
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০০
সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায় সন্ধান পাওয়া আড়াই’শ বছরের পুরানো পালতোলা নৌকাটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি গত ১২ বছরে। নৌকাটি বৃষ্টিতে ভিজে ও রোদে শুকিয়ে নষ্ট হচ্ছেছ।
ফলে হতাশ হচ্ছে নৌকাটি দেখতে আসা পর্যটকরা। তবে বৈজ্ঞানিক উপায়ে এই প্রাচীন নৌকা সংরক্ষণের পাশাপাশি একটি জাদুঘর তৈরির দাবি এলাবাসীর। নৌকাটি সংরক্ষণ না করলে পূর্ব পুরুষের শেষ স্মৃতিটুকু হারিয়ে যাবে বলে মনে করেন রাখাইনরা।
নৌকাটি সংরক্ষণের জন্য কাজ করার কথা জানালেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, ২০১৩ সালে সমুদ্র সৈকতের অব্যাহত ভাঙনে বালুর নিচ থেকে জেগে ওঠে ৭২ ফুট দৈর্ঘ্যে ১৪ ফুট প্র¯ে’র ৯০ টন ওজনের কাঠের তৈরি এ নৌকাটি। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী টেকনিক্যাল সহায়তায় বাংলাদেশ রেলওয়েকে সম্পৃক্ত করে ২০১৩ সালের ২৭ ফেরুয়ারি রেললাইনে তুলে তিন কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে কুয়াকাটার শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধ বিহারের পূর্ব পাশে প্রতি¯’াপন করা হয়।
ধারণা করা হ”েছ আড়াই’শ বছরের আগে রাখাইনরা এই নৌকায় কুয়াকাটায় এসে বসতি ¯’াপন করেছিলেন। কালের বিবর্তনে রাখাইনদের নানা স্মৃতি হারিয়ে গেলেও বর্তমানে এ নৌকাটি এ অঞ্চলের ইতিহাস ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। তবে দীর্ঘদিনে সংস্কার না করায় বৃষ্টিতে ভিজে ও রোদে শুকিয়ে নৌকাটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
নৌকা থেকে উদ্ধার করে বরিশাল বিভাগীয় যাদুঘরে রাখা হয়েছে তামার তৈরি পেরেক, নারিকেলের মালাই, নারিকেলের ছোবলা দিয়ে বানানো রশি, ভাঙা মৃৎপাত্রের টুকরো, প্রচুর ধানের বহিরাবরণ/চিটা, পাটকাঠি, মাদুরের অবশেষ, পাটের তৈরি ছালার নিদর্শন, লোহার ভারি ও বিশালাকৃতির শিকল। নৌকাটি কাঠের বাতা, স্টিলের পাত ও রং দ্বারা আবৃত করা হয়েছে। এটি পিতল প্রলেভ থাকার কারণে অনেকে সোনার নৌকাও বলছেন। ¯’ানীয় রাখাইন সম্প্রদায়ের তথ্য মতে, প্রায় ২’শ ২৫ বছর পূর্বে বার্মার আরাকান রাজ্য থেকে রাখাইন সম্প্রদায় জাতিগত কোন্দলের কারণে ১৫০টি পরিবার রাতের আধারে ৫০টি কাঠের নৌকায় উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় এসে বন জঙ্গল পরিস্কার করে বসতি ¯’াপন করেছিলেন। কুয়াকাটায় সংরক্ষণ করা প্রাচীন নৌকাটি দেখতে এখন নিয়মিত পর্যটকরা ভিড় করছেন। পিরোজপুর থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক হাসান মামুন বলেন, নৌকাটি এ অঞ্চলের রাখাইনদের ইতিহাস ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। নৌকাটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা উচিত। আরেক পর্যটন নাদিরা পারভীন বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে এসে নৌকাটির কথা শুনে দেখতে আসলাম। অনেক পুরানো নৌকা দেখলাম।
তবে একটি এভাবে অযত্ন অবহেলায় না রেখে একটি যাদুঘরে রাখলে ভালো হবে। কুয়াকাটা শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ইন্দ্রোং বংশ ভিক্ষু বলেন, নৌকাটি আমাদের পূর্ব পুরুষের স্মৃতি। এটিকে রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। নৌকাটি যদি সংরক্ষণ না করা হয় তাহলে আমাদের পূর্ব পুরুষের স্মৃতিটুকু হারিয়ে যাবে।
কুয়াকাটা ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট এসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমির বলেন, একটি যাদুঘর নির্মাণ করে রাখাইনদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য জড়িত প্রাচীন পালতোলা নৌকাটি সংরক্ষণ করা উচিত। অন্যথায় বৃষ্টিতে ভিজে ও রোদে শুকিয়ে নৌকাটি নষ্ট হয়ে গেলে আদিবাসী রাখাইনদের একটি প্রাচীন ঐতিহ্য হারিয়ে যাবে। উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন ধরনের নৌকা মিউজিয়ামে সংরক্ষণ করতে পারলে দূর দূরান্তের পর্যটকরা দেখতে পারবে।
