
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫২
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় গভীর রাতে আবাসিক হোটেল কুয়াকাটা গেস্ট হাউসের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বিরুদ্ধে।
এমন অভিযোগ এনে নিজ ভাগিনা কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সহকারী বাইতুলমাল সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী হোটেল মালিক ও কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এমএ মোতালেব শরীফ।
এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরে ৯৯৯ এ কল দিয়ে আইনি সহায়তা চাইলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তার ভাগিনার নেতৃত্বে বেশকিছু লোকদেশীয় অস্ত্র নিয়ে হোটেল সংলগ্ন জমির পেছনের দিক দিয়ে প্রবেশ করে এবং সীমানা প্রাচীর ভেঙে দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় হোটেল কর্তৃপক্ষ বাধা দিলে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়।
এ বিষয় ভুক্তভোগী হোটেল মালিক এমএ মোতালেব শরীফ কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকে লিখিত অভিযোগ করে বলেন, কুয়াকাটা গেস্ট হাউস সংলগ্ন ১২৬৪/১২৬২ ডি নং খতিয়ানে আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে ৫৬/১৪ বণ্টন মোকদ্দমার মাধ্যমে বোনদের জমি দুই খতিয়ানের দক্ষিণ ভাগে ১২৬৪ খতিয়ানের মাধ্যমে ডিগ্রি প্রাপ্ত হয়ে আদালত ভাই বোনদের জমি বুঝিয়ে দেয় ২০১৮ সালে। পরবর্তীতে আত্মীয় ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে সাহেদা, জাহানারা, শাহীনুর ৩৮৫/২৩ নং ডিক্রি রদের মোকাদ্দমার মাধ্যমে জমির ওপর ২০২৪ সালে আদেশ হয়।
তা সত্ত্বেও গত ৩ ফেব্রুয়ারি ওই মামলার পক্ষগণের মাধ্যমে জাহানারা, শাহীনুর, সাহেদা আমার কাছে এসে আমার আবাসিক হোটেল গেস্ট হাউজের পেছনে ঢুকে ঘর তৈরি করবে বলে হুমকি দেয়।
তারই প্রেক্ষিতে আমি মহিপুর থানায় এক অভিযোগ দায়ের করি। পরে ০৬/০২/২০২৬ ইং তারিখ মধ্যে রাত ৩টার দিকে আমার কুয়াকাটা গেস্ট হাউজের বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে অভিযুক্ত জাহানারা, শাহিনুর, শাহেদার সাথে জামায়াতে ইসলামী নেতা শাহাবুদ্দিন, শামিম ও অন্যান্য ১৫/২০ জন মিলে একটি টিনের বেড়ার মাধ্যমে জমি দখলের উদ্দেশ্যে ঘর তৈরির ব্যবস্থা করে।
গভীর রাতে বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে বেআইনিভাবে হোটেল ও বাড়ি দখলের চেষ্টা করে। ওই রাতে আমি ৯৯৯ নম্বরে অভিযোগ জানালে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশের একটি টিম আসে এবং আমি সাংবাদিকদেরও ঘটনাটি অবহিত করি।
তিনি আরও বলেন, আমার বাবার মৃত্যুতে বোনদের জমিবাবদ সাহেদা বেগমের সাড়ে ৩৪ শতাংশের ভেতর ২২ শতাংশ জমি খান প্যালেসের রহিম খানের কাছে বিক্রি করেন।
বাকি সাড়ে ১২ শতাংশ বাবদ এক লাখ ২৪ হাজার টাকা ২০০২ সালে নিয়ে যায়। অন্যান্য বোনদের জমির সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করা হয়। কিন্তু জমির দলিল আজ-কাল করে এখন পর্যন্ত দেয়নি। বর্তমানে দলিল না দিয়ে জোড়পূর্বক আমার জমি দখলের চেষ্টা করছে তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোনো জমি দখল করতে যাইনি। এখানে আমার মা ও খালারা তাদের ন্যায্য অংশ পাবে।
দীর্ঘদিন ধরে আমরা আমাদের জায়গা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু মামা আমাদের বুঝিয়ে দেননি। তাই নিজেদের জায়গা বুঝে নেওয়ার জন্য আমরা সেখানে গিয়েছি। এখানে আমি বা আমার মা-খালারা কোনো অন্যায় করেনি।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাই।
বিষয়টি জমি সংক্রান্ত বিরোধ। এটি আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে। তারপরও সাময়িকভাবে উভয় পক্ষকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেছি।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় গভীর রাতে আবাসিক হোটেল কুয়াকাটা গেস্ট হাউসের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বিরুদ্ধে।
এমন অভিযোগ এনে নিজ ভাগিনা কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সহকারী বাইতুলমাল সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী হোটেল মালিক ও কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এমএ মোতালেব শরীফ।
এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরে ৯৯৯ এ কল দিয়ে আইনি সহায়তা চাইলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তার ভাগিনার নেতৃত্বে বেশকিছু লোকদেশীয় অস্ত্র নিয়ে হোটেল সংলগ্ন জমির পেছনের দিক দিয়ে প্রবেশ করে এবং সীমানা প্রাচীর ভেঙে দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় হোটেল কর্তৃপক্ষ বাধা দিলে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়।
এ বিষয় ভুক্তভোগী হোটেল মালিক এমএ মোতালেব শরীফ কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকে লিখিত অভিযোগ করে বলেন, কুয়াকাটা গেস্ট হাউস সংলগ্ন ১২৬৪/১২৬২ ডি নং খতিয়ানে আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে ৫৬/১৪ বণ্টন মোকদ্দমার মাধ্যমে বোনদের জমি দুই খতিয়ানের দক্ষিণ ভাগে ১২৬৪ খতিয়ানের মাধ্যমে ডিগ্রি প্রাপ্ত হয়ে আদালত ভাই বোনদের জমি বুঝিয়ে দেয় ২০১৮ সালে। পরবর্তীতে আত্মীয় ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে সাহেদা, জাহানারা, শাহীনুর ৩৮৫/২৩ নং ডিক্রি রদের মোকাদ্দমার মাধ্যমে জমির ওপর ২০২৪ সালে আদেশ হয়।
