ছাত্রনেতা সুজয় শুভকে নিয়ে অপপ্রচার, মানহানির অভিযোগে মামলা
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা সুজয় বিশ্বাস শুভর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচার ও মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি সুজয় শুভ বাদী হয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে এ মামলা করেন।
এদিকে, সুজয় শুভর বিচারের দাবিতে সম্প্রতি বরিশাল নগরীতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৯ জনের মধ্যে অন্তত দুজন জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবগত না হয়েই তারা মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বাদীর সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশে তার সম্পর্কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করা হয়েছে। পাশাপাশি তার শরীর, সম্পত্তি ও সামাজিক সুনামের ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের নেতা মাহিদুল ইসলাম দাউদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সংগঠনের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
এরপর মাহিদুল ইসলাম দাউদ ক্ষুব্ধ হয়ে আলিসা মুনতাজ, হুজাইফা রহমানসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তুলে মামলার বাদী সুজয় বিশ্বাস শুভর মানহানি করার উদ্দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও অপমানজনক বক্তব্য প্রচার শুরু করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এর ধারাবাহিকতায় মামলার অন্যান্য আসামিরা ২০২৬ সালের ২ এপ্রিল নিজেদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সুজয় শুভকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন অবমাননাকর মন্তব্য ও বক্তব্য প্রকাশ করেন। পরে একই বছরের ১৬ এপ্রিল পুনরায় বাদীর নাম ও ছবি ব্যবহার করে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে সংঘবদ্ধভাবে অপপ্রচার চালানো হয়।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সুজয় শুভ ২১ এপ্রিল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, এরপরও অভিযুক্তরা অপপ্রচার বন্ধ না করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার, ভিডিওচিত্র তৈরি এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে থাকেন।
অভিযোগপত্রে আরও জানানো হয়, চলতি বছরের জুন মাসে বাদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচারের মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করা হয়েছে উল্লেখ করে আদালতের কাছে বিচার চেয়ে মামলাটি দায়ের করেন সুজয় শুভ।
এদিকে, সুজয় শুভর বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৯ জন ব্যক্তির একজন শামীম দাবি করেন, তাকে কার বিরুদ্ধে এবং কী অভিযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তা না জানিয়েই সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে শামীম বলেন, ‘ও... হ্যাঁ, না, আমি ওইখানে ছিলাম আরকি। আমার এক বড় ভাই আমাকে নিয়ে গেছে।’
সুজয় শুভর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি আসলে এই ব্যাপারে তেমন কোনো তথ্য জানি না। আপনি বরং যারা ফ্রন্টে ছিল, ওনাদেরকে জিজ্ঞেস করেন। মানে... আমাদের ওই সিরাজুল ভাইসহ যারা ছিল, ওনাদেরকে জিজ্ঞেস করেন।’
আপনি মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেছেন, কিন্তু কেন অংশ নিচ্ছেন তা জানেন না- এমন প্রশ্নের জবাবে শামীম বলেন, ‘না, আমি জানি যে আমি একটা প্রতিবাদী মিছিলে অংশগ্রহণ করছি আরকি, এইটুকু।’
অভিযোগ সত্য না মিথ্যা তা না জেনেই মানববন্ধনে দাঁড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘না, কারণ ছাড়া বলতে কী, আমাকে তো এমনিতে বলা হইছে যে চলো...।’
মানববন্ধনের অভিযোগকারীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না- এ অবস্থায় কীভাবে মানববন্ধনে অংশ নিলেন জানতে চাইলে শামীম বলেন, ‘যারা লিডিংয়ে ছিল, ওনারা হয়তো জানেন আরকি। এই ব্যাপারে আমার কাছে তেমন কোনো তথ্য নাই। আমার যেটা মনে হয় যে হয়তোবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ওনারে(সুজয় শুভকে) হয়তো হ্যারাস করার জন্য এটা করছে।"
এছাড়া মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সাধনা হালদার নামে এক নারীও একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সুজয় শুভর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে তিনি শুনেছেন, তাই তিনি মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।
সাধনা হালদার আরও বলেন, ‘আমি সুজয় শুভকে চিনতাম। বিভিন্ন আন্দোলন তাকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখেছি। গত কিছুদিন ধরে শুনতেছি- আমাদের সিনিয়র আপুরা তারা বলতেছে, তারা বিভিন্ন ধরণের যৌন নির্যাতনবা নিপীড়নের শিকার হইছে, ব্যাড টাচের শিকার হইছে, এই ধরণের ম্যানুপুলেশন বা ভিক্টিম ব্লেমিং এর শিকার হইছে। যখন শুনলাম একাধিক মানুষের কাছ থেকে তখন খুবই খারাপ লাগছে।’
