
২৫ মে, ২০২৫ ২১:১৯
যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়াকে অর্থপাচারের মামলায় চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
আজ রবিবার এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকার ৮ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল হোসেন।
পাপিয়ার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরী, পাপিয়ার সহযোগী সাব্বির খন্দকার, শেখ তায়িবা নূর ও জুবায়ের আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তারা খালাস পেয়েছেন।
পাপিয়ার আইনজীবী শাখাওয়াত উল্লাহ ভূঁইয়া জানান, চার বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি পাপিয়াকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০২০ সালের ১২ অক্টোবর পাপিয়া ও তার স্বামী সুমনকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হয়। পরে উচ্চ আদালত থেকে পাপিয়া জামিনে কারামুক্ত হন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী শাখাওয়াত উল্লাহ ভূঁইয়া।
অসুস্থতার কারণে আজ রবিবার পাপিয়া আদালতে হাজির হতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী সময় চেয়ে আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করেন বিচারক। অপর চার আসামির মধ্যে জুবায়ের শুরু থেকে পলাতক রয়েছেন। জামিনে থাকা অন্য তিনজন আদালতে হাজির হন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফজলুর রহমান বলেন, “আদালত পাপিয়ার জামিন বাতিল করেছে। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।”
নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমানকে ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে পাপিয়াকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়। সেসময় তাদের কাছ থেকে সাতটি পাসপোর্ট, দুই লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ টাকার জাল নোট, ১১ হাজার ৪৮১ ডলার, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের কিছু মুদ্রা এবং দুটি ডেবিট কার্ড জব্দ করা হয়।
পরে পাপিয়ার ফার্মগেইটের ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ২০টি গুলি, পাঁচ বোতল বিদেশি মদ, ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন ব্যাংকের ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড উদ্ধারের কথা জানায় র্যাব। অভিযান চালানো হয় পাপিয়ার নরসিংদীর বাড়িতেও ।
র্যাবের পক্ষ থেকে সে সময় বলা হয়, পাপিয়া গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেল ভাড়া নিয়ে ‘অসামাজিক কার্যকলাপ’ চালিয়ে যে আয় করতেন, তা দিয়ে হোটেলে বিল দিতেন কোটির টাকার উপরে।
গ্রেফতারের পর পাপিয়া ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা করে র্যাব। বিমানবন্দর থানায়ও তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ এর অধীনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। আর গুলশান থানায় মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ আইনে সিআইডি আরেকটি মামলা করে। পরে দুদক পাপিয়ার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে।
গুলশান থানার অর্থপাচার মামলায় পাপিয়াসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে ২০২১ সালের ২৭ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডির পরিদর্শক ইব্রাহীম হোসেন।
এরপর ২০২২ সালের ২১ অগাস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ২৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রোববার রায় ঘোষণা করলেন বিচারক।
যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়াকে অর্থপাচারের মামলায় চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
আজ রবিবার এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকার ৮ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল হোসেন।
পাপিয়ার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরী, পাপিয়ার সহযোগী সাব্বির খন্দকার, শেখ তায়িবা নূর ও জুবায়ের আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তারা খালাস পেয়েছেন।
