
০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৪
এবারের নির্বাচনে আলেমদের মধ্যে একসঙ্গে দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন একমাত্র মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির। শায়খে চরমোনাই হিসেবে পরিচিত। নিজ এলাকা বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসন থেকে তিনি হাতপাখা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুটি আসনেই তিনি প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতার তালিকায় রয়েছেন।
শুরুতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ জোটে ছিল। মূলত এই জোটের উদ্যোক্তা ছিল ইসলামী আন্দোলন। আট দল মিলে বিভাগীয় সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করে। তবে শেষ মুহূর্তে আসন ভাগাভাগিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ইসলামী আন্দোলন ঘোষণা দিয়ে জোট থেকে বেরিয়ে যায়। ২৬০টি আসনে এককভাবেই লড়াই করছে ইসলামী আন্দোলন। দলটি যেসব আসন নিয়ে স্বপ্ন দেখছে এর মধ্যে শায়খে চরমোনাইয়ের দুটি আসনও রয়েছে। দুটি আসনেই জয় পাওয়ার সম্ভাবনা দেখছে ইসলামী আন্দোলন।
বরিশাল-৫ (সদর) আসনেই চরমোনাই দরবার অবস্থিত। আসনটি চরমোনাই পীরের নিজের আসন হিসেবে পরিচিত। প্রতিটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনেই এই আসনে চরমোনাই পীর পরিবারের কোনো না কোনো সদস্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। উল্লেখযোগ্য পরিমাণ একটা ভোটব্যাংকও আছে ইসলামী আন্দোলনের। মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীমও এই আসনে একাধিকবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তবে তিনি আলোচিত হন ২০২৩ সালে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে। আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিএনপির বর্জন করা সেই নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন শায়খে চরমোনাই। অনেকের ধারণা ছিল, সরকারবিরোধী জোয়ারের মধ্যে তিনি মেয়র পদে বাজিমাত করবেন। তবে ভোটের দিন ব্যাপক কারচুপির পাশাপাশি তার ওপর সরাসরি হামলা করা হয়। তার রক্তাক্ত ছবি সেই সময় আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল দেশজুড়ে।
শায়খে চরমোনাইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মূল আসন হলো বরিশাল-৫। সিটি করপোরেশন ও কয়েকটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত আসনটি বরাবরই বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তবে গত তিনটি নির্বাচনে আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। ২০১৮ সালের রাতের ভোট হিসেবে পরিচিত নির্বাচনেও এখানে হাতপাখার প্রার্থী ছিলেন শায়খে চরমোনাই। তবে সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নগ্ন হস্তক্ষেপের সামনে কেউই পাত্তা পায়নি। এবার আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে আসনটি ঘিরে নতুন হিসাব-নিকাশ সামনে আসছে।
জামায়াতের সঙ্গে জোট ভেঙে গেলেও এই আসনটিতে ইসলামী আন্দোলনকে ছাড় দিয়েছে দলটি। এখানে জামায়াত বা ১১ দলীয় জোটের কোনো প্রার্থী রাখা হয়নি। ফলে এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির মজিবুর রহমান সরওয়ারের সঙ্গে শায়খে চরমোনাইয়ের। কোনো কোনো সমীকরণে বিএনপির প্রার্থী এগিয়ে থাকলেও সমানে সমানে ইসলামী আন্দোলনও। এখানে দলটির একটি শক্ত অবস্থান আছে। একটি বড় ভোটব্যাংকও রয়েছে। তাছাড়া ইসলামি অন্য কোনো দলের প্রার্থী না থাকা এবং আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীমকে বাড়তি সুবিধা এনে দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে যাওয়াও দলটির প্রতি অনেককে ক্ষেপিয়ে তুলছে। সেই সুবিধা এখানে শায়খে চরমোনাই পেতে পারেন। শেষ পর্যন্ত মজিবুর রহমান সরওয়ারের মতো হেভিওয়েট প্রাথীকে পরাজিত করে রেকর্ড সৃষ্টি করতে পারেন শায়খে চরমোনাই।
