
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৩
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মানবিকতার এক ব্যতিক্রমী ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এক অসহায় ভিক্ষুকের কাছে কম দামে ওষুধ বিক্রি করায় ‘প্রগতি মেডিকেল হল’ নামের একটি ফার্মেসি বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে এক ভিক্ষুক ভিটামিন সিরাপ কিনতে দোকানটিতে গেলে তার কাছে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় ফার্মেসির পরিচালক সুদীপ্ত মানবিক বিবেচনায় ৩৫০ টাকার ওষুধ মাত্র ১০০ টাকায় বিক্রি করেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে সমিতির সদস্যরা ওই দিন বিকেলে দোকানটি এক দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সমিতির সভাপতি ইব্রাহিম খলিল জানান, ভেজাল ওষুধ বিক্রির অভিযোগে দোকানটি তাদের নিজ উদ্যোগেই বন্ধ রাখা হয়েছে।
এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই বলছেন, মানবিক কাজে এ ধরনের বাধা ভবিষ্যতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাকে নিরুৎসাহিত করবে।
কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, সমিতির মাধ্যমে সিন্ডিকেট করে জরিমানা ও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, আগে সাধারণ মানুষ ওষুধে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পেলেও এখন সমিতির কারণে তা বন্ধ হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদেক বলেন, কোনো সংগঠনের এভাবে একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার আইনগত ক্ষমতা নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মানবিকতার এক ব্যতিক্রমী ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এক অসহায় ভিক্ষুকের কাছে কম দামে ওষুধ বিক্রি করায় ‘প্রগতি মেডিকেল হল’ নামের একটি ফার্মেসি বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে এক ভিক্ষুক ভিটামিন সিরাপ কিনতে দোকানটিতে গেলে তার কাছে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় ফার্মেসির পরিচালক সুদীপ্ত মানবিক বিবেচনায় ৩৫০ টাকার ওষুধ মাত্র ১০০ টাকায় বিক্রি করেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে সমিতির সদস্যরা ওই দিন বিকেলে দোকানটি এক দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সমিতির সভাপতি ইব্রাহিম খলিল জানান, ভেজাল ওষুধ বিক্রির অভিযোগে দোকানটি তাদের নিজ উদ্যোগেই বন্ধ রাখা হয়েছে।
এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই বলছেন, মানবিক কাজে এ ধরনের বাধা ভবিষ্যতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাকে নিরুৎসাহিত করবে।
কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, সমিতির মাধ্যমে সিন্ডিকেট করে জরিমানা ও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, আগে সাধারণ মানুষ ওষুধে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পেলেও এখন সমিতির কারণে তা বন্ধ হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদেক বলেন, কোনো সংগঠনের এভাবে একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার আইনগত ক্ষমতা নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৩
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উফশী আউশ ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিপ-১ মৌসুমে আউশ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষি অফিসের হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কৃষি উপকরণ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলার মোট ৩৭৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে এই প্রণোদনার আওতায় রেখে প্রত্যেক কৃষককে সরকারি সহায়তা হিসেবে ব্রি ধান ৯৮ জাতের উফশী আউশ বীজ ৫ কেজি,ডিএপি সার ১০ কেজি এবং এমওপি সার ১০ কেজি করে দেওয়া হচ্ছে।
বিতরণ কার্যক্রম সুশৃঙ্খল রাখতে প্রতি ১০ জন কৃষকের সমন্বয়ে একটি করে গ্রুপ গঠন করে সার ও বীজ সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে শর্ত হিসেবে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক কৃষককে প্রাপ্ত বীজ ও সার ব্যবহার করে কমপক্ষে ৩৩ শতাংশ বা ১ বিঘা জমিতে আবাদ করতে হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় সাংবাদিক এবং সুবিধাভোগী কৃষকগণ।
বিনামূল্যে উন্নত জাতের বীজ ও সার হাতে পেয়ে স্থানীয় কৃষকরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানান, সঠিক সময়ে এই সরকারি সহায়তা আউশ চাষে তাদের অনেক উৎসাহিত করবে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উফশী আউশ ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিপ-১ মৌসুমে আউশ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষি অফিসের হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কৃষি উপকরণ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলার মোট ৩৭৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে এই প্রণোদনার আওতায় রেখে প্রত্যেক কৃষককে সরকারি সহায়তা হিসেবে ব্রি ধান ৯৮ জাতের উফশী আউশ বীজ ৫ কেজি,ডিএপি সার ১০ কেজি এবং এমওপি সার ১০ কেজি করে দেওয়া হচ্ছে।
বিতরণ কার্যক্রম সুশৃঙ্খল রাখতে প্রতি ১০ জন কৃষকের সমন্বয়ে একটি করে গ্রুপ গঠন করে সার ও বীজ সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে শর্ত হিসেবে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক কৃষককে প্রাপ্ত বীজ ও সার ব্যবহার করে কমপক্ষে ৩৩ শতাংশ বা ১ বিঘা জমিতে আবাদ করতে হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় সাংবাদিক এবং সুবিধাভোগী কৃষকগণ।
