
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০০
সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায় সন্ধান পাওয়া আড়াই’শ বছরের পুরানো পালতোলা নৌকাটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি গত ১২ বছরে। নৌকাটি বৃষ্টিতে ভিজে ও রোদে শুকিয়ে নষ্ট হচ্ছেছ।
ফলে হতাশ হচ্ছে নৌকাটি দেখতে আসা পর্যটকরা। তবে বৈজ্ঞানিক উপায়ে এই প্রাচীন নৌকা সংরক্ষণের পাশাপাশি একটি জাদুঘর তৈরির দাবি এলাবাসীর। নৌকাটি সংরক্ষণ না করলে পূর্ব পুরুষের শেষ স্মৃতিটুকু হারিয়ে যাবে বলে মনে করেন রাখাইনরা।
নৌকাটি সংরক্ষণের জন্য কাজ করার কথা জানালেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, ২০১৩ সালে সমুদ্র সৈকতের অব্যাহত ভাঙনে বালুর নিচ থেকে জেগে ওঠে ৭২ ফুট দৈর্ঘ্যে ১৪ ফুট প্র¯ে’র ৯০ টন ওজনের কাঠের তৈরি এ নৌকাটি। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী টেকনিক্যাল সহায়তায় বাংলাদেশ রেলওয়েকে সম্পৃক্ত করে ২০১৩ সালের ২৭ ফেরুয়ারি রেললাইনে তুলে তিন কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে কুয়াকাটার শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধ বিহারের পূর্ব পাশে প্রতি¯’াপন করা হয়।
ধারণা করা হ”েছ আড়াই’শ বছরের আগে রাখাইনরা এই নৌকায় কুয়াকাটায় এসে বসতি ¯’াপন করেছিলেন। কালের বিবর্তনে রাখাইনদের নানা স্মৃতি হারিয়ে গেলেও বর্তমানে এ নৌকাটি এ অঞ্চলের ইতিহাস ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। তবে দীর্ঘদিনে সংস্কার না করায় বৃষ্টিতে ভিজে ও রোদে শুকিয়ে নৌকাটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
নৌকা থেকে উদ্ধার করে বরিশাল বিভাগীয় যাদুঘরে রাখা হয়েছে তামার তৈরি পেরেক, নারিকেলের মালাই, নারিকেলের ছোবলা দিয়ে বানানো রশি, ভাঙা মৃৎপাত্রের টুকরো, প্রচুর ধানের বহিরাবরণ/চিটা, পাটকাঠি, মাদুরের অবশেষ, পাটের তৈরি ছালার নিদর্শন, লোহার ভারি ও বিশালাকৃতির শিকল। নৌকাটি কাঠের বাতা, স্টিলের পাত ও রং দ্বারা আবৃত করা হয়েছে। এটি পিতল প্রলেভ থাকার কারণে অনেকে সোনার নৌকাও বলছেন। ¯’ানীয় রাখাইন সম্প্রদায়ের তথ্য মতে, প্রায় ২’শ ২৫ বছর পূর্বে বার্মার আরাকান রাজ্য থেকে রাখাইন সম্প্রদায় জাতিগত কোন্দলের কারণে ১৫০টি পরিবার রাতের আধারে ৫০টি কাঠের নৌকায় উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় এসে বন জঙ্গল পরিস্কার করে বসতি ¯’াপন করেছিলেন। কুয়াকাটায় সংরক্ষণ করা প্রাচীন নৌকাটি দেখতে এখন নিয়মিত পর্যটকরা ভিড় করছেন। পিরোজপুর থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক হাসান মামুন বলেন, নৌকাটি এ অঞ্চলের রাখাইনদের ইতিহাস ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। নৌকাটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা উচিত। আরেক পর্যটন নাদিরা পারভীন বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে এসে নৌকাটির কথা শুনে দেখতে আসলাম। অনেক পুরানো নৌকা দেখলাম।
তবে একটি এভাবে অযত্ন অবহেলায় না রেখে একটি যাদুঘরে রাখলে ভালো হবে। কুয়াকাটা শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ইন্দ্রোং বংশ ভিক্ষু বলেন, নৌকাটি আমাদের পূর্ব পুরুষের স্মৃতি। এটিকে রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। নৌকাটি যদি সংরক্ষণ না করা হয় তাহলে আমাদের পূর্ব পুরুষের স্মৃতিটুকু হারিয়ে যাবে।
