
০৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:১৫
পটুয়াখালীর বাউফলে চর কচুয়ার চরের জমি নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে বিরোধে প্রায় ২শ একর জমির তরমুজ চাষাবাদ বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা। বাঁধামুখে খেতে সার কীটনাশক ও পরিচর্যা করতে না পারায় প্রায় ৪ কোটি টাকার ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। এমন ঘটনা ঘটেছে উপজেলার চর কুচয়ার চরে।
বিরোধ নিষ্পত্তি ও চাষাবাদ চলমান রাখার দাবি নিয়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো সুফল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী চাষিরা।
বন্দোবস্ত জমির মালিকদের ভাষ্যমতে, উপজেলার চরকচুয়া মৌজায় সরকার ১৯৭৩ ও ১৯৯৪ সালে পর্যায়ক্রমে ২০৮জন কৃষককে প্রায় ৪০৮ একর জমি বন্দোবস্ত দেয়। এ জমির অধিকাংশই তেঁতুলিয়া নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। তবে ৪০৮ একর জমির অধিকাংশই তেঁতুলিয়া নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ২১৩ একর জমি চাষাবাদ যোগ্য। বন্দোবস্ত গৃহিতারা নিয়মিত খাজনা দিয়ে চাষাবাদ করে আসছে। চলতি মৌসুমে ওই জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন চাষীরা। তিন মাস আগে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত সহকারি কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম বন্দোবস্ত দেওয়া জমির ১২০ একর জমি নামেবেনামে একটি প্রভাবশালী মহলকে এক বছর মেয়াদে চাষাবাদের (লিজ) অনুমতি দেয়। এনিয়ে দেখা দেয় বিরোধ। বন্দোবস্ত গৃহিতারা জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন। এক বছরের অনুমতি নেওয়া পক্ষের লোকজন ওই জমিতে চাষাবাদ বাধা দিচ্ছেন। বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও ও থানার ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বন্দোবস্ত গৃহিতারা। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। এতে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা।
শুক্রবার সরেজমিনে কচুয়া চরে গিয়ে দেখা যায়, তেতঁতুলিয়া নদীর মাঝে চর কচুয়ার চারপাশে অস্থায়ী বেড়িবাধ দিয়ে তরমুজের প্রজেক্ট করা হয়েছে। খেতে খেতে তরমুজের চারা রোপন করা। তবে নিয়মিত সার, কীটনাশক ও পরিচর্যা করতে পারছেন কৃষকরা। খেতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার প্রজেক্ট।
ভোলার চরফ্যাশনের তরমুজ চাষী মো. ফোরকান (৪৫) বলেন, প্রতিবছর আমরা বাউফলের বিভিন্ন চরে জমি লিজ নিয়ে তরমুজ আবাদ করি। এবছর চর কচুয়ায় বন্দোবস্ত জমির মালিকদের কাছ থেকে ২শ একর জমি লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছি। তরমুজ চারাও বড় হয়ে গেছে। এখন কয়েকদিন ধরে একটি পক্ষ এসে জমির মালিক দাবি করে আমাদের কাছে টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় তারা চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছেন। জমিতে কাজ করলে আমাদের ওপর তারা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা করে ভয়ভীতি দেখান। এতে আমরা অনেক বিপদের মধ্যে পড়েছি। ঠিকমত জমিতে সার ওষুধ না দিতে পারলে আমাদের ৪ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হবে।
বাউফলের চন্দদ্বীপ ইউনিয়নের জামাল মাঝি বলেন (৪৮) বলেন, যারা বিগত দিনে জমি ভোগদখল করে আসছে। তাদের কাছ থেকে একসোনা জমি লিজ নিয়েছি। লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করি। তখন কেউ বাধা দেয়নি। এখন যখন তরমুজ গাছ বড় হয়েছে তখন নাজিরপুর ইউনিয়নের নরুল ইসলাম, অলি, আনসার মেম্বার সহ একটি পক্ষ এসে জমির মালিক দাবি করেন। ইউএনও নাকি তাদের ডিসিআর দিয়েছেন। তারা মোটা অংকের টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছে।
