দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে বন্দরের অভ্যন্তরে পণ্য রাখার স্থানগুলো এবং বন্দরের বাহিরে পুরাতন বাউন্ডারী প্রাচীর ও পুরাতন ইমারতের অনির্মাণ সামগ্রী ভাঙ্গা ইট,ইটের খোঁয়া,পিলারের ভগ্নাংশ সহ বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনায় ভরে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা এ সকল অনির্মাণ সামগ্রী/ আবর্জনা বন্দর অভ্যন্তরে পণ্য রক্ষনাবেক্ষণে ব্যঘাত সৃষ্টি করছে। পরিবেশ বিপর্যস্ত হয়ে সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের এই বেনাপোল বন্দর।
এ বিষয়ে বন্দর ব্যবহারকারী সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ এ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি সাজেদুর রহমান জানান, বন্দরে আমদানি পণ্যের মধ্যে বর্জ্য স্তুপ এবং অনির্মাণ সামগ্রী পড়ে থাকায় পন্য খালাসে দুর্ভোগ ও জায়গা সংকট তৈরী হচ্ছে। বার বার বন্দর কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করা হলেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছেনা। দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর হলো বেনাপোল। সরকার এ বন্দর থেকে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করে থাকে। এত বড় বাণিজ্যিক স্থাপনায় বছরের পর বছর এই দুর্দশা চললেও সরকারেরর পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ না নেওয়া হচ্ছে না।
বেনাপোল হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন(রেজিঃ-৯২৫)’র সাধারণ সম্পাদক-মো.সহিদ আলী বলেন,এ বন্দরে বছরে ২২ থেকে ২৪ লাখ টন পণ্য আমদানি হয়। এসব পণ্য সংরক্ষণে রয়েছে ৩৩টি শেড ও তিনটি ওপেন ইয়ার্ড, একটি ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড। কিন্ত ভগ্ন ইমারতের অনির্মাণ সামগ্রী ভাঙ্গা ইট,ইটের খোঁয়া,পিলারের ভগ্নাংশ সহ বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনায় ভরে উঠেছে বন্দরের ভিতরকার ঐ ইয়ার্ড সমূহ। সাপ-বিচ্চুর ভয়ে নির্ভয়ে কাজ করতে পারেনা কুলি(শ্রমিক) সদস্যরা। এ গুলো দ্রুত অপসারণ করা অতি জরুরী।
অপরদিকে,বন্দর সংলগ্নে এবং বেনাপোল চেকপোষ্ট সন্নিকটে আন্তর্জাতিক মানের নির্মিত বেনাপোল পৌর বাস টার্মিনালের ভিতরকার অবস্থা একইরকম। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনালটি নির্মান করা হয়েছে পাসপোর্ট প্যাসেঞ্জারদের আনায়নকারী দুরপাল্লার বাস রাখার জন্য। অথচ সেখানে সাপ বিচ্ছুর বাসা এবং ঝোপ-ঝাড়ে ছেয়ে আছে টার্মিনালটি।
পোর্ট কর্তৃপক্ষ এটা দেখেও দেখেনা। ভগ্ন ইমারতের অনির্মাণ সামগ্রী ভাঙ্গা ইট,ইটের খোঁয়া,পিলারের ভগ্নাংশ সহ বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনায় ভরে উঠেছে সমগ্র বাস টার্মিনাল এরিয়া। যে কারনে রাজধানী ঢাকা কিংবা দেশের অন্যান্য স্থান থেকে ছেড়ে আসা দুরপাল্লার বাসগুলি টার্মিনাল অভ্যন্তরে না রেখে টার্মিনাল সংলগ্ন মহাসড়কে রাখতে বাধ্য হয়।
কয়েকটি পরিবহন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গাড়ী পার্কিং এর সময় ঐ সমস্ত বর্জ্যস্তুপের সাথে ধাক্কা খেয়ে কোটি টাকার গাড়ীর ক্ষতি সাধন হয়ে থাকে। দ্রুত বর্জ্য অপসারণ চান এ সকল পরিবহন মালিকরা।
উল্লেখ্য, স্মারক নং১৮.১৫.৪১৯০.০২৫.০৩.০০৮.২০২৪-৭০
তারিখ: ৩১-০৮-২০২৫ ইং,স্পট নিলাম বিজ্ঞপ্তি দেয় বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। দরপত্রে বলা হয়- বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের আওতাধীন “বাংলাদেশ রিজিওনাল কানেক্টিভিটি প্রজেক্ট-১ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বেনাপোল স্থলবন্দরের বাউন্ডারী ওয়ালের নির্মাণস্থল হতে বন্দর এলাকায় প্রাপ্ত পুরাতন নির্মাণসামগ্রী/মালামাল (যেখানে যে অবস্থায় আছে) স্পট নিলামের মাধ্যমে বিক্রয়ের জন্য আগামী ০৪-০৯-২০২৫ খ্রি: তারিখ সকাল ১১.০০ টার সময় আর্ন্তজাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবনের (২য় তলা) সম্মেলন কক্ষে স্পট নিলাম কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। উল্লিখিত তারিখ ও সময়ে আগ্রহী প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তি’কে নিলামে অংশ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।