কুয়াকাটা ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট এসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমির বলেন, একটি যাদুঘর নির্মাণ করে রাখাইনদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য জড়িত প্রাচীন পালতোলা নৌকাটি সংরক্ষণ করা উচিত। অন্যথায় বৃষ্টিতে ভিজে ও রোদে শুকিয়ে নৌকাটি নষ্ট হয়ে গেলে আদিবাসী রাখাইনদের একটি প্রাচীন ঐতিহ্য হারিয়ে যাবে। উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন ধরনের নৌকা মিউজিয়ামে সংরক্ষণ করতে পারলে দূর দূরান্তের পর্যটকরা দেখতে পারবে।
বরিশাল বিভাগীয় যাদুঘরের সহকারী কাস্টোডিয়া মোঃ আতিকুর রহমান বলেন, প্রাচীন এ নৌকাটি সংরক্ষণের জন্য কাজ চলছে। কাঠের তৈরী প্রাচীন নিদর্শন দীর্ঘ মেয়াদি সংরক্ষণের পাশাপাশি কুয়াকাটায় একটি অত্যাধুনিক যাদুঘর নির্মাণের পরিকল্পনা আছে। কুয়াকাটার উপকূলীয় অঞ্চলের প্রাচীন নিদর্শনগুলো সংরক্ষণ করলে পর্যটকদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথ খুলবে এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টজনরা।
সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায় সন্ধান পাওয়া আড়াই’শ বছরের পুরানো পালতোলা নৌকাটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি গত ১২ বছরে। নৌকাটি বৃষ্টিতে ভিজে ও রোদে শুকিয়ে নষ্ট হচ্ছেছ।
ফলে হতাশ হচ্ছে নৌকাটি দেখতে আসা পর্যটকরা। তবে বৈজ্ঞানিক উপায়ে এই প্রাচীন নৌকা সংরক্ষণের পাশাপাশি একটি জাদুঘর তৈরির দাবি এলাবাসীর। নৌকাটি সংরক্ষণ না করলে পূর্ব পুরুষের শেষ স্মৃতিটুকু হারিয়ে যাবে বলে মনে করেন রাখাইনরা।
নৌকাটি সংরক্ষণের জন্য কাজ করার কথা জানালেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, ২০১৩ সালে সমুদ্র সৈকতের অব্যাহত ভাঙনে বালুর নিচ থেকে জেগে ওঠে ৭২ ফুট দৈর্ঘ্যে ১৪ ফুট প্র¯ে’র ৯০ টন ওজনের কাঠের তৈরি এ নৌকাটি। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী টেকনিক্যাল সহায়তায় বাংলাদেশ রেলওয়েকে সম্পৃক্ত করে ২০১৩ সালের ২৭ ফেরুয়ারি রেললাইনে তুলে তিন কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে কুয়াকাটার শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধ বিহারের পূর্ব পাশে প্রতি¯’াপন করা হয়।
ধারণা করা হ”েছ আড়াই’শ বছরের আগে রাখাইনরা এই নৌকায় কুয়াকাটায় এসে বসতি ¯’াপন করেছিলেন। কালের বিবর্তনে রাখাইনদের নানা স্মৃতি হারিয়ে গেলেও বর্তমানে এ নৌকাটি এ অঞ্চলের ইতিহাস ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। তবে দীর্ঘদিনে সংস্কার না করায় বৃষ্টিতে ভিজে ও রোদে শুকিয়ে নৌকাটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
নৌকা থেকে উদ্ধার করে বরিশাল বিভাগীয় যাদুঘরে রাখা হয়েছে তামার তৈরি পেরেক, নারিকেলের মালাই, নারিকেলের ছোবলা দিয়ে বানানো রশি, ভাঙা মৃৎপাত্রের টুকরো, প্রচুর ধানের বহিরাবরণ/চিটা, পাটকাঠি, মাদুরের অবশেষ, পাটের তৈরি ছালার নিদর্শন, লোহার ভারি ও বিশালাকৃতির শিকল। নৌকাটি কাঠের বাতা, স্টিলের পাত ও রং দ্বারা আবৃত করা হয়েছে। এটি পিতল প্রলেভ থাকার কারণে অনেকে সোনার নৌকাও বলছেন। ¯’ানীয় রাখাইন সম্প্রদায়ের তথ্য মতে, প্রায় ২’শ ২৫ বছর পূর্বে বার্মার আরাকান রাজ্য থেকে রাখাইন সম্প্রদায় জাতিগত কোন্দলের কারণে ১৫০টি পরিবার রাতের আধারে ৫০টি কাঠের নৌকায় উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় এসে বন জঙ্গল পরিস্কার করে বসতি ¯’াপন করেছিলেন। কুয়াকাটায় সংরক্ষণ করা প্রাচীন নৌকাটি দেখতে এখন নিয়মিত পর্যটকরা ভিড় করছেন। পিরোজপুর থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক হাসান মামুন বলেন, নৌকাটি এ অঞ্চলের রাখাইনদের ইতিহাস ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। নৌকাটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা উচিত। আরেক পর্যটন নাদিরা পারভীন বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে এসে নৌকাটির কথা শুনে দেখতে আসলাম। অনেক পুরানো নৌকা দেখলাম।
