
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৬
জাটকা রক্ষা অভিযানে যাওয়ার পথে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার মৎস্য অধিদপ্তরের তিন কর্মচারীর ওপর হামলার ঘটনায় শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে থানায় মামলা করা হয়েছে।
মৎস্য কর্মকর্তা ওমর সানী বাদী হয়ে উপজেলার চুনারচর গ্রামের মোহাম্মদ হোসেন গাজীসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও ১১ জনের বিরুদ্ধে মেহেন্দীগঞ্জ থানায় মামলাটি করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ওমর সানী জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা কার্যালয়ের একটি দল মেঘনা ও কালাবদর নদীর মৎস্য অভয়াশ্রমে জাটকা ইলিশ রক্ষায় অভিযানের প্রস্তুতি নেয়। এ লক্ষ্যে একটি দল মেহেন্দীগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকায় অবস্থান করছিল।
ওই দলে যোগ দিতে মাঠ সহকারী আব্দুল্লাহ আল সিয়াম, মো. নাজিম উদ্দিন ও মো. শামীম মোটরসাইকেলযোগে লঞ্চঘাটের দিকে রওনা দেন।
পথে বালুমহাল এলাকার নির্মাণাধীন স্টেডিয়ামের কাছে পৌঁছলে মোহাম্মদ হোসেন গাজী ও আলমগীর সরদারের নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল থামিয়ে তিন কর্মচারীকে মারধর করে গুরুতর জখম করে। এসময় মৎস্য অধিদপ্তরের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও ভাঙচুর করা হয়।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে মৎস্য দপ্তরের দলের অন্য সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় আহত তিনজনকে উদ্ধার করে রাতেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
মামলার এজাহারে মোহাম্মদ হোসেন গাজী, আলমগীর সরদার, জহির মাতুব্বর, মোস্তফা আকন, কবির আকন, সবুজ বেপারী, শহিদ বেপারী, সাইফুল মুন্সী, মান্নান ফকির, রবিউল মুন্সী, জামাল চৌকিদার, সুমন সরদার ও মামুন সরদারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিন উদ্দিন বলেন, হামলার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ২৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
জাটকা রক্ষা অভিযানে যাওয়ার পথে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার মৎস্য অধিদপ্তরের তিন কর্মচারীর ওপর হামলার ঘটনায় শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে থানায় মামলা করা হয়েছে।
মৎস্য কর্মকর্তা ওমর সানী বাদী হয়ে উপজেলার চুনারচর গ্রামের মোহাম্মদ হোসেন গাজীসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও ১১ জনের বিরুদ্ধে মেহেন্দীগঞ্জ থানায় মামলাটি করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ওমর সানী জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা কার্যালয়ের একটি দল মেঘনা ও কালাবদর নদীর মৎস্য অভয়াশ্রমে জাটকা ইলিশ রক্ষায় অভিযানের প্রস্তুতি নেয়। এ লক্ষ্যে একটি দল মেহেন্দীগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকায় অবস্থান করছিল।
ওই দলে যোগ দিতে মাঠ সহকারী আব্দুল্লাহ আল সিয়াম, মো. নাজিম উদ্দিন ও মো. শামীম মোটরসাইকেলযোগে লঞ্চঘাটের দিকে রওনা দেন।
পথে বালুমহাল এলাকার নির্মাণাধীন স্টেডিয়ামের কাছে পৌঁছলে মোহাম্মদ হোসেন গাজী ও আলমগীর সরদারের নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল থামিয়ে তিন কর্মচারীকে মারধর করে গুরুতর জখম করে। এসময় মৎস্য অধিদপ্তরের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও ভাঙচুর করা হয়।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে মৎস্য দপ্তরের দলের অন্য সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় আহত তিনজনকে উদ্ধার করে রাতেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
মামলার এজাহারে মোহাম্মদ হোসেন গাজী, আলমগীর সরদার, জহির মাতুব্বর, মোস্তফা আকন, কবির আকন, সবুজ বেপারী, শহিদ বেপারী, সাইফুল মুন্সী, মান্নান ফকির, রবিউল মুন্সী, জামাল চৌকিদার, সুমন সরদার ও মামুন সরদারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিন উদ্দিন বলেন, হামলার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ২৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১৩
