
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১৬
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় মসজিদে ইতিকাফে থাকা অবস্থায় নামাজরত এক বৃদ্ধ মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের সাদকপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
সাদকপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ আবুল খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত ওই বৃদ্ধের নাম হারুনুর রশিদ (৮০)। তিনি সাদকপুর মাস্টার বাড়ির বাসিন্দা এবং বাংলাদেশ পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত সদস্য।
মসজিদের ইমাম হাফেজ আবুল খায়ের জানান, মাহে রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ পালনের জন্য হারুনুর রশিদ মসজিদে অবস্থান করছিলেন। বৃহস্পতিবার এশার নামাজ আদায় করতে দাঁড়ান তিনি। দুই রাকাত সুন্নাত নামাজ শেষ করার পরই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মসজিদের ভেতরেই মারা যান।
নিহতের জামাতা কাজী মো. সেফাউল করিম জানান, ইতিকাফ অবস্থায় এশার নামাজ পড়ার সময় তার শ্বশুরের মৃত্যু হয়। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এদিকে শুক্রবার (১৩ মার্চ) বাদ জুমা সাদকপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় মসজিদে ইতিকাফে থাকা অবস্থায় নামাজরত এক বৃদ্ধ মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের সাদকপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
সাদকপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ আবুল খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত ওই বৃদ্ধের নাম হারুনুর রশিদ (৮০)। তিনি সাদকপুর মাস্টার বাড়ির বাসিন্দা এবং বাংলাদেশ পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত সদস্য।
মসজিদের ইমাম হাফেজ আবুল খায়ের জানান, মাহে রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ পালনের জন্য হারুনুর রশিদ মসজিদে অবস্থান করছিলেন। বৃহস্পতিবার এশার নামাজ আদায় করতে দাঁড়ান তিনি। দুই রাকাত সুন্নাত নামাজ শেষ করার পরই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মসজিদের ভেতরেই মারা যান।
নিহতের জামাতা কাজী মো. সেফাউল করিম জানান, ইতিকাফ অবস্থায় এশার নামাজ পড়ার সময় তার শ্বশুরের মৃত্যু হয়। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এদিকে শুক্রবার (১৩ মার্চ) বাদ জুমা সাদকপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৪২
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন জমিতে লাগানো প্রায় দুই শতাধিক গাছ রাতের আঁধারে কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় অবস্থিত সুইট ড্রিম ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের জমিতে এ ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানটি কুয়াকাটায় পর্যটন ও উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে বিনিয়োগের অংশ হিসেবে ওই জমিতে পাম, বাবলা ও বার্মিজ সুপারি গাছের বাগান তৈরি করেছিল। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
সুইট ড্রিম ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার জয়নুল আবেদীন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে তারা দেখতে পান জমিতে লাগানো পাম, বাবলা ও বার্মিজ সুপারি গাছসহ প্রায় ২০০টি গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে বুধবার (১১ মার্চ) গভীর রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা বাগানে ঢুকে গাছগুলো কেটে ফেলে। ঘটনার পর বিষয়টি আইনগতভাবে নথিভুক্ত করতে মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন (উজিফা) আহ্বায়ক মিজানুর রহমান বলেন, কুয়াকাটার মতো উপকূলীয় এলাকায় গাছ কেটে ফেলা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। উপকূলের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় গাছ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যারা রাতের আঁধারে এভাবে গাছ কেটে পরিবেশ ধ্বংসের চেষ্টা করেছে, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট ওনার্স অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (টোয়াক) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জহিরুল ইসলাম বলেন, কুয়াকাটার মতো পর্যটন এলাকায় এ ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। বিনিয়োগকারীরা এখানে পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে কাজ করছে। তাদের সহযোগিতা না করলে বিনিয়োগকারীরা