তবে একটি এভাবে অযত্ন অবহেলায় না রেখে একটি যাদুঘরে রাখলে ভালো হবে। কুয়াকাটা শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ইন্দ্রোং বংশ ভিক্ষু বলেন, নৌকাটি আমাদের পূর্ব পুরুষের স্মৃতি। এটিকে রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। নৌকাটি যদি সংরক্ষণ না করা হয় তাহলে আমাদের পূর্ব পুরুষের স্মৃতিটুকু হারিয়ে যাবে।
কুয়াকাটা ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট এসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমির বলেন, একটি যাদুঘর নির্মাণ করে রাখাইনদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য জড়িত প্রাচীন পালতোলা নৌকাটি সংরক্ষণ করা উচিত। অন্যথায় বৃষ্টিতে ভিজে ও রোদে শুকিয়ে নৌকাটি নষ্ট হয়ে গেলে আদিবাসী রাখাইনদের একটি প্রাচীন ঐতিহ্য হারিয়ে যাবে। উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন ধরনের নৌকা মিউজিয়ামে সংরক্ষণ করতে পারলে দূর দূরান্তের পর্যটকরা দেখতে পারবে।
বরিশাল বিভাগীয় যাদুঘরের সহকারী কাস্টোডিয়া মোঃ আতিকুর রহমান বলেন, প্রাচীন এ নৌকাটি সংরক্ষণের জন্য কাজ চলছে। কাঠের তৈরী প্রাচীন নিদর্শন দীর্ঘ মেয়াদি সংরক্ষণের পাশাপাশি কুয়াকাটায় একটি অত্যাধুনিক যাদুঘর নির্মাণের পরিকল্পনা আছে। কুয়াকাটার উপকূলীয় অঞ্চলের প্রাচীন নিদর্শনগুলো সংরক্ষণ করলে পর্যটকদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথ খুলবে এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টজনরা।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪০
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সরকারি খাসজমি থেকে একটি রেইন্ট্রি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে শ্রমিক দল নেতাসহ চারজনের বিরুদ্ধে চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৭-৮ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসিফ নূর জানান, কুয়াকাটা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে হোটেল সীকুইন সংলগ্ন বিএস ১ নম্বর খাস খতিয়ানের ৩৪২১ ও ৩৪২৭ নম্বর দাগের সরকারি জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রয়েছে। ওই এলাকায় ডিসি বাংলোতে অবস্থানরত কর্মচারীরা সরকারি সম্পত্তি দেখাশোনা করেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ মার্চ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ওই সরকারি জমিতে একটি রেইন্ট্রি গাছ ছিল। কিন্তু রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গাছটি আর সেখানে দেখা যায়নি। পরদিন বিষয়টি ভূমি অফিসকে জানানো হলে সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজখবর নেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আসামিরা বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে সরকারি জমিতে প্রবেশ করে গাছটি কেটে ভ্যানযোগে অন্যত্র নিয়ে যায়। চুরি হওয়া গাছটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় কুয়াকাটা পৌর শ্রমিক দলের সহসভাপতি মো. জসিম মৃধা, আ. কাদের, পৌর কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আলমাস ও রাসেলসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে শনিবার (১৪ মার্চ) মহিপুর থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্ত শ্রমিক দল নেতা মো. জসিম মৃধা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