মামলার বাদীপক্ষের দাবি, অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করেই সাধারণ মানুষকে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করানো হয়েছে এবং তাদের ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে একজন ছাত্রনেতার মানহানি করা হয়েছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন বাদী সুজয় শুভ।
সুজয় আরও বলেন, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিদ্বেষের জায়গা থেকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কিছুদিন ধরে আমার বিরদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তারা ফেইসবুকে নানা অসত্য, অসংলগ্ন ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুললেও কোনো অভিযোগের স্বপক্ষে ন্যূনতম প্রমাণ হাজির করতে পারেন নি। কাউকে হয়রানির উদ্দেশ্যে তথ্য, প্রমাণহীন ভুয়া অভিযোগ সাজিয়ে ভিকটিম কার্ড প্লে করা ; গুরুতর অন্যায় বলে মনে করি। এই অপতৎপরতার বিরুদ্ধে আমি আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমি চাই এই অসাধু চক্রের দ্বারা আর কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য প্রচলিত আইনে মামলা করেছি।
এ সকল বিষয় বক্তব্য জানতে মামলার আসামি হুজাইফা রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:১৫
অবশেষে বরিশালের বানারীপাড়ার বাইশারী সৈয়দ বজলুল হক কলেজের সাচিবিক বিদ্যা ও অফিস ব্যবস্থাপনা বিভাগের বহুল বিতর্কিত সহকারী অধ্যাপক খান মো. আল আমিনকে নানান অনিয়ম- দুর্নীতিসহ নৈতিকস্খলনের অভিযোগে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়েছে। কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ এনামুল হক জানান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিঠির আলোকে সহকারি অধ্যাপক খান মো. আল- আমিনকে ২৪ আগস্ট (সোমবার) চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। ওইদিন (২৪ আগস্ট) তিনি তার বরখাস্তের আদেশে স্বাক্ষর করেছেন বলেও জানান। এর আগে ২০ আগস্ট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের ( ভিসি) অনুমোদনক্রমে কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে সহকারি অধ্যাপক খান মোঃ আল- আমিনকে চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত অনুমোদন করা হয়। বাইশারী সৈয়দ বজলুল হক কলেজের বহুঅঘটন পটিয়সী সহকারী অধ্যাপক খান মোঃ আল- আমিনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের নিষিদ্ধ পর্ণো ভিডিও প্রদর্শন, কলেজ ও শিক্ষার্থীদের অর্থ তছরুপ,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শন টিমের স্বাক্ষর জালজালিয়াতি, কলেজের নারী সহকর্মীকে যৌন হয়রানিসহ নৈতিকস্খলনজনিত নানা অভিযোগের বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হয়। সেই অভিযোগের প্রক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালককে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্ত কমিটি সরেজমিন তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অধিকতর তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। সম্প্রতি বাইশারী সৈয়দ বজলুল হক কলেজ গভর্নিং বডি ওই দুটি তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে কলেজের বিতর্কিত সহকারী অধ্যাপক খান মোঃ আল- আমিনকে চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করার রেজুলেশন গ্রহণ করে তা অনুমোদনের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেরন করে। ফলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তার চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত অনুমোদন করে। এর আগে তাকে এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। এবার চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হলো।
এদিকে নৈতিকস্খলনজনিত কারনে সহকারী অধ্যাপক খান মো: আল- আমিনকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যূত করায় কলেজ গর্ভনিংবডি,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ স্থানীয়রা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
