
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১০:১৯
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও প্রশাসন, সাংবাদিক, শিক্ষক, সুশীল সমাজ ও এতিম শিক্ষার্থীদের সম্মানে এক অনন্য এবং অনুকরণীয় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন ছাত্রদল নেতা আজিজুল হক। তিনি বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন ছাড়াও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তবে ওই দোয়া ও ইফতার মাহফিলে এবার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক ছিল বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন নির্বাচিত হওয়ার পরে বাবুগঞ্জে এসে প্রথম কোনো জনসমাবেশে ভাষণ দেওয়া এবং বাবুগঞ্জ উপজেলাকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের ওই ঘোষণাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ। একই সাথে ছাত্রদল নেতা আজিজুল হককে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ওই ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন আরো বলেন, 'বাবুগঞ্জ-মুলাদীতে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই হবে না। এলাকায় থাকতে চাইলে মাদক ব্যবসা ছাড়তে হবে। কোনো অবস্থাতেই কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমার নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজিসহ কোনো অসামাজিক কার্যকলাপ চলতে দেওয়া হবে না। মাদক নিয়ে কেউ ধরা পড়লে যদি কোনো বিএনপি নেতা তদবিরে যায় তার বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
এসময় অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন আরো বলেন, 'আমাদের সকল নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়ন করা হবে। আমাদের নেতা মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এক ক্লিকে ৩৭ হাজার দুঃস্থ মহিলাদের মাঝে ভাতা বিতরণ করেছেন। হাতে ভোটের কালি মুছে যাবার আগেই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা দেশের সকল অঞ্চলের মানুষ পাবেন। এছাড়া আমার নির্বাচনী এলাকা বাবুগঞ্জ এবং মুলাদীতে ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে হাসপাতাল নির্মাণের যে প্রতিশ্রুতি ছিল সেটাও বাস্তবায়ন করা হবে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকার ১৩৩টি অর্ডিন্যান্স পাশ করেছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার মূল দায়িত্ব পড়েছে আমার কাঁধে। এই কারণে আমি এতদিন আপনাদের মাঝে আসতে না পারলেও খুব দ্রুতই আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব শেষ করে আপনাদের কাছে ফিরে আসবো।'
আয়োজক বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হকের সভাপতিত্বে এবং বিএনপি নেতা প্রভাষক মনিরুজ্জামান খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রীমকোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট ইউনুস আলী রবী, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সুলতান আহমেদ খান, সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার, ঢাকা মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের অ্যাডিশনাল পিপি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান শামীম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আরিফুর রহমান শিমুল সিকদার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন।
ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি যুগ্ম-আহবায়ক সামসুল আলম ফকির, আলমগীর হোসেন স্বপন, দুলাল চন্দ্র সাহা, নজরুল ইসলাম বাদশা, মোস্তাফিজুর রহমান ফারুক, আহবায়ক কমিটির সদস্য রাজন সিকদার, আবদুল মালেক সিকদার, মোশারফ হোসেন, বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাহফুজুল আলম মিঠু, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রেশমা রহমান, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ফরিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, সদস্য সচিব ইয়াসির আরাফাত মৃধা, যুবদল নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন, শ্রমিকদল নেতা মান্নান হাওলাদার প্রমুখ। ইফতার মাহফিলে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিম খলিল। ঐতিহাসিক ওই ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও নানান শ্রেণিপেশার সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। #

বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও প্রশাসন, সাংবাদিক, শিক্ষক, সুশীল সমাজ ও এতিম শিক্ষার্থীদের সম্মানে এক অনন্য এবং অনুকরণীয় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন ছাত্রদল নেতা আজিজুল হক। তিনি বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন ছাড়াও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তবে ওই দোয়া ও ইফতার মাহফিলে এবার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক ছিল বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন নির্বাচিত হওয়ার পরে বাবুগঞ্জে এসে প্রথম কোনো জনসমাবেশে ভাষণ দেওয়া এবং বাবুগঞ্জ উপজেলাকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের ওই ঘোষণাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ। একই সাথে ছাত্রদল নেতা আজিজুল হককে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ওই ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন আরো বলেন, 'বাবুগঞ্জ-মুলাদীতে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই হবে না। এলাকায় থাকতে চাইলে মাদক ব্যবসা ছাড়তে হবে। কোনো অবস্থাতেই কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমার নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজিসহ কোনো অসামাজিক কার্যকলাপ চলতে দেওয়া হবে না। মাদক নিয়ে কেউ ধরা পড়লে যদি কোনো বিএনপি নেতা তদবিরে যায় তার বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
এসময় অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন আরো বলেন, 'আমাদের সকল নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়ন করা হবে। আমাদের নেতা মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এক ক্লিকে ৩৭ হাজার দুঃস্থ মহিলাদের মাঝে ভাতা বিতরণ করেছেন। হাতে ভোটের কালি মুছে যাবার আগেই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা দেশের সকল অঞ্চলের মানুষ পাবেন। এছাড়া আমার নির্বাচনী এলাকা বাবুগঞ্জ এবং মুলাদীতে ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে হাসপাতাল নির্মাণের যে প্রতিশ্রুতি ছিল সেটাও বাস্তবায়ন করা হবে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকার ১৩৩টি অর্ডিন্যান্স পাশ করেছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার মূল দায়িত্ব পড়েছে আমার কাঁধে। এই কারণে আমি এতদিন আপনাদের মাঝে আসতে না পারলেও খুব দ্রুতই আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব শেষ করে আপনাদের কাছে ফিরে আসবো।'
আয়োজক বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হকের সভাপতিত্বে এবং বিএনপি নেতা প্রভাষক মনিরুজ্জামান খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রীমকোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট ইউনুস আলী রবী, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সুলতান আহমেদ খান, সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার, ঢাকা মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের অ্যাডিশনাল পিপি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান শামীম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আরিফুর রহমান শিমুল সিকদার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন।
ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি যুগ্ম-আহবায়ক সামসুল আলম ফকির, আলমগীর হোসেন স্বপন, দুলাল চন্দ্র সাহা, নজরুল ইসলাম বাদশা, মোস্তাফিজুর রহমান ফারুক, আহবায়ক কমিটির সদস্য রাজন সিকদার, আবদুল মালেক সিকদার, মোশারফ হোসেন, বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাহফুজুল আলম মিঠু, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রেশমা রহমান, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ফরিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, সদস্য সচিব ইয়াসির আরাফাত মৃধা, যুবদল নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন, শ্রমিকদল নেতা মান্নান হাওলাদার প্রমুখ। ইফতার মাহফিলে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিম খলিল। ঐতিহাসিক ওই ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও নানান শ্রেণিপেশার সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। #


১৫ জুন, ২০২৬ ১৫:৩৬
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জড়ো হয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ববি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, “ছাত্রশিবির পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। গুম ও অপহরণের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে তারা ভিকটিম সেজে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।”
এ সময় ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সরকারবিরোধী যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অসামাজিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে তাদের নৈতিক অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে বের না হলে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক জিসান ১১ জুন নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর স্বজনরা দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের দাবি, ওই সম্পর্কের জেরে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জড়ো হয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ববি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, “ছাত্রশিবির পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। গুম ও অপহরণের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে তারা ভিকটিম সেজে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।”
