
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:০৭
ইলিশের অভয়াশ্রম রক্ষায় শনিবার (১মার্চ) মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা। এতে বেকার হয়ে পড়বেন উপকূলের দুই লাখের অধিক জেলে।
যে কারণে অভাব অনাটন আর অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন জেলেরা। যদিও জেলে পুর্ণবাসনের জন্য চাল বরাদ্দ দেয়া হলেও সে চাল সঠিক সময়ে সবার ভাগ্যে জুটেনা। তাই নিষেধাজ্ঞা সময়কালেই জেলেদের মাঝে পুর্নবাসনের চাল এবং এনজিও কিস্তি বন্ধ রাখার দাবী জেলেদের।
জেলেরা জানান, গত মৌসুমে পুরো সময় জুড়ে ইলিশ সংকট থাকায় এ বছরের শুরুটা ভালো যায়নি ভোলার জেলেদের। নদীতে ইলিশ শূন্যতায় বার বার আর্থিকভাবে ধাক্কা খেতে হয়েছে তাদের। এমন সংকটের মধ্যে আবার চলে আসছে ইলিশ ধরায় দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা। এতে কর্মহীন হয়ে চরম অভাব অনাটনে পড়েছেন জেলেরা।
জেলে আবুল কালাম, হাবিব ও কামাল জানান, ২ মাসের নিষেধাজ্ঞা মানতে গেলে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে। কারন, জেলে পেশা এবং মাছ ধরার উপর আমাদের জীবিকা। কিভাবে নিষেধাজ্ঞা সময় কাটাবো সে চিন্তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছি।
এদিকে, জেলেদের অনেকেই এনজিও থেকে ঋন আর ধারদেনা করে জাল নৌকা গড়েছেন তবে নিষেধাজ্ঞাকালিন সময় জেলে পুর্নবাসনের জন্য চাল বরাদ্দ হলে সে চাল পৌছায়না অনেকের ভাগ্যে। তাই এনজিও কিস্তি পরিষোধ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তাগ্রস্ত তারা। এমন বাস্তবতায় কিস্তি বন্ধ রাখার পাশাপাশি যথাসময়ে পুর্ণ বাসনের চাল বিতরণের দাবী তাদের।
জেলে মাইনুদ্দিন ও সবুজ বলেন, দুই মাসের জন্য কিস্তি তোলা বন্ধ রাখা হলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হতো, সরকারের কাছে জেলেদের কথা বিবেচনা করা হয় এবং দ্রুত বরাদ্দকৃত চাল বিতরণ করা হয়।
মৎস্য আড়ৎদার আলাউদ্দিন বলেন, মাছ ধরা বন্ধ থাকার খবরে জেলে পাড়ায় তৈরী হয়েছে সংকট। শুধু জেলে নয়, একই অবস্থা মাছ ব্যবসায়ী ও আড়ৎদারদের।
এদিকে নিষেধাজ্ঞা বান্তবায়নে ভোলার বিভিন্ন মৎস্যঘাটে জেলেদের নিয়ে সচেতনতা সভা করেছে মৎস্যবিভাগ।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, নিষেধাজ্ঞা সময়ে এনজিও বিস্তি বন্ধ রাখার বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত আসেনি, তবে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তবে যারা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করবেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। উল্লেখ্য, মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার এ নিষেধাজ্ঞা থাকবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
ইলিশের অভয়াশ্রম রক্ষায় শনিবার (১মার্চ) মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা। এতে বেকার হয়ে পড়বেন উপকূলের দুই লাখের অধিক জেলে।
যে কারণে অভাব অনাটন আর অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন জেলেরা। যদিও জেলে পুর্ণবাসনের জন্য চাল বরাদ্দ দেয়া হলেও সে চাল সঠিক সময়ে সবার ভাগ্যে জুটেনা। তাই নিষেধাজ্ঞা সময়কালেই জেলেদের মাঝে পুর্নবাসনের চাল এবং এনজিও কিস্তি বন্ধ রাখার দাবী জেলেদের।
জেলেরা জানান, গত মৌসুমে পুরো সময় জুড়ে ইলিশ সংকট থাকায় এ বছরের শুরুটা ভালো যায়নি ভোলার জেলেদের। নদীতে ইলিশ শূন্যতায় বার বার আর্থিকভাবে ধাক্কা খেতে হয়েছে তাদের। এমন সংকটের মধ্যে আবার চলে আসছে ইলিশ ধরায় দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা। এতে কর্মহীন হয়ে চরম অভাব অনাটনে পড়েছেন জেলেরা।
জেলে আবুল কালাম, হাবিব ও কামাল জানান, ২ মাসের নিষেধাজ্ঞা মানতে গেলে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে। কারন, জেলে পেশা এবং মাছ ধরার উপর আমাদের জীবিকা। কিভাবে নিষেধাজ্ঞা সময় কাটাবো সে চিন্তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছি।
এদিকে, জেলেদের অনেকেই এনজিও থেকে ঋন আর ধারদেনা করে জাল নৌকা গড়েছেন তবে নিষেধাজ্ঞাকালিন সময় জেলে পুর্নবাসনের জন্য চাল বরাদ্দ হলে সে চাল পৌছায়না অনেকের ভাগ্যে। তাই এনজিও কিস্তি পরিষোধ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তাগ্রস্ত তারা। এমন বাস্তবতায় কিস্তি বন্ধ রাখার পাশাপাশি যথাসময়ে পুর্ণ বাসনের চাল বিতরণের দাবী তাদের।
জেলে মাইনুদ্দিন ও সবুজ বলেন, দুই মাসের জন্য কিস্তি তোলা বন্ধ রাখা হলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হতো, সরকারের কাছে জেলেদের কথা বিবেচনা করা হয় এবং দ্রুত বরাদ্দকৃত চাল বিতরণ করা হয়।
মৎস্য আড়ৎদার আলাউদ্দিন বলেন, মাছ ধরা বন্ধ থাকার খবরে জেলে পাড়ায় তৈরী হয়েছে সংকট। শুধু জেলে নয়, একই অবস্থা মাছ ব্যবসায়ী ও আড়ৎদারদের।
