
১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:২৮
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সিঙ্গাপুরে অবতরণ করছে।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের সেলেতার বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এর আগে, এদিন বেলা ১১টা ২২ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় পৌঁছে। পরবর্তীতে দুপুরের দিকে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ওসমান হাদিকে বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। দুপুর দেড়টার কিছু আগে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে দেড়টার দিকে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়।
ওসমান হাদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন তার ভাই ওমর বিন হাদি এবং বন্ধু আমিনুল হাসান ফয়সাল। তিনি হাদির রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ছিলেন।
জানা গেছে, ৪ ঘণ্টা উড্ডয়নের পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুর থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার এয়ারকেয়ার হাসপাতাল ও সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে তার দীর্ঘ এই সফরে সম্মত হয়েছেন।
গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে ওসমান হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। তারপর থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন ওসমান হাদি।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সিঙ্গাপুরে অবতরণ করছে।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের সেলেতার বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এর আগে, এদিন বেলা ১১টা ২২ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় পৌঁছে। পরবর্তীতে দুপুরের দিকে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ওসমান হাদিকে বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। দুপুর দেড়টার কিছু আগে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে দেড়টার দিকে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়।
ওসমান হাদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন তার ভাই ওমর বিন হাদি এবং বন্ধু আমিনুল হাসান ফয়সাল। তিনি হাদির রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ছিলেন।
জানা গেছে, ৪ ঘণ্টা উড্ডয়নের পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুর থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার এয়ারকেয়ার হাসপাতাল ও সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে তার দীর্ঘ এই সফরে সম্মত হয়েছেন।
গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে ওসমান হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। তারপর থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন ওসমান হাদি।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১২

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ০০:১৯

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৫৮
নওগাঁর মহাদেবপুরে এক কৃষক দল নেতার গাঁজা সেবনের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।
গাঁজা সেবনকারী ওই কৃষক দল নেতার নাম ওয়াজেদ আলী ওরফে আলী। তিনি মহাদেবপুর উপজেলা কৃষক দলের সহসভাপতি।
ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার গো-হাটির চৌখন্ডিতে (বসার স্থান) পা ঝুলিয়ে বসে আছেন কৃষক দল নেতা ওয়াজেদ আলী। হাতে একটি কাগজে মোড়ানো গাঁজা, নাকে শুকুতে শুকতে বলতে শোনা যাচ্ছে এইশালা এগুলো খাওয়া যাবে? আবার বলতে শোনা যাচ্ছে তামুক কিন্তু এটা মাটির তলে থোয়া (রাখা)। আড়ালে থাকা একজনকে এগিয়ে দিয়ে বলছে দানা আছে, একবার শুঁকে দেখ। এরপর গাঁজা থেকে কিছু ফেলে দিচ্ছেন তিনি নিজেই। পরবর্তীতে হাতের তালুতে নিয়ে আঙুল দিয়ে ডলতে দেখা যায়। সর্বশেষ গুঁড়ো করে একটি সিগারেটে উঠিয়ে সিগারেটটি টানতে দেখা যায় তাকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়াজেদ আলী বলেন, ‘আমি মিথ্যে কথা বলার লোক না। এটা আমাকে একজন ব্ল্যাকমেইল করেছে। আমি সেবন করি না। একজন আমাকে হাতে দিয়েছিল, আমি ওভাবে হাতে নিয়ে ধরেছিলাম। তবে আমি গাঁজা খাই না। সিগারেট খাই।’