এ চাষী আরও বলেন, এক পক্ষের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়েছি। তাদের টাকাও দিয়েছে।আরেক পক্ষকে তো টাকা দেওয়া সম্ভব না। দুই পক্ষ বসে সমাধান করুক। কিন্তু আমাদের চাষাবাদ বন্ধ করার কোনো মানে নেই। এভাবে চলতে থাকলে আমরা শেষ হয়ে যাব। মরা ছাড়া উপায় থাকবে না।
নাজিরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মজিবর রহমান মোল্লা জানান, সরকার আমাদের ২০৮জন কৃষকদের জমি বন্দোবস্ত দলিল দেয়। এই জমির অধিকাংশই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ২০০ একর জমি চাষাবাদের যোগ্য। সেই জমিতে আমরা বছরের পর বছর ধরে চাষাবাদ করে আসছি। সাবেক ইউএনও আমিনুল ইসলাম অবৈধ সুবিধা নিয়ে একটি প্রভাবশালী মহলকে সম্পূর্ণ বেআইনী ভাবে এক বছর মেয়াদে লিজ দেন। ওই প্রভাবশালী মহল নামে বেনামে অবৈধভাবে লিজ নিয়ে আমাদের হয়রানি করছে আসছে। জমিতে চাষাবাদে বাধা দিচ্ছে। মারধর ও প্রাণনাশেরও হুমকি দিয়ে আসছে। চাষাবাদ চলমান রাখতে ও অবৈধ লিজ বাতিলের দাবি করে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। তবে তারা এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
এক বছর মেয়াদে চাষাবাদের অনুমতি নেওয়া ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা কাউকে ভয়ভীতি দেখায়নি। এসিল্যান্ড আমাদের ২৪ জনকে ১২০ একর জমি চাষাবাদের অনুমতি দিয়েছেন, সেই মর্মে আমরা ভোগদখল করতে চাই। কিন্তু তারা আমাদের দখল বুঝিয়ে দিচ্ছেন না।
তবে এবিষয়ে সাবেক ইউএনও ও ভারপ্রাপ্ত এসিল্যান্ড আমিনুল ইসলামের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে তাকে বাউফল থেকে বদলি করা হয়েছিল।
এবিষয়ে জানতে চাইলে সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. সোহাগ মিলু বলেন, আগের সহকারি কমিশনার জমির লিজ দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিষয়ে আমরা প্রতিবেদন চেয়েছেন। আমি প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তি করা হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে চর কচুয়ার চরের জমি নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে বিরোধে প্রায় ২শ একর জমির তরমুজ চাষাবাদ বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা। বাঁধামুখে খেতে সার কীটনাশক ও পরিচর্যা করতে না পারায় প্রায় ৪ কোটি টাকার ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। এমন ঘটনা ঘটেছে উপজেলার চর কুচয়ার চরে।
বিরোধ নিষ্পত্তি ও চাষাবাদ চলমান রাখার দাবি নিয়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো সুফল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী চাষিরা।
বন্দোবস্ত জমির মালিকদের ভাষ্যমতে, উপজেলার চরকচুয়া মৌজায় সরকার ১৯৭৩ ও ১৯৯৪ সালে পর্যায়ক্রমে ২০৮জন কৃষককে প্রায় ৪০৮ একর জমি বন্দোবস্ত দেয়। এ জমির অধিকাংশই তেঁতুলিয়া নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। তবে ৪০৮ একর জমির অধিকাংশই তেঁতুলিয়া নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ২১৩ একর জমি চাষাবাদ যোগ্য। বন্দোবস্ত গৃহিতারা নিয়মিত খাজনা দিয়ে চাষাবাদ করে আসছে। চলতি মৌসুমে ওই জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন চাষীরা। তিন মাস আগে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত সহকারি কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম বন্দোবস্ত দেওয়া জমির ১২০ একর জমি নামেবেনামে একটি প্রভাবশালী মহলকে এক বছর মেয়াদে চাষাবাদের (লিজ) অনুমতি দেয়। এনিয়ে দেখা দেয় বিরোধ। বন্দোবস্ত গৃহিতারা জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন। এক বছরের অনুমতি নেওয়া পক্ষের লোকজন ওই জমিতে চাষাবাদ বাধা দিচ্ছেন। বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও ও থানার ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বন্দোবস্ত গৃহিতারা। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। এতে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা।
