
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৪:৫৭
উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে নদী উত্তাল থাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে ভোলার ৮টি অভ্যন্তরীণ নৌরুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ ও সি-ট্রাক চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিআইডব্লিউটিএ ভোলা নদী বন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. জসিম উদ্দিন। বন্ধ ৮ টি নৌরুটের মধ্যে রয়েছে- ভোলার দৌলতখান উপজেলা-আলেকজান্ডার, চরফ্যাশন-ঢাকা, হাতিয়া-ঢাকা, চরফ্যাশন-হাতিয়া, মনপুরা-ঢাকা, তজুমদ্দিন-মনপুরাসহ অন্যান্য নৌরুট।
তবে ইলিশা-ঢাকা, ইলিশা-লক্ষীপুরের মজুচৌধুরী ঘাট, ভেদুরিয়া-বরিশাল, খেয়াঘাট-ঢাকা, বোরহানউদ্দিন-ঢাকা, লালমোহন-ঢাকা, ঘোষেরহাট-ঢাকা রুটে লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ভোলা নদী বন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. জসিম উদ্দিন বলেন, নদী উত্তাল থাকায় যাত্রী ও নৌযানের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে ভোলার ৮টি অভ্যন্তরীণ নৌরুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত এসব রুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে। আবহাওয়ার আরও অবনতি হলে ভোলার সব রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হবে।
ভোলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মো. মনিরুজ্জামান ঢাকা পোস্টকে বলেন, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি আজ সকাল ৬টায় সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে।
এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এর ফলে ৩নং সতর্ক সংকেত চলছে। উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্র বন্দরসমূহের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে নদী উত্তাল থাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে ভোলার ৮টি অভ্যন্তরীণ নৌরুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ ও সি-ট্রাক চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিআইডব্লিউটিএ ভোলা নদী বন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. জসিম উদ্দিন। বন্ধ ৮ টি নৌরুটের মধ্যে রয়েছে- ভোলার দৌলতখান উপজেলা-আলেকজান্ডার, চরফ্যাশন-ঢাকা, হাতিয়া-ঢাকা, চরফ্যাশন-হাতিয়া, মনপুরা-ঢাকা, তজুমদ্দিন-মনপুরাসহ অন্যান্য নৌরুট।
তবে ইলিশা-ঢাকা, ইলিশা-লক্ষীপুরের মজুচৌধুরী ঘাট, ভেদুরিয়া-বরিশাল, খেয়াঘাট-ঢাকা, বোরহানউদ্দিন-ঢাকা, লালমোহন-ঢাকা, ঘোষেরহাট-ঢাকা রুটে লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ভোলা নদী বন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. জসিম উদ্দিন বলেন, নদী উত্তাল থাকায় যাত্রী ও নৌযানের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে ভোলার ৮টি অভ্যন্তরীণ নৌরুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত এসব রুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে। আবহাওয়ার আরও অবনতি হলে ভোলার সব রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হবে।
ভোলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মো. মনিরুজ্জামান ঢাকা পোস্টকে বলেন, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি আজ সকাল ৬টায় সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে।
এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এর ফলে ৩নং সতর্ক সংকেত চলছে। উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্র বন্দরসমূহের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

২১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫১
ভোলার দক্ষিণ আইচা এলাকায় আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে মাছ ধরার একটি ছোট ট্রলার ডুবে গিয়ে বেচু মাঝি (৬৫) নামে এক জেলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২০ মার্চ) বিকেলে চরপাতিলা বয়ার চর সংলগ্ন নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বেচু মাঝি চর মানিকা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চর ফারুকী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত মজিবল হকের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি চার ছেলে ও পাঁচ মেয়ের জনক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে বেচু মাঝি তার দুই ছেলে শাহীন (১২) ও সাকিলকে (১৪) সঙ্গে নিয়ে মাছ ধরতে চর পাতিলা এলাকায় যান। শুক্রবার বিকেলে মাছ ধরার সময় হঠাৎ প্রবল ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে তাদের ট্রলারটি উল্টে যায়।
