ছাড়াও দেশটির অন্তত অর্ধশতাধিক মসজিদে আগুন দিয়েছে তারা।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) তেহরানে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে মোট ৫৩টি মসজিদ ও ১৮০টি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দেওয়া হয়েছে। তার মতে, কোনো ইরানি কখনো মসজিদে হামলা চালাতে পারে না।
গত সপ্তাহে তেহরানের আবুজার মসজিদের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মুখে মাস্ক পরা প্রায় এক ডজন ব্যক্তি মসজিদটি তছনছ করছে, বইপত্র মেঝেতে ছুড়ে ফেলছে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, গত ৯ জানুয়ারি মসজিদটিতে আগুন দেওয়া হয়।
এদিকে সোমবার সরকারের সমর্থনে রাস্তায় নেমেছেন লাখ লাখ ইরানি। দেশটির প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা যেমন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন, তেমনি ‘মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের’ বিরুদ্ধেও স্লোগান দিয়েছেন।
ইরানের বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই দেশটির সরকারকে উদ্দেশ্য করে একের পর এক ‘উসকানিমূলক’ বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে ‘বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে’ তিনি সেখানে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকিও দিয়েছেন। জবাবে ইরানও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে তারা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে।
তবে এই বাগযুদ্ধের মধ্যেও দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। সোমবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের (স্টিভ উইটকফ) মধ্যে যোগাযোগের চ্যানেল খোলা রয়েছে। প্রয়োজন হলে বার্তা আদান-প্রদানও করা হচ্ছে।’
ইরানে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ হঠাৎ করেই সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের বদলে নির্বিচারে সরকারি স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানায় বিক্ষোভকারীরা। এ ছাড়াও দেশটির অন্তত অর্ধশতাধিক মসজিদে আগুন দিয়েছে তারা।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) তেহরানে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে মোট ৫৩টি মসজিদ ও ১৮০টি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দেওয়া হয়েছে। তার মতে, কোনো ইরানি কখনো মসজিদে হামলা চালাতে পারে না।
গত সপ্তাহে তেহরানের আবুজার মসজিদের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মুখে মাস্ক পরা প্রায় এক ডজন ব্যক্তি মসজিদটি তছনছ করছে, বইপত্র মেঝেতে ছুড়ে ফেলছে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, গত ৯ জানুয়ারি মসজিদটিতে আগুন দেওয়া হয়।
এদিকে সোমবার সরকারের সমর্থনে রাস্তায় নেমেছেন লাখ লাখ ইরানি। দেশটির প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা যেমন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন, তেমনি ‘মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের’ বিরুদ্ধেও স্লোগান দিয়েছেন।
ইরানের বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই দেশটির সরকারকে উদ্দেশ্য করে একের পর এক ‘উসকানিমূলক’ বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে ‘বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে’ তিনি সেখানে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকিও দিয়েছেন। জবাবে ইরানও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে তারা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে।
তবে এই বাগযুদ্ধের মধ্যেও দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। সোমবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের (স্টিভ উইটকফ) মধ্যে যোগাযোগের চ্যানেল খোলা রয়েছে। প্রয়োজন হলে বার্তা আদান-প্রদানও করা হচ্ছে।’

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫২
একটি ফরম। কয়েকটি কলাম। নাম, পেশা, আয়, সম্পদ। নির্বাচন এলেই এই কাগজটাই হয়ে ওঠে প্রার্থীদের অবস্থার নীরব দলিল।
বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনের হলফনামা খুললে দেখা যায়, সেখানে কাগজে লেখা রয়েছে দুই রকম নারীর গল্প। একজনের ঘরে কোটি টাকা, আরেকজনের ঘরে শূন্য। দুজনই প্রার্থীর স্ত্রী। কিন্তু তাঁদের ব্যক্তিগত পৃথিবী এক নয়।
প্রার্থীদের হলফনামা বলছে, রাজনীতির ময়দানে তাঁদের অবস্থান যেমন বৈচিত্র্যে ভরা, তেমনি বৈচিত্র্য তাঁদের স্ত্রীদের আর্থিক অবস্থায়ও। কোনো কোনো হলফনামার নির্ধারিত ঘরে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ, কোথাও আবার শূন্য ঘর।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনে ৪১ জন বৈধ প্রার্থীর মধ্যে চারজন প্রার্থীর স্ত্রী কোটিপতি। আর প্রায় কোটিপতি রয়েছেন আরো দুই প্রার্থীর স্ত্রী। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এই চিত্র।