শুক্রবার সরেজমিনে কচুয়া চরে গিয়ে দেখা যায়, তেতঁতুলিয়া নদীর মাঝে চর কচুয়ার চারপাশে অস্থায়ী বেড়িবাধ দিয়ে তরমুজের প্রজেক্ট করা হয়েছে। খেতে খেতে তরমুজের চারা রোপন করা। তবে নিয়মিত সার, কীটনাশক ও পরিচর্যা করতে পারছেন কৃষকরা। খেতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার প্রজেক্ট।
ভোলার চরফ্যাশনের তরমুজ চাষী মো. ফোরকান (৪৫) বলেন, প্রতিবছর আমরা বাউফলের বিভিন্ন চরে জমি লিজ নিয়ে তরমুজ আবাদ করি। এবছর চর কচুয়ায় বন্দোবস্ত জমির মালিকদের কাছ থেকে ২শ একর জমি লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছি। তরমুজ চারাও বড় হয়ে গেছে। এখন কয়েকদিন ধরে একটি পক্ষ এসে জমির মালিক দাবি করে আমাদের কাছে টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় তারা চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছেন। জমিতে কাজ করলে আমাদের ওপর তারা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা করে ভয়ভীতি দেখান। এতে আমরা অনেক বিপদের মধ্যে পড়েছি। ঠিকমত জমিতে সার ওষুধ না দিতে পারলে আমাদের ৪ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হবে।
বাউফলের চন্দদ্বীপ ইউনিয়নের জামাল মাঝি বলেন (৪৮) বলেন, যারা বিগত দিনে জমি ভোগদখল করে আসছে। তাদের কাছ থেকে একসোনা জমি লিজ নিয়েছি। লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করি। তখন কেউ বাধা দেয়নি। এখন যখন তরমুজ গাছ বড় হয়েছে তখন নাজিরপুর ইউনিয়নের নরুল ইসলাম, অলি, আনসার মেম্বার সহ একটি পক্ষ এসে জমির মালিক দাবি করেন। ইউএনও নাকি তাদের ডিসিআর দিয়েছেন। তারা মোটা অংকের টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছে।
এ চাষী আরও বলেন, এক পক্ষের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়েছি। তাদের টাকাও দিয়েছে।আরেক পক্ষকে তো টাকা দেওয়া সম্ভব না। দুই পক্ষ বসে সমাধান করুক। কিন্তু আমাদের চাষাবাদ বন্ধ করার কোনো মানে নেই। এভাবে চলতে থাকলে আমরা শেষ হয়ে যাব। মরা ছাড়া উপায় থাকবে না।
নাজিরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মজিবর রহমান মোল্লা জানান, সরকার আমাদের ২০৮জন কৃষকদের জমি বন্দোবস্ত দলিল দেয়। এই জমির অধিকাংশই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ২০০ একর জমি চাষাবাদের যোগ্য। সেই জমিতে আমরা বছরের পর বছর ধরে চাষাবাদ করে আসছি। সাবেক ইউএনও আমিনুল ইসলাম অবৈধ সুবিধা নিয়ে একটি প্রভাবশালী মহলকে সম্পূর্ণ বেআইনী ভাবে এক বছর মেয়াদে লিজ দেন। ওই প্রভাবশালী মহল নামে বেনামে অবৈধভাবে লিজ নিয়ে আমাদের হয়রানি করছে আসছে। জমিতে চাষাবাদে বাধা দিচ্ছে। মারধর ও প্রাণনাশেরও হুমকি দিয়ে আসছে। চাষাবাদ চলমান রাখতে ও অবৈধ লিজ বাতিলের দাবি করে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। তবে তারা এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
এক বছর মেয়াদে চাষাবাদের অনুমতি নেওয়া ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা কাউকে ভয়ভীতি দেখায়নি। এসিল্যান্ড আমাদের ২৪ জনকে ১২০ একর জমি চাষাবাদের অনুমতি দিয়েছেন, সেই মর্মে আমরা ভোগদখল করতে চাই। কিন্তু তারা আমাদের দখল বুঝিয়ে দিচ্ছেন না।
তবে এবিষয়ে সাবেক ইউএনও ও ভারপ্রাপ্ত এসিল্যান্ড আমিনুল ইসলামের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে তাকে বাউফল থেকে বদলি করা হয়েছিল।
এবিষয়ে জানতে চাইলে সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. সোহাগ মিলু বলেন, আগের সহকারি কমিশনার জমির লিজ দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিষয়ে আমরা প্রতিবেদন চেয়েছেন। আমি প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তি করা হবে।’
৩০ মে, ২০২৬ ১১:১২
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:২৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫১

২৭ মে, ২০২৬ ০৯:১৭
সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন জেলায় বুধবার ঈদুল আজহার উদযাপন করা হচ্ছে। এরমধ্যে চট্টগ্রাম, দিনাজপুর ও সাতক্ষীরায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চট্টগ্রামের প্রায় ৬০টি গ্রামে বুধবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। জেলার চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা এ ঈদ উদযাপন করেন।
দরবার শরীফ সূত্র জানায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় মির্জাখীল দরবার শরীফের কেন্দ্রীয় খানকাহ মাঠে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এবারের জামাতে ইমামতি করেন বর্তমান সাজ্জাদানশীন হজরত ইমামুল আরেফীন ড. মৌলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান।
সাতকানিয়ার মির্জাখীল, গাটিয়াডাঙ্গা, আলীনগর, মাদার্শা, খাগরিয়া, মৈশামুড়া, পুরানগড়, বাজালিয়া, মনেয়াবাদ, চরতি, সুঁইপুরা ও হালুয়াঘোনাসহ বিভিন্ন এলাকায় আজ ঈদ উদযাপিত হচ্ছে।
চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চননগর, হারালা, বাইনজুরি, চরবরমা, কেশুয়া, কানাই মাদারি, সাতবাড়িয়া, বরকল, দোহাজারী ও জামিরজুরিসহ বিভিন্ন গ্রামেও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদের নামাজ ও কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা পালিত হবে।
দিনাজপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সদর উপজেলাসহ জেলার ৬টি উপজেলায় ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিদের একাংশ। জেলা শহরের চারুবাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে, চিরিরবন্দর, কাহারোল, বোচাগঞ্জ, বিরল ও বিরামপুর উপজেলায় আগাম ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ৮ টায় শহরের চারুবাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেন শহর ও শহরতলীর কয়েকটি এলাকার মানুষ। এই জামাতে পুরুষ, মহিলা ও শিশুসহ প্রায় ৩০০ শতাধিক মুসল্লি অংশগহণ করেন।
এই জামাতে ইমামতি করেন ফুলবাড়ী হলি কুরআন মাদরাসার পরিচালক মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক।
এছাড়া চিরিরবন্দর উপজেলার সাইতারা ইউনিয়নের রাবার ড্যাম, ফতেহজংপুর গ্রামে, কাহারোল উপজেলার জয়নন্দ গ্রামে, ১৩ মাইলে, বিরল উপজেলার পশ্চিম বনগাঁ জামে মসজিদে, বোচাগঞ্জ উপজেলায় ও বিরামপুর উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া দাখিল মাদরাসা মাঠে ও খয়ের বাড়ি দাখিল মাদরাসা মাঠে প্রায় ২০/২৫টি গ্রামের কয়েকশ মানুষ ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, জেলায় ২৫ গ্রামের মানুষ ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন। সদর উপজেলার বাওখোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদের নামাজ আদায় করেছেন তারা। জামাতে ইমামতি করেন বাওখোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. মোহাব্বত আলী।
ঈদের নামাজে সাতক্ষীরার ইসলামকাটি, গোয়ালচত্তর, ভাদড়া, ঘোনা, ভাড়ুখালি, মিরগিডাঙ্গাসহ প্রায় ২৫ গ্রামের মানুষ অংশ গ্রহণ করেন। নামায শেষে আল্লাহর সন্তুষ্টি আদায়ের লক্ষ্যে পশু কোরবানি করেন তারা।
সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন জেলায় বুধবার ঈদুল আজহার উদযাপন করা হচ্ছে। এরমধ্যে চট্টগ্রাম, দিনাজপুর ও সাতক্ষীরায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চট্টগ্রামের প্রায় ৬০টি গ্রামে বুধবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। জেলার চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা এ ঈদ উদযাপন করেন।
দরবার শরীফ সূত্র জানায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় মির্জাখীল দরবার শরীফের কেন্দ্রীয় খানকাহ মাঠে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এবারের জামাতে ইমামতি করেন বর্তমান সাজ্জাদানশীন হজরত ইমামুল আরেফীন ড. মৌলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান।