এদিকে নিষেধাজ্ঞা বান্তবায়নে ভোলার বিভিন্ন মৎস্যঘাটে জেলেদের নিয়ে সচেতনতা সভা করেছে মৎস্যবিভাগ।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, নিষেধাজ্ঞা সময়ে এনজিও বিস্তি বন্ধ রাখার বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত আসেনি, তবে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তবে যারা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করবেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। উল্লেখ্য, মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার এ নিষেধাজ্ঞা থাকবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।
বরিশাল টাইমস

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৯
ভোলার বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই ঘটনায় দুই ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত সদর উপজেলার খেয়াঘাট এলাকার বিসিক শিল্পনগরীতে খান ফ্লাওয়ার মিলস ও তৃষ্ণা বেকারিতে এই অভিযান চালানো হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন। অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সবাই সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে অবৈধ মজুত রোধে দেশজুড়ে অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রথমে খান ফ্লাওয়ার মিলসে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. জামাল হোসেনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সরেজমিনে দেখা যায়, মিলের সামনে একটি গুদামে কয়েকটি প্লাস্টিকের ড্রামে ডিজেল সংরক্ষণ করা ছিল। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মজুত রাখা ডিজেলসহ গুদামটি সিলগালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযান পরিচালনাকারীরা সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
খান ফ্লাওয়ার মিলসের মালিক মো. জামাল হোসেন দাবি করেন, তাঁর কারখানায় রাখা ডিজেল বৈধ। তিনি বলেন, কারখানা ও যানবাহনে ব্যবহারের জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে তেল সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে এ সময় তিনি জেলা প্রশাসনের কোনো লিখিত অনুমতি দেখাতে পারেননি।
পরে রাত সাড়ে ১১টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত পাশের তৃষ্ণা বেকারিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত রাখা আরও ২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় বেকারির মালিক মো. এনামুল হক জুয়েলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। অভিযানে থানা-পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, তেল বিক্রির লাইসেন্স না থাকায় দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়েছে।’
ভোলার বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই ঘটনায় দুই ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত সদর উপজেলার খেয়াঘাট এলাকার বিসিক শিল্পনগরীতে খান ফ্লাওয়ার মিলস ও তৃষ্ণা বেকারিতে এই অভিযান চালানো হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন। অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সবাই সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে অবৈধ মজুত রোধে দেশজুড়ে অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রথমে খান ফ্লাওয়ার মিলসে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. জামাল হোসেনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সরেজমিনে দেখা যায়, মিলের সামনে একটি গুদামে কয়েকটি প্লাস্টিকের ড্রামে ডিজেল সংরক্ষণ করা ছিল। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মজুত রাখা ডিজেলসহ গুদামটি সিলগালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযান পরিচালনাকারীরা সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
খান ফ্লাওয়ার মিলসের মালিক মো. জামাল হোসেন দাবি করেন, তাঁর কারখানায় রাখা ডিজেল বৈধ। তিনি বলেন, কারখানা ও যানবাহনে ব্যবহারের জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে তেল সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে এ সময় তিনি জেলা প্রশাসনের কোনো লিখিত অনুমতি দেখাতে পারেননি।
পরে রাত সাড়ে ১১টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত পাশের তৃষ্ণা বেকারিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত রাখা আরও ২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় বেকারির মালিক মো. এনামুল হক জুয়েলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। অভিযানে থানা-পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, তেল বিক্রির লাইসেন্স না থাকায় দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়েছে।’