বরিশাল-৩ আসনের একটি হলফনামায় চোখ আটকে যায়। পেশার ঘরে লেখা ‘গৃহিনী’। ঠিক নিচেই সম্পদের অঙ্ক, পাঁচ কোটি ৯১ লাখ টাকার বেশি। এই গৃহিনীর নাম ফাহমিদা কিবরিয়া। তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী কারান্তরীণ সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপুর স্ত্রী। ঘর-সংসার সামলানো এই নারীর নামে রয়েছে জমি, ভবন, নগদ অর্থ- সব মিলিয়ে প্রায় ছয় কোটি টাকা।
এর পরই রয়েছেন বরিশাল-৫ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের স্ত্রী তাছলিমা আক্তার। গৃহিনী ও ব্যবসায়ী পরিচয়ের এই নারীর সম্পদের পরিমাণ তিন কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।
বরিশাল-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী জহিরউদ্দিন স্বপনের স্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ডালিয়া রহমান। তাঁর সঞ্চয় দুই কোটি ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯৬ টাকা। একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা আবদুস সোবহানের স্ত্রী পারভীন সুলতানা। পেশায় ব্যবসায়ী পারভীন সুলতানার সম্পদ এক কোটি তিন লাখ ৯৬ হাজার ৩৬৭ টাকা।
কোটির ঘরে পৌঁছাতে সামান্য দূরত্বে রয়েছেন আরো দুই প্রার্থীর স্ত্রী। বরিশাল-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খানের স্ত্রী সেলিনা হোসেনের সম্পদের পরিমাণ ৯৭ লাখ ৬৪ হাজার ২৩৪ টাকা। বরিশাল-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর স্ত্রী নাসিমা আহমেদের সম্পদ ৯৫ লাখ ৪৬ হাজার ১৪৫ টাকা। আবুল হোসেন খান সাবেক সংসদ সদস্য।
বরিশালের নির্বাচনী মাঠে লাখোপতি স্ত্রীদের তালিকাও দীর্ঘ। বরিশাল-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলীর গৃহিনী স্ত্রী নাছিমা বেগমের সম্পদ ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বরিশাল-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল মান্নানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা স্ত্রী মাহফুজা বেগমের সম্পদ ৩২ লাখ ১০ হাজার টাকা।
বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী মনিকা আক্তারের সম্পদের পরিমাণ ২৬ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮৬ টাকা। একই আসনে এবি পার্টির প্রার্থী আসাদুজ্জামান ফুয়াদের স্ত্রী রুমা মারজানের সম্পদ মাত্র দুই লাখ ১৮ হাজার টাকা।
বরিশাল-৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলালের শিক্ষিকা স্ত্রী নাঈমা তাহেরার সম্পদের পরিমাণ ৩৭ লাখ ২৮ হাজার ৪২২ টাকা। এই কাগজে লেখা নেই, প্রার্থীদের স্ত্রীরা কীভাবে এই সম্পদের মালিক হলেন। আইনও সেই প্রশ্ন করে না। শুধু সংখ্যাটা রেখে দেয় ভোটারের সামনে। হলফনামাও সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
আরেকটি হলফনামা। বরিশাল-৪ আসনের এক প্রার্থীর কাগজ। স্ত্রীর সম্পদের ঘরে লেখা আছে, ‘প্রযোজ্য নয়’। আরো কিছু হলফনামায় লেখা, ‘স্ত্রীর নামে কোনো সম্পদ নেই। একেবারে কিছুই না’। এই নারীদের নাম রয়েছে কাগজে। কিন্তু তাঁদের পাশে কোনো অঙ্ক নেই। নেই স্বর্ণালংকার, জমি কিংবা ব্যাংক হিসাব। কেবল একটি ফাঁকা জায়গা।
একটি ফরম। কয়েকটি কলাম। নাম, পেশা, আয়, সম্পদ। নির্বাচন এলেই এই কাগজটাই হয়ে ওঠে প্রার্থীদের অবস্থার নীরব দলিল।
বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনের হলফনামা খুললে দেখা যায়, সেখানে কাগজে লেখা রয়েছে দুই রকম নারীর গল্প। একজনের ঘরে কোটি টাকা, আরেকজনের ঘরে শূন্য। দুজনই প্রার্থীর স্ত্রী। কিন্তু তাঁদের ব্যক্তিগত পৃথিবী এক নয়।
প্রার্থীদের হলফনামা বলছে, রাজনীতির ময়দানে তাঁদের অবস্থান যেমন বৈচিত্র্যে ভরা, তেমনি বৈচিত্র্য তাঁদের স্ত্রীদের আর্থিক অবস্থায়ও। কোনো কোনো হলফনামার নির্ধারিত ঘরে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ, কোথাও আবার শূন্য ঘর।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনে ৪১ জন বৈধ প্রার্থীর মধ্যে চারজন প্রার্থীর স্ত্রী কোটিপতি। আর প্রায় কোটিপতি রয়েছেন আরো দুই প্রার্থীর স্ত্রী। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এই চিত্র।
বরিশাল-৩ আসনের একটি হলফনামায় চোখ আটকে যায়। পেশার ঘরে লেখা ‘গৃহিনী’। ঠিক নিচেই সম্পদের অঙ্ক, পাঁচ কোটি ৯১ লাখ টাকার বেশি। এই গৃহিনীর নাম ফাহমিদা কিবরিয়া। তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী কারান্তরীণ সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপুর স্ত্রী। ঘর-সংসার সামলানো এই নারীর নামে রয়েছে জমি, ভবন, নগদ অর্থ- সব মিলিয়ে প্রায় ছয় কোটি টাকা।
এর পরই রয়েছেন বরিশাল-৫ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের স্ত্রী তাছলিমা আক্তার। গৃহিনী ও ব্যবসায়ী পরিচয়ের এই নারীর সম্পদের পরিমাণ তিন কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।