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১২
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১০
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০৮

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:২৩
বরিশালে জাটকাবিরোধী অভিযানে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হয়েছেন মৎস্য অধিদপ্তরের তিন কর্মচারী।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা সদরের পুরাতন স্টিমারঘাট সংলগ্ন বালুমহাল স্টেডিয়ামের কাছে এ হামলা হয়।
খবর পেয়ে মৎস্য দপ্তরের অভিযানিক দলের অন্য কর্মকর্তারা রক্তাক্ত জখম অবস্থায় স্থানীয়দের সহায়তায় মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট নাজিম উদ্দিন, মো. শামীম ও সিয়াম হোসেনকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। হামলাকারীরা মৎস্য অধিদপ্তরের অভিযানিক দলের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ব্যাপক ভাঙচুর করেছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মেহেন্দীগঞ্জ মৎস্য অধিদপ্তরের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট নাজিম উদ্দিন জানান, রাতে স্পিডবোট নিয়ে নদীতে জাটকাবিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য তাদের একটি দল স্টিমার ঘাট এলাকায় অবস্থান করছিলেন।
তারা ওই দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য মোটরসাইকেলযোগে স্টিমার ঘাটের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন।
পথে তারা বালুমহাল স্টেডিয়ামের সন্নিকটে পৌঁছলে তাদের মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। একপর্যায়ে মোটরসাইকেল থামিয়ে স্থানীয় মোহাম্মদ হোসেন গাজি, আলমগীর সর্দার ও জহির মাতুব্বরের নির্দেশে তাদের ২০/২৫ জন সহযোগী দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়।
হামলায় তারা তিনজন রক্তাক্ত জখম হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, উল্লিখিত ব্যক্তিদের হুকুমে তাদের সহযোগী মোস্তফা আকন, কবির হোসেন, সবুজ ব্যাপারী, শহিদ ব্যাপারী, সাইফুল মুন্সী, মান্নান ফকির, জসিম সর্দার, রবিউল মুন্সী, জামাল চৌকিদার, সুমন সর্দার, জহির মাতব্বরসহ তাদের ২০/২৫ জন সহযোগী এ হামলা চালিয়েছে। এসময় তাদের (নাজিম উদ্দিন) ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোমিন উদ্দিন জানান, হামলার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, হামলার ঘটনার মামলার প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
এদিকে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর আগে মোহাম্মদ হোসেন গাজি, আলমগীর সর্দার ও জহির মাতুব্বরের নির্দেশে মৎস্য অধিদপ্তরের তিনটি স্পিডবোটের পাওয়ার ক্যাবল কেটে দিয়ে তিন লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করা হয়েছিল।
বরিশাল টাইমস
বরিশালে জাটকাবিরোধী অভিযানে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হয়েছেন মৎস্য অধিদপ্তরের তিন কর্মচারী।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা সদরের পুরাতন স্টিমারঘাট সংলগ্ন বালুমহাল স্টেডিয়ামের কাছে এ হামলা হয়।
খবর পেয়ে মৎস্য দপ্তরের অভিযানিক দলের অন্য কর্মকর্তারা রক্তাক্ত জখম অবস্থায় স্থানীয়দের সহায়তায় মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট নাজিম উদ্দিন, মো. শামীম ও সিয়াম হোসেনকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। হামলাকারীরা মৎস্য অধিদপ্তরের অভিযানিক দলের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ব্যাপক ভাঙচুর করেছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মেহেন্দীগঞ্জ মৎস্য অধিদপ্তরের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট নাজিম উদ্দিন জানান, রাতে স্পিডবোট নিয়ে নদীতে জাটকাবিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য তাদের একটি দল স্টিমার ঘাট এলাকায় অবস্থান করছিলেন।
