
২১ নভেম্বর, ২০২৫ ২৩:১৩
শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ের মিষ্টি বিতরণে দাওয়াত না পাওয়াকে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষে খুন হন ছাত্রদল নেতা রবিউল ইসলাম। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামি করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের। আসামী থেকে বাদ যায়নি ঢাকায় অবস্থানরত চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, এমনকি পত্রিকা কর্মচারীও। মামলার বাদী চেনেন না অনেক আসামিকে।
এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম হত্যার মামলায়। বিএনপির এক গ্রুপের প্ররোচনায় দায়ের হওয়া ওই মামলাকে হয়রানিমূলক দাবি করে তা প্রত্যাহারের জন্য সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপির আরেক গ্রুপ। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার রহমতপুর বাজারে জনাকীর্ণ ওই সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন। তিনি বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান গ্রুপের প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে পরিচিত।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, 'ছাত্রদল নেতা রবিউল হত্যার ঘটনাটি কোনো পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল না। এটা ছাত্রদলের কিছু ছেলেদের মিষ্টি বিতরণ নিয়ে তাৎক্ষণিক ভুল বোঝাবুঝি, কথা কাটাকাটি ও মারামারির মধ্যে ঘটে যাওয়া একটি দুর্ঘটনা মাত্র। অথচ সেখানে প্রকৃত আসামি বাদ দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল এবং মামলাবাণিজ্য করার জন্য অধিকাংশ নিরপরাধ মানুষকে আসামি করা হয়েছে। বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম ভিপি লিপন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শফিউল আযম শাহীন, কৃষকদলের উপজেলা সহ-সভাপতি বাবুল হাওলাদার, ঢাকা মহানগর ছাত্রদল নেতা মিলন সরদার, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার সার্কুলেশন ম্যানেজার মিজানুর রহমানসহ ১৪ জন নিরপরাধ মানুষকে এই হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে। অথচ তারা কেউই এলাকায় থাকেন না। কেউ ঢাকায় চাকরিজীবী, কেউ ব্যবসা করেন, কেউ পত্রিকা অফিসের কাজে বরিশালে থাকেন। এমনকি মামলার বাদী নিজেও ছিলেন বিদেশে। অনেক আসামিকেই তিনি চেনেন না। স্থানীয় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা এবং তাদের দোসররা এই মামলা নিয়ে কোটি টাকার আয়বাণিজ্য করা এবং রাজনৈতিক শত্রুতা উদ্ধারের জন্যই তাকে ভুল বুঝিয়ে এই মামলা দায়ের করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন তিনি।'
মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার জানান, 'স্বেচ্ছাসেবক দলের বরিশাল জেলার সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম ভিপি লিপন একজন ত্যাগী এবং নিবেদিতপ্রাণ নেতা। তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রায় ৩০টি মামলার আসামি হয়ে অসংখ্যবার কারাবরণ করেন। জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের তার একচেটিয়া জনপ্রিয়তা রয়েছে। এছাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শফিউল আযম শাহীন ফরাজীও বিএনপির দুর্দিনের নেতা। এলাকায় তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা এবং জনপ্রিয়তা রয়েছে। এসব নেতাদের মানুষ ভালোবাসে, বিশ্বাস করে। তারা এলাকায় থাকলে কেউ আগামী নির্বাচনে ভোট ডাকাতি করতে পারবে না। তাই কৌশলে তাদের শায়েস্তা করে বেগম সেলিমা রহমানকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করতেই এই মামলায় তাদের আসামী দেওয়া হয়েছে।
উপজেলার রহমতপুর বাজারে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে এসময় বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহবুব তালুকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, উপজেলা বিএনপি নেতা আবুল কালাম মুন্সি, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, তাঁতী দলের সভাপতি জামাল হোসেন, ছাত্রদলের যুগ্ন-আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জিয়া মঞ্চের সভাপতি বাহাদুর হোসেনসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বর্তমান এবং সাবেক কমিটির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মামলা প্রসঙ্গে বাদী নিহত রবিউল ইসলামের বাবা সেনাসদস্য মিজানুর রহমান দুলাল হাওলাদার বলেন, 'আমি বিগত ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষা মিশনে কুয়েতে অবস্থান করছি। গত ১৭ নভেম্বর রাতে আমার ছেলে নিহত হওয়ার খবর পেয়ে আমি কুয়েত থেকে বাংলাদেশে আসি। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। তাই কে বা কারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে তা দেখিনি। তবে ঘটনাস্থলের প্রত্যক্ষদর্শী, সাক্ষী এবং স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে যাদের নাম পাওয়া গেছে তাদের নামে মামলা দিয়েছি আমি। এখন কে দোষী আর কে নির্দোষী সেটা পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।'
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহিরুল আলম জানান, 'রবিউল হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে পুলিশ। মামলায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তির নাম থাকলে এবং তদন্তে তা প্রমাণিত হলে তিনি আইন অনুযায়ী অব্যাহতি পাবেন। নির্দোষ কাউকে হয়রানি করতে চায় না পুলিশ। আবার কোনো প্রকৃত অপরাধীকেও ছাড় দেওয়া হবে না।' #
শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ের মিষ্টি বিতরণে দাওয়াত না পাওয়াকে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষে খুন হন ছাত্রদল নেতা রবিউল ইসলাম। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামি করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের। আসামী থেকে বাদ যায়নি ঢাকায় অবস্থানরত চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, এমনকি পত্রিকা কর্মচারীও। মামলার বাদী চেনেন না অনেক আসামিকে।
এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম হত্যার মামলায়। বিএনপির এক গ্রুপের প্ররোচনায় দায়ের হওয়া ওই মামলাকে হয়রানিমূলক দাবি করে তা প্রত্যাহারের জন্য সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপির আরেক গ্রুপ। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার রহমতপুর বাজারে জনাকীর্ণ ওই সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন। তিনি বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান গ্রুপের প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে পরিচিত।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, 'ছাত্রদল নেতা রবিউল হত্যার ঘটনাটি কোনো পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল না। এটা ছাত্রদলের কিছু ছেলেদের মিষ্টি বিতরণ নিয়ে তাৎক্ষণিক ভুল বোঝাবুঝি, কথা কাটাকাটি ও মারামারির মধ্যে ঘটে যাওয়া একটি দুর্ঘটনা মাত্র। অথচ সেখানে প্রকৃত আসামি বাদ দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল এবং মামলাবাণিজ্য করার জন্য অধিকাংশ নিরপরাধ মানুষকে আসামি করা হয়েছে। বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম ভিপি লিপন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শফিউল আযম শাহীন, কৃষকদলের উপজেলা সহ-সভাপতি বাবুল হাওলাদার, ঢাকা মহানগর ছাত্রদল নেতা মিলন সরদার, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার সার্কুলেশন ম্যানেজার মিজানুর রহমানসহ ১৪ জন নিরপরাধ মানুষকে এই হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে। অথচ তারা কেউই এলাকায় থাকেন না। কেউ ঢাকায় চাকরিজীবী, কেউ ব্যবসা করেন, কেউ পত্রিকা অফিসের কাজে বরিশালে থাকেন। এমনকি মামলার বাদী নিজেও ছিলেন বিদেশে। অনেক আসামিকেই তিনি চেনেন না। স্থানীয় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা এবং তাদের দোসররা এই মামলা নিয়ে কোটি টাকার আয়বাণিজ্য করা এবং রাজনৈতিক শত্রুতা উদ্ধারের জন্যই তাকে ভুল বুঝিয়ে এই মামলা দায়ের করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন তিনি।'
মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার জানান, 'স্বেচ্ছাসেবক দলের বরিশাল জেলার সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম ভিপি লিপন একজন ত্যাগী এবং নিবেদিতপ্রাণ নেতা। তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রায় ৩০টি মামলার আসামি হয়ে অসংখ্যবার কারাবরণ করেন। জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের তার একচেটিয়া জনপ্রিয়তা রয়েছে। এছাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শফিউল আযম শাহীন ফরাজীও বিএনপির দুর্দিনের নেতা। এলাকায় তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা এবং জনপ্রিয়তা রয়েছে। এসব নেতাদের মানুষ ভালোবাসে, বিশ্বাস করে। তারা এলাকায় থাকলে কেউ আগামী নির্বাচনে ভোট ডাকাতি করতে পারবে না। তাই কৌশলে তাদের শায়েস্তা করে বেগম সেলিমা রহমানকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করতেই এই মামলায় তাদের আসামী দেওয়া হয়েছে।
উপজেলার রহমতপুর বাজারে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে এসময় বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহবুব তালুকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, উপজেলা বিএনপি নেতা আবুল কালাম মুন্সি, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, তাঁতী দলের সভাপতি জামাল হোসেন, ছাত্রদলের যুগ্ন-আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জিয়া মঞ্চের সভাপতি বাহাদুর হোসেনসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বর্তমান এবং সাবেক কমিটির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মামলা প্রসঙ্গে বাদী নিহত রবিউল ইসলামের বাবা সেনাসদস্য মিজানুর রহমান দুলাল হাওলাদার বলেন, 'আমি বিগত ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষা মিশনে কুয়েতে অবস্থান করছি। গত ১৭ নভেম্বর রাতে আমার ছেলে নিহত হওয়ার খবর পেয়ে আমি কুয়েত থেকে বাংলাদেশে আসি। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। তাই কে বা কারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে তা দেখিনি। তবে ঘটনাস্থলের প্রত্যক্ষদর্শী, সাক্ষী এবং স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে যাদের নাম পাওয়া গেছে তাদের নামে মামলা দিয়েছি আমি। এখন কে দোষী আর কে নির্দোষী সেটা পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।'
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহিরুল আলম জানান, 'রবিউল হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে পুলিশ। মামলায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তির নাম থাকলে এবং তদন্তে তা প্রমাণিত হলে তিনি আইন অনুযায়ী অব্যাহতি পাবেন। নির্দোষ কাউকে হয়রানি করতে চায় না পুলিশ। আবার কোনো প্রকৃত অপরাধীকেও ছাড় দেওয়া হবে না।' #

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’