Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৩ নভেম্বর, ২০২৫ ১৫:৩৯
ক্ষমতার আমলে আওয়ামী ভিড়েছিলেন আমিনুল ইসলাম জাকির মোল্লা। এখন বিএনপির সুসময়ে তিনি আওয়ামী লীগ ছেড়ে ফের পুরানো দলে ফিরেছেন। দলে ভিড়েইে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির পদে পুরস্কৃত হন। এ নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিযেছে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে। তারা ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে নানা নেতিবাচক মন্তব্য করছেন। ঘটনাটি বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নে।
জানা গেছে, উপজেলার বাইশারী সৈয়দ বজলূল হক কলেজের সহকারী অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম জাকির উদয়কাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছিলেন। ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ১৩ ডিসেম্বর বিএনপি তাকে বহিস্কার করে। তখন ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হন সিনিয়র সহ-সভপতি আলমগীর হোসেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে জাকির নৌকা প্রতীকের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তার ভাই বাদল মোল্লা বিভিন্ন সময় জাতীয় সংসদ ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে উদয়কাঠি ইউনিয়নের করমজা কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন।
বিএনপির ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের অভিযোগ, গত বছর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জাকির ফের বিএনপিতে ফিরতে নানা কৌশল করে। গত জুলাইতে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে তাকে উপজেলা বিএনপির সদস্য পদ দেওয়া হয়। গত ১৯ নভেম্বর পত্রের মাধ্যমে আমিনুল ইসলাম জাকিরকে সভাপতি করে উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়ন বিএনপির ১০১ সদস্যের কমিটি দেয়া হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মঞ্জুর খান ও সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ মৃধা ওই পত্রে স্বাক্ষর করেন। উদয়কাঠী ইউনিয়নের বাসিন্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ আলম মিঞা উপস্থিত থাকার পরেও তার স্বাক্ষর না নিয়ে সিনিয়র সহ-সভাপতি মঞ্জুর খানের স্বাক্ষর নেওয়া নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
উদয়কাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলমগীর হোসেন বলেন, দলের চরম দুঃসময়ে জাকির আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছে। তাকে ফের দলে এনে পদ দিয়ে পুরস্কৃত করা হলো। আর আমরা যারা দল আকরে থেকে হামলা-মামলার শিকার হয়েছি তারা হলাম তিরস্কৃত। ঘোষিত কমিটি গঠনতন্ত্র মেনে হয়নি। কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানান আলমগীর।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ মৃধা বলেন, জাকির মোল্লাকে আওয়ামী লীগে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছিলো। মুঠোফোনে সাড়া না দেওয়ায় এ প্রসঙ্গে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ আলম মিঞার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
জাকির মোল্লা বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক আমার কলেজ গভর্নিংবডির সভাপতি ছিলেন। কলেজ অধ্যক্ষ ও আামিসহ আরও কয়েকজন শিক্ষককে আওয়ামী লীগে যোগ দিতে বাধ্য করেছে।
অভিযোগ রযেছে, নবগঠিত ইউনিয়ন বিএনপির কমিটির পদ পাওয়াদের মধ্যে জামায়াতে যোগদান করা দুজন নেতাও রয়েছেন। এদিকে পূর্বের ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত না করে এবং কোন কাউন্সিল ছাড়াই গঠিত পকেট কমিটিতে আওয়ামী লীগে যোগদান করে বহিস্কৃত হওয়া নেতাকে পুনরায় শীর্ষ পদ দিয়ে পুরস্কৃত করা,জামায়াতে যোগদান করাদের অন্তর্ভূক্তি এবং দলের দুঃসময়ের নির্যাতিত ত্যাগী ও পরীক্ষিত নিবেদিতপ্রাণ নেতা-কর্মীদের কমিটিতে অবমূল্যায়ন করায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়ে সাধারণ নেতা-কর্মী সমর্থকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা ভাবে তারা এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আমিনুল ইসলাম জাকির মোল্লার ফুল দেওয়া ও আওয়ামী লীগে যোগদানের ছবি এবং এ সংক্রান্ত নিউজ পোস্ট করে নেতিবাচক মন্তব্য করছেন। তারা অগঠনতান্ত্রিকভাবে গঠিত এ কমিটি অনতিবিলম্বে বাতিল করে কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের দুঃসময়ের ত্যাগী, নির্যাতিত ও পরীক্ষিত নেতা-কর্মীদের সমন্বয়ে কমিটি গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন।’
ক্ষমতার আমলে আওয়ামী ভিড়েছিলেন আমিনুল ইসলাম জাকির মোল্লা। এখন বিএনপির সুসময়ে তিনি আওয়ামী লীগ ছেড়ে ফের পুরানো দলে ফিরেছেন। দলে ভিড়েইে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির পদে পুরস্কৃত হন। এ নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিযেছে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে। তারা ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে নানা নেতিবাচক মন্তব্য করছেন। ঘটনাটি বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নে।
