
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৭
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে সূর্যমুখী চাষের পরিমাণ। কম খরচ, কম সেচ এবং ভালো বাজারমূল্যের আশায় কৃষকরা ঝুঁকছেন এই তেলবীজ ফসলের দিকে। এতে বদলে যাচ্ছে এলাকার কৃষিচিত্র এবং তৈরি হচ্ছে নতুন সম্ভাবনা।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিস্তীর্ণ জমিতে এখন চোখ জুড়ানো হলুদ রঙের সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ। একসময় যেখানে বোরো ধান বা অন্যান্য ফসল চাষ হতো, সেখানে এখন সূর্যমুখীর আবাদ বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয় কৃষক আবুল বাশার বলেন, এই তেলবীজ চাষে খরচের তুলনায় ফলন বেশি এবং লাভজনক হওয়ায় আমি প্রতিবছর এই চাষাবাদ করি। আমি উপজেলা থেকে কোনো সার বা বীজ পাইনি। এটা এমন একটা ফসল যা করতে পারলে নিশ্চিত লাভ। আমাদের এলাকায় আস্তে আস্তে সূর্যমুখী চাষের দিকে আগ্রহী হচ্ছেন অনেক কৃষক।
আরেক কৃষক সিরাজ খান বলেন, আমি এটা চাষ করে তেল নিজেও খাই এবং বিক্রিও করি। উপজেলা থেকে আমাকে ২০ কেজি সার এবং কিছু বীজ দিয়েছে। এই তেলবীজ চাষ অত্যন্ত লাভজনক, আমি মনে করি যারা কৃষক আছেন তাদের সবার এই চাষে উদ্যোগী হওয়া উচিত।
শ্রীরামপুর ইউনিয়নের তরুন কৃষক ওলি বলেন, আমি এই বছরই প্রথম সূর্যমুখী চাষ করেছি চব্বিশ শতাংশ জমিতে, আশা করি কমপক্ষে ৪০০ কেজি ফলন হবে যা থেকে অন্তত ৩০০ কেজি তেল হবে।
আশেপাশের যত ব্লক আছে তার মধ্যে আল্লাহর রহমতে আমার ফুলগুলো বড় হয়েছে এবং ফলন ভালো হয়েছে। তবে উপজেলা থেকে যদি আমাদের একটা পাম্প ব্যবস্থা করে দিতো তাহলে আমাদের সেচের জন্য আরও সুবিধা হতো।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সূর্যমুখী চাষে ধানের তুলনায় খরচ কম এবং সেচের প্রয়োজনও তুলনামূলক কম। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকটের কারণে অনেক কৃষক বিকল্প হিসেবে এই ফসল বেছে নিচ্ছেন।
উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়ন ব্লকে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে প্রায় ২০ হেক্টর জমিতে এবং পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আলগী ব্লকে চাষ হয়েছে ১০ হেক্টর জমিতে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় মোট ৪১ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় বেশি।
তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি কিছু সমস্যার কথাও তুলে ধরছেন কৃষকরা। তারা জানান, বাজারজাতকরণ, ন্যায্য মূল্য এবং তেল প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধার অভাব বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইসমিতা আক্তার সোনিয়া বলেন, আমাদের দুমকি উপজেলায় সূর্যমুখীর আবাদ এবার বৃদ্ধি পেয়েছে। আমার লক্ষমাত্রা ছিলো ৩৫ হেক্টর, তবে আবাদ হয়েছে ৪১ হেক্টর জমিতে।
বাংলাদেশ সরকার প্রতি বছর ভোজ্য তেল আমদানি করতে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে থাকে, আমরা এই আমদানি ব্যয় হ্রাস করার জন্যে আমরা কৃষকদের এই তেলজাতীয় ফসলের আবাদ বৃদ্ধির জন্য। এজন্যে কৃষি প্রনোদনার আওতায় কৃষকদের সার এবং বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বীজ,কীটনাশক দিয়ে থাকি।
তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করি এবছরের চেয়েও আগামী বছর দুমকিতে আরও বেশি সূর্যমুখী আবাদ বাড়বে এবং সরকারি সরবরাহ অনুযায়ী কৃষকদের যথাসাধ্য সহায়তা অব্যাহত থাকবে। এদিকে, সূর্যমুখী ক্ষেতের সৌন্দর্য দেখতে অনেক দর্শনার্থীও ভিড় করছেন বিভিন্ন এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম কিবরিয়া বলেন, আমাদের এলাকায় সূর্যমুখী ফুলের চাষীদের এমন সফলতা দেখে আরও অনেক তরুন উদ্যোক্তা কৃষকেরাও আগ্রহী হচ্ছেন এই তেলবীজ চাষে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে আরও সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে দিলে আমাদের উপজেলা ব্যপক আকারে ছড়িয়ে যাবে লাভজনক এই ফসলের আবাদ।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা, প্রশিক্ষণ এবং বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে দুমকিতে সূর্যমুখী চাষ দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে সূর্যমুখী চাষের পরিমাণ। কম খরচ, কম সেচ এবং ভালো বাজারমূল্যের আশায় কৃষকরা ঝুঁকছেন এই তেলবীজ ফসলের দিকে। এতে বদলে যাচ্ছে এলাকার কৃষিচিত্র এবং তৈরি হচ্ছে নতুন সম্ভাবনা।