বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও প্রশাসন, সাংবাদিক, শিক্ষক, সুশীল সমাজ ও এতিম শিক্ষার্থীদের সম্মানে এক অনন্য এবং অনুকরণীয় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন ছাত্রদল নেতা আজিজুল হক। তিনি বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন ছাড়াও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তবে ওই দোয়া ও ইফতার মাহফিলে এবার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক ছিল বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন নির্বাচিত হওয়ার পরে বাবুগঞ্জে এসে প্রথম কোনো জনসমাবেশে ভাষণ দেওয়া এবং বাবুগঞ্জ উপজেলাকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের ওই ঘোষণাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ। একই সাথে ছাত্রদল নেতা আজিজুল হককে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ওই ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন আরো বলেন, 'বাবুগঞ্জ-মুলাদীতে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই হবে না। এলাকায় থাকতে চাইলে মাদক ব্যবসা ছাড়তে হবে। কোনো অবস্থাতেই কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমার নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজিসহ কোনো অসামাজিক কার্যকলাপ চলতে দেওয়া হবে না। মাদক নিয়ে কেউ ধরা পড়লে যদি কোনো বিএনপি নেতা তদবিরে যায় তার বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
এসময় অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন আরো বলেন, 'আমাদের সকল নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়ন করা হবে। আমাদের নেতা মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এক ক্লিকে ৩৭ হাজার দুঃস্থ মহিলাদের মাঝে ভাতা বিতরণ করেছেন। হাতে ভোটের কালি মুছে যাবার আগেই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা দেশের সকল অঞ্চলের মানুষ পাবেন। এছাড়া আমার নির্বাচনী এলাকা বাবুগঞ্জ এবং মুলাদীতে ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে হাসপাতাল নির্মাণের যে প্রতিশ্রুতি ছিল সেটাও বাস্তবায়ন করা হবে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকার ১৩৩টি অর্ডিন্যান্স পাশ করেছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার মূল দায়িত্ব পড়েছে আমার কাঁধে। এই কারণে আমি এতদিন আপনাদের মাঝে আসতে না পারলেও খুব দ্রুতই আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব শেষ করে আপনাদের কাছে ফিরে আসবো।'
আয়োজক বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হকের সভাপতিত্বে এবং বিএনপি নেতা প্রভাষক মনিরুজ্জামান খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রীমকোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট ইউনুস আলী রবী, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সুলতান আহমেদ খান, সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার, ঢাকা মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের অ্যাডিশনাল পিপি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান শামীম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আরিফুর রহমান শিমুল সিকদার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন।
ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি যুগ্ম-আহবায়ক সামসুল আলম ফকির, আলমগীর হোসেন স্বপন, দুলাল চন্দ্র সাহা, নজরুল ইসলাম বাদশা, মোস্তাফিজুর রহমান ফারুক, আহবায়ক কমিটির সদস্য রাজন সিকদার, আবদুল মালেক সিকদার, মোশারফ হোসেন, বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাহফুজুল আলম মিঠু, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রেশমা রহমান, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ফরিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, সদস্য সচিব ইয়াসির আরাফাত মৃধা, যুবদল নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন, শ্রমিকদল নেতা মান্নান হাওলাদার প্রমুখ। ইফতার মাহফিলে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিম খলিল। ঐতিহাসিক ওই ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও নানান শ্রেণিপেশার সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। #


২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৭
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪৬
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

১৯ মার্চ, ২০২৬ ১০:১৯
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও প্রশাসন, সাংবাদিক, শিক্ষক, সুশীল সমাজ ও এতিম শিক্ষার্থীদের সম্মানে এক অনন্য এবং অনুকরণীয় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন ছাত্রদল নেতা আজিজুল হক। তিনি বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন ছাড়াও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তবে ওই দোয়া ও ইফতার মাহফিলে এবার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক ছিল বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন নির্বাচিত হওয়ার পরে বাবুগঞ্জে এসে প্রথম কোনো জনসমাবেশে ভাষণ দেওয়া এবং বাবুগঞ্জ উপজেলাকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের ওই ঘোষণাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ। একই সাথে ছাত্রদল নেতা আজিজুল হককে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ওই ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন আরো বলেন, 'বাবুগঞ্জ-মুলাদীতে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই হবে না। এলাকায় থাকতে চাইলে মাদক ব্যবসা ছাড়তে হবে। কোনো অবস্থাতেই কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমার নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজিসহ কোনো অসামাজিক কার্যকলাপ চলতে দেওয়া হবে না। মাদক নিয়ে কেউ ধরা পড়লে যদি কোনো বিএনপি নেতা তদবিরে যায় তার বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
এসময় অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন আরো বলেন, 'আমাদের সকল নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়ন করা হবে। আমাদের নেতা মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এক ক্লিকে ৩৭ হাজার দুঃস্থ মহিলাদের মাঝে ভাতা বিতরণ করেছেন। হাতে ভোটের কালি মুছে যাবার আগেই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা দেশের সকল অঞ্চলের মানুষ পাবেন। এছাড়া আমার নির্বাচনী এলাকা বাবুগঞ্জ এবং মুলাদীতে ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে হাসপাতাল নির্মাণের যে প্রতিশ্রুতি ছিল সেটাও বাস্তবায়ন করা হবে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকার ১৩৩টি অর্ডিন্যান্স পাশ করেছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার মূল দায়িত্ব পড়েছে আমার কাঁধে। এই কারণে আমি এতদিন আপনাদের মাঝে আসতে না পারলেও খুব দ্রুতই আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব শেষ করে আপনাদের কাছে ফিরে আসবো।'
আয়োজক বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হকের সভাপতিত্বে এবং বিএনপি নেতা প্রভাষক মনিরুজ্জামান খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রীমকোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট ইউনুস আলী রবী, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সুলতান আহমেদ খান, সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার, ঢাকা মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের অ্যাডিশনাল পিপি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান শামীম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আরিফুর রহমান শিমুল সিকদার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন।
ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি যুগ্ম-আহবায়ক সামসুল আলম ফকির, আলমগীর হোসেন স্বপন, দুলাল চন্দ্র সাহা, নজরুল ইসলাম বাদশা, মোস্তাফিজুর রহমান ফারুক, আহবায়ক কমিটির সদস্য রাজন সিকদার, আবদুল মালেক সিকদার, মোশারফ হোসেন, বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাহফুজুল আলম মিঠু, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রেশমা রহমান, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ফরিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, সদস্য সচিব ইয়াসির আরাফাত মৃধা, যুবদল নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন, শ্রমিকদল নেতা মান্নান হাওলাদার প্রমুখ। ইফতার মাহফিলে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিম খলিল। ঐতিহাসিক ওই ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও নানান শ্রেণিপেশার সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। #
