Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৪:০১
ৎপটুয়াখালীর বাউফলে এখন মাঠজুড়ে কৃষকের আমন ধান রোপণের ব্যস্ততা চলছে। বর্ষার পানি নেমে আসায় উপজেলার কৃষকেরা জমিতে আমন রোপণের কাজে লেগে পড়েছেন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কৃষক-শ্রমিকেরা হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে চারা রোপণ করছেন।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠ ঘুরে দেখা যায়, প্রচণ্ড গরম ও কাদাপানির ভেতরেও কৃষকেরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। জীবিকা ও পরিবারের অন্ন জোগানের আশায় তাঁরা প্রাণপণ পরিশ্রম করছেন।
কৃষকেরা জানান, আমন ধানই এই অঞ্চলের প্রধান আয়ের উৎস। সময়মতো বৃষ্টি হওয়ায় এবার রোপণে তেমন সমস্যা হয়নি। তবে সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি দাম বেড়ে যাওয়ায় তাঁরা উদ্বিগ্ন।
বাউফল কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় মোট ৩৪ হাজার ৭১৮ হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রিড ২০ হেক্টর, উফশী ১৮ হাজার ৭৮৮ হেক্টর এবং স্থানীয় জাত ১৫ হাজার ৯১০ হেক্টর। এর বিপরীতে ইতিমধ্যে রোপণ সম্পন্ন হয়েছে মোট ২৮ হাজার ৩৮৪ হেক্টরে। এর মধ্যে হাইব্রিড ১০ হেক্টর, উফশী ১৫ হাজার ১২২ হেক্টর এবং স্থানীয় জাত ১৩ হাজার ২৫২ হেক্টর জমিতে চারা রোপণ শেষ হয়েছে।
বাউফল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, ‘আমন রোপণের জন্য এখন অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সার-বীজে সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এ বছর আমনের বাম্পার ফলনের আশা করছি।’
ৎপটুয়াখালীর বাউফলে এখন মাঠজুড়ে কৃষকের আমন ধান রোপণের ব্যস্ততা চলছে। বর্ষার পানি নেমে আসায় উপজেলার কৃষকেরা জমিতে আমন রোপণের কাজে লেগে পড়েছেন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কৃষক-শ্রমিকেরা হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে চারা রোপণ করছেন।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠ ঘুরে দেখা যায়, প্রচণ্ড গরম ও কাদাপানির ভেতরেও কৃষকেরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। জীবিকা ও পরিবারের অন্ন জোগানের আশায় তাঁরা প্রাণপণ পরিশ্রম করছেন।
কৃষকেরা জানান, আমন ধানই এই অঞ্চলের প্রধান আয়ের উৎস। সময়মতো বৃষ্টি হওয়ায় এবার রোপণে তেমন সমস্যা হয়নি। তবে সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি দাম বেড়ে যাওয়ায় তাঁরা উদ্বিগ্ন।
বাউফল কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় মোট ৩৪ হাজার ৭১৮ হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রিড ২০ হেক্টর, উফশী ১৮ হাজার ৭৮৮ হেক্টর এবং স্থানীয় জাত ১৫ হাজার ৯১০ হেক্টর। এর বিপরীতে ইতিমধ্যে রোপণ সম্পন্ন হয়েছে মোট ২৮ হাজার ৩৮৪ হেক্টরে। এর মধ্যে হাইব্রিড ১০ হেক্টর, উফশী ১৫ হাজার ১২২ হেক্টর এবং স্থানীয় জাত ১৩ হাজার ২৫২ হেক্টর জমিতে চারা রোপণ শেষ হয়েছে।
বাউফল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, ‘আমন রোপণের জন্য এখন অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সার-বীজে সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এ বছর আমনের বাম্পার ফলনের আশা করছি।’

২০ মার্চ, ২০২৬ ১৮:২৬
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে মিল রেখে বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হওয়ার একদিন পূর্বেই ঈদ পালন করেছেন পটুয়াখালীর বদরপুর ইউনিয়নের প্রায় ১০০ পরিবার। শুধু তারাই নন, জেলার ৩৫টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ আজ ঈদ উদযাপন করেছেন।
শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ‘বদরপুর দরবার শরীফে’ ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ইমামতি করেন বদরপুর দরবার শরীফ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. শফিকুল আলম গনি।
স্থানীয়রা জানান, পৃথিবীর যেকোনো স্থানে ঈদের চাঁদ দেখা গেলেই ঈদ উদযাপন করেন তারা, রোযাও রাখেন একদিন আগে। শুধু ঈদুল ফিতর নয়, এ রীতির অনুসারীরা ঈদুল আযহাও পালন করেন একদিন আগে।
