বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এতে অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে বরিশাল সদর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্মুখে বরিশাল-ভোলা সড়কে এই লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। এর আগে সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা সড়কটি অবরোধ করে রাখলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান গঠনের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। কিন্তু সরকার তাদের দাবি মেনে না নেওয়ায় সর্বশেষ বুধবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা বরিশাল-ভোলা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এতে সড়কের দুই প্রান্তে যানজটের সৃষ্টি হলে দেখা দেয় জনভোগান্তি। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সরে গিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার অনুরোধ রাখেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা সাফ জানিয়ে দেন, দাবি বাস্তবায়নের আগ পর্যন্ত তারা সড়ক থেকে সরছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনার একপর্যায়ে দুপুরে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। এবং আন্দোলনরতদের ছত্রভঙ্গ করে রাস্তা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে। পুলিশের এই লাঠিচার্জে অন্তত ২০ আন্দোলনকারী আহত হলেও তাদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থী ধ্রুব বিশ্বাস বলেন, ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির আদলে একটি কার্যকর, টেকসই ও স্বায়ত্তশাসিত কমিশন গঠনের দাবিতে আমাদের ধারাবাহিক আন্দোলন চলছে। এরই অংশ হিসেবে বুধবার মহাসড়ক অবরোধ করা হলে বন্দর থানা পুলিশ সরে যেতে বলে। কিন্তু দাবি বাস্তবায়নের আগে আন্দোলনরত রাস্তা ছাড়ছে না জানিয়ে দেওয়া হলে তারা লাঠিচার্জ শুরু করে। এতে অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হন, তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তবে বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলছেন, শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের নামে সড়ক অবরোধ করে জনভোগান্তি তৈরি করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী গিয়ে তাদের সড়ক ছেড়ে দিতে বলেন, কিন্তু তারপরেও তারা সরছিলেন। পরে পুলিশ গিয়ে একই অনুরোধ রাখলে তাও প্রত্যাখান করে শিক্ষার্থীরা। এবং তারা পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে পানির বোতল-ইট ছুড়ে মারতে থাকেন। এরপরে তাদের লাঠিচার্জ করে সড়ক থেকে হঠিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়, জানান ওসি।’

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১৬
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ইঞ্জিন বিকল হয়ে চরম বিপদাপন্ন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন ভোলা ও পটুয়াখালীর ১৮ জন মাঝিমাল্লা। টানা কয়েকদিন ধরে উত্তাল সাগরে ভাসতে থাকা এসব জেলেদের উদ্ধারে আকুতি জানাচ্ছে তাদের পরিবার। তবে বৈরী আবহাওয়া, উপযুক্ত নৌযান ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকার অজুহাতে উদ্ধার অভিযানে যেতে অপারগতা প্রকাশ করেছে কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশ।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সোনারচরসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের মোহনা থেকে প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণে গভীরে বর্তমানে ট্রলারটি অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার ভোরে ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার মাছঘাট থেকে ১৮ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যান ট্রলারের মাঝি হানিফ মিয়া। কিন্তু সাগরে পৌঁছানোর পরপরই ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। এরপর থেকে উত্তাল সাগরে ঢেউয়ের তোড়ে ভাসছেন তারা। আশপাশে থাকা অন্য ট্রলারগুলোর কাছে হাত ইশারা করে সাহায্য চাওয়া হলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কেউ কাছে ভিড়তে সাহস পায়নি।
বিপদগ্রস্ত জেলেদের উদ্ধারে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরসহ রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশের কাছে একাধিকবার সাহায্য চাওয়া হয়েছে। রাজধানীতে অবস্থানরত মৎস্য ব্যবসায়ী জুনায়েত হাসান ও মাঝির ছেলে মেহেদী হাসান জানান, মঙ্গলবার রাতেও মাঝিমাল্লাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয়েছে। তারা চরম আতঙ্কে রয়েছেন এবং দ্রুত উদ্ধারের আকুতি জানাচ্ছেন।
তবে রাঙ্গাবালী কোস্টগার্ডের কর্মকর্তা মো. আমজাদ হোসেন জানান, দুর্ঘটনাস্থলটি অনেক দূরে এবং সেখানে যেতে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগবে। উত্তাল সাগরে যাওয়ার মতো উপযুক্ত নৌযান, জনবল বা সরঞ্জাম তাদের কাছে নেই। ফলে তাদের উদ্ধারকারী দলের নিরাপত্তাও ঝুঁকিতে পড়বে। বিষয়টি ভোলা কোস্টগার্ড ও স্থানীয় ট্রলার মালিক সমিতিকে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে রাঙ্গাবালী নৌপুলিশের ইনচার্জ মো. জায়েদুর রহমান জানান, তাদের সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে সাগরে থাকা অন্যান্য মাছ ধরার ট্রলারের মাধ্যমে জেলেদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসনসহ উচ্চপর্যায়ে জানানো হয়েছে। আটকে পড়া ১৮ জন জেলেকে কীভাবে দ্রুত ও নিরাপদে ফিরিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।
এদিকে সাগরে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা ১৮ জেলেকে দ্রুত জীবিত উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী ও উদ্ধারকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্বজনরা।