যদিও কেউ কেউ মনে করছেন, বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত আসনটিতে ইসলামী আন্দোলনের হানা দেওয়া কঠিন হবে। তাছাড়া জামায়াতে ইসলামী বাহ্যিকভাবে ঘোষণা দিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও দলটি শেষ পর্যন্ত তাদের জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়া দলটির জয় চাইবে সেটা নিয়েও আছে সন্দেহ। সবমিলিয়েই এই আসনে শায়খে চরমোনাইয়ের জন্য উত্তরণ কঠিন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সদরের সঙ্গে লাগোয়া বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শায়খে চরমোনাই। এখানেও তিনি মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। এখানে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান। বরিশাল-৫ আসনে শায়খে চরমোনাইয়ের সম্মানে প্রার্থী সরিয়ে নিলেও এই আসনে জামায়াত প্রার্থিতায় রয়েছে। এখানে জামায়াতের প্রার্থী হয়েছেন মাওলানা মাহমুদুন্নবী প্রার্থী। যদিও এখানে জামায়াতের ভোটের পরিমাণ কম বলে মনে করা হয়। ফলে এই আসনে বিএনপির সঙ্গে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা শায়খে চরমোনাইয়েরই হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইসলামি দলগুলোর মধ্যে একসঙ্গে দুটি আসনে প্রার্থী হওয়া মুফতি ফয়জুল করীম সম্ভাবনার দিক থেকে কোন আসনে এগিয়ে আছেন সেটা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। তবে দলটি দুটি আসনেই জয়ের আশা করছে। যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দুটি আসনেই সম্ভাবনার পাশাপাশি শঙ্কাও দেখছেন। বিজয়ী হয়ে সরকারে যাওয়ার সম্ভাবনায় থাকা বিএনপির প্রার্থীকে টেক্কা দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনা কঠিন হবে বলেই মনে করছেন তারা।
এবারের নির্বাচনে আলেমদের মধ্যে একসঙ্গে দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন একমাত্র মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির। শায়খে চরমোনাই হিসেবে পরিচিত। নিজ এলাকা বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসন থেকে তিনি হাতপাখা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুটি আসনেই তিনি প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতার তালিকায় রয়েছেন।
শুরুতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ জোটে ছিল। মূলত এই জোটের উদ্যোক্তা ছিল ইসলামী আন্দোলন। আট দল মিলে বিভাগীয় সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করে। তবে শেষ মুহূর্তে আসন ভাগাভাগিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ইসলামী আন্দোলন ঘোষণা দিয়ে জোট থেকে বেরিয়ে যায়। ২৬০টি আসনে এককভাবেই লড়াই করছে ইসলামী আন্দোলন। দলটি যেসব আসন নিয়ে স্বপ্ন দেখছে এর মধ্যে শায়খে চরমোনাইয়ের দুটি আসনও রয়েছে। দুটি আসনেই জয় পাওয়ার সম্ভাবনা দেখছে ইসলামী আন্দোলন।
বরিশাল-৫ (সদর) আসনেই চরমোনাই দরবার অবস্থিত। আসনটি চরমোনাই পীরের নিজের আসন হিসেবে পরিচিত। প্রতিটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনেই এই আসনে চরমোনাই পীর পরিবারের কোনো না কোনো সদস্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। উল্লেখযোগ্য পরিমাণ একটা ভোটব্যাংকও আছে ইসলামী আন্দোলনের। মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীমও এই আসনে একাধিকবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তবে তিনি আলোচিত হন ২০২৩ সালে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে। আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিএনপির বর্জন করা সেই নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন শায়খে চরমোনাই। অনেকের ধারণা ছিল, সরকারবিরোধী জোয়ারের মধ্যে তিনি মেয়র পদে বাজিমাত করবেন। তবে ভোটের দিন ব্যাপক কারচুপির পাশাপাশি তার ওপর সরাসরি হামলা করা হয়। তার রক্তাক্ত ছবি সেই সময় আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল দেশজুড়ে।
শায়খে চরমোনাইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মূল আসন হলো বরিশাল-৫। সিটি করপোরেশন ও কয়েকটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত আসনটি বরাবরই বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তবে গত তিনটি নির্বাচনে আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। ২০১৮ সালের রাতের ভোট হিসেবে পরিচিত নির্বাচনেও এখানে হাতপাখার প্রার্থী ছিলেন শায়খে চরমোনাই। তবে সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নগ্ন হস্তক্ষেপের সামনে কেউই পাত্তা পায়নি। এবার আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে আসনটি ঘিরে নতুন হিসাব-নিকাশ সামনে আসছে।