মহাদেবপুর উপজেলা কৃষক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হারুন অর রাজু বলেন, ওয়াজেদ আলীর মাদক সেবনের একটা ছবি পেয়েছি। আমরা থানা কমিটি বসব। দলে নেশাখোর ও চাঁদাবাজের স্থান হবে না।
নওগাঁ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব এ টি এম ফিরোজ দুলু বলেন, ‘বিষয়টি অবগত আছি। তার বিরুদ্ধ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় আম কুড়ানোকে কেন্দ্র করে দুই স্কুলছাত্রকে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে এক স্থানীয় গণঅধিকার পরিষদের নেতার বিরুদ্ধে। আহত শিশুদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউনিয়া গ্রামের মোল্লা বাড়িতে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মো. ইমাম মোল্লা (৫৫) স্থানীয় গণঅধিকার পরিষদের ওয়ার্ড সভাপতি বলে জানা গেছে।
আহতরা হলো- দশমিনা পাইলট স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আশিক মোল্লা (১০) এবং দশমিনা পাবলিক স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র জুবায়ের মোল্লা (৮)। তারা সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সেদিনও শিশুরা খেলতে বের হয়েছিল। এক পর্যায়ে তারা বন্ধুদের সঙ্গে ইমাম মোল্লার আমগাছের নিচে গিয়ে পড়ে থাকা আম কুড়াতে যায়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ইমাম মোল্লা এসে শিশুদের ডেকে হঠাৎ করেই আশিক ও জুবায়েরকে বেধড়ক মারধর শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে আশিককে এলোপাতাড়ি লাথি-ঘুষি মেরে গুরুতর আহত করা হয়। পরে জুবায়েরকেও একইভাবে মারধর করা হয়। শিশুদের চিৎকার শুনে এগিয়ে আসেন তাদের বড় বোন ও দাদি কিন্তু তারাও রেহাই পাননি। তাদেরও ধাক্কা ও মারধর করা হয়। মারধরের একপর্যায়ে দুই শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকার একটি দোকানে আটকে রাখেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে আশিকের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়।
আহত আশিক জানায়, আমি আম পাড়তে যাইনি, গাছের নিচে পড়ে থাকা আম কুড়াতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করেই ইমাম কাকা আমাকে মারতে শুরু করেন। আমার বুকে লাথি মারলে আমি সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়ি।
জুবায়েরও একই অভিযোগ করে বলে, আমরা চুরি করিনি, শুধু পড়ে থাকা আম কুড়িয়েছিলাম। তারপরও আমাদের ওপর এভাবে হামলা করা হয়েছে।
আশিকের বাবা মনির হোসেন বলেন, একটা সামান্য আমের জন্য একজন ৫৫ বছরের মানুষ এভাবে শিশুদের মারধর করতে পারে, এটা ভাবতেই পারছি না। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
জুবায়েরের বাবা জুলহাস মোল্লাও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার সন্তানদের ওপর যে নির্যাতন হয়েছে, তার বিচার না হলে আমরা নিরাপদ নই।
এদিকে অভিযুক্তের ভাতিজা আল-আমিন মোল্লা বলেন, আমার চাচা যা করেছেন তা সম্পূর্ণ অন্যায়। শিশুদের সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
অভিযুক্ত ইমাম মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয় দশমিনা উপজেলা পরিষদের সদস্য সচিব মো. মিলন মাতুব্বর জালাল, গতকাল রাতে এ বিষয়ে শুনেছি, সরজমিনে আমরা লোক পাঠিয়ে যদি এমন ঘটনার সত্যতা থাকে, তাহলে ইমাম হোসেনের বিরুদ্ধে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।
পটুয়াখালী জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি শাহ আলম বলেন, এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে দুঃখজনক। খোঁজ খবর নিচ্ছি, সত্যতা পেলে বহিষ্কার করা হবে।
