Loading news...

২২ মে, ২০২৬ ১৫:২৩
ভোলায় নদীর ছাড়পত্র দিয়ে কৌশলে নিষিদ্ধ সাগরের কোটি কোটি টাকার ইলিশ পাচার হচ্ছে। মৎস্য বিভাগ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই ইলিশ পাচার বন্ধে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না।
অভিযান শুরুর আগেই খবর ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। এতে করে পাচারকারীরা ইলিশ বোঝাই ট্রলার নিয়ে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করছেন। অনেক সময় সাগরের ইলিশকে নদীর ইলিশ বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মৎস্য কর্মকর্তারাও পাচারকারীদের কৌশলের সঙ্গে পেরে উঠছেন না।
সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ৪৭৫ প্রজাতির মাছের অবাধ প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত ১৫ এপ্রিল থেকে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার।
আগামী ১১ জুন পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। নিষেধাজ্ঞা থাকায় প্রকৃত জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে নামতে পারছেন না। সাগরের এই নিষেধাজ্ঞা তাদের জন্য যখন জীবিকার চরম সংকট তৈরি করেছে, ঠিক তখনই ভোলার প্রভাবশালী ইলিশ সিন্ডিকেটের কাছে তা যেন আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সুযোগটাকে কাজে লাগাচ্ছে প্রভাবশালী ইলিশ সিন্ডিকেট।
জানা গেছে, ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ আহরণে আইনি বাধা নেই। তাই উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর থেকে পাচারকারীরা নদীতে মাছ ধরার ছাড়পত্র নিচ্ছেন। কিন্তু তারা আসলে নদীতে মাছ ধরছেন না।
তারা মাছ ধরছেন সমুদ্রে। আর কোটি কোটি টাকার সেই মাছ নদীর মাছের বৈধ পরিবহন ছাড়পত্রকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ঘাট থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার করছেন। ফলে নদীর বৈধতা এখন সাগরের নিষিদ্ধ বাণিজ্যের প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।
এই সুকৌশলী কারসাজির একটি বড় প্রমাণ মেলে গত ১২ মে রাতে। ভোলা সদর উপজেলার পানপট্টি বাজারে তিনটি ট্রাকভর্তি প্রায় ১ কোটি ১ লাখ টাকা মূল্যের ইলিশ জব্দ করে কোস্ট গার্ড ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। সেই অভিযানে জব্দ করা ইলিশকে ব্যবসায়ীরা নদীর মাছ বলে দাবি করলেও সেগুলো ছিল আসলে সমুদ্রের ইলিশ। সদর উপজেলার অভিযানে মাছগুলোকে নিষিদ্ধ সাগরের বলে জব্দ করা হলেও সেই একই চালানের অনুকূলে চরফ্যাশন উপজেলা মৎস্য দপ্তর থেকে বৈধ ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল।
বর্তমানে নদ-নদী মাছ ধরার জন্য উন্মুক্ত থাকায় পাচারকারী চক্রটি অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে মৎস্য দপ্তর থেকে নিয়মিত নদীর মাছ পরিবহনের ছাড়পত্র সংগ্রহ করছেন। আর এই ছাড়পত্র দিয়েই সামরাজ ঘাটে আসা নিষিদ্ধ সামুদ্রিক ইলিশগুলো ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো হচ্ছে। পথিমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জেরার মুখে পড়লে তারা এই নদীর মাছের চালানপত্র প্রদর্শন করে পার পেয়ে যাচ্ছে।
গত ১৪ মে দুপুরে সামরাজ মৎস্যঘাটে সরেজমিন মৎস্য কর্মকর্তার অভিযান শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই ঘাটের আড়তদারদের মধ্যে এক বিস্ময়কর চতুরতা ও তৎপরতা দেখা যায়। সাগরের ইলিশগুলো তড়িঘড়ি করে বরফের স্তূপের নিচে চাপা দিয়ে সেগুলোকে নদীর মাছ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
অভিযানের সময় ঘাটের আড়তদাররা তাদের কোনো ট্রলার সাগরে যায়নি বলে দাবি করলেও নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জেলে স্বীকার করেন যে, তারা ১৩ দিন পর সাগর থেকে প্রায় ৮-১০ লাখ টাকার মাছ নিয়ে ঘাটে ফিরেছেন। তবে প্রশাসনের ভয়ে ট্রলার ঘাটে ভেড়েনি।
এদিকে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সমন্বয়হীনতা ও শিথিলতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। মৎস্য কর্মকর্তারা ঘাটে পৌঁছানোর আগেই অভিযানের তথ্য ফাঁস হয়ে যায়। খবর পেয়ে ইলিশবোঝাই সমুদ্রগামী বড় বড় ট্রলার দ্রুত ঘাট ত্যাগ করে নিরাপদ দূরত্বে নোঙর করে।
চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, মৎস্যঘাটে স্তূপকৃত ইলিশ দেখে সেগুলোর উৎস (সাগর নাকি নদী) নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করার কোনো উপায় নেই।
একই কথা বলেছেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন। তিনি বলেন, ঘাট বা বাজারে থাকা মাছটি সাগর নাকি নদীর ইলিশ, তা কেবল চোখের দেখায় নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন।
অভিযানের পরেও সামরাজ মৎস্যঘাটের চিত্র পাল্টায়নি। সেখানে এখনও প্রকাশ্যে সামুদ্রিক ইলিশ বিক্রি ও পাচার অব্যাহত রয়েছে। এ নিয়ে একধরনের চোর-পুলিশ খেলা চলছে। আর এই খেলায় প্রকৃত ও ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও লাভবান হচ্ছে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট।
ভোলায় নদীর ছাড়পত্র দিয়ে কৌশলে নিষিদ্ধ সাগরের কোটি কোটি টাকার ইলিশ পাচার হচ্ছে। মৎস্য বিভাগ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই ইলিশ পাচার বন্ধে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না।
অভিযান শুরুর আগেই খবর ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। এতে করে পাচারকারীরা ইলিশ বোঝাই ট্রলার নিয়ে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করছেন। অনেক সময় সাগরের ইলিশকে নদীর ইলিশ বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মৎস্য কর্মকর্তারাও পাচারকারীদের কৌশলের সঙ্গে পেরে উঠছেন না।
সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ৪৭৫ প্রজাতির মাছের অবাধ প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত ১৫ এপ্রিল থেকে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার।
আগামী ১১ জুন পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। নিষেধাজ্ঞা থাকায় প্রকৃত জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে নামতে পারছেন না। সাগরের এই নিষেধাজ্ঞা তাদের জন্য যখন জীবিকার চরম সংকট তৈরি করেছে, ঠিক তখনই ভোলার প্রভাবশালী ইলিশ সিন্ডিকেটের কাছে তা যেন আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সুযোগটাকে কাজে লাগাচ্ছে প্রভাবশালী ইলিশ সিন্ডিকেট।
জানা গেছে, ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ আহরণে আইনি বাধা নেই। তাই উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর থেকে পাচারকারীরা নদীতে মাছ ধরার ছাড়পত্র নিচ্ছেন। কিন্তু তারা আসলে নদীতে মাছ ধরছেন না।
তারা মাছ ধরছেন সমুদ্রে। আর কোটি কোটি টাকার সেই মাছ নদীর মাছের বৈধ পরিবহন ছাড়পত্রকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ঘাট থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার করছেন। ফলে নদীর বৈধতা এখন সাগরের নিষিদ্ধ বাণিজ্যের প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।
এই সুকৌশলী কারসাজির একটি বড় প্রমাণ মেলে গত ১২ মে রাতে। ভোলা সদর উপজেলার পানপট্টি বাজারে তিনটি ট্রাকভর্তি প্রায় ১ কোটি ১ লাখ টাকা মূল্যের ইলিশ জব্দ করে কোস্ট গার্ড ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। সেই অভিযানে জব্দ করা ইলিশকে ব্যবসায়ীরা নদীর মাছ বলে দাবি করলেও সেগুলো ছিল আসলে সমুদ্রের ইলিশ। সদর উপজেলার অভিযানে মাছগুলোকে নিষিদ্ধ সাগরের বলে জব্দ করা হলেও সেই একই চালানের অনুকূলে চরফ্যাশন উপজেলা মৎস্য দপ্তর থেকে বৈধ ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল।
বর্তমানে নদ-নদী মাছ ধরার জন্য উন্মুক্ত থাকায় পাচারকারী চক্রটি অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে মৎস্য দপ্তর থেকে নিয়মিত নদীর মাছ পরিবহনের ছাড়পত্র সংগ্রহ করছেন। আর এই ছাড়পত্র দিয়েই সামরাজ ঘাটে আসা নিষিদ্ধ সামুদ্রিক ইলিশগুলো ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো হচ্ছে। পথিমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জেরার মুখে পড়লে তারা এই নদীর মাছের চালানপত্র প্রদর্শন করে পার পেয়ে যাচ্ছে।
