
২৩ জুন, ২০২৫ ১৬:৪৫
বরিশাল শহরের কাউনিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিপা রানী ও তার স্বজনদের পিটিয়ে এবং কুপিয়ে জখমের মামলায় অভিযুক্তদের এক সপ্তাহেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। গত ১৪ জুন মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানাধীন ২ নং ওয়ার্ডের নাপিতবাড়ি কলোনিসংলগ্ন নিপা রানীসহ তার স্বজনদের কুপিয়ে জখম করে একই এলাকার সাব্বির (৩৫) এবং দোলনসহ কজন যুবক, যারা বিগতদিনে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিল। সেই ঘটনার দুদিনের মাথায় অর্থাৎ ১৬ জুন কাউনিয়া থানা পুলিশ ৩২৬সহ বিভিন্ন ধারায় একটি মামলা গ্রহণ করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের ভূমিকা রাখার আশ্বাস দেয়। কিন্তু এরপরে সাতদিন কেটে গেলেও পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে সফলতা পায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত দোলন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা অসীম দেওয়ানের অনুসারী এবং সাব্বির বিএম কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মঈন তুষারের ক্যাডার হিসেবে সমাধিক পরিচিত। ৫ আগস্টের আগে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা করার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ তারা দুজন এলাকায় নিপা রানীর পরিবারের ওপর হামলায় করায় এলাকাবাসীও তাদের ওপর ক্ষুব্ধ।
এই মামলার বাদী নিপা রানীর অভিযোগ, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র স্থানীয় সাব্বির, দোলন এবং সুজিতসহ ৪/৫ জনে মিলে তাদের ওপর হামলা করে। তখন হামলাকারীদের প্রতিরোধে প্রসেনজিৎ সোম, মালা রানী সিংহ এবং সমন্বয় এগিয়ে গেলে তাদের লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে। এবং একপর্যায়ে তাদের সাথে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে প্রসেনজিৎ এবং মালাকে জখম করে। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে কাউনিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও এই ঘটনায় জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এমনকি মামলা করার পরে সপ্তাহখানেক সময় অতিবাহিত হলেও তাদের আইনে আওতায় আনতে পারেনি পুলিশ।
বাদীর অভিযোগ, হামলাকারী সাব্বির, দোলন এবং সুজিত দাস (৩৫) এলাকায় ঘুরছেন। এবং প্রতিনিয়ত মামলা তুলে নিতে তাদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। বিষয়টি কাউনিয়া থানা পুলিশকে একাধিকবার অবহিত করেও সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। স্থানীয় একাধিক সূত্রও হামলাকারীদের এলাকায় অবস্থান এবং ঘোরাঘুরির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আহত মালা রানীর অভিযোগ, তার স্বামী সঞ্জিবকে একাধিকবার ফোন করে হুমকি দিয়েছে অভিযুক্ত দোলন। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশের নির্লুপ্তায় ক্ষুব্ধ বাদী অভিযোগ করেন, আসামিরা কখন কোথায় অবস্থান করছেন, তা নিশ্চিতভাবে জানানোর পরেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। যার দরুণ অভিযুক্তরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং হুমকি-ধামকি দেওয়ার সাহস দেখাচ্ছে।
তবে মামলাটি তদন্তকারী কাউনিয়া থানা পুলিশের এসআই শহিদুল ইসলাম দাবি করেছেন, ঘটনার পর থেকেই হামলাকারীরা আত্মগোপনে আছেন। তাদের ধরতে তদন্তকারী কর্মকর্তা একাধিক স্থানে একাধিকবার অভিযান চালিয়েছেন। কিন্তু বাগে আনা যাচ্ছে না।’
বরিশাল শহরের কাউনিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিপা রানী ও তার স্বজনদের পিটিয়ে এবং কুপিয়ে জখমের মামলায় অভিযুক্তদের এক সপ্তাহেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। গত ১৪ জুন মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানাধীন ২ নং ওয়ার্ডের নাপিতবাড়ি কলোনিসংলগ্ন নিপা রানীসহ তার স্বজনদের কুপিয়ে জখম করে একই এলাকার সাব্বির (৩৫) এবং দোলনসহ কজন যুবক, যারা বিগতদিনে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিল। সেই ঘটনার দুদিনের মাথায় অর্থাৎ ১৬ জুন কাউনিয়া থানা পুলিশ ৩২৬সহ বিভিন্ন ধারায় একটি মামলা গ্রহণ করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের ভূমিকা রাখার আশ্বাস দেয়। কিন্তু এরপরে সাতদিন কেটে গেলেও পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে সফলতা পায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত দোলন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা অসীম দেওয়ানের অনুসারী এবং সাব্বির বিএম কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মঈন তুষারের ক্যাডার হিসেবে সমাধিক পরিচিত। ৫ আগস্টের আগে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা করার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ তারা দুজন এলাকায় নিপা রানীর পরিবারের ওপর হামলায় করায় এলাকাবাসীও তাদের ওপর ক্ষুব্ধ।