দশমিনা থানার ওসি (তদন্ত) ইমাম মেহেদী জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় আম কুড়ানোকে কেন্দ্র করে দুই স্কুলছাত্রকে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে এক স্থানীয় গণঅধিকার পরিষদের নেতার বিরুদ্ধে। আহত শিশুদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউনিয়া গ্রামের মোল্লা বাড়িতে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মো. ইমাম মোল্লা (৫৫) স্থানীয় গণঅধিকার পরিষদের ওয়ার্ড সভাপতি বলে জানা গেছে।
আহতরা হলো- দশমিনা পাইলট স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আশিক মোল্লা (১০) এবং দশমিনা পাবলিক স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র জুবায়ের মোল্লা (৮)। তারা সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সেদিনও শিশুরা খেলতে বের হয়েছিল। এক পর্যায়ে তারা বন্ধুদের সঙ্গে ইমাম মোল্লার আমগাছের নিচে গিয়ে পড়ে থাকা আম কুড়াতে যায়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ইমাম মোল্লা এসে শিশুদের ডেকে হঠাৎ করেই আশিক ও জুবায়েরকে বেধড়ক মারধর শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে আশিককে এলোপাতাড়ি লাথি-ঘুষি মেরে গুরুতর আহত করা হয়। পরে জুবায়েরকেও একইভাবে মারধর করা হয়। শিশুদের চিৎকার শুনে এগিয়ে আসেন তাদের বড় বোন ও দাদি কিন্তু তারাও রেহাই পাননি। তাদেরও ধাক্কা ও মারধর করা হয়। মারধরের একপর্যায়ে দুই শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকার একটি দোকানে আটকে রাখেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে আশিকের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়।
আহত আশিক জানায়, আমি আম পাড়তে যাইনি, গাছের নিচে পড়ে থাকা আম কুড়াতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করেই ইমাম কাকা আমাকে মারতে শুরু করেন। আমার বুকে লাথি মারলে আমি সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়ি।
জুবায়েরও একই অভিযোগ করে বলে, আমরা চুরি করিনি, শুধু পড়ে থাকা আম কুড়িয়েছিলাম। তারপরও আমাদের ওপর এভাবে হামলা করা হয়েছে।
আশিকের বাবা মনির হোসেন বলেন, একটা সামান্য আমের জন্য একজন ৫৫ বছরের মানুষ এভাবে শিশুদের মারধর করতে পারে, এটা ভাবতেই পারছি না। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
জুবায়েরের বাবা জুলহাস মোল্লাও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার সন্তানদের ওপর যে নির্যাতন হয়েছে, তার বিচার না হলে আমরা নিরাপদ নই।
এদিকে অভিযুক্তের ভাতিজা আল-আমিন মোল্লা বলেন, আমার চাচা যা করেছেন তা সম্পূর্ণ অন্যায়। শিশুদের সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
অভিযুক্ত ইমাম মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয় দশমিনা উপজেলা পরিষদের সদস্য সচিব মো. মিলন মাতুব্বর জালাল, গতকাল রাতে এ বিষয়ে শুনেছি, সরজমিনে আমরা লোক পাঠিয়ে যদি এমন ঘটনার সত্যতা থাকে, তাহলে ইমাম হোসেনের বিরুদ্ধে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।
পটুয়াখালী জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি শাহ আলম বলেন, এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে দুঃখজনক। খোঁজ খবর নিচ্ছি, সত্যতা পেলে বহিষ্কার করা হবে।
দশমিনা থানার ওসি (তদন্ত) ইমাম মেহেদী জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা শিক্ষকদের পদোন্নতি প্রক্রিয়া নিয়ে চরম অসন্তোষ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকরা দ্রুত সমাধানের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে পাঁচ কার্যদিবসের আল্টিমেটাম দিয়েছেন পদন্নোতি প্রাপ্য শিক্ষকরা।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে এক চিঠির মাধ্যমে এই আল্টিমেটাল দেওয়া হয়।
চিঠির বরাতে জানা গেছে, প্রায় ৬০ জন শিক্ষক বিভিন্ন মেয়াদে (৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত) পদোন্নতির জন্য আবেদন করে অপেক্ষা করছেন। দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা ও আস্থাহীনতা বাড়ছে। তাদের দাবি, এই অনিশ্চয়তা শুধু পেশাগত জীবন নয়, ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
