Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:১৫
পটুয়াখালীর বাউফলে চর কচুয়ার চরের জমি নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে বিরোধে প্রায় ২শ একর জমির তরমুজ চাষাবাদ বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা। বাঁধামুখে খেতে সার কীটনাশক ও পরিচর্যা করতে না পারায় প্রায় ৪ কোটি টাকার ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। এমন ঘটনা ঘটেছে উপজেলার চর কুচয়ার চরে।
বিরোধ নিষ্পত্তি ও চাষাবাদ চলমান রাখার দাবি নিয়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো সুফল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী চাষিরা।
বন্দোবস্ত জমির মালিকদের ভাষ্যমতে, উপজেলার চরকচুয়া মৌজায় সরকার ১৯৭৩ ও ১৯৯৪ সালে পর্যায়ক্রমে ২০৮জন কৃষককে প্রায় ৪০৮ একর জমি বন্দোবস্ত দেয়। এ জমির অধিকাংশই তেঁতুলিয়া নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। তবে ৪০৮ একর জমির অধিকাংশই তেঁতুলিয়া নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ২১৩ একর জমি চাষাবাদ যোগ্য। বন্দোবস্ত গৃহিতারা নিয়মিত খাজনা দিয়ে চাষাবাদ করে আসছে। চলতি মৌসুমে ওই জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন চাষীরা। তিন মাস আগে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত সহকারি কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম বন্দোবস্ত দেওয়া জমির ১২০ একর জমি নামেবেনামে একটি প্রভাবশালী মহলকে এক বছর মেয়াদে চাষাবাদের (লিজ) অনুমতি দেয়। এনিয়ে দেখা দেয় বিরোধ। বন্দোবস্ত গৃহিতারা জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন। এক বছরের অনুমতি নেওয়া পক্ষের লোকজন ওই জমিতে চাষাবাদ বাধা দিচ্ছেন। বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও ও থানার ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বন্দোবস্ত গৃহিতারা। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। এতে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা।
শুক্রবার সরেজমিনে কচুয়া চরে গিয়ে দেখা যায়, তেতঁতুলিয়া নদীর মাঝে চর কচুয়ার চারপাশে অস্থায়ী বেড়িবাধ দিয়ে তরমুজের প্রজেক্ট করা হয়েছে। খেতে খেতে তরমুজের চারা রোপন করা। তবে নিয়মিত সার, কীটনাশক ও পরিচর্যা করতে পারছেন কৃষকরা। খেতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার প্রজেক্ট।
ভোলার চরফ্যাশনের তরমুজ চাষী মো. ফোরকান (৪৫) বলেন, প্রতিবছর আমরা বাউফলের বিভিন্ন চরে জমি লিজ নিয়ে তরমুজ আবাদ করি। এবছর চর কচুয়ায় বন্দোবস্ত জমির মালিকদের কাছ থেকে ২শ একর জমি লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছি। তরমুজ চারাও বড় হয়ে গেছে। এখন কয়েকদিন ধরে একটি পক্ষ এসে জমির মালিক দাবি করে আমাদের কাছে টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় তারা চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছেন। জমিতে কাজ করলে আমাদের ওপর তারা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা করে ভয়ভীতি দেখান। এতে আমরা অনেক বিপদের মধ্যে পড়েছি। ঠিকমত জমিতে সার ওষুধ না দিতে পারলে আমাদের ৪ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হবে।
বাউফলের চন্দদ্বীপ ইউনিয়নের জামাল মাঝি বলেন (৪৮) বলেন, যারা বিগত দিনে জমি ভোগদখল করে আসছে। তাদের কাছ থেকে একসোনা জমি লিজ নিয়েছি। লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করি। তখন কেউ বাধা দেয়নি। এখন যখন তরমুজ গাছ বড় হয়েছে তখন নাজিরপুর ইউনিয়নের নরুল ইসলাম, অলি, আনসার মেম্বার সহ একটি পক্ষ এসে জমির মালিক দাবি করেন। ইউএনও নাকি তাদের ডিসিআর দিয়েছেন। তারা মোটা অংকের টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছে।
এ চাষী আরও বলেন, এক পক্ষের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়েছি। তাদের টাকাও দিয়েছে।আরেক পক্ষকে তো টাকা দেওয়া সম্ভব না। দুই পক্ষ বসে সমাধান করুক। কিন্তু আমাদের চাষাবাদ বন্ধ করার কোনো মানে নেই। এভাবে চলতে থাকলে আমরা শেষ হয়ে যাব। মরা ছাড়া উপায় থাকবে না।
নাজিরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মজিবর রহমান মোল্লা জানান, সরকার আমাদের ২০৮জন কৃষকদের জমি বন্দোবস্ত দলিল দেয়। এই জমির অধিকাংশই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ২০০ একর জমি চাষাবাদের যোগ্য। সেই জমিতে আমরা বছরের পর বছর ধরে চাষাবাদ করে আসছি। সাবেক ইউএনও আমিনুল ইসলাম অবৈধ সুবিধা নিয়ে একটি প্রভাবশালী মহলকে সম্পূর্ণ বেআইনী ভাবে এক বছর মেয়াদে লিজ দেন। ওই প্রভাবশালী মহল নামে বেনামে অবৈধভাবে লিজ নিয়ে আমাদের হয়রানি করছে আসছে। জমিতে চাষাবাদে বাধা দিচ্ছে। মারধর ও প্রাণনাশেরও হুমকি দিয়ে আসছে। চাষাবাদ চলমান রাখতে ও অবৈধ লিজ বাতিলের দাবি করে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। তবে তারা এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
এক বছর মেয়াদে চাষাবাদের অনুমতি নেওয়া ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা কাউকে ভয়ভীতি দেখায়নি। এসিল্যান্ড আমাদের ২৪ জনকে ১২০ একর জমি চাষাবাদের অনুমতি দিয়েছেন, সেই মর্মে আমরা ভোগদখল করতে চাই। কিন্তু তারা আমাদের দখল বুঝিয়ে দিচ্ছেন না।
তবে এবিষয়ে সাবেক ইউএনও ও ভারপ্রাপ্ত এসিল্যান্ড আমিনুল ইসলামের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে তাকে বাউফল থেকে বদলি করা হয়েছিল।
এবিষয়ে জানতে চাইলে সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. সোহাগ মিলু বলেন, আগের সহকারি কমিশনার জমির লিজ দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিষয়ে আমরা প্রতিবেদন চেয়েছেন। আমি প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তি করা হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে চর কচুয়ার চরের জমি নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে বিরোধে প্রায় ২শ একর জমির তরমুজ চাষাবাদ বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা। বাঁধামুখে খেতে সার কীটনাশক ও পরিচর্যা করতে না পারায় প্রায় ৪ কোটি টাকার ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। এমন ঘটনা ঘটেছে উপজেলার চর কুচয়ার চরে।
বিরোধ নিষ্পত্তি ও চাষাবাদ চলমান রাখার দাবি নিয়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো সুফল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী চাষিরা।
বন্দোবস্ত জমির মালিকদের ভাষ্যমতে, উপজেলার চরকচুয়া মৌজায় সরকার ১৯৭৩ ও ১৯৯৪ সালে পর্যায়ক্রমে ২০৮জন কৃষককে প্রায় ৪০৮ একর জমি বন্দোবস্ত দেয়। এ জমির অধিকাংশই তেঁতুলিয়া নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। তবে ৪০৮ একর জমির অধিকাংশই তেঁতুলিয়া নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ২১৩ একর জমি চাষাবাদ যোগ্য। বন্দোবস্ত গৃহিতারা নিয়মিত খাজনা দিয়ে চাষাবাদ করে আসছে। চলতি মৌসুমে ওই জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন চাষীরা। তিন মাস আগে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত সহকারি কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম বন্দোবস্ত দেওয়া জমির ১২০ একর জমি নামেবেনামে একটি প্রভাবশালী মহলকে এক বছর মেয়াদে চাষাবাদের (লিজ) অনুমতি দেয়। এনিয়ে দেখা দেয় বিরোধ। বন্দোবস্ত গৃহিতারা জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন। এক বছরের অনুমতি নেওয়া পক্ষের লোকজন ওই জমিতে চাষাবাদ বাধা দিচ্ছেন। বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও ও থানার ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বন্দোবস্ত গৃহিতারা। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। এতে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা।
শুক্রবার সরেজমিনে কচুয়া চরে গিয়ে দেখা যায়, তেতঁতুলিয়া নদীর মাঝে চর কচুয়ার চারপাশে অস্থায়ী বেড়িবাধ দিয়ে তরমুজের প্রজেক্ট করা হয়েছে। খেতে খেতে তরমুজের চারা রোপন করা। তবে নিয়মিত সার, কীটনাশক ও পরিচর্যা করতে পারছেন কৃষকরা। খেতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার প্রজেক্ট।