ঈদের জামাতে অংশ নেওয়া আব্দুর রহমান বলেন, জন্মের পর থেকেই আমরা এভাবে ঈদ উদযাপন করে আসছি। প্রায় ১০০ বছর ধরে আমাদের এমন নিয়ম। আমাদের বাড়িতে সকলের জন্য সেমাই-পায়েস রান্না করেছি। এদিন বন্ধু-বান্ধবরা অনেকেই আগ্রহ নিয়ে আমাদের বাড়ি বেড়াতে আসেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুস সোবাহান বলেন, আমাদের পীরসাহেবের নির্দেশক্রমে আমরা ঈদ পালন করি। আমরা রোযাও রাখি একদিন আগে, তাছাড়া কোরবানীর ঈদও পালন করি বাংলাদেশের মানুষের ১ দিন আগেই। জানা গেছে, আগাম ঈদ উদযাপনকারী সবাই হানিফি মাজহাব ও কাদেরিয়া তরিকার অনুসারী।
শুক্রবার সদর উপজেলার বদরপুর, ছোটবিঘাই; গলাচিপা উপজেলার পশুরী বুনিয়া, সেনের হাওলা, কানকুনি পাড়া, মৌডুবি, নিজ হাওলা; বাউফল উপজেলার রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, মদনপুরা, সুরদি, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, শাপলা খালী, আমিরাবাদ, কনকদিয়া; কলাপাড়া উপজেলার ইটবাড়ীয়া, শহরের নাঈয়া পট্টি, টিয়াখালী, তেগাছিয়া এবং দক্ষিণ দেবপুরসহ আরও বেশ কয়েকটি গ্রামে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
বদরপুর দরবার শরীফ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. শফিকুল আলম গনি বলেন, হাদিস ও কোরআনে বর্ণিত আছে, চাঁদ দেখার সংবাদ পেলেই যেন ঈদ পালন করা হয়। সেভাবেই আমরা ১৯২৮ সাল থেকে প্রতিবছর কোথাও চাঁদ দেখা গেলেই সহীহভাবে ঈদ পালন করে আসছি। আজকে ঈদের সালাতের মাধ্যমে আমরা মুসলিম উম্মাহ’র শান্তি কামনা করেছি।

১৯ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
পটুয়াখালীর দুমকিতে উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ আনন্দ মেলার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেসক্লাব দুমকির উদ্যোগে উপজেলার পায়রা সেতুর নিচে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার ১৯মার্চ বেলা ১১টায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব দুমকির সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রেসক্লাব দুমকির সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন ও দুমকি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইদুর রহমান খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কবির শরীফ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, এ ধরনের আয়োজন স্থানীয় সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে এবং মানুষের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য ও লেবুখালি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ খালেক হাওলাদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ইউনুস ফরাজি, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মোঃ নাসির উদ্দীন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ জসিম উদ্দিন হাওলাদার, সাবেক সদস্য সচিব সালাউদ্দিন রিপন শরীফ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ অহিদুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মুছা ফরাজি এবং উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহিদ খানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন অতিথিরা। আয়োজকরা জানান, মেলায় বিনোদনমূলক বিভিন্ন আয়োজনের পাশাপাশি স্থানীয় পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

১৯ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪৯
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে মিল রেখে বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হওয়ার একদিন পূর্বেই ঈদ পালন করেছেন পটুয়াখালীর বদরপুর ইউনিয়নের প্রায় ১০০ পরিবার। শুধু তারাই নন, জেলার ৩৫টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ আজ ঈদ উদযাপন করেছেন।
শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ‘বদরপুর দরবার শরীফে’ ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ইমামতি করেন বদরপুর দরবার শরীফ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. শফিকুল আলম গনি।
স্থানীয়রা জানান, পৃথিবীর যেকোনো স্থানে ঈদের চাঁদ দেখা গেলেই ঈদ উদযাপন করেন তারা, রোযাও রাখেন একদিন আগে। শুধু ঈদুল ফিতর নয়, এ রীতির অনুসারীরা ঈদুল আযহাও পালন করেন একদিন আগে।
ঈদের জামাতে অংশ নেওয়া আব্দুর রহমান বলেন, জন্মের পর থেকেই আমরা এভাবে ঈদ উদযাপন করে আসছি। প্রায় ১০০ বছর ধরে আমাদের এমন নিয়ম। আমাদের বাড়িতে সকলের জন্য সেমাই-পায়েস রান্না করেছি। এদিন বন্ধু-বান্ধবরা অনেকেই আগ্রহ নিয়ে আমাদের বাড়ি বেড়াতে আসেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুস সোবাহান বলেন, আমাদের পীরসাহেবের নির্দেশক্রমে আমরা ঈদ পালন করি। আমরা রোযাও রাখি একদিন আগে, তাছাড়া কোরবানীর ঈদও পালন করি বাংলাদেশের মানুষের ১ দিন আগেই। জানা গেছে, আগাম ঈদ উদযাপনকারী সবাই হানিফি মাজহাব ও কাদেরিয়া তরিকার অনুসারী।