এ সময় ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সরকারবিরোধী যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অসামাজিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে তাদের নৈতিক অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে বের না হলে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক জিসান ১১ জুন নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর স্বজনরা দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের দাবি, ওই সম্পর্কের জেরে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৪:৫৬
বরিশালে সবজির বাজারে স্বস্তি মিললেও অস্বস্তি বাড়াচ্ছে মাছের চড়া দাম। তবে নাগালের মধ্যে রয়েছে ব্রয়লার মুরগি ও মাংসের দাম। সোমবার (১৫ জুন) সকালে বরিশাল নগরীর পাইকারি সবজির বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেট ও কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই কাঁচামরিচ ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শসা ১২ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, করলা ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৭০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০ টাকা, ঝিঙে ১৫ থেকে ২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১৫ টাকা, পটল ৭ টাকা, লেবু হালি ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি খুচরা বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ৯০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৯০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ২০ টাকা, ঝিঙে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা, পটল ২০ টাকা, লেবু হালি ১২ থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর বাংলাবাজারের খুচরা ব্যবসায়ী তৌহিদ বলেন, পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া দিয়ে আনতে হয়। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। যে কারণে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বেশি।
এদিকে কিছু দিন ধরেই বরিশালের বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা এবং লেয়ার ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৮০০ টাকা ও খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ প্রতি কেজি আকার ভেদে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল আকার ভেদে ২২০ থেকে ৫০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, টাকি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১২০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা কেজি ও পাঙাশ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আগের তুলনায় বেড়েছে সামুদ্রিক মাছের দামও।
পোর্ট রোড বাজার করতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মুশফিকুর রহমান বলেন, আগে এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসলে মাছ সবজি দুটোই কেনা যেতে, এখন এক হাজার টাকায় এক ধরনের মাছ কেনাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আর ইলিশ তো এখন সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।
বরিশালে সবজির বাজারে স্বস্তি মিললেও অস্বস্তি বাড়াচ্ছে মাছের চড়া দাম। তবে নাগালের মধ্যে রয়েছে ব্রয়লার মুরগি ও মাংসের দাম। সোমবার (১৫ জুন) সকালে বরিশাল নগরীর পাইকারি সবজির বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেট ও কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই কাঁচামরিচ ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শসা ১২ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, করলা ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৭০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০ টাকা, ঝিঙে ১৫ থেকে ২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১৫ টাকা, পটল ৭ টাকা, লেবু হালি ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি খুচরা বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ৯০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৯০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ২০ টাকা, ঝিঙে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা, পটল ২০ টাকা, লেবু হালি ১২ থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর বাংলাবাজারের খুচরা ব্যবসায়ী তৌহিদ বলেন, পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া দিয়ে আনতে হয়। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। যে কারণে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বেশি।
এদিকে কিছু দিন ধরেই বরিশালের বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা এবং লেয়ার ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৮০০ টাকা ও খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ প্রতি কেজি আকার ভেদে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল আকার ভেদে ২২০ থেকে ৫০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, টাকি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১২০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা কেজি ও পাঙাশ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আগের তুলনায় বেড়েছে সামুদ্রিক মাছের দামও।