এ সময় বেচু মাঝি ট্রলারের নিচে চাপা পড়ে পানিতে ডুবে যান এবং আর উপরে উঠতে পারেননি। তবে তার দুই ছেলে ভাসমান প্লাস্টিকের সাহায্যে কোনোভাবে পানিতে ভেসে থেকে প্রাণে রক্ষা পায়।
পরে কিছুক্ষণ পর বেচু মাঝির নিথর দেহ পানিতে ভেসে উঠলে দুই সন্তান অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে বাবার মরদেহ টেনে তীরে নিয়ে আসে। স্থানীয়দের সহায়তায় রাত প্রায় ১০টার দিকে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানো হয়।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। স্থানীয়রা জানান, বেচু মাঝিই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনের প্রতি জরুরি সহায়তার আহ্বান।
বরিশাল টাইমস
ভোলার দক্ষিণ আইচা এলাকায় আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে মাছ ধরার একটি ছোট ট্রলার ডুবে গিয়ে বেচু মাঝি (৬৫) নামে এক জেলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২০ মার্চ) বিকেলে চরপাতিলা বয়ার চর সংলগ্ন নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বেচু মাঝি চর মানিকা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চর ফারুকী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত মজিবল হকের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি চার ছেলে ও পাঁচ মেয়ের জনক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে বেচু মাঝি তার দুই ছেলে শাহীন (১২) ও সাকিলকে (১৪) সঙ্গে নিয়ে মাছ ধরতে চর পাতিলা এলাকায় যান। শুক্রবার বিকেলে মাছ ধরার সময় হঠাৎ প্রবল ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে তাদের ট্রলারটি উল্টে যায়।
এ সময় বেচু মাঝি ট্রলারের নিচে চাপা পড়ে পানিতে ডুবে যান এবং আর উপরে উঠতে পারেননি। তবে তার দুই ছেলে ভাসমান প্লাস্টিকের সাহায্যে কোনোভাবে পানিতে ভেসে থেকে প্রাণে রক্ষা পায়।
পরে কিছুক্ষণ পর বেচু মাঝির নিথর দেহ পানিতে ভেসে উঠলে দুই সন্তান অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে বাবার মরদেহ টেনে তীরে নিয়ে আসে। স্থানীয়দের সহায়তায় রাত প্রায় ১০টার দিকে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানো হয়।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। স্থানীয়রা জানান, বেচু মাঝিই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনের প্রতি জরুরি সহায়তার আহ্বান।
বরিশাল টাইমস

১৯ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৫
ভোলার পাঁচ উপজেলার ১৪টি গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার এক দিন আগে ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করবে। আগামীকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী গ্রামে খলিফা মজনু মিয়ার নিজ বাড়ির আঙিনায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার দরবারে আউলিয়ার সুরেশ্বর দরবার পীরের মুরিদ ও ভোলা জেলার দায়িত্বে নিয়োজিত খলিফা মজনু মিয়ার স্ত্রী জয়গুন বিবি আজকের পত্রিকাকে বলেন, মজনু মিয়া মারা যাওয়ার পর তাঁর ছোট ছেলে রাশেদুল ইসলাম বাবু এই দায়িত্ব পালন করছেন।
সুরেশ্বর দরবার পীরের মুরিদ রাশেদুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘ভোলা জেলার পাঁচ উপজেলার ১৪টি গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগামীকাল ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করবেন। তাই সকাল ৯টায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী গ্রামে আমাদের নিজ বাড়ির আঙিনায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে। মাওলানা শিহাব উদ্দিন এই জামাতে ইমামতি করবেন।’
