শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ের মিষ্টি বিতরণে দাওয়াত না পাওয়াকে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষে খুন হন ছাত্রদল নেতা রবিউল ইসলাম। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামি করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের। আসামী থেকে বাদ যায়নি ঢাকায় অবস্থানরত চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, এমনকি পত্রিকা কর্মচারীও। মামলার বাদী চেনেন না অনেক আসামিকে।
এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম হত্যার মামলায়। বিএনপির এক গ্রুপের প্ররোচনায় দায়ের হওয়া ওই মামলাকে হয়রানিমূলক দাবি করে তা প্রত্যাহারের জন্য সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপির আরেক গ্রুপ। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার রহমতপুর বাজারে জনাকীর্ণ ওই সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন। তিনি বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান গ্রুপের প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে পরিচিত।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, 'ছাত্রদল নেতা রবিউল হত্যার ঘটনাটি কোনো পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল না। এটা ছাত্রদলের কিছু ছেলেদের মিষ্টি বিতরণ নিয়ে তাৎক্ষণিক ভুল বোঝাবুঝি, কথা কাটাকাটি ও মারামারির মধ্যে ঘটে যাওয়া একটি দুর্ঘটনা মাত্র। অথচ সেখানে প্রকৃত আসামি বাদ দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল এবং মামলাবাণিজ্য করার জন্য অধিকাংশ নিরপরাধ মানুষকে আসামি করা হয়েছে। বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম ভিপি লিপন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শফিউল আযম শাহীন, কৃষকদলের উপজেলা সহ-সভাপতি বাবুল হাওলাদার, ঢাকা মহানগর ছাত্রদল নেতা মিলন সরদার, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার সার্কুলেশন ম্যানেজার মিজানুর রহমানসহ ১৪ জন নিরপরাধ মানুষকে এই হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে। অথচ তারা কেউই এলাকায় থাকেন না। কেউ ঢাকায় চাকরিজীবী, কেউ ব্যবসা করেন, কেউ পত্রিকা অফিসের কাজে বরিশালে থাকেন। এমনকি মামলার বাদী নিজেও ছিলেন বিদেশে। অনেক আসামিকেই তিনি চেনেন না। স্থানীয় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা এবং তাদের দোসররা এই মামলা নিয়ে কোটি টাকার আয়বাণিজ্য করা এবং রাজনৈতিক শত্রুতা উদ্ধারের জন্যই তাকে ভুল বুঝিয়ে এই মামলা দায়ের করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন তিনি।'
মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার জানান, 'স্বেচ্ছাসেবক দলের বরিশাল জেলার সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম ভিপি লিপন একজন ত্যাগী এবং নিবেদিতপ্রাণ নেতা। তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রায় ৩০টি মামলার আসামি হয়ে অসংখ্যবার কারাবরণ করেন। জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের তার একচেটিয়া জনপ্রিয়তা রয়েছে। এছাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শফিউল আযম শাহীন ফরাজীও বিএনপির দুর্দিনের নেতা। এলাকায় তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা এবং জনপ্রিয়তা রয়েছে। এসব নেতাদের মানুষ ভালোবাসে, বিশ্বাস করে। তারা এলাকায় থাকলে কেউ আগামী নির্বাচনে ভোট ডাকাতি করতে পারবে না। তাই কৌশলে তাদের শায়েস্তা করে বেগম সেলিমা রহমানকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করতেই এই মামলায় তাদের আসামী দেওয়া হয়েছে।
উপজেলার রহমতপুর বাজারে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে এসময় বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহবুব তালুকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, উপজেলা বিএনপি নেতা আবুল কালাম মুন্সি, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, তাঁতী দলের সভাপতি জামাল হোসেন, ছাত্রদলের যুগ্ন-আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জিয়া মঞ্চের সভাপতি বাহাদুর হোসেনসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বর্তমান এবং সাবেক কমিটির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মামলা প্রসঙ্গে বাদী নিহত রবিউল ইসলামের বাবা সেনাসদস্য মিজানুর রহমান দুলাল হাওলাদার বলেন, 'আমি বিগত ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষা মিশনে কুয়েতে অবস্থান করছি। গত ১৭ নভেম্বর রাতে আমার ছেলে নিহত হওয়ার খবর পেয়ে আমি কুয়েত থেকে বাংলাদেশে আসি। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। তাই কে বা কারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে তা দেখিনি। তবে ঘটনাস্থলের প্রত্যক্ষদর্শী, সাক্ষী এবং স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে যাদের নাম পাওয়া গেছে তাদের নামে মামলা দিয়েছি আমি। এখন কে দোষী আর কে নির্দোষী সেটা পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।'
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহিরুল আলম জানান, 'রবিউল হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে পুলিশ। মামলায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তির নাম থাকলে এবং তদন্তে তা প্রমাণিত হলে তিনি আইন অনুযায়ী অব্যাহতি পাবেন। নির্দোষ কাউকে হয়রানি করতে চায় না পুলিশ। আবার কোনো প্রকৃত অপরাধীকেও ছাড় দেওয়া হবে না।' #

২৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩১
বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকার কর্মক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন। দীর্ঘফষন তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলেও মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে ২২ জুলাই চাকরিচ্যুৎ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ সৃষ্টি হওয়ার আগের পদবি ব্যবহার করে শঙ্কর চন্দ্র মালাকার প্রায় ২৫৮ একর ২৬ শতাংশ সরকারি খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেন। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত আরও ২২২ একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করার অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়। এছাড়া স্থানীয় রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ব্যবহার এবং দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়।