শুক্রবার সদর উপজেলার বদরপুর, ছোটবিঘাই; গলাচিপা উপজেলার পশুরী বুনিয়া, সেনের হাওলা, কানকুনি পাড়া, মৌডুবি, নিজ হাওলা; বাউফল উপজেলার রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, মদনপুরা, সুরদি, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, শাপলা খালী, আমিরাবাদ, কনকদিয়া; কলাপাড়া উপজেলার ইটবাড়ীয়া, শহরের নাঈয়া পট্টি, টিয়াখালী, তেগাছিয়া এবং দক্ষিণ দেবপুরসহ আরও বেশ কয়েকটি গ্রামে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
বদরপুর দরবার শরীফ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. শফিকুল আলম গনি বলেন, হাদিস ও কোরআনে বর্ণিত আছে, চাঁদ দেখার সংবাদ পেলেই যেন ঈদ পালন করা হয়। সেভাবেই আমরা ১৯২৮ সাল থেকে প্রতিবছর কোথাও চাঁদ দেখা গেলেই সহীহভাবে ঈদ পালন করে আসছি। আজকে ঈদের সালাতের মাধ্যমে আমরা মুসলিম উম্মাহ’র শান্তি কামনা করেছি।
পটুয়াখালীর দুমকিতে উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ আনন্দ মেলার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেসক্লাব দুমকির উদ্যোগে উপজেলার পায়রা সেতুর নিচে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার ১৯মার্চ বেলা ১১টায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব দুমকির সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রেসক্লাব দুমকির সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন ও দুমকি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইদুর রহমান খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কবির শরীফ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, এ ধরনের আয়োজন স্থানীয় সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে এবং মানুষের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য ও লেবুখালি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ খালেক হাওলাদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ইউনুস ফরাজি, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মোঃ নাসির উদ্দীন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ জসিম উদ্দিন হাওলাদার, সাবেক সদস্য সচিব সালাউদ্দিন রিপন শরীফ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ অহিদুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মুছা ফরাজি এবং উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহিদ খানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন অতিথিরা। আয়োজকরা জানান, মেলায় বিনোদনমূলক বিভিন্ন আয়োজনের পাশাপাশি স্থানীয় পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে নিষিদ্ধ পণ্যের সন্দেহে বিপুল পরিমান বস্তা ভর্তি মালামাল জব্দ করেছে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে আলগী নদী সংলগ্ন কালাইয়া বন্দরের ধানহাটা ট্রাকস্ট্যান্ডে একটি কার্গো থেকে বস্তা গুলো জব্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৮ মার্চ) রাতের অন্ধকারে পণ্য কালাউয়া বন্দরের ধানহাট সংলগ্ন খাল থেকে খালাসের সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি এ বিষয়ে প্রশ্ন তুললে সংশ্লিষ্টরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।
পরে স্থানীয়রা কয়েকটি বস্তা খুলে দেখেন, সেখানে এক ধরনের বীজ রয়েছে, যা তাদের ধারণা অনুযায়ী পপি সিড (পেস্তা দানা) হতে পারে। এছাড়াও কিছু বস্তায় সুপারি পাওয়া গেছে। তবে বাকি বস্তাগুলোতে আরও অবৈধ পণ্য থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে ওই রাতেই সংবাদকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
এক পর্যায়ে উৎসুক জনতার ভিড় বাড়তে থাকে। শেষে পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বস্তা গুলো স্থানীয়দের হাতে আটকের পর কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য (মেম্বার) মধু সুদন দাস ওরফে মধু মেম্বারের দুই ছেলে উত্তম দাস ও আশিস দাস ঘটনাস্থলে এসে পণ্যগুলো নিজেদের বলে দাবি করেন।