বরিশাল বিভাগীয় যাদুঘরের সহকারী কাস্টোডিয়া মোঃ আতিকুর রহমান বলেন, প্রাচীন এ নৌকাটি সংরক্ষণের জন্য কাজ চলছে। কাঠের তৈরী প্রাচীন নিদর্শন দীর্ঘ মেয়াদি সংরক্ষণের পাশাপাশি কুয়াকাটায় একটি অত্যাধুনিক যাদুঘর নির্মাণের পরিকল্পনা আছে। কুয়াকাটার উপকূলীয় অঞ্চলের প্রাচীন নিদর্শনগুলো সংরক্ষণ করলে পর্যটকদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথ খুলবে এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টজনরা।
সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায় সন্ধান পাওয়া আড়াই’শ বছরের পুরানো পালতোলা নৌকাটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি গত ১২ বছরে। নৌকাটি বৃষ্টিতে ভিজে ও রোদে শুকিয়ে নষ্ট হচ্ছেছ।
ফলে হতাশ হচ্ছে নৌকাটি দেখতে আসা পর্যটকরা। তবে বৈজ্ঞানিক উপায়ে এই প্রাচীন নৌকা সংরক্ষণের পাশাপাশি একটি জাদুঘর তৈরির দাবি এলাবাসীর। নৌকাটি সংরক্ষণ না করলে পূর্ব পুরুষের শেষ স্মৃতিটুকু হারিয়ে যাবে বলে মনে করেন রাখাইনরা।
নৌকাটি সংরক্ষণের জন্য কাজ করার কথা জানালেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, ২০১৩ সালে সমুদ্র সৈকতের অব্যাহত ভাঙনে বালুর নিচ থেকে জেগে ওঠে ৭২ ফুট দৈর্ঘ্যে ১৪ ফুট প্র¯ে’র ৯০ টন ওজনের কাঠের তৈরি এ নৌকাটি। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী টেকনিক্যাল সহায়তায় বাংলাদেশ রেলওয়েকে সম্পৃক্ত করে ২০১৩ সালের ২৭ ফেরুয়ারি রেললাইনে তুলে তিন কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে কুয়াকাটার শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধ বিহারের পূর্ব পাশে প্রতি¯’াপন করা হয়।
ধারণা করা হ”েছ আড়াই’শ বছরের আগে রাখাইনরা এই নৌকায় কুয়াকাটায় এসে বসতি ¯’াপন করেছিলেন। কালের বিবর্তনে রাখাইনদের নানা স্মৃতি হারিয়ে গেলেও বর্তমানে এ নৌকাটি এ অঞ্চলের ইতিহাস ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। তবে দীর্ঘদিনে সংস্কার না করায় বৃষ্টিতে ভিজে ও রোদে শুকিয়ে নৌকাটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
নৌকা থেকে উদ্ধার করে বরিশাল বিভাগীয় যাদুঘরে রাখা হয়েছে তামার তৈরি পেরেক, নারিকেলের মালাই, নারিকেলের ছোবলা দিয়ে বানানো রশি, ভাঙা মৃৎপাত্রের টুকরো, প্রচুর ধানের বহিরাবরণ/চিটা, পাটকাঠি, মাদুরের অবশেষ, পাটের তৈরি ছালার নিদর্শন, লোহার ভারি ও বিশালাকৃতির শিকল। নৌকাটি কাঠের বাতা, স্টিলের পাত ও রং দ্বারা আবৃত করা হয়েছে। এটি পিতল প্রলেভ থাকার কারণে অনেকে সোনার নৌকাও বলছেন। ¯’ানীয় রাখাইন সম্প্রদায়ের তথ্য মতে, প্রায় ২’শ ২৫ বছর পূর্বে বার্মার আরাকান রাজ্য থেকে রাখাইন সম্প্রদায় জাতিগত কোন্দলের কারণে ১৫০টি পরিবার রাতের আধারে ৫০টি কাঠের নৌকায় উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় এসে বন জঙ্গল পরিস্কার করে বসতি ¯’াপন করেছিলেন। কুয়াকাটায় সংরক্ষণ করা প্রাচীন নৌকাটি দেখতে এখন নিয়মিত পর্যটকরা ভিড় করছেন। পিরোজপুর থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক হাসান মামুন বলেন, নৌকাটি এ অঞ্চলের রাখাইনদের ইতিহাস ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। নৌকাটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা উচিত। আরেক পর্যটন নাদিরা পারভীন বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে এসে নৌকাটির কথা শুনে দেখতে আসলাম। অনেক পুরানো নৌকা দেখলাম।
তবে একটি এভাবে অযত্ন অবহেলায় না রেখে একটি যাদুঘরে রাখলে ভালো হবে। কুয়াকাটা শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ইন্দ্রোং বংশ ভিক্ষু বলেন, নৌকাটি আমাদের পূর্ব পুরুষের স্মৃতি। এটিকে রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। নৌকাটি যদি সংরক্ষণ না করা হয় তাহলে আমাদের পূর্ব পুরুষের স্মৃতিটুকু হারিয়ে যাবে।
কুয়াকাটা ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট এসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমির বলেন, একটি যাদুঘর নির্মাণ করে রাখাইনদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য জড়িত প্রাচীন পালতোলা নৌকাটি সংরক্ষণ করা উচিত। অন্যথায় বৃষ্টিতে ভিজে ও রোদে শুকিয়ে নৌকাটি নষ্ট হয়ে গেলে আদিবাসী রাখাইনদের একটি প্রাচীন ঐতিহ্য হারিয়ে যাবে। উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন ধরনের নৌকা মিউজিয়ামে সংরক্ষণ করতে পারলে দূর দূরান্তের পর্যটকরা দেখতে পারবে।