রাশেদুল ইসলাম আরও জানান, একই সঙ্গে গ্রামের চৌকিদার বাড়ির জামে মসজিদে সকাল ৯টায় এবং পঞ্চায়েত বাড়ির জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে জেলার বিভিন্ন জায়গায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে তজুমদ্দিন উপজেলার ছালাম মেম্বার বাড়ি, আব্দুল্লাহ মাঝি বাড়ি, লালমোহন উপজেলার লাঙ্গলখালীর পশ্চিম পাশে পাটোয়ারী বাড়ির জামে মসজিদ-সংলগ্ন এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ও রতনপুর গ্রাম; বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ও মুলাইপত্তন গ্রাম; তজুমদ্দিন উপজেলার শিবপুর, খাসেরহাট, চাঁদপুর ও চাঁচড়া গ্রাম; লালমোহন উপজেলার পৌর শহর, ফরাজগঞ্জ গ্রাম এবং চরফ্যাশন উপজেলার পৌর শহর, দুলারহাট, ঢালচর ও চর পাতিলা গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার প্রতিবছর এক দিন আগেই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে থাকে।
সুরেশ্বর পীরের মুরিদ ছাড়াও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া এবং ভান্ডারি শরিফ পীরের মুরিদ এসব পরিবারের সদস্যরা শতাধিক বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে এক দিন আগে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন।
ভোলার পাঁচ উপজেলার ১৪টি গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার এক দিন আগে ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করবে। আগামীকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী গ্রামে খলিফা মজনু মিয়ার নিজ বাড়ির আঙিনায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার দরবারে আউলিয়ার সুরেশ্বর দরবার পীরের মুরিদ ও ভোলা জেলার দায়িত্বে নিয়োজিত খলিফা মজনু মিয়ার স্ত্রী জয়গুন বিবি আজকের পত্রিকাকে বলেন, মজনু মিয়া মারা যাওয়ার পর তাঁর ছোট ছেলে রাশেদুল ইসলাম বাবু এই দায়িত্ব পালন করছেন।
সুরেশ্বর দরবার পীরের মুরিদ রাশেদুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘ভোলা জেলার পাঁচ উপজেলার ১৪টি গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগামীকাল ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করবেন। তাই সকাল ৯টায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী গ্রামে আমাদের নিজ বাড়ির আঙিনায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে। মাওলানা শিহাব উদ্দিন এই জামাতে ইমামতি করবেন।’
রাশেদুল ইসলাম আরও জানান, একই সঙ্গে গ্রামের চৌকিদার বাড়ির জামে মসজিদে সকাল ৯টায় এবং পঞ্চায়েত বাড়ির জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে জেলার বিভিন্ন জায়গায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে তজুমদ্দিন উপজেলার ছালাম মেম্বার বাড়ি, আব্দুল্লাহ মাঝি বাড়ি, লালমোহন উপজেলার লাঙ্গলখালীর পশ্চিম পাশে পাটোয়ারী বাড়ির জামে মসজিদ-সংলগ্ন এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ও রতনপুর গ্রাম; বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ও মুলাইপত্তন গ্রাম; তজুমদ্দিন উপজেলার শিবপুর, খাসেরহাট, চাঁদপুর ও চাঁচড়া গ্রাম; লালমোহন উপজেলার পৌর শহর, ফরাজগঞ্জ গ্রাম এবং চরফ্যাশন উপজেলার পৌর শহর, দুলারহাট, ঢালচর ও চর পাতিলা গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার প্রতিবছর এক দিন আগেই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে থাকে।
সুরেশ্বর পীরের মুরিদ ছাড়াও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া এবং ভান্ডারি শরিফ পীরের মুরিদ এসব পরিবারের সদস্যরা শতাধিক বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে এক দিন আগে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন।

১৭ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫০
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় মঙ্গলবার রাত দুইটার দিকে আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশত বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই সাথে অসংখ্য গাছপালাও উপড়ে পরেছে। চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ করেই প্রবল বেগে ঝড় শুরু হয়। প্রথমে হালকা বাতাস থাকলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়।