পাপিয়ার আইনজীবী শাখাওয়াত উল্লাহ ভূঁইয়া জানান, চার বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি পাপিয়াকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০২০ সালের ১২ অক্টোবর পাপিয়া ও তার স্বামী সুমনকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হয়। পরে উচ্চ আদালত থেকে পাপিয়া জামিনে কারামুক্ত হন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী শাখাওয়াত উল্লাহ ভূঁইয়া।
অসুস্থতার কারণে আজ রবিবার পাপিয়া আদালতে হাজির হতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী সময় চেয়ে আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করেন বিচারক। অপর চার আসামির মধ্যে জুবায়ের শুরু থেকে পলাতক রয়েছেন। জামিনে থাকা অন্য তিনজন আদালতে হাজির হন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফজলুর রহমান বলেন, “আদালত পাপিয়ার জামিন বাতিল করেছে। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।”
নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমানকে ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে পাপিয়াকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়। সেসময় তাদের কাছ থেকে সাতটি পাসপোর্ট, দুই লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ টাকার জাল নোট, ১১ হাজার ৪৮১ ডলার, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের কিছু মুদ্রা এবং দুটি ডেবিট কার্ড জব্দ করা হয়।
পরে পাপিয়ার ফার্মগেইটের ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ২০টি গুলি, পাঁচ বোতল বিদেশি মদ, ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন ব্যাংকের ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড উদ্ধারের কথা জানায় র্যাব। অভিযান চালানো হয় পাপিয়ার নরসিংদীর বাড়িতেও ।
র্যাবের পক্ষ থেকে সে সময় বলা হয়, পাপিয়া গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেল ভাড়া নিয়ে ‘অসামাজিক কার্যকলাপ’ চালিয়ে যে আয় করতেন, তা দিয়ে হোটেলে বিল দিতেন কোটির টাকার উপরে।
গ্রেফতারের পর পাপিয়া ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা করে র্যাব। বিমানবন্দর থানায়ও তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ এর অধীনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। আর গুলশান থানায় মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ আইনে সিআইডি আরেকটি মামলা করে। পরে দুদক পাপিয়ার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে।
গুলশান থানার অর্থপাচার মামলায় পাপিয়াসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে ২০২১ সালের ২৭ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডির পরিদর্শক ইব্রাহীম হোসেন।
এরপর ২০২২ সালের ২১ অগাস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ২৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রোববার রায় ঘোষণা করলেন বিচারক।

০৪ জুন, ২০২৬ ১২:৪০
আবারও ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী নেপালকে ২–১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে টানা তৃতীয়বার ফাইনালের টিকিট কাটল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল করেছেন ঋতুপর্ণা ও সাগরিকা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ঋতুপর্ণা কর্নার থেকে সরাসরি গোল করেন। আর সাগরিকা গোল করেছেন দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে, শামসুন্নাহার জুনিয়রের সহায়তায়। এর আগে বাংলাদেশ গোল হজম করেছিল ২৩ মিনিটে, গোল করেন নেপালের গীতা রানা।
বুধবার (০৩ জুন) গোয়ার মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই চরম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে একসময় পিছিয়ে পড়েও অলিম্পিক গোল আর শেষ মুহূর্তের চমৎকার ফিনিশিংয়ে জয় ছিনিয়ে নিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই জয়ের ফলে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলে বাংলাদেশের চার বছরের গৌরবময় রাজত্ব টিকে রইল, আর এক ধাপ দূরে রইল শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার মিশন।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে নেপাল। শুরুতেই নেপালের আক্রমণের চাপে কোণঠাসা হয়ে পড়ে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। ম্যাচের ২৩ মিনিটে কর্নার থেকে গোল করে নেপালকে এগিয়ে নেন গীতা রানা। দীপা শাহির দারুণ ক্রসে কেবল পায়ের টোকা দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি।