গত ১৪ মে দুপুরে সামরাজ মৎস্যঘাটে সরেজমিন মৎস্য কর্মকর্তার অভিযান শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই ঘাটের আড়তদারদের মধ্যে এক বিস্ময়কর চতুরতা ও তৎপরতা দেখা যায়। সাগরের ইলিশগুলো তড়িঘড়ি করে বরফের স্তূপের নিচে চাপা দিয়ে সেগুলোকে নদীর মাছ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
অভিযানের সময় ঘাটের আড়তদাররা তাদের কোনো ট্রলার সাগরে যায়নি বলে দাবি করলেও নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জেলে স্বীকার করেন যে, তারা ১৩ দিন পর সাগর থেকে প্রায় ৮-১০ লাখ টাকার মাছ নিয়ে ঘাটে ফিরেছেন। তবে প্রশাসনের ভয়ে ট্রলার ঘাটে ভেড়েনি।
এদিকে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সমন্বয়হীনতা ও শিথিলতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। মৎস্য কর্মকর্তারা ঘাটে পৌঁছানোর আগেই অভিযানের তথ্য ফাঁস হয়ে যায়। খবর পেয়ে ইলিশবোঝাই সমুদ্রগামী বড় বড় ট্রলার দ্রুত ঘাট ত্যাগ করে নিরাপদ দূরত্বে নোঙর করে।
চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, মৎস্যঘাটে স্তূপকৃত ইলিশ দেখে সেগুলোর উৎস (সাগর নাকি নদী) নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করার কোনো উপায় নেই।
একই কথা বলেছেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন। তিনি বলেন, ঘাট বা বাজারে থাকা মাছটি সাগর নাকি নদীর ইলিশ, তা কেবল চোখের দেখায় নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন।
অভিযানের পরেও সামরাজ মৎস্যঘাটের চিত্র পাল্টায়নি। সেখানে এখনও প্রকাশ্যে সামুদ্রিক ইলিশ বিক্রি ও পাচার অব্যাহত রয়েছে। এ নিয়ে একধরনের চোর-পুলিশ খেলা চলছে। আর এই খেলায় প্রকৃত ও ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও লাভবান হচ্ছে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট।

২২ মে, ২০২৬ ১৪:০৩
ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) প্রকল্পের আওতায় সাবমেরিন কেবল ও ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের জন্য আন্তর্জাতিক মানের টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে।
শক্তি, বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিদ্যুৎ বিভাগ এবং ওজোপাডিকোর ‘মনপুরা দ্বীপপুঞ্জে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের আওতায় এ দরপত্র আহ্বান করা হয়।
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী টার্নকি ভিত্তিতে ৩৩ কেভি সাবমেরিন কেবলের নকশা, সরবরাহ, স্থাপন, পরীক্ষণ ও কমিশনিং সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা হবে। প্রকল্পে প্রতিটি ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ৪টি রান সহ মোট ২৮ কিলোমিটার ১সি. ৩০০ বর্গমিলিমিটার সাবমেরিন কেবল স্থাপন করা হবে। এর সঙ্গে ল্যান্ডিং স্টেশন নির্মাণের কাজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
দরপত্রটি ‘ওয়ান স্টেজ টু এনভেলপ টেন্ডারিং মেথড’ পদ্ধতিতে আহ্বান করা হয়েছে। প্রকল্পের অর্থায়ন হবে ওজোপাডিকোর নিজস্ব তহবিল থেকে।
টেন্ডার বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শর্ত থাকে আগ্রহী ঠিকাদারগন গত ১০ বছরের মধ্যে কমপক্ষে দুটি অনুরূপ প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এসব প্রকল্পে ৩৩ কেভি বা তার বেশি ক্ষমতার সাবমেরিন কেবল স্থাপন, পরীক্ষণ ও চালুকরণের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক।
একইসঙ্গে অন্তত একটি প্রকল্প বিদেশে, বিশেষ করে বাংলাদেশের অনুরূপ ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলে বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