এইসব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরে ২২ জুলাই তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়। ওই দিন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪ (৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলার তদন্তে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারের বিরুদ্ধে আনা একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে খাজনা আদায় করে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেন। এবং দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭ টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিবিবর্জিত এই কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা জনস্বার্থ ও সরকারি স্বার্থের পরিপন্থী। তাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল রূপালী বাংলাদেশকে জানান, সাময়িক বরখাস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলা ভূমি অফিসে আদেশ পৌঁছেছে। ওই আদেশের আগেই প্রায় সব খাসজমি উদ্ধার করা হয়। এরপরেও খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় আছে কি না তা তদন্তের জন্য সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকার কর্মক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন। দীর্ঘফষন তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলেও মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে ২২ জুলাই চাকরিচ্যুৎ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ সৃষ্টি হওয়ার আগের পদবি ব্যবহার করে শঙ্কর চন্দ্র মালাকার প্রায় ২৫৮ একর ২৬ শতাংশ সরকারি খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেন। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত আরও ২২২ একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করার অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়। এছাড়া স্থানীয় রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ব্যবহার এবং দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়।
এইসব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরে ২২ জুলাই তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়। ওই দিন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪ (৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলার তদন্তে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারের বিরুদ্ধে আনা একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে খাজনা আদায় করে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেন। এবং দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭ টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিবিবর্জিত এই কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা জনস্বার্থ ও সরকারি স্বার্থের পরিপন্থী। তাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল রূপালী বাংলাদেশকে জানান, সাময়িক বরখাস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলা ভূমি অফিসে আদেশ পৌঁছেছে। ওই আদেশের আগেই প্রায় সব খাসজমি উদ্ধার করা হয়। এরপরেও খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় আছে কি না তা তদন্তের জন্য সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

২৬ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৩
বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগের প্রতিবাদ এবং বাতিলের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিতর্কিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তারা মেনে নেবেন না।
পরে শিক্ষার্থীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, যোগদানের শেষ দিন হলেও ডা. মনিরুজ্জামান অফিসে উপস্থিত হননি। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার জন্য নির্ধারিত কক্ষের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন জানিয়েছেন, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে, তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
তার দাবি, ডা. মনিরুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতা সাদিক আব্দুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। বরিশালে একজন সৎ, যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিত।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী লাবনী আক্তার বলেছেন, বরিশালের মানুষ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। তাই জনস্বার্থে বিতর্কিত কর্মকর্তাকে অপসারণ করে নতুন সিভিল সার্জন নিয়োগ দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন জনস্বার্থে।
কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগ বাতিল এবং একজন যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগের দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।’
বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগের প্রতিবাদ এবং বাতিলের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিতর্কিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তারা মেনে নেবেন না।
পরে শিক্ষার্থীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, যোগদানের শেষ দিন হলেও ডা. মনিরুজ্জামান অফিসে উপস্থিত হননি। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার জন্য নির্ধারিত কক্ষের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন জানিয়েছেন, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে, তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
তার দাবি, ডা. মনিরুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতা সাদিক আব্দুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। বরিশালে একজন সৎ, যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিত।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী লাবনী আক্তার বলেছেন, বরিশালের মানুষ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। তাই জনস্বার্থে বিতর্কিত কর্মকর্তাকে অপসারণ করে নতুন সিভিল সার্জন নিয়োগ দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন জনস্বার্থে।
কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগ বাতিল এবং একজন যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগের দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১১:৫৯
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের অভ্যন্তরীণ ৭টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