তারা ওই দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য মোটরসাইকেলযোগে স্টিমার ঘাটের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন।
পথে তারা বালুমহাল স্টেডিয়ামের সন্নিকটে পৌঁছলে তাদের মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। একপর্যায়ে মোটরসাইকেল থামিয়ে স্থানীয় মোহাম্মদ হোসেন গাজি, আলমগীর সর্দার ও জহির মাতুব্বরের নির্দেশে তাদের ২০/২৫ জন সহযোগী দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়।
হামলায় তারা তিনজন রক্তাক্ত জখম হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, উল্লিখিত ব্যক্তিদের হুকুমে তাদের সহযোগী মোস্তফা আকন, কবির হোসেন, সবুজ ব্যাপারী, শহিদ ব্যাপারী, সাইফুল মুন্সী, মান্নান ফকির, জসিম সর্দার, রবিউল মুন্সী, জামাল চৌকিদার, সুমন সর্দার, জহির মাতব্বরসহ তাদের ২০/২৫ জন সহযোগী এ হামলা চালিয়েছে। এসময় তাদের (নাজিম উদ্দিন) ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোমিন উদ্দিন জানান, হামলার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, হামলার ঘটনার মামলার প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
এদিকে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর আগে মোহাম্মদ হোসেন গাজি, আলমগীর সর্দার ও জহির মাতুব্বরের নির্দেশে মৎস্য অধিদপ্তরের তিনটি স্পিডবোটের পাওয়ার ক্যাবল কেটে দিয়ে তিন লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করা হয়েছিল।
বরিশাল টাইমস

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৪
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ঘুরতে আসা এক প্রেমিক যুগলের ওপর হামলা, ছিনতাই এবং তরুণীকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার স্টিমারঘাট সংলগ্ন নির্মাণাধীন মিনি স্টেডিয়ামে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযুক্ত যুবকের নাম ইয়াছিন হাওলাদার (২৫)। তিনি পৌরসভার ৭ নম্বর বদরপুর গ্রামের আবুল হোসেন হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, ওই প্রেমিক যুগল স্টিমারঘাট এলাকায় ঘুরতে গেলে ইয়াছিন হাওলাদার তাদের কাছে গিয়ে নানা প্রশ্ন করেন। একপর্যায়ে তিনি প্রেমিক ও প্রেমিকাকে মারধর করেন এবং প্রেমিকের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে তাকে সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য করেন।
পরে প্রেমিক কিছুটা দূরে সরে গেলে অভিযুক্ত যুবক তরুণীকে জোর করে নির্মাণাধীন স্টেডিয়ামের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তরুণীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। এ সময় অভিযুক্তকে স্থানীয়রা আটক করলেও পরে তিনি পালিয়ে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী যুগলকে নিরাপদে নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মেহেন্দিগঞ্জ থানার ওসি মোমিন উদ্দিন বলেন, বিষয়টি তারা জেনেছেন। তবে এখনো ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে।
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ঘুরতে আসা এক প্রেমিক যুগলের ওপর হামলা, ছিনতাই এবং তরুণীকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার স্টিমারঘাট সংলগ্ন নির্মাণাধীন মিনি স্টেডিয়ামে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযুক্ত যুবকের নাম ইয়াছিন হাওলাদার (২৫)। তিনি পৌরসভার ৭ নম্বর বদরপুর গ্রামের আবুল হোসেন হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, ওই প্রেমিক যুগল স্টিমারঘাট এলাকায় ঘুরতে গেলে ইয়াছিন হাওলাদার তাদের কাছে গিয়ে নানা প্রশ্ন করেন। একপর্যায়ে তিনি প্রেমিক ও প্রেমিকাকে মারধর করেন এবং প্রেমিকের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে তাকে সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য করেন।
