
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১২:৪২
রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি: বরিশালের বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর খেয়া পারাপারের ভাড়া কমিয়ে দিয়ে প্রসংশিত হলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য দানবীরখ্যাত জননেতা এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু।
শুক্রবার সকালে নদীর দুপাড়ের খেয়াঘাট পরিদর্শন করে ইজারা সংশ্লিষ্টদেরকে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মৃধা কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু নির্দেশিত জনপ্রতি ৬ টাকা করে নেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে আসেন।
তিনি এসময় তাদের জানিয়ে আসেন যাত্রী, যানবাহন এবং পণ্য পরিবহণে সরকার নির্ধারিত টোলের ব্যতিরেকে এক টাকাও বেশি উত্তোলন করা যাবে না এবং এর ব্যতয় ঘটলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় পৌর বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান জুয়েল, উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল রেজা ,যুবদলের সদস্য সচিব মিজান ফকির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সরকার নির্ধারিত রেটের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছামত ভাড়া উত্তোলন করা হতো এবং ভাড়া উত্তোলনকারীদের রুক্ষ ও কর্কশ ভাষার কারণে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে বে-ইজ্জতি করা হতো। প্রতিদিন ছাত্র, শিক্ষক প্রতিবন্ধী, খেটে খাওয়া দিনমজুর শ্রমিক ও স্বল্প আয়ের মানুষ সহ হাজারো যাত্রী এই খেয়া পারাপার হন।
যাত্রী পারাপার ৬ টাকার পরিবর্তে ভাড়া ৮টাকা বাইসাইকেল পারাপার ৮ টাকার পরিবর্তে ১৫ থেকে ২০ টাকা, মোটরসাইকেল পারাপার ৩০ টাকার পরিবর্তে ৪০থেকে ৫০ টাকা, মালবাহী ভ্যান ১১০ টাকার পরিবর্তে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, এবং ফেরিওয়ালাদের ২০ টাকার পরিবর্তে নেওয়া হচ্ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা।
এমন অনেকেই আছেন যাদের প্রতিদিন তিন চার বার এই খেয়া পার হতে হয়। কারো প্রতি বিন্দুমাত্র সহানুভূতি ছিল না। ভয়ে কেউ কিছু বলতে পারতেন না। যা জনমনে চরম ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি করে।
উপজেলার পশ্চিম পাড়ের পাঁচটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষের উপজেলা ও জেলা শহরে যাওয়ার একমাত্র বাহন এই খেয়া পারাপার। এদিকে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর এ প্রসংশিত পদক্ষেপকে কৃতজ্ঞচিত্তে সাধুবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি: বরিশালের বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর খেয়া পারাপারের ভাড়া কমিয়ে দিয়ে প্রসংশিত হলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য দানবীরখ্যাত জননেতা এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু।
শুক্রবার সকালে নদীর দুপাড়ের খেয়াঘাট পরিদর্শন করে ইজারা সংশ্লিষ্টদেরকে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মৃধা কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু নির্দেশিত জনপ্রতি ৬ টাকা করে নেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে আসেন।
তিনি এসময় তাদের জানিয়ে আসেন যাত্রী, যানবাহন এবং পণ্য পরিবহণে সরকার নির্ধারিত টোলের ব্যতিরেকে এক টাকাও বেশি উত্তোলন করা যাবে না এবং এর ব্যতয় ঘটলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় পৌর বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান জুয়েল, উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল রেজা ,যুবদলের সদস্য সচিব মিজান ফকির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সরকার নির্ধারিত রেটের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছামত ভাড়া উত্তোলন করা হতো এবং ভাড়া উত্তোলনকারীদের রুক্ষ ও কর্কশ ভাষার কারণে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে বে-ইজ্জতি করা হতো। প্রতিদিন ছাত্র, শিক্ষক প্রতিবন্ধী, খেটে খাওয়া দিনমজুর শ্রমিক ও স্বল্প আয়ের মানুষ সহ হাজারো যাত্রী এই খেয়া পারাপার হন।
যাত্রী পারাপার ৬ টাকার পরিবর্তে ভাড়া ৮টাকা বাইসাইকেল পারাপার ৮ টাকার পরিবর্তে ১৫ থেকে ২০ টাকা, মোটরসাইকেল পারাপার ৩০ টাকার পরিবর্তে ৪০থেকে ৫০ টাকা, মালবাহী ভ্যান ১১০ টাকার পরিবর্তে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, এবং ফেরিওয়ালাদের ২০ টাকার পরিবর্তে নেওয়া হচ্ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা।
এমন অনেকেই আছেন যাদের প্রতিদিন তিন চার বার এই খেয়া পার হতে হয়। কারো প্রতি বিন্দুমাত্র সহানুভূতি ছিল না। ভয়ে কেউ কিছু বলতে পারতেন না। যা জনমনে চরম ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি করে।
