
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৯:১৮
দীর্ঘ ১৭ বছর পর পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়ন বিএনপি'র কার্যালয় উদ্বোধন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় উৎসবকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ র্যালীর আয়োজন করা হয়েছে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ডাকুয়া ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি মো. সরোয়ার হোসেন খন্দকার এর সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. হাসান মাহমুদ এর সঞ্চালনায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার মশিউর রহমান শাহিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপি'র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান, পৌর বিএনপি'র সহ. সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, পৌর যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. খায়রুল ইসলাম, উপজেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক আ. রশিদ হাওলাদার, উপজেলা তাঁতীদলের সদস্য সচিব মো. নেছার সরদার, ডাকুয়া ইউনিয়ন বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদুল মাতব্বর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহতাব হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ মো. জাকির হাওলাদার প্রমুখ।
এছাড়াও ডাকুয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচনকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। জুলাই-আগষ্টে যাঁরা শহীদ হয়েছেন তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা হবে।
সেটি হলে শহীদের আত্মার শান্তি পাবে। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার চাই। বিগত ষোল বছর হামলা-মামলার ঘরছাড়া করে রেখেছিল।
তিনি আরো বলেন," হিন্দু মুসলিম আমরা ভাই-ভাই। তারাও যেন বুক ফুলিয়ে এ সমাজে বসবাস করতে পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে। আমরা এ আসন থেকে এই জনপদের জনপ্রিয় নেতা হাসান মামুনকে নির্বাচিত করবো, ইনশাআল্লাহ।" অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়ন বিএনপি'র কার্যালয় উদ্বোধন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় উৎসবকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ র্যালীর আয়োজন করা হয়েছে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ডাকুয়া ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি মো. সরোয়ার হোসেন খন্দকার এর সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. হাসান মাহমুদ এর সঞ্চালনায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার মশিউর রহমান শাহিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপি'র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান, পৌর বিএনপি'র সহ. সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, পৌর যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. খায়রুল ইসলাম, উপজেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক আ. রশিদ হাওলাদার, উপজেলা তাঁতীদলের সদস্য সচিব মো. নেছার সরদার, ডাকুয়া ইউনিয়ন বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদুল মাতব্বর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহতাব হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ মো. জাকির হাওলাদার প্রমুখ।
এছাড়াও ডাকুয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচনকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। জুলাই-আগষ্টে যাঁরা শহীদ হয়েছেন তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা হবে।
সেটি হলে শহীদের আত্মার শান্তি পাবে। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার চাই। বিগত ষোল বছর হামলা-মামলার ঘরছাড়া করে রেখেছিল।
তিনি আরো বলেন," হিন্দু মুসলিম আমরা ভাই-ভাই। তারাও যেন বুক ফুলিয়ে এ সমাজে বসবাস করতে পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে। আমরা এ আসন থেকে এই জনপদের জনপ্রিয় নেতা হাসান মামুনকে নির্বাচিত করবো, ইনশাআল্লাহ।" অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

১৯ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
পটুয়াখালীর দুমকিতে উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ আনন্দ মেলার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেসক্লাব দুমকির উদ্যোগে উপজেলার পায়রা সেতুর নিচে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার ১৯মার্চ বেলা ১১টায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব দুমকির সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রেসক্লাব দুমকির সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন ও দুমকি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইদুর রহমান খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কবির শরীফ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, এ ধরনের আয়োজন স্থানীয় সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে এবং মানুষের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য ও লেবুখালি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ খালেক হাওলাদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ইউনুস ফরাজি, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মোঃ নাসির উদ্দীন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ জসিম উদ্দিন হাওলাদার, সাবেক সদস্য সচিব সালাউদ্দিন রিপন শরীফ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ অহিদুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মুছা ফরাজি এবং উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহিদ খানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন অতিথিরা। আয়োজকরা জানান, মেলায় বিনোদনমূলক বিভিন্ন আয়োজনের পাশাপাশি স্থানীয় পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ আনন্দ মেলার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেসক্লাব দুমকির উদ্যোগে উপজেলার পায়রা সেতুর নিচে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার ১৯মার্চ বেলা ১১টায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব দুমকির সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রেসক্লাব দুমকির সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন ও দুমকি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইদুর রহমান খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কবির শরীফ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, এ ধরনের আয়োজন স্থানীয় সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে এবং মানুষের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য ও লেবুখালি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ খালেক হাওলাদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ইউনুস ফরাজি, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মোঃ নাসির উদ্দীন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ জসিম উদ্দিন হাওলাদার, সাবেক সদস্য সচিব সালাউদ্দিন রিপন শরীফ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ অহিদুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মুছা ফরাজি এবং উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহিদ খানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন অতিথিরা। আয়োজকরা জানান, মেলায় বিনোদনমূলক বিভিন্ন আয়োজনের পাশাপাশি স্থানীয় পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

১৯ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪৯
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে নিষিদ্ধ পণ্যের সন্দেহে বিপুল পরিমান বস্তা ভর্তি মালামাল জব্দ করেছে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে আলগী নদী সংলগ্ন কালাইয়া বন্দরের ধানহাটা ট্রাকস্ট্যান্ডে একটি কার্গো থেকে বস্তা গুলো জব্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৮ মার্চ) রাতের অন্ধকারে পণ্য কালাউয়া বন্দরের ধানহাট সংলগ্ন খাল থেকে খালাসের সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি এ বিষয়ে প্রশ্ন তুললে সংশ্লিষ্টরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।
পরে স্থানীয়রা কয়েকটি বস্তা খুলে দেখেন, সেখানে এক ধরনের বীজ রয়েছে, যা তাদের ধারণা অনুযায়ী পপি সিড (পেস্তা দানা) হতে পারে। এছাড়াও কিছু বস্তায় সুপারি পাওয়া গেছে। তবে বাকি বস্তাগুলোতে আরও অবৈধ পণ্য থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে ওই রাতেই সংবাদকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
এক পর্যায়ে উৎসুক জনতার ভিড় বাড়তে থাকে। শেষে পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বস্তা গুলো স্থানীয়দের হাতে আটকের পর কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য (মেম্বার) মধু সুদন দাস ওরফে মধু মেম্বারের দুই ছেলে উত্তম দাস ও আশিস দাস ঘটনাস্থলে এসে পণ্যগুলো নিজেদের বলে দাবি করেন।
তারা স্থানীয় সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ ওঠে। রাত ১০টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত এ নিয়ে দেনদরবার চলে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, জব্দকৃত এসব পণ্য কালাইয়া ইউনিয়নের সাবেক সদস্য মধু সুধন দাসের ছোট মেয়ে জামাই জয়দেব দাসের হতে পারে। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই মিয়ানমার ও ভারত থেকে অবৈধ পণ্য পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ২০১১ সালে তেঁতুলিয়া নদীতে চন্দন কাঠের একটি চালান জেলেদের হাতে ধরা পড়লেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি রক্ষা পান। এছাড়া ২০২১ সালে কালাইয়া বন্দরের আলগী নদী এলাকায় প্রায় ৩ হাজার বস্তা অবৈধ পণ্যসহ দুটি কার্গো স্থানীয়দের হাতে আটক হলেও একইভাবে তিনি পার পেয়ে যান।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে অভিযুক্ত জয়দেব দাসের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। তবে অভিযোগ অস্বিকার করে জয়দেব দাসের শ্যালক আশিষ দাস বলেন, কোন কারণ ছাড়াই বস্তা গুলো জব্দ করেছে।
কিছু বস্তায় পোস্তদানা ও সুপারি আছে। কোন অবৈধ মালামাল নাই। এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৪৪৪ বস্তা ট্রাকে তোলা হয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ বস্তা পন্য হতে পারে। জব্দকৃত পণ্যের প্রকৃতি যাচাই করে তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালেহ আহম্মেদ বলেন, কোন ধরণের লুকোচুরি হওয়ার সুযোগ নাই। সংশ্লিষ্টদের সহযোগীতা নিয়ে প্রয়োজনয়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে নিষিদ্ধ পণ্যের সন্দেহে বিপুল পরিমান বস্তা ভর্তি মালামাল জব্দ করেছে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে আলগী নদী সংলগ্ন কালাইয়া বন্দরের ধানহাটা ট্রাকস্ট্যান্ডে একটি কার্গো থেকে বস্তা গুলো জব্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৮ মার্চ) রাতের অন্ধকারে পণ্য কালাউয়া বন্দরের ধানহাট সংলগ্ন খাল থেকে খালাসের সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি এ বিষয়ে প্রশ্ন তুললে সংশ্লিষ্টরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।