আজ শনিবার (২৫ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয় খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, গতকাল রাতে প্রকাশিত সারাদেশের সম্ভাব্য আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতর আরও জানিয়েছে, বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। একই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।’
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের অভ্যন্তরীণ ৭টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
আজ শনিবার (২৫ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয় খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, গতকাল রাতে প্রকাশিত সারাদেশের সম্ভাব্য আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতর আরও জানিয়েছে, বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। একই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।’

২১ নভেম্বর, ২০২৫ ২৩:১৩
শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ের মিষ্টি বিতরণে দাওয়াত না পাওয়াকে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষে খুন হন ছাত্রদল নেতা রবিউল ইসলাম। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামি করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের। আসামী থেকে বাদ যায়নি ঢাকায় অবস্থানরত চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, এমনকি পত্রিকা কর্মচারীও। মামলার বাদী চেনেন না অনেক আসামিকে।
এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম হত্যার মামলায়। বিএনপির এক গ্রুপের প্ররোচনায় দায়ের হওয়া ওই মামলাকে হয়রানিমূলক দাবি করে তা প্রত্যাহারের জন্য সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপির আরেক গ্রুপ। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার রহমতপুর বাজারে জনাকীর্ণ ওই সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন। তিনি বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান গ্রুপের প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে পরিচিত।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, 'ছাত্রদল নেতা রবিউল হত্যার ঘটনাটি কোনো পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল না। এটা ছাত্রদলের কিছু ছেলেদের মিষ্টি বিতরণ নিয়ে তাৎক্ষণিক ভুল বোঝাবুঝি, কথা কাটাকাটি ও মারামারির মধ্যে ঘটে যাওয়া একটি দুর্ঘটনা মাত্র। অথচ সেখানে প্রকৃত আসামি বাদ দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল এবং মামলাবাণিজ্য করার জন্য অধিকাংশ নিরপরাধ মানুষকে আসামি করা হয়েছে। বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম ভিপি লিপন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শফিউল আযম শাহীন, কৃষকদলের উপজেলা সহ-সভাপতি বাবুল হাওলাদার, ঢাকা মহানগর ছাত্রদল নেতা মিলন সরদার, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার সার্কুলেশন ম্যানেজার মিজানুর রহমানসহ ১৪ জন নিরপরাধ মানুষকে এই হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে। অথচ তারা কেউই এলাকায় থাকেন না। কেউ ঢাকায় চাকরিজীবী, কেউ ব্যবসা করেন, কেউ পত্রিকা অফিসের কাজে বরিশালে থাকেন। এমনকি মামলার বাদী নিজেও ছিলেন বিদেশে। অনেক আসামিকেই তিনি চেনেন না। স্থানীয় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা এবং তাদের দোসররা এই মামলা নিয়ে কোটি টাকার আয়বাণিজ্য করা এবং রাজনৈতিক শত্রুতা উদ্ধারের জন্যই তাকে ভুল বুঝিয়ে এই মামলা দায়ের করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন তিনি।'
মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার জানান, 'স্বেচ্ছাসেবক দলের বরিশাল জেলার সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম ভিপি লিপন একজন ত্যাগী এবং নিবেদিতপ্রাণ নেতা। তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রায় ৩০টি মামলার আসামি হয়ে অসংখ্যবার কারাবরণ করেন। জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের তার একচেটিয়া জনপ্রিয়তা রয়েছে। এছাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শফিউল আযম শাহীন ফরাজীও বিএনপির দুর্দিনের নেতা। এলাকায় তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা এবং জনপ্রিয়তা রয়েছে। এসব নেতাদের মানুষ ভালোবাসে, বিশ্বাস করে। তারা এলাকায় থাকলে কেউ আগামী নির্বাচনে ভোট ডাকাতি করতে পারবে না। তাই কৌশলে তাদের শায়েস্তা করে বেগম সেলিমা রহমানকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করতেই এই মামলায় তাদের আসামী দেওয়া হয়েছে।
উপজেলার রহমতপুর বাজারে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে এসময় বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহবুব তালুকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, উপজেলা বিএনপি নেতা আবুল কালাম মুন্সি, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, তাঁতী দলের সভাপতি জামাল হোসেন, ছাত্রদলের যুগ্ন-আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জিয়া মঞ্চের সভাপতি বাহাদুর হোসেনসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বর্তমান এবং সাবেক কমিটির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মামলা প্রসঙ্গে বাদী নিহত রবিউল ইসলামের বাবা সেনাসদস্য মিজানুর রহমান দুলাল হাওলাদার বলেন, 'আমি বিগত ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষা মিশনে কুয়েতে অবস্থান করছি। গত ১৭ নভেম্বর রাতে আমার ছেলে নিহত হওয়ার খবর পেয়ে আমি কুয়েত থেকে বাংলাদেশে আসি। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। তাই কে বা কারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে তা দেখিনি। তবে ঘটনাস্থলের প্রত্যক্ষদর্শী, সাক্ষী এবং স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে যাদের নাম পাওয়া গেছে তাদের নামে মামলা দিয়েছি আমি। এখন কে দোষী আর কে নির্দোষী সেটা পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।'
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহিরুল আলম জানান, 'রবিউল হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে পুলিশ। মামলায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তির নাম থাকলে এবং তদন্তে তা প্রমাণিত হলে তিনি আইন অনুযায়ী অব্যাহতি পাবেন। নির্দোষ কাউকে হয়রানি করতে চায় না পুলিশ। আবার কোনো প্রকৃত অপরাধীকেও ছাড় দেওয়া হবে না।' #