তারা স্থানীয় সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ ওঠে। রাত ১০টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত এ নিয়ে দেনদরবার চলে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, জব্দকৃত এসব পণ্য কালাইয়া ইউনিয়নের সাবেক সদস্য মধু সুধন দাসের ছোট মেয়ে জামাই জয়দেব দাসের হতে পারে। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই মিয়ানমার ও ভারত থেকে অবৈধ পণ্য পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ২০১১ সালে তেঁতুলিয়া নদীতে চন্দন কাঠের একটি চালান জেলেদের হাতে ধরা পড়লেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি রক্ষা পান। এছাড়া ২০২১ সালে কালাইয়া বন্দরের আলগী নদী এলাকায় প্রায় ৩ হাজার বস্তা অবৈধ পণ্যসহ দুটি কার্গো স্থানীয়দের হাতে আটক হলেও একইভাবে তিনি পার পেয়ে যান।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে অভিযুক্ত জয়দেব দাসের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। তবে অভিযোগ অস্বিকার করে জয়দেব দাসের শ্যালক আশিষ দাস বলেন, কোন কারণ ছাড়াই বস্তা গুলো জব্দ করেছে।
কিছু বস্তায় পোস্তদানা ও সুপারি আছে। কোন অবৈধ মালামাল নাই। এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৪৪৪ বস্তা ট্রাকে তোলা হয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ বস্তা পন্য হতে পারে। জব্দকৃত পণ্যের প্রকৃতি যাচাই করে তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালেহ আহম্মেদ বলেন, কোন ধরণের লুকোচুরি হওয়ার সুযোগ নাই। সংশ্লিষ্টদের সহযোগীতা নিয়ে প্রয়োজনয়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে নিষিদ্ধ পণ্যের সন্দেহে বিপুল পরিমান বস্তা ভর্তি মালামাল জব্দ করেছে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে আলগী নদী সংলগ্ন কালাইয়া বন্দরের ধানহাটা ট্রাকস্ট্যান্ডে একটি কার্গো থেকে বস্তা গুলো জব্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৮ মার্চ) রাতের অন্ধকারে পণ্য কালাউয়া বন্দরের ধানহাট সংলগ্ন খাল থেকে খালাসের সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি এ বিষয়ে প্রশ্ন তুললে সংশ্লিষ্টরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।
পরে স্থানীয়রা কয়েকটি বস্তা খুলে দেখেন, সেখানে এক ধরনের বীজ রয়েছে, যা তাদের ধারণা অনুযায়ী পপি সিড (পেস্তা দানা) হতে পারে। এছাড়াও কিছু বস্তায় সুপারি পাওয়া গেছে। তবে বাকি বস্তাগুলোতে আরও অবৈধ পণ্য থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে ওই রাতেই সংবাদকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
এক পর্যায়ে উৎসুক জনতার ভিড় বাড়তে থাকে। শেষে পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বস্তা গুলো স্থানীয়দের হাতে আটকের পর কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য (মেম্বার) মধু সুদন দাস ওরফে মধু মেম্বারের দুই ছেলে উত্তম দাস ও আশিস দাস ঘটনাস্থলে এসে পণ্যগুলো নিজেদের বলে দাবি করেন।
তারা স্থানীয় সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ ওঠে। রাত ১০টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত এ নিয়ে দেনদরবার চলে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, জব্দকৃত এসব পণ্য কালাইয়া ইউনিয়নের সাবেক সদস্য মধু সুধন দাসের ছোট মেয়ে জামাই জয়দেব দাসের হতে পারে। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই মিয়ানমার ও ভারত থেকে অবৈধ পণ্য পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ২০১১ সালে তেঁতুলিয়া নদীতে চন্দন কাঠের একটি চালান জেলেদের হাতে ধরা পড়লেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি রক্ষা পান। এছাড়া ২০২১ সালে কালাইয়া বন্দরের আলগী নদী এলাকায় প্রায় ৩ হাজার বস্তা অবৈধ পণ্যসহ দুটি কার্গো স্থানীয়দের হাতে আটক হলেও একইভাবে তিনি পার পেয়ে যান।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে অভিযুক্ত জয়দেব দাসের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। তবে অভিযোগ অস্বিকার করে জয়দেব দাসের শ্যালক আশিষ দাস বলেন, কোন কারণ ছাড়াই বস্তা গুলো জব্দ করেছে।
কিছু বস্তায় পোস্তদানা ও সুপারি আছে। কোন অবৈধ মালামাল নাই। এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৪৪৪ বস্তা ট্রাকে তোলা হয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ বস্তা পন্য হতে পারে। জব্দকৃত পণ্যের প্রকৃতি যাচাই করে তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালেহ আহম্মেদ বলেন, কোন ধরণের লুকোচুরি হওয়ার সুযোগ নাই। সংশ্লিষ্টদের সহযোগীতা নিয়ে প্রয়োজনয়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।