জানা গেছে, উপজেলার বাইশারী সৈয়দ বজলূল হক কলেজের সহকারী অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম জাকির উদয়কাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছিলেন। ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ১৩ ডিসেম্বর বিএনপি তাকে বহিস্কার করে। তখন ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হন সিনিয়র সহ-সভপতি আলমগীর হোসেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে জাকির নৌকা প্রতীকের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তার ভাই বাদল মোল্লা বিভিন্ন সময় জাতীয় সংসদ ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে উদয়কাঠি ইউনিয়নের করমজা কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন।
বিএনপির ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের অভিযোগ, গত বছর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জাকির ফের বিএনপিতে ফিরতে নানা কৌশল করে। গত জুলাইতে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে তাকে উপজেলা বিএনপির সদস্য পদ দেওয়া হয়। গত ১৯ নভেম্বর পত্রের মাধ্যমে আমিনুল ইসলাম জাকিরকে সভাপতি করে উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়ন বিএনপির ১০১ সদস্যের কমিটি দেয়া হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মঞ্জুর খান ও সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ মৃধা ওই পত্রে স্বাক্ষর করেন। উদয়কাঠী ইউনিয়নের বাসিন্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ আলম মিঞা উপস্থিত থাকার পরেও তার স্বাক্ষর না নিয়ে সিনিয়র সহ-সভাপতি মঞ্জুর খানের স্বাক্ষর নেওয়া নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
উদয়কাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলমগীর হোসেন বলেন, দলের চরম দুঃসময়ে জাকির আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছে। তাকে ফের দলে এনে পদ দিয়ে পুরস্কৃত করা হলো। আর আমরা যারা দল আকরে থেকে হামলা-মামলার শিকার হয়েছি তারা হলাম তিরস্কৃত। ঘোষিত কমিটি গঠনতন্ত্র মেনে হয়নি। কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানান আলমগীর।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ মৃধা বলেন, জাকির মোল্লাকে আওয়ামী লীগে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছিলো। মুঠোফোনে সাড়া না দেওয়ায় এ প্রসঙ্গে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ আলম মিঞার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
জাকির মোল্লা বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক আমার কলেজ গভর্নিংবডির সভাপতি ছিলেন। কলেজ অধ্যক্ষ ও আামিসহ আরও কয়েকজন শিক্ষককে আওয়ামী লীগে যোগ দিতে বাধ্য করেছে।
অভিযোগ রযেছে, নবগঠিত ইউনিয়ন বিএনপির কমিটির পদ পাওয়াদের মধ্যে জামায়াতে যোগদান করা দুজন নেতাও রয়েছেন। এদিকে পূর্বের ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত না করে এবং কোন কাউন্সিল ছাড়াই গঠিত পকেট কমিটিতে আওয়ামী লীগে যোগদান করে বহিস্কৃত হওয়া নেতাকে পুনরায় শীর্ষ পদ দিয়ে পুরস্কৃত করা,জামায়াতে যোগদান করাদের অন্তর্ভূক্তি এবং দলের দুঃসময়ের নির্যাতিত ত্যাগী ও পরীক্ষিত নিবেদিতপ্রাণ নেতা-কর্মীদের কমিটিতে অবমূল্যায়ন করায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়ে সাধারণ নেতা-কর্মী সমর্থকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা ভাবে তারা এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আমিনুল ইসলাম জাকির মোল্লার ফুল দেওয়া ও আওয়ামী লীগে যোগদানের ছবি এবং এ সংক্রান্ত নিউজ পোস্ট করে নেতিবাচক মন্তব্য করছেন। তারা অগঠনতান্ত্রিকভাবে গঠিত এ কমিটি অনতিবিলম্বে বাতিল করে কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের দুঃসময়ের ত্যাগী, নির্যাতিত ও পরীক্ষিত নেতা-কর্মীদের সমন্বয়ে কমিটি গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন।’

৩০ মে, ২০২৬ ১১:১২

২৯ মে, ২০২৬ ১৯:২৫
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় এক প্রবাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া গ্রামের দাসের ডাঙা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত ইমরান হোসেন সবুজ (২৮) উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া গ্রামের হারুন হাওলাদারের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় সবুজ নিজ কক্ষে অবস্থান করছিলেন এবং ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। দীর্ঘ সময় ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে তার বাবা ও মামা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তারা প্রথমে কলিং বেল বাজান এবং মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেন। পরে কোনো সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে সন্দেহ হলে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন।