সাতকানিয়ার মির্জাখীল, গাটিয়াডাঙ্গা, আলীনগর, মাদার্শা, খাগরিয়া, মৈশামুড়া, পুরানগড়, বাজালিয়া, মনেয়াবাদ, চরতি, সুঁইপুরা ও হালুয়াঘোনাসহ বিভিন্ন এলাকায় আজ ঈদ উদযাপিত হচ্ছে।
চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চননগর, হারালা, বাইনজুরি, চরবরমা, কেশুয়া, কানাই মাদারি, সাতবাড়িয়া, বরকল, দোহাজারী ও জামিরজুরিসহ বিভিন্ন গ্রামেও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদের নামাজ ও কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা পালিত হবে।
দিনাজপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সদর উপজেলাসহ জেলার ৬টি উপজেলায় ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিদের একাংশ। জেলা শহরের চারুবাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে, চিরিরবন্দর, কাহারোল, বোচাগঞ্জ, বিরল ও বিরামপুর উপজেলায় আগাম ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ৮ টায় শহরের চারুবাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেন শহর ও শহরতলীর কয়েকটি এলাকার মানুষ। এই জামাতে পুরুষ, মহিলা ও শিশুসহ প্রায় ৩০০ শতাধিক মুসল্লি অংশগহণ করেন।
এই জামাতে ইমামতি করেন ফুলবাড়ী হলি কুরআন মাদরাসার পরিচালক মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক।
এছাড়া চিরিরবন্দর উপজেলার সাইতারা ইউনিয়নের রাবার ড্যাম, ফতেহজংপুর গ্রামে, কাহারোল উপজেলার জয়নন্দ গ্রামে, ১৩ মাইলে, বিরল উপজেলার পশ্চিম বনগাঁ জামে মসজিদে, বোচাগঞ্জ উপজেলায় ও বিরামপুর উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া দাখিল মাদরাসা মাঠে ও খয়ের বাড়ি দাখিল মাদরাসা মাঠে প্রায় ২০/২৫টি গ্রামের কয়েকশ মানুষ ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, জেলায় ২৫ গ্রামের মানুষ ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন। সদর উপজেলার বাওখোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদের নামাজ আদায় করেছেন তারা। জামাতে ইমামতি করেন বাওখোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. মোহাব্বত আলী।
ঈদের নামাজে সাতক্ষীরার ইসলামকাটি, গোয়ালচত্তর, ভাদড়া, ঘোনা, ভাড়ুখালি, মিরগিডাঙ্গাসহ প্রায় ২৫ গ্রামের মানুষ অংশ গ্রহণ করেন। নামায শেষে আল্লাহর সন্তুষ্টি আদায়ের লক্ষ্যে পশু কোরবানি করেন তারা।

২৭ মে, ২০২৬ ০৭:৫৪
মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে পটুয়াখালীর ৩৫ গ্রামে আজ বুধবার পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে। দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মিল রেখে জেলার প্রায় ২৫ হাজার মানুষ একদিন আগেই ঈদ উদযাপন করে থাকেন।
আজ ঈদ পালন করবেন পটুয়াখালীর ৩৫ গ্রামের বাসিন্দারা। এ উপলক্ষে সকাল ৮টায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের বদরপুর দরবার শরীফে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের প্রধান জামাত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক শতাব্দী ধরে এসব এলাকায় মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ উদযাপনের রীতি চলে আসছে। ১৯২৮ সাল থেকে এখানকার মানুষ একদিন আগেই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা পালন করছেন। শুধুমাত্র সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামেই প্রায় ১০০ পরিবার এ রীতি অনুসরণ করে।
যেসব গ্রামে বুধবার ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— সদর উপজেলার বদরপুর ও ছোটবিঘাই; গলাচিপা উপজেলার পশুরী বুনিয়া, সেনের হাওলা, কানকুনি পাড়া, মৌডুবি ও নিজ হাওলা; বাউফল উপজেলার রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, মদনপুরা, সুরদি, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, শাপলাখালী, আমিরাবাদ ও কনকদিয়া; এছাড়া কলাপাড়া উপজেলার ইটবাড়ীয়া, নাঈয়াপট্টি, টিয়াখালী, তেগাছিয়া, দক্ষিণ দেবপুরসহ আরও বেশ কয়েকটি গ্রাম।