জামায়াতের সঙ্গে জোট ভেঙে গেলেও এই আসনটিতে ইসলামী আন্দোলনকে ছাড় দিয়েছে দলটি। এখানে জামায়াত বা ১১ দলীয় জোটের কোনো প্রার্থী রাখা হয়নি। ফলে এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির মজিবুর রহমান সরওয়ারের সঙ্গে শায়খে চরমোনাইয়ের। কোনো কোনো সমীকরণে বিএনপির প্রার্থী এগিয়ে থাকলেও সমানে সমানে ইসলামী আন্দোলনও। এখানে দলটির একটি শক্ত অবস্থান আছে। একটি বড় ভোটব্যাংকও রয়েছে। তাছাড়া ইসলামি অন্য কোনো দলের প্রার্থী না থাকা এবং আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীমকে বাড়তি সুবিধা এনে দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে যাওয়াও দলটির প্রতি অনেককে ক্ষেপিয়ে তুলছে। সেই সুবিধা এখানে শায়খে চরমোনাই পেতে পারেন। শেষ পর্যন্ত মজিবুর রহমান সরওয়ারের মতো হেভিওয়েট প্রাথীকে পরাজিত করে রেকর্ড সৃষ্টি করতে পারেন শায়খে চরমোনাই।
যদিও কেউ কেউ মনে করছেন, বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত আসনটিতে ইসলামী আন্দোলনের হানা দেওয়া কঠিন হবে। তাছাড়া জামায়াতে ইসলামী বাহ্যিকভাবে ঘোষণা দিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও দলটি শেষ পর্যন্ত তাদের জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়া দলটির জয় চাইবে সেটা নিয়েও আছে সন্দেহ। সবমিলিয়েই এই আসনে শায়খে চরমোনাইয়ের জন্য উত্তরণ কঠিন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সদরের সঙ্গে লাগোয়া বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শায়খে চরমোনাই। এখানেও তিনি মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। এখানে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান। বরিশাল-৫ আসনে শায়খে চরমোনাইয়ের সম্মানে প্রার্থী সরিয়ে নিলেও এই আসনে জামায়াত প্রার্থিতায় রয়েছে। এখানে জামায়াতের প্রার্থী হয়েছেন মাওলানা মাহমুদুন্নবী প্রার্থী। যদিও এখানে জামায়াতের ভোটের পরিমাণ কম বলে মনে করা হয়। ফলে এই আসনে বিএনপির সঙ্গে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা শায়খে চরমোনাইয়েরই হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইসলামি দলগুলোর মধ্যে একসঙ্গে দুটি আসনে প্রার্থী হওয়া মুফতি ফয়জুল করীম সম্ভাবনার দিক থেকে কোন আসনে এগিয়ে আছেন সেটা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। তবে দলটি দুটি আসনেই জয়ের আশা করছে। যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দুটি আসনেই সম্ভাবনার পাশাপাশি শঙ্কাও দেখছেন। বিজয়ী হয়ে সরকারে যাওয়ার সম্ভাবনায় থাকা বিএনপির প্রার্থীকে টেক্কা দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনা কঠিন হবে বলেই মনে করছেন তারা।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৩০
বরিশাল শহরের ২৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির শীর্ষ নেতা আব্দুল খালেক এবং তার পুত্র উজ্জল হাওলাদারের বিরুদ্ধে বিরোধপূর্ণ পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেলসংলগ্ন পুকুরে রোববার রাতে সেচ করে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত মণ মাছ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নিয়ে যায়। এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে পুকুরসহ ভূমির মালিক দাবিদার মোহসেনা শহীদের লোক শহিদকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এই মাছ লুটের ঘটনায় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খালেক এবং তার ছেলে উজ্জলকে অভিযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় মোহসেনা শহীদ একটি অভিযোগ করলে পুলিশ সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
মোহসেনা শহীদ অভিযোগ করেন, তার স্বামী জীবিত থাকাকালীন পুকুরসহ ভূমিটি বিএনপি নেতা আব্দুল খালেকের মাধ্যমে ক্রয় করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি এখন ভূমির মালিকানা দাবি করছেন এবং জোর-জবরদস্তি দখল দেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছেন। রোববার ছেলেসহ লোকজন নিয়ে পুকুর সেচ করে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত মণ মাছ জোরপূর্বক ধরে। তখন তাদের বাধা দিতে গিয়ে পাহারাদার শহিদ হুমকি-ধামকির শিকার হয়ে ভয়ে সরে গেলে মাছ ট্রাকভর্তি করে নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে মাছ চুরি বা লুটপাটের মতো গুরুতর এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল খালেক। বরং তিনি নিজেকে এই ভূমির মালিক দাবি করে মাছ ধরে নেওয়ার বিষয়ে সরল স্বীকারোক্তি দেন। বিএনপি নেতার দাবি, এই ভূমি নিয়ে তিনি আদালতে একটি মামলা করেছেন, কিন্তু বিবাদী মোহসেনা শহীদ সেই মামলায় আইনি লড়াইয়ে যাচ্ছেন না। সোমবার মোহসেনা শহীদের অভিযোগের সূত্র ধরে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. আল মামুন-উল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে। তবে যদ্দুর জানা গেছে, জমি নিয়ে আব্দুল খালেকের সাথে নারীর পূর্ব-বিরোধ রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও চলছে, জানান ওসি।’
