২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের দাবিতে কুয়াকাটা-ভাঙ্গা ৬ লেন সড়ক, পর্যটনশিল্প বিকাশে কুয়াকাটা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন, পায়রা বন্দরকে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীতকরণ, কুয়াকাটায় বিমানবন্দর নির্মাণ, কুয়াকাটা উপজেলায় রূপান্তর, ভাঙ্গা রেলস্টেশন থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত রেল সংযোগ, নদীভাঙন রোধে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, বরিশাল-ভোলা সেতু নির্মাণ, ভোলার গ্যাস দিয়ে শিল্পাঞ্চল (ভোলা-বরিশাল-পটুয়াখালী) গড়ে তোলাসহ ৯ দফা দাবিতে ৩০ কিলোমিটার সড়কজুড়ে দীর্ঘ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টাব্যাপী কুয়াকাটা-ঢাকা মহাসড়কের পায়রা বন্দরের ৬ লেন সড়ক পর্যন্ত এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন (টোয়াক), হোটেল মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন, কুয়াকাটা প্রেসক্লাব, মহিপুর প্রেসক্লাব, কলাপাড়া প্রেসক্লাব, কুয়াকাটা শিল্পী গোষ্ঠী, কলাপাড়া ও কুয়াকাটা নাগরিক সমাজসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন আলাদা আলাদা ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে এতে অংশগ্রহণ করেন। এতে কয়েক হাজার মানুষ এ দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে মানববন্ধনে শামিল হন।
দক্ষিণাঞ্চলের ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট ও দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা বর্তমানে জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহাসড়কটি দ্রুত ৬ লেন করার দাবি দীর্ঘদিনের। অন্যদিকে কুয়াকাটা পর্যটন তথা দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন হয়েছে, পায়রা বন্দর, সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন, লাইট হাউসসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, সেই কুয়াকাটা এখন অবহেলিত। দক্ষিণাঞ্চলের মেঘা প্রকল্পে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ ৮ দফা দাবিতে রাস্তায় নামে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা এবং দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জেলা পটুয়াখালীর সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক। তবে এটি জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, ‘পর্যটন শিল্পের বিকাশ, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ এবং দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে মহাসড়কটি ৬ লেনে উন্নীত করা সময়ের দাবি। এটি বাস্তবায়ন হলে যাতায়াত আরও নিরাপদ, দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।
অপরদিকে কুয়াকাটায় ৩ তারকা মানের হোটেলসহ ৩ শতাধিক হোটেল-মোটেল রিসোর্ট গড়ে উঠছে। হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এসব বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ নিশ্চয়তায় কুয়াকাটা উপজেলা সময়ের দাবি বলে মনে করছেন কুয়াকাটার নাগরিক সমাজ।
মানববন্ধনে তারা ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক দ্রুত ৬ লেনে উন্নীতকরণ, কুয়াকাটাকে উপজেলায় রূপান্তর, পায়রা বন্দর পূর্ণাঙ্গ চালু, কুয়াকাটা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনসহ ৯ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি উদ্যোগ ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:২৫
পটুয়াখালীর বাউফলে গাছের ডাল মাথায় পড়ে মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার (৬৫) নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে বাউফল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার ওই এলাকার মৃত আনালি হাওলাদারের ছেলে। তিনি পৌর বিএনপির সদস্য ছিলেন।
নিহতের ছেলে ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মিজানুর রহমান জানান, কালাইয়ার এক ব্যক্তির কাছে তাঁদের বাড়ির কয়েকটি গাছ বিক্রি করা হয়েছিল। বুধবার দুপুরে এক কাঠুরিয়া গাছে উঠে একটি ডাল কাটেন। পরে আরেক কাঠুরিয়া রশি দিয়ে ডালটি বেঁধে নিচে নামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় গাছের অদূরে দাঁড়িয়ে থাকা তাঁর বাবা মোসলেম উদ্দিন হাওলাদারের মাথার ওপর ডালটি পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে তাঁকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ইরফান উদ্দিন তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাউফল পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার পৌর বিএনপির সদস্য ছিলেন।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। পরিবারের কোনো আপত্তি না থাকায় এ ঘটনায় আইনি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
পটুয়াখালীর বাউফলে গাছের ডাল মাথায় পড়ে মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার (৬৫) নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে বাউফল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার ওই এলাকার মৃত আনালি হাওলাদারের ছেলে। তিনি পৌর বিএনপির সদস্য ছিলেন।
