ছাত্রনেতা সুজয় শুভকে নিয়ে অপপ্রচার, মানহানির অভিযোগে মামলা
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা সুজয় বিশ্বাস শুভর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচার ও মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি সুজয় শুভ বাদী হয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে এ মামলা করেন।
এদিকে, সুজয় শুভর বিচারের দাবিতে সম্প্রতি বরিশাল নগরীতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৯ জনের মধ্যে অন্তত দুজন জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবগত না হয়েই তারা মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বাদীর সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশে তার সম্পর্কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করা হয়েছে। পাশাপাশি তার শরীর, সম্পত্তি ও সামাজিক সুনামের ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের নেতা মাহিদুল ইসলাম দাউদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সংগঠনের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
এরপর মাহিদুল ইসলাম দাউদ ক্ষুব্ধ হয়ে আলিসা মুনতাজ, হুজাইফা রহমানসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তুলে মামলার বাদী সুজয় বিশ্বাস শুভর মানহানি করার উদ্দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও অপমানজনক বক্তব্য প্রচার শুরু করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এর ধারাবাহিকতায় মামলার অন্যান্য আসামিরা ২০২৬ সালের ২ এপ্রিল নিজেদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সুজয় শুভকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন অবমাননাকর মন্তব্য ও বক্তব্য প্রকাশ করেন। পরে একই বছরের ১৬ এপ্রিল পুনরায় বাদীর নাম ও ছবি ব্যবহার করে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে সংঘবদ্ধভাবে অপপ্রচার চালানো হয়।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সুজয় শুভ ২১ এপ্রিল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, এরপরও অভিযুক্তরা অপপ্রচার বন্ধ না করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার, ভিডিওচিত্র তৈরি এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে থাকেন।
অভিযোগপত্রে আরও জানানো হয়, চলতি বছরের জুন মাসে বাদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচারের মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করা হয়েছে উল্লেখ করে আদালতের কাছে বিচার চেয়ে মামলাটি দায়ের করেন সুজয় শুভ।
এদিকে, সুজয় শুভর বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৯ জন ব্যক্তির একজন শামীম দাবি করেন, তাকে কার বিরুদ্ধে এবং কী অভিযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তা না জানিয়েই সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে শামীম বলেন, ‘ও... হ্যাঁ, না, আমি ওইখানে ছিলাম আরকি। আমার এক বড় ভাই আমাকে নিয়ে গেছে।’
সুজয় শুভর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি আসলে এই ব্যাপারে তেমন কোনো তথ্য জানি না। আপনি বরং যারা ফ্রন্টে ছিল, ওনাদেরকে জিজ্ঞেস করেন। মানে... আমাদের ওই সিরাজুল ভাইসহ যারা ছিল, ওনাদেরকে জিজ্ঞেস করেন।’
আপনি মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেছেন, কিন্তু কেন অংশ নিচ্ছেন তা জানেন না- এমন প্রশ্নের জবাবে শামীম বলেন, ‘না, আমি জানি যে আমি একটা প্রতিবাদী মিছিলে অংশগ্রহণ করছি আরকি, এইটুকু।’
অভিযোগ সত্য না মিথ্যা তা না জেনেই মানববন্ধনে দাঁড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘না, কারণ ছাড়া বলতে কী, আমাকে তো এমনিতে বলা হইছে যে চলো...।’
মানববন্ধনের অভিযোগকারীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না- এ অবস্থায় কীভাবে মানববন্ধনে অংশ নিলেন জানতে চাইলে শামীম বলেন, ‘যারা লিডিংয়ে ছিল, ওনারা হয়তো জানেন আরকি। এই ব্যাপারে আমার কাছে তেমন কোনো তথ্য নাই। আমার যেটা মনে হয় যে হয়তোবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ওনারে(সুজয় শুভকে) হয়তো হ্যারাস করার জন্য এটা করছে।"
