বরিশালের মুলাদীতে মেয়ের মৃত্যুশোকে বিলাপ করতে করতে এক মায়ের মৃত্যু হয়েছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম বোয়ালিয়া গ্রামের মরিয়ম বেগম (৬৫) মারা যান।
তাঁর স্বামী লতিফ দুরানী জানান, গত ৩১ আগস্ট সকালে তার মেয়ে রেশমা বেগমের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে থানার পুলিশ। মেয়ের মৃত্যুতে মরিয়ম বেগম ভেঙে পড়েছিলেন।
লতিফ দুরানী বলেন, তার জামাতা আব্দুল লতিফ ব্যাপারী, নাতি সুমন ও সুজন কারাগারে থাকায় মেয়ে রেশমা হতাশ হয়ে পড়েন। পরে গত ৩১ আগস্ট সকাল ৮টার দিকে থানার পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
মেয়ের মৃত্যুসংবাদ পাওয়ার পর থেকে তাঁর স্ত্রী মরিয়ম নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে দেন। মেয়ের জন্য কাঁদতে কাঁদতে গতকাল সন্ধ্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন মরিয়ম। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. সাইয়েদুর রহমান জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও মানসিক চাপে মরিয়ম বেগম হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল।

১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:২৫
বরিশাল নগরীর চৌমাথা এলাকায় মহাসড়ক ও ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করে পরিচালিত ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)। রোববার (১১ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে চৌমাথা বাজারের সামনের অংশ থেকে এ অভিযান শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে বাজারসংলগ্ন এলাকা, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের সামনের অংশ এবং চৌমাথা লেক এলাকায় উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উজ জামানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ শাখার প্রধান লতিকুল্লাহ, ট্রেড লাইসেন্স বিভাগের আজিজ শাহীন এবং হাটবাজার শাখার প্রধান রেজাউল উপস্থিত ছিলেন।
বিসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উজ জামান বলেন, নগরীর ফুটপাত দখলমুক্ত করে জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে চৌমাথা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়েছে। নগরীর সড়ক ও ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত রাখার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নগরীর ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকাও পরিবহনকেন্দ্রসহ অন্যান্য স্থানে অবৈধ দখল ও অব্যবস্থাপনার বিষয়ে জানতে চাইলে বিসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উজ জামান বরিশাল টাইমসকে বলেন, “রূপাতলী ও নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় সড়ক ও জনসাধারণের চলাচলের স্থান দখল করে অবৈধ দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এসব স্থানে জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। পাশাপাশি, উচ্ছেদের পর সড়ক ও ফুটপাত পুনরায় দখলমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চৌমাথা এলাকায় এর আগেও একাধিকবার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে সিটি করপোরেশন। তবে অভিযান শেষ হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই পুনরায় ফুটপাত ও মহাসড়কের অংশবিশেষ দখল করে ব্যবসা পরিচালনার প্রবণতা দেখা যায়। এতে উচ্ছেদ কার্যক্রমের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ফুটপাত দখল থাকায় পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
নগরীর অন্যতম ব্যস্ত এ এলাকায় মহাসড়ক ও ফুটপাতের ওপর অবৈধ দখল স্থায়ীভাবে নিরসনে নিয়মিত তদারকি জোরদার এবং উচ্ছেদ-পরবর্তী সময়ে পুনর্দখল প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বরিশাল নগরীর চৌমাথা এলাকায় মহাসড়ক ও ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করে পরিচালিত ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)। রোববার (১১ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে চৌমাথা বাজারের সামনের অংশ থেকে এ অভিযান শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে বাজারসংলগ্ন এলাকা, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের সামনের অংশ এবং চৌমাথা লেক এলাকায় উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উজ জামানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ শাখার প্রধান লতিকুল্লাহ, ট্রেড লাইসেন্স বিভাগের আজিজ শাহীন এবং হাটবাজার শাখার প্রধান রেজাউল উপস্থিত ছিলেন।
বিসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উজ জামান বলেন, নগরীর ফুটপাত দখলমুক্ত করে জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে চৌমাথা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়েছে। নগরীর সড়ক ও ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত রাখার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নগরীর ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকাও পরিবহনকেন্দ্রসহ অন্যান্য স্থানে অবৈধ দখল ও অব্যবস্থাপনার বিষয়ে জানতে চাইলে বিসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উজ জামান বরিশাল টাইমসকে বলেন, “রূপাতলী ও নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় সড়ক ও জনসাধারণের চলাচলের স্থান দখল করে অবৈধ দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এসব স্থানে জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। পাশাপাশি, উচ্ছেদের পর সড়ক ও ফুটপাত পুনরায় দখলমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চৌমাথা এলাকায় এর আগেও একাধিকবার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে সিটি করপোরেশন। তবে অভিযান শেষ হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই পুনরায় ফুটপাত ও মহাসড়কের অংশবিশেষ দখল করে ব্যবসা পরিচালনার প্রবণতা দেখা যায়। এতে উচ্ছেদ কার্যক্রমের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ফুটপাত দখল থাকায় পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
নগরীর অন্যতম ব্যস্ত এ এলাকায় মহাসড়ক ও ফুটপাতের ওপর অবৈধ দখল স্থায়ীভাবে নিরসনে নিয়মিত তদারকি জোরদার এবং উচ্ছেদ-পরবর্তী সময়ে পুনর্দখল প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:২৬
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামিকে দীর্ঘ ১৩ বছর পর গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গ্রেপ্তার দুজন হলেন মো. হাসান সিকদার (৩৭) ও মো. রাসেল সিকদার (৩০)। এসআরবি-৮, বরিশাল এবং এসআরবি-৩, মগবাজার, ঢাকার সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ দল অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে হাসান সিকদার এবং হাতিরঝিল এলাকা থেকে রাসেল সিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের দুজনের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার উত্তর নলুয়া এলাকায়।
এসআরবি-৮-এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার ওয়ালিদ হাসান মিঠু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, বাকেরগঞ্জ থানার একটি হত্যা মামলায় আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। দণ্ডবিধির ৩০২ ও ২০১ ধারায় করা মামলাটির বিশেষ দায়রা মামলা নম্বর ১৪৩/১৬, থানার মামলা নম্বর ১৬ এবং জিআর নম্বর ৩৭/১৩।
মামলার বিচার শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত হাসান ও রাসেলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও দুই মাস কারাভোগের নির্দেশ দেন আদালত। এ ছাড়া মামলার অপর ধারায় তাঁদের পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড এবং দুই হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। ওই জরিমানা অনাদায়ে আরও চার মাসের কারাদণ্ডের আদেশ রয়েছে।
আদালতের রায়ের পর দীর্ঘ সময় ধরে আত্মগোপনে থাকায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। একপর্যায়ে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ জন্য এসআরবি-৮-এর অধিনায়কের কাছে প্রয়োজনীয় অধিযাচনপত্র পাঠানো হয়। পরে গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁদের অবস্থান শনাক্ত করে যৌথ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন সংশ্লিষ্ট সদস্যরা।
গ্রেপ্তারের পর হাসান সিকদারকে যাত্রাবাড়ী থানা-পুলিশের কাছে এবং রাসেল সিকদারকে হাতিরঝিল থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামিকে দীর্ঘ ১৩ বছর পর গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গ্রেপ্তার দুজন হলেন মো. হাসান সিকদার (৩৭) ও মো. রাসেল সিকদার (৩০)। এসআরবি-৮, বরিশাল এবং এসআরবি-৩, মগবাজার, ঢাকার সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ দল অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে হাসান সিকদার এবং হাতিরঝিল এলাকা থেকে রাসেল সিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের দুজনের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার উত্তর নলুয়া এলাকায়।
এসআরবি-৮-এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার ওয়ালিদ হাসান মিঠু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, বাকেরগঞ্জ থানার একটি হত্যা মামলায় আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। দণ্ডবিধির ৩০২ ও ২০১ ধারায় করা মামলাটির বিশেষ দায়রা মামলা নম্বর ১৪৩/১৬, থানার মামলা নম্বর ১৬ এবং জিআর নম্বর ৩৭/১৩।