প্রথমার্ধের ঠিক শেষ সময়ে মাঠে দেখা গেল জাদুকরী এক মুহূর্ত। পুরো ম্যাচ জুড়ে প্রায় নিষ্ক্রিয় থাকা ঋতুপর্ণা চাকমা প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সরাসরি কর্নার থেকে এক অবিশ্বাস্য গোল করে বসেন। ফুটবল পরিভাষায় যাকে বলা হয় ‘অলিম্পিক গোল’। সরাসরি কর্নার থেকে বল জালে জড়িয়ে তিনি বাংলাদেশকে ১-১ সমতায় ফেরান এবং এই গোলের পর মাঠে নতুন করে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে সাবিনারা।
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ১২ মিনিট আগে অর্থাৎ ৭৮ মিনিটে লিড নেওয়ার সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগটি পেয়েছিলেন সাগরিকা। কিন্তু তার নেওয়া জোরালো শটটি নেপাল অধিনায়ক তথা গোলরক্ষক সুব্বা লাফিয়ে উঠে দারুণভাবে ঘুষি মেরে ফিরিয়ে দেন। তবে সেই সুযোগ মিসের হতাশা কাটাতে বেশি সময় নেননি সাগরিকা। ম্যাচের ৮১ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়রের নিখুঁত পাস থেকে বল পান তিনি। পেছনে নেপালের দুজন ডিফেন্ডার লেগে থাকলেও তাদের ফাঁকি দিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় বল জালে জড়িয়ে দেন সাগরিকা।
সাগরিকার এই জয়সূচক গোলেই শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধান ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ এবং টানা তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার লক্ষ্যে ফাইনালের মঞ্চে পা রাখল লাল-সবুজ বাহিনী।
বরিশাল টাইমস
আবারও ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী নেপালকে ২–১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে টানা তৃতীয়বার ফাইনালের টিকিট কাটল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল করেছেন ঋতুপর্ণা ও সাগরিকা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ঋতুপর্ণা কর্নার থেকে সরাসরি গোল করেন। আর সাগরিকা গোল করেছেন দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে, শামসুন্নাহার জুনিয়রের সহায়তায়। এর আগে বাংলাদেশ গোল হজম করেছিল ২৩ মিনিটে, গোল করেন নেপালের গীতা রানা।
বুধবার (০৩ জুন) গোয়ার মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই চরম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে একসময় পিছিয়ে পড়েও অলিম্পিক গোল আর শেষ মুহূর্তের চমৎকার ফিনিশিংয়ে জয় ছিনিয়ে নিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই জয়ের ফলে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলে বাংলাদেশের চার বছরের গৌরবময় রাজত্ব টিকে রইল, আর এক ধাপ দূরে রইল শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার মিশন।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে নেপাল। শুরুতেই নেপালের আক্রমণের চাপে কোণঠাসা হয়ে পড়ে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। ম্যাচের ২৩ মিনিটে কর্নার থেকে গোল করে নেপালকে এগিয়ে নেন গীতা রানা। দীপা শাহির দারুণ ক্রসে কেবল পায়ের টোকা দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি।
প্রথমার্ধের ঠিক শেষ সময়ে মাঠে দেখা গেল জাদুকরী এক মুহূর্ত। পুরো ম্যাচ জুড়ে প্রায় নিষ্ক্রিয় থাকা ঋতুপর্ণা চাকমা প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সরাসরি কর্নার থেকে এক অবিশ্বাস্য গোল করে বসেন। ফুটবল পরিভাষায় যাকে বলা হয় ‘অলিম্পিক গোল’। সরাসরি কর্নার থেকে বল জালে জড়িয়ে তিনি বাংলাদেশকে ১-১ সমতায় ফেরান এবং এই গোলের পর মাঠে নতুন করে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে সাবিনারা।
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ১২ মিনিট আগে অর্থাৎ ৭৮ মিনিটে লিড নেওয়ার সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগটি পেয়েছিলেন সাগরিকা। কিন্তু তার নেওয়া জোরালো শটটি নেপাল অধিনায়ক তথা গোলরক্ষক সুব্বা লাফিয়ে উঠে দারুণভাবে ঘুষি মেরে ফিরিয়ে দেন। তবে সেই সুযোগ মিসের হতাশা কাটাতে বেশি সময় নেননি সাগরিকা। ম্যাচের ৮১ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়রের নিখুঁত পাস থেকে বল পান তিনি। পেছনে নেপালের দুজন ডিফেন্ডার লেগে থাকলেও তাদের ফাঁকি দিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় বল জালে জড়িয়ে দেন সাগরিকা।