স্পট নিলামের পরবর্তী কার্যক্রম জানতে বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক মো.শামীম হোসেনের স্মরনাপন্ন হলে,তাকে না পেয়ে সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ পরিচালক(ট্রাফিক) রাশেদুল সজিব নাজির এর সাথে কথা বলে জানা যায়,স্পট নিলামে অফিসিয়াল ভ্যালু(মূল্য) না আসায় স্পট নিলাম কমিটি’র প্রধান বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট বিষয়টি জানালে,উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ “ওপেন টেন্ডার”(পত্রিকান্তরে) বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে উপ-পরিচালক রাশেদুল সজিব নাজির জানান।

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৫৯
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজের দুদিন পর একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ। তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন পরিবারের বাবা হেলাল উদ্দিন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার বৈদ্যার বাজার এলাকার আল মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো হলো—হেলাল উদ্দিনের ছেলে সজিব, মেয়ে সামিয়া এবং শিশু ছেলে সামিন।
স্থানীয় ও উদ্ধারকারী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার শ্রীমন্দী এলাকা থেকে সোনারগাঁয়ের মায়াময়ী গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গরু-ছাগলসহ ১৩ জন ট্রলারে করে রওনা দেন। বৈদ্যার বাজার এলাকায় পৌঁছানোর পথে মেঘনা নদীর মাঝখানে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি। একপর্যায়ে ট্রলারটি উল্টে পানিতে ডুবে যায়।
এ সময় ৮ জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। পরে রাশিদা নামে একজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এরপর একই পরিবারের চারজন—হেলাল উদ্দিন, তার ছেলে সজিব, মেয়ে সামিয়া ও শিশু ছেলে সামিন—নিখোঁজ ছিলেন। শনিবার সকালে অভিযান চালিয়ে সজিব, সামিয়া ও সামিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন হেলাল উদ্দিন।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:১২
মাদারীপুরের শিবচরসংলগ্ন ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে দুই বাসের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে শিবচরের পাঁচ্চর বাখরেরকান্দি এলাকায় এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ যাত্রী। নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার অপরাহ্ণে খুলনা থেকে যাত্রী নিয়ে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল পালকি পরিবহনের একটি বাস। স্থানীয় পাঁচ্চর বাখরেরকান্দি এলাকায় বাসটির চাকা বিকল হয়ে গেলে সেটি সড়কের পাশে থামানো হয়। এ সময় বরিশাল থেকে আসা দ্রুতগতির হানিফ পরিবহনের একটি বাস পেছন থেকে পালকি পরিবহনের বাসটিকে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষে পালকি পরিবহনের চালকের সহকারী এবং হানিফ পরিবহনের দুই যাত্রীর মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
দুর্ঘটনার পর রাজধানী ঢাকামুখী লেনে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শিবচর হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিকেল ৫টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা আবু জাফর সরদার সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। চাকা পাংচার হয়ে গেলে পালকি পরিবহনের বাসটি এক্সপ্রেসওয়েতে থামিয়ে রাখা হয়। এ সময় দ্রুতগতির হানিফ পরিবহনের বাস সামনের বিকল বাসটিকে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
শিবচর হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক মুনতাসির রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে আসি এবং মরদেহ উদ্ধার করি। তাঁদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।’

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৪
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৭:২৮
দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে বন্দরের অভ্যন্তরে পণ্য রাখার স্থানগুলো এবং বন্দরের বাহিরে পুরাতন বাউন্ডারী প্রাচীর ও পুরাতন ইমারতের অনির্মাণ সামগ্রী ভাঙ্গা ইট,ইটের খোঁয়া,পিলারের ভগ্নাংশ সহ বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনায় ভরে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা এ সকল অনির্মাণ সামগ্রী/ আবর্জনা বন্দর অভ্যন্তরে পণ্য রক্ষনাবেক্ষণে ব্যঘাত সৃষ্টি করছে। পরিবেশ বিপর্যস্ত হয়ে সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের এই বেনাপোল বন্দর।
এ বিষয়ে বন্দর ব্যবহারকারী সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ এ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি সাজেদুর রহমান জানান, বন্দরে আমদানি পণ্যের মধ্যে বর্জ্য স্তুপ এবং অনির্মাণ সামগ্রী পড়ে থাকায় পন্য খালাসে দুর্ভোগ ও জায়গা সংকট তৈরী হচ্ছে। বার বার বন্দর কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করা হলেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছেনা। দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর হলো বেনাপোল। সরকার এ বন্দর থেকে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করে থাকে। এত বড় বাণিজ্যিক স্থাপনায় বছরের পর বছর এই দুর্দশা চললেও সরকারেরর পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ না নেওয়া হচ্ছে না।
বেনাপোল হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন(রেজিঃ-৯২৫)’র সাধারণ সম্পাদক-মো.সহিদ আলী বলেন,এ বন্দরে বছরে ২২ থেকে ২৪ লাখ টন পণ্য আমদানি হয়। এসব পণ্য সংরক্ষণে রয়েছে ৩৩টি শেড ও তিনটি ওপেন ইয়ার্ড, একটি ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড। কিন্ত ভগ্ন ইমারতের অনির্মাণ সামগ্রী ভাঙ্গা ইট,ইটের খোঁয়া,পিলারের ভগ্নাংশ সহ বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনায় ভরে উঠেছে বন্দরের ভিতরকার ঐ ইয়ার্ড সমূহ। সাপ-বিচ্চুর ভয়ে নির্ভয়ে কাজ করতে পারেনা কুলি(শ্রমিক) সদস্যরা। এ গুলো দ্রুত অপসারণ করা অতি জরুরী।
অপরদিকে,বন্দর সংলগ্নে এবং বেনাপোল চেকপোষ্ট সন্নিকটে আন্তর্জাতিক মানের নির্মিত বেনাপোল পৌর বাস টার্মিনালের ভিতরকার অবস্থা একইরকম। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনালটি নির্মান করা হয়েছে পাসপোর্ট প্যাসেঞ্জারদের আনায়নকারী দুরপাল্লার বাস রাখার জন্য। অথচ সেখানে সাপ বিচ্ছুর বাসা এবং ঝোপ-ঝাড়ে ছেয়ে আছে টার্মিনালটি।
পোর্ট কর্তৃপক্ষ এটা দেখেও দেখেনা। ভগ্ন ইমারতের অনির্মাণ সামগ্রী ভাঙ্গা ইট,ইটের খোঁয়া,পিলারের ভগ্নাংশ সহ বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনায় ভরে উঠেছে সমগ্র বাস টার্মিনাল এরিয়া। যে কারনে রাজধানী ঢাকা কিংবা দেশের অন্যান্য স্থান থেকে ছেড়ে আসা দুরপাল্লার বাসগুলি টার্মিনাল অভ্যন্তরে না রেখে টার্মিনাল সংলগ্ন মহাসড়কে রাখতে বাধ্য হয়।
কয়েকটি পরিবহন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গাড়ী পার্কিং এর সময় ঐ সমস্ত বর্জ্যস্তুপের সাথে ধাক্কা খেয়ে কোটি টাকার গাড়ীর ক্ষতি সাধন হয়ে থাকে। দ্রুত বর্জ্য অপসারণ চান এ সকল পরিবহন মালিকরা।
উল্লেখ্য, স্মারক নং১৮.১৫.৪১৯০.০২৫.০৩.০০৮.২০২৪-৭০
তারিখ: ৩১-০৮-২০২৫ ইং,স্পট নিলাম বিজ্ঞপ্তি দেয় বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। দরপত্রে বলা হয়- বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের আওতাধীন “বাংলাদেশ রিজিওনাল কানেক্টিভিটি প্রজেক্ট-১ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বেনাপোল স্থলবন্দরের বাউন্ডারী ওয়ালের নির্মাণস্থল হতে বন্দর এলাকায় প্রাপ্ত পুরাতন নির্মাণসামগ্রী/মালামাল (যেখানে যে অবস্থায় আছে) স্পট নিলামের মাধ্যমে বিক্রয়ের জন্য আগামী ০৪-০৯-২০২৫ খ্রি: তারিখ সকাল ১১.০০ টার সময় আর্ন্তজাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবনের (২য় তলা) সম্মেলন কক্ষে স্পট নিলাম কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। উল্লিখিত তারিখ ও সময়ে আগ্রহী প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তি’কে নিলামে অংশ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।
