
২২ জুলাই, ২০২৫ ২১:৪২
শিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগসহ ছয় দফা দাবিতে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করার সাত ঘণ্টা পর তা স্থগিত করল আন্দোলনকারীরা। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ইউনুস আলী সিদ্দিকীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্বাসে আগামীকাল বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়।
যে কারণে রাত ৮টার পর থেকে শত শত যানবাহন ছুটতে থাকে গন্তব্যে। এর আগে দূর থেকে আসা শত শত মানুষ গাড়ি থেকে নেমে পথের পাশে বসে ছিলেন। শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধের পাশাপাশি বরিশাল শিক্ষা বোর্ড ঘেরাও করে।
মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে কয়েক শ শিক্ষার্থী নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসংলগ্ন বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবরোধ করে। যা অব্যাহত ছিল রাত ৮টা পর্যন্ত। এর ফলে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলা থেকে ঢাকাসহ সারা দেশে সড়কপথে যাতায়াতে নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকা অতিক্রম করতে পারেনি যানবাহন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শিক্ষা বোর্ডের দুই পাশে যানবাহনের কয়েক কিলোমিটার লাইন পড়েছে। শত শত বাসযাত্রী বাস থেকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যের দিকে রওনা হয়েছেন। থ্রি-হুইলারগুলোয় স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ভাড়া হাঁকাচ্ছে। ঢাকা থেকে বাসে পটুয়াখালীর দশমিনায় যাচ্ছিলেন আ. রাজ্জাক ও শফিকুল ইসলাম। শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবরোধে তাঁদের গাড়ি সেখানে আটকা পড়ে। এ নিয়ে তাঁরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অবরোধ শুরুর পর সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। এতে শিক্ষার্থীরা আরও উত্তেজিত হলে সেনাবাহিনী চলে যায়। পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা নীরব ভূমিকা পালন করে। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক সাব্বির হোসেনের নেতৃত্বে সংগঠনের প্রতিনিধিরা শিক্ষা বোর্ডের সামনে যান। তাঁরা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। এ সময় আন্দোলনকারীরা ‘ভুয়া’ ‘ভুয়া’ স্লোগান দিলে সঙ্গীদেরসহ সাব্বির ওই এলাকা ত্যাগ করেন।
আন্দোলনকারী সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের শিক্ষার্থী তানভির হোসেনসহ অন্যরা জানান, শিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ অব্যাহত থাকবে। পরে অবশ্য অবরোধ স্থগিত রাখা হয়।
শিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগ ছাড়াও শিক্ষার্থীদের আরও পাঁচ দফা হলো—বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ব্যক্তিদের সুনির্দিষ্ট তালিকা প্রকাশ, আহত ব্যক্তিদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা, শিক্ষকদের গায়ে হাত তোলা সেনাসদস্যদের ক্ষমা চাওয়া, নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ পুরোনো বিমান বাতিল ও নিরাপদ প্রশিক্ষণ বিমান চালু করা।
রাত পৌনে ৮টার দিকে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ইউনুস আলী সিদ্দিকী বোর্ডের সামনে এসে আশস্ত করেন যে তাদের দাবিগুলো মাউশি, আন্তবোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অবহিত করবেন। তবে উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে তাঁর কিছু করার নেই। এমন আশ্বাসে ছাত্ররা সড়ক ছেড়ে দেয়।’
শিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগসহ ছয় দফা দাবিতে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করার সাত ঘণ্টা পর তা স্থগিত করল আন্দোলনকারীরা। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ইউনুস আলী সিদ্দিকীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্বাসে আগামীকাল বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়।
যে কারণে রাত ৮টার পর থেকে শত শত যানবাহন ছুটতে থাকে গন্তব্যে। এর আগে দূর থেকে আসা শত শত মানুষ গাড়ি থেকে নেমে পথের পাশে বসে ছিলেন। শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধের পাশাপাশি বরিশাল শিক্ষা বোর্ড ঘেরাও করে।
মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে কয়েক শ শিক্ষার্থী নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসংলগ্ন বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবরোধ করে। যা অব্যাহত ছিল রাত ৮টা পর্যন্ত। এর ফলে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলা থেকে ঢাকাসহ সারা দেশে সড়কপথে যাতায়াতে নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকা অতিক্রম করতে পারেনি যানবাহন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শিক্ষা বোর্ডের দুই পাশে যানবাহনের কয়েক কিলোমিটার লাইন পড়েছে। শত শত বাসযাত্রী বাস থেকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যের দিকে রওনা হয়েছেন। থ্রি-হুইলারগুলোয় স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ভাড়া হাঁকাচ্ছে। ঢাকা থেকে বাসে পটুয়াখালীর দশমিনায় যাচ্ছিলেন আ. রাজ্জাক ও শফিকুল ইসলাম। শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবরোধে তাঁদের গাড়ি সেখানে আটকা পড়ে। এ নিয়ে তাঁরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অবরোধ শুরুর পর সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। এতে শিক্ষার্থীরা আরও উত্তেজিত হলে সেনাবাহিনী চলে যায়। পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা নীরব ভূমিকা পালন করে। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক সাব্বির হোসেনের নেতৃত্বে সংগঠনের প্রতিনিধিরা শিক্ষা বোর্ডের সামনে যান। তাঁরা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। এ সময় আন্দোলনকারীরা ‘ভুয়া’ ‘ভুয়া’ স্লোগান দিলে সঙ্গীদেরসহ সাব্বির ওই এলাকা ত্যাগ করেন।
আন্দোলনকারী সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের শিক্ষার্থী তানভির হোসেনসহ অন্যরা জানান, শিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ অব্যাহত থাকবে। পরে অবশ্য অবরোধ স্থগিত রাখা হয়।
শিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগ ছাড়াও শিক্ষার্থীদের আরও পাঁচ দফা হলো—বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ব্যক্তিদের সুনির্দিষ্ট তালিকা প্রকাশ, আহত ব্যক্তিদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা, শিক্ষকদের গায়ে হাত তোলা সেনাসদস্যদের ক্ষমা চাওয়া, নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ পুরোনো বিমান বাতিল ও নিরাপদ প্রশিক্ষণ বিমান চালু করা।
রাত পৌনে ৮টার দিকে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ইউনুস আলী সিদ্দিকী বোর্ডের সামনে এসে আশস্ত করেন যে তাদের দাবিগুলো মাউশি, আন্তবোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অবহিত করবেন। তবে উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে তাঁর কিছু করার নেই। এমন আশ্বাসে ছাত্ররা সড়ক ছেড়ে দেয়।’

২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৫
মোবাইলে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৩ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাউরগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত জালাল সিকদার (৬৫) ওই এলাকার মৃত আজাহার সিকদারের ছেলে।ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে প্রতিবেশী জালাল সিকদার শিশুটিকে মোবাইলে কার্টুন দেখানোর কথা বলে নিজ বসত ঘরের ভেতরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।
জালালের একাধিক বিয়ে থাকলেও বর্তমানে তার ঘরে কোনো স্ত্রী নেই। ঘটনার পর থেকে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন।
শিশুর চাচী জানান, শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তার মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছে।
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তৌকির আহমেদ জানান, শিশু কন্যাটির যৌনাঙ্গ ফোলা ও রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে স্বজনরা ওইদিন গভীর রাতে হাসপাতালে নিয়ে আসে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম বলেন, খবর পেয়ে ওই রাতেই আমি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।তিনি জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২০ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৯
ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা ও গাইবান্ধাসহ সারাদেশে মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে বরিশালে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন
বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকুল চন্দ্র মুখার্জি, সঞ্জীব সিংহ বর্মন বি এ এম বার সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলা, ব্রাহ্মণ যুব কিশোর সংসদের সভাপতি হৃদয় চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক মিলন চক্রবর্তী, যুব কিশরের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সমন্বয় সিংহ বর্মন সহ বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদও যুব কিশোর বরিশাল জেলার ও মহানগরের নেতৃবৃন্ধরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১ টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে বরিশালেও এই কর্মসূচি সংগঠনের জেলা এবং মহানগর কমিটির আয়োজনে পালন করা হয়।