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ইঞ্জিন বিকল হয়ে চরম বিপদাপন্ন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন ভোলা ও পটুয়াখালীর ১৮ জন মাঝিমাল্লা। টানা কয়েকদিন ধরে উত্তাল সাগরে ভাসতে থাকা এসব জেলেদের উদ্ধারে আকুতি জানাচ্ছে তাদের পরিবার। তবে বৈরী আবহাওয়া, উপযুক্ত নৌযান ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকার অজুহাতে উদ্ধার অভিযানে যেতে অপারগতা প্রকাশ করেছে কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশ।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সোনারচরসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের মোহনা থেকে প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণে গভীরে বর্তমানে ট্রলারটি অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার ভোরে ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার মাছঘাট থেকে ১৮ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যান ট্রলারের মাঝি হানিফ মিয়া। কিন্তু সাগরে পৌঁছানোর পরপরই ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। এরপর থেকে উত্তাল সাগরে ঢেউয়ের তোড়ে ভাসছেন তারা। আশপাশে থাকা অন্য ট্রলারগুলোর কাছে হাত ইশারা করে সাহায্য চাওয়া হলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কেউ কাছে ভিড়তে সাহস পায়নি।
বিপদগ্রস্ত জেলেদের উদ্ধারে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরসহ রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশের কাছে একাধিকবার সাহায্য চাওয়া হয়েছে। রাজধানীতে অবস্থানরত মৎস্য ব্যবসায়ী জুনায়েত হাসান ও মাঝির ছেলে মেহেদী হাসান জানান, মঙ্গলবার রাতেও মাঝিমাল্লাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয়েছে। তারা চরম আতঙ্কে রয়েছেন এবং দ্রুত উদ্ধারের আকুতি জানাচ্ছেন।
তবে রাঙ্গাবালী কোস্টগার্ডের কর্মকর্তা মো. আমজাদ হোসেন জানান, দুর্ঘটনাস্থলটি অনেক দূরে এবং সেখানে যেতে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগবে। উত্তাল সাগরে যাওয়ার মতো উপযুক্ত নৌযান, জনবল বা সরঞ্জাম তাদের কাছে নেই। ফলে তাদের উদ্ধারকারী দলের নিরাপত্তাও ঝুঁকিতে পড়বে। বিষয়টি ভোলা কোস্টগার্ড ও স্থানীয় ট্রলার মালিক সমিতিকে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে রাঙ্গাবালী নৌপুলিশের ইনচার্জ মো. জায়েদুর রহমান জানান, তাদের সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে সাগরে থাকা অন্যান্য মাছ ধরার ট্রলারের মাধ্যমে জেলেদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসনসহ উচ্চপর্যায়ে জানানো হয়েছে। আটকে পড়া ১৮ জন জেলেকে কীভাবে দ্রুত ও নিরাপদে ফিরিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।
এদিকে সাগরে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা ১৮ জেলেকে দ্রুত জীবিত উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী ও উদ্ধারকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্বজনরা।

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৫৬
বরিশালের বাবুগঞ্জে চুরির সময় চোরাই মালামালসহ এক নারী ও তার আপন ভাইকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরে তাদের গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
আটকরা হলেন—মুলাদী উপজেলার গাছুয়া গ্রামের আবদুর রহমান সরদারের মেয়ে রুমা আক্তার (৩৫) ও তার ভাই জসিম সরদার (৪০)।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের আগরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে আগরপুর গ্রামের একটি টিটুর চায়ের দোকানসহ ব্রাহ্মণদিয়া গ্রামের হানিফ হাওলাদার, আরিফ আকন, আসাদুল ইসলামসহ একাধিক বাড়িতে সংঘবদ্ধ চুরির ঘটনা ঘটে।
পরে টিটুর চায়ের দোকানে চুরির ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দুই চোরকে শনাক্ত করা হয়। এরপর স্থানীয়রা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে রুমা আক্তার ও জসিম সরদারকে আটক করেন।
আগরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে ওই নারী ও পুরুষকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মিলন জানান, জসিম সরদারের কাছ থেকে টিটুর চায়ের দোকান থেকে চুরি হওয়া একটি ডলারসহ নগদ টাকা এবং রুমা আক্তারের কাছ থেকে চুরি যাওয়া পাঁচটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।’
বরিশালের বাবুগঞ্জে চুরির সময় চোরাই মালামালসহ এক নারী ও তার আপন ভাইকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরে তাদের গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
আটকরা হলেন—মুলাদী উপজেলার গাছুয়া গ্রামের আবদুর রহমান সরদারের মেয়ে রুমা আক্তার (৩৫) ও তার ভাই জসিম সরদার (৪০)।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের আগরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে আগরপুর গ্রামের একটি টিটুর চায়ের দোকানসহ ব্রাহ্মণদিয়া গ্রামের হানিফ হাওলাদার, আরিফ আকন, আসাদুল ইসলামসহ একাধিক বাড়িতে সংঘবদ্ধ চুরির ঘটনা ঘটে।
পরে টিটুর চায়ের দোকানে চুরির ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দুই চোরকে শনাক্ত করা হয়। এরপর স্থানীয়রা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে রুমা আক্তার ও জসিম সরদারকে আটক করেন।
আগরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে ওই নারী ও পুরুষকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মিলন জানান, জসিম সরদারের কাছ থেকে টিটুর চায়ের দোকান থেকে চুরি হওয়া একটি ডলারসহ নগদ টাকা এবং রুমা আক্তারের কাছ থেকে চুরি যাওয়া পাঁচটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।’

