Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫১
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দীর্ঘ প্রায় দুই যুগের রাজনৈতিক অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসন পুনরুদ্ধার করল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ধানের শীষ প্রতীকে ৮০ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোট প্রার্থী, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ৬১ হাজার ১৯২ ভোট। ফলে প্রায় ১৯ হাজার ৭৩৮ ভোটের ব্যবধানে বড় জয় নিশ্চিত করেন বিএনপি প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে বরিশাল জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম সুমন স্বাক্ষরিত বার্তায় এই ফলাফল জানানো হয়।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল-৩ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৭ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৬ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীকে পান ১৬ হাজার ৩২৫ ভোট।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু লাঙল প্রতীকে পান ১৪ হাজার ১৮৪ ভোট। গণঅধিকার পরিষদের ইয়ামিন এইচ এম ফারদিন ট্রাক প্রতীকে পান ৮৬০ ভোট। বাসদের প্রার্থী আজমুল হাসান জিহাদ মই প্রতীকে পান ২১৪ ভোট।
এ ছাড়া এই আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৩০৫টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৪০ হাজার ৬৩৬টি।
মুলাদী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব কাজী কামাল হোসেন জানান, ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোশাররফ হোসেন মঙ্গু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৬ সালে দুইবার ও ২০০১ সালে একবার, টানা চারবার তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৮ সালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু জয়ী হলে আসন হারায় বিএনপি। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি এবং ২০১৮ সালেও এ আসনে জয় পায়নি। অবশেষে প্রায় ২৫ বছর পর পুনরায় আসনটি নিজেদের দখলে নিল দলটি।
বিজয় ঘোষণার পর অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, 'বাবুগঞ্জ-মুলাদীর প্রিয় জনগণের ভালোবাসা ও আস্থায় আমি নির্বাচিত হয়েছি। আপনাদের এই অকুণ্ঠ সমর্থন আমার দায়িত্ব আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। ইনশাআল্লাহ— সততা, নিষ্ঠা ও উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে সব সময় আপনাদের পাশে থাকব। বাবুগঞ্জ–মুলাদীর উন্নয়নই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।'
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দীর্ঘ প্রায় দুই যুগের রাজনৈতিক অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসন পুনরুদ্ধার করল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ধানের শীষ প্রতীকে ৮০ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোট প্রার্থী, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ৬১ হাজার ১৯২ ভোট। ফলে প্রায় ১৯ হাজার ৭৩৮ ভোটের ব্যবধানে বড় জয় নিশ্চিত করেন বিএনপি প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে বরিশাল জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম সুমন স্বাক্ষরিত বার্তায় এই ফলাফল জানানো হয়।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল-৩ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৭ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৬ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীকে পান ১৬ হাজার ৩২৫ ভোট।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু লাঙল প্রতীকে পান ১৪ হাজার ১৮৪ ভোট। গণঅধিকার পরিষদের ইয়ামিন এইচ এম ফারদিন ট্রাক প্রতীকে পান ৮৬০ ভোট। বাসদের প্রার্থী আজমুল হাসান জিহাদ মই প্রতীকে পান ২১৪ ভোট।
এ ছাড়া এই আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৩০৫টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৪০ হাজার ৬৩৬টি।
মুলাদী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব কাজী কামাল হোসেন জানান, ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোশাররফ হোসেন মঙ্গু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৬ সালে দুইবার ও ২০০১ সালে একবার, টানা চারবার তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৮ সালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু জয়ী হলে আসন হারায় বিএনপি। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি এবং ২০১৮ সালেও এ আসনে জয় পায়নি। অবশেষে প্রায় ২৫ বছর পর পুনরায় আসনটি নিজেদের দখলে নিল দলটি।