পোর্ট রোড বাজার করতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মুশফিকুর রহমান বলেন, আগে এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসলে মাছ সবজি দুটোই কেনা যেতে, এখন এক হাজার টাকায় এক ধরনের মাছ কেনাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আর ইলিশ তো এখন সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৪:৫১
বরিশাল শহরের আলেকান্দা রিফিউজি কলোনীর আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক প্যাদাকে অল্পের জন্য ধরতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রোববার রাতে কোতয়ালি পুলিশের একটি টিম কলোনী বাসাটিতে হানা দেওয়ার আগাম খবর পেয়ে শীর্ষস্থানীয় এই মাদকবিক্রেতা পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী আনু বেগম (৩৮) এবং ছেলে সন্তান রাতুল ইসলামসহ (২৪) অন্তত ৫জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এসময় বাসাটি থেকে গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মো. নাসিমুল হক।
পুলিশ জানায়, নির্ভরযোগ্য সূত্রে নিশ্চিত হয়ে রোববার রাতে ১৩ নং ওয়ার্ডের রিফিউজি কলোনীতে রফিকের মালিকানাধীন স্নেহা ভবনে এসআই গোলাম মো. নাসিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম সেখানে হানা দেয়। কিন্তু অভিযানের খবর কোনো মাধ্যম আগেই অবহিত হয়ে রফিক বাসাটি থেকে সটকে পড়েন। পরবর্তীতে পুলিশ বাসাটিতে তল্লাশি চালিয়ে ৬২ পিস ইয়াবা, ৩৯ পুরিয়া গাঁজা, দুটি মোটরসাইকেলসহ মাদক বিক্রির ১৭ হাজার ৬৯০ টাকা উদ্ধার করে। সেই সাথে রফিকের স্ত্রী আনু বেগম, ছেলে রাতুল ইসলাম এবং একই ওয়ার্ডের কামাল হাওলাদারের ছেলে উজ্জল হাওলাদার (২৪), পার্শ্ববর্তী ১২ নং ওয়ার্ডের আমির আলীর ছেলে বাপ্পি (২৫) এবং বাকেরগঞ্জের খোকন হাওলাদারের ছেলে ইমন হাওলাদারকে (১৯) আটক করা হয়।
রিফিউজি কলোনীর স্নেহা ভবন নামক বাসাটিতে নিয়মিত মাদকের হাট বসতে এবং সেখানে শহরের বিভিন্ন এলাকার খুচরা-পাইকারী বিক্রেতাদের আনাগোনা ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, বরিশালে মাদকবিরোধী চিরুনি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, সেই ধারাবাহিকতায় রোববার রাত ১০টার দিকে গাঁজা রফিকের বাসাটিতে হানা দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো মাধ্যম খবর পেয়ে রফিক আগেই স্থান ত্যাগ করেছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল শহরের চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা রফিকের বিরুদ্ধে অন্তত ডজনখানেক মাদকের মামলা বিচারাধীন আছে। তাকে বিভিন্ন সময় মাদকসহ গ্রেপ্তার করা হলেও কদিন বাদে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের একই বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ে।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, তৎকালীন মাদকবিক্রেতা রফিকুল ইসলামকে ধরতে গিয়ে কোতয়ালি পুলিশ হামলার শিকার হয়। অবশ্য সেই ঘটনার পর বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে তিনি গ্রেপ্তারও হন। কিন্তু তাকে বেশিদিন কারাগারে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি, কিছুদিন পরে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের মাদক বাণিজ্যে যুক্ত হন।
মাদক বিক্রির ক্ষেত্রে রফিক বেশকিছু সতর্ক পদক্ষেপ বা পন্থা অবলম্বন করে থাকেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন। নামপ্রকাশ না করার শর্তে এসআই পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা জানান, কয়েক বছর ধরে রফিক নিজের হাতে মাদক বিক্রি করছেন না, কৌশল হিসেবে স্ত্রী-সন্তানকে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে মাদক বিক্রির সময় তিনি বাসাটির আশেপাশে থাকেন এবং বাইরের সামগ্রিক বিষয়াদী তদারকি করে। কখনও পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেলে তিনি সটকে পড়েন এবং স্ত্রী-সন্ত্রানদের ফোন করে সতর্ক থাকার দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
তবে গাঁজা রফিকের এই কৌশল এসআই নাসিমের দূরদর্শিতার কাছে ধোপে টেকেনি। তিনি কোনো মতে গ্রেপ্তার এড়াতে সক্ষম হলেও তার স্ত্রী-সন্তানকে ঠিকই আইনের আওতায় নিয়ে আসলেন মাঠপুলিশ কর্মকর্তা।
অভিযান পরিচালনাকারী কোতয়ালি মডেল থানার এসআই গোলাম মো. নাসিম জানান, এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে রফিক ওরফে গাঁজা রফিক, তার স্ত্রী-সন্তানসহ মোট ৬জনকে অভিযুক্ত করা হয়। পুলিশ পলাতক রফিককে গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে।
উল্লেখ মাদকের ব্যবসায় করে গত ১০/১৫ বছরে রফিকুল ইসলাম শহরের একাধিক স্থানে জমিসহ বাড়ি ক্রয় করা এবং অর্থবিত্তে ধনকুবের বনে গেছেন। রোববার রাতে পুলিশ রিফিউজি কলোনীর স্নেহা ভবন নামক যে বাসটিতে অভিযান চালিয়েছে, সেটিও রফিকের মালিকানাধীন। এছাড়া শহরের ১২/১৩ নং ওয়ার্ডে তিনি একাধিক জমির মালিক ও সিঅ্যান্ডবি কাজীপাড়া রোডেও একটি বিলাসবহুল ভবন কিনেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