পরে প্রেমিক কিছুটা দূরে সরে গেলে অভিযুক্ত যুবক তরুণীকে জোর করে নির্মাণাধীন স্টেডিয়ামের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তরুণীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। এ সময় অভিযুক্তকে স্থানীয়রা আটক করলেও পরে তিনি পালিয়ে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী যুগলকে নিরাপদে নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মেহেন্দিগঞ্জ থানার ওসি মোমিন উদ্দিন বলেন, বিষয়টি তারা জেনেছেন। তবে এখনো ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৬
বহু অঘটন পটিয়াসী বরিশালের ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের পরিচালক জহিরুল ইসলামের এবার অর্থ আত্মসাতের একটি অভিযোগ সামনে এসেছে। তার মালিকাধীন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের নামে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। প্রতিষ্ঠানপ্রধানের চৌর্যবৃত্তির এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ নার্সিং কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল শহরের সিঅ্যান্ডবি রোডস্থ প্রতিষ্ঠানটিতে বিক্ষোভ করে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য উপাত্ত্ব মিডিয়ায় তুলে ধরেছে। এর কিছুদিন আগে জহিরুল ইসলামের অতীতের বেশকিছু নোংরা কাহিনী মিডিয়ায় প্রকাশ পায়। তার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আয়েশা আক্তার নামের এক বিবাহিত তরুণীর সাথে হৃদয়ঘটিত সম্পর্কে জড়িয়ে বিয়ে করলে ওই নারীর স্বামী ঝালকাঠিতে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় জহির এবং তার নবাগত স্ত্রী আয়েশাকে অভিযুক্ত করে সাবেক স্বামী।
ঝালকাঠির সেই মামলার খবর পত্রিকায় প্রকাশ হলে জহির বরিশাল প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন এবং অনলাইন নিউজপোর্টাল বরিশালটাইমসের প্রকাশক হাসিবুল ইসলামসহ বরিশাল-পটুয়াখালীর অন্তত ১৫ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। আলোচিত ওই মামলায় জহির তার বড় স্ত্রী মেহেরুন্নেছাকেও অভিযুক্ত করেছেন। সেই বিতর্কের রেশ না কাটতেই এবার ডিডাব্লিউএফ প্রতিষ্ঠানপ্রধান জহিরুলের অর্থ কেলেংকারির বিষয়টি বেশ আলোচনায় আসল।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লিনিক প্রাক্টিসের জন্য তাদের কাছ থেকে কোনো রসিদ ছাড়াই ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি জানতে কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা দাবি করে এই টাকা শেবাচিম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়।
অন্দোলনরত একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, পরিচালক জহিরুল ইসলামের অধীনে থাকা আনোয়ারা, রাজধানী ও পটুয়াখালীর জহির-মেহেরুন নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও একইভাবে টাকা নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে বছরে প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থী অন্তু বিশ্বাস বলেন, আমরা যখন প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করি, তখন থিওরিক্যাল আলাপের পর আমাদের ক্লিনিক প্রাক্টিসে বের হতে হয়। তখন শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের ডেমো দেখিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাদের ব্যাচ থেকে ২৭ লক্ষ টাকা নিয়ে নেয়, এটা শুধু আমাদের কলেজ না বাকি কলেজের থেকেও নিয়েছে।
আরেক আন্দোলনরত শিক্ষার্থী তানিয়া আক্তার বলেন, আমাদের সবার কাছ থেকে ক্লিনিক প্রাক্টিস বাবদ ১২ হাজার টাকা নেয়। প্রথমে আন্দোলন করার পর বলছে ফেরত দিবে। আমরা যখন টাকা আনতে গেছি তখন কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে, এটা শেবাচিমে দিয়েছি।