এ ছাড়া দরদাতাকে সাবমেরিন কেবল স্থাপনে ব্যবহৃত জাহাজের মডেল, ধরন ও সক্ষমতার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মনপুরার বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় নতুন যুগের সূচনা হবে। দীর্ঘদিন ধরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত মনপুরা দ্বীপ বাসী উন্নত ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহের আওতায় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভোলা ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, অন্য একটি কোম্পানী এই প্রকল্পের কাজটি করবে। পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের আওতায় ভোলার তজুমদ্দিন থেকে চর জহিরুদ্দিন হয়ে, চর মোজাম্মেল, চর হয়ে মনপুরারকলাতলী যাবে। এতে কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ দিতে পারবে।
তিনি আরও জানান, ডিসেম্বরে চরফ্যাশন থেকে মনপুরা পর্যন্ত সরাসরি সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে স্থায়ী ভাবে সাব-স্টেশন স্থাপন করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। তবে এটি বাস্তবায়ন করতে ৪/৫ বছর সময় লাগতে পারে।
ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) প্রকল্পের আওতায় সাবমেরিন কেবল ও ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের জন্য আন্তর্জাতিক মানের টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে।
শক্তি, বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিদ্যুৎ বিভাগ এবং ওজোপাডিকোর ‘মনপুরা দ্বীপপুঞ্জে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের আওতায় এ দরপত্র আহ্বান করা হয়।
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী টার্নকি ভিত্তিতে ৩৩ কেভি সাবমেরিন কেবলের নকশা, সরবরাহ, স্থাপন, পরীক্ষণ ও কমিশনিং সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা হবে। প্রকল্পে প্রতিটি ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ৪টি রান সহ মোট ২৮ কিলোমিটার ১সি. ৩০০ বর্গমিলিমিটার সাবমেরিন কেবল স্থাপন করা হবে। এর সঙ্গে ল্যান্ডিং স্টেশন নির্মাণের কাজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
দরপত্রটি ‘ওয়ান স্টেজ টু এনভেলপ টেন্ডারিং মেথড’ পদ্ধতিতে আহ্বান করা হয়েছে। প্রকল্পের অর্থায়ন হবে ওজোপাডিকোর নিজস্ব তহবিল থেকে।
টেন্ডার বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শর্ত থাকে আগ্রহী ঠিকাদারগন গত ১০ বছরের মধ্যে কমপক্ষে দুটি অনুরূপ প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এসব প্রকল্পে ৩৩ কেভি বা তার বেশি ক্ষমতার সাবমেরিন কেবল স্থাপন, পরীক্ষণ ও চালুকরণের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক।
একইসঙ্গে অন্তত একটি প্রকল্প বিদেশে, বিশেষ করে বাংলাদেশের অনুরূপ ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলে বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
এ ছাড়া দরদাতাকে সাবমেরিন কেবল স্থাপনে ব্যবহৃত জাহাজের মডেল, ধরন ও সক্ষমতার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মনপুরার বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় নতুন যুগের সূচনা হবে। দীর্ঘদিন ধরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত মনপুরা দ্বীপ বাসী উন্নত ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহের আওতায় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভোলা ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, অন্য একটি কোম্পানী এই প্রকল্পের কাজটি করবে। পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের আওতায় ভোলার তজুমদ্দিন থেকে চর জহিরুদ্দিন হয়ে, চর মোজাম্মেল, চর হয়ে মনপুরারকলাতলী যাবে। এতে কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ দিতে পারবে।
তিনি আরও জানান, ডিসেম্বরে চরফ্যাশন থেকে মনপুরা পর্যন্ত সরাসরি সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে স্থায়ী ভাবে সাব-স্টেশন স্থাপন করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। তবে এটি বাস্তবায়ন করতে ৪/৫ বছর সময় লাগতে পারে।

১৬ মে, ২০২৬ ১৯:৫৫