অবশেষে বরিশালের বানারীপাড়ার বাইশারী সৈয়দ বজলুল হক কলেজের সাচিবিক বিদ্যা ও অফিস ব্যবস্থাপনা বিভাগের বহুল বিতর্কিত সহকারী অধ্যাপক খান মো. আল আমিনকে নানান অনিয়ম- দুর্নীতিসহ নৈতিকস্খলনের অভিযোগে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়েছে। কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ এনামুল হক জানান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিঠির আলোকে সহকারি অধ্যাপক খান মো. আল- আমিনকে ২৪ আগস্ট (সোমবার) চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। ওইদিন (২৪ আগস্ট) তিনি তার বরখাস্তের আদেশে স্বাক্ষর করেছেন বলেও জানান। এর আগে ২০ আগস্ট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের ( ভিসি) অনুমোদনক্রমে কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে সহকারি অধ্যাপক খান মোঃ আল- আমিনকে চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত অনুমোদন করা হয়। বাইশারী সৈয়দ বজলুল হক কলেজের বহুঅঘটন পটিয়সী সহকারী অধ্যাপক খান মোঃ আল- আমিনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের নিষিদ্ধ পর্ণো ভিডিও প্রদর্শন, কলেজ ও শিক্ষার্থীদের অর্থ তছরুপ,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শন টিমের স্বাক্ষর জালজালিয়াতি, কলেজের নারী সহকর্মীকে যৌন হয়রানিসহ নৈতিকস্খলনজনিত নানা অভিযোগের বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হয়। সেই অভিযোগের প্রক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালককে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্ত কমিটি সরেজমিন তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অধিকতর তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। সম্প্রতি বাইশারী সৈয়দ বজলুল হক কলেজ গভর্নিং বডি ওই দুটি তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে কলেজের বিতর্কিত সহকারী অধ্যাপক খান মোঃ আল- আমিনকে চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করার রেজুলেশন গ্রহণ করে তা অনুমোদনের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেরন করে। ফলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তার চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত অনুমোদন করে। এর আগে তাকে এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। এবার চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হলো।
এদিকে নৈতিকস্খলনজনিত কারনে সহকারী অধ্যাপক খান মো: আল- আমিনকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যূত করায় কলেজ গর্ভনিংবডি,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ স্থানীয়রা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৩১
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার কৃতি ছাত্রীদের সংবর্ধনা দিচ্ছে আফসানা আরিফ ফাউন্ডেশন উইমেন্স কলেজ। আগামীকাল ২৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে কৃতি ছাত্রীদের ওই রাজসিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাবুগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান হাওলাদার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান সন্ন্যামত ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবায়েদা আকতার।
আফসানা আরিফ ফাউন্ডেশন উইমেন্স কলেজের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আফসানা জাহান মিমের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ও মোটিভেশনাল স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখবেন গুয়াংদং হংহুয়া নিউ মেটেরিয়ালস কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লিসা ইয়াং। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কৃতি ছাত্রীরা ছাড়াও বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
আফসানা আরিফ ফাউন্ডেশন উইমেন্স কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, 'বাবুগঞ্জে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য মাধ্যমিক পর্যায়ে বিভিন্ন জায়গায় বালিকা বিদ্যালয় থাকলেও তাদের উচ্চশিক্ষার জন্য এই উপজেলায় কোনো স্বতন্ত্র মহিলা কলেজ ছিল না। ফলে তাদের অনেক শ্রম, অর্থ এবং সময় ব্যয় করে বরিশালে গিয়ে উইমেন্স কলেজে লেখাপড়া করতে হতো। তাদের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে এই অঞ্চলে নারী শিক্ষার প্রসার ও উন্নয়নের লক্ষ্যে আফসানা আরিফ ফাউন্ডেশন উইমেন্স কলেজের কার্যক্রম শুরু করেছি। আমাদের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলেই জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রীদের ১০ হাজার টাকার স্কলারশিপ দেওয়া হবে। এছাড়াও মেধাবী ছাত্রীদের জন্য শিক্ষাবর্ষ জুড়ে থাকবে বিভিন্ন অফার এবং প্রণোদনা। আমরা একটি নিরাপদ ও উন্নত পরিবেশে নারী শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে চাই। #
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার কৃতি ছাত্রীদের সংবর্ধনা দিচ্ছে আফসানা আরিফ ফাউন্ডেশন উইমেন্স কলেজ। আগামীকাল ২৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে কৃতি ছাত্রীদের ওই রাজসিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাবুগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান হাওলাদার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান সন্ন্যামত ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবায়েদা আকতার।
