
২২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১৭
বরিশালের বানারীপাড়ার উদয়কাঠী বাজারের মুদি ও বিকাশ ব্যবসায়ী মোঃ তৈয়ব বাহাদুরের (৪৫). রশি দিয়ে গলা ও হাত বাধা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত তৈয়ব বাহাদুর উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মলুহার গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত আজাহার বাহাদুরের ছেলে।
জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো ঈদের দিন শনিবার (২১ মার্চ) রাত প্রায় ১১টা পর্যন্ত তিনি উদয়কাঠী বাজারে তার মুদি ও বিকাশের দোকানে ব্যবসায়িক কাজে ব্যস্ত ছিলেন।
রাত ১১টার পর দোকান বন্ধ করে দিনের লেনদেনের টাকা সঙ্গে নিয়ে তিনি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। কিন্তু গভীর রাত পেরিয়ে গেলেও বাড়িতে না পৌঁছালে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ি যাওয়ার পথে পার্শ্ববর্তী উদয়কাঠী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বারের বাড়ির উত্তর-পশ্চিম পাশে একটি জমিতে জমে থাকা পানিতে (জলাশয়) রশি দিয়ে গলা ও পিছন দিকে (পিছমোড়া) দুহাত বাধা তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। রোববার (২২ মার্চ) ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাটিকে রহস্যজনক ও পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলে মনে করছেন। তার স্ত্রী ও দুটি নাবালক ছেলে সন্তান রয়েছে। উদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মামুন উর- রশিদ স্বপন জানান শনিবার রাত ১১টার ৫/১০ মিনিট আগেও উদয়কাঠী বাজারের তৈয়বের দোকান লাগোয়া চায়ের দোকানে তৈয়ব বাহাদুরের সঙ্গে তার আলাপচারিতা হয়। রাত পৌণে চার টার দিকে স্থানীয়রা তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে বাড়ি ফেরার রাস্তার পাশে জমির জলাশয়ে ব্যবসায়ী তৈয়বের লাশ পাওয়ার কথা জানালে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে রশি দিয়ে গলা ও পিছন মোড়া করা দু'হাত বাধা মরদেহ দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন। তৈয়বের মরদেহের পাশে তার ব্যবসায়িক
চারটি মোবাইল ফোন ও একটি ব্যাগে ত্রিশ হাজার চার শতাধিক টাকা পাওয়া গেলেও বেশী টাকা রাখার ব্যাগটি পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি। ব্যবসায়ী
তৈয়ব বাহাদুর অত্যন্ত
নম্র ও ভদ্র স্বভাবের এবং তার পরিবারের আপনজন ছিলেন জানিয়ে এ মৃত্যু রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি জানান সাবেক এ ইউপি চেয়ারম্যান।
এলাকাবাসীর ধারণা, দোকানের মোটা অংকের টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরিচিত একটি চক্র তার ওপর হামলা চালিয়ে টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং চিনে ফেলায় তাকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
এ নির্মম ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মাঝে বিরাজ করছে অজানা আতঙ্ক।
এ বিষয়ে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মজিবুর রহমান জানান, বানারীপাড়া-উজিরপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) সৌমেন্দ্র কুমার বাইন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তৈয়ব বাহাদুরের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।’
বরিশালের বানারীপাড়ার উদয়কাঠী বাজারের মুদি ও বিকাশ ব্যবসায়ী মোঃ তৈয়ব বাহাদুরের (৪৫). রশি দিয়ে গলা ও হাত বাধা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত তৈয়ব বাহাদুর উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মলুহার গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত আজাহার বাহাদুরের ছেলে।
জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো ঈদের দিন শনিবার (২১ মার্চ) রাত প্রায় ১১টা পর্যন্ত তিনি উদয়কাঠী বাজারে তার মুদি ও বিকাশের দোকানে ব্যবসায়িক কাজে ব্যস্ত ছিলেন।
রাত ১১টার পর দোকান বন্ধ করে দিনের লেনদেনের টাকা সঙ্গে নিয়ে তিনি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। কিন্তু গভীর রাত পেরিয়ে গেলেও বাড়িতে না পৌঁছালে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ি যাওয়ার পথে পার্শ্ববর্তী উদয়কাঠী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বারের বাড়ির উত্তর-পশ্চিম পাশে একটি জমিতে জমে থাকা পানিতে (জলাশয়) রশি দিয়ে গলা ও পিছন দিকে (পিছমোড়া) দুহাত বাধা তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। রোববার (২২ মার্চ) ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাটিকে রহস্যজনক ও পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলে মনে করছেন। তার স্ত্রী ও দুটি নাবালক ছেলে সন্তান রয়েছে। উদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মামুন উর- রশিদ স্বপন জানান শনিবার রাত ১১টার ৫/১০ মিনিট আগেও উদয়কাঠী বাজারের তৈয়বের দোকান লাগোয়া চায়ের দোকানে তৈয়ব বাহাদুরের সঙ্গে তার আলাপচারিতা হয়। রাত পৌণে চার টার দিকে স্থানীয়রা তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে বাড়ি ফেরার রাস্তার পাশে জমির জলাশয়ে ব্যবসায়ী তৈয়বের লাশ পাওয়ার কথা জানালে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে রশি দিয়ে গলা ও পিছন মোড়া করা দু'হাত বাধা মরদেহ দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন। তৈয়বের মরদেহের পাশে তার ব্যবসায়িক
