
০৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:১৫
পটুয়াখালীর বাউফলে চর কচুয়ার চরের জমি নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে বিরোধে প্রায় ২শ একর জমির তরমুজ চাষাবাদ বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা। বাঁধামুখে খেতে সার কীটনাশক ও পরিচর্যা করতে না পারায় প্রায় ৪ কোটি টাকার ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। এমন ঘটনা ঘটেছে উপজেলার চর কুচয়ার চরে।
বিরোধ নিষ্পত্তি ও চাষাবাদ চলমান রাখার দাবি নিয়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো সুফল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী চাষিরা।
বন্দোবস্ত জমির মালিকদের ভাষ্যমতে, উপজেলার চরকচুয়া মৌজায় সরকার ১৯৭৩ ও ১৯৯৪ সালে পর্যায়ক্রমে ২০৮জন কৃষককে প্রায় ৪০৮ একর জমি বন্দোবস্ত দেয়। এ জমির অধিকাংশই তেঁতুলিয়া নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। তবে ৪০৮ একর জমির অধিকাংশই তেঁতুলিয়া নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ২১৩ একর জমি চাষাবাদ যোগ্য। বন্দোবস্ত গৃহিতারা নিয়মিত খাজনা দিয়ে চাষাবাদ করে আসছে। চলতি মৌসুমে ওই জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন চাষীরা। তিন মাস আগে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত সহকারি কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম বন্দোবস্ত দেওয়া জমির ১২০ একর জমি নামেবেনামে একটি প্রভাবশালী মহলকে এক বছর মেয়াদে চাষাবাদের (লিজ) অনুমতি দেয়। এনিয়ে দেখা দেয় বিরোধ। বন্দোবস্ত গৃহিতারা জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন। এক বছরের অনুমতি নেওয়া পক্ষের লোকজন ওই জমিতে চাষাবাদ বাধা দিচ্ছেন। বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও ও থানার ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বন্দোবস্ত গৃহিতারা। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। এতে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা।
শুক্রবার সরেজমিনে কচুয়া চরে গিয়ে দেখা যায়, তেতঁতুলিয়া নদীর মাঝে চর কচুয়ার চারপাশে অস্থায়ী বেড়িবাধ দিয়ে তরমুজের প্রজেক্ট করা হয়েছে। খেতে খেতে তরমুজের চারা রোপন করা। তবে নিয়মিত সার, কীটনাশক ও পরিচর্যা করতে পারছেন কৃষকরা। খেতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার প্রজেক্ট।
ভোলার চরফ্যাশনের তরমুজ চাষী মো. ফোরকান (৪৫) বলেন, প্রতিবছর আমরা বাউফলের বিভিন্ন চরে জমি লিজ নিয়ে তরমুজ আবাদ করি। এবছর চর কচুয়ায় বন্দোবস্ত জমির মালিকদের কাছ থেকে ২শ একর জমি লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছি। তরমুজ চারাও বড় হয়ে গেছে। এখন কয়েকদিন ধরে একটি পক্ষ এসে জমির মালিক দাবি করে আমাদের কাছে টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় তারা চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছেন। জমিতে কাজ করলে আমাদের ওপর তারা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা করে ভয়ভীতি দেখান। এতে আমরা অনেক বিপদের মধ্যে পড়েছি। ঠিকমত জমিতে সার ওষুধ না দিতে পারলে আমাদের ৪ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হবে।
বাউফলের চন্দদ্বীপ ইউনিয়নের জামাল মাঝি বলেন (৪৮) বলেন, যারা বিগত দিনে জমি ভোগদখল করে আসছে। তাদের কাছ থেকে একসোনা জমি লিজ নিয়েছি। লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করি। তখন কেউ বাধা দেয়নি। এখন যখন তরমুজ গাছ বড় হয়েছে তখন নাজিরপুর ইউনিয়নের নরুল ইসলাম, অলি, আনসার মেম্বার সহ একটি পক্ষ এসে জমির মালিক দাবি করেন। ইউএনও নাকি তাদের ডিসিআর দিয়েছেন। তারা মোটা অংকের টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছে।