‘ঘরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান, কক্ষের ছাদের লোহার হুকের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন সবুজ। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হলেও তিনি আর জীবিত ছিলেন না। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।’
নিহতের এক মামা জানান, সবুজ দীর্ঘ চার থেকে পাঁচ বছর প্রবাসে ছিলেন। দেশে ফিরে তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন করছিলেন। তার কোনো শত্রু ছিল বলে পরিবারের জানা নেই। তবে মৃত্যুর ঘটনাটি স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।
পরিবারের দাবি, সবুজকে উদ্ধারের সময় তার দুই হাত পেছনের দিকে বাঁধা ছিল, যা ঘটনাটিকে রহস্যজনক করে তুলেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মির্জাগঞ্জ থানার পরিদর্শক নুরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। নিহতের হাত পেছনের দিকে আলগাভাবে বাঁধা ছিল, যা বিষয়টিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় অন্য কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জানা গেছে, ঘটনার দিন সকালে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরু জবাইয়ের কাজ শেষে বাড়িতে ফেরেন সবুজ। পরে নিজ কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
বরিশাল টাইমস

২৭ মে, ২০২৬ ১২:৫৩
বরিশালের হিজলা উপজেলায় মেঘনা নদীতে কালবৈশাখীর কবলে পড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ নুর ইসলাম জোমাদ্দার ও তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৭ মে) ভোররাত ২টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ভাসানচর এলাকা থেকে স্থানীয় জেলে ও নৌ পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। এ নিয়ে ওই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিনজনে।
এর আগে সোমবার বিকেলে মেঘনা নদীর পুরাতন হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় ইঞ্জিনচালিত একটি নৌকা ডুবে বাবা-ছেলেসহ তিনজন নিখোঁজ হন। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে পুরাতন হিজলা এলাকা থেকে মো. হারুন বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
হিজলা নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নৌকাডুবির পর থেকেই পুলিশ ও স্থানীয় জেলেরা নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আসছিলেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জের ভাসানচর এলাকায় দুটি মরদেহ ভাসতে দেখে জেলেরা নৌ পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। স্বজনেরা মরদেহ দুটি নুর ইসলাম জোমাদ্দার ও তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দারের বলে শনাক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে জেলে কার্ডের চাল নিয়ে আটজন যাত্রী একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা হন। নৌকাটি পুরাতন হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দার (১২) এবং একই গ্রামের মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫) নিখোঁজ হন। পরে হারুন বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, নিখোঁজ বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
বরিশালে এইচআইভি সংক্রমণের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকেরা। হাসপাতালের পরীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ তরুণ ও শিক্ষার্থী।
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি মানুষের রক্ত পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২০ জনের শরীরে এইচআইভি সংক্রমণ শনাক্ত হয়। শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন শিক্ষার্থী।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে ২০৪ জনের এইচআইভি পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১১ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। চিকিৎসকদের ভাষ্য, এসব রোগীর বেশির ভাগই পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌনসম্পর্কে যুক্ত ছিলেন। একজন আক্রান্ত ব্যক্তির স্ত্রীর শরীরেও সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের চিকিৎসক জসিম উদ্দিন বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে যাদের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে, তাদের অধিকাংশের ক্ষেত্রেই পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌনসম্পর্কের তথ্য পাওয়া গেছে।
হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মাশরুর বিন আজাদ বলেন, আগে এই অঞ্চলে এইচআইভি সংক্রমণের হার তুলনামূলক কম ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েছে। তার মতে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণ সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