নিরুৎসাহিত হবেন। কুয়াকাটার পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত হোসেন জানান, এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত চলছে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন জমিতে লাগানো প্রায় দুই শতাধিক গাছ রাতের আঁধারে কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় অবস্থিত সুইট ড্রিম ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের জমিতে এ ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানটি কুয়াকাটায় পর্যটন ও উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে বিনিয়োগের অংশ হিসেবে ওই জমিতে পাম, বাবলা ও বার্মিজ সুপারি গাছের বাগান তৈরি করেছিল। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
সুইট ড্রিম ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার জয়নুল আবেদীন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে তারা দেখতে পান জমিতে লাগানো পাম, বাবলা ও বার্মিজ সুপারি গাছসহ প্রায় ২০০টি গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে বুধবার (১১ মার্চ) গভীর রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা বাগানে ঢুকে গাছগুলো কেটে ফেলে। ঘটনার পর বিষয়টি আইনগতভাবে নথিভুক্ত করতে মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন (উজিফা) আহ্বায়ক মিজানুর রহমান বলেন, কুয়াকাটার মতো উপকূলীয় এলাকায় গাছ কেটে ফেলা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। উপকূলের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় গাছ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যারা রাতের আঁধারে এভাবে গাছ কেটে পরিবেশ ধ্বংসের চেষ্টা করেছে, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট ওনার্স অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (টোয়াক) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জহিরুল ইসলাম বলেন, কুয়াকাটার মতো পর্যটন এলাকায় এ ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। বিনিয়োগকারীরা এখানে পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে কাজ করছে। তাদের সহযোগিতা না করলে বিনিয়োগকারীরা নিরুৎসাহিত হবেন। কুয়াকাটার পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত হোসেন জানান, এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত চলছে।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২৪
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি আয়রণ সেতু ভেঙে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দশ গ্রামের মানুষ। ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পর এখন মাঝি বিহীন একটি ডিঙ্গি নৌকায় রশি টেনে পারাপার করছেন পথচারীরা।
এতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে স্কুল-মাদ্রসার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। ভেঙ্গে পড়ার দশ মাস অতিবাহিত হলেও ব্রীজের ভাঙ্গা অংশ অপসারণ কিংবা নতুন সেতু নির্মাণ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। জানাগেছে, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের তাহেরপুর ও আজিমপুর গ্রামের মাঝখান দিয়ে প্রবাহিত লক্ষ্মীর খালের ওপর ২০০১ সালে নির্মাণ করা হয় এই আয়রণ সেতু।
দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকার পর ২০২৫ সালের ২০ মে সকালে বিকট শব্দে ধ্বসে পড়ে সেতুটি। সেতু ভেঙ্গে পড়ার পর দশ গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা এখন একটি ছোট ডিঙ্গি নৌকা।
নৌকার দুই পাশে বাঁধা রশি টেনে নিজেরাই পারাপার করছেন পথচারীরা। এই ডিঙ্গি নৌকায় রাখা হয়েছে ব্রীজঘাট জামে মসজিদের একটি দান বাক্স। পারাপারের সময় কেউ খুশি হয়ে টাকা দিলে তা জমা হচ্ছে মসজিদের তহবিলে। ঝুঁকি নিয়েই পারাপার হচ্ছেন স্কুল-মাদ্রাসা-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, জেলে ও ব্যবসায়ীরা। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণ করা না হলে যাতায়াত ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি থেকেই যাবে। দশ গ্রামের মানুষের যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ এই পথটি সচল রাখতে দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মালেক হাওলাদার বলেন, “ব্রীজটা ভেঙে যাওয়ার পর খুব কষ্টে আছি। বাচ্চা-কাচ্চারা স্কুলে যেতে ঝুঁকি নিয়ে এই নৌকায় পার হয়।”
