
১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৮
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন মুজিবনগর ইউনিয়নের চর মনোহর গ্রাম। তেঁতুলিয়া নদী পার হয়ে ওই গ্রামে যেতে হয়। নদী পাড়ি দেওয়ার একমাত্র মাধ্যম হলো নৌকা, যাকে আমরা খেয়া বলি। ৯ মাস ধরে খেয়া বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই গ্রামে বসবাসরত অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ।
প্রতিদিনের যাতায়াত, শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসা-বাণিজ্য কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে খেয়া চলাচল বন্ধ থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। হঠাৎ করে খেয়া চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নদীর দুই পাড়ের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অচল হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তেঁতুলিয়া নদী দিয়ে চলাচলকারী খেয়াটি দুই পাড়ের মানুষের একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম ছিল। প্রতিবছরের বাংলা সনের শুরুতে এই খেয়াটি সরকার যে কোনো ব্যক্তিকে ইজারা দিয়ে থাকে।
তারই ধারাবাহিকতায় মূল ভূখণ্ডে বাবুরহাটের কাচারীখাল থেকে চর মনোহর পর্যন্ত সেখানকার বাসিন্দা জহিরুল ইসলামকে বাংলা ১৪৩২ সনে খেয়াঘাট ইজারা দেন চরফ্যাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
তার নামে খেয়াঘাটটি ইজারা দেওয়ার পর থেকে প্রভাবশালী জুয়েল, আছমান, জহির, আলমাছ, আমির, বজলু, রিয়েল, তানজিদ ও মাহিদুলরা নদী পারাপারের খেয়া বন্ধ করে দেয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
চর মনোহরের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খেয়াটি ৯ মাস বন্ধ থাকার কারণে অন্য ঘাট দিয়ে নদী পার হতে অতিরিক্ত ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। এতে সময় ও অর্থ—দুটোই বেশি খরচ হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে অসুস্থ রোগীদের নিয়ে হাসপাতালে যেতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
ইজারাদার জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ১৪৩২ সনের বৈশাখ থেকে চৈত্র পর্যন্ত এক বছরের জন্য চরফ্যাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে খেয়াঘাটটি ইজারা নিয়েছি। এতে আমার ১ লাখ ৬৯ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আমি ঋণ নিয়ে এই ঘাট ইজারা নিয়েছি। এই খেয়ার আয় দিয়ে আমার সংসার চলত। ৯ মাস ধরে খেয়াটি বন্ধ থাকার কারণে আমি আর্থিকভাবে একেবারেই অচল হয়ে গেছি।
তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া ভোগান্তিতে রয়েছেন যাত্রীরা। এ বিষয়ে আমি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চরফ্যাসন উপজেলা নির্বাহী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১৬ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে একটি নোটিশ পাঠানো হয়। এখনো আমি কোনো সমাধান পাইনি।’
খেয়া বন্ধ থাকার কারণে প্রতিদিনই বাড়ছে মানুষের দুর্ভোগ। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে এই ভোগান্তি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
অভিযুক্তদের কাছ থেকে খেয়া বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লোকমান হোসেন জানান, তাদের নোটিশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন মুজিবনগর ইউনিয়নের চর মনোহর গ্রাম। তেঁতুলিয়া নদী পার হয়ে ওই গ্রামে যেতে হয়। নদী পাড়ি দেওয়ার একমাত্র মাধ্যম হলো নৌকা, যাকে আমরা খেয়া বলি। ৯ মাস ধরে খেয়া বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই গ্রামে বসবাসরত অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ।
প্রতিদিনের যাতায়াত, শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসা-বাণিজ্য কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে খেয়া চলাচল বন্ধ থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। হঠাৎ করে খেয়া চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নদীর দুই পাড়ের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অচল হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তেঁতুলিয়া নদী দিয়ে চলাচলকারী খেয়াটি দুই পাড়ের মানুষের একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম ছিল। প্রতিবছরের বাংলা সনের শুরুতে এই খেয়াটি সরকার যে কোনো ব্যক্তিকে ইজারা দিয়ে থাকে।
তারই ধারাবাহিকতায় মূল ভূখণ্ডে বাবুরহাটের কাচারীখাল থেকে চর মনোহর পর্যন্ত সেখানকার বাসিন্দা জহিরুল ইসলামকে বাংলা ১৪৩২ সনে খেয়াঘাট ইজারা দেন চরফ্যাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
তার নামে খেয়াঘাটটি ইজারা দেওয়ার পর থেকে প্রভাবশালী জুয়েল, আছমান, জহির, আলমাছ, আমির, বজলু, রিয়েল, তানজিদ ও মাহিদুলরা নদী পারাপারের খেয়া বন্ধ করে দেয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
চর মনোহরের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খেয়াটি ৯ মাস বন্ধ থাকার কারণে অন্য ঘাট দিয়ে নদী পার হতে অতিরিক্ত ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। এতে সময় ও অর্থ—দুটোই বেশি খরচ হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে অসুস্থ রোগীদের নিয়ে হাসপাতালে যেতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
ইজারাদার জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ১৪৩২ সনের বৈশাখ থেকে চৈত্র পর্যন্ত এক বছরের জন্য চরফ্যাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে খেয়াঘাটটি ইজারা নিয়েছি। এতে আমার ১ লাখ ৬৯ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আমি ঋণ নিয়ে এই ঘাট ইজারা নিয়েছি। এই খেয়ার আয় দিয়ে আমার সংসার চলত। ৯ মাস ধরে খেয়াটি বন্ধ থাকার কারণে আমি আর্থিকভাবে একেবারেই অচল হয়ে গেছি।
তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া ভোগান্তিতে রয়েছেন যাত্রীরা। এ বিষয়ে আমি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চরফ্যাসন উপজেলা নির্বাহী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১৬ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে একটি নোটিশ পাঠানো হয়। এখনো আমি কোনো সমাধান পাইনি।’
খেয়া বন্ধ থাকার কারণে প্রতিদিনই বাড়ছে মানুষের দুর্ভোগ। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে এই ভোগান্তি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