বদরপুর গ্রামের বাসিন্দা আবু রায়হান বলেন, “ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি, সারা দেশে ঈদ উদযাপনের একদিন আগে আমাদের এলাকায় ঈদ পালন করা হয়। আমরাও সেই নিয়মেই ঈদ করি। ঈদের নামাজ আদায়, কোলাকুলি, আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে যাওয়া ও কোরবানি—সব মিলিয়ে দিনটি আমাদের কাছে আনন্দের।”
বদরপুর দরবার শরীফ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. শফিকুল আলম গনি বলেন, “আগামীকাল (বুধবার) সকাল ৮টায় আমাদের দরবার শরীফে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে আমরা সেই হিসাব অনুযায়ী ঈদ উদযাপন করি। হাদিসেও এ বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে।”
মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে পটুয়াখালীর ৩৫ গ্রামে আজ বুধবার পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে। দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মিল রেখে জেলার প্রায় ২৫ হাজার মানুষ একদিন আগেই ঈদ উদযাপন করে থাকেন।
আজ ঈদ পালন করবেন পটুয়াখালীর ৩৫ গ্রামের বাসিন্দারা। এ উপলক্ষে সকাল ৮টায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের বদরপুর দরবার শরীফে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের প্রধান জামাত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক শতাব্দী ধরে এসব এলাকায় মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ উদযাপনের রীতি চলে আসছে। ১৯২৮ সাল থেকে এখানকার মানুষ একদিন আগেই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা পালন করছেন। শুধুমাত্র সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামেই প্রায় ১০০ পরিবার এ রীতি অনুসরণ করে।
যেসব গ্রামে বুধবার ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— সদর উপজেলার বদরপুর ও ছোটবিঘাই; গলাচিপা উপজেলার পশুরী বুনিয়া, সেনের হাওলা, কানকুনি পাড়া, মৌডুবি ও নিজ হাওলা; বাউফল উপজেলার রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, মদনপুরা, সুরদি, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, শাপলাখালী, আমিরাবাদ ও কনকদিয়া; এছাড়া কলাপাড়া উপজেলার ইটবাড়ীয়া, নাঈয়াপট্টি, টিয়াখালী, তেগাছিয়া, দক্ষিণ দেবপুরসহ আরও বেশ কয়েকটি গ্রাম।
বদরপুর গ্রামের বাসিন্দা আবু রায়হান বলেন, “ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি, সারা দেশে ঈদ উদযাপনের একদিন আগে আমাদের এলাকায় ঈদ পালন করা হয়। আমরাও সেই নিয়মেই ঈদ করি। ঈদের নামাজ আদায়, কোলাকুলি, আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে যাওয়া ও কোরবানি—সব মিলিয়ে দিনটি আমাদের কাছে আনন্দের।”
বদরপুর দরবার শরীফ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. শফিকুল আলম গনি বলেন, “আগামীকাল (বুধবার) সকাল ৮টায় আমাদের দরবার শরীফে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে আমরা সেই হিসাব অনুযায়ী ঈদ উদযাপন করি। হাদিসেও এ বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে।”

২৬ মে, ২০২৬ ১৯:৪৯
পটুয়াখালীর বাউফলে টিসিবির কার্ডের অনুকুলে দেয়া প্রায় ২৪০ কেজি চাল আত্মসাত করে ঘরে তোলার সময় মো. শাকিল শিকদার নামে এক ইউনিয়ন জামায়াত নেতাকে আটক করেছে স্থানীয়রা।
সোমবার দিবাগত রাত ১০ টার দিকে কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। শাকিল ওই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর বায়তুল মাল সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাতে সকলের অগোচরে কয়েকটি বস্তাভর্তি টিসিবির চাল শাকিল তার মমিনবাজার সংলঘœ বাসায় তোলার সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়।
পরে তাঁরা শাকিলের বাসায় গিয়ে ২৫ জনের টিসিবি পন্য সুবিধাভোগীদের স্মাট কার্ডসহ বস্তাভর্তি ২৪০ কেজি চাল উদ্ধার করেন। এ নিয়ে উভয়ের মাধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে উদ্ধারকৃত চাল ওই ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ হাসানের জিম্মায় রাখে।