এছাড়া মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সাধনা হালদার নামে এক নারীও একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সুজয় শুভর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে তিনি শুনেছেন, তাই তিনি মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।
সাধনা হালদার আরও বলেন, ‘আমি সুজয় শুভকে চিনতাম। বিভিন্ন আন্দোলন তাকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখেছি। গত কিছুদিন ধরে শুনতেছি- আমাদের সিনিয়র আপুরা তারা বলতেছে, তারা বিভিন্ন ধরণের যৌন নির্যাতনবা নিপীড়নের শিকার হইছে, ব্যাড টাচের শিকার হইছে, এই ধরণের ম্যানুপুলেশন বা ভিক্টিম ব্লেমিং এর শিকার হইছে। যখন শুনলাম একাধিক মানুষের কাছ থেকে তখন খুবই খারাপ লাগছে।’
মামলার বাদীপক্ষের দাবি, অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করেই সাধারণ মানুষকে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করানো হয়েছে এবং তাদের ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে একজন ছাত্রনেতার মানহানি করা হয়েছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন বাদী সুজয় শুভ।
সুজয় আরও বলেন, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিদ্বেষের জায়গা থেকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কিছুদিন ধরে আমার বিরদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তারা ফেইসবুকে নানা অসত্য, অসংলগ্ন ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুললেও কোনো অভিযোগের স্বপক্ষে ন্যূনতম প্রমাণ হাজির করতে পারেন নি। কাউকে হয়রানির উদ্দেশ্যে তথ্য, প্রমাণহীন ভুয়া অভিযোগ সাজিয়ে ভিকটিম কার্ড প্লে করা ; গুরুতর অন্যায় বলে মনে করি। এই অপতৎপরতার বিরুদ্ধে আমি আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমি চাই এই অসাধু চক্রের দ্বারা আর কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য প্রচলিত আইনে মামলা করেছি।
এ সকল বিষয় বক্তব্য জানতে মামলার আসামি হুজাইফা রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৭
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪৬
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০৫
ছাত্রনেতা সুজয় শুভকে নিয়ে অপপ্রচার, মানহানির অভিযোগে মামলা
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা সুজয় বিশ্বাস শুভর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচার ও মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি সুজয় শুভ বাদী হয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে এ মামলা করেন।
এদিকে, সুজয় শুভর বিচারের দাবিতে সম্প্রতি বরিশাল নগরীতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৯ জনের মধ্যে অন্তত দুজন জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবগত না হয়েই তারা মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বাদীর সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশে তার সম্পর্কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করা হয়েছে। পাশাপাশি তার শরীর, সম্পত্তি ও সামাজিক সুনামের ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের নেতা মাহিদুল ইসলাম দাউদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সংগঠনের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
এরপর মাহিদুল ইসলাম দাউদ ক্ষুব্ধ হয়ে আলিসা মুনতাজ, হুজাইফা রহমানসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তুলে মামলার বাদী সুজয় বিশ্বাস শুভর মানহানি করার উদ্দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও অপমানজনক বক্তব্য প্রচার শুরু করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এর ধারাবাহিকতায় মামলার অন্যান্য আসামিরা ২০২৬ সালের ২ এপ্রিল নিজেদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সুজয় শুভকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন অবমাননাকর মন্তব্য ও বক্তব্য প্রকাশ করেন। পরে একই বছরের ১৬ এপ্রিল পুনরায় বাদীর নাম ও ছবি ব্যবহার করে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে সংঘবদ্ধভাবে অপপ্রচার চালানো হয়।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সুজয় শুভ ২১ এপ্রিল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, এরপরও অভিযুক্তরা অপপ্রচার বন্ধ না করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার, ভিডিওচিত্র তৈরি এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে থাকেন।