এ চাষী আরও বলেন, এক পক্ষের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়েছি। তাদের টাকাও দিয়েছে।আরেক পক্ষকে তো টাকা দেওয়া সম্ভব না। দুই পক্ষ বসে সমাধান করুক। কিন্তু আমাদের চাষাবাদ বন্ধ করার কোনো মানে নেই। এভাবে চলতে থাকলে আমরা শেষ হয়ে যাব। মরা ছাড়া উপায় থাকবে না।
নাজিরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মজিবর রহমান মোল্লা জানান, সরকার আমাদের ২০৮জন কৃষকদের জমি বন্দোবস্ত দলিল দেয়। এই জমির অধিকাংশই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ২০০ একর জমি চাষাবাদের যোগ্য। সেই জমিতে আমরা বছরের পর বছর ধরে চাষাবাদ করে আসছি। সাবেক ইউএনও আমিনুল ইসলাম অবৈধ সুবিধা নিয়ে একটি প্রভাবশালী মহলকে সম্পূর্ণ বেআইনী ভাবে এক বছর মেয়াদে লিজ দেন। ওই প্রভাবশালী মহল নামে বেনামে অবৈধভাবে লিজ নিয়ে আমাদের হয়রানি করছে আসছে। জমিতে চাষাবাদে বাধা দিচ্ছে। মারধর ও প্রাণনাশেরও হুমকি দিয়ে আসছে। চাষাবাদ চলমান রাখতে ও অবৈধ লিজ বাতিলের দাবি করে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। তবে তারা এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
এক বছর মেয়াদে চাষাবাদের অনুমতি নেওয়া ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা কাউকে ভয়ভীতি দেখায়নি। এসিল্যান্ড আমাদের ২৪ জনকে ১২০ একর জমি চাষাবাদের অনুমতি দিয়েছেন, সেই মর্মে আমরা ভোগদখল করতে চাই। কিন্তু তারা আমাদের দখল বুঝিয়ে দিচ্ছেন না।
তবে এবিষয়ে সাবেক ইউএনও ও ভারপ্রাপ্ত এসিল্যান্ড আমিনুল ইসলামের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে তাকে বাউফল থেকে বদলি করা হয়েছিল।
এবিষয়ে জানতে চাইলে সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. সোহাগ মিলু বলেন, আগের সহকারি কমিশনার জমির লিজ দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিষয়ে আমরা প্রতিবেদন চেয়েছেন। আমি প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তি করা হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে চর কচুয়ার চরের জমি নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে বিরোধে প্রায় ২শ একর জমির তরমুজ চাষাবাদ বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা। বাঁধামুখে খেতে সার কীটনাশক ও পরিচর্যা করতে না পারায় প্রায় ৪ কোটি টাকার ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। এমন ঘটনা ঘটেছে উপজেলার চর কুচয়ার চরে।
বিরোধ নিষ্পত্তি ও চাষাবাদ চলমান রাখার দাবি নিয়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো সুফল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী চাষিরা।
বন্দোবস্ত জমির মালিকদের ভাষ্যমতে, উপজেলার চরকচুয়া মৌজায় সরকার ১৯৭৩ ও ১৯৯৪ সালে পর্যায়ক্রমে ২০৮জন কৃষককে প্রায় ৪০৮ একর জমি বন্দোবস্ত দেয়। এ জমির অধিকাংশই তেঁতুলিয়া নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। তবে ৪০৮ একর জমির অধিকাংশই তেঁতুলিয়া নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ২১৩ একর জমি চাষাবাদ যোগ্য। বন্দোবস্ত গৃহিতারা নিয়মিত খাজনা দিয়ে চাষাবাদ করে আসছে। চলতি মৌসুমে ওই জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন চাষীরা। তিন মাস আগে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত সহকারি কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম বন্দোবস্ত দেওয়া জমির ১২০ একর জমি নামেবেনামে একটি প্রভাবশালী মহলকে এক বছর মেয়াদে চাষাবাদের (লিজ) অনুমতি দেয়। এনিয়ে দেখা দেয় বিরোধ। বন্দোবস্ত গৃহিতারা জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন। এক বছরের অনুমতি নেওয়া পক্ষের লোকজন ওই জমিতে চাষাবাদ বাধা দিচ্ছেন। বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও ও থানার ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বন্দোবস্ত গৃহিতারা। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। এতে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা।