বিজয় ঘোষণার পর অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, 'বাবুগঞ্জ-মুলাদীর প্রিয় জনগণের ভালোবাসা ও আস্থায় আমি নির্বাচিত হয়েছি। আপনাদের এই অকুণ্ঠ সমর্থন আমার দায়িত্ব আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। ইনশাআল্লাহ— সততা, নিষ্ঠা ও উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে সব সময় আপনাদের পাশে থাকব। বাবুগঞ্জ–মুলাদীর উন্নয়নই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।'

২৩ জুন, ২০২৬ ২২:৩৪

২৩ জুন, ২০২৬ ১৭:৩২
প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লামিয়া আক্তার (১৯) নামের এক নারী মাদক কারবারীকে গাঁজাসহ হাতেনাতে আটকের পর পুলিশে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার টরকী বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন চাতাল থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক মাদক কারবারী লামিয়া উপজেলার সালতা গ্রামের সামছুল হক বেপারীর মেয়ে।
উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক রুবেল গোমস্তা ও পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রহিম জানান, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে টরকী বাসষ্ট্যান্ডে অবস্থান করছিলাম।
এরইমধ্যে জানতে পারি বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন চাতালের মধ্যে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হচ্ছে। পরবর্তীতে থানা পুলিশকে খবর দেওয়ার পাশাপাশি ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে মাদকের আস্তানায় হানা দেয়া হয়। এসময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দেখামাত্র মাদক ক্রেতারা খালে লাফিয়ে পড়ে পালিয়ে রক্ষা পেলেও এক নারী মাদক কারবারিকে ২১ পুড়িয়া গাঁজাসহ আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
ছাত্রদল নেতারা আরও জানান, ওই মাদক স্পটে হানা দেওয়ার পরপরই স্থানীয় একটি শক্তিশালি মাদক চক্র এসে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর চড়াও হয়। পরবর্তীতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পড়লে মাদক চক্রটি সেখান থেকে পালিয়ে রক্ষা পায়।
তবে আটককৃত লামিয়া আক্তার জানিয়েছে, মাদক ব্যবসার সঙ্গে সে জড়িত নয়। চাতালের পাশেই তার আত্মীয়র বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের এসআই সৌমেন জানান, খবরপেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটক লামিয়ার কাছ থেকে ছোট ছোট ২১ পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে সে থানায় রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পর ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।’

২৩ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৫
বন্ধুর বিয়েতে এসে মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন কুয়েত প্রবাসী সোহেল ফকির (২৪)।ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর একটার দিকে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুরের বটতলা নামক এলাকায়।
নিহত কুয়েত প্রবাসী সোহেল খাঞ্জাপুর গ্রামের সামু ফকিরের ছেলে।
নিহতের ঘনিষ্ঠজন পান্নু মৃধা জানিয়েছেন, খাঞ্জাপুর গ্রামের খলিল হাওলাদারের ছেলে সোহেলের বাল্যবন্ধু ফরসাল হাওলাদারের গত ১৯ জুন বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। ওই বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য গত দশদিন পূর্বে সোহেল কুয়েত থেকে ছুটিতে দেশে আসে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পান্নু মৃধা আরও জানিয়েছেন, ঘটনারদিন মঙ্গলবার দুপুর একটার দিকে সোহেল মোটরসাইকেল পাকিং করে বটতলা এলাকার মহাসড়কের পাশে দাঁড়ানোছিলো। এসময় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী বেপরোয়াগতির তাজবি পরিবহন দূর্ঘটনাস্থল অতিক্রমকালে মহাসড়কের পাশে দাঁড়ানো সোহেলকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে সোহেল ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
মুহুর্তের মধ্যে সোহেল ফকির নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই এলাকার শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা গেছে, প্রায় দেড়বছর পূর্বে ছুটিতে বাড়িতে এসে সোহেল ফকির বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ মোহসিন জানিয়েছেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পাশাপাশি মহাসড়কের গোপালপুর এলাকায় ঘাতক পরিবহনটি আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে বডি স্প্রে ব্যবহারের কারণে ১৪ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পরেছে। মারাত্মক অসুস্থ ৩ জন শিক্ষার্থীকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
২৩ জুন মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের শিবপুর পাবলিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থদের মধ্যে তিনজন শিক্ষার্থী মারাত্মক অসুস্থ হওয়ায় তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো বিথি আক্তার (১৪), মারুফ খান (১৪), তানজিলা আক্তার, সারা মনি (১৪), তাজু (১৪), মাহিন (১৪), সুমাইয়া (১৪), ইশরাত (১৪), সাদিয়া (১৪), লামিয়া (১৪), অন্তরা (১৪) ও জিসান (১৪)। বাকি দুই শিক্ষার্থীর নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি, এবং তারা সবাই নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী।
হাসপাতাল ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর ব্যাগে থাকা ‘ওয়াইল্ড স্টোন (WILD STONE)’ ব্র্যান্ডের একটি বডি স্প্রে ব্যবহার করার পর প্রথমে বিথি আক্তার অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে দেখতে গিয়ে এবং ঘটনাটি নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে মোট ১৪ জন শিক্ষার্থী শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার উপসর্গে আক্রান্ত হয়।
নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারুফ খান জানান, তাদের সহপাঠী তাওসিফের ব্যাগে থাকা বডি স্প্রে ব্যবহার করার পর প্রথমে বিথি আক্তার অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে দেখতে আসা অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও একে একে অসুস্থ হয়ে যায়।
শিবপুর পাবলিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হান্নান মিয়া বলেন, “দুপুর দেড়টার দিকে হঠাৎ করে একের পর এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের দ্রুত বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এক শিক্ষার্থী বডি স্প্রে ব্যবহারের পর অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই অন্যদের মধ্যে একই ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।”
বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সুজিত চন্দ্র ঢালি বলেন, “শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা ও অজ্ঞান হওয়ার উপসর্গ নিয়ে শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে অধিকাংশকে চিকিৎসা দিয়ে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তবে তিনজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “শুধুমাত্র একটি বডি স্প্রে ব্যবহারের কারণে একসঙ্গে এত শিক্ষার্থীর অসুস্থ হওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিক নয়। এর সঙ্গে মনস্তাত্ত্বিক বা সাইকোলজিক্যাল প্রভাব জড়িত থাকতে পারে। বিষয়টি চিকিৎসকরা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন।”
এদিকে ঘটনার পর পুলিশ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছে। বাকেরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে বডি স্প্রে ব্যবহারের কারণে ১৪ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পরেছে। মারাত্মক অসুস্থ ৩ জন শিক্ষার্থীকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
২৩ জুন মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের শিবপুর পাবলিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থদের মধ্যে তিনজন শিক্ষার্থী মারাত্মক অসুস্থ হওয়ায় তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো বিথি আক্তার (১৪), মারুফ খান (১৪), তানজিলা আক্তার, সারা মনি (১৪), তাজু (১৪), মাহিন (১৪), সুমাইয়া (১৪), ইশরাত (১৪), সাদিয়া (১৪), লামিয়া (১৪), অন্তরা (১৪) ও জিসান (১৪)। বাকি দুই শিক্ষার্থীর নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি, এবং তারা সবাই নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী।
হাসপাতাল ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর ব্যাগে থাকা ‘ওয়াইল্ড স্টোন (WILD STONE)’ ব্র্যান্ডের একটি বডি স্প্রে ব্যবহার করার পর প্রথমে বিথি আক্তার অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে দেখতে গিয়ে এবং ঘটনাটি নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে মোট ১৪ জন শিক্ষার্থী শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার উপসর্গে আক্রান্ত হয়।
নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারুফ খান জানান, তাদের সহপাঠী তাওসিফের ব্যাগে থাকা বডি স্প্রে ব্যবহার করার পর প্রথমে বিথি আক্তার অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে দেখতে আসা অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও একে একে অসুস্থ হয়ে যায়।
শিবপুর পাবলিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হান্নান মিয়া বলেন, “দুপুর দেড়টার দিকে হঠাৎ করে একের পর এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের দ্রুত বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এক শিক্ষার্থী বডি স্প্রে ব্যবহারের পর অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই অন্যদের মধ্যে একই ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।”
বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সুজিত চন্দ্র ঢালি বলেন, “শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা ও অজ্ঞান হওয়ার উপসর্গ নিয়ে শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে অধিকাংশকে চিকিৎসা দিয়ে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তবে তিনজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “শুধুমাত্র একটি বডি স্প্রে ব্যবহারের কারণে একসঙ্গে এত শিক্ষার্থীর অসুস্থ হওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিক নয়। এর সঙ্গে মনস্তাত্ত্বিক বা সাইকোলজিক্যাল প্রভাব জড়িত থাকতে পারে। বিষয়টি চিকিৎসকরা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন।”
এদিকে ঘটনার পর পুলিশ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছে। বাকেরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।
প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লামিয়া আক্তার (১৯) নামের এক নারী মাদক কারবারীকে গাঁজাসহ হাতেনাতে আটকের পর পুলিশে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার টরকী বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন চাতাল থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক মাদক কারবারী লামিয়া উপজেলার সালতা গ্রামের সামছুল হক বেপারীর মেয়ে।
উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক রুবেল গোমস্তা ও পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রহিম জানান, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে টরকী বাসষ্ট্যান্ডে অবস্থান করছিলাম।
এরইমধ্যে জানতে পারি বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন চাতালের মধ্যে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হচ্ছে। পরবর্তীতে থানা পুলিশকে খবর দেওয়ার পাশাপাশি ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে মাদকের আস্তানায় হানা দেয়া হয়। এসময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দেখামাত্র মাদক ক্রেতারা খালে লাফিয়ে পড়ে পালিয়ে রক্ষা পেলেও এক নারী মাদক কারবারিকে ২১ পুড়িয়া গাঁজাসহ আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
ছাত্রদল নেতারা আরও জানান, ওই মাদক স্পটে হানা দেওয়ার পরপরই স্থানীয় একটি শক্তিশালি মাদক চক্র এসে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর চড়াও হয়। পরবর্তীতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পড়লে মাদক চক্রটি সেখান থেকে পালিয়ে রক্ষা পায়।
তবে আটককৃত লামিয়া আক্তার জানিয়েছে, মাদক ব্যবসার সঙ্গে সে জড়িত নয়। চাতালের পাশেই তার আত্মীয়র বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের এসআই সৌমেন জানান, খবরপেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটক লামিয়ার কাছ থেকে ছোট ছোট ২১ পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে সে থানায় রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পর ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।’
বন্ধুর বিয়েতে এসে মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন কুয়েত প্রবাসী সোহেল ফকির (২৪)।ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর একটার দিকে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুরের বটতলা নামক এলাকায়।
নিহত কুয়েত প্রবাসী সোহেল খাঞ্জাপুর গ্রামের সামু ফকিরের ছেলে।
নিহতের ঘনিষ্ঠজন পান্নু মৃধা জানিয়েছেন, খাঞ্জাপুর গ্রামের খলিল হাওলাদারের ছেলে সোহেলের বাল্যবন্ধু ফরসাল হাওলাদারের গত ১৯ জুন বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। ওই বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য গত দশদিন পূর্বে সোহেল কুয়েত থেকে ছুটিতে দেশে আসে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পান্নু মৃধা আরও জানিয়েছেন, ঘটনারদিন মঙ্গলবার দুপুর একটার দিকে সোহেল মোটরসাইকেল পাকিং করে বটতলা এলাকার মহাসড়কের পাশে দাঁড়ানোছিলো। এসময় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী বেপরোয়াগতির তাজবি পরিবহন দূর্ঘটনাস্থল অতিক্রমকালে মহাসড়কের পাশে দাঁড়ানো সোহেলকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে সোহেল ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
মুহুর্তের মধ্যে সোহেল ফকির নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই এলাকার শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা গেছে, প্রায় দেড়বছর পূর্বে ছুটিতে বাড়িতে এসে সোহেল ফকির বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ মোহসিন জানিয়েছেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পাশাপাশি মহাসড়কের গোপালপুর এলাকায় ঘাতক পরিবহনটি আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।