Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৮
জেলা প্রশাসনসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে জেলেদের অভিযোগ
ভোলা কোস্টগার্ডের কতিপয় সদস্যের বিরুদ্ধে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর এবং শরিয়তপুরের গোসাইরহাট এলাকা থেকে জেলেদের বিভিন্ন প্রজাতির বৈধ মাছ লুট করে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জেলেরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এর আগে ট্রলার থেকে মাছ লুটপাট করার বেশকিছু ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
অভিযানের সময় জেলেদের সঙ্গে এলাকাবাসী জড়ো হয়ে কোস্টগার্ডের সদস্যদের মাছ লুটের প্রতিবাদ করায় তাদের গুলি করার হুমকি দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তবে কোস্টগার্ডের এ অভিযান সম্পর্কে মৎস্য অধিদপ্তরের কোনো কর্মকর্তা কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন।
বরিশালের হিজলা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের মেঘনার শাখা নদীর পাড়ের মাছঘাটের ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন মাঝি, জামাল গাজী, আব্দুল হক চৌকিদার, ছাত্তার দপ্তরী, রহমান সরদার, কবির রাঢ়ী, মামুন মাঝি, জসিম তালুকদার, মাসুম সরদার এবং জসিম সরদার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মেঘনার অভয়াশ্রম এলাকা ব্যতীত চর দুর্গাপুর লঞ্চঘাটসংলগ্ন নদীর মাঝে গত ৯ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনটি স্পিডবোট দিয়ে তাদের একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠবডির ট্রলার ঘিরে ধরেন ভোলা জেলা থেকে আসা কোস্টগার্ডের সদস্যরা।
কোস্টগার্ড কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, মৎস্য কর্মকর্তা কিংবা তাদের প্রতিনিধির উপস্থিতি ছাড়াই অন্যায়ভাবে ট্রলারে থাকা প্রায় ২৫ লাখ টাকা মূল্যের ১৮টি ব্যারেলে বৈধ পোয়া, ইলিশ, আইড়, চিংড়ি মাছসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ ডাকাতের মতো লুটপাট করে নিয়ে যায়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বরিশালের কোস্টগার্ড ব্যতীত ভোলা থেকে আসা কোস্টগার্ডের সদস্যদের অভিযান অন্যায় ও মাছ লুটের প্রতিবাদ করায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা ট্রলারে থাকা তাদের কর্মচারী আরিফ সরদার, ফয়সাল, হাশেম, আনোয়ার, লিটন, ড্যানি এবং মাইদুলসহ অন্তত ১০ জনকে মারধর করে একটি ট্রলারসহ তাদের আটক করে নিয়ে যায়।
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছেও স্থানীয় কোদালপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৎস্য ব্যবসায়ী মো. সুরুজ, সবুজ বেপারী, বাবুল হাওলাদার, দাদন মীর অনুরূপ অভিযোগ করেন।
ভোলা জেলার কোস্টগার্ড দপ্তর থেকে কয়েকজন সদস্য একাধিকবার গোসাইরহাট উপজেলার মেঘনা নদীতে তাদের ব্যবসায়িক মাছ পরিবহনের সময় অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে মাছ লুট করে নিয়ে যায়। গত ৪ মার্চ বেলা ১১টার দিকে মাছ ব্যবসায়ীরা বৈধ ইলিশ, চিংড়ি, আইড়, পাঙ্গাস ও পোয়া মাছ পরিবহন করে কোদালপুর ঘাটের দিকে আসছিলেন।
পথিমধ্যে খেজুরতলা কুচাইপট্টি নামক স্থানে তিনটি স্পিডবোটে কতিপয় কোস্টগার্ডের সদস্যরা তাদের ট্রলারটিকে আক্রমণ করে। এ সময় ট্রলারে কোনো অবৈধ জাটকা ইলিশ নেই বলা সত্ত্বেও কোস্টগার্ডের সদস্যরা ব্যবসায়ীদের কথা না শুনে তরিঘড়ি করে মাছগুলো তাদের স্পিডবোটে তুলে চাঁদপুরের দিকে রওনা দেয়।
এ সময়কার একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, কোস্টগার্ডের এ অভিযানের সময় কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা উপজেলা মৎস্য দপ্তরের কোনো কর্মকর্তা বা প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। ভিডিওতে আরও দেখা গেছে, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এলাকাবাসী জড়ো হয়ে কোস্টগার্ডের মাছ লুটের প্রতিবাদ করায় গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়।