বিনামূল্যে উন্নত জাতের বীজ ও সার হাতে পেয়ে স্থানীয় কৃষকরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানান, সঠিক সময়ে এই সরকারি সহায়তা আউশ চাষে তাদের অনেক উৎসাহিত করবে।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৯
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে প্রধান কর্মকর্তা না থাকায় প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এতে করে সরকারি সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি উন্নয়ন কাজের গতি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদটি প্রায় এক মাস ধরে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ ইউএনও ফরিদা সুলতানা গত ২৬ মার্চ বদলিজনিত কারণে দায়িত্ব ত্যাগ করেন। বর্তমানে পাশ্ববর্তী পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দুমকির প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি করছেন। তবে তিনি সপ্তাহে সীমিত সময় উপস্থিত থাকায় নীতিনির্ধারণী ও জরুরি অনেক কাজ বিলম্বিত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউএনও না থাকায় ভূমি, ভ্রাম্যমাণ আদালত, জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন ও তদারকিতেও ধীরগতি দেখা দিয়েছে।
এদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদটি প্রায় এক বছর ধরে শূন্য রয়েছে। গত বছরের ১৬ জুলাই বদরুন নাহার ইয়াসমিনের বদলির পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এতে শিক্ষা খাতে বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ সময়মতো সম্পন্ন হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার পদটিও গত বছরের জুন মাস থেকে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ কর্মকর্তা কমল গোপাল দে বিদায়ের পর থেকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার খাদ্য কর্মকর্তা জাকির হোসেন অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। ফলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়ের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।
পরিসংখ্যান অফিসেও দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কর্মকর্তা নেই। উজ্জ্বল কৃষ্ণ ব্যাপারীর বিদায়ের পর গত তিন বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মশিউর রহমান। এতে সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও হালনাগাদ কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার পদটি গত বছরের এপ্রিল থেকে শূন্য রয়েছে। সাইফুল ইসলামের বিদায়ের পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে মৎস্য খাতে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও মাঠ পর্যায়ের তদারকি ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলার নাসিমা কেরামত আলী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী মাকসুদুর রহমান বলেন, “জরুরি কাগজপত্রে স্বাক্ষরের জন্য সপ্তাহের পর সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিয়মিত না থাকায় কাজের গতি অনেক কমে গেছে।”
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় দাপ্তরিক সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়েছে। এতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সরকারি সেবার মান উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও রওজাতুন জান্নাত বলেন, “একসঙ্গে দুটি উপজেলা পরিচালনা করতে গিয়ে কিছুটা সীমাবদ্ধতা থাকলেও চেষ্টা করছি সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে।”
জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী জানান, “দুমকিতে ইউএনও পদ শূন্য থাকার বিষয়টি ইতোমধ্যে বিভাগীয় কমিশনারকে জানানো হয়েছে। শিগগিরই পদায়নের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান হবে বলে আশা করছি। এছাড়া অন্যান্য দপ্তরের শূন্য পদগুলোর বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
এদিকে সচেতন মহল দ্রুত এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থায়ী নিয়োগ দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে প্রধান কর্মকর্তা না থাকায় প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এতে করে সরকারি সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি উন্নয়ন কাজের গতি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদটি প্রায় এক মাস ধরে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ ইউএনও ফরিদা সুলতানা গত ২৬ মার্চ বদলিজনিত কারণে দায়িত্ব ত্যাগ করেন। বর্তমানে পাশ্ববর্তী পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দুমকির প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি করছেন। তবে তিনি সপ্তাহে সীমিত সময় উপস্থিত থাকায় নীতিনির্ধারণী ও জরুরি অনেক কাজ বিলম্বিত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউএনও না থাকায় ভূমি, ভ্রাম্যমাণ আদালত, জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন ও তদারকিতেও ধীরগতি দেখা দিয়েছে।
এদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদটি প্রায় এক বছর ধরে শূন্য রয়েছে। গত বছরের ১৬ জুলাই বদরুন নাহার ইয়াসমিনের বদলির পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এতে শিক্ষা খাতে বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ সময়মতো সম্পন্ন হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার পদটিও গত বছরের জুন মাস থেকে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ কর্মকর্তা কমল গোপাল দে বিদায়ের পর থেকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার খাদ্য কর্মকর্তা জাকির হোসেন অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। ফলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়ের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।
পরিসংখ্যান অফিসেও দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কর্মকর্তা নেই। উজ্জ্বল কৃষ্ণ ব্যাপারীর বিদায়ের পর গত তিন বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মশিউর রহমান। এতে সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও হালনাগাদ কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার পদটি গত বছরের এপ্রিল থেকে শূন্য রয়েছে। সাইফুল ইসলামের বিদায়ের পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে মৎস্য খাতে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও মাঠ পর্যায়ের তদারকি ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলার নাসিমা কেরামত আলী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী মাকসুদুর রহমান বলেন, “জরুরি কাগজপত্রে স্বাক্ষরের জন্য সপ্তাহের পর সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিয়মিত না থাকায় কাজের গতি অনেক কমে গেছে।”
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় দাপ্তরিক সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়েছে। এতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সরকারি সেবার মান উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও রওজাতুন জান্নাত বলেন, “একসঙ্গে দুটি উপজেলা পরিচালনা করতে গিয়ে কিছুটা সীমাবদ্ধতা থাকলেও চেষ্টা করছি সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে।”
জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী জানান, “দুমকিতে ইউএনও পদ শূন্য থাকার বিষয়টি ইতোমধ্যে বিভাগীয় কমিশনারকে জানানো হয়েছে। শিগগিরই পদায়নের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান হবে বলে আশা করছি। এছাড়া অন্যান্য দপ্তরের শূন্য পদগুলোর বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
এদিকে সচেতন মহল দ্রুত এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থায়ী নিয়োগ দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫০
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মামুন খাঁ নামের এক যুবকের ওপর হামলা ও অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মামুন খাঁর বাবা মো. আ. গনি খাঁ। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি চক্র তার ছেলের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ৩০ মার্চ রাতে কাকড়াবুনিয়া এলাকায় তার ওপর হামলা চালানো হয়।
এ সময় তাকে মারধর করে আহত করা হয় এবং তার কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও দাবি করা হয়। পরে অ্যাসিড জাতীয় পদার্থ নিক্ষেপে তিনি গুরুতর আহত হন।
আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।
বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর পরিবার হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের তালিকায় মো. কামাল হোসেন (৫০), মো. হানিফ মৃধা (৪৪), আবু সালেহ মুছা (৩৮), মো. মাসকুর হাওলাদার (৪৫), মো. ছগির মল্লিক (৩২), মো. সিয়াম (৪০), আ. রহিম খান (৪৫), মো. আলমগীর হাওলাদার (৫০) ও প্রাণতোষ (৪০) এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
এ ছাড়া তাদের সঙ্গে আরও ১০-১২ জন অজ্ঞাতনামা ভাড়াটে সন্ত্রাসী জড়িত রয়েছে বলেও দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত কামাল হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মামুন খাঁ নামের এক যুবকের ওপর হামলা ও অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মামুন খাঁর বাবা মো. আ. গনি খাঁ। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি চক্র তার ছেলের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ৩০ মার্চ রাতে কাকড়াবুনিয়া এলাকায় তার ওপর হামলা চালানো হয়।
এ সময় তাকে মারধর করে আহত করা হয় এবং তার কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও দাবি করা হয়। পরে অ্যাসিড জাতীয় পদার্থ নিক্ষেপে তিনি গুরুতর আহত হন।
আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।
বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর পরিবার হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের তালিকায় মো. কামাল হোসেন (৫০), মো. হানিফ মৃধা (৪৪), আবু সালেহ মুছা (৩৮), মো. মাসকুর হাওলাদার (৪৫), মো. ছগির মল্লিক (৩২), মো. সিয়াম (৪০), আ. রহিম খান (৪৫), মো. আলমগীর হাওলাদার (৫০) ও প্রাণতোষ (৪০) এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
এ ছাড়া তাদের সঙ্গে আরও ১০-১২ জন অজ্ঞাতনামা ভাড়াটে সন্ত্রাসী জড়িত রয়েছে বলেও দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত কামাল হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.