ভোলার চরফ্যাশনের তরমুজ চাষী মো. ফোরকান (৪৫) বলেন, প্রতিবছর আমরা বাউফলের বিভিন্ন চরে জমি লিজ নিয়ে তরমুজ আবাদ করি। এবছর চর কচুয়ায় বন্দোবস্ত জমির মালিকদের কাছ থেকে ২শ একর জমি লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছি। তরমুজ চারাও বড় হয়ে গেছে। এখন কয়েকদিন ধরে একটি পক্ষ এসে জমির মালিক দাবি করে আমাদের কাছে টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় তারা চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছেন। জমিতে কাজ করলে আমাদের ওপর তারা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা করে ভয়ভীতি দেখান। এতে আমরা অনেক বিপদের মধ্যে পড়েছি। ঠিকমত জমিতে সার ওষুধ না দিতে পারলে আমাদের ৪ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হবে।
বাউফলের চন্দদ্বীপ ইউনিয়নের জামাল মাঝি বলেন (৪৮) বলেন, যারা বিগত দিনে জমি ভোগদখল করে আসছে। তাদের কাছ থেকে একসোনা জমি লিজ নিয়েছি। লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করি। তখন কেউ বাধা দেয়নি। এখন যখন তরমুজ গাছ বড় হয়েছে তখন নাজিরপুর ইউনিয়নের নরুল ইসলাম, অলি, আনসার মেম্বার সহ একটি পক্ষ এসে জমির মালিক দাবি করেন। ইউএনও নাকি তাদের ডিসিআর দিয়েছেন। তারা মোটা অংকের টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছে।
এ চাষী আরও বলেন, এক পক্ষের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়েছি। তাদের টাকাও দিয়েছে।আরেক পক্ষকে তো টাকা দেওয়া সম্ভব না। দুই পক্ষ বসে সমাধান করুক। কিন্তু আমাদের চাষাবাদ বন্ধ করার কোনো মানে নেই। এভাবে চলতে থাকলে আমরা শেষ হয়ে যাব। মরা ছাড়া উপায় থাকবে না।
নাজিরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মজিবর রহমান মোল্লা জানান, সরকার আমাদের ২০৮জন কৃষকদের জমি বন্দোবস্ত দলিল দেয়। এই জমির অধিকাংশই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ২০০ একর জমি চাষাবাদের যোগ্য। সেই জমিতে আমরা বছরের পর বছর ধরে চাষাবাদ করে আসছি। সাবেক ইউএনও আমিনুল ইসলাম অবৈধ সুবিধা নিয়ে একটি প্রভাবশালী মহলকে সম্পূর্ণ বেআইনী ভাবে এক বছর মেয়াদে লিজ দেন। ওই প্রভাবশালী মহল নামে বেনামে অবৈধভাবে লিজ নিয়ে আমাদের হয়রানি করছে আসছে। জমিতে চাষাবাদে বাধা দিচ্ছে। মারধর ও প্রাণনাশেরও হুমকি দিয়ে আসছে। চাষাবাদ চলমান রাখতে ও অবৈধ লিজ বাতিলের দাবি করে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। তবে তারা এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
এক বছর মেয়াদে চাষাবাদের অনুমতি নেওয়া ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা কাউকে ভয়ভীতি দেখায়নি। এসিল্যান্ড আমাদের ২৪ জনকে ১২০ একর জমি চাষাবাদের অনুমতি দিয়েছেন, সেই মর্মে আমরা ভোগদখল করতে চাই। কিন্তু তারা আমাদের দখল বুঝিয়ে দিচ্ছেন না।
তবে এবিষয়ে সাবেক ইউএনও ও ভারপ্রাপ্ত এসিল্যান্ড আমিনুল ইসলামের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে তাকে বাউফল থেকে বদলি করা হয়েছিল।
এবিষয়ে জানতে চাইলে সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. সোহাগ মিলু বলেন, আগের সহকারি কমিশনার জমির লিজ দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিষয়ে আমরা প্রতিবেদন চেয়েছেন। আমি প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তি করা হবে।’

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪০
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সরকারি খাসজমি থেকে একটি রেইন্ট্রি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে শ্রমিক দল নেতাসহ চারজনের বিরুদ্ধে চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৭-৮ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসিফ নূর জানান, কুয়াকাটা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে হোটেল সীকুইন সংলগ্ন বিএস ১ নম্বর খাস খতিয়ানের ৩৪২১ ও ৩৪২৭ নম্বর দাগের সরকারি জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রয়েছে। ওই এলাকায় ডিসি বাংলোতে অবস্থানরত কর্মচারীরা সরকারি সম্পত্তি দেখাশোনা করেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ মার্চ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ওই সরকারি জমিতে একটি রেইন্ট্রি গাছ ছিল। কিন্তু রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গাছটি আর সেখানে দেখা যায়নি। পরদিন বিষয়টি ভূমি অফিসকে জানানো হলে সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজখবর নেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আসামিরা বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে সরকারি জমিতে প্রবেশ করে গাছটি কেটে ভ্যানযোগে অন্যত্র নিয়ে যায়। চুরি হওয়া গাছটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় কুয়াকাটা পৌর শ্রমিক দলের সহসভাপতি মো. জসিম মৃধা, আ. কাদের, পৌর কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আলমাস ও রাসেলসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে শনিবার (১৪ মার্চ) মহিপুর থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্ত শ্রমিক দল নেতা মো. জসিম মৃধা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
পটুয়াখালী জেলা শ্রমিক দলের সহসভাপতি জাহিদুর রহমান বাবু খান বলেন, ঘটনার সত্যতা যাচাই করে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান জানান, সরকারি সম্পত্তি চুরির অভিযোগে একটি মামলা রুজু হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩০
পটুয়াখালীর দুমকিতে নিতাই চন্দ্র নামের এক যুবককে মারধর করেছে আওয়ামী লীগের নেতারা। গুরুতর আহত যুবককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর চরবয়রা গ্রামের তালতলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী।
আহত নিতাই চন্দ্র বলেন, বিকেলে তালতলী বাজারে আমার দোকানে গেলে পারিবারিক ঝামেলা নিয়ে প্রতিবেশী শুভাষ চন্দ্র শীলের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার, জাবের মাহমুদ লিটনসহ ৩/৪ জন এসে রড ও বাঁশের লাঠি আমাকে পিটিয়ে আহত করে। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার বলেন, নিতাই চন্দ্র আমাদেরকে গালাগাল করেছে, এজন্য আমরা তাকে মেরেছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অতসী উপমা ঐশী বলেন, আহত নিতাই চন্দ্রের মুখে ও মাথায় একাধিক আঘাত রয়েছে।
দুমকি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নুরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সরকারি খাসজমি থেকে একটি রেইন্ট্রি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে শ্রমিক দল নেতাসহ চারজনের বিরুদ্ধে চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৭-৮ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসিফ নূর জানান, কুয়াকাটা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে হোটেল সীকুইন সংলগ্ন বিএস ১ নম্বর খাস খতিয়ানের ৩৪২১ ও ৩৪২৭ নম্বর দাগের সরকারি জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রয়েছে। ওই এলাকায় ডিসি বাংলোতে অবস্থানরত কর্মচারীরা সরকারি সম্পত্তি দেখাশোনা করেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ মার্চ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ওই সরকারি জমিতে একটি রেইন্ট্রি গাছ ছিল। কিন্তু রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গাছটি আর সেখানে দেখা যায়নি। পরদিন বিষয়টি ভূমি অফিসকে জানানো হলে সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজখবর নেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আসামিরা বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে সরকারি জমিতে প্রবেশ করে গাছটি কেটে ভ্যানযোগে অন্যত্র নিয়ে যায়। চুরি হওয়া গাছটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় কুয়াকাটা পৌর শ্রমিক দলের সহসভাপতি মো. জসিম মৃধা, আ. কাদের, পৌর কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আলমাস ও রাসেলসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে শনিবার (১৪ মার্চ) মহিপুর থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্ত শ্রমিক দল নেতা মো. জসিম মৃধা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
