
১৩ জুন, ২০২৫ ১৬:১৯
যশোরে ৫০ বছর বয়সী এক নারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলার বাসিন্দা। ওই নারীকে যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার হুসাইন শাফায়াত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি যশোর শহরের বেজপাড়ায় ছেলের বাড়ি বেড়াতে আসেন। শ্বাসকষ্ট ও সর্দিজ্বর ভুগতে থাকায় গত ০৯ জুন সোমবার সকালে ওই নারী শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বৃহস্পতিবার ১২ জুন দুপুরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার উপসর্গ বিবেচনায় নিয়ে র্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করান। রিপোর্টে নিশ্চিত হয় ও নারী করোনায় আক্রান্ত। এ তথ্য জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে অবহিত করা হলে তাৎক্ষণিক তাকে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশংকা করছেন ওই নারী করোনার সর্বশেষ ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত হতে পারেন।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার হুসাইন শাফায়াত জানিয়েছেন, বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নারী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে র্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছে।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু হয়েছে। নতুন করে আরটিপিসিআর টেস্টের দরকার পড়ছে না। সর্বোচ্চ চেষ্টা ও চিকিৎসায় রোগী সুস্থ হলে ছাড়পত্র দেয়া হবে।
করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় যাবতীয় প্রস্তুতি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিয়ে রেখেছে। সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা এবং বাধ্যতামূলক মাক্স পরিধানের আহবান জানিয়েছেন ডাক্তার হুসাইন শাফায়াত।
যশোরে ৫০ বছর বয়সী এক নারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলার বাসিন্দা। ওই নারীকে যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার হুসাইন শাফায়াত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি যশোর শহরের বেজপাড়ায় ছেলের বাড়ি বেড়াতে আসেন। শ্বাসকষ্ট ও সর্দিজ্বর ভুগতে থাকায় গত ০৯ জুন সোমবার সকালে ওই নারী শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বৃহস্পতিবার ১২ জুন দুপুরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার উপসর্গ বিবেচনায় নিয়ে র্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করান। রিপোর্টে নিশ্চিত হয় ও নারী করোনায় আক্রান্ত। এ তথ্য জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে অবহিত করা হলে তাৎক্ষণিক তাকে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশংকা করছেন ওই নারী করোনার সর্বশেষ ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত হতে পারেন।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার হুসাইন শাফায়াত জানিয়েছেন, বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নারী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে র্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছে।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু হয়েছে। নতুন করে আরটিপিসিআর টেস্টের দরকার পড়ছে না। সর্বোচ্চ চেষ্টা ও চিকিৎসায় রোগী সুস্থ হলে ছাড়পত্র দেয়া হবে।
করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় যাবতীয় প্রস্তুতি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিয়ে রেখেছে। সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা এবং বাধ্যতামূলক মাক্স পরিধানের আহবান জানিয়েছেন ডাক্তার হুসাইন শাফায়াত।

০৭ জুন, ২০২৬ ১৩:৪০
গাজীপুরের টঙ্গীতে খাবারের লোভ দেখিয়ে ছয় বছর বয়সি এক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ পাওয়া গেছে তারই ফুফাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে।
শনিবার (৬ জুন) দিবাগত রাত পৌঁনে দশটার দিকে টঙ্গীর এরশাদনগর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর অভিযুক্ত আব্দুল বিজয় হাওলাদার (১৮) পলাতক রয়েছেন। তিনি এরশাদনগর এলাকার ২নং ব্লকের আব্দুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে অভিযুক্ত বিজয় তার ফুফতো ভাইকে খাবার দেওয়ার কথা বলে নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে যায়। পরে শিশুটির উপর পাশবিক নির্যাতন চালায় সে। এ সময় শিশুটির ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে বিজয় পালিয়ে যায়। নির্যাতনের পর শিশুটি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানায়।
এ ব্যাপারে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
গাজীপুরের টঙ্গীতে খাবারের লোভ দেখিয়ে ছয় বছর বয়সি এক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ পাওয়া গেছে তারই ফুফাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে।
শনিবার (৬ জুন) দিবাগত রাত পৌঁনে দশটার দিকে টঙ্গীর এরশাদনগর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর অভিযুক্ত আব্দুল বিজয় হাওলাদার (১৮) পলাতক রয়েছেন। তিনি এরশাদনগর এলাকার ২নং ব্লকের আব্দুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে অভিযুক্ত বিজয় তার ফুফতো ভাইকে খাবার দেওয়ার কথা বলে নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে যায়। পরে শিশুটির উপর পাশবিক নির্যাতন চালায় সে। এ সময় শিশুটির ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে বিজয় পালিয়ে যায়। নির্যাতনের পর শিশুটি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানায়।
এ ব্যাপারে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