পটুয়াখালী জেলা শ্রমিক দলের সহসভাপতি জাহিদুর রহমান বাবু খান বলেন, ঘটনার সত্যতা যাচাই করে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান জানান, সরকারি সম্পত্তি চুরির অভিযোগে একটি মামলা রুজু হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সরকারি খাসজমি থেকে একটি রেইন্ট্রি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে শ্রমিক দল নেতাসহ চারজনের বিরুদ্ধে চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৭-৮ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসিফ নূর জানান, কুয়াকাটা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে হোটেল সীকুইন সংলগ্ন বিএস ১ নম্বর খাস খতিয়ানের ৩৪২১ ও ৩৪২৭ নম্বর দাগের সরকারি জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রয়েছে। ওই এলাকায় ডিসি বাংলোতে অবস্থানরত কর্মচারীরা সরকারি সম্পত্তি দেখাশোনা করেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ মার্চ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ওই সরকারি জমিতে একটি রেইন্ট্রি গাছ ছিল। কিন্তু রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গাছটি আর সেখানে দেখা যায়নি। পরদিন বিষয়টি ভূমি অফিসকে জানানো হলে সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজখবর নেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আসামিরা বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে সরকারি জমিতে প্রবেশ করে গাছটি কেটে ভ্যানযোগে অন্যত্র নিয়ে যায়। চুরি হওয়া গাছটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় কুয়াকাটা পৌর শ্রমিক দলের সহসভাপতি মো. জসিম মৃধা, আ. কাদের, পৌর কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আলমাস ও রাসেলসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে শনিবার (১৪ মার্চ) মহিপুর থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্ত শ্রমিক দল নেতা মো. জসিম মৃধা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
পটুয়াখালী জেলা শ্রমিক দলের সহসভাপতি জাহিদুর রহমান বাবু খান বলেন, ঘটনার সত্যতা যাচাই করে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান জানান, সরকারি সম্পত্তি চুরির অভিযোগে একটি মামলা রুজু হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫
দেশের অন্যতম মৎস্য বন্দর পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর বন্দর। প্রতিদিন জেলেরা এই বন্দরে মাছ বিক্রি করে ট্রলারে রসদ সামগ্রী নিয়ে ছুটে যায় গভির বঙ্গোপসাগরে।
গত এক সপ্তাহ ধরে কৃত্রিম তৈল (ডিজেল) সংকটের কারণে শত শত ট্রলার গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যেতে পারছেন না। ঈদের ঠিক আগ মূহর্তে এই সংকট মৎস্যজীবীদের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর দাবী জানিয়েছেন জেলেরা। কুয়াকাটায় প্রতি সপ্তাহে ডিজেল চাহিদা তিন লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ লিটার সেখানে ফিলিং ষ্টেশন ডিজেল পায় ৭০-৭৫ হাজার লিটার।
আন্তর্জাতিক বাজারে ইরান-ইসরাইল-আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার খবরে দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই সুযোগে কুয়াকাটার উপকূলীয় বাজারে তেল ব্যবসায়ীরা চরা দামে তেল বেচার জন্য মজুতদারী শুরু করেছে।
গত কয়েকদিন ধরে কোন মহাজনের কাছে ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে উপকূলের বিভিন্ন নদ-নদীতে শত শত ট্রলার মাছ নোঙর করে আছে। এদিকে দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ার কারণে গত তিন মাস ধরে সাগরে মাছ না পেয়ে দেনাগ্রস্থ জেলেরা আসন্ন ঈদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে। রমজানের শেষ মুহূর্তে আবহাওয়ায় কিছু পরিবর্তন এসেছে, প্রতিদিন আকাশে মেঘা দেখা যায়। বাতাসের গতি কিছুটা বেড়েছে, এখন সমুদ্রে মাছ ধরা পরার উপর্যুক্ত হয়েছে। জেলেদের আশা শেষ মুহূর্তে মাছে পেয়ে ঈদ আনন্দ উৎযাপন করবেন। কিন্তু এই মুর্হুতে জ¦ালানি সংকটের কারণে সমুদ্রে যেতে পারছেন না উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার জেলে। ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তৈল পাচ্ছে না পাম্পগুলো। যার কারণে তেলের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী কোন ট্রলারে তৈল দেয়া হচ্ছে না।