নিহতের ছেলে ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মিজানুর রহমান জানান, কালাইয়ার এক ব্যক্তির কাছে তাঁদের বাড়ির কয়েকটি গাছ বিক্রি করা হয়েছিল। বুধবার দুপুরে এক কাঠুরিয়া গাছে উঠে একটি ডাল কাটেন। পরে আরেক কাঠুরিয়া রশি দিয়ে ডালটি বেঁধে নিচে নামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় গাছের অদূরে দাঁড়িয়ে থাকা তাঁর বাবা মোসলেম উদ্দিন হাওলাদারের মাথার ওপর ডালটি পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে তাঁকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ইরফান উদ্দিন তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাউফল পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার পৌর বিএনপির সদস্য ছিলেন।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। পরিবারের কোনো আপত্তি না থাকায় এ ঘটনায় আইনি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:১১
পটুয়াখালীর বাউফলে বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, আসবাবপত্রসহ পুড়ে গেছে নিজের ও বোনের বিয়ের জন্য ১০ থেকে ১২ বছরে জমানো প্রায় সাত লাখ টাকা। এতে সর্বস্ব হারিয়ে পড়েছেন মোশাররফ হোসেনের (৩০) পরিবার।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলালিংক টাওয়ারসংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় হঠাৎ মোশাররফের বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও সফল হননি। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই ঘরের মালামাল, গবাদিপশু ও নগদ টাকা পুড়ে যায়।
মোশাররফ হোসেন জানান, কৃষিকাজের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গরু-ছাগল পালন করে আসছেন তিনি। এর আগে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তবে অটোরিকশার ব্যাটারি চুরি হয়ে যাওয়ায় সেটি বিক্রি করে দেন। এরপর গবাদিপশু পালন শুরু করেন।
মোশাররফ বলেন, গত ১০ থেকে ১২ বছরে পাঁচটি গরু ও ৪০টির বেশি ছাগল বিক্রি করে প্রায় সাত লাখ টাকা জমিয়েছিলেন। নিজের ও বোনের বিয়ের খরচের জন্য টাকাগুলো ঘরে রেখেছিলেন। কিন্তু আগুনে তাঁর সব সঞ্চয় পুড়ে গেছে। প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের দুটি গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি ও ঘরের আসবাবপত্রও আগুনে নষ্ট হয়েছে। এখন কীভাবে সংসার চালাবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।
বাউফল ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার ছাব্বির আহমেদ বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ১৮ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। পরে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের পর আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, আসবাবপত্রসহ পুড়ে গেছে নিজের ও বোনের বিয়ের জন্য ১০ থেকে ১২ বছরে জমানো প্রায় সাত লাখ টাকা। এতে সর্বস্ব হারিয়ে পড়েছেন মোশাররফ হোসেনের (৩০) পরিবার।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলালিংক টাওয়ারসংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় হঠাৎ মোশাররফের বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও সফল হননি। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই ঘরের মালামাল, গবাদিপশু ও নগদ টাকা পুড়ে যায়।
মোশাররফ হোসেন জানান, কৃষিকাজের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গরু-ছাগল পালন করে আসছেন তিনি। এর আগে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তবে অটোরিকশার ব্যাটারি চুরি হয়ে যাওয়ায় সেটি বিক্রি করে দেন। এরপর গবাদিপশু পালন শুরু করেন।
মোশাররফ বলেন, গত ১০ থেকে ১২ বছরে পাঁচটি গরু ও ৪০টির বেশি ছাগল বিক্রি করে প্রায় সাত লাখ টাকা জমিয়েছিলেন। নিজের ও বোনের বিয়ের খরচের জন্য টাকাগুলো ঘরে রেখেছিলেন। কিন্তু আগুনে তাঁর সব সঞ্চয় পুড়ে গেছে। প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের দুটি গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি ও ঘরের আসবাবপত্রও আগুনে নষ্ট হয়েছে। এখন কীভাবে সংসার চালাবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।
বাউফল ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার ছাব্বির আহমেদ বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ১৮ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। পরে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের পর আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।

১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৫৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ১০ মাস বয়সী শিশু রাইয়ানের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ঘুটাবাছা গ্রামে আল আমিনের বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাইয়ান ওই গ্রামের রাসেল খানের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে বাবার সঙ্গে ঘরে ঘুমিয়ে ছিল রাইয়ান। এ সময় শিশুটির মা রুমানা বেগম ঘরের বাইরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সকাল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে রাসেল ঘুম থেকে উঠে ঘরে তাঁর স্ত্রীর বোনের স্বামী আল আমিনকে দেখতে পান। এরপর তিনি আবার ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে আর খুঁজে পাননি।