বরিশাল শহরের ২৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির শীর্ষ নেতা আব্দুল খালেক এবং তার পুত্র উজ্জল হাওলাদারের বিরুদ্ধে বিরোধপূর্ণ পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেলসংলগ্ন পুকুরে রোববার রাতে সেচ করে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত মণ মাছ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নিয়ে যায়। এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে পুকুরসহ ভূমির মালিক দাবিদার মোহসেনা শহীদের লোক শহিদকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এই মাছ লুটের ঘটনায় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খালেক এবং তার ছেলে উজ্জলকে অভিযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় মোহসেনা শহীদ একটি অভিযোগ করলে পুলিশ সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
মোহসেনা শহীদ অভিযোগ করেন, তার স্বামী জীবিত থাকাকালীন পুকুরসহ ভূমিটি বিএনপি নেতা আব্দুল খালেকের মাধ্যমে ক্রয় করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি এখন ভূমির মালিকানা দাবি করছেন এবং জোর-জবরদস্তি দখল দেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছেন। রোববার ছেলেসহ লোকজন নিয়ে পুকুর সেচ করে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত মণ মাছ জোরপূর্বক ধরে। তখন তাদের বাধা দিতে গিয়ে পাহারাদার শহিদ হুমকি-ধামকির শিকার হয়ে ভয়ে সরে গেলে মাছ ট্রাকভর্তি করে নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে মাছ চুরি বা লুটপাটের মতো গুরুতর এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল খালেক। বরং তিনি নিজেকে এই ভূমির মালিক দাবি করে মাছ ধরে নেওয়ার বিষয়ে সরল স্বীকারোক্তি দেন। বিএনপি নেতার দাবি, এই ভূমি নিয়ে তিনি আদালতে একটি মামলা করেছেন, কিন্তু বিবাদী মোহসেনা শহীদ সেই মামলায় আইনি লড়াইয়ে যাচ্ছেন না। সোমবার মোহসেনা শহীদের অভিযোগের সূত্র ধরে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. আল মামুন-উল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে। তবে যদ্দুর জানা গেছে, জমি নিয়ে আব্দুল খালেকের সাথে নারীর পূর্ব-বিরোধ রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও চলছে, জানান ওসি।’

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৮
বরিশালের বাবুগঞ্জে ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের একযোগে বদলি করা হয়েছে। বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বদলির লিখিত এ আদেশ দেন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা সদর রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামকে হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ, মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আবুল বাশারকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন পরিষদ, কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউসুফ আলী দেওয়ানকে উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নে পরিষদে, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামকে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জিয়াউল হককে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদে বদলি করা হয়েছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমাউল হুসনা জানান, কাজের গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে একই উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। তাদের অন্যত্র বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের একযোগে বদলি করা হয়েছে। বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বদলির লিখিত এ আদেশ দেন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা সদর রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামকে হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ, মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আবুল বাশারকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন পরিষদ, কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউসুফ আলী দেওয়ানকে উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নে পরিষদে, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামকে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জিয়াউল হককে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদে বদলি করা হয়েছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমাউল হুসনা জানান, কাজের গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে একই উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। তাদের অন্যত্র বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০৭
বরিশালের উজিরপুরে মাছের ঘের দখলকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে উজিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগে, শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের মুড়িবাড়ি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল বলেন, সাতলা ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি সরোয়ার সরদার ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহাত খন্দকার তাদের সহযোগীদের নিয়ে গত বছর পটিবাড়ি এলাকার প্রায় ১৪শ’ একর মৎস্য ঘের দখল করেন।
জমির মালিকদের না জানিয়ে এ বছরও ওই ঘেরে মাছ চাষের চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। গত শনিবার বিকেলে জমির মালিকদের নিয়ে স্থানীয় মাহবুব খন্দকারের বাড়িতে সভা করা হলে সরোয়ার ও রাহাত তাদের লোকজন নিয়ে সভাস্থলে এসে তা পণ্ড করে দেন এবং জুয়েলকে খুঁজতে থাকেন। পরে ওইদিন রাত সাড়ে নয়টার দিকে মুড়িবাড়ি এলাকায় তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। এ সময় তার চিৎকারে ছুটে আসা যুবদল কর্মী মামুন হাওলাদারকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
আহতদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল সাতলা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য ও মামুন হাওলাদার যুবদলের কর্মী। অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা রাহাত খন্দকার বলেন, তারা কোনো হামলা করেননি বরং প্রতিপক্ষই তাদের ওপর হামলা করেছে।
এতে তাদের পক্ষের চারজন আহত হয়েছেন এবং সরোয়ার সরদারের অবস্থা গুরুতর। উজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের উজিরপুরে মাছের ঘের দখলকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে উজিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগে, শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের মুড়িবাড়ি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল বলেন, সাতলা ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি সরোয়ার সরদার ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহাত খন্দকার তাদের সহযোগীদের নিয়ে গত বছর পটিবাড়ি এলাকার প্রায় ১৪শ’ একর মৎস্য ঘের দখল করেন।
জমির মালিকদের না জানিয়ে এ বছরও ওই ঘেরে মাছ চাষের চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। গত শনিবার বিকেলে জমির মালিকদের নিয়ে স্থানীয় মাহবুব খন্দকারের বাড়িতে সভা করা হলে সরোয়ার ও রাহাত তাদের লোকজন নিয়ে সভাস্থলে এসে তা পণ্ড করে দেন এবং জুয়েলকে খুঁজতে থাকেন। পরে ওইদিন রাত সাড়ে নয়টার দিকে মুড়িবাড়ি এলাকায় তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। এ সময় তার চিৎকারে ছুটে আসা যুবদল কর্মী মামুন হাওলাদারকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
আহতদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল সাতলা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য ও মামুন হাওলাদার যুবদলের কর্মী। অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা রাহাত খন্দকার বলেন, তারা কোনো হামলা করেননি বরং প্রতিপক্ষই তাদের ওপর হামলা করেছে।
এতে তাদের পক্ষের চারজন আহত হয়েছেন এবং সরোয়ার সরদারের অবস্থা গুরুতর। উজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.