শুধুমাত্র পরিবহনে ডিজেল দেয়া হচ্ছে। মৎস্য আলীপুরের জেলে হোসেন বলেন, গত তিন মাস ধরে সমুদ্রে মাছ নেই। বর্তমানে আবহাওয়া কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে। এখন সাগরে মাছ ধরা পরার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু তেলের অভাবে সাগরে যেতে পারছি না। দ্রুত তেলের ব্যবস্থা করার দাবি আমাদের। ট্রলার মালিক কামাল হোসেন বলেন, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না।
আসলেই কি তেল নেই, নাকি সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে। ট্রলার ঘাটে নোঙর করে রেখেছি। তৈল পেলেই সমুদ্রে যাবে। আড়তদার ব্যবসায়ী আঃ জলিল ঘরামী বলেন, তেলে অভাবে ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ হয়ে আছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর জোর দাবী জানাচ্ছি। মহিপুর রাজা ফিলিং ষ্টেশনের পরিচালক আসিফ মাহমুদ বলেন, আমাদের চাহিদা অনুযায়ী ডিপো থেকে তেল দিতে পারছে না। আমরাও সংরবরাহ করতে পারছি না।
আমাদের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী যানে তেল সরবারহ করা হচ্ছে না। শুধু পরিবহনে তেল দিচ্ছি। এ প্রসঙ্গে কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, আমরা শুনছি জ¦ালানী তেলের সংকটের কারণে অনেক জেলে সমুদ্র যেতে পারছেন না। সমুদ্রগামী জেলেদের জন্য আগামী দুই এক দিনের মধ্যে ডিজেল সংকট কেটে যাবে।
দেশের অন্যতম মৎস্য বন্দর পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর বন্দর। প্রতিদিন জেলেরা এই বন্দরে মাছ বিক্রি করে ট্রলারে রসদ সামগ্রী নিয়ে ছুটে যায় গভির বঙ্গোপসাগরে।
গত এক সপ্তাহ ধরে কৃত্রিম তৈল (ডিজেল) সংকটের কারণে শত শত ট্রলার গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যেতে পারছেন না। ঈদের ঠিক আগ মূহর্তে এই সংকট মৎস্যজীবীদের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর দাবী জানিয়েছেন জেলেরা। কুয়াকাটায় প্রতি সপ্তাহে ডিজেল চাহিদা তিন লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ লিটার সেখানে ফিলিং ষ্টেশন ডিজেল পায় ৭০-৭৫ হাজার লিটার।
আন্তর্জাতিক বাজারে ইরান-ইসরাইল-আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার খবরে দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই সুযোগে কুয়াকাটার উপকূলীয় বাজারে তেল ব্যবসায়ীরা চরা দামে তেল বেচার জন্য মজুতদারী শুরু করেছে।
গত কয়েকদিন ধরে কোন মহাজনের কাছে ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে উপকূলের বিভিন্ন নদ-নদীতে শত শত ট্রলার মাছ নোঙর করে আছে। এদিকে দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ার কারণে গত তিন মাস ধরে সাগরে মাছ না পেয়ে দেনাগ্রস্থ জেলেরা আসন্ন ঈদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে। রমজানের শেষ মুহূর্তে আবহাওয়ায় কিছু পরিবর্তন এসেছে, প্রতিদিন আকাশে মেঘা দেখা যায়। বাতাসের গতি কিছুটা বেড়েছে, এখন সমুদ্রে মাছ ধরা পরার উপর্যুক্ত হয়েছে। জেলেদের আশা শেষ মুহূর্তে মাছে পেয়ে ঈদ আনন্দ উৎযাপন করবেন। কিন্তু এই মুর্হুতে জ¦ালানি সংকটের কারণে সমুদ্রে যেতে পারছেন না উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার জেলে। ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তৈল পাচ্ছে না পাম্পগুলো। যার কারণে তেলের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী কোন ট্রলারে তৈল দেয়া হচ্ছে না।