তা সত্ত্বেও গত ৩ ফেব্রুয়ারি ওই মামলার পক্ষগণের মাধ্যমে জাহানারা, শাহীনুর, সাহেদা আমার কাছে এসে আমার আবাসিক হোটেল গেস্ট হাউজের পেছনে ঢুকে ঘর তৈরি করবে বলে হুমকি দেয়।
তারই প্রেক্ষিতে আমি মহিপুর থানায় এক অভিযোগ দায়ের করি। পরে ০৬/০২/২০২৬ ইং তারিখ মধ্যে রাত ৩টার দিকে আমার কুয়াকাটা গেস্ট হাউজের বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে অভিযুক্ত জাহানারা, শাহিনুর, শাহেদার সাথে জামায়াতে ইসলামী নেতা শাহাবুদ্দিন, শামিম ও অন্যান্য ১৫/২০ জন মিলে একটি টিনের বেড়ার মাধ্যমে জমি দখলের উদ্দেশ্যে ঘর তৈরির ব্যবস্থা করে।
গভীর রাতে বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে বেআইনিভাবে হোটেল ও বাড়ি দখলের চেষ্টা করে। ওই রাতে আমি ৯৯৯ নম্বরে অভিযোগ জানালে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশের একটি টিম আসে এবং আমি সাংবাদিকদেরও ঘটনাটি অবহিত করি।
তিনি আরও বলেন, আমার বাবার মৃত্যুতে বোনদের জমিবাবদ সাহেদা বেগমের সাড়ে ৩৪ শতাংশের ভেতর ২২ শতাংশ জমি খান প্যালেসের রহিম খানের কাছে বিক্রি করেন।
বাকি সাড়ে ১২ শতাংশ বাবদ এক লাখ ২৪ হাজার টাকা ২০০২ সালে নিয়ে যায়। অন্যান্য বোনদের জমির সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করা হয়। কিন্তু জমির দলিল আজ-কাল করে এখন পর্যন্ত দেয়নি। বর্তমানে দলিল না দিয়ে জোড়পূর্বক আমার জমি দখলের চেষ্টা করছে তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোনো জমি দখল করতে যাইনি। এখানে আমার মা ও খালারা তাদের ন্যায্য অংশ পাবে।
দীর্ঘদিন ধরে আমরা আমাদের জায়গা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু মামা আমাদের বুঝিয়ে দেননি। তাই নিজেদের জায়গা বুঝে নেওয়ার জন্য আমরা সেখানে গিয়েছি। এখানে আমি বা আমার মা-খালারা কোনো অন্যায় করেনি।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাই।
বিষয়টি জমি সংক্রান্ত বিরোধ। এটি আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে। তারপরও সাময়িকভাবে উভয় পক্ষকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেছি।

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:৫০
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটক মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) মহিপুর থানার মিস্ত্রিপাড়া (লতাচাপলী) এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলম হাওলাদার ওরফে শাহ-আলম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস অভিযানিক দল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদারকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটা ও আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সাথে জড়িত। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:২৭
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৬:০৯
পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত দুইজন হলেন- চৌদ্দবুড়িয়া এলাকার শিকদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ নূহু (২৫) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আশরাফ চৌকিদার ওরফে আশরাফ মোল্লা (৪৫)। তারা দুইজনেই শ্রমিকের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বাড়ির টয়লেটের জন্য সদ্য নির্মিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে সংস্কার কাজ করতে নামেন শ্রমিক মোহাম্মদ নূহু। কাজ করার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে যান।
পরে তাকে উদ্ধার করতে ভেতরে নামেন আশরাফ মোল্লা। একপর্যায়ে তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন ট্যাংকের একটি অংশ ভেঙে দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন।
স্থানীয়দের ধারণা, ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটক মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) মহিপুর থানার মিস্ত্রিপাড়া (লতাচাপলী) এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলম হাওলাদার ওরফে শাহ-আলম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস অভিযানিক দল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদারকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটা ও আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সাথে জড়িত। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত দুইজন হলেন- চৌদ্দবুড়িয়া এলাকার শিকদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ নূহু (২৫) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আশরাফ চৌকিদার ওরফে আশরাফ মোল্লা (৪৫)। তারা দুইজনেই শ্রমিকের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বাড়ির টয়লেটের জন্য সদ্য নির্মিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে সংস্কার কাজ করতে নামেন শ্রমিক মোহাম্মদ নূহু। কাজ করার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে যান।
পরে তাকে উদ্ধার করতে ভেতরে নামেন আশরাফ মোল্লা। একপর্যায়ে তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন ট্যাংকের একটি অংশ ভেঙে দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন।
স্থানীয়দের ধারণা, ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।