মামলার বিচার শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত হাসান ও রাসেলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও দুই মাস কারাভোগের নির্দেশ দেন আদালত। এ ছাড়া মামলার অপর ধারায় তাঁদের পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড এবং দুই হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। ওই জরিমানা অনাদায়ে আরও চার মাসের কারাদণ্ডের আদেশ রয়েছে।
আদালতের রায়ের পর দীর্ঘ সময় ধরে আত্মগোপনে থাকায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। একপর্যায়ে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ জন্য এসআরবি-৮-এর অধিনায়কের কাছে প্রয়োজনীয় অধিযাচনপত্র পাঠানো হয়। পরে গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁদের অবস্থান শনাক্ত করে যৌথ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন সংশ্লিষ্ট সদস্যরা।
গ্রেপ্তারের পর হাসান সিকদারকে যাত্রাবাড়ী থানা-পুলিশের কাছে এবং রাসেল সিকদারকে হাতিরঝিল থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০২
বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের বেজগাতি ও সাউদের খালপাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় সড়কের এক পাশের বড় একটি অংশ ধসে পড়েছে। সড়কের নিচ থেকে মাটি ও পাথর সরে যাওয়ায় সৃষ্টি হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের এক পাশের কিনারার মাটি ও পাথর সরে গিয়ে বড় অংশ ভেঙে পড়েছে। এতে সড়কটির ওই অংশ দিয়ে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ধারণ করা ভিডিওতেও সড়কের পাশের মাটি সরে যাওয়া এবং কিনারার অংশ ধসে পড়ার চিত্র দেখা যায়। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ঝুঁকিপূর্ণ ওই স্থান দিয়ে চলাচলের সময় যানবাহন দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারে।
ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে। বিশেষ করে রাতে সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি চালকদের চোখ এড়িয়ে গেলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
তাই দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি মেরামতের পাশাপাশি সেখানে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের বেজগাতি ও সাউদের খালপাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় সড়কের এক পাশের বড় একটি অংশ ধসে পড়েছে। সড়কের নিচ থেকে মাটি ও পাথর সরে যাওয়ায় সৃষ্টি হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের এক পাশের কিনারার মাটি ও পাথর সরে গিয়ে বড় অংশ ভেঙে পড়েছে। এতে সড়কটির ওই অংশ দিয়ে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ধারণ করা ভিডিওতেও সড়কের পাশের মাটি সরে যাওয়া এবং কিনারার অংশ ধসে পড়ার চিত্র দেখা যায়। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ঝুঁকিপূর্ণ ওই স্থান দিয়ে চলাচলের সময় যানবাহন দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারে।
ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে। বিশেষ করে রাতে সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি চালকদের চোখ এড়িয়ে গেলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
তাই দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি মেরামতের পাশাপাশি সেখানে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:৩২
বরিশালের মুলাদীতে মেয়ের মৃত্যুশোকে বিলাপ করতে করতে এক মায়ের মৃত্যু হয়েছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম বোয়ালিয়া গ্রামের মরিয়ম বেগম (৬৫) মারা যান।
তাঁর স্বামী লতিফ দুরানী জানান, গত ৩১ আগস্ট সকালে তার মেয়ে রেশমা বেগমের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে থানার পুলিশ। মেয়ের মৃত্যুতে মরিয়ম বেগম ভেঙে পড়েছিলেন।
লতিফ দুরানী বলেন, তার জামাতা আব্দুল লতিফ ব্যাপারী, নাতি সুমন ও সুজন কারাগারে থাকায় মেয়ে রেশমা হতাশ হয়ে পড়েন। পরে গত ৩১ আগস্ট সকাল ৮টার দিকে থানার পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
মেয়ের মৃত্যুসংবাদ পাওয়ার পর থেকে তাঁর স্ত্রী মরিয়ম নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে দেন। মেয়ের জন্য কাঁদতে কাঁদতে গতকাল সন্ধ্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন মরিয়ম। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. সাইয়েদুর রহমান জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও মানসিক চাপে মরিয়ম বেগম হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল।
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:০৭
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩২
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:২২
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:০৬