বয়স মাত্র ৯ বছর। অথচ এই বয়সেই ফুটবল প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে ইংল্যান্ডের ক্লাব ফুটবলে অনূর্ধ্ব-৯ দলে খেলার সুযোগ পেয়েছে বরিশালের গৌরনদীর সন্তান জায়েদ ইসলাম সাবিদ। প্রবাসের মাটিতে ফুটবলের আঙিনায় তার এই সাফল্যে আশাবাদী পরিবার। তাদের স্বপ্ন, একদিন আন্তর্জাতিক ফুটবলের মঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে ছোট্ট সাবিদ।
জায়েদ ইসলাম সাবিদ ইংল্যান্ডপ্রবাসী রফিকুল ইসলাম সুমনের ছেলে। তাঁদের পৈতৃক বাড়ি বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আশোকাঠী মহল্লায়। শিকড় বাংলাদেশের গৌরনদীতে হলেও সাবিদের ফুটবল-যাত্রা এগিয়ে চলছে ইংল্যান্ডের মাঠে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতে মুঠোফোনে ছেলের সাফল্যের খবর নিশ্চিত করেন বাবা রফিকুল ইসলাম সুমন। তিনি জানান, লেখাপড়ার পাশাপাশি ফুটবলের প্রতি সাবিদের রয়েছে গভীর ভালোবাসা। সেই আগ্রহ ও প্রতিভার জোরেই ইংল্যান্ডের একটি ক্লাবের অনূর্ধ্ব-৯ দলে খেলার সুযোগ পেয়েছে সে।
রফিকুল ইসলাম সুমনের প্রত্যাশা, ছোট্ট বয়সে পাওয়া এই সুযোগ একদিন সাবিদকে আরও বড় সাফল্যের পথে এগিয়ে নেবে। প্রতিভা, পরিশ্রম ও নিয়মিত অনুশীলনের মধ্য দিয়ে সে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে।
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, সাবিদ একদিন তারকা ফুটবলার হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে। সে যেন অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারে, এ জন্য বাংলাদেশের মানুষের কাছে দোয়া চাই।’
মাত্র ৯ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের ক্লাব ফুটবলে সুযোগ পাওয়া সাবিদের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ, নিজেকে আরও দক্ষ করে তোলা এবং ফুটবলে নিজের অবস্থান শক্ত করা। পরিবারের স্বপ্ন, একদিন এই খুদে ফুটবল প্রতিভার সাফল্যে গর্বিত হবে গৌরনদী, গর্বিত হবে বাংলাদেশ।

১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০১
সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুরের ভরাট করা অংশ থেকে বালু সরিয়ে জলাশয়টি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কলেজ অধ্যক্ষকে সাত কর্মদিবসের সময় বেঁধে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংস্থাটি। রোববার (১৮ অক্টোবর) পরিবেশ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয় থেকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জমির মালিকানা-সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।
নগরীর উত্তর মল্লিক রোডে অবস্থিত কলেজটির পুকুরে রাতের আঁধারে ট্রাকে করে বালু ফেলে ভরাট করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করে পরিবেশ অধিদপ্তর। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দীনের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বালু অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
কলেজ কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, শিক্ষার্থীদের আবাসনসংকট নিরসনে ওই জমিতে ১০ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। এ জন্য মাটির পরীক্ষা বা সয়েল টেস্টও করা হয়। সেই কাজের অংশ হিসেবে ডোবার একাংশে বালু ফেলা শুরু হয়েছিল। পরিবেশ অধিদপ্তর আপত্তি জানানোর পর কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন বলেন, সরকারি বরিশাল কলেজে আবাসিক ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমছে। এ পরিস্থিতিতে কলেজের প্রবেশমুখে মসজিদসংলগ্ন এক একর জমির অর্ধেক অংশে ছাত্রাবাস নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
তিনি দাবি করেন, ডোবার অর্ধেক আগেই ভরাট করা হয়েছে। বাকি অংশে ক্লিনিকের বর্জ্য ও আশপাশের বাসিন্দাদের ফেলা ময়লায় মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। ডোবাটি ভরাট করে টিন-কাঠের আবাসন নির্মাণ করা হলে অন্তত ২৫ শিক্ষার্থীর থাকার ব্যবস্থা করা যেত।
পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, জলাধার হিসেবে চিহ্নিত জমির শ্রেণি পরিবর্তন বা ভরাটের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি হলেও নির্ধারিত জলাশয় ইচ্ছামতো ভরাটের সুযোগ নেই। বিশেষ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বরিশাল বিভাগের সমন্বয়কারী লিংকন বায়েন বলেন, বরিশালে জলাশয় রক্ষায় আদালতেও মামলা হয়েছে। সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুর ভরাটের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সদস্য কবি হেনরী স্বপন বলেন, এর আগেও একাধিকবার সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুর ভরাটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। নাগরিকদের আন্দোলনের কারণে সেসব উদ্যোগ সফল হয়নি।
এদিকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, নিয়ম না মেনেই কলেজ কর্তৃপক্ষ পুকুরে বালু ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেছিল। খবর পেয়ে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন।
এখন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে ভরাট করা বালু সরিয়ে পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কথা রয়েছে।'
সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুরের ভরাট করা অংশ থেকে বালু সরিয়ে জলাশয়টি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কলেজ অধ্যক্ষকে সাত কর্মদিবসের সময় বেঁধে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংস্থাটি। রোববার (১৮ অক্টোবর) পরিবেশ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয় থেকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জমির মালিকানা-সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।
নগরীর উত্তর মল্লিক রোডে অবস্থিত কলেজটির পুকুরে রাতের আঁধারে ট্রাকে করে বালু ফেলে ভরাট করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করে পরিবেশ অধিদপ্তর। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দীনের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বালু অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
কলেজ কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, শিক্ষার্থীদের আবাসনসংকট নিরসনে ওই জমিতে ১০ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। এ জন্য মাটির পরীক্ষা বা সয়েল টেস্টও করা হয়। সেই কাজের অংশ হিসেবে ডোবার একাংশে বালু ফেলা শুরু হয়েছিল। পরিবেশ অধিদপ্তর আপত্তি জানানোর পর কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন বলেন, সরকারি বরিশাল কলেজে আবাসিক ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমছে। এ পরিস্থিতিতে কলেজের প্রবেশমুখে মসজিদসংলগ্ন এক একর জমির অর্ধেক অংশে ছাত্রাবাস নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
তিনি দাবি করেন, ডোবার অর্ধেক আগেই ভরাট করা হয়েছে। বাকি অংশে ক্লিনিকের বর্জ্য ও আশপাশের বাসিন্দাদের ফেলা ময়লায় মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। ডোবাটি ভরাট করে টিন-কাঠের আবাসন নির্মাণ করা হলে অন্তত ২৫ শিক্ষার্থীর থাকার ব্যবস্থা করা যেত।
পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, জলাধার হিসেবে চিহ্নিত জমির শ্রেণি পরিবর্তন বা ভরাটের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি হলেও নির্ধারিত জলাশয় ইচ্ছামতো ভরাটের সুযোগ নেই। বিশেষ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বরিশাল বিভাগের সমন্বয়কারী লিংকন বায়েন বলেন, বরিশালে জলাশয় রক্ষায় আদালতেও মামলা হয়েছে। সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুর ভরাটের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সদস্য কবি হেনরী স্বপন বলেন, এর আগেও একাধিকবার সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুর ভরাটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। নাগরিকদের আন্দোলনের কারণে সেসব উদ্যোগ সফল হয়নি।
এদিকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, নিয়ম না মেনেই কলেজ কর্তৃপক্ষ পুকুরে বালু ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেছিল। খবর পেয়ে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন।