শুক্রবার সরেজমিনে কচুয়া চরে গিয়ে দেখা যায়, তেতঁতুলিয়া নদীর মাঝে চর কচুয়ার চারপাশে অস্থায়ী বেড়িবাধ দিয়ে তরমুজের প্রজেক্ট করা হয়েছে। খেতে খেতে তরমুজের চারা রোপন করা। তবে নিয়মিত সার, কীটনাশক ও পরিচর্যা করতে পারছেন কৃষকরা। খেতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার প্রজেক্ট।
ভোলার চরফ্যাশনের তরমুজ চাষী মো. ফোরকান (৪৫) বলেন, প্রতিবছর আমরা বাউফলের বিভিন্ন চরে জমি লিজ নিয়ে তরমুজ আবাদ করি। এবছর চর কচুয়ায় বন্দোবস্ত জমির মালিকদের কাছ থেকে ২শ একর জমি লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছি। তরমুজ চারাও বড় হয়ে গেছে। এখন কয়েকদিন ধরে একটি পক্ষ এসে জমির মালিক দাবি করে আমাদের কাছে টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় তারা চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছেন। জমিতে কাজ করলে আমাদের ওপর তারা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা করে ভয়ভীতি দেখান। এতে আমরা অনেক বিপদের মধ্যে পড়েছি। ঠিকমত জমিতে সার ওষুধ না দিতে পারলে আমাদের ৪ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হবে।
বাউফলের চন্দদ্বীপ ইউনিয়নের জামাল মাঝি বলেন (৪৮) বলেন, যারা বিগত দিনে জমি ভোগদখল করে আসছে। তাদের কাছ থেকে একসোনা জমি লিজ নিয়েছি। লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করি। তখন কেউ বাধা দেয়নি। এখন যখন তরমুজ গাছ বড় হয়েছে তখন নাজিরপুর ইউনিয়নের নরুল ইসলাম, অলি, আনসার মেম্বার সহ একটি পক্ষ এসে জমির মালিক দাবি করেন। ইউএনও নাকি তাদের ডিসিআর দিয়েছেন। তারা মোটা অংকের টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছে।
এ চাষী আরও বলেন, এক পক্ষের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়েছি। তাদের টাকাও দিয়েছে।আরেক পক্ষকে তো টাকা দেওয়া সম্ভব না। দুই পক্ষ বসে সমাধান করুক। কিন্তু আমাদের চাষাবাদ বন্ধ করার কোনো মানে নেই। এভাবে চলতে থাকলে আমরা শেষ হয়ে যাব। মরা ছাড়া উপায় থাকবে না।
নাজিরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মজিবর রহমান মোল্লা জানান, সরকার আমাদের ২০৮জন কৃষকদের জমি বন্দোবস্ত দলিল দেয়। এই জমির অধিকাংশই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ২০০ একর জমি চাষাবাদের যোগ্য। সেই জমিতে আমরা বছরের পর বছর ধরে চাষাবাদ করে আসছি। সাবেক ইউএনও আমিনুল ইসলাম অবৈধ সুবিধা নিয়ে একটি প্রভাবশালী মহলকে সম্পূর্ণ বেআইনী ভাবে এক বছর মেয়াদে লিজ দেন। ওই প্রভাবশালী মহল নামে বেনামে অবৈধভাবে লিজ নিয়ে আমাদের হয়রানি করছে আসছে। জমিতে চাষাবাদে বাধা দিচ্ছে। মারধর ও প্রাণনাশেরও হুমকি দিয়ে আসছে। চাষাবাদ চলমান রাখতে ও অবৈধ লিজ বাতিলের দাবি করে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। তবে তারা এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
এক বছর মেয়াদে চাষাবাদের অনুমতি নেওয়া ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা কাউকে ভয়ভীতি দেখায়নি। এসিল্যান্ড আমাদের ২৪ জনকে ১২০ একর জমি চাষাবাদের অনুমতি দিয়েছেন, সেই মর্মে আমরা ভোগদখল করতে চাই। কিন্তু তারা আমাদের দখল বুঝিয়ে দিচ্ছেন না।
তবে এবিষয়ে সাবেক ইউএনও ও ভারপ্রাপ্ত এসিল্যান্ড আমিনুল ইসলামের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে তাকে বাউফল থেকে বদলি করা হয়েছিল।
এবিষয়ে জানতে চাইলে সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. সোহাগ মিলু বলেন, আগের সহকারি কমিশনার জমির লিজ দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিষয়ে আমরা প্রতিবেদন চেয়েছেন। আমি প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তি করা হবে।’

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৯
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৬
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