বরিশাল-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী জহিরউদ্দিন স্বপনের স্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ডালিয়া রহমান। তাঁর সঞ্চয় দুই কোটি ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯৬ টাকা। একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা আবদুস সোবহানের স্ত্রী পারভীন সুলতানা। পেশায় ব্যবসায়ী পারভীন সুলতানার সম্পদ এক কোটি তিন লাখ ৯৬ হাজার ৩৬৭ টাকা।
কোটির ঘরে পৌঁছাতে সামান্য দূরত্বে রয়েছেন আরো দুই প্রার্থীর স্ত্রী। বরিশাল-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খানের স্ত্রী সেলিনা হোসেনের সম্পদের পরিমাণ ৯৭ লাখ ৬৪ হাজার ২৩৪ টাকা। বরিশাল-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর স্ত্রী নাসিমা আহমেদের সম্পদ ৯৫ লাখ ৪৬ হাজার ১৪৫ টাকা। আবুল হোসেন খান সাবেক সংসদ সদস্য।
বরিশালের নির্বাচনী মাঠে লাখোপতি স্ত্রীদের তালিকাও দীর্ঘ। বরিশাল-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলীর গৃহিনী স্ত্রী নাছিমা বেগমের সম্পদ ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বরিশাল-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল মান্নানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা স্ত্রী মাহফুজা বেগমের সম্পদ ৩২ লাখ ১০ হাজার টাকা।
বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী মনিকা আক্তারের সম্পদের পরিমাণ ২৬ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮৬ টাকা। একই আসনে এবি পার্টির প্রার্থী আসাদুজ্জামান ফুয়াদের স্ত্রী রুমা মারজানের সম্পদ মাত্র দুই লাখ ১৮ হাজার টাকা।
বরিশাল-৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলালের শিক্ষিকা স্ত্রী নাঈমা তাহেরার সম্পদের পরিমাণ ৩৭ লাখ ২৮ হাজার ৪২২ টাকা। এই কাগজে লেখা নেই, প্রার্থীদের স্ত্রীরা কীভাবে এই সম্পদের মালিক হলেন। আইনও সেই প্রশ্ন করে না। শুধু সংখ্যাটা রেখে দেয় ভোটারের সামনে। হলফনামাও সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
আরেকটি হলফনামা। বরিশাল-৪ আসনের এক প্রার্থীর কাগজ। স্ত্রীর সম্পদের ঘরে লেখা আছে, ‘প্রযোজ্য নয়’। আরো কিছু হলফনামায় লেখা, ‘স্ত্রীর নামে কোনো সম্পদ নেই। একেবারে কিছুই না’। এই নারীদের নাম রয়েছে কাগজে। কিন্তু তাঁদের পাশে কোনো অঙ্ক নেই। নেই স্বর্ণালংকার, জমি কিংবা ব্যাংক হিসাব। কেবল একটি ফাঁকা জায়গা।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকসহ ১৭ জনের মামলায় রায় ঘোষণার তারিখ আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলমের আদালত এই তারিখ ধার্য করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর জহিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আজ এই মামলার যুক্তি তর্কের দিন ধার্য ছিল। কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি খুরশীদ আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। অন্যান্য আসামি পলাতক থাকায় সেই সুযোগও পাননি। আদালত আগামী ২ ফেব্রুয়ারি রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।
এদিকে একই আদালতে শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিক, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ১৮ জনের আরেক মামলায় যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আগামী ১৮ জানুয়ারি ধার্য করেছেন।
শেখ পরিবার ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য মেজর (অব.) ইঞ্জিনিয়ার সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকসহ ১৭ জনের মামলায় রায় ঘোষণার তারিখ আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলমের আদালত এই তারিখ ধার্য করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর জহিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আজ এই মামলার যুক্তি তর্কের দিন ধার্য ছিল। কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি খুরশীদ আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। অন্যান্য আসামি পলাতক থাকায় সেই সুযোগও পাননি। আদালত আগামী ২ ফেব্রুয়ারি রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।
এদিকে একই আদালতে শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিক, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ১৮ জনের আরেক মামলায় যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আগামী ১৮ জানুয়ারি ধার্য করেছেন।
শেখ পরিবার ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য মেজর (অব.) ইঞ্জিনিয়ার সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৭
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫২
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩৯