Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫১
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দীর্ঘ প্রায় দুই যুগের রাজনৈতিক অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসন পুনরুদ্ধার করল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ধানের শীষ প্রতীকে ৮০ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোট প্রার্থী, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ৬১ হাজার ১৯২ ভোট। ফলে প্রায় ১৯ হাজার ৭৩৮ ভোটের ব্যবধানে বড় জয় নিশ্চিত করেন বিএনপি প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে বরিশাল জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম সুমন স্বাক্ষরিত বার্তায় এই ফলাফল জানানো হয়।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল-৩ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৭ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৬ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীকে পান ১৬ হাজার ৩২৫ ভোট।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু লাঙল প্রতীকে পান ১৪ হাজার ১৮৪ ভোট। গণঅধিকার পরিষদের ইয়ামিন এইচ এম ফারদিন ট্রাক প্রতীকে পান ৮৬০ ভোট। বাসদের প্রার্থী আজমুল হাসান জিহাদ মই প্রতীকে পান ২১৪ ভোট।
এ ছাড়া এই আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৩০৫টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৪০ হাজার ৬৩৬টি।
মুলাদী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব কাজী কামাল হোসেন জানান, ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোশাররফ হোসেন মঙ্গু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৬ সালে দুইবার ও ২০০১ সালে একবার, টানা চারবার তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৮ সালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু জয়ী হলে আসন হারায় বিএনপি। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি এবং ২০১৮ সালেও এ আসনে জয় পায়নি। অবশেষে প্রায় ২৫ বছর পর পুনরায় আসনটি নিজেদের দখলে নিল দলটি।
বিজয় ঘোষণার পর অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, 'বাবুগঞ্জ-মুলাদীর প্রিয় জনগণের ভালোবাসা ও আস্থায় আমি নির্বাচিত হয়েছি। আপনাদের এই অকুণ্ঠ সমর্থন আমার দায়িত্ব আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। ইনশাআল্লাহ— সততা, নিষ্ঠা ও উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে সব সময় আপনাদের পাশে থাকব। বাবুগঞ্জ–মুলাদীর উন্নয়নই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।'
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দীর্ঘ প্রায় দুই যুগের রাজনৈতিক অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসন পুনরুদ্ধার করল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ধানের শীষ প্রতীকে ৮০ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোট প্রার্থী, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ৬১ হাজার ১৯২ ভোট। ফলে প্রায় ১৯ হাজার ৭৩৮ ভোটের ব্যবধানে বড় জয় নিশ্চিত করেন বিএনপি প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে বরিশাল জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম সুমন স্বাক্ষরিত বার্তায় এই ফলাফল জানানো হয়।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল-৩ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৭ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৬ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীকে পান ১৬ হাজার ৩২৫ ভোট।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু লাঙল প্রতীকে পান ১৪ হাজার ১৮৪ ভোট। গণঅধিকার পরিষদের ইয়ামিন এইচ এম ফারদিন ট্রাক প্রতীকে পান ৮৬০ ভোট। বাসদের প্রার্থী আজমুল হাসান জিহাদ মই প্রতীকে পান ২১৪ ভোট।
এ ছাড়া এই আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৩০৫টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৪০ হাজার ৬৩৬টি।
মুলাদী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব কাজী কামাল হোসেন জানান, ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোশাররফ হোসেন মঙ্গু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৬ সালে দুইবার ও ২০০১ সালে একবার, টানা চারবার তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৮ সালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু জয়ী হলে আসন হারায় বিএনপি। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি এবং ২০১৮ সালেও এ আসনে জয় পায়নি। অবশেষে প্রায় ২৫ বছর পর পুনরায় আসনটি নিজেদের দখলে নিল দলটি।
বিজয় ঘোষণার পর অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, 'বাবুগঞ্জ-মুলাদীর প্রিয় জনগণের ভালোবাসা ও আস্থায় আমি নির্বাচিত হয়েছি। আপনাদের এই অকুণ্ঠ সমর্থন আমার দায়িত্ব আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। ইনশাআল্লাহ— সততা, নিষ্ঠা ও উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে সব সময় আপনাদের পাশে থাকব। বাবুগঞ্জ–মুলাদীর উন্নয়নই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।'

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০৭
বরিশালের উজিরপুরে মাছের ঘের দখলকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে উজিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগে, শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের মুড়িবাড়ি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল বলেন, সাতলা ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি সরোয়ার সরদার ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহাত খন্দকার তাদের সহযোগীদের নিয়ে গত বছর পটিবাড়ি এলাকার প্রায় ১৪শ’ একর মৎস্য ঘের দখল করেন।
জমির মালিকদের না জানিয়ে এ বছরও ওই ঘেরে মাছ চাষের চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। গত শনিবার বিকেলে জমির মালিকদের নিয়ে স্থানীয় মাহবুব খন্দকারের বাড়িতে সভা করা হলে সরোয়ার ও রাহাত তাদের লোকজন নিয়ে সভাস্থলে এসে তা পণ্ড করে দেন এবং জুয়েলকে খুঁজতে থাকেন। পরে ওইদিন রাত সাড়ে নয়টার দিকে মুড়িবাড়ি এলাকায় তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। এ সময় তার চিৎকারে ছুটে আসা যুবদল কর্মী মামুন হাওলাদারকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
আহতদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল সাতলা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য ও মামুন হাওলাদার যুবদলের কর্মী। অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা রাহাত খন্দকার বলেন, তারা কোনো হামলা করেননি বরং প্রতিপক্ষই তাদের ওপর হামলা করেছে।
এতে তাদের পক্ষের চারজন আহত হয়েছেন এবং সরোয়ার সরদারের অবস্থা গুরুতর। উজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৫০
পটুয়াখালীর একটি বেসরকারি নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের এক নারী শিক্ষিকাকে পরকীয়ার ফাঁদে ফেলে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ওই কলেজের চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত ৩১ মার্চ ঝালকাঠী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষিকার স্বামী মো. মশিউর রহমান। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন—বরিশালের রাজধানী ও ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম এবং একই কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও বাদীর স্ত্রী আয়শা আক্তার।
অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম পটুয়াখালীর বাসিন্দা এবং সেখানে ‘জহির-নেহেরু নার্সিং ইনস্টিটিউট’-এর পরিচালক। তবে ব্যবসায়িক সূত্রে তিনি বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় বসবাস করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম ও আয়শা আক্তার ঝালকাঠী সদর উপজেলার আলীপুর শশাংক গ্রামের বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েন। বাদীর মা মর্জিনা আক্তার তাদের এই অনৈতিক কার্যকলাপ দেখে চিৎকার দিলে অভিযুক্তরা ঘর থেকে নগদ ৮০ হাজার টাকা ও এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইনসহ প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে এবং ৩ বছরের সন্তানসহ দ্রুত প্রাইভেট কারে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
বাদীর অভিযোগ, জহিরুল ইসলাম একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং নারীলোভী প্রকৃতির। প্রতিষ্ঠানের প্রধান হওয়ার সুবাদে তিনি সহকারী অধ্যাপক আয়শা আক্তারের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়ান। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর একাধিকবার বারণ করা সত্ত্বেও তারা সম্পর্ক বজায় রাখেন। এমনকি আয়শা আক্তারের বাবার বাড়িতে বিষয়টি জানিয়েও কোনো সমাধান মেলেনি।
অভিযোগ রয়েছে, নার্সিং ব্যবসার আড়ালে জহিরুল ইসলাম নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। ইতিপূর্বে এক ছাত্রীর সঙ্গে তার আপত্তিকর ফোনালাপের অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি জেলা কৃষক লীগের সদস্য পদ বাগিয়ে নিয়েছেন এবং তার স্ত্রীকে বরিশাল জেলা মহিলা শ্রমিক লীগের সভাপতি বানিয়েছেন বলেও জানা যায়।
এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল এবং হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫৪
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামে মাসুম বেপারী নামের এক যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে ও হাতুড়িপেটায় গুরুতর আহত করা হয়েছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে দত্তপাড়া গ্রামের সায়েম কাজীর নেতৃত্বে রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে চিহৃিত সন্ত্রাসীরা যুবলীগ কর্মী মাসুম বেপারীকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে ও হাতুড়িপেটায় আহত করা হয়। গুরুতর আহত মাসুম বেপারী ওই গ্রামের মকবুল বেপারীর ছেলে।
আশংকাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা মাসুমকে উদ্ধার করে প্রথমে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
বরিশালের উজিরপুরে মাছের ঘের দখলকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে উজিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগে, শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের মুড়িবাড়ি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল বলেন, সাতলা ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি সরোয়ার সরদার ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহাত খন্দকার তাদের সহযোগীদের নিয়ে গত বছর পটিবাড়ি এলাকার প্রায় ১৪শ’ একর মৎস্য ঘের দখল করেন।
জমির মালিকদের না জানিয়ে এ বছরও ওই ঘেরে মাছ চাষের চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। গত শনিবার বিকেলে জমির মালিকদের নিয়ে স্থানীয় মাহবুব খন্দকারের বাড়িতে সভা করা হলে সরোয়ার ও রাহাত তাদের লোকজন নিয়ে সভাস্থলে এসে তা পণ্ড করে দেন এবং জুয়েলকে খুঁজতে থাকেন। পরে ওইদিন রাত সাড়ে নয়টার দিকে মুড়িবাড়ি এলাকায় তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। এ সময় তার চিৎকারে ছুটে আসা যুবদল কর্মী মামুন হাওলাদারকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
আহতদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল সাতলা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য ও মামুন হাওলাদার যুবদলের কর্মী। অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা রাহাত খন্দকার বলেন, তারা কোনো হামলা করেননি বরং প্রতিপক্ষই তাদের ওপর হামলা করেছে।
এতে তাদের পক্ষের চারজন আহত হয়েছেন এবং সরোয়ার সরদারের অবস্থা গুরুতর। উজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর একটি বেসরকারি নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের এক নারী শিক্ষিকাকে পরকীয়ার ফাঁদে ফেলে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ওই কলেজের চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত ৩১ মার্চ ঝালকাঠী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষিকার স্বামী মো. মশিউর রহমান। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন—বরিশালের রাজধানী ও ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম এবং একই কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও বাদীর স্ত্রী আয়শা আক্তার।
অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম পটুয়াখালীর বাসিন্দা এবং সেখানে ‘জহির-নেহেরু নার্সিং ইনস্টিটিউট’-এর পরিচালক। তবে ব্যবসায়িক সূত্রে তিনি বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় বসবাস করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম ও আয়শা আক্তার ঝালকাঠী সদর উপজেলার আলীপুর শশাংক গ্রামের বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েন। বাদীর মা মর্জিনা আক্তার তাদের এই অনৈতিক কার্যকলাপ দেখে চিৎকার দিলে অভিযুক্তরা ঘর থেকে নগদ ৮০ হাজার টাকা ও এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইনসহ প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে এবং ৩ বছরের সন্তানসহ দ্রুত প্রাইভেট কারে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
বাদীর অভিযোগ, জহিরুল ইসলাম একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং নারীলোভী প্রকৃতির। প্রতিষ্ঠানের প্রধান হওয়ার সুবাদে তিনি সহকারী অধ্যাপক আয়শা আক্তারের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়ান। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর একাধিকবার বারণ করা সত্ত্বেও তারা সম্পর্ক বজায় রাখেন। এমনকি আয়শা আক্তারের বাবার বাড়িতে বিষয়টি জানিয়েও কোনো সমাধান মেলেনি।
অভিযোগ রয়েছে, নার্সিং ব্যবসার আড়ালে জহিরুল ইসলাম নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। ইতিপূর্বে এক ছাত্রীর সঙ্গে তার আপত্তিকর ফোনালাপের অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি জেলা কৃষক লীগের সদস্য পদ বাগিয়ে নিয়েছেন এবং তার স্ত্রীকে বরিশাল জেলা মহিলা শ্রমিক লীগের সভাপতি বানিয়েছেন বলেও জানা যায়।
এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল এবং হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামে মাসুম বেপারী নামের এক যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে ও হাতুড়িপেটায় গুরুতর আহত করা হয়েছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে দত্তপাড়া গ্রামের সায়েম কাজীর নেতৃত্বে রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে চিহৃিত সন্ত্রাসীরা যুবলীগ কর্মী মাসুম বেপারীকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে ও হাতুড়িপেটায় আহত করা হয়। গুরুতর আহত মাসুম বেপারী ওই গ্রামের মকবুল বেপারীর ছেলে।
আশংকাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা মাসুমকে উদ্ধার করে প্রথমে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।