
০১ জুন, ২০২৬ ০০:২৭
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বাউফলে এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘মটকা গরম কইরেন না, শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞেস করেন। শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যায়ের সবচেয়ে বড় মাস্তানকে জিজ্ঞেস করেন।’
শনিবার (৩০ মে) বাউফল উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নে আয়োজিত এক সভায় দেওয়া তার বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।
ভিডিওতে শফিকুল ইসলাম মাসুদকে বলতে শোনা যায়, ‘মটকা গরম কইরেন না, শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞেস করেন। শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় মাস্তানকে জিজ্ঞেস করেন।’
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘পাওয়ার তো দেখায় ডাকাত, পাওয়ার তো দেখায় চোর, পাওয়ার তো দেখায় ছিনতাইকারী, পাওয়ার তো দেখায় পকেটমার। শফিকুল ইসলাম মাসুদ পকেটমার এমপি না, ডাকাত থেকে এমপি হয় নাই। মাসুদ এমপি হয়েছে বাউফলের মানুষকে ক্ষমতাবান করার জন্য।’
তিনি দাবি করেন, বাউফলের মানুষের কাছে নিজেকে প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা বাউফলের মানুষকে দেখানোর দরকার নাই। সেটা শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞেস করে জাইনা নিয়েন। শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় যে সন্ত্রাসী তার কাছে জিজ্ঞেস করেন। ৯ তারিখ বাউফল থানার সামনে দাঁড়িয়ে আমি দেখিয়েছি আমি কি জিনিস।’
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ্য করে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারিও দেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, ‘উল্টা-পাল্টা কথা বইলা মটকা গরম করবেন না। মটকা গরম করলে সামলাইতে পারবেন না।’ একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে বাউফল ডাকাতি ও চাঁদাবাজির কবলে ছিল এবং সেই পরিস্থিতিতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।
অপর এক বক্তব্যে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘যতই তাউরাসগিরি যারা যারা করেন, সেকেন্ডের মধ্যে সব গোলাইয়া ফালই দেব। আমাদের মটকা যেন কেউ গরম না করান। আমরা শক্তের ভক্ত, নরমের যম।’
ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। এদিকে তার বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।’
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বাউফলে এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘মটকা গরম কইরেন না, শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞেস করেন। শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যায়ের সবচেয়ে বড় মাস্তানকে জিজ্ঞেস করেন।’
শনিবার (৩০ মে) বাউফল উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নে আয়োজিত এক সভায় দেওয়া তার বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।
ভিডিওতে শফিকুল ইসলাম মাসুদকে বলতে শোনা যায়, ‘মটকা গরম কইরেন না, শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞেস করেন। শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় মাস্তানকে জিজ্ঞেস করেন।’
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘পাওয়ার তো দেখায় ডাকাত, পাওয়ার তো দেখায় চোর, পাওয়ার তো দেখায় ছিনতাইকারী, পাওয়ার তো দেখায় পকেটমার। শফিকুল ইসলাম মাসুদ পকেটমার এমপি না, ডাকাত থেকে এমপি হয় নাই। মাসুদ এমপি হয়েছে বাউফলের মানুষকে ক্ষমতাবান করার জন্য।’
তিনি দাবি করেন, বাউফলের মানুষের কাছে নিজেকে প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা বাউফলের মানুষকে দেখানোর দরকার নাই। সেটা শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞেস করে জাইনা নিয়েন। শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় যে সন্ত্রাসী তার কাছে জিজ্ঞেস করেন। ৯ তারিখ বাউফল থানার সামনে দাঁড়িয়ে আমি দেখিয়েছি আমি কি জিনিস।’
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ্য করে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারিও দেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, ‘উল্টা-পাল্টা কথা বইলা মটকা গরম করবেন না। মটকা গরম করলে সামলাইতে পারবেন না।’ একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে বাউফল ডাকাতি ও চাঁদাবাজির কবলে ছিল এবং সেই পরিস্থিতিতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।