বরিশাল বিভাগীয় যাদুঘরের সহকারী কাস্টোডিয়া মোঃ আতিকুর রহমান বলেন, প্রাচীন এ নৌকাটি সংরক্ষণের জন্য কাজ চলছে। কাঠের তৈরী প্রাচীন নিদর্শন দীর্ঘ মেয়াদি সংরক্ষণের পাশাপাশি কুয়াকাটায় একটি অত্যাধুনিক যাদুঘর নির্মাণের পরিকল্পনা আছে। কুয়াকাটার উপকূলীয় অঞ্চলের প্রাচীন নিদর্শনগুলো সংরক্ষণ করলে পর্যটকদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথ খুলবে এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টজনরা।
২২ জুন, ২০২৬ ০১:০১
২১ জুন, ২০২৬ ২৩:২৯
২১ জুন, ২০২৬ ১৯:৫১
২১ জুন, ২০২৬ ১৯:২৬

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:৫০
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটক মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) মহিপুর থানার মিস্ত্রিপাড়া (লতাচাপলী) এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলম হাওলাদার ওরফে শাহ-আলম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস অভিযানিক দল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদারকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটা ও আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সাথে জড়িত। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটক মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) মহিপুর থানার মিস্ত্রিপাড়া (লতাচাপলী) এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলম হাওলাদার ওরফে শাহ-আলম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস অভিযানিক দল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদারকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটা ও আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সাথে জড়িত। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:২৭
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৬:০৯
পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত দুইজন হলেন- চৌদ্দবুড়িয়া এলাকার শিকদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ নূহু (২৫) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আশরাফ চৌকিদার ওরফে আশরাফ মোল্লা (৪৫)। তারা দুইজনেই শ্রমিকের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বাড়ির টয়লেটের জন্য সদ্য নির্মিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে সংস্কার কাজ করতে নামেন শ্রমিক মোহাম্মদ নূহু। কাজ করার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে যান।
পরে তাকে উদ্ধার করতে ভেতরে নামেন আশরাফ মোল্লা। একপর্যায়ে তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন ট্যাংকের একটি অংশ ভেঙে দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন।
স্থানীয়দের ধারণা, ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত দুইজন হলেন- চৌদ্দবুড়িয়া এলাকার শিকদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ নূহু (২৫) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আশরাফ চৌকিদার ওরফে আশরাফ মোল্লা (৪৫)। তারা দুইজনেই শ্রমিকের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বাড়ির টয়লেটের জন্য সদ্য নির্মিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে সংস্কার কাজ করতে নামেন শ্রমিক মোহাম্মদ নূহু। কাজ করার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে যান।
পরে তাকে উদ্ধার করতে ভেতরে নামেন আশরাফ মোল্লা। একপর্যায়ে তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন ট্যাংকের একটি অংশ ভেঙে দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন।
স্থানীয়দের ধারণা, ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.