০৭ জুন, ২০২৬ ০১:৫৮
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শুল্লুকিয়া গ্রামের এই সংঘাতে নোয়াখালী শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয়সহ ছাত্রদল, যুবদলের কমপক্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে সেখানে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকালে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধেরহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেলের নেতৃত্বে সেখানে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে ছাত্রদল।
সেখানে থাকাকালীন তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে কালাদরপ ইউনিয়নে একটি মিছিল করে এমন সংবাদ পায়। কর্মসূচি শেষে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল বহর নিয়ে ফেরার পথে কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমকে তার বাড়ির পাশের একটি দোকানে বসে থাকতে দেখতে পান। এ সময় চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মিছিলের কথা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়।
এদিকে মসজিদের মাইকে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার কথা ছড়িয়ে দিলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যানের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয় এবং ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। এতে শ্রমিকদল নেতা হৃদয়সহ ছয় জন আহত হন। পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে শাহাদাত হোসেন সেলিমের একটি ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল বলেন, চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশে ছাত্রলীগের লোকজন মিছিল করার জন্য জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে ওয়ার্ড ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। পরে আমরা বাঁধেরহাটের কর্মসূচি শেষে ঘটনাস্থলে গিয়ে নেতাকর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে আনি। হামলায় আমাদের ছয় জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে।
সুধারাম মডেল থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। হামলা, মোটরসাইকেলে ও একটি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা রয়েছেন।’
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শুল্লুকিয়া গ্রামের এই সংঘাতে নোয়াখালী শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয়সহ ছাত্রদল, যুবদলের কমপক্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে সেখানে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকালে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধেরহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেলের নেতৃত্বে সেখানে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে ছাত্রদল।
সেখানে থাকাকালীন তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে কালাদরপ ইউনিয়নে একটি মিছিল করে এমন সংবাদ পায়। কর্মসূচি শেষে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল বহর নিয়ে ফেরার পথে কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমকে তার বাড়ির পাশের একটি দোকানে বসে থাকতে দেখতে পান। এ সময় চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মিছিলের কথা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়।
এদিকে মসজিদের মাইকে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার কথা ছড়িয়ে দিলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যানের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয় এবং ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। এতে শ্রমিকদল নেতা হৃদয়সহ ছয় জন আহত হন। পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে শাহাদাত হোসেন সেলিমের একটি ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল বলেন, চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশে ছাত্রলীগের লোকজন মিছিল করার জন্য জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে ওয়ার্ড ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। পরে আমরা বাঁধেরহাটের কর্মসূচি শেষে ঘটনাস্থলে গিয়ে নেতাকর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে আনি। হামলায় আমাদের ছয় জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে।
সুধারাম মডেল থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। হামলা, মোটরসাইকেলে ও একটি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা রয়েছেন।’

০৬ জুন, ২০২৬ ১৮:০১
হামের উপসর্গে একদিনে (গত ২৪ ঘণ্টায়) দেশে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩২ শিশু।
শনিবার (৬ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯১৫ শিশু সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭ হাজার ৭৯১ জনে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৭ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ হাজার ৬২০।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৩ হাজার ১৩৪ শিশু। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৫৮ হাজার ৯৬৪ শিশু।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫২২ শিশুর। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৯১ শিশু।
বরিশাল টাইমস
হামের উপসর্গে একদিনে (গত ২৪ ঘণ্টায়) দেশে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩২ শিশু।
শনিবার (৬ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯১৫ শিশু সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭ হাজার ৭৯১ জনে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৭ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ হাজার ৬২০।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৩ হাজার ১৩৪ শিশু। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৫৮ হাজার ৯৬৪ শিশু।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫২২ শিশুর। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৯১ শিশু।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৭ জুন, ২০২৬ ১৪:১৯
০৭ জুন, ২০২৬ ১৪:০৩
০৭ জুন, ২০২৬ ১৩:৪০
০৭ জুন, ২০২৬ ১১:৪৫