বৃহস্পতিবার সকালে সিঅ্যান্ডবি রোডস্থ প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ করে অর্থ ফেরত চেয়েছে শিক্ষার্থীরা। তখন কর্তৃপক্ষ আন্দোলনরতদের অবহিত করে, এই টাকা পুরোটা প্রশিক্ষণ বাবদ শেবাচিম হাসপাতাল পরিচালককে দেওয়া হয়। এরপরে শিক্ষার্থীরা শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ে গিয়ে দেখা করেন। তখন পরিচালক ব্রি. জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনির সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এবং জানান, তিনি ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পরে শেবাচিমের দায়িত্বগ্রহণ করেছেন। সুতরাং তদন্ত না করে পূর্বের বিষয়টি নিয়ে কোনো কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে ডিডাব্লিউএফ যে অনিয়ম-দুর্নীতিতে জর্জরিত তা শিক্ষার্থীদের সাথে স্বল্প সময়ের আলোচনায় অনুমান করেন পরিচালক। এবং তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সাথে পূর্বের করা সকল চুক্তি বাতিল করার আশ্বাসও রাখেন।
প্রশিক্ষণের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জানতে জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এমনকি তাকে একাধিকবার হোটসঅ্যাপে বার্তা পাঠালেও তিনি তার কোনো উত্তর দেননি। ফলে কিছুটা হলেও অনুমান করা যায় জহিরুল ইসলাম কত মস্তবড় টাউট বা প্রতারক।
বরগুনার আমতলীর বাসিন্দা জহিরুল এক সময় হেলথ কেয়ারের ওষুধ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে কয়েক বছরের মধ্যে তিনি ক্রোড়পতি বনে যান। এবং বরিশাল-বরগুনা-পটুয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলায় একাধিক নার্সিং কলেজ গড়ে তোলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক আইন অমান্য করে একটি ভবনে একাধিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন।
জহিরের এই অর্থ বাণিজ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজ অধ্যক্ষ বাসন্তী রাণী সাংবাদিকদের বলছেন, পুরো টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ইতিপূর্বে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার হঠাৎ করে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে। এবং পরক্ষণে তারা দলবেধে শেবাচিম পরিচালকের কাছে গেছে। সেখান থেকে ফেরার পরেও শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা হয়েছে। আশা করা যায়, শিগগিরই বিষয়টি মীমাংসা হবে।
বরিশালের বেসরকারি নার্সিং কলেজের এই অনিয়ম-দুর্নীতির জানতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বরিশালের পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডলকে একাধিকবার ফোন করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি।’
বহু অঘটন পটিয়াসী বরিশালের ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের পরিচালক জহিরুল ইসলামের এবার অর্থ আত্মসাতের একটি অভিযোগ সামনে এসেছে। তার মালিকাধীন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের নামে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। প্রতিষ্ঠানপ্রধানের চৌর্যবৃত্তির এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ নার্সিং কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল শহরের সিঅ্যান্ডবি রোডস্থ প্রতিষ্ঠানটিতে বিক্ষোভ করে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য উপাত্ত্ব মিডিয়ায় তুলে ধরেছে। এর কিছুদিন আগে জহিরুল ইসলামের অতীতের বেশকিছু নোংরা কাহিনী মিডিয়ায় প্রকাশ পায়। তার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আয়েশা আক্তার নামের এক বিবাহিত তরুণীর সাথে হৃদয়ঘটিত সম্পর্কে জড়িয়ে বিয়ে করলে ওই নারীর স্বামী ঝালকাঠিতে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় জহির এবং তার নবাগত স্ত্রী আয়েশাকে অভিযুক্ত করে সাবেক স্বামী।
ঝালকাঠির সেই মামলার খবর পত্রিকায় প্রকাশ হলে জহির বরিশাল প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন এবং অনলাইন নিউজপোর্টাল বরিশালটাইমসের প্রকাশক হাসিবুল ইসলামসহ বরিশাল-পটুয়াখালীর অন্তত ১৫ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। আলোচিত ওই মামলায় জহির তার বড় স্ত্রী মেহেরুন্নেছাকেও অভিযুক্ত করেছেন। সেই বিতর্কের রেশ না কাটতেই এবার ডিডাব্লিউএফ প্রতিষ্ঠানপ্রধান জহিরুলের অর্থ কেলেংকারির বিষয়টি বেশ আলোচনায় আসল।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লিনিক প্রাক্টিসের জন্য তাদের কাছ থেকে কোনো রসিদ ছাড়াই ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি জানতে কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা দাবি করে এই টাকা শেবাচিম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়।