পটুয়াখালী জেলা শ্রমিক দলের সহসভাপতি জাহিদুর রহমান বাবু খান বলেন, ঘটনার সত্যতা যাচাই করে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান জানান, সরকারি সম্পত্তি চুরির অভিযোগে একটি মামলা রুজু হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দেশের অন্যতম মৎস্য বন্দর পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর বন্দর। প্রতিদিন জেলেরা এই বন্দরে মাছ বিক্রি করে ট্রলারে রসদ সামগ্রী নিয়ে ছুটে যায় গভির বঙ্গোপসাগরে।
গত এক সপ্তাহ ধরে কৃত্রিম তৈল (ডিজেল) সংকটের কারণে শত শত ট্রলার গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যেতে পারছেন না। ঈদের ঠিক আগ মূহর্তে এই সংকট মৎস্যজীবীদের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর দাবী জানিয়েছেন জেলেরা। কুয়াকাটায় প্রতি সপ্তাহে ডিজেল চাহিদা তিন লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ লিটার সেখানে ফিলিং ষ্টেশন ডিজেল পায় ৭০-৭৫ হাজার লিটার।
আন্তর্জাতিক বাজারে ইরান-ইসরাইল-আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার খবরে দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই সুযোগে কুয়াকাটার উপকূলীয় বাজারে তেল ব্যবসায়ীরা চরা দামে তেল বেচার জন্য মজুতদারী শুরু করেছে।
গত কয়েকদিন ধরে কোন মহাজনের কাছে ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে উপকূলের বিভিন্ন নদ-নদীতে শত শত ট্রলার মাছ নোঙর করে আছে। এদিকে দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ার কারণে গত তিন মাস ধরে সাগরে মাছ না পেয়ে দেনাগ্রস্থ জেলেরা আসন্ন ঈদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে। রমজানের শেষ মুহূর্তে আবহাওয়ায় কিছু পরিবর্তন এসেছে, প্রতিদিন আকাশে মেঘা দেখা যায়। বাতাসের গতি কিছুটা বেড়েছে, এখন সমুদ্রে মাছ ধরা পরার উপর্যুক্ত হয়েছে। জেলেদের আশা শেষ মুহূর্তে মাছে পেয়ে ঈদ আনন্দ উৎযাপন করবেন। কিন্তু এই মুর্হুতে জ¦ালানি সংকটের কারণে সমুদ্রে যেতে পারছেন না উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার জেলে। ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তৈল পাচ্ছে না পাম্পগুলো। যার কারণে তেলের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী কোন ট্রলারে তৈল দেয়া হচ্ছে না।
শুধুমাত্র পরিবহনে ডিজেল দেয়া হচ্ছে। মৎস্য আলীপুরের জেলে হোসেন বলেন, গত তিন মাস ধরে সমুদ্রে মাছ নেই। বর্তমানে আবহাওয়া কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে। এখন সাগরে মাছ ধরা পরার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু তেলের অভাবে সাগরে যেতে পারছি না। দ্রুত তেলের ব্যবস্থা করার দাবি আমাদের। ট্রলার মালিক কামাল হোসেন বলেন, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না।
আসলেই কি তেল নেই, নাকি সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে। ট্রলার ঘাটে নোঙর করে রেখেছি। তৈল পেলেই সমুদ্রে যাবে। আড়তদার ব্যবসায়ী আঃ জলিল ঘরামী বলেন, তেলে অভাবে ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ হয়ে আছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর জোর দাবী জানাচ্ছি। মহিপুর রাজা ফিলিং ষ্টেশনের পরিচালক আসিফ মাহমুদ বলেন, আমাদের চাহিদা অনুযায়ী ডিপো থেকে তেল দিতে পারছে না। আমরাও সংরবরাহ করতে পারছি না।
আমাদের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী যানে তেল সরবারহ করা হচ্ছে না। শুধু পরিবহনে তেল দিচ্ছি। এ প্রসঙ্গে কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, আমরা শুনছি জ¦ালানী তেলের সংকটের কারণে অনেক জেলে সমুদ্র যেতে পারছেন না। সমুদ্রগামী জেলেদের জন্য আগামী দুই এক দিনের মধ্যে ডিজেল সংকট কেটে যাবে।
দেশের অন্যতম মৎস্য বন্দর পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর বন্দর। প্রতিদিন জেলেরা এই বন্দরে মাছ বিক্রি করে ট্রলারে রসদ সামগ্রী নিয়ে ছুটে যায় গভির বঙ্গোপসাগরে।