সাগরিকার এই জয়সূচক গোলেই শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধান ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ এবং টানা তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার লক্ষ্যে ফাইনালের মঞ্চে পা রাখল লাল-সবুজ বাহিনী।
বরিশাল টাইমস

০১ জুন, ২০২৬ ১৬:৪৩
'মাদক ছাড়ো, মাঠে আসো'-এ স্লোগানকে সামনে রেখে বরিশালের বাবুগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট। রোববার বিকেলে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে বর্ণাঢ্য ওই ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় রাজগুরু বন্ধু-বন্ধু দল টাইব্রেকারের সাডেন ডেথ পেনাল্টিতে বাবুগঞ্জ বন্ধু মহল দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। এসময় উৎসবমুখর পরিবেশে বিজয়ী ও বিজেতাদের মধ্যে ট্রফি এবং পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ওই বর্ণিল ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ খান। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ঢাকা মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১০'এর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান শামীমের সভাপতিত্বে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও ক্রীড়ানুরাগী মোঃ আসাদুল্লাহ।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক শাহে আলম, সরকারি বিএম কলেজের সহযোগী অধ্যাপক কামরুজ্জামান মিজান, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রাজন সিকদার, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান টুলু, সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আল-আমিন হাওলাদার, সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আবদুল্লাহ মামুন, মোহাম্মদ আলী প্রমুখ। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন টুর্নামেন্ট কমিটির সদস্য মাইনুল ইসলাম সোহেল।
তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতপূর্ণ ওই ফাইনাল ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ে এবং অতিরিক্ত সময়ে গোলশূন্য অবস্থায় ড্র হলে নিষ্পত্তির জন্য খেলাটি টাইব্রেকারে গড়ায়। পরে টাইব্রেকারেও ২-২ গোলে ড্র হলে শ্বাসরুদ্ধকর ওই খেলাটি সাডেন ডেথে নিষ্পত্তি হয়। শেষ পর্যন্ত সাডেন ডেথে বাবুগঞ্জ বন্ধু মহল দল পেনাল্টি মিস করলে রাজগুরু বন্ধু-বন্ধু দল শিরোপা জয় করে। বিজয়ী এবং বিজেতা দলের হাতে চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ ট্রফি, পুরস্কারের এলইডি টিভি এবং ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা। পুরস্কার বিতরণ ছাড়াও এসময় হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশু-কিশোরদের ১০ টাকা ভর্তি ফি-তে ফুটবল প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে ভর্তি এবং প্রথম বিভাগের ফুটবল কোচ দিয়ে প্রশিক্ষণ পরিচালনা কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকলে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ খান বলেন, 'একজন ভালো খেলোয়াড়কে সারা পৃথিবীর মানুষ চেনে। খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেকে এবং দেশকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরা যায়। তাই বর্তমান বিএনপি সরকার খেলাধুলার উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। খেলোয়াড়দের জন্য কার্ডের কথা বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিশু-কিশোরদের মেধা বিকাশে নতুন কুঁড়িসহ বি়ভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। '
অনুষ্ঠানের গেস্ট অব অনার বাবুগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'বর্তমানে মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন এবং সামাজিক অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। একমাত্র খেলাধুলাই পারে শরীর এবং মনকে পরিপূর্ণ সুস্থ রাখতে। তাই প্রতিটি গ্রাম, পাড়া-মহল্লায় বেশিবেশি বিভিন্ন খেলাধুলার চর্চা করা উচিত। দেশিয় ও লোকজ খেলার পাশাপাশি মৌসুম ভিত্তিক বিভিন্ন টুর্নামেন্টের আয়োজন করা উচিত। হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ কাজটা শুরু করার জন্য। তাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকুক।'