লিখিত অভিযোগে মৎস্য ব্যবসায়ীরা উল্লেখ করেন, কোস্টগার্ডের ওইসব অসাধু সদস্যদের কারণে তারা বৈধ ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছেন না। এমতাবস্থায় ব্যবসায়ীরা যদি অবৈধ মাছ পরিবহন করে থাকেন, তাহলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের ব্যবস্থা মাথা পেতে নিতে সম্মত আছেন। তারপরও কোস্টগার্ডের কতিপয় অসাধু সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য তারা অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা কিংবা প্রতিনিধি ছাড়া যেন কেউ অভিযান পরিচালনা করতে না পারে, সেই ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।
মৎস্য ব্যবসায়ীদের উল্লেখিত অভিযোগের অনুলিপি কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, নৌ-পুলিশ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়েছে।
মৎস্য ব্যবসায়ীদের লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে হিজলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইলিয়াস সিকদার রূপালী বাংলাদেশকে জানান, অভিযোগসমূহ কোস্টগার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনাটি উপজেলা প্রশাসনও তদন্ত করছে।
এই বিষয়ে জানতে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আরিফ হোসেনকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। পরে সংস্থাটির মিডিয়া সেলে যোগাযোগ করলে জনৈক ব্যক্তি ফোন রিসিভ করলেও তিনি নাম-পরিচয় জানতে অস্বীকার করেন। এবং সেদিনের অভিযানসংক্রান্ত তথ্য হোটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন।’
জেলা প্রশাসনসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে জেলেদের অভিযোগ
ভোলা কোস্টগার্ডের কতিপয় সদস্যের বিরুদ্ধে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর এবং শরিয়তপুরের গোসাইরহাট এলাকা থেকে জেলেদের বিভিন্ন প্রজাতির বৈধ মাছ লুট করে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জেলেরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এর আগে ট্রলার থেকে মাছ লুটপাট করার বেশকিছু ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
অভিযানের সময় জেলেদের সঙ্গে এলাকাবাসী জড়ো হয়ে কোস্টগার্ডের সদস্যদের মাছ লুটের প্রতিবাদ করায় তাদের গুলি করার হুমকি দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তবে কোস্টগার্ডের এ অভিযান সম্পর্কে মৎস্য অধিদপ্তরের কোনো কর্মকর্তা কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন।
বরিশালের হিজলা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের মেঘনার শাখা নদীর পাড়ের মাছঘাটের ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন মাঝি, জামাল গাজী, আব্দুল হক চৌকিদার, ছাত্তার দপ্তরী, রহমান সরদার, কবির রাঢ়ী, মামুন মাঝি, জসিম তালুকদার, মাসুম সরদার এবং জসিম সরদার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মেঘনার অভয়াশ্রম এলাকা ব্যতীত চর দুর্গাপুর লঞ্চঘাটসংলগ্ন নদীর মাঝে গত ৯ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনটি স্পিডবোট দিয়ে তাদের একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠবডির ট্রলার ঘিরে ধরেন ভোলা জেলা থেকে আসা কোস্টগার্ডের সদস্যরা।