আফসানা আরিফ ফাউন্ডেশন উইমেন্স কলেজের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আফসানা জাহান মিমের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ও মোটিভেশনাল স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখবেন গুয়াংদং হংহুয়া নিউ মেটেরিয়ালস কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লিসা ইয়াং। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কৃতি ছাত্রীরা ছাড়াও বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
আফসানা আরিফ ফাউন্ডেশন উইমেন্স কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, 'বাবুগঞ্জে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য মাধ্যমিক পর্যায়ে বিভিন্ন জায়গায় বালিকা বিদ্যালয় থাকলেও তাদের উচ্চশিক্ষার জন্য এই উপজেলায় কোনো স্বতন্ত্র মহিলা কলেজ ছিল না। ফলে তাদের অনেক শ্রম, অর্থ এবং সময় ব্যয় করে বরিশালে গিয়ে উইমেন্স কলেজে লেখাপড়া করতে হতো। তাদের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে এই অঞ্চলে নারী শিক্ষার প্রসার ও উন্নয়নের লক্ষ্যে আফসানা আরিফ ফাউন্ডেশন উইমেন্স কলেজের কার্যক্রম শুরু করেছি। আমাদের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলেই জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রীদের ১০ হাজার টাকার স্কলারশিপ দেওয়া হবে। এছাড়াও মেধাবী ছাত্রীদের জন্য শিক্ষাবর্ষ জুড়ে থাকবে বিভিন্ন অফার এবং প্রণোদনা। আমরা একটি নিরাপদ ও উন্নত পরিবেশে নারী শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে চাই। #

২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:৫৯
বরিশালে বাস এবং থ্রি-হুইলার চালকদের দ্বন্দ্বের জেরে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ফের বন্ধ হয়েছে বাস চলাচল। থ্রি-হুইলার চালকরা এবার মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে নেমেছেন। মঙ্গলবার সকাল থেকে বরিশালের সঙ্গে বিভিন্ন উপজেলায় ও অভ্যন্তরীণ রুটের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। সকাল ৯টা থেকে বাবুগঞ্জের বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের রহমতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আন্দোলনে নামেন থ্রি-হুইলার চালকরা। অভ্যন্তরীণ রুটের বাস ঘুরিয়ে দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরাও।
আন্দোলনকারী আব্দুল্লাহ মামুন এবং নুর আলমের অভিযোগ, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে থ্রি-হুইলার থামিয়ে যাত্রী ওঠানোর চেষ্টা করলে প্রায়ই বাধা দেওয়া হয় থ্রি-হুইলার চালকদের। বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মী তাদের গাড়িতে লাঠি দিয়ে আঘাতও করেন।
যাত্রী পরিবহন নিয়ে থ্রি-হুইলার চালকদের সঙ্গে বাস মালিক ও শ্রমিকদের বিরোধ দীর্ঘদিনের। স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে হুঁশিয়ার করেন আন্দোলনকারীরা।
গতকাল সোমবার মহাসড়কে থ্রি-হুইলার বন্ধের দাবিতে বাস মালিক ও শ্রমিকরা আন্দোলন করেন। মহাসড়ক আটকে চলা আন্দোলনে দুপুর থেকে বরিশালের সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।
বরিশাল বাস মালিক সমিতির সভাপতি মোশারফ হোসেন জানিয়েছেন, তারা সরকারকে নিয়মিত রাজস্ব দিয়ে বাস পরিচালনা করছেন। কিন্তু মহাসড়কে অবৈধ যানবাহন ও থ্রি-হুইলার চলাচলের কারণে তৈরি হচ্ছে যাত্রী সংকট। বাড়ছে দুর্ঘটনাও।
তিনি জানান, থ্রি-হুইলার মালিক সমিতি ও শ্রমিকদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে তাদের চলাচলের বিষয়ে লিখিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চালকরা সেই সিদ্ধান্ত মানছেন না। অনেক সময় তারা বাসের কাউন্টার এলাকায় অবস্থান করে যাত্রী নিয়ে বিভিন্ন উপজেলায় চলে যাচ্ছেন। নিষেধ করা হলেও কাউন্টার কর্মীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করছেন।
এর আগে বরিশাল থেকে বানারীপাড়া রুটের শিমুলতলা এলাকায় থ্রি-হুইলার চালকদের সঙ্গে বিরোধের জেরে কয়েকটি বাস ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদ এবং মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধের দাবিতে বাস মালিক ও শ্রমিকরা আন্দোলনে নামেন।
আজ পাল্টা আন্দোলনে নামলেন থ্রি-হুইলার চালকরা। এতে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কসহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ রুটে পরিবহন সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছে পুলিশ। এয়ারপোর্ট থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করার চেষ্টা চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন তিনি।
পাল্টাপাল্টি আন্দোলনে সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। দ্রুত বিরোধের সমাধান করে সড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত করার দাবি রাখা হয়েছে।’