গত এক সপ্তাহ ধরে কৃত্রিম তৈল (ডিজেল) সংকটের কারণে শত শত ট্রলার গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যেতে পারছেন না। ঈদের ঠিক আগ মূহর্তে এই সংকট মৎস্যজীবীদের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর দাবী জানিয়েছেন জেলেরা। কুয়াকাটায় প্রতি সপ্তাহে ডিজেল চাহিদা তিন লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ লিটার সেখানে ফিলিং ষ্টেশন ডিজেল পায় ৭০-৭৫ হাজার লিটার।
আন্তর্জাতিক বাজারে ইরান-ইসরাইল-আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার খবরে দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই সুযোগে কুয়াকাটার উপকূলীয় বাজারে তেল ব্যবসায়ীরা চরা দামে তেল বেচার জন্য মজুতদারী শুরু করেছে।
গত কয়েকদিন ধরে কোন মহাজনের কাছে ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে উপকূলের বিভিন্ন নদ-নদীতে শত শত ট্রলার মাছ নোঙর করে আছে। এদিকে দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ার কারণে গত তিন মাস ধরে সাগরে মাছ না পেয়ে দেনাগ্রস্থ জেলেরা আসন্ন ঈদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে। রমজানের শেষ মুহূর্তে আবহাওয়ায় কিছু পরিবর্তন এসেছে, প্রতিদিন আকাশে মেঘা দেখা যায়। বাতাসের গতি কিছুটা বেড়েছে, এখন সমুদ্রে মাছ ধরা পরার উপর্যুক্ত হয়েছে। জেলেদের আশা শেষ মুহূর্তে মাছে পেয়ে ঈদ আনন্দ উৎযাপন করবেন। কিন্তু এই মুর্হুতে জ¦ালানি সংকটের কারণে সমুদ্রে যেতে পারছেন না উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার জেলে। ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তৈল পাচ্ছে না পাম্পগুলো। যার কারণে তেলের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী কোন ট্রলারে তৈল দেয়া হচ্ছে না।
শুধুমাত্র পরিবহনে ডিজেল দেয়া হচ্ছে। মৎস্য আলীপুরের জেলে হোসেন বলেন, গত তিন মাস ধরে সমুদ্রে মাছ নেই। বর্তমানে আবহাওয়া কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে। এখন সাগরে মাছ ধরা পরার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু তেলের অভাবে সাগরে যেতে পারছি না। দ্রুত তেলের ব্যবস্থা করার দাবি আমাদের। ট্রলার মালিক কামাল হোসেন বলেন, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না।
আসলেই কি তেল নেই, নাকি সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে। ট্রলার ঘাটে নোঙর করে রেখেছি। তৈল পেলেই সমুদ্রে যাবে। আড়তদার ব্যবসায়ী আঃ জলিল ঘরামী বলেন, তেলে অভাবে ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ হয়ে আছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর জোর দাবী জানাচ্ছি। মহিপুর রাজা ফিলিং ষ্টেশনের পরিচালক আসিফ মাহমুদ বলেন, আমাদের চাহিদা অনুযায়ী ডিপো থেকে তেল দিতে পারছে না। আমরাও সংরবরাহ করতে পারছি না।
আমাদের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী যানে তেল সরবারহ করা হচ্ছে না। শুধু পরিবহনে তেল দিচ্ছি। এ প্রসঙ্গে কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, আমরা শুনছি জ¦ালানী তেলের সংকটের কারণে অনেক জেলে সমুদ্র যেতে পারছেন না। সমুদ্রগামী জেলেদের জন্য আগামী দুই এক দিনের মধ্যে ডিজেল সংকট কেটে যাবে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে নিতাই চন্দ্র নামের এক যুবককে মারধর করেছে আওয়ামী লীগের নেতারা। গুরুতর আহত যুবককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর চরবয়রা গ্রামের তালতলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী।
আহত নিতাই চন্দ্র বলেন, বিকেলে তালতলী বাজারে আমার দোকানে গেলে পারিবারিক ঝামেলা নিয়ে প্রতিবেশী শুভাষ চন্দ্র শীলের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার, জাবের মাহমুদ লিটনসহ ৩/৪ জন এসে রড ও বাঁশের লাঠি আমাকে পিটিয়ে আহত করে। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার বলেন, নিতাই চন্দ্র আমাদেরকে গালাগাল করেছে, এজন্য আমরা তাকে মেরেছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অতসী উপমা ঐশী বলেন, আহত নিতাই চন্দ্রের মুখে ও মাথায় একাধিক আঘাত রয়েছে।
দুমকি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নুরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।