অভিযুক্তদের কাছ থেকে খেয়া বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লোকমান হোসেন জানান, তাদের নোটিশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার শাসনামল ছিল বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণযুগ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে সুশাসন ফিরে আসবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশে পরিনত হবে। সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বিকেলে লালমোহন পৌরসভার বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মেজর হাফিজ আরো বলেন, প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে। যে বিচারের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বিনা বিচারে ঘুম খুন করে মানুষ হত্যাকারী, সন্ত্রাসী, দূর্ণীতিবাজদের ফাসির রায় হচ্ছে, আশা করি তা দ্রুত বাস্তবায়নও হবে। বাংলাদেশে ৯৫% মুসলমান ইসলাম ধর্মের অনুসারী । সে দেশে ইসলামের নিয়মমুযায়ী দেশ পরিচালনা হবে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি এমন একটি দল যারা সন্ত্রাসী লালন করেনা। বিএনপি এমন রাস্ট্র কায়েম করতে চায় যে রাস্ট্রে মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া জান্টু‘র সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শফিউল্যাহ হাওলাদার, সোহেল আজিজ শাহীন, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদার, পৌর যুবদলের সভাপতি জাকির ইমরান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম হাওলাদারসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার শাসনামল ছিল বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণযুগ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে সুশাসন ফিরে আসবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশে পরিনত হবে। সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বিকেলে লালমোহন পৌরসভার বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মেজর হাফিজ আরো বলেন, প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে। যে বিচারের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বিনা বিচারে ঘুম খুন করে মানুষ হত্যাকারী, সন্ত্রাসী, দূর্ণীতিবাজদের ফাসির রায় হচ্ছে, আশা করি তা দ্রুত বাস্তবায়নও হবে। বাংলাদেশে ৯৫% মুসলমান ইসলাম ধর্মের অনুসারী । সে দেশে ইসলামের নিয়মমুযায়ী দেশ পরিচালনা হবে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি এমন একটি দল যারা সন্ত্রাসী লালন করেনা। বিএনপি এমন রাস্ট্র কায়েম করতে চায় যে রাস্ট্রে মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া জান্টু‘র সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শফিউল্যাহ হাওলাদার, সোহেল আজিজ শাহীন, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদার, পৌর যুবদলের সভাপতি জাকির ইমরান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম হাওলাদারসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪১
ভোলার লালমোহন ও বোরহানউদ্দিনে পৃথক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে লালমোহনে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে এক নারীসহ তিনজন এবং বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, শিল্পী রানী দাস, তুষার দাস ও মো. সোহাগ। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশাটি যাত্রী নিয়ে গজারিয়া বাজার এলাকায় যাওয়ার সময় ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আসলে ভোলা থেকে চরফ্যাশনগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় এক নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। এছাড়া বাসটি রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এ ঘটনায় বাস ও অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী আহত হন। অপরদিকে ভোলার বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. সোহাগ হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে সোহাগ ও তার বন্ধু সিয়াম কুঞ্জেরহাট থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বোরহানউদ্দিন যাচ্ছিলেন। পরে উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাইরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে সোহাগ নিহত হন এবং তার বন্ধু সিয়াম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলিউল ইসলাম ও বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ভোলার লালমোহন ও বোরহানউদ্দিনে পৃথক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে লালমোহনে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে এক নারীসহ তিনজন এবং বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, শিল্পী রানী দাস, তুষার দাস ও মো. সোহাগ। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশাটি যাত্রী নিয়ে গজারিয়া বাজার এলাকায় যাওয়ার সময় ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আসলে ভোলা থেকে চরফ্যাশনগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় এক নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। এছাড়া বাসটি রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এ ঘটনায় বাস ও অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী আহত হন। অপরদিকে ভোলার বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. সোহাগ হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে সোহাগ ও তার বন্ধু সিয়াম কুঞ্জেরহাট থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বোরহানউদ্দিন যাচ্ছিলেন। পরে উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাইরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে সোহাগ নিহত হন এবং তার বন্ধু সিয়াম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলিউল ইসলাম ও বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৫
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাসন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দুজন সম্পর্কে শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওনা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ভোলাগামী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাসন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দুজন সম্পর্কে শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওনা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ভোলাগামী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৩:৪৬
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৯
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৪
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৬