বরিশালে বাস এবং থ্রি-হুইলার চালকদের দ্বন্দ্বের জেরে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ফের বন্ধ হয়েছে বাস চলাচল। থ্রি-হুইলার চালকরা এবার মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে নেমেছেন। মঙ্গলবার সকাল থেকে বরিশালের সঙ্গে বিভিন্ন উপজেলায় ও অভ্যন্তরীণ রুটের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। সকাল ৯টা থেকে বাবুগঞ্জের বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের রহমতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আন্দোলনে নামেন থ্রি-হুইলার চালকরা। অভ্যন্তরীণ রুটের বাস ঘুরিয়ে দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরাও।
আন্দোলনকারী আব্দুল্লাহ মামুন এবং নুর আলমের অভিযোগ, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে থ্রি-হুইলার থামিয়ে যাত্রী ওঠানোর চেষ্টা করলে প্রায়ই বাধা দেওয়া হয় থ্রি-হুইলার চালকদের। বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মী তাদের গাড়িতে লাঠি দিয়ে আঘাতও করেন।
যাত্রী পরিবহন নিয়ে থ্রি-হুইলার চালকদের সঙ্গে বাস মালিক ও শ্রমিকদের বিরোধ দীর্ঘদিনের। স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে হুঁশিয়ার করেন আন্দোলনকারীরা।
গতকাল সোমবার মহাসড়কে থ্রি-হুইলার বন্ধের দাবিতে বাস মালিক ও শ্রমিকরা আন্দোলন করেন। মহাসড়ক আটকে চলা আন্দোলনে দুপুর থেকে বরিশালের সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।
বরিশাল বাস মালিক সমিতির সভাপতি মোশারফ হোসেন জানিয়েছেন, তারা সরকারকে নিয়মিত রাজস্ব দিয়ে বাস পরিচালনা করছেন। কিন্তু মহাসড়কে অবৈধ যানবাহন ও থ্রি-হুইলার চলাচলের কারণে তৈরি হচ্ছে যাত্রী সংকট। বাড়ছে দুর্ঘটনাও।
তিনি জানান, থ্রি-হুইলার মালিক সমিতি ও শ্রমিকদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে তাদের চলাচলের বিষয়ে লিখিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চালকরা সেই সিদ্ধান্ত মানছেন না। অনেক সময় তারা বাসের কাউন্টার এলাকায় অবস্থান করে যাত্রী নিয়ে বিভিন্ন উপজেলায় চলে যাচ্ছেন। নিষেধ করা হলেও কাউন্টার কর্মীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করছেন।
এর আগে বরিশাল থেকে বানারীপাড়া রুটের শিমুলতলা এলাকায় থ্রি-হুইলার চালকদের সঙ্গে বিরোধের জেরে কয়েকটি বাস ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদ এবং মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধের দাবিতে বাস মালিক ও শ্রমিকরা আন্দোলনে নামেন।
আজ পাল্টা আন্দোলনে নামলেন থ্রি-হুইলার চালকরা। এতে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কসহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ রুটে পরিবহন সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছে পুলিশ। এয়ারপোর্ট থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করার চেষ্টা চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন তিনি।
পাল্টাপাল্টি আন্দোলনে সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। দ্রুত বিরোধের সমাধান করে সড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত করার দাবি রাখা হয়েছে।’

০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০৫
ছাত্রনেতা সুজয় শুভকে নিয়ে অপপ্রচার, মানহানির অভিযোগে মামলা
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা সুজয় বিশ্বাস শুভর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচার ও মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি সুজয় শুভ বাদী হয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে এ মামলা করেন।
এদিকে, সুজয় শুভর বিচারের দাবিতে সম্প্রতি বরিশাল নগরীতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৯ জনের মধ্যে অন্তত দুজন জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবগত না হয়েই তারা মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বাদীর সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশে তার সম্পর্কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করা হয়েছে। পাশাপাশি তার শরীর, সম্পত্তি ও সামাজিক সুনামের ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের নেতা মাহিদুল ইসলাম দাউদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সংগঠনের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
