
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২১
বাউফল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোকসজ্জা নিয়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে বাউফল পাবলিক মাঠের পশ্চিম ও উত্তর পাশে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোকসজ্জা করাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সচেতন মহল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শোকের এই দিনে শহীদ মিনারকে উৎসবের আমেজে রঙিন আলোয় সাজানো শহীদদের আত্মদানকে অবজ্ঞা করার শামিল বলে অভিযোগ তুলেছেন অনেকে।
স্থানীয় প্রশাসনের এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে গত রাত থেকেই ফেসবুকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার ঝড় বইছে। অমর একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তবে সবার নজর কাড়ে শহীদ মিনারের চারপাশের চাকচিক্যময় আলোকসজ্জা ও ঝাড়বাতি।
সাধারণত ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষাশহীদদের স্মরণে একটি শোকাবহ দিন হিসেবে পালিত হলেও বাউফল প্রশাসনের এই ব্যতিক্রমী সজ্জাকে অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না।
স্থানীয় সাংবাদিক এমরান হাসান সোহেল তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ১৯৫২ সালের এই দিনে মায়ের ভাষার জন্য বাংলার বীর সন্তানরা রাজপথে রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন।
জাতি যখন তাদের এই মহান আত্মত্যাগে শোকাভিভূত, তখন শহীদ মিনারকে ঝাড়বাতি দিয়ে রঙিন করে তোলা শহীদদের প্রতি এক ধরনের ব্যঙ্গ করার মতো ঘটনা। তিনি আক্ষেপ করে আরও বলেন, শোকের দিনে এমন আলোকসজ্জা তিনি তার জীবনে কখনো দেখেননি এবং সেখানে উপস্থিত থেকেও স্থানীয় সংসদ সদস্য এর কোনো প্রতিবাদ না করায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।
বাউফল উপজেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ফিরোজও এই আলোকসজ্জা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদাহরণ দিয়ে বলেন, রাজধানীর মূল বেদিতে যেখানে কোনো আলোকসজ্জা নেই এবং ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখা হয়েছে, সেখানে বাউফলে এমন রঙিন লাইটিংয়ের যৌক্তিকতা কোথায়? তার এই স্ট্যাটাসের নিচে অসংখ্য নেটিজেন মন্তব্য করে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে অপরিকল্পিত ও অমর্যাদাকর হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সমালোচনার মুখে বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ তার অবস্থান পরিষ্কার করে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, আলোকসজ্জা করার উদ্দেশ্য কোনো উৎসব পালন নয়, বরং রাতের অন্ধকারে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় দৃশ্যমানতা বাড়ানো বা আলোক স্বল্পতা দূর করাই ছিল মূল লক্ষ্য ছিল।
তিনি দাবি করেন, এই লাইটিংয়ে কেবল জাতীয় পতাকার লাল ও সবুজ রং ব্যবহার করা হয়েছে এবং অনেক জায়গায় আলপনা আঁকা হলে যদি দোষ না হয়, তবে জাতীয় পতাকার রঙে আলোকায়ন কোনোভাবেই বিতর্কিত হতে পারে না।
তবে প্রশাসনের এই ব্যাখ্যার পরও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ কাটেনি। অনেকের মতে, আলোকসজ্জার পরিবর্তে কেবল প্রয়োজনীয় আলোর ব্যবস্থা রাখা যেত, যা দিবসের মূল ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা করতে সহায়ক হতো। সব মিলিয়ে একুশের প্রথম প্রহরে এই আলোকসজ্জার বিষয়টি বাউফলের জনমনে এখন প্রধান আলোচনা ও সমালোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাউফল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোকসজ্জা নিয়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে বাউফল পাবলিক মাঠের পশ্চিম ও উত্তর পাশে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোকসজ্জা করাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সচেতন মহল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শোকের এই দিনে শহীদ মিনারকে উৎসবের আমেজে রঙিন আলোয় সাজানো শহীদদের আত্মদানকে অবজ্ঞা করার শামিল বলে অভিযোগ তুলেছেন অনেকে।
স্থানীয় প্রশাসনের এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে গত রাত থেকেই ফেসবুকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার ঝড় বইছে। অমর একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তবে সবার নজর কাড়ে শহীদ মিনারের চারপাশের চাকচিক্যময় আলোকসজ্জা ও ঝাড়বাতি।
সাধারণত ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষাশহীদদের স্মরণে একটি শোকাবহ দিন হিসেবে পালিত হলেও বাউফল প্রশাসনের এই ব্যতিক্রমী সজ্জাকে অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না।
স্থানীয় সাংবাদিক এমরান হাসান সোহেল তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ১৯৫২ সালের এই দিনে মায়ের ভাষার জন্য বাংলার বীর সন্তানরা রাজপথে রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন।
জাতি যখন তাদের এই মহান আত্মত্যাগে শোকাভিভূত, তখন শহীদ মিনারকে ঝাড়বাতি দিয়ে রঙিন করে তোলা শহীদদের প্রতি এক ধরনের ব্যঙ্গ করার মতো ঘটনা। তিনি আক্ষেপ করে আরও বলেন, শোকের দিনে এমন আলোকসজ্জা তিনি তার জীবনে কখনো দেখেননি এবং সেখানে উপস্থিত থেকেও স্থানীয় সংসদ সদস্য এর কোনো প্রতিবাদ না করায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।
বাউফল উপজেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ফিরোজও এই আলোকসজ্জা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদাহরণ দিয়ে বলেন, রাজধানীর মূল বেদিতে যেখানে কোনো আলোকসজ্জা নেই এবং ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখা হয়েছে, সেখানে বাউফলে এমন রঙিন লাইটিংয়ের যৌক্তিকতা কোথায়? তার এই স্ট্যাটাসের নিচে অসংখ্য নেটিজেন মন্তব্য করে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে অপরিকল্পিত ও অমর্যাদাকর হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সমালোচনার মুখে বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ তার অবস্থান পরিষ্কার করে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, আলোকসজ্জা করার উদ্দেশ্য কোনো উৎসব পালন নয়, বরং রাতের অন্ধকারে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় দৃশ্যমানতা বাড়ানো বা আলোক স্বল্পতা দূর করাই ছিল মূল লক্ষ্য ছিল।
তিনি দাবি করেন, এই লাইটিংয়ে কেবল জাতীয় পতাকার লাল ও সবুজ রং ব্যবহার করা হয়েছে এবং অনেক জায়গায় আলপনা আঁকা হলে যদি দোষ না হয়, তবে জাতীয় পতাকার রঙে আলোকায়ন কোনোভাবেই বিতর্কিত হতে পারে না।
তবে প্রশাসনের এই ব্যাখ্যার পরও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ কাটেনি। অনেকের মতে, আলোকসজ্জার পরিবর্তে কেবল প্রয়োজনীয় আলোর ব্যবস্থা রাখা যেত, যা দিবসের মূল ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা করতে সহায়ক হতো। সব মিলিয়ে একুশের প্রথম প্রহরে এই আলোকসজ্জার বিষয়টি বাউফলের জনমনে এখন প্রধান আলোচনা ও সমালোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৯
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৭