এখন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে ভরাট করা বালু সরিয়ে পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কথা রয়েছে।'

১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৫৩
বরিশাল নগরীতে অভিযান চালিয়ে ২০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে নগরীর বিএম কলেজ রোডের তালভিটা লেন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. নয়ন (২৫) এবং তাঁর স্ত্রী মুক্তা আক্তার (২৯)। তাঁরা নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তালভিটা লেনের কাশেম মহলের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বরিশালের বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ খোরশিদ আলমের পাঠানো তথ্যে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সকালে বিএম কলেজসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় সন্দেহভাজন ওই দুজনকে তল্লাশি করে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি ইনফিনিক্স স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে।'
বরিশাল নগরীতে অভিযান চালিয়ে ২০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে নগরীর বিএম কলেজ রোডের তালভিটা লেন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. নয়ন (২৫) এবং তাঁর স্ত্রী মুক্তা আক্তার (২৯)। তাঁরা নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তালভিটা লেনের কাশেম মহলের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বরিশালের বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ খোরশিদ আলমের পাঠানো তথ্যে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সকালে বিএম কলেজসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় সন্দেহভাজন ওই দুজনকে তল্লাশি করে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি ইনফিনিক্স স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে।'

১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:২৪
বরিশালের বাবুগঞ্জে ল্যাপটপ ও বিশেষ ডিভাইস দিয়ে রোগ নির্ণয়ের নামে প্রায় ১৫ বছর ধরে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে আলীমুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ব্যবস্থাপত্রে ‘ডা.’ লিখে চিকিৎসক পরিচয়ে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে তাঁর চিকিৎসাগত যোগ্যতার কাগজপত্র ভুয়া বলে শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
রোববার (১৯ অক্টোবর) রাতে বাবুগঞ্জ উপজেলার কলেজ গেট এলাকার এনএমএস ফার্মেসিতে এ অভিযান চালানো হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা উল হুসনার নেতৃত্বে অভিযানে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা অংশ নেন। পরে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার শর্তে তাঁর কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।
আলীমুল ইসলাম বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বাহেরঘাট এলাকার আব্দুল আলী হাওলাদারের ছেলে।
রোগীদের অভিযোগ, শারীরিক নানা সমস্যার চিকিৎসা নিতে গিয়ে তাঁরা আলীমুল ইসলামের সন্ধান পান। এক ব্যক্তির মাধ্যমে তাঁর খোঁজ পেয়ে বাবুগঞ্জের কলেজ গেট এলাকার ফার্মেসিতে যান তাঁরা। সেখানে ল্যাপটপ ও বিশেষ ডিভাইস ব্যবহার করে রোগ নির্ণয়ের কথা বলতেন তিনি।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, ডিভাইসে হাত রেখে রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতিতে তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হতো। কিন্তু চিকিৎসা নেওয়ার পরও অনেকে উপকার পাননি বলে অভিযোগ করেন। পরে তাঁর চিকিৎসক পরিচয় ও শিক্ষাগত যোগ্যতার কাগজপত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। একপর্যায়ে কাগজপত্র ভুয়া বলে জানতে পারেন বলে দাবি করেন তাঁরা।
অভিযোগ রয়েছে, রোগ নির্ণয়ের পর ওই ফার্মেসি থেকেই ওষুধ কিনতে হতো রোগীদের। এভাবে চিকিৎসার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হতো।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আলীমুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল সদর, উজিরপুর ও বাবুগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় রোগী দেখতেন। বাবুগঞ্জের মাধবপাশা বাজার ও ডিগ্রি কলেজ গেট এলাকাতেও নিয়মিত রোগী দেখার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