অপর এক বক্তব্যে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘যতই তাউরাসগিরি যারা যারা করেন, সেকেন্ডের মধ্যে সব গোলাইয়া ফালই দেব। আমাদের মটকা যেন কেউ গরম না করান। আমরা শক্তের ভক্ত, নরমের যম।’
ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। এদিকে তার বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।’

৩১ মে, ২০২৬ ১৫:২৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় তাজুল ইসলাম (১৬) নামের এক কিশোরকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় রিয়াদ (১৭), সজীব খান (১৭) এবং হৃদয় মোল্লা (১৮) নামের তিন যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের আটক করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের মাছুয়াখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তাজুল ওই গ্রামের ফারুক হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে ওই এলাকার কামাল মৃধার বাড়িতে তার মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। ওই অনুষ্ঠান থেকে তাজুলকে বাড়ির পেছনের বিলে ডেকে নিয়ে তলপেটে ছুরিকাঘাত করে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তার ডাকচিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর পরই স্থানীয়রা সন্দেহভাজন হিসেবে ওই তিন যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
কলাপাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, এঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ওই তিন যুবককে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত চলছে।’
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় তাজুল ইসলাম (১৬) নামের এক কিশোরকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় রিয়াদ (১৭), সজীব খান (১৭) এবং হৃদয় মোল্লা (১৮) নামের তিন যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের আটক করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের মাছুয়াখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তাজুল ওই গ্রামের ফারুক হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে ওই এলাকার কামাল মৃধার বাড়িতে তার মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। ওই অনুষ্ঠান থেকে তাজুলকে বাড়ির পেছনের বিলে ডেকে নিয়ে তলপেটে ছুরিকাঘাত করে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তার ডাকচিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর পরই স্থানীয়রা সন্দেহভাজন হিসেবে ওই তিন যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
কলাপাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, এঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ওই তিন যুবককে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত চলছে।’

২৭ মে, ২০২৬ ০৯:১৭
সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন জেলায় বুধবার ঈদুল আজহার উদযাপন করা হচ্ছে। এরমধ্যে চট্টগ্রাম, দিনাজপুর ও সাতক্ষীরায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চট্টগ্রামের প্রায় ৬০টি গ্রামে বুধবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। জেলার চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা এ ঈদ উদযাপন করেন।
দরবার শরীফ সূত্র জানায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় মির্জাখীল দরবার শরীফের কেন্দ্রীয় খানকাহ মাঠে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এবারের জামাতে ইমামতি করেন বর্তমান সাজ্জাদানশীন হজরত ইমামুল আরেফীন ড. মৌলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান।
সাতকানিয়ার মির্জাখীল, গাটিয়াডাঙ্গা, আলীনগর, মাদার্শা, খাগরিয়া, মৈশামুড়া, পুরানগড়, বাজালিয়া, মনেয়াবাদ, চরতি, সুঁইপুরা ও হালুয়াঘোনাসহ বিভিন্ন এলাকায় আজ ঈদ উদযাপিত হচ্ছে।
চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চননগর, হারালা, বাইনজুরি, চরবরমা, কেশুয়া, কানাই মাদারি, সাতবাড়িয়া, বরকল, দোহাজারী ও জামিরজুরিসহ বিভিন্ন গ্রামেও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদের নামাজ ও কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা পালিত হবে।
দিনাজপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সদর উপজেলাসহ জেলার ৬টি উপজেলায় ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিদের একাংশ। জেলা শহরের চারুবাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে, চিরিরবন্দর, কাহারোল, বোচাগঞ্জ, বিরল ও বিরামপুর উপজেলায় আগাম ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ৮ টায় শহরের চারুবাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেন শহর ও শহরতলীর কয়েকটি এলাকার মানুষ। এই জামাতে পুরুষ, মহিলা ও শিশুসহ প্রায় ৩০০ শতাধিক মুসল্লি অংশগহণ করেন।