এ ঘটনায় পারিবারিক বিরোধের জেরে আল আমিন শিশুটিকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে রাইয়ানের পরিবার। বৃহস্পতিবার রাতেই আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে কলাপাড়া থানায় মামলা করেন রুমানা বেগম। এর আগে ওই দিন দুপুরে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খাল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ১০ মাস বয়সী শিশু রাইয়ানের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ঘুটাবাছা গ্রামে আল আমিনের বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাইয়ান ওই গ্রামের রাসেল খানের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে বাবার সঙ্গে ঘরে ঘুমিয়ে ছিল রাইয়ান। এ সময় শিশুটির মা রুমানা বেগম ঘরের বাইরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সকাল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে রাসেল ঘুম থেকে উঠে ঘরে তাঁর স্ত্রীর বোনের স্বামী আল আমিনকে দেখতে পান। এরপর তিনি আবার ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে আর খুঁজে পাননি।
এ ঘটনায় পারিবারিক বিরোধের জেরে আল আমিন শিশুটিকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে রাইয়ানের পরিবার। বৃহস্পতিবার রাতেই আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে কলাপাড়া থানায় মামলা করেন রুমানা বেগম। এর আগে ওই দিন দুপুরে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খাল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

০১ জুলাই, ২০২৬ ১৩:৫২
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের দাবিতে কুয়াকাটা-ভাঙ্গা ৬ লেন সড়ক, পর্যটনশিল্প বিকাশে কুয়াকাটা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন, পায়রা বন্দরকে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীতকরণ, কুয়াকাটায় বিমানবন্দর নির্মাণ, কুয়াকাটা উপজেলায় রূপান্তর, ভাঙ্গা রেলস্টেশন থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত রেল সংযোগ, নদীভাঙন রোধে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, বরিশাল-ভোলা সেতু নির্মাণ, ভোলার গ্যাস দিয়ে শিল্পাঞ্চল (ভোলা-বরিশাল-পটুয়াখালী) গড়ে তোলাসহ ৯ দফা দাবিতে ৩০ কিলোমিটার সড়কজুড়ে দীর্ঘ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টাব্যাপী কুয়াকাটা-ঢাকা মহাসড়কের পায়রা বন্দরের ৬ লেন সড়ক পর্যন্ত এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন (টোয়াক), হোটেল মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন, কুয়াকাটা প্রেসক্লাব, মহিপুর প্রেসক্লাব, কলাপাড়া প্রেসক্লাব, কুয়াকাটা শিল্পী গোষ্ঠী, কলাপাড়া ও কুয়াকাটা নাগরিক সমাজসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন আলাদা আলাদা ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে এতে অংশগ্রহণ করেন। এতে কয়েক হাজার মানুষ এ দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে মানববন্ধনে শামিল হন।
দক্ষিণাঞ্চলের ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট ও দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা বর্তমানে জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহাসড়কটি দ্রুত ৬ লেন করার দাবি দীর্ঘদিনের। অন্যদিকে কুয়াকাটা পর্যটন তথা দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন হয়েছে, পায়রা বন্দর, সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন, লাইট হাউসসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, সেই কুয়াকাটা এখন অবহেলিত। দক্ষিণাঞ্চলের মেঘা প্রকল্পে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ ৮ দফা দাবিতে রাস্তায় নামে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা এবং দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জেলা পটুয়াখালীর সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক। তবে এটি জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, ‘পর্যটন শিল্পের বিকাশ, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ এবং দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে মহাসড়কটি ৬ লেনে উন্নীত করা সময়ের দাবি। এটি বাস্তবায়ন হলে যাতায়াত আরও নিরাপদ, দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।
অপরদিকে কুয়াকাটায় ৩ তারকা মানের হোটেলসহ ৩ শতাধিক হোটেল-মোটেল রিসোর্ট গড়ে উঠছে। হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এসব বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ নিশ্চয়তায় কুয়াকাটা উপজেলা সময়ের দাবি বলে মনে করছেন কুয়াকাটার নাগরিক সমাজ।
মানববন্ধনে তারা ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক দ্রুত ৬ লেনে উন্নীতকরণ, কুয়াকাটাকে উপজেলায় রূপান্তর, পায়রা বন্দর পূর্ণাঙ্গ চালু, কুয়াকাটা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনসহ ৯ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি উদ্যোগ ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:২০
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:১১
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৫৮