২৯ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১
সারা দেশের সাথে একযোগে ভোলার তজুমদ্দিনে ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি চালু করে সরকার।
রবিবার বেলা ১১ টায় চাঁদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম। চাঁদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জোসেব মিয়ার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রিয়াজুল আলম, সাবেক প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আতিকুল ইসলাম, গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক আজাদ হোসেন, তজুমদ্দিনের এরিয়া ম্যানেজার মোঃ বশির আহমেদসহ শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের অপুষ্টি দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়বে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে। উদ্বোধনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করা হয়।
শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। গণপ্রহাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এ কর্মসূচী মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ণ করছেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা।
গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক আজাদ হোসেন জানান, তার সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা দেশের বিভিন্ন জেলায় মোট ২২ উপজেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ণ করছে তার মধ্যে ভোলাতে ৪টি উপজেলায় বাস্তবায়ণ করছে।
উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যার লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের পুষ্টি উন্নয়ন ও ঝরে পড়া রোধ করা। ছবি ক্যাপশন ঃ তজুমদ্দিনে ১১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। হেলাল
সারা দেশের সাথে একযোগে ভোলার তজুমদ্দিনে ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি চালু করে সরকার।
রবিবার বেলা ১১ টায় চাঁদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম। চাঁদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জোসেব মিয়ার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রিয়াজুল আলম, সাবেক প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আতিকুল ইসলাম, গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক আজাদ হোসেন, তজুমদ্দিনের এরিয়া ম্যানেজার মোঃ বশির আহমেদসহ শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের অপুষ্টি দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়বে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে। উদ্বোধনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করা হয়।
শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। গণপ্রহাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এ কর্মসূচী মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ণ করছেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা।
গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক আজাদ হোসেন জানান, তার সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা দেশের বিভিন্ন জেলায় মোট ২২ উপজেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ণ করছে তার মধ্যে ভোলাতে ৪টি উপজেলায় বাস্তবায়ণ করছে।
উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যার লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের পুষ্টি উন্নয়ন ও ঝরে পড়া রোধ করা। ছবি ক্যাপশন ঃ তজুমদ্দিনে ১১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। হেলাল

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১৩:০৭
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজ মারা গেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থা তার মৃত্যু হয়।
শনিবার বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপি সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু ও মালঞ্চা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি বাহারুল।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন দিলারা হাফিজ। ঈদুল ফিতরের দিন দুপুরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজ মারা গেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থা তার মৃত্যু হয়।
শনিবার বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপি সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু ও মালঞ্চা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি বাহারুল।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন দিলারা হাফিজ। ঈদুল ফিতরের দিন দুপুরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