চারটি মোবাইল ফোন ও একটি ব্যাগে ত্রিশ হাজার চার শতাধিক টাকা পাওয়া গেলেও বেশী টাকা রাখার ব্যাগটি পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি। ব্যবসায়ী
তৈয়ব বাহাদুর অত্যন্ত
নম্র ও ভদ্র স্বভাবের এবং তার পরিবারের আপনজন ছিলেন জানিয়ে এ মৃত্যু রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি জানান সাবেক এ ইউপি চেয়ারম্যান।
এলাকাবাসীর ধারণা, দোকানের মোটা অংকের টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরিচিত একটি চক্র তার ওপর হামলা চালিয়ে টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং চিনে ফেলায় তাকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
এ নির্মম ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মাঝে বিরাজ করছে অজানা আতঙ্ক।
এ বিষয়ে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মজিবুর রহমান জানান, বানারীপাড়া-উজিরপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) সৌমেন্দ্র কুমার বাইন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তৈয়ব বাহাদুরের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।’
২৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪২
২৩ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৯
২৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২৩
২৩ মার্চ, ২০২৬ ০১:২০

২৩ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের বাবুগঞ্জে মাদক বেচাকেনার সময় হাতেনাতে আটক মাদকব্যবসায়ী এক ইয়াবা বিক্রেতাকে জরিমানসহ ১ বছরের কারাদণ্ড এবং তার মাদকসেবি ক্রেতাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় তাদের হেফাজত থেকে ১৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও বিক্রিত টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের লোহালিয়া গ্রামে ওই অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমা উল হুসনা। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন লোহালিয়া গ্রামের মাদকব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন মিয়া (৪০) এবং মাদকসেবি জয়নাল আবেদীন (৪২)। দেলোয়ার লোহালিয়া গ্রামে মাদকসম্রাট নামে পরিচিত এবং স্থানীয় শাহজাহান মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
জানা যায়, উপজেলার লোহালিয়া গ্রামের একটি বাড়িতে মাদকের আস্তানা বসেছে এবং সেখানে ইয়াবা বেচাকেনা চলছে- গোপন সোর্সের মাধ্যমে এমন খবর পাওয়ার পরে সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় জয়নালের বাড়িতে বসে মাদকদ্রব্য বেচাকেনাকালে হাতেনাতে আটক হন লোহালিয়া গ্রামের কুখ্যাত মাদকসম্রাট ইয়াবা বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন মিয়া এবং তার মাদকসেবি ক্রেতা জয়নাল আবেদীন। তাদের কাছ থেকে ১৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও মাদক বিক্রির নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এসময় মাদক বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন মিয়াকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা এবং ক্রেতা জয়নাল আবেদীনকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। রায় কার্যকর করে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের মাধ্যমে সাজাপ্রাপ্তদের বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক আসমা উল হুসনা বলেন, 'সোর্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আজ দুপুরে তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় লোহালিয়া গ্রামের কুখ্যাত মাদকসম্রাট দেলোয়ার এবং তার ক্রেতা জয়নালকে মাদকসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত আলামত, উপস্থিত সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং অভিযুক্তদের দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮'এর ৩৬(১) ধারা অনুযায়ী উভয়ে দোষী সাব্যস্ত হয়। এসময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিক্রেতা দেলোয়ারকে ১ বছরের কারাদণ্ড এবং ক্রেতা জয়নালকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়াও তাদের উভয়কেই যথাক্রমে ২ হাজার এবং ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। তাই বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের এই মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।' #