এখানে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদসহ সনাতন ধর্মালম্বীদের বিভিন্ন সংগঠন ব্যানার এবং ফেস্টুন নিয়ে যোগ দেয়। এখানে বক্তারা বলেন,ধর্মের প্রতি আবমাননা এটা সহ্য করার নয়।এবং আমাদের প্রতি নিপীড়ন এটা নতুন কোন ঘটনা নয়। স্বাধনিতার পর থেকেই এমন অত্যাচার চলে আসছে।
আমরা চাই সনাতনীদের প্রতি এহেন অত্যাচার বন্ধ হোক। এজন্য সরকারের প্রতি ব্যবস্থা নিতে জোর দাবী করেন। মানিক মুখার্জী, সভাপতি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল। মানববন্ধনের পর দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল বের হলে তা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের বানারীপাড়ায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে গোপনে শিক্ষক হাজিরা খাতায স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি কিশোর কুমার বড়াল বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ১৬ জুন বানারীপাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এতে অভিযোগ করা হয় গত ৩ মে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বায়েজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের চাকরি নেওয়ার বিষয়টি তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী তার
বেতন-ভাতা বন্ধ করা হয়। ফলে গত ৪ মে থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত তিনি স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেননি। ১৪ জুন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বিদ্যালয়ের কাজে ঢাকায় যান।
এ সুযোগে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার ১৫ জুন বিদ্যালয়ে এসে গত ৪ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত হাজিরা খাতায় এক সঙ্গে সবগুলো স্বাক্ষর করেন।
বিষয়টি জেনে ১৬ জুন প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের ঘরে লাল কালির দাগ টেনে দুদিন বরিশালে দাপ্তরিক কাজে গেলে তার সেই লাল কালির দাগের মধ্যে ১৬ ও ১৭ জুন সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার স্বাক্ষর করেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বলেন আমি স্কুলের কাজে ঢাকা ও বরিশালে থাকার সুযোগে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার হাজিরা খাতায় গোপনে স্বাক্ষর করেন।
এমনকি আমার দেওয়া লাল কালির দাগের মধ্যেও তিনি ১৬ ও ১৭ জুন স্বাক্ষর করেছেন। তার বিষয় নিয়ে সকল শিক্ষকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় ইউএনও মহোদয় বেতন-ভাতা বন্ধ করে তাকে বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করার পরেও তিনি আসেন এবং গোপনে স্বাক্ষর করায় তার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।
এ ব্যপারে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার বলেন, তার বেতন-ভাতা বন্ধ করার এখতিয়ার কেবল মন্ত্রনালয়ের রয়েছে, ইউএনও কিংবা প্রধান শিক্ষকের নেই। তার সার্টিফিকেট জাল কিংবা ভূয়া নয়।
এধরণের কম্পিউটার সার্টিফিকেট দিয়ে বিভিন্ন স্কুলে অনেকেই চাকরি করছেন। গোপনে নয় প্রতিদিন বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন দাবি করে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে তাকে হয়রাণি করছেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বায়েজিদুর রহমান বলেন, তদন্তে ওই সহকারি শিক্ষকের সার্টিফিকেট জালিয়াতির বিষয়টি প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে
বরিশালের বানারীপাড়ায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে গোপনে শিক্ষক হাজিরা খাতায স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি কিশোর কুমার বড়াল বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ১৬ জুন বানারীপাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এতে অভিযোগ করা হয় গত ৩ মে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বায়েজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের চাকরি নেওয়ার বিষয়টি তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী তার
বেতন-ভাতা বন্ধ করা হয়। ফলে গত ৪ মে থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত তিনি স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেননি। ১৪ জুন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বিদ্যালয়ের কাজে ঢাকায় যান।
এ সুযোগে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার ১৫ জুন বিদ্যালয়ে এসে গত ৪ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত হাজিরা খাতায় এক সঙ্গে সবগুলো স্বাক্ষর করেন।