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিস্তীর্ণ জমিতে এখন চোখ জুড়ানো হলুদ রঙের সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ। একসময় যেখানে বোরো ধান বা অন্যান্য ফসল চাষ হতো, সেখানে এখন সূর্যমুখীর আবাদ বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয় কৃষক আবুল বাশার বলেন, এই তেলবীজ চাষে খরচের তুলনায় ফলন বেশি এবং লাভজনক হওয়ায় আমি প্রতিবছর এই চাষাবাদ করি। আমি উপজেলা থেকে কোনো সার বা বীজ পাইনি। এটা এমন একটা ফসল যা করতে পারলে নিশ্চিত লাভ। আমাদের এলাকায় আস্তে আস্তে সূর্যমুখী চাষের দিকে আগ্রহী হচ্ছেন অনেক কৃষক।
আরেক কৃষক সিরাজ খান বলেন, আমি এটা চাষ করে তেল নিজেও খাই এবং বিক্রিও করি। উপজেলা থেকে আমাকে ২০ কেজি সার এবং কিছু বীজ দিয়েছে। এই তেলবীজ চাষ অত্যন্ত লাভজনক, আমি মনে করি যারা কৃষক আছেন তাদের সবার এই চাষে উদ্যোগী হওয়া উচিত।
শ্রীরামপুর ইউনিয়নের তরুন কৃষক ওলি বলেন, আমি এই বছরই প্রথম সূর্যমুখী চাষ করেছি চব্বিশ শতাংশ জমিতে, আশা করি কমপক্ষে ৪০০ কেজি ফলন হবে যা থেকে অন্তত ৩০০ কেজি তেল হবে।
আশেপাশের যত ব্লক আছে তার মধ্যে আল্লাহর রহমতে আমার ফুলগুলো বড় হয়েছে এবং ফলন ভালো হয়েছে। তবে উপজেলা থেকে যদি আমাদের একটা পাম্প ব্যবস্থা করে দিতো তাহলে আমাদের সেচের জন্য আরও সুবিধা হতো।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সূর্যমুখী চাষে ধানের তুলনায় খরচ কম এবং সেচের প্রয়োজনও তুলনামূলক কম। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকটের কারণে অনেক কৃষক বিকল্প হিসেবে এই ফসল বেছে নিচ্ছেন।
উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়ন ব্লকে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে প্রায় ২০ হেক্টর জমিতে এবং পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আলগী ব্লকে চাষ হয়েছে ১০ হেক্টর জমিতে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় মোট ৪১ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় বেশি।
তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি কিছু সমস্যার কথাও তুলে ধরছেন কৃষকরা। তারা জানান, বাজারজাতকরণ, ন্যায্য মূল্য এবং তেল প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধার অভাব বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইসমিতা আক্তার সোনিয়া বলেন, আমাদের দুমকি উপজেলায় সূর্যমুখীর আবাদ এবার বৃদ্ধি পেয়েছে। আমার লক্ষমাত্রা ছিলো ৩৫ হেক্টর, তবে আবাদ হয়েছে ৪১ হেক্টর জমিতে।
বাংলাদেশ সরকার প্রতি বছর ভোজ্য তেল আমদানি করতে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে থাকে, আমরা এই আমদানি ব্যয় হ্রাস করার জন্যে আমরা কৃষকদের এই তেলজাতীয় ফসলের আবাদ বৃদ্ধির জন্য। এজন্যে কৃষি প্রনোদনার আওতায় কৃষকদের সার এবং বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বীজ,কীটনাশক দিয়ে থাকি।
তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করি এবছরের চেয়েও আগামী বছর দুমকিতে আরও বেশি সূর্যমুখী আবাদ বাড়বে এবং সরকারি সরবরাহ অনুযায়ী কৃষকদের যথাসাধ্য সহায়তা অব্যাহত থাকবে। এদিকে, সূর্যমুখী ক্ষেতের সৌন্দর্য দেখতে অনেক দর্শনার্থীও ভিড় করছেন বিভিন্ন এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম কিবরিয়া বলেন, আমাদের এলাকায় সূর্যমুখী ফুলের চাষীদের এমন সফলতা দেখে আরও অনেক তরুন উদ্যোক্তা কৃষকেরাও আগ্রহী হচ্ছেন এই তেলবীজ চাষে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে আরও সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে দিলে আমাদের উপজেলা ব্যপক আকারে ছড়িয়ে যাবে লাভজনক এই ফসলের আবাদ।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা, প্রশিক্ষণ এবং বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে দুমকিতে সূর্যমুখী চাষ দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
২০ জুন, ২০২৬ ১৪:১০
২০ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৩
২০ জুন, ২০২৬ ১৩:৪৩
২০ জুন, ২০২৬ ১৩:৩০

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:২৭
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৬:০৯
পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত দুইজন হলেন- চৌদ্দবুড়িয়া এলাকার শিকদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ নূহু (২৫) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আশরাফ চৌকিদার ওরফে আশরাফ মোল্লা (৪৫)। তারা দুইজনেই শ্রমিকের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বাড়ির টয়লেটের জন্য সদ্য নির্মিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে সংস্কার কাজ করতে নামেন শ্রমিক মোহাম্মদ নূহু। কাজ করার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে যান।
পরে তাকে উদ্ধার করতে ভেতরে নামেন আশরাফ মোল্লা। একপর্যায়ে তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন ট্যাংকের একটি অংশ ভেঙে দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন।
স্থানীয়দের ধারণা, ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত দুইজন হলেন- চৌদ্দবুড়িয়া এলাকার শিকদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ নূহু (২৫) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আশরাফ চৌকিদার ওরফে আশরাফ মোল্লা (৪৫)। তারা দুইজনেই শ্রমিকের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বাড়ির টয়লেটের জন্য সদ্য নির্মিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে সংস্কার কাজ করতে নামেন শ্রমিক মোহাম্মদ নূহু। কাজ করার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে যান।
পরে তাকে উদ্ধার করতে ভেতরে নামেন আশরাফ মোল্লা। একপর্যায়ে তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন ট্যাংকের একটি অংশ ভেঙে দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন।
স্থানীয়দের ধারণা, ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৩:০২
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে, পটুয়াখালীর দুমকিতে সেই উন্মাদনার ঢেউ লেগেছে। আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থন প্রকাশে ৫০০ ফুট দীর্ঘ আর্জেন্টিনার পতাকা নিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমর্থক সমাবেশ করেছেন দুমকির ফুটবলপ্রেমীরা। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত এ শোভাযাত্রায় প্রায় ১০ হাজার আর্জেন্টিনা সমর্থক অংশ নেন বলে আয়োজকদের দাবি।
দুমকি উপজেলা আর্জেন্টিনা ফুটবল সমর্থকগোষ্ঠীর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রার সামনে বহন করা হয় ৫০ ফুট দীর্ঘ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। এছাড়া অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল ছোট-বড় আর্জেন্টিনার পতাকা, বিশাল ভুভুজেলা বাঁশি। এছাড়া অনেকের মাথায় বাঁধা ছিল বাংলাদেশের পতাকা।
সরকারি জনতা কলেজ মাঠ থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি দুমকি সদরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। এ সময় রঙিন ফায়ার স্মোকের রঙিন হয়ে ওঠে দুমকির আকাশ।
শোভাযাত্রায় বিপুলসংখ্যক নারী ও শিশু অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকদের ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, অন্তত এক হাজার শিশু এ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী এবং নানা বয়সী ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ এতে অংশ নেন।
সরকারি জনতা কলেজের শিক্ষক শহীদুল ইসলাম বলেন, ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, এটি মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা। দুমকির মানুষ যে এত সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে এই আয়োজন করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
একই কলেজের শিক্ষক আসাদুজ্জামান বলেন, এত বড় পরিসরে আর্জেন্টিনা ফুটবলপ্রেমীদের অংশগ্রহণ দুমকির ইতিহাসে অভূতপূর্ব ঘটনা। খেলাধুলা মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে, এই আয়োজন তারই প্রমাণ।
দুমকি উপজেলা আর্জেন্টিনা সমর্থকগোষ্ঠীর অন্যতম সংগঠক জাহিদ রুবেল বলেন, আমরা সবাই আর্জেন্টিনা দলকে ভালোবাসি তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও বাচ্চাকে নিয়ে চলে এসেছি।
দুমকি উপজেলা আর্জেন্টিনা সমর্থকগোষ্ঠীর অন্যতম সংগঠক রাজিবুল ইসলাম বলেন, বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের ভালোবাসা ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই আমাদের এই আয়োজন। মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
আরেক সংগঠক সাজ্জাদুল ইসলাম দুর্জয় বলেন, আর্জেন্টিনা গতবারের চেয়ে এবার আরও শক্তিশালী দল, আমরা এবারও চ্যাম্পিয়ন হব।