এই মামলার বাদী নিপা রানীর অভিযোগ, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র স্থানীয় সাব্বির, দোলন এবং সুজিতসহ ৪/৫ জনে মিলে তাদের ওপর হামলা করে। তখন হামলাকারীদের প্রতিরোধে প্রসেনজিৎ সোম, মালা রানী সিংহ এবং সমন্বয় এগিয়ে গেলে তাদের লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে। এবং একপর্যায়ে তাদের সাথে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে প্রসেনজিৎ এবং মালাকে জখম করে। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে কাউনিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও এই ঘটনায় জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এমনকি মামলা করার পরে সপ্তাহখানেক সময় অতিবাহিত হলেও তাদের আইনে আওতায় আনতে পারেনি পুলিশ।
বাদীর অভিযোগ, হামলাকারী সাব্বির, দোলন এবং সুজিত দাস (৩৫) এলাকায় ঘুরছেন। এবং প্রতিনিয়ত মামলা তুলে নিতে তাদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। বিষয়টি কাউনিয়া থানা পুলিশকে একাধিকবার অবহিত করেও সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। স্থানীয় একাধিক সূত্রও হামলাকারীদের এলাকায় অবস্থান এবং ঘোরাঘুরির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আহত মালা রানীর অভিযোগ, তার স্বামী সঞ্জিবকে একাধিকবার ফোন করে হুমকি দিয়েছে অভিযুক্ত দোলন। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশের নির্লুপ্তায় ক্ষুব্ধ বাদী অভিযোগ করেন, আসামিরা কখন কোথায় অবস্থান করছেন, তা নিশ্চিতভাবে জানানোর পরেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। যার দরুণ অভিযুক্তরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং হুমকি-ধামকি দেওয়ার সাহস দেখাচ্ছে।
তবে মামলাটি তদন্তকারী কাউনিয়া থানা পুলিশের এসআই শহিদুল ইসলাম দাবি করেছেন, ঘটনার পর থেকেই হামলাকারীরা আত্মগোপনে আছেন। তাদের ধরতে তদন্তকারী কর্মকর্তা একাধিক স্থানে একাধিকবার অভিযান চালিয়েছেন। কিন্তু বাগে আনা যাচ্ছে না।’

২১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৫৫
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই গ্রামের বাসিন্দারা। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর ও ছোট হামেরদী গ্রামে মধ্যে দুই ঘণ্টাব্যাপী দফায় দফায় চলে এ সংঘর্ষ। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন লোক আহত হয়েছেন। এ সময় ৩০ থেকে ৪০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দুইপক্ষের লোকজন ঢাল, সড়কি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে-অপরের ওপর হামলে পড়েন। এসময় এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিলেও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এবং জিজ্ঞাসাবাদ জন্য দুজনকে আটক করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপিনাথপুর গ্ৰামের কুদ্দুস মুন্সী ও হাসান মুন্সীর সঙ্গে ছোট হামিরদী গ্ৰামের লিটন মাতুব্বরের লোকজনের দুই দিন আগে চা খাওয়ার সময় তর্কের জেরে ধরে মধ্য রাতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনার জের ধরে দুই গ্রামের বাসিন্দা রাতভর দেশীয় অস্ত্র জোগাড় শুরু করে সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুতি নেয়।
পরে ঈদের নামাজ পড়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। থেমে থেমে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ গ্ৰামবাসী গুরুতর আহত হয়। সংঘর্ষে ৩০-৪০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালে সুযোগ সন্ধানীরা ১০১২টি গবাদি পশু, নগদ অর্থসহ দামি মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করেন। দেশীয় অস্ত্র ঢাল, সড়কি, কালি ও ইটের আঘাতে গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে পুলিশ ও স্থানীয়রা। তাদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর পর আজ ঈদের নামাজের পড়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফের সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে।
তিনি বলেন, আমি সঙ্গীয় ফোর্স ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে (ভাঙ্গা সার্কেল) সঙ্গে নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। পরবর্তীতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে গ্ৰামের মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই গ্রামের বাসিন্দারা। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর ও ছোট হামেরদী গ্রামে মধ্যে দুই ঘণ্টাব্যাপী দফায় দফায় চলে এ সংঘর্ষ। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন লোক আহত হয়েছেন। এ সময় ৩০ থেকে ৪০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দুইপক্ষের লোকজন ঢাল, সড়কি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে-অপরের ওপর হামলে পড়েন। এসময় এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিলেও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এবং জিজ্ঞাসাবাদ জন্য দুজনকে আটক করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপিনাথপুর গ্ৰামের কুদ্দুস মুন্সী ও হাসান মুন্সীর সঙ্গে ছোট হামিরদী গ্ৰামের লিটন মাতুব্বরের লোকজনের দুই দিন আগে চা খাওয়ার সময় তর্কের জেরে ধরে মধ্য রাতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনার জের ধরে দুই গ্রামের বাসিন্দা রাতভর দেশীয় অস্ত্র জোগাড় শুরু করে সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুতি নেয়।