স্থানীয়দের দাবি, টিসিবির চাল দিনের বেলা বিতরণ করা হয়। রাতে কেন একজনের বাসায় এতগুলি বস্তাভর্তি চাল তোলা হবে? আত্মসাত করার উদ্দ্যেশ্যেই শাকিল টিসিবির ওই বস্তাভর্তি চাল নিজের বাসায় তুলে ছিলেন।
অভিযুক্ত জামায়াত নেতা হাসান শিকদার বলেন, আটকের ঘটনাটি স্থানীয় বিএনপির সাজানো নাটক। আমার ছোট ভাই রাজিব ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালায়। এক বছর ধরে টিসিবির সুবিধাভোগীরা রাজিবের মাধ্যমে পণ্য ক্রয় করে আসছে।
বিনিময়ে রাজিব সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ৩০ টাকা করে পাচ্ছেন। নিরাপদে রাখার জন্য বস্তাভর্তি ওই চাল আমার বাসায় রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কেশবপুর ইউনিয়ন জামায়াত ইসলামী সেক্রেটারি মোঃ আবু দাউদ বলেন, অভিযুক্ত হাসান শিকদারের ভাই অটো গাড়ী চালক,কয়েক ব্যক্তির চাল একত্রে করে তার গাড়ীতে করে এনেছে।
এ খানে জামায়াত নেতা নেতা হাসান শিকদার এ ঘটনার সাথে জড়ীতনা। এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াত ইসলামী সেক্রেটারি মোঃ থালিদুর রহমান বলেন, এ ঘটনাটি আমার জানা নেই। খোজ নিয়ে জানার চেষ্টা করতেছি।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, এ বিষয় আমাকে কেউ অবহিত করেন নাই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ সালেহ আহম্মেদ বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে টিসিবির কার্ডের অনুকুলে দেয়া প্রায় ২৪০ কেজি চাল আত্মসাত করে ঘরে তোলার সময় মো. শাকিল শিকদার নামে এক ইউনিয়ন জামায়াত নেতাকে আটক করেছে স্থানীয়রা।
সোমবার দিবাগত রাত ১০ টার দিকে কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। শাকিল ওই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর বায়তুল মাল সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাতে সকলের অগোচরে কয়েকটি বস্তাভর্তি টিসিবির চাল শাকিল তার মমিনবাজার সংলঘœ বাসায় তোলার সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়।
পরে তাঁরা শাকিলের বাসায় গিয়ে ২৫ জনের টিসিবি পন্য সুবিধাভোগীদের স্মাট কার্ডসহ বস্তাভর্তি ২৪০ কেজি চাল উদ্ধার করেন। এ নিয়ে উভয়ের মাধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে উদ্ধারকৃত চাল ওই ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ হাসানের জিম্মায় রাখে।
স্থানীয়দের দাবি, টিসিবির চাল দিনের বেলা বিতরণ করা হয়। রাতে কেন একজনের বাসায় এতগুলি বস্তাভর্তি চাল তোলা হবে? আত্মসাত করার উদ্দ্যেশ্যেই শাকিল টিসিবির ওই বস্তাভর্তি চাল নিজের বাসায় তুলে ছিলেন।
অভিযুক্ত জামায়াত নেতা হাসান শিকদার বলেন, আটকের ঘটনাটি স্থানীয় বিএনপির সাজানো নাটক। আমার ছোট ভাই রাজিব ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালায়। এক বছর ধরে টিসিবির সুবিধাভোগীরা রাজিবের মাধ্যমে পণ্য ক্রয় করে আসছে।
বিনিময়ে রাজিব সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ৩০ টাকা করে পাচ্ছেন। নিরাপদে রাখার জন্য বস্তাভর্তি ওই চাল আমার বাসায় রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কেশবপুর ইউনিয়ন জামায়াত ইসলামী সেক্রেটারি মোঃ আবু দাউদ বলেন, অভিযুক্ত হাসান শিকদারের ভাই অটো গাড়ী চালক,কয়েক ব্যক্তির চাল একত্রে করে তার গাড়ীতে করে এনেছে।
এ খানে জামায়াত নেতা নেতা হাসান শিকদার এ ঘটনার সাথে জড়ীতনা। এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াত ইসলামী সেক্রেটারি মোঃ থালিদুর রহমান বলেন, এ ঘটনাটি আমার জানা নেই। খোজ নিয়ে জানার চেষ্টা করতেছি।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, এ বিষয় আমাকে কেউ অবহিত করেন নাই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ সালেহ আহম্মেদ বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.