
২৩ জুন, ২০২৫ ১৬:৪৫
বরিশাল শহরের কাউনিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিপা রানী ও তার স্বজনদের পিটিয়ে এবং কুপিয়ে জখমের মামলায় অভিযুক্তদের এক সপ্তাহেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। গত ১৪ জুন মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানাধীন ২ নং ওয়ার্ডের নাপিতবাড়ি কলোনিসংলগ্ন নিপা রানীসহ তার স্বজনদের কুপিয়ে জখম করে একই এলাকার সাব্বির (৩৫) এবং দোলনসহ কজন যুবক, যারা বিগতদিনে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিল। সেই ঘটনার দুদিনের মাথায় অর্থাৎ ১৬ জুন কাউনিয়া থানা পুলিশ ৩২৬সহ বিভিন্ন ধারায় একটি মামলা গ্রহণ করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের ভূমিকা রাখার আশ্বাস দেয়। কিন্তু এরপরে সাতদিন কেটে গেলেও পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে সফলতা পায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত দোলন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা অসীম দেওয়ানের অনুসারী এবং সাব্বির বিএম কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মঈন তুষারের ক্যাডার হিসেবে সমাধিক পরিচিত। ৫ আগস্টের আগে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা করার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ তারা দুজন এলাকায় নিপা রানীর পরিবারের ওপর হামলায় করায় এলাকাবাসীও তাদের ওপর ক্ষুব্ধ।
এই মামলার বাদী নিপা রানীর অভিযোগ, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র স্থানীয় সাব্বির, দোলন এবং সুজিতসহ ৪/৫ জনে মিলে তাদের ওপর হামলা করে। তখন হামলাকারীদের প্রতিরোধে প্রসেনজিৎ সোম, মালা রানী সিংহ এবং সমন্বয় এগিয়ে গেলে তাদের লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে। এবং একপর্যায়ে তাদের সাথে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে প্রসেনজিৎ এবং মালাকে জখম করে। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে কাউনিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও এই ঘটনায় জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এমনকি মামলা করার পরে সপ্তাহখানেক সময় অতিবাহিত হলেও তাদের আইনে আওতায় আনতে পারেনি পুলিশ।
বাদীর অভিযোগ, হামলাকারী সাব্বির, দোলন এবং সুজিত দাস (৩৫) এলাকায় ঘুরছেন। এবং প্রতিনিয়ত মামলা তুলে নিতে তাদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। বিষয়টি কাউনিয়া থানা পুলিশকে একাধিকবার অবহিত করেও সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। স্থানীয় একাধিক সূত্রও হামলাকারীদের এলাকায় অবস্থান এবং ঘোরাঘুরির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আহত মালা রানীর অভিযোগ, তার স্বামী সঞ্জিবকে একাধিকবার ফোন করে হুমকি দিয়েছে অভিযুক্ত দোলন। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশের নির্লুপ্তায় ক্ষুব্ধ বাদী অভিযোগ করেন, আসামিরা কখন কোথায় অবস্থান করছেন, তা নিশ্চিতভাবে জানানোর পরেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। যার দরুণ অভিযুক্তরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং হুমকি-ধামকি দেওয়ার সাহস দেখাচ্ছে।
তবে মামলাটি তদন্তকারী কাউনিয়া থানা পুলিশের এসআই শহিদুল ইসলাম দাবি করেছেন, ঘটনার পর থেকেই হামলাকারীরা আত্মগোপনে আছেন। তাদের ধরতে তদন্তকারী কর্মকর্তা একাধিক স্থানে একাধিকবার অভিযান চালিয়েছেন। কিন্তু বাগে আনা যাচ্ছে না।’
বরিশাল শহরের কাউনিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিপা রানী ও তার স্বজনদের পিটিয়ে এবং কুপিয়ে জখমের মামলায় অভিযুক্তদের এক সপ্তাহেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। গত ১৪ জুন মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানাধীন ২ নং ওয়ার্ডের নাপিতবাড়ি কলোনিসংলগ্ন নিপা রানীসহ তার স্বজনদের কুপিয়ে জখম করে একই এলাকার সাব্বির (৩৫) এবং দোলনসহ কজন যুবক, যারা বিগতদিনে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিল। সেই ঘটনার দুদিনের মাথায় অর্থাৎ ১৬ জুন কাউনিয়া থানা পুলিশ ৩২৬সহ বিভিন্ন ধারায় একটি মামলা গ্রহণ করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের ভূমিকা রাখার আশ্বাস দেয়। কিন্তু এরপরে সাতদিন কেটে গেলেও পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে সফলতা পায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত দোলন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা অসীম দেওয়ানের অনুসারী এবং সাব্বির বিএম কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মঈন তুষারের ক্যাডার হিসেবে সমাধিক পরিচিত। ৫ আগস্টের আগে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা করার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ তারা দুজন এলাকায় নিপা রানীর পরিবারের ওপর হামলায় করায় এলাকাবাসীও তাদের ওপর ক্ষুব্ধ।
এই মামলার বাদী নিপা রানীর অভিযোগ, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র স্থানীয় সাব্বির, দোলন এবং সুজিতসহ ৪/৫ জনে মিলে তাদের ওপর হামলা করে। তখন হামলাকারীদের প্রতিরোধে প্রসেনজিৎ সোম, মালা রানী সিংহ এবং সমন্বয় এগিয়ে গেলে তাদের লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে। এবং একপর্যায়ে তাদের সাথে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে প্রসেনজিৎ এবং মালাকে জখম করে। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে কাউনিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও এই ঘটনায় জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এমনকি মামলা করার পরে সপ্তাহখানেক সময় অতিবাহিত হলেও তাদের আইনে আওতায় আনতে পারেনি পুলিশ।
বাদীর অভিযোগ, হামলাকারী সাব্বির, দোলন এবং সুজিত দাস (৩৫) এলাকায় ঘুরছেন। এবং প্রতিনিয়ত মামলা তুলে নিতে তাদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। বিষয়টি কাউনিয়া থানা পুলিশকে একাধিকবার অবহিত করেও সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। স্থানীয় একাধিক সূত্রও হামলাকারীদের এলাকায় অবস্থান এবং ঘোরাঘুরির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আহত মালা রানীর অভিযোগ, তার স্বামী সঞ্জিবকে একাধিকবার ফোন করে হুমকি দিয়েছে অভিযুক্ত দোলন। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশের নির্লুপ্তায় ক্ষুব্ধ বাদী অভিযোগ করেন, আসামিরা কখন কোথায় অবস্থান করছেন, তা নিশ্চিতভাবে জানানোর পরেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। যার দরুণ অভিযুক্তরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং হুমকি-ধামকি দেওয়ার সাহস দেখাচ্ছে।
তবে মামলাটি তদন্তকারী কাউনিয়া থানা পুলিশের এসআই শহিদুল ইসলাম দাবি করেছেন, ঘটনার পর থেকেই হামলাকারীরা আত্মগোপনে আছেন। তাদের ধরতে তদন্তকারী কর্মকর্তা একাধিক স্থানে একাধিকবার অভিযান চালিয়েছেন। কিন্তু বাগে আনা যাচ্ছে না।’

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.