অন্দোলনরত একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, পরিচালক জহিরুল ইসলামের অধীনে থাকা আনোয়ারা, রাজধানী ও পটুয়াখালীর জহির-মেহেরুন নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও একইভাবে টাকা নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে বছরে প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থী অন্তু বিশ্বাস বলেন, আমরা যখন প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করি, তখন থিওরিক্যাল আলাপের পর আমাদের ক্লিনিক প্রাক্টিসে বের হতে হয়। তখন শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের ডেমো দেখিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাদের ব্যাচ থেকে ২৭ লক্ষ টাকা নিয়ে নেয়, এটা শুধু আমাদের কলেজ না বাকি কলেজের থেকেও নিয়েছে।
আরেক আন্দোলনরত শিক্ষার্থী তানিয়া আক্তার বলেন, আমাদের সবার কাছ থেকে ক্লিনিক প্রাক্টিস বাবদ ১২ হাজার টাকা নেয়। প্রথমে আন্দোলন করার পর বলছে ফেরত দিবে। আমরা যখন টাকা আনতে গেছি তখন কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে, এটা শেবাচিমে দিয়েছি।
বৃহস্পতিবার সকালে সিঅ্যান্ডবি রোডস্থ প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ করে অর্থ ফেরত চেয়েছে শিক্ষার্থীরা। তখন কর্তৃপক্ষ আন্দোলনরতদের অবহিত করে, এই টাকা পুরোটা প্রশিক্ষণ বাবদ শেবাচিম হাসপাতাল পরিচালককে দেওয়া হয়। এরপরে শিক্ষার্থীরা শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ে গিয়ে দেখা করেন। তখন পরিচালক ব্রি. জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনির সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এবং জানান, তিনি ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পরে শেবাচিমের দায়িত্বগ্রহণ করেছেন। সুতরাং তদন্ত না করে পূর্বের বিষয়টি নিয়ে কোনো কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে ডিডাব্লিউএফ যে অনিয়ম-দুর্নীতিতে জর্জরিত তা শিক্ষার্থীদের সাথে স্বল্প সময়ের আলোচনায় অনুমান করেন পরিচালক। এবং তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সাথে পূর্বের করা সকল চুক্তি বাতিল করার আশ্বাসও রাখেন।
প্রশিক্ষণের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জানতে জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এমনকি তাকে একাধিকবার হোটসঅ্যাপে বার্তা পাঠালেও তিনি তার কোনো উত্তর দেননি। ফলে কিছুটা হলেও অনুমান করা যায় জহিরুল ইসলাম কত মস্তবড় টাউট বা প্রতারক।
বরগুনার আমতলীর বাসিন্দা জহিরুল এক সময় হেলথ কেয়ারের ওষুধ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে কয়েক বছরের মধ্যে তিনি ক্রোড়পতি বনে যান। এবং বরিশাল-বরগুনা-পটুয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলায় একাধিক নার্সিং কলেজ গড়ে তোলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক আইন অমান্য করে একটি ভবনে একাধিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন।
জহিরের এই অর্থ বাণিজ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজ অধ্যক্ষ বাসন্তী রাণী সাংবাদিকদের বলছেন, পুরো টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ইতিপূর্বে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার হঠাৎ করে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে। এবং পরক্ষণে তারা দলবেধে শেবাচিম পরিচালকের কাছে গেছে। সেখান থেকে ফেরার পরেও শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা হয়েছে। আশা করা যায়, শিগগিরই বিষয়টি মীমাংসা হবে।
বরিশালের বেসরকারি নার্সিং কলেজের এই অনিয়ম-দুর্নীতির জানতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বরিশালের পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডলকে একাধিকবার ফোন করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.