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:২৫
বরিশাল নগরীতে মিছিল নিয়ে এসে বিভাগীয় কমিশনার ও রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের সামনে হাতবোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আনিসুর রহমান।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, “হঠাৎ করে বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে তাকিয়ে দেখি, কিছু লোক ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। তারা গড়িয়ার পাড়ের দিক থেকে এসে ককটেল ফাটিয়ে কেউ নথুল্লাবাদ এবং কেউ লাদেন সড়ক হয়ে পালিয়ে যায়।”
ঘটনাস্থলে থাকা বরিশাল মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. আনিসুর রহমান বলেন, “একটা বিকট শব্দের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। এখানে রাস্তার মধ্যে কিছু বিস্ফোরণের আলামত দেখছি।
এটি কিসের শব্দ ছিল সেটার উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। তবে আশে পাশে কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ওই এলাকার সিসিটিভি ভিডিও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”
তিনি বলেন, এখানে একটা মিছিলের খবরও পাওয়া গেছে। তবে কোন দল বা গোষ্ঠী মিছিল করেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
বরিশাল নগরীতে মিছিল নিয়ে এসে বিভাগীয় কমিশনার ও রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের সামনে হাতবোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আনিসুর রহমান।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, “হঠাৎ করে বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে তাকিয়ে দেখি, কিছু লোক ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। তারা গড়িয়ার পাড়ের দিক থেকে এসে ককটেল ফাটিয়ে কেউ নথুল্লাবাদ এবং কেউ লাদেন সড়ক হয়ে পালিয়ে যায়।”
ঘটনাস্থলে থাকা বরিশাল মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. আনিসুর রহমান বলেন, “একটা বিকট শব্দের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। এখানে রাস্তার মধ্যে কিছু বিস্ফোরণের আলামত দেখছি।
এটি কিসের শব্দ ছিল সেটার উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। তবে আশে পাশে কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ওই এলাকার সিসিটিভি ভিডিও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”
তিনি বলেন, এখানে একটা মিছিলের খবরও পাওয়া গেছে। তবে কোন দল বা গোষ্ঠী মিছিল করেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

০৯ জুলাই, ২০২৫ ১৬:২৩
বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এতে অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে বরিশাল সদর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্মুখে বরিশাল-ভোলা সড়কে এই লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। এর আগে সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা সড়কটি অবরোধ করে রাখলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান গঠনের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। কিন্তু সরকার তাদের দাবি মেনে না নেওয়ায় সর্বশেষ বুধবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা বরিশাল-ভোলা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এতে সড়কের দুই প্রান্তে যানজটের সৃষ্টি হলে দেখা দেয় জনভোগান্তি। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সরে গিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার অনুরোধ রাখেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা সাফ জানিয়ে দেন, দাবি বাস্তবায়নের আগ পর্যন্ত তারা সড়ক থেকে সরছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনার একপর্যায়ে দুপুরে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। এবং আন্দোলনরতদের ছত্রভঙ্গ করে রাস্তা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে। পুলিশের এই লাঠিচার্জে অন্তত ২০ আন্দোলনকারী আহত হলেও তাদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থী ধ্রুব বিশ্বাস বলেন, ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির আদলে একটি কার্যকর, টেকসই ও স্বায়ত্তশাসিত কমিশন গঠনের দাবিতে আমাদের ধারাবাহিক আন্দোলন চলছে। এরই অংশ হিসেবে বুধবার মহাসড়ক অবরোধ করা হলে বন্দর থানা পুলিশ সরে যেতে বলে। কিন্তু দাবি বাস্তবায়নের আগে আন্দোলনরত রাস্তা ছাড়ছে না জানিয়ে দেওয়া হলে তারা লাঠিচার্জ শুরু করে। এতে অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হন, তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তবে বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলছেন, শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের নামে সড়ক অবরোধ করে জনভোগান্তি তৈরি করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী গিয়ে তাদের সড়ক ছেড়ে দিতে বলেন, কিন্তু তারপরেও তারা সরছিলেন। পরে পুলিশ গিয়ে একই অনুরোধ রাখলে তাও প্রত্যাখান করে শিক্ষার্থীরা। এবং তারা পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে পানির বোতল-ইট ছুড়ে মারতে থাকেন। এরপরে তাদের লাঠিচার্জ করে সড়ক থেকে হঠিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়, জানান ওসি।’
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১১
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৪
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:১৬
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৪