শিক্ষকরা অভিযোগ করেছে, ইতোমধ্যে ২৪ জন সহযোগী অধ্যাপকের সিলেকশন বোর্ড সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস অতিবাহিত হলেও এখনো সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়নি এবং পদোন্নতি কার্যকর করা হয়নি। তারা এটিকে প্রশাসনিক বিলম্ব নয়, বরং সরাসরি অবিচার হিসেবে দেখছেন।
এছাড়া আরও ৩৬ জন শিক্ষক যারা সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক এবং প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে উন্নীত হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তাদের জন্য এখনো কোনো বোর্ড বসানো হয়নি। ফলে সামগ্রিকভাবে পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে আছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষকদের পক্ষ থেকে উপাচার্যের কাছে দেওয়া আবেদনে দুটি প্রধান দাবি হল
১) আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ইতোমধ্যে সম্পন্ন হওয়া সিলেকশন বোর্ডের ভিত্তিতে ২৪ জন শিক্ষকের পদোন্নতি কার্যকর করতে হবে।
২) বাকি আবেদনকারীদের জন্য একই সময়ের মধ্যে পদোন্নতি বোর্ড আহ্বান করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় তা সম্পন্ন করতে হবে।
আবেদনে বলা হয়েছে, পদোন্নতি কোনো অনুগ্রহ নয়। এটি যোগ্য শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার। কিন্তু বারবার আশ্বাস পেলেও বাস্তব অগ্রগতি না হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে গভীর হতাশা তৈরি হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষা পরিবেশের ওপরও প্রভাব ফেলছে।
শিক্ষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে তারা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়-এ শিক্ষকদের পদোন্নতি নিয়ে বিভিন্ন সময় বিতর্ক ও অভিযোগ রয়েছে।
পদন্নোতি প্রত্যাশী সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক মোস্তাকিম রহমান বলেন, শিক্ষকরা বারমবার ভিসি স্যারের সাথে দেখা করেছেন। ভিসি স্যার নানা ভাবে শিক্ষকদের অশ্বাস্ত করেছে। কিন্তু দিন শেষে ভিসি স্যার তার জায়গায় ঠিক থাকেন নি। সে জায়গা থেকেই একটা চিঠি দিয়েছি। আমরা তার সাথে কর্মদিবসে দেখা করার চেষ্টা করেছি কিন্তু তিনি সময় বের করতে পারেননি। পরবর্তীতে তিনি আজকে রাতে দেখা করার সময় দেয়। আমরা আজকে দেখা করে এই চিঠি দিয়েছি। এখন দেখার বিষয় তিনি কি করেন আমাদের জন্য।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. তৌফিক আলম বলেন, আজকে শিক্ষকদের সাথে খুব সুন্দর ভাবে একটা আলোচনা হয়েছে। আশা করি অতিদ্রুত সময়ের ভিতর আমরা সমাধনে পৌঁছাতে পারবো।
বরিশাল টাইমস
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা শিক্ষকদের পদোন্নতি প্রক্রিয়া নিয়ে চরম অসন্তোষ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকরা দ্রুত সমাধানের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে পাঁচ কার্যদিবসের আল্টিমেটাম দিয়েছেন পদন্নোতি প্রাপ্য শিক্ষকরা।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে এক চিঠির মাধ্যমে এই আল্টিমেটাল দেওয়া হয়।
চিঠির বরাতে জানা গেছে, প্রায় ৬০ জন শিক্ষক বিভিন্ন মেয়াদে (৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত) পদোন্নতির জন্য আবেদন করে অপেক্ষা করছেন। দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা ও আস্থাহীনতা বাড়ছে। তাদের দাবি, এই অনিশ্চয়তা শুধু পেশাগত জীবন নয়, ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
শিক্ষকরা অভিযোগ করেছে, ইতোমধ্যে ২৪ জন সহযোগী অধ্যাপকের সিলেকশন বোর্ড সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস অতিবাহিত হলেও এখনো সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়নি এবং পদোন্নতি কার্যকর করা হয়নি। তারা এটিকে প্রশাসনিক বিলম্ব নয়, বরং সরাসরি অবিচার হিসেবে দেখছেন।