স্পট নিলামের পরবর্তী কার্যক্রম জানতে বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক মো.শামীম হোসেনের স্মরনাপন্ন হলে,তাকে না পেয়ে সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ পরিচালক(ট্রাফিক) রাশেদুল সজিব নাজির এর সাথে কথা বলে জানা যায়,স্পট নিলামে অফিসিয়াল ভ্যালু(মূল্য) না আসায় স্পট নিলাম কমিটি’র প্রধান বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট বিষয়টি জানালে,উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ “ওপেন টেন্ডার”(পত্রিকান্তরে) বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে উপ-পরিচালক রাশেদুল সজিব নাজির জানান।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজের দুদিন পর একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ। তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন পরিবারের বাবা হেলাল উদ্দিন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার বৈদ্যার বাজার এলাকার আল মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো হলো—হেলাল উদ্দিনের ছেলে সজিব, মেয়ে সামিয়া এবং শিশু ছেলে সামিন।
স্থানীয় ও উদ্ধারকারী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার শ্রীমন্দী এলাকা থেকে সোনারগাঁয়ের মায়াময়ী গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গরু-ছাগলসহ ১৩ জন ট্রলারে করে রওনা দেন। বৈদ্যার বাজার এলাকায় পৌঁছানোর পথে মেঘনা নদীর মাঝখানে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি। একপর্যায়ে ট্রলারটি উল্টে পানিতে ডুবে যায়।
এ সময় ৮ জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। পরে রাশিদা নামে একজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এরপর একই পরিবারের চারজন—হেলাল উদ্দিন, তার ছেলে সজিব, মেয়ে সামিয়া ও শিশু ছেলে সামিন—নিখোঁজ ছিলেন। শনিবার সকালে অভিযান চালিয়ে সজিব, সামিয়া ও সামিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন হেলাল উদ্দিন।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
মাদারীপুরের শিবচরসংলগ্ন ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে দুই বাসের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে শিবচরের পাঁচ্চর বাখরেরকান্দি এলাকায় এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ যাত্রী। নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার অপরাহ্ণে খুলনা থেকে যাত্রী নিয়ে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল পালকি পরিবহনের একটি বাস। স্থানীয় পাঁচ্চর বাখরেরকান্দি এলাকায় বাসটির চাকা বিকল হয়ে গেলে সেটি সড়কের পাশে থামানো হয়। এ সময় বরিশাল থেকে আসা দ্রুতগতির হানিফ পরিবহনের একটি বাস পেছন থেকে পালকি পরিবহনের বাসটিকে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষে পালকি পরিবহনের চালকের সহকারী এবং হানিফ পরিবহনের দুই যাত্রীর মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
দুর্ঘটনার পর রাজধানী ঢাকামুখী লেনে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শিবচর হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিকেল ৫টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা আবু জাফর সরদার সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। চাকা পাংচার হয়ে গেলে পালকি পরিবহনের বাসটি এক্সপ্রেসওয়েতে থামিয়ে রাখা হয়। এ সময় দ্রুতগতির হানিফ পরিবহনের বাস সামনের বিকল বাসটিকে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
শিবচর হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক মুনতাসির রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে আসি এবং মরদেহ উদ্ধার করি। তাঁদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।’
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪১
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:০২
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৩১
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১৮