ঝালকাঠিতে বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মামলায় কারাগারে থাকা যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন শামীম (৪০) নির্দোষ দাবি করে তার জামিনের পক্ষে আদালতে হলফনামা (এফিডেভিট) দাখিল করেছেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২০ নেতা। পুলিশের প্রতিবেদনে শামীমকে যুবলীগ নেতা ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর ক্যাডার হিসেবে উল্লেখ করা হলেও, বিএনপি নেতারা আদালতে দেওয়া হলফনামায় সুপারিশ করেছেন, তিনি স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী এবং মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
গত বুধবার (১ জুলাই) ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে শামীমের জামিন শুনানির সময় বিষয়টি সামনে আসে। তবে শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এই সুপারিশের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের তুমুল ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
জামিন শুনানির সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনকে আদালত ভর্ৎসনা করেন বলে জানা গেছে। এ সময় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মাহেব হোসেন জামিন শুনানির সময় হলফনামা দাখিল এবং আইনজীবীকে ভর্ৎসনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় আদালতপাড়া ও শহরজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুমন মণ্ডল।
মামলায় জেলা যুবলীগ আহ্বায়ক রেজাউল করিম জাকির, যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল শরীফ এবং জেলা আওয়ামী লীগ নেতা তরুণ কর্মকার, থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহমুদসহ ১৪৬ জনকে আসামি করা হয়।
গত ১৬ জুন ঝালকাঠি থানা পুলিশ মামলাটিতে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন শামীমকে গ্রেপ্তার করে। এ মামলায় আটক শামীম বিএনপি নেতা ও এপিপি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনের ভগ্নিপতি বলে জানা গেছে।
জাকির হোসেন শামীমকে নির্দোষ দাবি করে যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে, তাতে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান, সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন খোকন, সহসভাপতি আনিচুজ্জামান চপল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ জিয়াউল ইসলাম, শহর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান এবং জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২০ নেতা স্বাক্ষর করেছেন।
হলফনামায় স্বাক্ষরকারীরা নিজেদের বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উপজেলা ও পৌর শাখার নেতা এবং ওই মামলার সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তারা হলফনামায় দাবি করেন, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জাকির হোসেন শামীমকে ঘটনাস্থলে বা আশপাশে কেউ দেখেননি। এমনকি সিসিটিভি ফুটেজেও তাকে দেখা যায়নি।
হলফনামায় আরও বলা হয়, শামীমের বিরুদ্ধে ওই ঘটনার কোনো সম্পৃক্ততার তথ্য তাদের জানা নেই। যদি তার সম্পৃক্ততা থাকত, তাহলে তারা বাদীকে বিষয়টি জানাতেন এবং এজাহারে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হতো।
এতে দাবি করা হয়, তদন্তকারী কর্মকর্তা শামীমকে গ্রেপ্তারের আগে কোনো সাক্ষী বা বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি এবং তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, শামীম ঝালকাঠি শহরের সিটি পার্ক রোড এলাকার বাসিন্দা। তিনি ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুলতান হোসেন খানের ছেলে। তার ছোট ভাই শাহীন খান পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, মা খাদিজা বেগম পৌর মহিলা দলের সাবেক সভাপতি এবং শামীম বর্তমানে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান ও পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মামলার সাক্ষী হিসেবে একজন নির্দোষ ব্যক্তির বিষয়ে এফিডেভিট দিয়েছি।
তবে মামলার বাদী ও পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুমন মণ্ডল বলেন, জাকির হোসেন শামীম আমার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নন। তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুনেছি, তিনি আগে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে তাকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিছিল-মিটিং ও কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে। আওয়ামী লীগের অনেক নেতার সঙ্গে তার ছবিও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যদিও তিনি আওয়ামী লীগের কোনো কমিটির সদস্য ছিলেন না, তবুও দলটির রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল।’

১৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৩১
১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ঝালকাঠির নলছিটিতে চার আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান সোহাগ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—সুবিদপুর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মোল্লা, কুলকাঠি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুল আলম মল্লিক, দপদপিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আব্দুল মালেক মোল্লা এবং নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মো. জলিলুর রহমান আকন্দ।
পুলিশ জানিয়েছে, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এড়াতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে চার নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

১৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:২৩
১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ঝালকাঠির নলছিটিতে চার আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান সোহাগ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—সুবিদপুর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মোল্লা, কুলকাঠি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুল আলম মল্লিক, দপদপিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আব্দুল মালেক মোল্লা এবং নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মো. জলিলুর রহমান আকন্দ।
পুলিশ জানিয়েছে, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এড়াতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে চার নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

১৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:১৯
প্রায় দুই বছর আগে ঝালকাঠি জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে নলছিটি থানা পুলিশ।
শুক্রবার( ১৪ আগস্ট) রাতে নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া মনির হাওলাদার (হাসান)। তিনি নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের ফুলহরি গ্রামের মৃত জৈনদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ সূত্র জানা গেছে,২০১৫ সালের একটি জিআর-১৪ (ঝালঃ) মামলায় আদালত মনির হাওলাদারকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। সাজা ভোগের সময় প্রায় দুই বছর আগে তিনি ঝালকাঠি জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের অংশ হিসেবে শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান সোহাগ বলেন, জেল থেকে পালিয়ে থাকা সাজাপ্রাপ্ত ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. মনির হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:২১
ঝালকাঠিতে বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মামলায় কারাগারে থাকা যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন শামীম (৪০) নির্দোষ দাবি করে তার জামিনের পক্ষে আদালতে হলফনামা (এফিডেভিট) দাখিল করেছেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২০ নেতা। পুলিশের প্রতিবেদনে শামীমকে যুবলীগ নেতা ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর ক্যাডার হিসেবে উল্লেখ করা হলেও, বিএনপি নেতারা আদালতে দেওয়া হলফনামায় সুপারিশ করেছেন, তিনি স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী এবং মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
গত বুধবার (১ জুলাই) ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে শামীমের জামিন শুনানির সময় বিষয়টি সামনে আসে। তবে শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এই সুপারিশের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের তুমুল ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
জামিন শুনানির সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনকে আদালত ভর্ৎসনা করেন বলে জানা গেছে। এ সময় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মাহেব হোসেন জামিন শুনানির সময় হলফনামা দাখিল এবং আইনজীবীকে ভর্ৎসনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় আদালতপাড়া ও শহরজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুমন মণ্ডল।
মামলায় জেলা যুবলীগ আহ্বায়ক রেজাউল করিম জাকির, যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল শরীফ এবং জেলা আওয়ামী লীগ নেতা তরুণ কর্মকার, থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহমুদসহ ১৪৬ জনকে আসামি করা হয়।
গত ১৬ জুন ঝালকাঠি থানা পুলিশ মামলাটিতে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন শামীমকে গ্রেপ্তার করে। এ মামলায় আটক শামীম বিএনপি নেতা ও এপিপি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনের ভগ্নিপতি বলে জানা গেছে।
জাকির হোসেন শামীমকে নির্দোষ দাবি করে যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে, তাতে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান, সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন খোকন, সহসভাপতি আনিচুজ্জামান চপল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ জিয়াউল ইসলাম, শহর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান এবং জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২০ নেতা স্বাক্ষর করেছেন।
হলফনামায় স্বাক্ষরকারীরা নিজেদের বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উপজেলা ও পৌর শাখার নেতা এবং ওই মামলার সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তারা হলফনামায় দাবি করেন, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জাকির হোসেন শামীমকে ঘটনাস্থলে বা আশপাশে কেউ দেখেননি। এমনকি সিসিটিভি ফুটেজেও তাকে দেখা যায়নি।
হলফনামায় আরও বলা হয়, শামীমের বিরুদ্ধে ওই ঘটনার কোনো সম্পৃক্ততার তথ্য তাদের জানা নেই। যদি তার সম্পৃক্ততা থাকত, তাহলে তারা বাদীকে বিষয়টি জানাতেন এবং এজাহারে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হতো।
এতে দাবি করা হয়, তদন্তকারী কর্মকর্তা শামীমকে গ্রেপ্তারের আগে কোনো সাক্ষী বা বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি এবং তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, শামীম ঝালকাঠি শহরের সিটি পার্ক রোড এলাকার বাসিন্দা। তিনি ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুলতান হোসেন খানের ছেলে। তার ছোট ভাই শাহীন খান পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, মা খাদিজা বেগম পৌর মহিলা দলের সাবেক সভাপতি এবং শামীম বর্তমানে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান ও পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মামলার সাক্ষী হিসেবে একজন নির্দোষ ব্যক্তির বিষয়ে এফিডেভিট দিয়েছি।
তবে মামলার বাদী ও পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুমন মণ্ডল বলেন, জাকির হোসেন শামীম আমার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নন। তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুনেছি, তিনি আগে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে তাকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিছিল-মিটিং ও কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে। আওয়ামী লীগের অনেক নেতার সঙ্গে তার ছবিও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যদিও তিনি আওয়ামী লীগের কোনো কমিটির সদস্য ছিলেন না, তবুও দলটির রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল।’
১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ঝালকাঠির নলছিটিতে চার আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান সোহাগ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—সুবিদপুর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মোল্লা, কুলকাঠি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুল আলম মল্লিক, দপদপিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আব্দুল মালেক মোল্লা এবং নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মো. জলিলুর রহমান আকন্দ।
পুলিশ জানিয়েছে, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এড়াতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে চার নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ঝালকাঠির নলছিটিতে চার আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান সোহাগ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—সুবিদপুর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মোল্লা, কুলকাঠি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুল আলম মল্লিক, দপদপিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আব্দুল মালেক মোল্লা এবং নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মো. জলিলুর রহমান আকন্দ।
পুলিশ জানিয়েছে, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এড়াতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে চার নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
প্রায় দুই বছর আগে ঝালকাঠি জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে নলছিটি থানা পুলিশ।
শুক্রবার( ১৪ আগস্ট) রাতে নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া মনির হাওলাদার (হাসান)। তিনি নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের ফুলহরি গ্রামের মৃত জৈনদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ সূত্র জানা গেছে,২০১৫ সালের একটি জিআর-১৪ (ঝালঃ) মামলায় আদালত মনির হাওলাদারকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। সাজা ভোগের সময় প্রায় দুই বছর আগে তিনি ঝালকাঠি জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের অংশ হিসেবে শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান সোহাগ বলেন, জেল থেকে পালিয়ে থাকা সাজাপ্রাপ্ত ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. মনির হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ০১:৩৩
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৪৪
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:২৯
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৬