আয়োজক হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও ক্রীড়ানুরাগী মোঃ আসাদুল্লাহ বলেন, 'সমাজ এবং মানুষের জন্য কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন। এই ফাউন্ডেশন তার জন্মলগ্ন থেকেই মানবসেবা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় চর্চাসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। অসহায় মানুষকে বিভিন্ন সাহায্য-সহযোগিতাসহ তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। সমাজের জন্য অবদান রাখার চেষ্টা করছে। ভবিষ্যতেও হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের এই জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এজন্য সকল রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা প্রয়োজন।' #
'মাদক ছাড়ো, মাঠে আসো'-এ স্লোগানকে সামনে রেখে বরিশালের বাবুগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট। রোববার বিকেলে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে বর্ণাঢ্য ওই ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় রাজগুরু বন্ধু-বন্ধু দল টাইব্রেকারের সাডেন ডেথ পেনাল্টিতে বাবুগঞ্জ বন্ধু মহল দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। এসময় উৎসবমুখর পরিবেশে বিজয়ী ও বিজেতাদের মধ্যে ট্রফি এবং পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ওই বর্ণিল ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ খান। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ঢাকা মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১০'এর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান শামীমের সভাপতিত্বে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও ক্রীড়ানুরাগী মোঃ আসাদুল্লাহ।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক শাহে আলম, সরকারি বিএম কলেজের সহযোগী অধ্যাপক কামরুজ্জামান মিজান, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রাজন সিকদার, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান টুলু, সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আল-আমিন হাওলাদার, সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আবদুল্লাহ মামুন, মোহাম্মদ আলী প্রমুখ। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন টুর্নামেন্ট কমিটির সদস্য মাইনুল ইসলাম সোহেল।
তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতপূর্ণ ওই ফাইনাল ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ে এবং অতিরিক্ত সময়ে গোলশূন্য অবস্থায় ড্র হলে নিষ্পত্তির জন্য খেলাটি টাইব্রেকারে গড়ায়। পরে টাইব্রেকারেও ২-২ গোলে ড্র হলে শ্বাসরুদ্ধকর ওই খেলাটি সাডেন ডেথে নিষ্পত্তি হয়। শেষ পর্যন্ত সাডেন ডেথে বাবুগঞ্জ বন্ধু মহল দল পেনাল্টি মিস করলে রাজগুরু বন্ধু-বন্ধু দল শিরোপা জয় করে। বিজয়ী এবং বিজেতা দলের হাতে চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ ট্রফি, পুরস্কারের এলইডি টিভি এবং ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা। পুরস্কার বিতরণ ছাড়াও এসময় হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশু-কিশোরদের ১০ টাকা ভর্তি ফি-তে ফুটবল প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে ভর্তি এবং প্রথম বিভাগের ফুটবল কোচ দিয়ে প্রশিক্ষণ পরিচালনা কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকলে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ খান বলেন, 'একজন ভালো খেলোয়াড়কে সারা পৃথিবীর মানুষ চেনে। খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেকে এবং দেশকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরা যায়। তাই বর্তমান বিএনপি সরকার খেলাধুলার উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। খেলোয়াড়দের জন্য কার্ডের কথা বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিশু-কিশোরদের মেধা বিকাশে নতুন কুঁড়িসহ বি়ভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। '