ডা. মাশরুর বলেন, চিকিৎসা গ্রহণের সময় রোগীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের বড় একটি অংশের বয়স ১৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তবে সমকামী ব্যক্তির সংখ্যা বা এ সংক্রান্ত কোনো নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান সরকারিভাবে নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্য বলছে, বরিশালে ৫ থেকে সাড়ে ৭ হাজারের মত মানুষ সমাজ নিষিদ্ধ নানা কর্মকাণ্ডে জড়িত। এইডস প্রতিরোধে সরকারি কর্মসূচি চললেও তা নিয়ন্ত্রণে কতটুকু ভূমিকা রাখছে এ নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। গত এক বছরে দেশে প্রায় দুই হাজার এইডস রোগী শনাক্ত হয়েছে যা আগের বছরের তুলনায় ৩৯ শতাংশ বেশি।
বিশ্লেষকরা বলছেন পারিবারিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়া আর সামাজিক অবক্ষয় তরুণদের এইডসের দিকে ঠেলছে। আর সচেতনতা ছাড়া সংক্রমণ প্রতিরোধ সম্ভব নয় বলে দাবি চিকিৎসকদের।
সরকারি ব্রজমোহন কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহা. ইব্রাহিম খলিল বলেন, তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে যোগাযোগ ও তদারকি কমে যাওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ প্রভাবও আচরণগত পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, এইচআইভি সংক্রমণ হঠাৎ করে বাড়ে না, এটি দীর্ঘ সময় ধরে বিস্তার লাভ করে। শুধু দক্ষিণাঞ্চল নয়, দেশের অন্যান্য এলাকাতেও সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরীক্ষার পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন।
বরিশালে এইচআইভি সংক্রমণের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকেরা। হাসপাতালের পরীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ তরুণ ও শিক্ষার্থী।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি মানুষের রক্ত পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২০ জনের শরীরে এইচআইভি সংক্রমণ শনাক্ত হয়। শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন শিক্ষার্থী।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে ২০৪ জনের এইচআইভি পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১১ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। চিকিৎসকদের ভাষ্য, এসব রোগীর বেশির ভাগই পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌনসম্পর্কে যুক্ত ছিলেন। একজন আক্রান্ত ব্যক্তির স্ত্রীর শরীরেও সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের চিকিৎসক জসিম উদ্দিন বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে যাদের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে, তাদের অধিকাংশের ক্ষেত্রেই পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌনসম্পর্কের তথ্য পাওয়া গেছে।
হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মাশরুর বিন আজাদ বলেন, আগে এই অঞ্চলে এইচআইভি সংক্রমণের হার তুলনামূলক কম ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েছে। তার মতে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণ সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
ডা. মাশরুর বলেন, চিকিৎসা গ্রহণের সময় রোগীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের বড় একটি অংশের বয়স ১৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তবে সমকামী ব্যক্তির সংখ্যা বা এ সংক্রান্ত কোনো নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান সরকারিভাবে নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্য বলছে, বরিশালে ৫ থেকে সাড়ে ৭ হাজারের মত মানুষ সমাজ নিষিদ্ধ নানা কর্মকাণ্ডে জড়িত। এইডস প্রতিরোধে সরকারি কর্মসূচি চললেও তা নিয়ন্ত্রণে কতটুকু ভূমিকা রাখছে এ নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। গত এক বছরে দেশে প্রায় দুই হাজার এইডস রোগী শনাক্ত হয়েছে যা আগের বছরের তুলনায় ৩৯ শতাংশ বেশি।
বিশ্লেষকরা বলছেন পারিবারিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়া আর সামাজিক অবক্ষয় তরুণদের এইডসের দিকে ঠেলছে। আর সচেতনতা ছাড়া সংক্রমণ প্রতিরোধ সম্ভব নয় বলে দাবি চিকিৎসকদের।
সরকারি ব্রজমোহন কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহা. ইব্রাহিম খলিল বলেন, তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে যোগাযোগ ও তদারকি কমে যাওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ প্রভাবও আচরণগত পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে।
শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, এইচআইভি সংক্রমণ হঠাৎ করে বাড়ে না, এটি দীর্ঘ সময় ধরে বিস্তার লাভ করে। শুধু দক্ষিণাঞ্চল নয়, দেশের অন্যান্য এলাকাতেও সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরীক্ষার পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন।
বরিশালে এইচআইভি সংক্রমণের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকেরা। হাসপাতালের পরীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ তরুণ ও শিক্ষার্থী।