উপজেলার পশ্চিম পাড়ের পাঁচটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষের উপজেলা ও জেলা শহরে যাওয়ার একমাত্র বাহন এই খেয়া পারাপার। এদিকে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর এ প্রসংশিত পদক্ষেপকে কৃতজ্ঞচিত্তে সাধুবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৯
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৩
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪১

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৩
বরিশাল নগরীতে হামলার শিকার হয়েছেন মানবাধিকার কর্মী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জেডআই খান পান্নার মেয়ে অ্যাডভোকেট নাদিমা মোহাম্মদী খান (৩৯)। এই অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশ। শনিবার রাতে বরিশাল নগরীর সদর রোডে জেড আই খান পান্নার পারিবারিক বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী নাদিমার অভিযোগ, ‘গত ১৮ জুলাই আমি ও আমার চাচাতো বোন বাড়িতে আসি। সেখানে কিছু যুবক বাড়ির মধ্যে আবর্জনা ফেলে রাখেন। তারা সেখানে মাদকসেবন ও মাদক কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। আমরা এর প্রতিবাদ করলে তাদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ২৫ থেকে ৩০ জন সংঘবদ্ধ হয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। তখন আমি ৯৯৯ জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করি।’
আইনজীবী কন্যা অভিযোগ করেন, ‘চাচা নজরুল ইসলাম খানের উসকানি ও প্রশ্রয়ে আমাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার এবং আমার এই বাড়িতে আসা ঠেকাতে এই হামলা চালানো হয়েছে। আহত অবস্থায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি। রোববার সকালে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন।
এই মামলাটিতে চাচা নজরুল ইসলাম খানসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করেছেন। আসামিদের মধ্যে আছেন, রেজাউল ইসলাম সাব্বির এবং জাহিদুল ইসলাম রাজু।
এজাহারে উল্লেখ আছে, নাদিমাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির জেরে মাদকসেবী ও মাদক বিক্রেতাদের একটি সংঘবদ্ধ দল হামলা চালায়।
বরিশাল কোতয়ালি থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় চাঁদনী নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং অপর আসামিদেরকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে, জানান বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. হান্নান। পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালাচ্ছে। এ ঘটনায় কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।’
বরিশাল নগরীতে হামলার শিকার হয়েছেন মানবাধিকার কর্মী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জেডআই খান পান্নার মেয়ে অ্যাডভোকেট নাদিমা মোহাম্মদী খান (৩৯)। এই অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশ। শনিবার রাতে বরিশাল নগরীর সদর রোডে জেড আই খান পান্নার পারিবারিক বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী নাদিমার অভিযোগ, ‘গত ১৮ জুলাই আমি ও আমার চাচাতো বোন বাড়িতে আসি। সেখানে কিছু যুবক বাড়ির মধ্যে আবর্জনা ফেলে রাখেন। তারা সেখানে মাদকসেবন ও মাদক কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। আমরা এর প্রতিবাদ করলে তাদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ২৫ থেকে ৩০ জন সংঘবদ্ধ হয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। তখন আমি ৯৯৯ জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করি।’
আইনজীবী কন্যা অভিযোগ করেন, ‘চাচা নজরুল ইসলাম খানের উসকানি ও প্রশ্রয়ে আমাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার এবং আমার এই বাড়িতে আসা ঠেকাতে এই হামলা চালানো হয়েছে। আহত অবস্থায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি। রোববার সকালে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন।
এই মামলাটিতে চাচা নজরুল ইসলাম খানসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করেছেন। আসামিদের মধ্যে আছেন, রেজাউল ইসলাম সাব্বির এবং জাহিদুল ইসলাম রাজু।
এজাহারে উল্লেখ আছে, নাদিমাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির জেরে মাদকসেবী ও মাদক বিক্রেতাদের একটি সংঘবদ্ধ দল হামলা চালায়।
বরিশাল কোতয়ালি থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় চাঁদনী নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং অপর আসামিদেরকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে, জানান বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. হান্নান। পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালাচ্ছে। এ ঘটনায় কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।’

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪৯
‘শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার মতো ভুল করার কারণেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হয়নি’ বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পির)।
তিনি বলেছেন, চব্বিশের এই উত্তাল দিনগুলোতে আমরা আমাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে হুমকির মুখে রেখেও রাজপথে অবস্থান নিয়েছি। চব্বিশের এই দিনেও বাইতুল মোকাররমে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের সমাবেশে আমি ও আমার যুবকর্মীরা ছিলাম। আমাদের ওপরেও নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল স্বৈরাচারের পেটোয়া বাহিনী। আমি ও আমার দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সকলেই সেদিন গুলির মুখে লড়াই করেছি। আমি সেদিনই বলেছিলাম, যত শক্তিশালীই হোক, ফ্যাসিবাদের পতন হবেই ইনশাআল্লাহ। ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। কিন্তু যে লক্ষ্য নিয়ে তরুণ প্রজন্ম আন্দোলন করেছিল, সেই লক্ষ্য পূরণ হয় নাই। শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার মতো ভুল করার কারণেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হয়নি।
রোববার (১৯ জুলাই) ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসে চেতনায় জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর আরও বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানসহ অতীতের প্রতিটি অভ্যুত্থান, সংগ্রামের পরেই দেশ এমন শক্তির হাতে গিয়েছে, যাদের কাছে ইসলাম, দেশ ও মানবতা নিরাপদ নয়। শিয়ালের কাছে মুরগী বর্গা দেওয়ার মতো ভুল বারবার করার কারণেই জাতির ভাগ্যে বারবার এমন হতাশা নেমে আসে। তাই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তনের লক্ষ্যে ইসলামকে ক্ষমতায় নিতে কাজ করতে হবে। কারণ, ইসলামি শরিয়াহর শাসনই প্রকৃত আদর্শ শাসন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ১৯ জুলাই ২০২৪ তথা আজকের এই দিনে ঢাকায় চরমোনাই পীরের উপস্থিতিতে আয়োজিত যুব আন্দোলনের সমাবেশে এবং মিছিলে পুলিশ মুহুর্মুহু গুলি করে শতাধিক যুবনেতাকে আহত করে। জুলাই অভ্যুত্থানে চরমোনাই পীর দলীয় প্রধান হিসেবে যেভাবে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন, অন্য কোনো দলের ক্ষেত্রে এটা দেখা যায়নি। কিন্তু অনেক দলের মধ্যে আজ জুলাই অভ্যুত্থানের ক্রেডিট নিয়ে টানাটানি ও সুবিধা গ্রহণের প্রতিযোগিতা দেখা যায়, যা লজ্জাজনক।
তিনি আরও বলেন, ঐক্যমত কমিশনে সংস্কার প্রস্তাব তৈরির সময় এনসিপি অনেক বিষয়ে বিএনপির পক্ষ নেওয়ায় অনেক প্রস্তাবই চূড়ান্ত করা যায়নি। কিন্তু পরবর্তীতে নির্বাচনের সময় এনসিপি আবার বিএনপিবিরোধী শিবিরে যুক্ত হয়েছে। যা প্রমাণ করে, জুলাইপরবর্তী নির্বাচনে পাতানো খেলা হয়েছে।
ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদের সভাপতিত্বে এবং জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি রহমাতুল্লাহ বিন হাবিব ও অ্যাসিস্টান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা ইলিয়াস হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলনের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দীন, সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান, ইসলামী যুব অন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি মানসুর আহমদ সাকী, যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাদিম হাসান এবং সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ওবায়দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
‘শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার মতো ভুল করার কারণেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হয়নি’ বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পির)।
তিনি বলেছেন, চব্বিশের এই উত্তাল দিনগুলোতে আমরা আমাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে হুমকির মুখে রেখেও রাজপথে অবস্থান নিয়েছি। চব্বিশের এই দিনেও বাইতুল মোকাররমে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের সমাবেশে আমি ও আমার যুবকর্মীরা ছিলাম। আমাদের ওপরেও নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল স্বৈরাচারের পেটোয়া বাহিনী। আমি ও আমার দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সকলেই সেদিন গুলির মুখে লড়াই করেছি। আমি সেদিনই বলেছিলাম, যত শক্তিশালীই হোক, ফ্যাসিবাদের পতন হবেই ইনশাআল্লাহ। ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। কিন্তু যে লক্ষ্য নিয়ে তরুণ প্রজন্ম আন্দোলন করেছিল, সেই লক্ষ্য পূরণ হয় নাই। শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার মতো ভুল করার কারণেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হয়নি।
রোববার (১৯ জুলাই) ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসে চেতনায় জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর আরও বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানসহ অতীতের প্রতিটি অভ্যুত্থান, সংগ্রামের পরেই দেশ এমন শক্তির হাতে গিয়েছে, যাদের কাছে ইসলাম, দেশ ও মানবতা নিরাপদ নয়। শিয়ালের কাছে মুরগী বর্গা দেওয়ার মতো ভুল বারবার করার কারণেই জাতির ভাগ্যে বারবার এমন হতাশা নেমে আসে। তাই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তনের লক্ষ্যে ইসলামকে ক্ষমতায় নিতে কাজ করতে হবে। কারণ, ইসলামি শরিয়াহর শাসনই প্রকৃত আদর্শ শাসন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ১৯ জুলাই ২০২৪ তথা আজকের এই দিনে ঢাকায় চরমোনাই পীরের উপস্থিতিতে আয়োজিত যুব আন্দোলনের সমাবেশে এবং মিছিলে পুলিশ মুহুর্মুহু গুলি করে শতাধিক যুবনেতাকে আহত করে। জুলাই অভ্যুত্থানে চরমোনাই পীর দলীয় প্রধান হিসেবে যেভাবে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন, অন্য কোনো দলের ক্ষেত্রে এটা দেখা যায়নি। কিন্তু অনেক দলের মধ্যে আজ জুলাই অভ্যুত্থানের ক্রেডিট নিয়ে টানাটানি ও সুবিধা গ্রহণের প্রতিযোগিতা দেখা যায়, যা লজ্জাজনক।
তিনি আরও বলেন, ঐক্যমত কমিশনে সংস্কার প্রস্তাব তৈরির সময় এনসিপি অনেক বিষয়ে বিএনপির পক্ষ নেওয়ায় অনেক প্রস্তাবই চূড়ান্ত করা যায়নি। কিন্তু পরবর্তীতে নির্বাচনের সময় এনসিপি আবার বিএনপিবিরোধী শিবিরে যুক্ত হয়েছে। যা প্রমাণ করে, জুলাইপরবর্তী নির্বাচনে পাতানো খেলা হয়েছে।
ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদের সভাপতিত্বে এবং জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি রহমাতুল্লাহ বিন হাবিব ও অ্যাসিস্টান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা ইলিয়াস হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলনের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দীন, সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান, ইসলামী যুব অন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি মানসুর আহমদ সাকী, যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাদিম হাসান এবং সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ওবায়দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪১
জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৮ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলে জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
মরহুমের পারিবারিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা রেখে গেছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) ভোর ৬টায় ঢাকা থেকে মরহুমের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মরহুমের বড় ছেলে জাবেদ হোসেনের সাথে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে মরহুম জাকির হোসেন নান্নুর মৃত্যুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি শোক জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তারা বলেন, জাকির হোসেন নান্নুর মতো সাহসী নিবেদিত কর্মী সহজে পাওয়া যাবে না। তার আকস্মিক মৃত্যুতে দলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। মহান আল্লাহ যেন তার পরিবারকে শোক কাটিয়ে উঠবার শক্তি দান করেন ও মরহুমকে বেহেশত নসিব করেন এই দোয়া করি।’
জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৮ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলে জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
মরহুমের পারিবারিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা রেখে গেছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) ভোর ৬টায় ঢাকা থেকে মরহুমের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মরহুমের বড় ছেলে জাবেদ হোসেনের সাথে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে মরহুম জাকির হোসেন নান্নুর মৃত্যুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি শোক জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তারা বলেন, জাকির হোসেন নান্নুর মতো সাহসী নিবেদিত কর্মী সহজে পাওয়া যাবে না। তার আকস্মিক মৃত্যুতে দলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। মহান আল্লাহ যেন তার পরিবারকে শোক কাটিয়ে উঠবার শক্তি দান করেন ও মরহুমকে বেহেশত নসিব করেন এই দোয়া করি।’