অনুষ্ঠানের গেস্ট অব অনার বাবুগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'বর্তমানে মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন এবং সামাজিক অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। একমাত্র খেলাধুলাই পারে শরীর এবং মনকে পরিপূর্ণ সুস্থ রাখতে। তাই প্রতিটি গ্রাম, পাড়া-মহল্লায় বেশিবেশি বিভিন্ন খেলাধুলার চর্চা করা উচিত। দেশিয় ও লোকজ খেলার পাশাপাশি মৌসুম ভিত্তিক বিভিন্ন টুর্নামেন্টের আয়োজন করা উচিত। হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ কাজটা শুরু করার জন্য। তাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকুক।'
আয়োজক হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও ক্রীড়ানুরাগী মোঃ আসাদুল্লাহ বলেন, 'সমাজ এবং মানুষের জন্য কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন। এই ফাউন্ডেশন তার জন্মলগ্ন থেকেই মানবসেবা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় চর্চাসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। অসহায় মানুষকে বিভিন্ন সাহায্য-সহযোগিতাসহ তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। সমাজের জন্য অবদান রাখার চেষ্টা করছে। ভবিষ্যতেও হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের এই জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এজন্য সকল রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা প্রয়োজন।' #

১১ মে, ২০২৬ ১৮:৫৯
তিন ম্যাচ পর অবশেষে জয়ে ফিরেছে সান্তোস। ব্রাজিলের শীর্ষ ফুটবল লিগে উরবানো কালদেরা মাঠে রেড বুল ব্রাগান্টিনোকে ২-০ গোলে হারিয়েছে নেইমারের দল। গোলের দেখা পেয়েছেন নেইমারের।
জয়ে ফিরে পয়েন্ট তালিকার ১৬তম স্থান থেকে ১৪তম স্থানে উঠে এসেছে দলটি।
প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে এগিয়ে যায় সান্তোস। অতিরক্ত সময়ের পঞ্চম মিনিটে গোল করেন নেইমার। পাল্টা আক্রমণে গ্যাব্রিয়েল বোন্টেম্পোর বাড়ানো বল থেকে বাঁ পায়ের শটে জাল খুঁজে নেন তিনি। লিড নিয়ে বিরতিতে যায় সান্তোস।
বিরতির পর সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় ব্রাগান্টিনো। তবে সান্তোসের গোলরক্ষক ডিওগেনেস একের পর এক দুর্দান্ত রক্ষণে দলকে এগিয়ে রাখেন। পুরো ম্যাচে তিনি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বল ঠেকান।
৭০ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন বন্তেম্পো। তার বদলি হিসেবে নামেন রনি।
এরপর ৭৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে সান্তোস। স্থির বলের সুযোগ থেকে গোল করেন অ্যাডোনিস ফ্রিয়াস।
পুরো ম্যাচে ৫৩ দশমিক ২ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল সান্তোস। তারা সাতটি কর্নারের সুযোগও পায়। অন্যদিকে ব্রাগান্টিনো ১১টি আক্রমণাত্মক শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে মাত্র তিনটি।
আগামী ম্যাচে ব্রাজিল কাপের খেলায় করিতিবার মুখোমুখি হবে সান্তোস। আর ব্রাগান্তিনো খেলবে মিরাসলের বিপক্ষে।
বরিশাল টাইমস
তিন ম্যাচ পর অবশেষে জয়ে ফিরেছে সান্তোস। ব্রাজিলের শীর্ষ ফুটবল লিগে উরবানো কালদেরা মাঠে রেড বুল ব্রাগান্টিনোকে ২-০ গোলে হারিয়েছে নেইমারের দল। গোলের দেখা পেয়েছেন নেইমারের।
জয়ে ফিরে পয়েন্ট তালিকার ১৬তম স্থান থেকে ১৪তম স্থানে উঠে এসেছে দলটি।
প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে এগিয়ে যায় সান্তোস। অতিরক্ত সময়ের পঞ্চম মিনিটে গোল করেন নেইমার। পাল্টা আক্রমণে গ্যাব্রিয়েল বোন্টেম্পোর বাড়ানো বল থেকে বাঁ পায়ের শটে জাল খুঁজে নেন তিনি। লিড নিয়ে বিরতিতে যায় সান্তোস।
বিরতির পর সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় ব্রাগান্টিনো। তবে সান্তোসের গোলরক্ষক ডিওগেনেস একের পর এক দুর্দান্ত রক্ষণে দলকে এগিয়ে রাখেন। পুরো ম্যাচে তিনি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বল ঠেকান।
৭০ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন বন্তেম্পো। তার বদলি হিসেবে নামেন রনি।
এরপর ৭৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে সান্তোস। স্থির বলের সুযোগ থেকে গোল করেন অ্যাডোনিস ফ্রিয়াস।
পুরো ম্যাচে ৫৩ দশমিক ২ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল সান্তোস। তারা সাতটি কর্নারের সুযোগও পায়। অন্যদিকে ব্রাগান্টিনো ১১টি আক্রমণাত্মক শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে মাত্র তিনটি।
আগামী ম্যাচে ব্রাজিল কাপের খেলায় করিতিবার মুখোমুখি হবে সান্তোস। আর ব্রাগান্তিনো খেলবে মিরাসলের বিপক্ষে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.