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি মানুষের রক্ত পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২০ জনের শরীরে এইচআইভি সংক্রমণ শনাক্ত হয়। শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন শিক্ষার্থী।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে ২০৪ জনের এইচআইভি পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১১ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। চিকিৎসকদের ভাষ্য, এসব রোগীর বেশির ভাগই পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌনসম্পর্কে যুক্ত ছিলেন। একজন আক্রান্ত ব্যক্তির স্ত্রীর শরীরেও সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের চিকিৎসক জসিম উদ্দিন বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে যাদের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে, তাদের অধিকাংশের ক্ষেত্রেই পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌনসম্পর্কের তথ্য পাওয়া গেছে।
হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মাশরুর বিন আজাদ বলেন, আগে এই অঞ্চলে এইচআইভি সংক্রমণের হার তুলনামূলক কম ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েছে। তার মতে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণ সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
ডা. মাশরুর বলেন, চিকিৎসা গ্রহণের সময় রোগীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের বড় একটি অংশের বয়স ১৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তবে সমকামী ব্যক্তির সংখ্যা বা এ সংক্রান্ত কোনো নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান সরকারিভাবে নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্য বলছে, বরিশালে ৫ থেকে সাড়ে ৭ হাজারের মত মানুষ সমাজ নিষিদ্ধ নানা কর্মকাণ্ডে জড়িত। এইডস প্রতিরোধে সরকারি কর্মসূচি চললেও তা নিয়ন্ত্রণে কতটুকু ভূমিকা রাখছে এ নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। গত এক বছরে দেশে প্রায় দুই হাজার এইডস রোগী শনাক্ত হয়েছে যা আগের বছরের তুলনায় ৩৯ শতাংশ বেশি।
বিশ্লেষকরা বলছেন পারিবারিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়া আর সামাজিক অবক্ষয় তরুণদের এইডসের দিকে ঠেলছে। আর সচেতনতা ছাড়া সংক্রমণ প্রতিরোধ সম্ভব নয় বলে দাবি চিকিৎসকদের।
সরকারি ব্রজমোহন কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহা. ইব্রাহিম খলিল বলেন, তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে যোগাযোগ ও তদারকি কমে যাওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ প্রভাবও আচরণগত পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, এইচআইভি সংক্রমণ হঠাৎ করে বাড়ে না, এটি দীর্ঘ সময় ধরে বিস্তার লাভ করে। শুধু দক্ষিণাঞ্চল নয়, দেশের অন্যান্য এলাকাতেও সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরীক্ষার পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন।
বরিশালে এইচআইভি সংক্রমণের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকেরা। হাসপাতালের পরীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ তরুণ ও শিক্ষার্থী।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি মানুষের রক্ত পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২০ জনের শরীরে এইচআইভি সংক্রমণ শনাক্ত হয়। শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন শিক্ষার্থী।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে ২০৪ জনের এইচআইভি পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১১ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। চিকিৎসকদের ভাষ্য, এসব রোগীর বেশির ভাগই পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌনসম্পর্কে যুক্ত ছিলেন। একজন আক্রান্ত ব্যক্তির স্ত্রীর শরীরেও সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের চিকিৎসক জসিম উদ্দিন বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে যাদের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে, তাদের অধিকাংশের ক্ষেত্রেই পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌনসম্পর্কের তথ্য পাওয়া গেছে।
হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মাশরুর বিন আজাদ বলেন, আগে এই অঞ্চলে এইচআইভি সংক্রমণের হার তুলনামূলক কম ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েছে। তার মতে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণ সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
ডা. মাশরুর বলেন, চিকিৎসা গ্রহণের সময় রোগীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের বড় একটি অংশের বয়স ১৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তবে সমকামী ব্যক্তির সংখ্যা বা এ সংক্রান্ত কোনো নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান সরকারিভাবে নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্য বলছে, বরিশালে ৫ থেকে সাড়ে ৭ হাজারের মত মানুষ সমাজ নিষিদ্ধ নানা কর্মকাণ্ডে জড়িত। এইডস প্রতিরোধে সরকারি কর্মসূচি চললেও তা নিয়ন্ত্রণে কতটুকু ভূমিকা রাখছে এ নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। গত এক বছরে দেশে প্রায় দুই হাজার এইডস রোগী শনাক্ত হয়েছে যা আগের বছরের তুলনায় ৩৯ শতাংশ বেশি।