ব্যবস্থাপত্রে নিজের নামের আগে ‘ডা.’ লিখে চিকিৎসক পরিচয় দিতেন তিনি। সেখানে এমবিইএইচ (ভারত), ডিএমএফ (ঢাকা) এবং কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে প্রশিক্ষণ নেওয়ার তথ্য উল্লেখ ছিল। মেডিসিন, চর্ম, যৌন ও অ্যালার্জি রোগের চিকিৎসায় অভিজ্ঞ বলেও দাবি করতেন তিনি।
তবে অভিযানের সময় তাঁর দেখানো কাগজপত্র যাচাই করে সেগুলো ভুয়া বলে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
অভিযানে থাকা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার তূর্য অধিকারী বলেন, খবর পেয়ে তাঁরা ইউএনওর সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে আলীমুল ইসলামের কাগজপত্র যাচাই করেন। তাঁর দেখানো কাগজপত্র ভুয়া বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। চিকিৎসার নামে তিনি মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন।
ইউএনও আসমা উল হুসনা বলেন, চিকিৎসক না হয়েও চিকিৎসক পরিচয়ে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে অভিযান চালানো হয়। আলীমুল ইসলাম ব্যবস্থাপত্রে নিজের নামের আগে চিকিৎসক পরিচয় ব্যবহার করলেও বৈধ যোগ্যতার কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
তিনি আরও বলেন, আলীমুল ইসলাম প্রায় ১৫ বছর ধরে এভাবে প্রতারণা করে আসছেন বলে স্বীকার করেছেন। তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে চিকিৎসাসংক্রান্ত কোনো কার্যক্রমে জড়িত না হওয়ার শর্তে তাঁকে কারাদণ্ড থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
আলীমুল ইসলামের বিরুদ্ধে বরিশালসহ বিভিন্ন এলাকার বহু মানুষের কাছ থেকে চিকিৎসার নামে বিপুল অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ কাজে বিভিন্ন ফার্মেসির মালিকেরা সহযোগিতা করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত বা অন্য কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বরিশালের বাবুগঞ্জে ল্যাপটপ ও বিশেষ ডিভাইস দিয়ে রোগ নির্ণয়ের নামে প্রায় ১৫ বছর ধরে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে আলীমুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ব্যবস্থাপত্রে ‘ডা.’ লিখে চিকিৎসক পরিচয়ে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে তাঁর চিকিৎসাগত যোগ্যতার কাগজপত্র ভুয়া বলে শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
রোববার (১৯ অক্টোবর) রাতে বাবুগঞ্জ উপজেলার কলেজ গেট এলাকার এনএমএস ফার্মেসিতে এ অভিযান চালানো হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা উল হুসনার নেতৃত্বে অভিযানে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা অংশ নেন। পরে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার শর্তে তাঁর কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।
আলীমুল ইসলাম বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বাহেরঘাট এলাকার আব্দুল আলী হাওলাদারের ছেলে।
রোগীদের অভিযোগ, শারীরিক নানা সমস্যার চিকিৎসা নিতে গিয়ে তাঁরা আলীমুল ইসলামের সন্ধান পান। এক ব্যক্তির মাধ্যমে তাঁর খোঁজ পেয়ে বাবুগঞ্জের কলেজ গেট এলাকার ফার্মেসিতে যান তাঁরা। সেখানে ল্যাপটপ ও বিশেষ ডিভাইস ব্যবহার করে রোগ নির্ণয়ের কথা বলতেন তিনি।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, ডিভাইসে হাত রেখে রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতিতে তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হতো। কিন্তু চিকিৎসা নেওয়ার পরও অনেকে উপকার পাননি বলে অভিযোগ করেন। পরে তাঁর চিকিৎসক পরিচয় ও শিক্ষাগত যোগ্যতার কাগজপত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। একপর্যায়ে কাগজপত্র ভুয়া বলে জানতে পারেন বলে দাবি করেন তাঁরা।
