
২১ নভেম্বর, ২০২৫ ২৩:১৩
শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ের মিষ্টি বিতরণে দাওয়াত না পাওয়াকে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষে খুন হন ছাত্রদল নেতা রবিউল ইসলাম। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামি করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের। আসামী থেকে বাদ যায়নি ঢাকায় অবস্থানরত চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, এমনকি পত্রিকা কর্মচারীও। মামলার বাদী চেনেন না অনেক আসামিকে।
এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম হত্যার মামলায়। বিএনপির এক গ্রুপের প্ররোচনায় দায়ের হওয়া ওই মামলাকে হয়রানিমূলক দাবি করে তা প্রত্যাহারের জন্য সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপির আরেক গ্রুপ। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার রহমতপুর বাজারে জনাকীর্ণ ওই সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন। তিনি বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান গ্রুপের প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে পরিচিত।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, 'ছাত্রদল নেতা রবিউল হত্যার ঘটনাটি কোনো পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল না। এটা ছাত্রদলের কিছু ছেলেদের মিষ্টি বিতরণ নিয়ে তাৎক্ষণিক ভুল বোঝাবুঝি, কথা কাটাকাটি ও মারামারির মধ্যে ঘটে যাওয়া একটি দুর্ঘটনা মাত্র। অথচ সেখানে প্রকৃত আসামি বাদ দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল এবং মামলাবাণিজ্য করার জন্য অধিকাংশ নিরপরাধ মানুষকে আসামি করা হয়েছে। বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম ভিপি লিপন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শফিউল আযম শাহীন, কৃষকদলের উপজেলা সহ-সভাপতি বাবুল হাওলাদার, ঢাকা মহানগর ছাত্রদল নেতা মিলন সরদার, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার সার্কুলেশন ম্যানেজার মিজানুর রহমানসহ ১৪ জন নিরপরাধ মানুষকে এই হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে। অথচ তারা কেউই এলাকায় থাকেন না। কেউ ঢাকায় চাকরিজীবী, কেউ ব্যবসা করেন, কেউ পত্রিকা অফিসের কাজে বরিশালে থাকেন। এমনকি মামলার বাদী নিজেও ছিলেন বিদেশে। অনেক আসামিকেই তিনি চেনেন না। স্থানীয় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা এবং তাদের দোসররা এই মামলা নিয়ে কোটি টাকার আয়বাণিজ্য করা এবং রাজনৈতিক শত্রুতা উদ্ধারের জন্যই তাকে ভুল বুঝিয়ে এই মামলা দায়ের করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন তিনি।'
মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার জানান, 'স্বেচ্ছাসেবক দলের বরিশাল জেলার সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম ভিপি লিপন একজন ত্যাগী এবং নিবেদিতপ্রাণ নেতা। তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রায় ৩০টি মামলার আসামি হয়ে অসংখ্যবার কারাবরণ করেন। জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের তার একচেটিয়া জনপ্রিয়তা রয়েছে। এছাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শফিউল আযম শাহীন ফরাজীও বিএনপির দুর্দিনের নেতা। এলাকায় তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা এবং জনপ্রিয়তা রয়েছে। এসব নেতাদের মানুষ ভালোবাসে, বিশ্বাস করে। তারা এলাকায় থাকলে কেউ আগামী নির্বাচনে ভোট ডাকাতি করতে পারবে না। তাই কৌশলে তাদের শায়েস্তা করে বেগম সেলিমা রহমানকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করতেই এই মামলায় তাদের আসামী দেওয়া হয়েছে।
উপজেলার রহমতপুর বাজারে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে এসময় বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহবুব তালুকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, উপজেলা বিএনপি নেতা আবুল কালাম মুন্সি, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, তাঁতী দলের সভাপতি জামাল হোসেন, ছাত্রদলের যুগ্ন-আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জিয়া মঞ্চের সভাপতি বাহাদুর হোসেনসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বর্তমান এবং সাবেক কমিটির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মামলা প্রসঙ্গে বাদী নিহত রবিউল ইসলামের বাবা সেনাসদস্য মিজানুর রহমান দুলাল হাওলাদার বলেন, 'আমি বিগত ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষা মিশনে কুয়েতে অবস্থান করছি। গত ১৭ নভেম্বর রাতে আমার ছেলে নিহত হওয়ার খবর পেয়ে আমি কুয়েত থেকে বাংলাদেশে আসি। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। তাই কে বা কারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে তা দেখিনি। তবে ঘটনাস্থলের প্রত্যক্ষদর্শী, সাক্ষী এবং স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে যাদের নাম পাওয়া গেছে তাদের নামে মামলা দিয়েছি আমি। এখন কে দোষী আর কে নির্দোষী সেটা পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।'
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহিরুল আলম জানান, 'রবিউল হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে পুলিশ। মামলায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তির নাম থাকলে এবং তদন্তে তা প্রমাণিত হলে তিনি আইন অনুযায়ী অব্যাহতি পাবেন। নির্দোষ কাউকে হয়রানি করতে চায় না পুলিশ। আবার কোনো প্রকৃত অপরাধীকেও ছাড় দেওয়া হবে না।' #
শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ের মিষ্টি বিতরণে দাওয়াত না পাওয়াকে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষে খুন হন ছাত্রদল নেতা রবিউল ইসলাম। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামি করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের। আসামী থেকে বাদ যায়নি ঢাকায় অবস্থানরত চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, এমনকি পত্রিকা কর্মচারীও। মামলার বাদী চেনেন না অনেক আসামিকে।
এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম হত্যার মামলায়। বিএনপির এক গ্রুপের প্ররোচনায় দায়ের হওয়া ওই মামলাকে হয়রানিমূলক দাবি করে তা প্রত্যাহারের জন্য সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপির আরেক গ্রুপ। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার রহমতপুর বাজারে জনাকীর্ণ ওই সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন। তিনি বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান গ্রুপের প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে পরিচিত।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, 'ছাত্রদল নেতা রবিউল হত্যার ঘটনাটি কোনো পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল না। এটা ছাত্রদলের কিছু ছেলেদের মিষ্টি বিতরণ নিয়ে তাৎক্ষণিক ভুল বোঝাবুঝি, কথা কাটাকাটি ও মারামারির মধ্যে ঘটে যাওয়া একটি দুর্ঘটনা মাত্র। অথচ সেখানে প্রকৃত আসামি বাদ দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল এবং মামলাবাণিজ্য করার জন্য অধিকাংশ নিরপরাধ মানুষকে আসামি করা হয়েছে। বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম ভিপি লিপন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শফিউল আযম শাহীন, কৃষকদলের উপজেলা সহ-সভাপতি বাবুল হাওলাদার, ঢাকা মহানগর ছাত্রদল নেতা মিলন সরদার, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার সার্কুলেশন ম্যানেজার মিজানুর রহমানসহ ১৪ জন নিরপরাধ মানুষকে এই হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে। অথচ তারা কেউই এলাকায় থাকেন না। কেউ ঢাকায় চাকরিজীবী, কেউ ব্যবসা করেন, কেউ পত্রিকা অফিসের কাজে বরিশালে থাকেন। এমনকি মামলার বাদী নিজেও ছিলেন বিদেশে। অনেক আসামিকেই তিনি চেনেন না। স্থানীয় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা এবং তাদের দোসররা এই মামলা নিয়ে কোটি টাকার আয়বাণিজ্য করা এবং রাজনৈতিক শত্রুতা উদ্ধারের জন্যই তাকে ভুল বুঝিয়ে এই মামলা দায়ের করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন তিনি।'
মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার জানান, 'স্বেচ্ছাসেবক দলের বরিশাল জেলার সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম ভিপি লিপন একজন ত্যাগী এবং নিবেদিতপ্রাণ নেতা। তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রায় ৩০টি মামলার আসামি হয়ে অসংখ্যবার কারাবরণ করেন। জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের তার একচেটিয়া জনপ্রিয়তা রয়েছে। এছাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শফিউল আযম শাহীন ফরাজীও বিএনপির দুর্দিনের নেতা। এলাকায় তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা এবং জনপ্রিয়তা রয়েছে। এসব নেতাদের মানুষ ভালোবাসে, বিশ্বাস করে। তারা এলাকায় থাকলে কেউ আগামী নির্বাচনে ভোট ডাকাতি করতে পারবে না। তাই কৌশলে তাদের শায়েস্তা করে বেগম সেলিমা রহমানকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করতেই এই মামলায় তাদের আসামী দেওয়া হয়েছে।
উপজেলার রহমতপুর বাজারে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে এসময় বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহবুব তালুকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, উপজেলা বিএনপি নেতা আবুল কালাম মুন্সি, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, তাঁতী দলের সভাপতি জামাল হোসেন, ছাত্রদলের যুগ্ন-আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জিয়া মঞ্চের সভাপতি বাহাদুর হোসেনসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বর্তমান এবং সাবেক কমিটির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মামলা প্রসঙ্গে বাদী নিহত রবিউল ইসলামের বাবা সেনাসদস্য মিজানুর রহমান দুলাল হাওলাদার বলেন, 'আমি বিগত ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষা মিশনে কুয়েতে অবস্থান করছি। গত ১৭ নভেম্বর রাতে আমার ছেলে নিহত হওয়ার খবর পেয়ে আমি কুয়েত থেকে বাংলাদেশে আসি। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। তাই কে বা কারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে তা দেখিনি। তবে ঘটনাস্থলের প্রত্যক্ষদর্শী, সাক্ষী এবং স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে যাদের নাম পাওয়া গেছে তাদের নামে মামলা দিয়েছি আমি। এখন কে দোষী আর কে নির্দোষী সেটা পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।'
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহিরুল আলম জানান, 'রবিউল হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে পুলিশ। মামলায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তির নাম থাকলে এবং তদন্তে তা প্রমাণিত হলে তিনি আইন অনুযায়ী অব্যাহতি পাবেন। নির্দোষ কাউকে হয়রানি করতে চায় না পুলিশ। আবার কোনো প্রকৃত অপরাধীকেও ছাড় দেওয়া হবে না।' #

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.