এই জামাতে ইমামতি করেন ফুলবাড়ী হলি কুরআন মাদরাসার পরিচালক মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক।
এছাড়া চিরিরবন্দর উপজেলার সাইতারা ইউনিয়নের রাবার ড্যাম, ফতেহজংপুর গ্রামে, কাহারোল উপজেলার জয়নন্দ গ্রামে, ১৩ মাইলে, বিরল উপজেলার পশ্চিম বনগাঁ জামে মসজিদে, বোচাগঞ্জ উপজেলায় ও বিরামপুর উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া দাখিল মাদরাসা মাঠে ও খয়ের বাড়ি দাখিল মাদরাসা মাঠে প্রায় ২০/২৫টি গ্রামের কয়েকশ মানুষ ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, জেলায় ২৫ গ্রামের মানুষ ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন। সদর উপজেলার বাওখোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদের নামাজ আদায় করেছেন তারা। জামাতে ইমামতি করেন বাওখোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. মোহাব্বত আলী।
ঈদের নামাজে সাতক্ষীরার ইসলামকাটি, গোয়ালচত্তর, ভাদড়া, ঘোনা, ভাড়ুখালি, মিরগিডাঙ্গাসহ প্রায় ২৫ গ্রামের মানুষ অংশ গ্রহণ করেন। নামায শেষে আল্লাহর সন্তুষ্টি আদায়ের লক্ষ্যে পশু কোরবানি করেন তারা।
সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন জেলায় বুধবার ঈদুল আজহার উদযাপন করা হচ্ছে। এরমধ্যে চট্টগ্রাম, দিনাজপুর ও সাতক্ষীরায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চট্টগ্রামের প্রায় ৬০টি গ্রামে বুধবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। জেলার চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা এ ঈদ উদযাপন করেন।
দরবার শরীফ সূত্র জানায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় মির্জাখীল দরবার শরীফের কেন্দ্রীয় খানকাহ মাঠে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এবারের জামাতে ইমামতি করেন বর্তমান সাজ্জাদানশীন হজরত ইমামুল আরেফীন ড. মৌলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান।
সাতকানিয়ার মির্জাখীল, গাটিয়াডাঙ্গা, আলীনগর, মাদার্শা, খাগরিয়া, মৈশামুড়া, পুরানগড়, বাজালিয়া, মনেয়াবাদ, চরতি, সুঁইপুরা ও হালুয়াঘোনাসহ বিভিন্ন এলাকায় আজ ঈদ উদযাপিত হচ্ছে।
চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চননগর, হারালা, বাইনজুরি, চরবরমা, কেশুয়া, কানাই মাদারি, সাতবাড়িয়া, বরকল, দোহাজারী ও জামিরজুরিসহ বিভিন্ন গ্রামেও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদের নামাজ ও কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা পালিত হবে।
দিনাজপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সদর উপজেলাসহ জেলার ৬টি উপজেলায় ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিদের একাংশ। জেলা শহরের চারুবাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে, চিরিরবন্দর, কাহারোল, বোচাগঞ্জ, বিরল ও বিরামপুর উপজেলায় আগাম ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ৮ টায় শহরের চারুবাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেন শহর ও শহরতলীর কয়েকটি এলাকার মানুষ। এই জামাতে পুরুষ, মহিলা ও শিশুসহ প্রায় ৩০০ শতাধিক মুসল্লি অংশগহণ করেন।
এই জামাতে ইমামতি করেন ফুলবাড়ী হলি কুরআন মাদরাসার পরিচালক মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক।
এছাড়া চিরিরবন্দর উপজেলার সাইতারা ইউনিয়নের রাবার ড্যাম, ফতেহজংপুর গ্রামে, কাহারোল উপজেলার জয়নন্দ গ্রামে, ১৩ মাইলে, বিরল উপজেলার পশ্চিম বনগাঁ জামে মসজিদে, বোচাগঞ্জ উপজেলায় ও বিরামপুর উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া দাখিল মাদরাসা মাঠে ও খয়ের বাড়ি দাখিল মাদরাসা মাঠে প্রায় ২০/২৫টি গ্রামের কয়েকশ মানুষ ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, জেলায় ২৫ গ্রামের মানুষ ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন। সদর উপজেলার বাওখোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদের নামাজ আদায় করেছেন তারা। জামাতে ইমামতি করেন বাওখোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. মোহাব্বত আলী।
ঈদের নামাজে সাতক্ষীরার ইসলামকাটি, গোয়ালচত্তর, ভাদড়া, ঘোনা, ভাড়ুখালি, মিরগিডাঙ্গাসহ প্রায় ২৫ গ্রামের মানুষ অংশ গ্রহণ করেন। নামায শেষে আল্লাহর সন্তুষ্টি আদায়ের লক্ষ্যে পশু কোরবানি করেন তারা।

২৭ মে, ২০২৬ ০৭:৫৪
মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে পটুয়াখালীর ৩৫ গ্রামে আজ বুধবার পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে। দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মিল রেখে জেলার প্রায় ২৫ হাজার মানুষ একদিন আগেই ঈদ উদযাপন করে থাকেন।
আজ ঈদ পালন করবেন পটুয়াখালীর ৩৫ গ্রামের বাসিন্দারা। এ উপলক্ষে সকাল ৮টায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের বদরপুর দরবার শরীফে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের প্রধান জামাত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক শতাব্দী ধরে এসব এলাকায় মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ উদযাপনের রীতি চলে আসছে। ১৯২৮ সাল থেকে এখানকার মানুষ একদিন আগেই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা পালন করছেন। শুধুমাত্র সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামেই প্রায় ১০০ পরিবার এ রীতি অনুসরণ করে।
যেসব গ্রামে বুধবার ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— সদর উপজেলার বদরপুর ও ছোটবিঘাই; গলাচিপা উপজেলার পশুরী বুনিয়া, সেনের হাওলা, কানকুনি পাড়া, মৌডুবি ও নিজ হাওলা; বাউফল উপজেলার রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, মদনপুরা, সুরদি, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, শাপলাখালী, আমিরাবাদ ও কনকদিয়া; এছাড়া কলাপাড়া উপজেলার ইটবাড়ীয়া, নাঈয়াপট্টি, টিয়াখালী, তেগাছিয়া, দক্ষিণ দেবপুরসহ আরও বেশ কয়েকটি গ্রাম।
বদরপুর গ্রামের বাসিন্দা আবু রায়হান বলেন, “ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি, সারা দেশে ঈদ উদযাপনের একদিন আগে আমাদের এলাকায় ঈদ পালন করা হয়। আমরাও সেই নিয়মেই ঈদ করি। ঈদের নামাজ আদায়, কোলাকুলি, আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে যাওয়া ও কোরবানি—সব মিলিয়ে দিনটি আমাদের কাছে আনন্দের।”
বদরপুর দরবার শরীফ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. শফিকুল আলম গনি বলেন, “আগামীকাল (বুধবার) সকাল ৮টায় আমাদের দরবার শরীফে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে আমরা সেই হিসাব অনুযায়ী ঈদ উদযাপন করি। হাদিসেও এ বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে।”
মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে পটুয়াখালীর ৩৫ গ্রামে আজ বুধবার পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে। দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মিল রেখে জেলার প্রায় ২৫ হাজার মানুষ একদিন আগেই ঈদ উদযাপন করে থাকেন।
আজ ঈদ পালন করবেন পটুয়াখালীর ৩৫ গ্রামের বাসিন্দারা। এ উপলক্ষে সকাল ৮টায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের বদরপুর দরবার শরীফে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের প্রধান জামাত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক শতাব্দী ধরে এসব এলাকায় মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ উদযাপনের রীতি চলে আসছে। ১৯২৮ সাল থেকে এখানকার মানুষ একদিন আগেই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা পালন করছেন। শুধুমাত্র সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামেই প্রায় ১০০ পরিবার এ রীতি অনুসরণ করে।
যেসব গ্রামে বুধবার ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— সদর উপজেলার বদরপুর ও ছোটবিঘাই; গলাচিপা উপজেলার পশুরী বুনিয়া, সেনের হাওলা, কানকুনি পাড়া, মৌডুবি ও নিজ হাওলা; বাউফল উপজেলার রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, মদনপুরা, সুরদি, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, শাপলাখালী, আমিরাবাদ ও কনকদিয়া; এছাড়া কলাপাড়া উপজেলার ইটবাড়ীয়া, নাঈয়াপট্টি, টিয়াখালী, তেগাছিয়া, দক্ষিণ দেবপুরসহ আরও বেশ কয়েকটি গ্রাম।
বদরপুর গ্রামের বাসিন্দা আবু রায়হান বলেন, “ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি, সারা দেশে ঈদ উদযাপনের একদিন আগে আমাদের এলাকায় ঈদ পালন করা হয়। আমরাও সেই নিয়মেই ঈদ করি। ঈদের নামাজ আদায়, কোলাকুলি, আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে যাওয়া ও কোরবানি—সব মিলিয়ে দিনটি আমাদের কাছে আনন্দের।”
বদরপুর দরবার শরীফ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. শফিকুল আলম গনি বলেন, “আগামীকাল (বুধবার) সকাল ৮টায় আমাদের দরবার শরীফে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে আমরা সেই হিসাব অনুযায়ী ঈদ উদযাপন করি। হাদিসেও এ বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে।”
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.