অভিযোগ রয়েছে, রোগ নির্ণয়ের পর ওই ফার্মেসি থেকেই ওষুধ কিনতে হতো রোগীদের। এভাবে চিকিৎসার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হতো।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আলীমুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল সদর, উজিরপুর ও বাবুগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় রোগী দেখতেন। বাবুগঞ্জের মাধবপাশা বাজার ও ডিগ্রি কলেজ গেট এলাকাতেও নিয়মিত রোগী দেখার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
ব্যবস্থাপত্রে নিজের নামের আগে ‘ডা.’ লিখে চিকিৎসক পরিচয় দিতেন তিনি। সেখানে এমবিইএইচ (ভারত), ডিএমএফ (ঢাকা) এবং কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে প্রশিক্ষণ নেওয়ার তথ্য উল্লেখ ছিল। মেডিসিন, চর্ম, যৌন ও অ্যালার্জি রোগের চিকিৎসায় অভিজ্ঞ বলেও দাবি করতেন তিনি।
তবে অভিযানের সময় তাঁর দেখানো কাগজপত্র যাচাই করে সেগুলো ভুয়া বলে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
অভিযানে থাকা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার তূর্য অধিকারী বলেন, খবর পেয়ে তাঁরা ইউএনওর সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে আলীমুল ইসলামের কাগজপত্র যাচাই করেন। তাঁর দেখানো কাগজপত্র ভুয়া বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। চিকিৎসার নামে তিনি মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন।
ইউএনও আসমা উল হুসনা বলেন, চিকিৎসক না হয়েও চিকিৎসক পরিচয়ে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে অভিযান চালানো হয়। আলীমুল ইসলাম ব্যবস্থাপত্রে নিজের নামের আগে চিকিৎসক পরিচয় ব্যবহার করলেও বৈধ যোগ্যতার কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
তিনি আরও বলেন, আলীমুল ইসলাম প্রায় ১৫ বছর ধরে এভাবে প্রতারণা করে আসছেন বলে স্বীকার করেছেন। তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে চিকিৎসাসংক্রান্ত কোনো কার্যক্রমে জড়িত না হওয়ার শর্তে তাঁকে কারাদণ্ড থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
আলীমুল ইসলামের বিরুদ্ধে বরিশালসহ বিভিন্ন এলাকার বহু মানুষের কাছ থেকে চিকিৎসার নামে বিপুল অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ কাজে বিভিন্ন ফার্মেসির মালিকেরা সহযোগিতা করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত বা অন্য কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৫১
বয়স মাত্র ৯ বছর। অথচ এই বয়সেই ফুটবল প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে ইংল্যান্ডের ক্লাব ফুটবলে অনূর্ধ্ব-৯ দলে খেলার সুযোগ পেয়েছে বরিশালের গৌরনদীর সন্তান জায়েদ ইসলাম সাবিদ। প্রবাসের মাটিতে ফুটবলের আঙিনায় তার এই সাফল্যে আশাবাদী পরিবার। তাদের স্বপ্ন, একদিন আন্তর্জাতিক ফুটবলের মঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে ছোট্ট সাবিদ।
জায়েদ ইসলাম সাবিদ ইংল্যান্ডপ্রবাসী রফিকুল ইসলাম সুমনের ছেলে। তাঁদের পৈতৃক বাড়ি বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আশোকাঠী মহল্লায়। শিকড় বাংলাদেশের গৌরনদীতে হলেও সাবিদের ফুটবল-যাত্রা এগিয়ে চলছে ইংল্যান্ডের মাঠে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতে মুঠোফোনে ছেলের সাফল্যের খবর নিশ্চিত করেন বাবা রফিকুল ইসলাম সুমন। তিনি জানান, লেখাপড়ার পাশাপাশি ফুটবলের প্রতি সাবিদের রয়েছে গভীর ভালোবাসা। সেই আগ্রহ ও প্রতিভার জোরেই ইংল্যান্ডের একটি ক্লাবের অনূর্ধ্ব-৯ দলে খেলার সুযোগ পেয়েছে সে।
রফিকুল ইসলাম সুমনের প্রত্যাশা, ছোট্ট বয়সে পাওয়া এই সুযোগ একদিন সাবিদকে আরও বড় সাফল্যের পথে এগিয়ে নেবে। প্রতিভা, পরিশ্রম ও নিয়মিত অনুশীলনের মধ্য দিয়ে সে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে।
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, সাবিদ একদিন তারকা ফুটবলার হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে। সে যেন অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারে, এ জন্য বাংলাদেশের মানুষের কাছে দোয়া চাই।’
মাত্র ৯ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের ক্লাব ফুটবলে সুযোগ পাওয়া সাবিদের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ, নিজেকে আরও দক্ষ করে তোলা এবং ফুটবলে নিজের অবস্থান শক্ত করা। পরিবারের স্বপ্ন, একদিন এই খুদে ফুটবল প্রতিভার সাফল্যে গর্বিত হবে গৌরনদী, গর্বিত হবে বাংলাদেশ।