পরে স্থানীয়রা কয়েকটি বস্তা খুলে দেখেন, সেখানে এক ধরনের বীজ রয়েছে, যা তাদের ধারণা অনুযায়ী পপি সিড (পেস্তা দানা) হতে পারে। এছাড়াও কিছু বস্তায় সুপারি পাওয়া গেছে। তবে বাকি বস্তাগুলোতে আরও অবৈধ পণ্য থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে ওই রাতেই সংবাদকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
এক পর্যায়ে উৎসুক জনতার ভিড় বাড়তে থাকে। শেষে পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বস্তা গুলো স্থানীয়দের হাতে আটকের পর কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য (মেম্বার) মধু সুদন দাস ওরফে মধু মেম্বারের দুই ছেলে উত্তম দাস ও আশিস দাস ঘটনাস্থলে এসে পণ্যগুলো নিজেদের বলে দাবি করেন।
তারা স্থানীয় সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ ওঠে। রাত ১০টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত এ নিয়ে দেনদরবার চলে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, জব্দকৃত এসব পণ্য কালাইয়া ইউনিয়নের সাবেক সদস্য মধু সুধন দাসের ছোট মেয়ে জামাই জয়দেব দাসের হতে পারে। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই মিয়ানমার ও ভারত থেকে অবৈধ পণ্য পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ২০১১ সালে তেঁতুলিয়া নদীতে চন্দন কাঠের একটি চালান জেলেদের হাতে ধরা পড়লেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি রক্ষা পান। এছাড়া ২০২১ সালে কালাইয়া বন্দরের আলগী নদী এলাকায় প্রায় ৩ হাজার বস্তা অবৈধ পণ্যসহ দুটি কার্গো স্থানীয়দের হাতে আটক হলেও একইভাবে তিনি পার পেয়ে যান।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে অভিযুক্ত জয়দেব দাসের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। তবে অভিযোগ অস্বিকার করে জয়দেব দাসের শ্যালক আশিষ দাস বলেন, কোন কারণ ছাড়াই বস্তা গুলো জব্দ করেছে।
কিছু বস্তায় পোস্তদানা ও সুপারি আছে। কোন অবৈধ মালামাল নাই। এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৪৪৪ বস্তা ট্রাকে তোলা হয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ বস্তা পন্য হতে পারে। জব্দকৃত পণ্যের প্রকৃতি যাচাই করে তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালেহ আহম্মেদ বলেন, কোন ধরণের লুকোচুরি হওয়ার সুযোগ নাই। সংশ্লিষ্টদের সহযোগীতা নিয়ে প্রয়োজনয়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৯ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪৫
পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে পটুয়াখালীর দুমকিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সাকুরা পরিবহনসহ চারটি পরিবহনের সুপারভাইজারকে জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুর ১টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত লেবুখালীর পাগলা এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে সাকুরা পরিবহনকে ৪ হাজার টাকা, ইমরান ট্রাভেলস ও নারায়ণগঞ্জ ট্রাভেলসকে ২ হাজার টাকা করে এবং ডলফিন পরিবহনকে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
পটুয়াখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমানুল আশরাফের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত ৭৫০ টাকার ভাড়ার পরিবর্তে এক যাত্রীর কাছ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে ঢাকা-পটুয়াখালী রুটে চলাচলকারী অন্যান্য পরিবহনের কাউন্টার সংশ্লিষ্টদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমানুল আশরাফ বলেন, “ঈদকে কেন্দ্র করে কোনোভাবেই যাত্রীদের হয়রানি বরদাশত করা হবে না। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও জানান, যাত্রীদের স্বস্তি নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।
পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে পটুয়াখালীর দুমকিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সাকুরা পরিবহনসহ চারটি পরিবহনের সুপারভাইজারকে জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুর ১টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত লেবুখালীর পাগলা এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে সাকুরা পরিবহনকে ৪ হাজার টাকা, ইমরান ট্রাভেলস ও নারায়ণগঞ্জ ট্রাভেলসকে ২ হাজার টাকা করে এবং ডলফিন পরিবহনকে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
পটুয়াখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমানুল আশরাফের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত ৭৫০ টাকার ভাড়ার পরিবর্তে এক যাত্রীর কাছ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে ঢাকা-পটুয়াখালী রুটে চলাচলকারী অন্যান্য পরিবহনের কাউন্টার সংশ্লিষ্টদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমানুল আশরাফ বলেন, “ঈদকে কেন্দ্র করে কোনোভাবেই যাত্রীদের হয়রানি বরদাশত করা হবে না। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও জানান, যাত্রীদের স্বস্তি নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.