বরিশালের বাবুগঞ্জে মাদক বেচাকেনার সময় হাতেনাতে আটক মাদকব্যবসায়ী এক ইয়াবা বিক্রেতাকে জরিমানসহ ১ বছরের কারাদণ্ড এবং তার মাদকসেবি ক্রেতাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় তাদের হেফাজত থেকে ১৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও বিক্রিত টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের লোহালিয়া গ্রামে ওই অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমা উল হুসনা। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন লোহালিয়া গ্রামের মাদকব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন মিয়া (৪০) এবং মাদকসেবি জয়নাল আবেদীন (৪২)। দেলোয়ার লোহালিয়া গ্রামে মাদকসম্রাট নামে পরিচিত এবং স্থানীয় শাহজাহান মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
জানা যায়, উপজেলার লোহালিয়া গ্রামের একটি বাড়িতে মাদকের আস্তানা বসেছে এবং সেখানে ইয়াবা বেচাকেনা চলছে- গোপন সোর্সের মাধ্যমে এমন খবর পাওয়ার পরে সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় জয়নালের বাড়িতে বসে মাদকদ্রব্য বেচাকেনাকালে হাতেনাতে আটক হন লোহালিয়া গ্রামের কুখ্যাত মাদকসম্রাট ইয়াবা বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন মিয়া এবং তার মাদকসেবি ক্রেতা জয়নাল আবেদীন। তাদের কাছ থেকে ১৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও মাদক বিক্রির নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এসময় মাদক বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন মিয়াকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা এবং ক্রেতা জয়নাল আবেদীনকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। রায় কার্যকর করে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের মাধ্যমে সাজাপ্রাপ্তদের বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক আসমা উল হুসনা বলেন, 'সোর্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আজ দুপুরে তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় লোহালিয়া গ্রামের কুখ্যাত মাদকসম্রাট দেলোয়ার এবং তার ক্রেতা জয়নালকে মাদকসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত আলামত, উপস্থিত সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং অভিযুক্তদের দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮'এর ৩৬(১) ধারা অনুযায়ী উভয়ে দোষী সাব্যস্ত হয়। এসময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিক্রেতা দেলোয়ারকে ১ বছরের কারাদণ্ড এবং ক্রেতা জয়নালকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়াও তাদের উভয়কেই যথাক্রমে ২ হাজার এবং ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। তাই বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের এই মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।' #


২৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২৩
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের পল্লীতে সালিশ বৈঠকে পুলিশের সমক্ষে জনৈক শ্রমিককে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঈদের পর দিন অর্থাৎ রোববার বিকেলে সালিশ চলাকালে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপ সংঘার্ষে জড়িয়ে পড়ে। এবং পৌরসভার দক্ষিণ চরহোগলায় গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ্ব খোরশেদকে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদার লোকজন নিয়ে এলোপাতাড়ি পিটুনি দিলে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ এবং বিএনপি নেতাদের সালিশ বৈঠকে বসার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকায় নদীবেষ্টিত মেহেন্দিগঞ্জের এই রোমহর্ষক ঘটনাটি বেশিমাত্রায় আলোচিত হচ্ছে। বিশেষ করে মারামারির বেশকিছু ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। শাসক দল বিএনপি এই বর্বরতার ঘটনায় তাদের দলীয় কর্মী জাহাঙ্গীর হাওলাদারের পদ ইতিমধ্যে কেড়ে নিলেও থানা পুলিশ নিজেদের দায় এড়াতে বিভিন্ন কৌশল নিয়েছে।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের কাছে আড়াই লাখ টাকা পাবেন দাবি করে রোববার থানায় অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হাওলাদার। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিকেলে ঘটনাস্থল ছুটে যান মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই নাজমুল ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পুলিশ কর্মকর্তা নামজুল উভয়পক্ষের সাথে আলোচনা করে দুই প্রতিবেশি জাহাঙ্গীর এবং খোরশেদকে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকের ভিডিও ধারণ করছিলেন রাজধানী ঢাকার হাজারীবাগের ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের পক্ষের লোকজন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিএনপি নেতা এবং তার বাহিনী। একপার্যায়ে উভয়গ্রুপ এনিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক থেকে রক্তক্ষয়ী সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। অন্তত আধা ঘণ্টার সংঘাত-সংষর্ষে ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের মৃত্যু হলে বিএনপি নেতাসহ ক্যাডার বাহিনী পালিয়ে যায়।
এই ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, দুটি গ্রুপের লোকজন চেয়ার এবং লাঠিসোটা নিয়ে তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এবং পোশাক পরিহিত ৪/৫ জন পুলিশ সদস্য সংঘাত থামানোতো দূরের কথা, যেনো পুরো বিষয়টি প্রত্যক্ষ করছেন। পুলিশের উপস্থিতিতে বিএনপির নেতা নেতৃত্বে ত্রাস সৃষ্টি করে মানুষ হত্যার বিষয়টি বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব বলছে, সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান অনেক আগেই বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন। সেই নির্দেশ উপেক্ষা করেছেন জাহাঙ্গীর হাওলাদার, এই ঘটনায় তাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়।
সালিশ বৈঠকে বসার ক্ষেত্রে পুলিশেরও নিষেধাজ্ঞা আছে, ইতিপূর্বে উচ্চআদালত অসংখ্যবার থানাসহ বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমঝোতা বা আপস-মীমাংসায় অংশ নিতে বারণ করেছেন। এবং এই নির্দেশনা কঠোরভাবে প্রতিপালন করতেও পুলিশের উচ্চমহলকে জানানো হয়। কিন্তু বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, পুলিশ আদালতের এই নির্দেশনার কোনো গুরুত্বই দেয় না, বরং থানাগুলোকে এক ধরনের সালিশ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে। বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের এই বর্বরতা হয়তো তারই জ¦লন্ত উদাহরণ বা খেসারত।
নিহতের ভাতিজা রাকিব সিকদার সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, আমার চাচাকে বিএনপি জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে তাকে খুন করা হয়, যা অসংখ্য মানুষ প্রত্যক্ষ করেছেন। কিন্তু কেউ তার জীবন রক্ষার্থে এগিয়ে আসেনি, কারণ বিএনপি নেতার সন্ত্রাসী বাহিনী অত্যন্ত শক্তিশালী এবং পুলিশ তাদের সহযোগিতা করে।
সালিশ বৈঠকে বসা এবং সেখানে খুন এই বিতর্কিত বিষয়ে জানতে মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিউর রহমানকে সোমবার অপরাহ্নে ফোন করেও পাওয়া যায়নি। তার অফিসিয়াল মোবাইলে রিং হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।
তবে ওসি এর আগে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সাথে কথা বলেছেন এবং জানান, ঘটনাটি তদন্ত করাসহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। জেলা পুলিশের একটি সূত্র বলছে, এমনিতেই সালিশেতে পুলিশের অংশগ্রহণে বারণ আছে, তদুপরি সেখানে খুন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ওসি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের চাপের মুখে আছেন এবং মিডিয়াকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন। সেই চেষ্টার অংশ হিসেবে সংবাদকর্মীদের ফোন তুলছেন।
তবে বরিশাল জেলা পুলিশ এজেড এম মোস্তাফিজুর রহমান এ প্রতিবেদককে যা বলছেন, তা স্থানীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সাথে অমিল রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তার দাবি, অভিযোগ এবং দু’গ্রুপের মধ্যেকার উত্তেজনার খবর পেয়ে রোববার বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। তখন উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু একটি পক্ষ বিকালে ফোন করে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার বিষয়টি অবহিত করে, ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌছানোর আগেই দুটি গ্রুপ সংঘার্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং এতে একজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় সোমবার নামধারী ৫ জনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা করা হয়েছে এবং পুলিশ তাদের ধরতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে। পরিশেষে এসপি মন্তব্য করেন, পুলিশ সালিশ করেনি এবং করতেও পারে না।
মেহেন্দিগঞ্জ পল্লীর এই আলোচিত ঘটনায় কর্মী জাহাঙ্গীর হাওলাদারকে বিএনপি থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়েছে। পৌর বিএনপির সদস্যসচিব রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী (দিনু মিয়া) সাংবাদিকদের বলেন, বিশৃঙ্খলায় জড়িত থাকার অভিযোগে জাহাঙ্গীরের পদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের পল্লীতে সালিশ বৈঠকে পুলিশের সমক্ষে জনৈক শ্রমিককে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঈদের পর দিন অর্থাৎ রোববার বিকেলে সালিশ চলাকালে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপ সংঘার্ষে জড়িয়ে পড়ে। এবং পৌরসভার দক্ষিণ চরহোগলায় গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ্ব খোরশেদকে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদার লোকজন নিয়ে এলোপাতাড়ি পিটুনি দিলে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ এবং বিএনপি নেতাদের সালিশ বৈঠকে বসার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকায় নদীবেষ্টিত মেহেন্দিগঞ্জের এই রোমহর্ষক ঘটনাটি বেশিমাত্রায় আলোচিত হচ্ছে। বিশেষ করে মারামারির বেশকিছু ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। শাসক দল বিএনপি এই বর্বরতার ঘটনায় তাদের দলীয় কর্মী জাহাঙ্গীর হাওলাদারের পদ ইতিমধ্যে কেড়ে নিলেও থানা পুলিশ নিজেদের দায় এড়াতে বিভিন্ন কৌশল নিয়েছে।