ভোলার তজুমদ্দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় পর্যায়ের ফ্যাসিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার দুপুর আড়াইটায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্ত মো. বনি আমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শামীম রহমান বলেন, ফ্যাসিলি কার্ড কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সহজ ও দ্রুত সময়ে বিভিন্ন সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, ভোলা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোবহান সরকার, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু, লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবাল, সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক জাকির হোসেন হাওলাদার, ভোলা জেলা জাতীয়তাবদীর আইনজীবি ফোরামের সম্পাদক ড. এ্যাড. আমিরুল ইসলাম বাছেদ, ভোলা জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হাসান ছাফা পিন্টু,তজুমদ্দিন প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক সাইদুল হক মুরাদ, ভারপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গোলাম ছরোয়ারে আলম, উপজেলা জামায়াতর। অর্থ সম্পাদক জাকির হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ভোলা জেলা সমাজসেবার উপ-পরিচালক রজব শুভ্র সরকার। সঞ্চালনা করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) অন্তরা সরকার অদ্রি।
বক্তারা বলেন, সরকারের ডিজিটাল সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এ উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এ সময় চাঁদপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড থেকে আগত উপকারভোগী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন শেষে কয়েকজন উপকারভোগীর হাতে প্রতীকীভাবে ফ্যাসিলি কার্ড তুলে জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান।
উপজেলা সমাজসেবা অফিস সুত্রে জানা যায়, সর্বমোট ২১০৬ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। অনলাইনে পিএমটি স্কোরার মাধ্যমে ১১৩০ টি ভাতার জন্য নির্বাচিত হয়, অপেক্ষমান ৩০টি পরিবার রয়েছে। জাতীয় পরিচয় দ্বারা নিবন্ধিতকৃত সীমানায় নেই পরিবারের সংখ্যা ৭টি। ফ্যামিলি কার্ডের সেবা গ্রহণের অনিচ্ছুক ৯টি পরিবার, জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় অনলাইনে এন্ট্রি নেয়নি ৩৩টি পরিবার।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব ইউনিয়নে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
ভোলার তজুমদ্দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় পর্যায়ের ফ্যাসিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার দুপুর আড়াইটায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্ত মো. বনি আমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শামীম রহমান বলেন, ফ্যাসিলি কার্ড কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সহজ ও দ্রুত সময়ে বিভিন্ন সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, ভোলা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোবহান সরকার, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু, লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবাল, সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক জাকির হোসেন হাওলাদার, ভোলা জেলা জাতীয়তাবদীর আইনজীবি ফোরামের সম্পাদক ড. এ্যাড. আমিরুল ইসলাম বাছেদ, ভোলা জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হাসান ছাফা পিন্টু,তজুমদ্দিন প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক সাইদুল হক মুরাদ, ভারপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গোলাম ছরোয়ারে আলম, উপজেলা জামায়াতর। অর্থ সম্পাদক জাকির হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ভোলা জেলা সমাজসেবার উপ-পরিচালক রজব শুভ্র সরকার। সঞ্চালনা করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) অন্তরা সরকার অদ্রি।
বক্তারা বলেন, সরকারের ডিজিটাল সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এ উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এ সময় চাঁদপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড থেকে আগত উপকারভোগী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন শেষে কয়েকজন উপকারভোগীর হাতে প্রতীকীভাবে ফ্যাসিলি কার্ড তুলে জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান।