পরে ঈদের নামাজ পড়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। থেমে থেমে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ গ্ৰামবাসী গুরুতর আহত হয়। সংঘর্ষে ৩০-৪০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালে সুযোগ সন্ধানীরা ১০১২টি গবাদি পশু, নগদ অর্থসহ দামি মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করেন। দেশীয় অস্ত্র ঢাল, সড়কি, কালি ও ইটের আঘাতে গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে পুলিশ ও স্থানীয়রা। তাদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর পর আজ ঈদের নামাজের পড়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফের সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে।
তিনি বলেন, আমি সঙ্গীয় ফোর্স ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে (ভাঙ্গা সার্কেল) সঙ্গে নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। পরবর্তীতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে গ্ৰামের মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

২১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৩১
বরিশাল নগরীর ৪২৮টি মসজিদ ও ঈদগাহে এবার অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদ জামাত। প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে নগরীর বান্দরোডস্থ হেমায়েত উদ্দীন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে। একই স্থানে নারীদের জন্য পৃথক নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরওয়ার, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ এবং সামাজিক ব্যক্তিবর্গ এ নামাজে অংশগ্রহণ করেন।
নামাজ শেষে দোয়া ও মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহসহ বিশ্ব শান্তি কামনা কামনা করা হয়৷
শনিবার আজ সকাল থেকে বৃষ্টি থাকায় অধিকাংশ ঈদগাহের পাশাপাশি বিকল্প হিসেবে মসজিদে ঈদের জামাত আদায় করা হয়।
বরিশালে ঈদের সর্ববৃহৎ জামাত অনুষ্ঠিত হয় চরমোনাই দরবার শরিফে। এ ছাড়া উজিরপুরের অত্যাধুনিক বায়তুল আমান জামে মসজিদে দ্বিতীয় বৃহৎ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নগরের চারটি মসজিদে দুটি করে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বরিশাল নগরীর ৪২৮টি মসজিদ ও ঈদগাহে এবার অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদ জামাত। প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে নগরীর বান্দরোডস্থ হেমায়েত উদ্দীন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে। একই স্থানে নারীদের জন্য পৃথক নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরওয়ার, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ এবং সামাজিক ব্যক্তিবর্গ এ নামাজে অংশগ্রহণ করেন।
নামাজ শেষে দোয়া ও মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহসহ বিশ্ব শান্তি কামনা কামনা করা হয়৷
শনিবার আজ সকাল থেকে বৃষ্টি থাকায় অধিকাংশ ঈদগাহের পাশাপাশি বিকল্প হিসেবে মসজিদে ঈদের জামাত আদায় করা হয়।
বরিশালে ঈদের সর্ববৃহৎ জামাত অনুষ্ঠিত হয় চরমোনাই দরবার শরিফে। এ ছাড়া উজিরপুরের অত্যাধুনিক বায়তুল আমান জামে মসজিদে দ্বিতীয় বৃহৎ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নগরের চারটি মসজিদে দুটি করে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২০ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০৪
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বরিশালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন ১০ হাজারের বেশি পরিবার। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) চট্টগ্রামের চন্দনাইশের জাহাগিরিয়া শাহসূফী মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারীরা এই ঈদ উদযাপন করেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে শাহসূফী মমতাজিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৭০টি মসজিদে প্রায় ১০ হাজার পরিবার আজ ঈদ উদযাপন করছে।
তারা জানিয়েছেন, পৃথিবীর কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার সঙ্গে মিলিয়ে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করেন।’
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বরিশালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন ১০ হাজারের বেশি পরিবার। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) চট্টগ্রামের চন্দনাইশের জাহাগিরিয়া শাহসূফী মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারীরা এই ঈদ উদযাপন করেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে শাহসূফী মমতাজিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৭০টি মসজিদে প্রায় ১০ হাজার পরিবার আজ ঈদ উদযাপন করছে।
তারা জানিয়েছেন, পৃথিবীর কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার সঙ্গে মিলিয়ে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করেন।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.