শুধুমাত্র পরিবহনে ডিজেল দেয়া হচ্ছে। মৎস্য আলীপুরের জেলে হোসেন বলেন, গত তিন মাস ধরে সমুদ্রে মাছ নেই। বর্তমানে আবহাওয়া কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে। এখন সাগরে মাছ ধরা পরার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু তেলের অভাবে সাগরে যেতে পারছি না। দ্রুত তেলের ব্যবস্থা করার দাবি আমাদের। ট্রলার মালিক কামাল হোসেন বলেন, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না।
আসলেই কি তেল নেই, নাকি সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে। ট্রলার ঘাটে নোঙর করে রেখেছি। তৈল পেলেই সমুদ্রে যাবে। আড়তদার ব্যবসায়ী আঃ জলিল ঘরামী বলেন, তেলে অভাবে ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ হয়ে আছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর জোর দাবী জানাচ্ছি। মহিপুর রাজা ফিলিং ষ্টেশনের পরিচালক আসিফ মাহমুদ বলেন, আমাদের চাহিদা অনুযায়ী ডিপো থেকে তেল দিতে পারছে না। আমরাও সংরবরাহ করতে পারছি না।
আমাদের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী যানে তেল সরবারহ করা হচ্ছে না। শুধু পরিবহনে তেল দিচ্ছি। এ প্রসঙ্গে কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, আমরা শুনছি জ¦ালানী তেলের সংকটের কারণে অনেক জেলে সমুদ্র যেতে পারছেন না। সমুদ্রগামী জেলেদের জন্য আগামী দুই এক দিনের মধ্যে ডিজেল সংকট কেটে যাবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩০
পটুয়াখালীর দুমকিতে নিতাই চন্দ্র নামের এক যুবককে মারধর করেছে আওয়ামী লীগের নেতারা। গুরুতর আহত যুবককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর চরবয়রা গ্রামের তালতলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী।
আহত নিতাই চন্দ্র বলেন, বিকেলে তালতলী বাজারে আমার দোকানে গেলে পারিবারিক ঝামেলা নিয়ে প্রতিবেশী শুভাষ চন্দ্র শীলের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার, জাবের মাহমুদ লিটনসহ ৩/৪ জন এসে রড ও বাঁশের লাঠি আমাকে পিটিয়ে আহত করে। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার বলেন, নিতাই চন্দ্র আমাদেরকে গালাগাল করেছে, এজন্য আমরা তাকে মেরেছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অতসী উপমা ঐশী বলেন, আহত নিতাই চন্দ্রের মুখে ও মাথায় একাধিক আঘাত রয়েছে।
দুমকি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নুরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে নিতাই চন্দ্র নামের এক যুবককে মারধর করেছে আওয়ামী লীগের নেতারা। গুরুতর আহত যুবককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর চরবয়রা গ্রামের তালতলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী।
আহত নিতাই চন্দ্র বলেন, বিকেলে তালতলী বাজারে আমার দোকানে গেলে পারিবারিক ঝামেলা নিয়ে প্রতিবেশী শুভাষ চন্দ্র শীলের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার, জাবের মাহমুদ লিটনসহ ৩/৪ জন এসে রড ও বাঁশের লাঠি আমাকে পিটিয়ে আহত করে। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার বলেন, নিতাই চন্দ্র আমাদেরকে গালাগাল করেছে, এজন্য আমরা তাকে মেরেছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অতসী উপমা ঐশী বলেন, আহত নিতাই চন্দ্রের মুখে ও মাথায় একাধিক আঘাত রয়েছে।
দুমকি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নুরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.