বিষয়টি জেনে ১৬ জুন প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের ঘরে লাল কালির দাগ টেনে দুদিন বরিশালে দাপ্তরিক কাজে গেলে তার সেই লাল কালির দাগের মধ্যে ১৬ ও ১৭ জুন সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার স্বাক্ষর করেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বলেন আমি স্কুলের কাজে ঢাকা ও বরিশালে থাকার সুযোগে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার হাজিরা খাতায় গোপনে স্বাক্ষর করেন।
এমনকি আমার দেওয়া লাল কালির দাগের মধ্যেও তিনি ১৬ ও ১৭ জুন স্বাক্ষর করেছেন। তার বিষয় নিয়ে সকল শিক্ষকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় ইউএনও মহোদয় বেতন-ভাতা বন্ধ করে তাকে বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করার পরেও তিনি আসেন এবং গোপনে স্বাক্ষর করায় তার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।
এ ব্যপারে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার বলেন, তার বেতন-ভাতা বন্ধ করার এখতিয়ার কেবল মন্ত্রনালয়ের রয়েছে, ইউএনও কিংবা প্রধান শিক্ষকের নেই। তার সার্টিফিকেট জাল কিংবা ভূয়া নয়।
এধরণের কম্পিউটার সার্টিফিকেট দিয়ে বিভিন্ন স্কুলে অনেকেই চাকরি করছেন। গোপনে নয় প্রতিদিন বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন দাবি করে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে তাকে হয়রাণি করছেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বায়েজিদুর রহমান বলেন, তদন্তে ওই সহকারি শিক্ষকের সার্টিফিকেট জালিয়াতির বিষয়টি প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে
মোবাইলে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৩ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাউরগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত জালাল সিকদার (৬৫) ওই এলাকার মৃত আজাহার সিকদারের ছেলে।ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে প্রতিবেশী জালাল সিকদার শিশুটিকে মোবাইলে কার্টুন দেখানোর কথা বলে নিজ বসত ঘরের ভেতরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।
জালালের একাধিক বিয়ে থাকলেও বর্তমানে তার ঘরে কোনো স্ত্রী নেই। ঘটনার পর থেকে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন।
শিশুর চাচী জানান, শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তার মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছে।
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তৌকির আহমেদ জানান, শিশু কন্যাটির যৌনাঙ্গ ফোলা ও রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে স্বজনরা ওইদিন গভীর রাতে হাসপাতালে নিয়ে আসে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম বলেন, খবর পেয়ে ওই রাতেই আমি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।তিনি জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা ও গাইবান্ধাসহ সারাদেশে মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে বরিশালে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন
বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকুল চন্দ্র মুখার্জি, সঞ্জীব সিংহ বর্মন বি এ এম বার সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলা, ব্রাহ্মণ যুব কিশোর সংসদের সভাপতি হৃদয় চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক মিলন চক্রবর্তী, যুব কিশরের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সমন্বয় সিংহ বর্মন সহ বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদও যুব কিশোর বরিশাল জেলার ও মহানগরের নেতৃবৃন্ধরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১ টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে বরিশালেও এই কর্মসূচি সংগঠনের জেলা এবং মহানগর কমিটির আয়োজনে পালন করা হয়।
এখানে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদসহ সনাতন ধর্মালম্বীদের বিভিন্ন সংগঠন ব্যানার এবং ফেস্টুন নিয়ে যোগ দেয়। এখানে বক্তারা বলেন,ধর্মের প্রতি আবমাননা এটা সহ্য করার নয়।এবং আমাদের প্রতি নিপীড়ন এটা নতুন কোন ঘটনা নয়। স্বাধনিতার পর থেকেই এমন অত্যাচার চলে আসছে।
আমরা চাই সনাতনীদের প্রতি এহেন অত্যাচার বন্ধ হোক। এজন্য সরকারের প্রতি ব্যবস্থা নিতে জোর দাবী করেন। মানিক মুখার্জী, সভাপতি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল। মানববন্ধনের পর দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল বের হলে তা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
২০ জুন, ২০২৬ ২০:৫৯
২০ জুন, ২০২৬ ২০:১০
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৩
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২