বিশ্লেষকরা বলছেন পারিবারিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়া আর সামাজিক অবক্ষয় তরুণদের এইডসের দিকে ঠেলছে। আর সচেতনতা ছাড়া সংক্রমণ প্রতিরোধ সম্ভব নয় বলে দাবি চিকিৎসকদের।
সরকারি ব্রজমোহন কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহা. ইব্রাহিম খলিল বলেন, তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে যোগাযোগ ও তদারকি কমে যাওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ প্রভাবও আচরণগত পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে।
শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, এইচআইভি সংক্রমণ হঠাৎ করে বাড়ে না, এটি দীর্ঘ সময় ধরে বিস্তার লাভ করে। শুধু দক্ষিণাঞ্চল নয়, দেশের অন্যান্য এলাকাতেও সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরীক্ষার পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় এক প্রবাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া গ্রামের দাসের ডাঙা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত ইমরান হোসেন সবুজ (২৮) উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া গ্রামের হারুন হাওলাদারের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় সবুজ নিজ কক্ষে অবস্থান করছিলেন এবং ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। দীর্ঘ সময় ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে তার বাবা ও মামা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তারা প্রথমে কলিং বেল বাজান এবং মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেন। পরে কোনো সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে সন্দেহ হলে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন।
‘ঘরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান, কক্ষের ছাদের লোহার হুকের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন সবুজ। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হলেও তিনি আর জীবিত ছিলেন না। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।’
নিহতের এক মামা জানান, সবুজ দীর্ঘ চার থেকে পাঁচ বছর প্রবাসে ছিলেন। দেশে ফিরে তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন করছিলেন। তার কোনো শত্রু ছিল বলে পরিবারের জানা নেই। তবে মৃত্যুর ঘটনাটি স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।
পরিবারের দাবি, সবুজকে উদ্ধারের সময় তার দুই হাত পেছনের দিকে বাঁধা ছিল, যা ঘটনাটিকে রহস্যজনক করে তুলেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মির্জাগঞ্জ থানার পরিদর্শক নুরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। নিহতের হাত পেছনের দিকে আলগাভাবে বাঁধা ছিল, যা বিষয়টিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় অন্য কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জানা গেছে, ঘটনার দিন সকালে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরু জবাইয়ের কাজ শেষে বাড়িতে ফেরেন সবুজ। পরে নিজ কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের হিজলা উপজেলায় মেঘনা নদীতে কালবৈশাখীর কবলে পড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ নুর ইসলাম জোমাদ্দার ও তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৭ মে) ভোররাত ২টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ভাসানচর এলাকা থেকে স্থানীয় জেলে ও নৌ পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। এ নিয়ে ওই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিনজনে।
এর আগে সোমবার বিকেলে মেঘনা নদীর পুরাতন হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় ইঞ্জিনচালিত একটি নৌকা ডুবে বাবা-ছেলেসহ তিনজন নিখোঁজ হন। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে পুরাতন হিজলা এলাকা থেকে মো. হারুন বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
হিজলা নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নৌকাডুবির পর থেকেই পুলিশ ও স্থানীয় জেলেরা নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আসছিলেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জের ভাসানচর এলাকায় দুটি মরদেহ ভাসতে দেখে জেলেরা নৌ পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। স্বজনেরা মরদেহ দুটি নুর ইসলাম জোমাদ্দার ও তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দারের বলে শনাক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে জেলে কার্ডের চাল নিয়ে আটজন যাত্রী একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা হন। নৌকাটি পুরাতন হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দার (১২) এবং একই গ্রামের মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫) নিখোঁজ হন। পরে হারুন বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, নিখোঁজ বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’