তাহেরপুর গ্রামের আবু সাঈদ বলেন, “প্রতিদিন স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা এই নৌকায় পার হয়। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।” ব্রীজঘাট জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ রুহুল আমিন বলেন, “মানুষের ভোগান্তি দেখে মসজিদ কমিটি একটি ডিঙ্গি নৌকার ব্যবস্থা করেছেন। এখন পথচারীরা এই নৌকায় পার হয়েচ্ছেন। নৌকায় একটি দানবাক্স রাখা আছে।
প্রতি সপ্তাহে ৪০০-৫০০ টাকা দানবাক্সু খলে পাওয়া যায়।” লতাচাপলী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান হাওলাদার বলেন, “বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
আশা করছি দ্রুত নতুন সেতু হবে।” এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, ভেঙ্গে পড়ার পর নতুন সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। আশা করছি শীঘ্রই নতুন সেতু নির্মাণ করা সম্ভব হবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি আয়রণ সেতু ভেঙে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দশ গ্রামের মানুষ। ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পর এখন মাঝি বিহীন একটি ডিঙ্গি নৌকায় রশি টেনে পারাপার করছেন পথচারীরা।
এতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে স্কুল-মাদ্রসার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। ভেঙ্গে পড়ার দশ মাস অতিবাহিত হলেও ব্রীজের ভাঙ্গা অংশ অপসারণ কিংবা নতুন সেতু নির্মাণ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। জানাগেছে, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের তাহেরপুর ও আজিমপুর গ্রামের মাঝখান দিয়ে প্রবাহিত লক্ষ্মীর খালের ওপর ২০০১ সালে নির্মাণ করা হয় এই আয়রণ সেতু।
দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকার পর ২০২৫ সালের ২০ মে সকালে বিকট শব্দে ধ্বসে পড়ে সেতুটি। সেতু ভেঙ্গে পড়ার পর দশ গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা এখন একটি ছোট ডিঙ্গি নৌকা।
নৌকার দুই পাশে বাঁধা রশি টেনে নিজেরাই পারাপার করছেন পথচারীরা। এই ডিঙ্গি নৌকায় রাখা হয়েছে ব্রীজঘাট জামে মসজিদের একটি দান বাক্স। পারাপারের সময় কেউ খুশি হয়ে টাকা দিলে তা জমা হচ্ছে মসজিদের তহবিলে। ঝুঁকি নিয়েই পারাপার হচ্ছেন স্কুল-মাদ্রাসা-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, জেলে ও ব্যবসায়ীরা। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণ করা না হলে যাতায়াত ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি থেকেই যাবে। দশ গ্রামের মানুষের যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ এই পথটি সচল রাখতে দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মালেক হাওলাদার বলেন, “ব্রীজটা ভেঙে যাওয়ার পর খুব কষ্টে আছি। বাচ্চা-কাচ্চারা স্কুলে যেতে ঝুঁকি নিয়ে এই নৌকায় পার হয়।”
তাহেরপুর গ্রামের আবু সাঈদ বলেন, “প্রতিদিন স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা এই নৌকায় পার হয়। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।” ব্রীজঘাট জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ রুহুল আমিন বলেন, “মানুষের ভোগান্তি দেখে মসজিদ কমিটি একটি ডিঙ্গি নৌকার ব্যবস্থা করেছেন। এখন পথচারীরা এই নৌকায় পার হয়েচ্ছেন। নৌকায় একটি দানবাক্স রাখা আছে।
প্রতি সপ্তাহে ৪০০-৫০০ টাকা দানবাক্সু খলে পাওয়া যায়।” লতাচাপলী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান হাওলাদার বলেন, “বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
আশা করছি দ্রুত নতুন সেতু হবে।” এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, ভেঙ্গে পড়ার পর নতুন সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। আশা করছি শীঘ্রই নতুন সেতু নির্মাণ করা সম্ভব হবে।

১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে একটি ইঞ্জিন চালিত জেলে নৌকা পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আগুনে নৌকা ও নৌকায় থাকা জাল, ইঞ্জিন পুড়ে যায়। এতে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। ১১ মার্চ (বুধবার) তারাবির নামাজের সময় সৈকতের ঝাউবন এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। কে বা কারা আগুন দিয়েছে, কেন দিয়েছে তা এখনো উদঘাটন করা যায়নি।
জানাগেছে, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পুর্বদিকে ঝাউবন এলাকায় ছোট্ট ইঞ্জিন চালিত নৌকা দিয়ে প্রতিদিনের মত মাছ শিকার শেষে বুধবার বিকেলে সৈকতে রেখে বাসায় চলে যায় জেলে কালাম সহ অন্যান্যরা। তারাবির নামাজ শেষে তারা জানতে পারেন কে বা কারা নৌকায় আগুন দিয়েছে। পরে গিয়ে দেখতে পান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