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের কাছে আড়াই লাখ টাকা পাবেন দাবি করে রোববার থানায় অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হাওলাদার। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিকেলে ঘটনাস্থল ছুটে যান মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই নাজমুল ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পুলিশ কর্মকর্তা নামজুল উভয়পক্ষের সাথে আলোচনা করে দুই প্রতিবেশি জাহাঙ্গীর এবং খোরশেদকে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকের ভিডিও ধারণ করছিলেন রাজধানী ঢাকার হাজারীবাগের ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের পক্ষের লোকজন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিএনপি নেতা এবং তার বাহিনী। একপার্যায়ে উভয়গ্রুপ এনিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক থেকে রক্তক্ষয়ী সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। অন্তত আধা ঘণ্টার সংঘাত-সংষর্ষে ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের মৃত্যু হলে বিএনপি নেতাসহ ক্যাডার বাহিনী পালিয়ে যায়।
এই ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, দুটি গ্রুপের লোকজন চেয়ার এবং লাঠিসোটা নিয়ে তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এবং পোশাক পরিহিত ৪/৫ জন পুলিশ সদস্য সংঘাত থামানোতো দূরের কথা, যেনো পুরো বিষয়টি প্রত্যক্ষ করছেন। পুলিশের উপস্থিতিতে বিএনপির নেতা নেতৃত্বে ত্রাস সৃষ্টি করে মানুষ হত্যার বিষয়টি বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব বলছে, সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান অনেক আগেই বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন। সেই নির্দেশ উপেক্ষা করেছেন জাহাঙ্গীর হাওলাদার, এই ঘটনায় তাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়।
সালিশ বৈঠকে বসার ক্ষেত্রে পুলিশেরও নিষেধাজ্ঞা আছে, ইতিপূর্বে উচ্চআদালত অসংখ্যবার থানাসহ বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমঝোতা বা আপস-মীমাংসায় অংশ নিতে বারণ করেছেন। এবং এই নির্দেশনা কঠোরভাবে প্রতিপালন করতেও পুলিশের উচ্চমহলকে জানানো হয়। কিন্তু বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, পুলিশ আদালতের এই নির্দেশনার কোনো গুরুত্বই দেয় না, বরং থানাগুলোকে এক ধরনের সালিশ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে। বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের এই বর্বরতা হয়তো তারই জ¦লন্ত উদাহরণ বা খেসারত।
নিহতের ভাতিজা রাকিব সিকদার সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, আমার চাচাকে বিএনপি জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে তাকে খুন করা হয়, যা অসংখ্য মানুষ প্রত্যক্ষ করেছেন। কিন্তু কেউ তার জীবন রক্ষার্থে এগিয়ে আসেনি, কারণ বিএনপি নেতার সন্ত্রাসী বাহিনী অত্যন্ত শক্তিশালী এবং পুলিশ তাদের সহযোগিতা করে।
সালিশ বৈঠকে বসা এবং সেখানে খুন এই বিতর্কিত বিষয়ে জানতে মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিউর রহমানকে সোমবার অপরাহ্নে ফোন করেও পাওয়া যায়নি। তার অফিসিয়াল মোবাইলে রিং হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।
তবে ওসি এর আগে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সাথে কথা বলেছেন এবং জানান, ঘটনাটি তদন্ত করাসহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। জেলা পুলিশের একটি সূত্র বলছে, এমনিতেই সালিশেতে পুলিশের অংশগ্রহণে বারণ আছে, তদুপরি সেখানে খুন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ওসি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের চাপের মুখে আছেন এবং মিডিয়াকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন। সেই চেষ্টার অংশ হিসেবে সংবাদকর্মীদের ফোন তুলছেন।