কোস্টগার্ড কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, মৎস্য কর্মকর্তা কিংবা তাদের প্রতিনিধির উপস্থিতি ছাড়াই অন্যায়ভাবে ট্রলারে থাকা প্রায় ২৫ লাখ টাকা মূল্যের ১৮টি ব্যারেলে বৈধ পোয়া, ইলিশ, আইড়, চিংড়ি মাছসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ ডাকাতের মতো লুটপাট করে নিয়ে যায়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বরিশালের কোস্টগার্ড ব্যতীত ভোলা থেকে আসা কোস্টগার্ডের সদস্যদের অভিযান অন্যায় ও মাছ লুটের প্রতিবাদ করায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা ট্রলারে থাকা তাদের কর্মচারী আরিফ সরদার, ফয়সাল, হাশেম, আনোয়ার, লিটন, ড্যানি এবং মাইদুলসহ অন্তত ১০ জনকে মারধর করে একটি ট্রলারসহ তাদের আটক করে নিয়ে যায়।
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছেও স্থানীয় কোদালপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৎস্য ব্যবসায়ী মো. সুরুজ, সবুজ বেপারী, বাবুল হাওলাদার, দাদন মীর অনুরূপ অভিযোগ করেন।
ভোলা জেলার কোস্টগার্ড দপ্তর থেকে কয়েকজন সদস্য একাধিকবার গোসাইরহাট উপজেলার মেঘনা নদীতে তাদের ব্যবসায়িক মাছ পরিবহনের সময় অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে মাছ লুট করে নিয়ে যায়। গত ৪ মার্চ বেলা ১১টার দিকে মাছ ব্যবসায়ীরা বৈধ ইলিশ, চিংড়ি, আইড়, পাঙ্গাস ও পোয়া মাছ পরিবহন করে কোদালপুর ঘাটের দিকে আসছিলেন।
পথিমধ্যে খেজুরতলা কুচাইপট্টি নামক স্থানে তিনটি স্পিডবোটে কতিপয় কোস্টগার্ডের সদস্যরা তাদের ট্রলারটিকে আক্রমণ করে। এ সময় ট্রলারে কোনো অবৈধ জাটকা ইলিশ নেই বলা সত্ত্বেও কোস্টগার্ডের সদস্যরা ব্যবসায়ীদের কথা না শুনে তরিঘড়ি করে মাছগুলো তাদের স্পিডবোটে তুলে চাঁদপুরের দিকে রওনা দেয়।
এ সময়কার একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, কোস্টগার্ডের এ অভিযানের সময় কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা উপজেলা মৎস্য দপ্তরের কোনো কর্মকর্তা বা প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। ভিডিওতে আরও দেখা গেছে, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এলাকাবাসী জড়ো হয়ে কোস্টগার্ডের মাছ লুটের প্রতিবাদ করায় গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়।
লিখিত অভিযোগে মৎস্য ব্যবসায়ীরা উল্লেখ করেন, কোস্টগার্ডের ওইসব অসাধু সদস্যদের কারণে তারা বৈধ ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছেন না। এমতাবস্থায় ব্যবসায়ীরা যদি অবৈধ মাছ পরিবহন করে থাকেন, তাহলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের ব্যবস্থা মাথা পেতে নিতে সম্মত আছেন। তারপরও কোস্টগার্ডের কতিপয় অসাধু সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য তারা অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা কিংবা প্রতিনিধি ছাড়া যেন কেউ অভিযান পরিচালনা করতে না পারে, সেই ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।
মৎস্য ব্যবসায়ীদের উল্লেখিত অভিযোগের অনুলিপি কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, নৌ-পুলিশ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়েছে।
মৎস্য ব্যবসায়ীদের লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে হিজলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইলিয়াস সিকদার রূপালী বাংলাদেশকে জানান, অভিযোগসমূহ কোস্টগার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনাটি উপজেলা প্রশাসনও তদন্ত করছে।
এই বিষয়ে জানতে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আরিফ হোসেনকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। পরে সংস্থাটির মিডিয়া সেলে যোগাযোগ করলে জনৈক ব্যক্তি ফোন রিসিভ করলেও তিনি নাম-পরিচয় জানতে অস্বীকার করেন। এবং সেদিনের অভিযানসংক্রান্ত তথ্য হোটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন।’

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:২৬
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২