ঝড়ের সাথে গুড়ি গুড়ি শিলা বৃষ্টিও হয়। ঝড়ের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, টিনের ছাউনি উড়ে যায় এবং কাঁচা ঘরবাড়ি মুহূর্তেই মাটির সঙ্গে মিশে যায়। অনেক পরিবার রাতের আঁধারেই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটোছুটি করতে থাকে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঢালচর ইউনিয়নের বাসিন্দারা। তাদের বেশিরভাগই কাঁচা ঘরে বসবাস করায় ঝড়ের আঘাত সহ্য করতে পারেনি। অনেকের ঘরের আসবাবপত্র, খাদ্যসামগ্রী এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে।
উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যমতে, চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর, কুকরি মুকরি, চর পাতিলা, চর নিজাম, চর ফারুকি, চর মানিকা, নজরুল নগরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় অর্ধশত বাড়িঘর ঝরে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
ঢালচর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মফিজ জানান, প্রতিদিনের মতো ওইদিন রাতে তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। সেহেরির সময়ের দুই ঘণ্টা আগেই দক্ষিণ থেকে ধেঁয়ে আসা তীব্র গতির বাতাসে তার বসত ঘরের চালা উড়ে যায়।
তিনি বলেন, আজ থেকে তিন দিন পরেই ঈদ। ঈদের আগেই আমাদের মাথাগোজার ঠাই হারিয়ে ফেলেছি। ঝড় আমাদের ঈদ আনন্দ কেড়ে নিয়েছে। শুধু আমি না, আমার মত আরও বহু পরিবার বসত ঘর হারিয়ে পথে বসেছে।
চর মানিকা ইউনিয়ন চর কচ্চপিয়া গ্রামের বাসিন্দা সেলিম হাওলাদার বলেন, আমি একজন ব্যবসায়ী। বাতাসের প্রবল চাপে চর কচ্চপিয়া বাজারে আমার একটি দোকান ঘরের চালা উড়ে যায়।
ঢালচর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও ঢালচর বন কর্মকর্তা মুইনুল জানান, হঠাৎ ঝড়ে প্রায় ঢালচরে ত্রিশটি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এসব ক্ষতিগ্রস্থের বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এমাদুল হোসেন জানান, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় মঙ্গলবার রাত দুইটার দিকে আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশত বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই সাথে অসংখ্য গাছপালাও উপড়ে পরেছে। চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ করেই প্রবল বেগে ঝড় শুরু হয়। প্রথমে হালকা বাতাস থাকলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়।
ঝড়ের সাথে গুড়ি গুড়ি শিলা বৃষ্টিও হয়। ঝড়ের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, টিনের ছাউনি উড়ে যায় এবং কাঁচা ঘরবাড়ি মুহূর্তেই মাটির সঙ্গে মিশে যায়। অনেক পরিবার রাতের আঁধারেই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটোছুটি করতে থাকে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঢালচর ইউনিয়নের বাসিন্দারা। তাদের বেশিরভাগই কাঁচা ঘরে বসবাস করায় ঝড়ের আঘাত সহ্য করতে পারেনি। অনেকের ঘরের আসবাবপত্র, খাদ্যসামগ্রী এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে।
উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যমতে, চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর, কুকরি মুকরি, চর পাতিলা, চর নিজাম, চর ফারুকি, চর মানিকা, নজরুল নগরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় অর্ধশত বাড়িঘর ঝরে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
ঢালচর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মফিজ জানান, প্রতিদিনের মতো ওইদিন রাতে তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। সেহেরির সময়ের দুই ঘণ্টা আগেই দক্ষিণ থেকে ধেঁয়ে আসা তীব্র গতির বাতাসে তার বসত ঘরের চালা উড়ে যায়।
তিনি বলেন, আজ থেকে তিন দিন পরেই ঈদ। ঈদের আগেই আমাদের মাথাগোজার ঠাই হারিয়ে ফেলেছি। ঝড় আমাদের ঈদ আনন্দ কেড়ে নিয়েছে। শুধু আমি না, আমার মত আরও বহু পরিবার বসত ঘর হারিয়ে পথে বসেছে।
চর মানিকা ইউনিয়ন চর কচ্চপিয়া গ্রামের বাসিন্দা সেলিম হাওলাদার বলেন, আমি একজন ব্যবসায়ী। বাতাসের প্রবল চাপে চর কচ্চপিয়া বাজারে আমার একটি দোকান ঘরের চালা উড়ে যায়।
ঢালচর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও ঢালচর বন কর্মকর্তা মুইনুল জানান, হঠাৎ ঝড়ে প্রায় ঢালচরে ত্রিশটি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এসব ক্ষতিগ্রস্থের বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এমাদুল হোসেন জানান, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.