উপজেলা সমাজসেবা অফিস সুত্রে জানা যায়, সর্বমোট ২১০৬ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। অনলাইনে পিএমটি স্কোরার মাধ্যমে ১১৩০ টি ভাতার জন্য নির্বাচিত হয়, অপেক্ষমান ৩০টি পরিবার রয়েছে। জাতীয় পরিচয় দ্বারা নিবন্ধিতকৃত সীমানায় নেই পরিবারের সংখ্যা ৭টি। ফ্যামিলি কার্ডের সেবা গ্রহণের অনিচ্ছুক ৯টি পরিবার, জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় অনলাইনে এন্ট্রি নেয়নি ৩৩টি পরিবার।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব ইউনিয়নে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

১৪ মে, ২০২৬ ১৪:১২
ভোলা সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে অবৈধভাবে আহরিত ১০ হাজার ১৪০ কেজি সামুদ্রিক ইলিশ জব্দ করে কোস্ট গার্ড।
যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় প্রায় ১ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। জব্দকৃত ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা,মাদরাসা,গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) দিনগত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন। এর আগে,মঙ্গলবার (১২ মে) দিনগত রাতে উপজেলা শহরের পানপট্টি সংলগ্ন এলাকায় ৩টি ট্রাক থেকে এসব অবৈধ ইলিশ জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন,সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু প্রজনন,উৎপাদন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কোস্ট গার্ড বেইস ভোলা ও মৎস্য অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ভোলা সদর উপজেলার পানপট্টি বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে ওই এলাকায় সন্দেহজনক ৩টি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ কোটি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ১০ হাজার ১৪০ কেজি সামুদ্রিক ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন,“পরবর্তীতে জব্দকৃত মাছ ভোলা সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে স্থানীয় এতিমখানা, মাদ্রাসা, গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।”
ভোলা সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে অবৈধভাবে আহরিত ১০ হাজার ১৪০ কেজি সামুদ্রিক ইলিশ জব্দ করে কোস্ট গার্ড।
যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় প্রায় ১ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। জব্দকৃত ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা,মাদরাসা,গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) দিনগত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন। এর আগে,মঙ্গলবার (১২ মে) দিনগত রাতে উপজেলা শহরের পানপট্টি সংলগ্ন এলাকায় ৩টি ট্রাক থেকে এসব অবৈধ ইলিশ জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন,সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু প্রজনন,উৎপাদন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কোস্ট গার্ড বেইস ভোলা ও মৎস্য অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ভোলা সদর উপজেলার পানপট্টি বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে ওই এলাকায় সন্দেহজনক ৩টি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ কোটি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ১০ হাজার ১৪০ কেজি সামুদ্রিক ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন,“পরবর্তীতে জব্দকৃত মাছ ভোলা সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে স্থানীয় এতিমখানা, মাদ্রাসা, গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।”
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২২ মে, ২০২৬ ২১:৩৬
২২ মে, ২০২৬ ২১:১৪
২২ মে, ২০২৬ ১৯:৫১
২২ মে, ২০২৬ ১৯:২৮