নৌকার মালিক মহিবুল মল্লিক জানান, রাতে তিনি সমুদ্রে মশারী জাল দিয়ে চিংড়ি রেনু ধরছিল। হঠাৎ দেখতে পান নৌকায় আগুন জ্বলছে। দৌড়ে গিয়ে অন্য জেলেদের সহায়তায় পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। ততক্ষণে আগুনে পুড়ে সব শেষ হয়ে গেছে। এ সময় নৌকার পাশে একটি পেট্রোলের খালি বোতল পাওয়া গেছে।
মহিবুল আরো জানান, নৌকাটি তিনি মাসিক হিসেবে ভাড়া দিয়েছেন। ভাড়াটিয়া মালিক কালাম এ নৌকায় ইলিশ সহ সামুদ্রিক অন্যান্য মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। এ ঘটনায় নৌকা, জাল ও ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। রমজানের শেষের দিকে তাদের এমন ক্ষতি কিভাবে পুষিয়ে নিবেন তা নিয়ে চিন্তিত ক্ষতিগ্রস্ত জেলেরা।
প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, সমুদ্র সৈকতে মাছধরা নিয়ে জেলেদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে মারামারির ঘটনা ঘটলেও নৌকা জাল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনা তারা এই প্রথম প্রত্যক্ষ করেছেন। এতে তারা অবাক হয়েছেন।
কুয়াকাটা বাইতুল আরোজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম কারী মো: নজরুল ইসলাম বলেন, মানুষের সাথে মানুষের শত্রুতা থাকতে পারে। কিন্তু তার সম্পদ এভাবে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার মত জঘন্য কাজ আর হতে পারে না। এতে নিঃশ্ব হয়ে গেছে কয়েকটি জেলে পরিবার। আমরা এদের ধিক্কার জানাই।
ক্ষতিগ্রস্ত নৌকাটি পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর আশ্রাফ আলী সিকদারসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ। তবে এ ঘটনায় এখনো থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে একটি ইঞ্জিন চালিত জেলে নৌকা পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আগুনে নৌকা ও নৌকায় থাকা জাল, ইঞ্জিন পুড়ে যায়। এতে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। ১১ মার্চ (বুধবার) তারাবির নামাজের সময় সৈকতের ঝাউবন এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। কে বা কারা আগুন দিয়েছে, কেন দিয়েছে তা এখনো উদঘাটন করা যায়নি।
জানাগেছে, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পুর্বদিকে ঝাউবন এলাকায় ছোট্ট ইঞ্জিন চালিত নৌকা দিয়ে প্রতিদিনের মত মাছ শিকার শেষে বুধবার বিকেলে সৈকতে রেখে বাসায় চলে যায় জেলে কালাম সহ অন্যান্যরা। তারাবির নামাজ শেষে তারা জানতে পারেন কে বা কারা নৌকায় আগুন দিয়েছে। পরে গিয়ে দেখতে পান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
নৌকার মালিক মহিবুল মল্লিক জানান, রাতে তিনি সমুদ্রে মশারী জাল দিয়ে চিংড়ি রেনু ধরছিল। হঠাৎ দেখতে পান নৌকায় আগুন জ্বলছে। দৌড়ে গিয়ে অন্য জেলেদের সহায়তায় পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। ততক্ষণে আগুনে পুড়ে সব শেষ হয়ে গেছে। এ সময় নৌকার পাশে একটি পেট্রোলের খালি বোতল পাওয়া গেছে।
মহিবুল আরো জানান, নৌকাটি তিনি মাসিক হিসেবে ভাড়া দিয়েছেন। ভাড়াটিয়া মালিক কালাম এ নৌকায় ইলিশ সহ সামুদ্রিক অন্যান্য মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। এ ঘটনায় নৌকা, জাল ও ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। রমজানের শেষের দিকে তাদের এমন ক্ষতি কিভাবে পুষিয়ে নিবেন তা নিয়ে চিন্তিত ক্ষতিগ্রস্ত জেলেরা।
প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, সমুদ্র সৈকতে মাছধরা নিয়ে জেলেদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে মারামারির ঘটনা ঘটলেও নৌকা জাল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনা তারা এই প্রথম প্রত্যক্ষ করেছেন। এতে তারা অবাক হয়েছেন।
কুয়াকাটা বাইতুল আরোজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম কারী মো: নজরুল ইসলাম বলেন, মানুষের সাথে মানুষের শত্রুতা থাকতে পারে। কিন্তু তার সম্পদ এভাবে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার মত জঘন্য কাজ আর হতে পারে না। এতে নিঃশ্ব হয়ে গেছে কয়েকটি জেলে পরিবার। আমরা এদের ধিক্কার জানাই।
ক্ষতিগ্রস্ত নৌকাটি পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর আশ্রাফ আলী সিকদারসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ। তবে এ ঘটনায় এখনো থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.