আমিনুল ইসলাম বলেন, আজ এতো হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে আর্জেন্টিনার ভক্ত আমাদের দেশে অনেক বেশি।
শোভাযাত্রার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুমকি থানা পুলিশের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পুরো কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
এদিকে শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন অনেকেই। স্থানীয়দের মুখে মুখে ছিল একটাই প্রশ্ন— ‘এত মানুষ এলো কোথা থেকে!’ দুমকির সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আয়োজনগুলোর একটি হিসেবে ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের এই শোভাযাত্রা।
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে, পটুয়াখালীর দুমকিতে সেই উন্মাদনার ঢেউ লেগেছে। আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থন প্রকাশে ৫০০ ফুট দীর্ঘ আর্জেন্টিনার পতাকা নিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমর্থক সমাবেশ করেছেন দুমকির ফুটবলপ্রেমীরা। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত এ শোভাযাত্রায় প্রায় ১০ হাজার আর্জেন্টিনা সমর্থক অংশ নেন বলে আয়োজকদের দাবি।
দুমকি উপজেলা আর্জেন্টিনা ফুটবল সমর্থকগোষ্ঠীর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রার সামনে বহন করা হয় ৫০ ফুট দীর্ঘ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। এছাড়া অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল ছোট-বড় আর্জেন্টিনার পতাকা, বিশাল ভুভুজেলা বাঁশি। এছাড়া অনেকের মাথায় বাঁধা ছিল বাংলাদেশের পতাকা।
সরকারি জনতা কলেজ মাঠ থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি দুমকি সদরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। এ সময় রঙিন ফায়ার স্মোকের রঙিন হয়ে ওঠে দুমকির আকাশ।
শোভাযাত্রায় বিপুলসংখ্যক নারী ও শিশু অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকদের ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, অন্তত এক হাজার শিশু এ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী এবং নানা বয়সী ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ এতে অংশ নেন।
সরকারি জনতা কলেজের শিক্ষক শহীদুল ইসলাম বলেন, ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, এটি মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা। দুমকির মানুষ যে এত সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে এই আয়োজন করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
একই কলেজের শিক্ষক আসাদুজ্জামান বলেন, এত বড় পরিসরে আর্জেন্টিনা ফুটবলপ্রেমীদের অংশগ্রহণ দুমকির ইতিহাসে অভূতপূর্ব ঘটনা। খেলাধুলা মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে, এই আয়োজন তারই প্রমাণ।
দুমকি উপজেলা আর্জেন্টিনা সমর্থকগোষ্ঠীর অন্যতম সংগঠক জাহিদ রুবেল বলেন, আমরা সবাই আর্জেন্টিনা দলকে ভালোবাসি তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও বাচ্চাকে নিয়ে চলে এসেছি।
দুমকি উপজেলা আর্জেন্টিনা সমর্থকগোষ্ঠীর অন্যতম সংগঠক রাজিবুল ইসলাম বলেন, বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের ভালোবাসা ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই আমাদের এই আয়োজন। মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
আরেক সংগঠক সাজ্জাদুল ইসলাম দুর্জয় বলেন, আর্জেন্টিনা গতবারের চেয়ে এবার আরও শক্তিশালী দল, আমরা এবারও চ্যাম্পিয়ন হব।
আমিনুল ইসলাম বলেন, আজ এতো হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে আর্জেন্টিনার ভক্ত আমাদের দেশে অনেক বেশি।
শোভাযাত্রার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুমকি থানা পুলিশের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পুরো কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
এদিকে শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন অনেকেই। স্থানীয়দের মুখে মুখে ছিল একটাই প্রশ্ন— ‘এত মানুষ এলো কোথা থেকে!’ দুমকির সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আয়োজনগুলোর একটি হিসেবে ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের এই শোভাযাত্রা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.