বরিশাল শহরের চিহ্নিত এই মাদক বিক্রিতার উত্থ্যান এবং অবৈধ অর্থে কোথায় কোথায় সম্পদ গড়েছেন এই ধরনের প্রতিবেদন পেতে বরিশালটাইমসের সাথে থাকুন।’
বরিশাল শহরের আলেকান্দা রিফিউজি কলোনীর আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক প্যাদাকে অল্পের জন্য ধরতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রোববার রাতে কোতয়ালি পুলিশের একটি টিম কলোনী বাসাটিতে হানা দেওয়ার আগাম খবর পেয়ে শীর্ষস্থানীয় এই মাদকবিক্রেতা পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী আনু বেগম (৩৮) এবং ছেলে সন্তান রাতুল ইসলামসহ (২৪) অন্তত ৫জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এসময় বাসাটি থেকে গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মো. নাসিমুল হক।
পুলিশ জানায়, নির্ভরযোগ্য সূত্রে নিশ্চিত হয়ে রোববার রাতে ১৩ নং ওয়ার্ডের রিফিউজি কলোনীতে রফিকের মালিকানাধীন স্নেহা ভবনে এসআই গোলাম মো. নাসিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম সেখানে হানা দেয়। কিন্তু অভিযানের খবর কোনো মাধ্যম আগেই অবহিত হয়ে রফিক বাসাটি থেকে সটকে পড়েন। পরবর্তীতে পুলিশ বাসাটিতে তল্লাশি চালিয়ে ৬২ পিস ইয়াবা, ৩৯ পুরিয়া গাঁজা, দুটি মোটরসাইকেলসহ মাদক বিক্রির ১৭ হাজার ৬৯০ টাকা উদ্ধার করে। সেই সাথে রফিকের স্ত্রী আনু বেগম, ছেলে রাতুল ইসলাম এবং একই ওয়ার্ডের কামাল হাওলাদারের ছেলে উজ্জল হাওলাদার (২৪), পার্শ্ববর্তী ১২ নং ওয়ার্ডের আমির আলীর ছেলে বাপ্পি (২৫) এবং বাকেরগঞ্জের খোকন হাওলাদারের ছেলে ইমন হাওলাদারকে (১৯) আটক করা হয়।
রিফিউজি কলোনীর স্নেহা ভবন নামক বাসাটিতে নিয়মিত মাদকের হাট বসতে এবং সেখানে শহরের বিভিন্ন এলাকার খুচরা-পাইকারী বিক্রেতাদের আনাগোনা ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, বরিশালে মাদকবিরোধী চিরুনি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, সেই ধারাবাহিকতায় রোববার রাত ১০টার দিকে গাঁজা রফিকের বাসাটিতে হানা দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো মাধ্যম খবর পেয়ে রফিক আগেই স্থান ত্যাগ করেছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল শহরের চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা রফিকের বিরুদ্ধে অন্তত ডজনখানেক মাদকের মামলা বিচারাধীন আছে। তাকে বিভিন্ন সময় মাদকসহ গ্রেপ্তার করা হলেও কদিন বাদে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের একই বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ে।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, তৎকালীন মাদকবিক্রেতা রফিকুল ইসলামকে ধরতে গিয়ে কোতয়ালি পুলিশ হামলার শিকার হয়। অবশ্য সেই ঘটনার পর বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে তিনি গ্রেপ্তারও হন। কিন্তু তাকে বেশিদিন কারাগারে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি, কিছুদিন পরে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের মাদক বাণিজ্যে যুক্ত হন।
মাদক বিক্রির ক্ষেত্রে রফিক বেশকিছু সতর্ক পদক্ষেপ বা পন্থা অবলম্বন করে থাকেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন। নামপ্রকাশ না করার শর্তে এসআই পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা জানান, কয়েক বছর ধরে রফিক নিজের হাতে মাদক বিক্রি করছেন না, কৌশল হিসেবে স্ত্রী-সন্তানকে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে মাদক বিক্রির সময় তিনি বাসাটির আশেপাশে থাকেন এবং বাইরের সামগ্রিক বিষয়াদী তদারকি করে। কখনও পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেলে তিনি সটকে পড়েন এবং স্ত্রী-সন্ত্রানদের ফোন করে সতর্ক থাকার দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
তবে গাঁজা রফিকের এই কৌশল এসআই নাসিমের দূরদর্শিতার কাছে ধোপে টেকেনি। তিনি কোনো মতে গ্রেপ্তার এড়াতে সক্ষম হলেও তার স্ত্রী-সন্তানকে ঠিকই আইনের আওতায় নিয়ে আসলেন মাঠপুলিশ কর্মকর্তা।
অভিযান পরিচালনাকারী কোতয়ালি মডেল থানার এসআই গোলাম মো. নাসিম জানান, এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে রফিক ওরফে গাঁজা রফিক, তার স্ত্রী-সন্তানসহ মোট ৬জনকে অভিযুক্ত করা হয়। পুলিশ পলাতক রফিককে গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে।
উল্লেখ মাদকের ব্যবসায় করে গত ১০/১৫ বছরে রফিকুল ইসলাম শহরের একাধিক স্থানে জমিসহ বাড়ি ক্রয় করা এবং অর্থবিত্তে ধনকুবের বনে গেছেন। রোববার রাতে পুলিশ রিফিউজি কলোনীর স্নেহা ভবন নামক যে বাসটিতে অভিযান চালিয়েছে, সেটিও রফিকের মালিকানাধীন। এছাড়া শহরের ১২/১৩ নং ওয়ার্ডে তিনি একাধিক জমির মালিক ও সিঅ্যান্ডবি কাজীপাড়া রোডেও একটি বিলাসবহুল ভবন কিনেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
বরিশাল শহরের চিহ্নিত এই মাদক বিক্রিতার উত্থ্যান এবং অবৈধ অর্থে কোথায় কোথায় সম্পদ গড়েছেন এই ধরনের প্রতিবেদন পেতে বরিশালটাইমসের সাথে থাকুন।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.