তবে বরিশাল জেলা পুলিশ এজেড এম মোস্তাফিজুর রহমান এ প্রতিবেদককে যা বলছেন, তা স্থানীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সাথে অমিল রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তার দাবি, অভিযোগ এবং দু’গ্রুপের মধ্যেকার উত্তেজনার খবর পেয়ে রোববার বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। তখন উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু একটি পক্ষ বিকালে ফোন করে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার বিষয়টি অবহিত করে, ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌছানোর আগেই দুটি গ্রুপ সংঘার্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং এতে একজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় সোমবার নামধারী ৫ জনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা করা হয়েছে এবং পুলিশ তাদের ধরতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে। পরিশেষে এসপি মন্তব্য করেন, পুলিশ সালিশ করেনি এবং করতেও পারে না।
মেহেন্দিগঞ্জ পল্লীর এই আলোচিত ঘটনায় কর্মী জাহাঙ্গীর হাওলাদারকে বিএনপি থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়েছে। পৌর বিএনপির সদস্যসচিব রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী (দিনু মিয়া) সাংবাদিকদের বলেন, বিশৃঙ্খলায় জড়িত থাকার অভিযোগে জাহাঙ্গীরের পদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’

২৩ মার্চ, ২০২৬ ০১:২০
ইসরায়েলের মহাকাশ গবেষণা সংস্থায় হামলা চালিয়েছে ইরান। রোববার (২২ মার্চ) ইরানের সেনাবাহিনী এ দাবি করে। তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো সত্যায়ন পাওয়া যায়নি।
হামলার শিকার সংস্থাটি ইসরায়েলের অন্যতম প্রধান রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (আইএআই)। এর স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় ইরান। ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (আইএআই) দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত। উন্নত ড্রোন ও মিসাইল সিস্টেম তৈরি করার কাজে সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করে, তাদের ড্রোনগুলো ইসরায়েলের বেন গুরিয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে অবস্থিত আইএআই-এর স্থাপনাগুলোতে সফলভাবে আঘাত হেনেছে। তবে এ হামলার পর তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে সম্মুখ শত্রুর পাশাপাশি গুপ্তচরদের সঙ্গে লড়তে হচ্ছে ইরানি বাহিনীকে। এই ধারাবাহিকতায় সন্দেহভাজন ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার।
গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ইরানের মারকাজি প্রদেশ থেকে ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সামরিক স্থাপনার তথ্য ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমে সরবরাহ এবং ‘অশান্তি’ সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সময় গোলেস্তান প্রদেশ থেকে পুলিশের কেন্দ্রে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানে বিভিন্ন অভিযোগে এ পর্যন্ত কয়েক শ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা আরও জানায়, বিদেশে থাকা ১৫ জন ইরানি নাগরিকের ‘অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড’ নথিবদ্ধ করে বিচার বিভাগে পাঠানো হয়েছে।’
ইসরায়েলের মহাকাশ গবেষণা সংস্থায় হামলা চালিয়েছে ইরান। রোববার (২২ মার্চ) ইরানের সেনাবাহিনী এ দাবি করে। তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো সত্যায়ন পাওয়া যায়নি।
হামলার শিকার সংস্থাটি ইসরায়েলের অন্যতম প্রধান রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (আইএআই)। এর স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় ইরান। ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (আইএআই) দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত। উন্নত ড্রোন ও মিসাইল সিস্টেম তৈরি করার কাজে সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করে, তাদের ড্রোনগুলো ইসরায়েলের বেন গুরিয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে অবস্থিত আইএআই-এর স্থাপনাগুলোতে সফলভাবে আঘাত হেনেছে। তবে এ হামলার পর তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে সম্মুখ শত্রুর পাশাপাশি গুপ্তচরদের সঙ্গে লড়তে হচ্ছে ইরানি বাহিনীকে। এই ধারাবাহিকতায় সন্দেহভাজন ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার।
গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ইরানের মারকাজি প্রদেশ থেকে ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সামরিক স্থাপনার তথ্য ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমে সরবরাহ এবং ‘অশান্তি’ সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সময় গোলেস্তান প্রদেশ থেকে পুলিশের কেন্দ্রে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানে বিভিন্ন অভিযোগে এ পর্যন্ত কয়েক শ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা আরও জানায়, বিদেশে থাকা ১৫ জন ইরানি নাগরিকের ‘অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড’ নথিবদ্ধ করে বিচার বিভাগে পাঠানো হয়েছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.