অভিযোগপত্রে আরও জানানো হয়, চলতি বছরের জুন মাসে বাদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচারের মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করা হয়েছে উল্লেখ করে আদালতের কাছে বিচার চেয়ে মামলাটি দায়ের করেন সুজয় শুভ।
এদিকে, সুজয় শুভর বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৯ জন ব্যক্তির একজন শামীম দাবি করেন, তাকে কার বিরুদ্ধে এবং কী অভিযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তা না জানিয়েই সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে শামীম বলেন, ‘ও... হ্যাঁ, না, আমি ওইখানে ছিলাম আরকি। আমার এক বড় ভাই আমাকে নিয়ে গেছে।’
সুজয় শুভর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি আসলে এই ব্যাপারে তেমন কোনো তথ্য জানি না। আপনি বরং যারা ফ্রন্টে ছিল, ওনাদেরকে জিজ্ঞেস করেন। মানে... আমাদের ওই সিরাজুল ভাইসহ যারা ছিল, ওনাদেরকে জিজ্ঞেস করেন।’
আপনি মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেছেন, কিন্তু কেন অংশ নিচ্ছেন তা জানেন না- এমন প্রশ্নের জবাবে শামীম বলেন, ‘না, আমি জানি যে আমি একটা প্রতিবাদী মিছিলে অংশগ্রহণ করছি আরকি, এইটুকু।’
অভিযোগ সত্য না মিথ্যা তা না জেনেই মানববন্ধনে দাঁড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘না, কারণ ছাড়া বলতে কী, আমাকে তো এমনিতে বলা হইছে যে চলো...।’
মানববন্ধনের অভিযোগকারীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না- এ অবস্থায় কীভাবে মানববন্ধনে অংশ নিলেন জানতে চাইলে শামীম বলেন, ‘যারা লিডিংয়ে ছিল, ওনারা হয়তো জানেন আরকি। এই ব্যাপারে আমার কাছে তেমন কোনো তথ্য নাই। আমার যেটা মনে হয় যে হয়তোবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ওনারে(সুজয় শুভকে) হয়তো হ্যারাস করার জন্য এটা করছে।"
এছাড়া মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সাধনা হালদার নামে এক নারীও একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সুজয় শুভর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে তিনি শুনেছেন, তাই তিনি মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।
সাধনা হালদার আরও বলেন, ‘আমি সুজয় শুভকে চিনতাম। বিভিন্ন আন্দোলন তাকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখেছি। গত কিছুদিন ধরে শুনতেছি- আমাদের সিনিয়র আপুরা তারা বলতেছে, তারা বিভিন্ন ধরণের যৌন নির্যাতনবা নিপীড়নের শিকার হইছে, ব্যাড টাচের শিকার হইছে, এই ধরণের ম্যানুপুলেশন বা ভিক্টিম ব্লেমিং এর শিকার হইছে। যখন শুনলাম একাধিক মানুষের কাছ থেকে তখন খুবই খারাপ লাগছে।’
মামলার বাদীপক্ষের দাবি, অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করেই সাধারণ মানুষকে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করানো হয়েছে এবং তাদের ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে একজন ছাত্রনেতার মানহানি করা হয়েছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন বাদী সুজয় শুভ।
সুজয় আরও বলেন, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিদ্বেষের জায়গা থেকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কিছুদিন ধরে আমার বিরদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তারা ফেইসবুকে নানা অসত্য, অসংলগ্ন ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুললেও কোনো অভিযোগের স্বপক্ষে ন্যূনতম প্রমাণ হাজির করতে পারেন নি। কাউকে হয়রানির উদ্দেশ্যে তথ্য, প্রমাণহীন ভুয়া অভিযোগ সাজিয়ে ভিকটিম কার্ড প্লে করা ; গুরুতর অন্যায় বলে মনে করি। এই অপতৎপরতার বিরুদ্ধে আমি আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমি চাই এই অসাধু চক্রের দ্বারা আর কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য প্রচলিত আইনে মামলা করেছি।
এ সকল বিষয় বক্তব্য জানতে মামলার আসামি হুজাইফা রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।