এরপর মাহিদুল ইসলাম দাউদ ক্ষুব্ধ হয়ে আলিসা মুনতাজ, হুজাইফা রহমানসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তুলে মামলার বাদী সুজয় বিশ্বাস শুভর মানহানি করার উদ্দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও অপমানজনক বক্তব্য প্রচার শুরু করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এর ধারাবাহিকতায় মামলার অন্যান্য আসামিরা ২০২৬ সালের ২ এপ্রিল নিজেদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সুজয় শুভকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন অবমাননাকর মন্তব্য ও বক্তব্য প্রকাশ করেন। পরে একই বছরের ১৬ এপ্রিল পুনরায় বাদীর নাম ও ছবি ব্যবহার করে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে সংঘবদ্ধভাবে অপপ্রচার চালানো হয়।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সুজয় শুভ ২১ এপ্রিল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, এরপরও অভিযুক্তরা অপপ্রচার বন্ধ না করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার, ভিডিওচিত্র তৈরি এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে থাকেন।
অভিযোগপত্রে আরও জানানো হয়, চলতি বছরের জুন মাসে বাদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচারের মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করা হয়েছে উল্লেখ করে আদালতের কাছে বিচার চেয়ে মামলাটি দায়ের করেন সুজয় শুভ।
এদিকে, সুজয় শুভর বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৯ জন ব্যক্তির একজন শামীম দাবি করেন, তাকে কার বিরুদ্ধে এবং কী অভিযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তা না জানিয়েই সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে শামীম বলেন, ‘ও... হ্যাঁ, না, আমি ওইখানে ছিলাম আরকি। আমার এক বড় ভাই আমাকে নিয়ে গেছে।’
সুজয় শুভর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি আসলে এই ব্যাপারে তেমন কোনো তথ্য জানি না। আপনি বরং যারা ফ্রন্টে ছিল, ওনাদেরকে জিজ্ঞেস করেন। মানে... আমাদের ওই সিরাজুল ভাইসহ যারা ছিল, ওনাদেরকে জিজ্ঞেস করেন।’
আপনি মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেছেন, কিন্তু কেন অংশ নিচ্ছেন তা জানেন না- এমন প্রশ্নের জবাবে শামীম বলেন, ‘না, আমি জানি যে আমি একটা প্রতিবাদী মিছিলে অংশগ্রহণ করছি আরকি, এইটুকু।’
অভিযোগ সত্য না মিথ্যা তা না জেনেই মানববন্ধনে দাঁড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘না, কারণ ছাড়া বলতে কী, আমাকে তো এমনিতে বলা হইছে যে চলো...।’
মানববন্ধনের অভিযোগকারীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না- এ অবস্থায় কীভাবে মানববন্ধনে অংশ নিলেন জানতে চাইলে শামীম বলেন, ‘যারা লিডিংয়ে ছিল, ওনারা হয়তো জানেন আরকি। এই ব্যাপারে আমার কাছে তেমন কোনো তথ্য নাই। আমার যেটা মনে হয় যে হয়তোবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ওনারে(সুজয় শুভকে) হয়তো হ্যারাস করার জন্য এটা করছে।"
এছাড়া মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সাধনা হালদার নামে এক নারীও একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সুজয় শুভর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে তিনি শুনেছেন, তাই তিনি মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।
সাধনা হালদার আরও বলেন, ‘আমি সুজয় শুভকে চিনতাম। বিভিন্ন আন্দোলন তাকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখেছি। গত কিছুদিন ধরে শুনতেছি- আমাদের সিনিয়র আপুরা তারা বলতেছে, তারা বিভিন্ন ধরণের যৌন নির্যাতনবা নিপীড়নের শিকার হইছে, ব্যাড টাচের শিকার হইছে, এই ধরণের ম্যানুপুলেশন বা ভিক্টিম ব্লেমিং এর শিকার হইছে। যখন শুনলাম একাধিক মানুষের কাছ থেকে তখন খুবই খারাপ লাগছে।’
মামলার বাদীপক্ষের দাবি, অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করেই সাধারণ মানুষকে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করানো হয়েছে এবং তাদের ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে একজন ছাত্রনেতার মানহানি করা হয়েছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন বাদী সুজয় শুভ।
সুজয় আরও বলেন, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিদ্বেষের জায়গা থেকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কিছুদিন ধরে আমার বিরদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তারা ফেইসবুকে নানা অসত্য, অসংলগ্ন ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুললেও কোনো অভিযোগের স্বপক্ষে ন্যূনতম প্রমাণ হাজির করতে পারেন নি। কাউকে হয়রানির উদ্দেশ্যে তথ্য, প্রমাণহীন ভুয়া অভিযোগ সাজিয়ে ভিকটিম কার্ড প্লে করা ; গুরুতর অন্যায় বলে মনে করি। এই অপতৎপরতার বিরুদ্ধে আমি আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমি চাই এই অসাধু চক্রের দ্বারা আর কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য প্রচলিত আইনে মামলা করেছি।
এ সকল বিষয় বক্তব্য জানতে মামলার আসামি হুজাইফা রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ০২:০৯
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ২০:১৪
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৫৬
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৫৭