এছাড়া আরও ৩৬ জন শিক্ষক যারা সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক এবং প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে উন্নীত হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তাদের জন্য এখনো কোনো বোর্ড বসানো হয়নি। ফলে সামগ্রিকভাবে পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে আছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষকদের পক্ষ থেকে উপাচার্যের কাছে দেওয়া আবেদনে দুটি প্রধান দাবি হল
১) আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ইতোমধ্যে সম্পন্ন হওয়া সিলেকশন বোর্ডের ভিত্তিতে ২৪ জন শিক্ষকের পদোন্নতি কার্যকর করতে হবে।
২) বাকি আবেদনকারীদের জন্য একই সময়ের মধ্যে পদোন্নতি বোর্ড আহ্বান করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় তা সম্পন্ন করতে হবে।
আবেদনে বলা হয়েছে, পদোন্নতি কোনো অনুগ্রহ নয়। এটি যোগ্য শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার। কিন্তু বারবার আশ্বাস পেলেও বাস্তব অগ্রগতি না হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে গভীর হতাশা তৈরি হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষা পরিবেশের ওপরও প্রভাব ফেলছে।
শিক্ষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে তারা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়-এ শিক্ষকদের পদোন্নতি নিয়ে বিভিন্ন সময় বিতর্ক ও অভিযোগ রয়েছে।
পদন্নোতি প্রত্যাশী সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক মোস্তাকিম রহমান বলেন, শিক্ষকরা বারমবার ভিসি স্যারের সাথে দেখা করেছেন। ভিসি স্যার নানা ভাবে শিক্ষকদের অশ্বাস্ত করেছে। কিন্তু দিন শেষে ভিসি স্যার তার জায়গায় ঠিক থাকেন নি। সে জায়গা থেকেই একটা চিঠি দিয়েছি। আমরা তার সাথে কর্মদিবসে দেখা করার চেষ্টা করেছি কিন্তু তিনি সময় বের করতে পারেননি। পরবর্তীতে তিনি আজকে রাতে দেখা করার সময় দেয়। আমরা আজকে দেখা করে এই চিঠি দিয়েছি। এখন দেখার বিষয় তিনি কি করেন আমাদের জন্য।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. তৌফিক আলম বলেন, আজকে শিক্ষকদের সাথে খুব সুন্দর ভাবে একটা আলোচনা হয়েছে। আশা করি অতিদ্রুত সময়ের ভিতর আমরা সমাধনে পৌঁছাতে পারবো।
বরিশাল টাইমস
নওগাঁর মহাদেবপুরে এক কৃষক দল নেতার গাঁজা সেবনের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।
গাঁজা সেবনকারী ওই কৃষক দল নেতার নাম ওয়াজেদ আলী ওরফে আলী। তিনি মহাদেবপুর উপজেলা কৃষক দলের সহসভাপতি।
ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার গো-হাটির চৌখন্ডিতে (বসার স্থান) পা ঝুলিয়ে বসে আছেন কৃষক দল নেতা ওয়াজেদ আলী। হাতে একটি কাগজে মোড়ানো গাঁজা, নাকে শুকুতে শুকতে বলতে শোনা যাচ্ছে এইশালা এগুলো খাওয়া যাবে? আবার বলতে শোনা যাচ্ছে তামুক কিন্তু এটা মাটির তলে থোয়া (রাখা)। আড়ালে থাকা একজনকে এগিয়ে দিয়ে বলছে দানা আছে, একবার শুঁকে দেখ। এরপর গাঁজা থেকে কিছু ফেলে দিচ্ছেন তিনি নিজেই। পরবর্তীতে হাতের তালুতে নিয়ে আঙুল দিয়ে ডলতে দেখা যায়। সর্বশেষ গুঁড়ো করে একটি সিগারেটে উঠিয়ে সিগারেটটি টানতে দেখা যায় তাকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়াজেদ আলী বলেন, ‘আমি মিথ্যে কথা বলার লোক না। এটা আমাকে একজন ব্ল্যাকমেইল করেছে। আমি সেবন করি না। একজন আমাকে হাতে দিয়েছিল, আমি ওভাবে হাতে নিয়ে ধরেছিলাম। তবে আমি গাঁজা খাই না। সিগারেট খাই।’
মহাদেবপুর উপজেলা কৃষক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হারুন অর রাজু বলেন, ওয়াজেদ আলীর মাদক সেবনের একটা ছবি পেয়েছি। আমরা থানা কমিটি বসব। দলে নেশাখোর ও চাঁদাবাজের স্থান হবে না।
নওগাঁ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব এ টি এম ফিরোজ দুলু বলেন, ‘বিষয়টি অবগত আছি। তার বিরুদ্ধ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরিশাল টাইমস
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১২
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ০০:১৯
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৫৮
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৪৩