আরব সাগর থেকে পণ্যবাহী জাহাজ। ছবি : সংগৃহীত
উত্তর আরব সাগর থেকে পণ্যবাহী একটি জাহাজের ১৮ নাবিককে উদ্ধার করেছে পাকিস্তানের নৌবাহিনী। যার মধ্যে বাংলাদেশিও আছেন।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী।
এক বিবৃতিতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী জানায়, ‘গোল্ড অটাম’ নামের জাহাজটি থেকে সাহায্যের আবেদন পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নৌবাহিনীর সদস্যরা। পরে সেখান থেকে ১৮ নাবিককে উদ্ধার করে করাচিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে কী কারণে জাহাজটি থেকে সাহায্য চাওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, উদ্ধার হওয়া নাবিকদের মধ্যে বাংলাদেশ, চীন, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক রয়েছেন। তাদের নিরাপদে উদ্ধার করে চিকিৎসার আওতায় আনা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:৩৭
পটুয়াখালীর বাউফলে পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) একটি প্রকল্পের মাঠ সংগঠক মো. সাইদুর রহমান নাজমুলের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা উত্তোলন করে অফিসে জমা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটি। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিআরডিবি সূত্র জানায়, দারিদ্র্য নারীদের জন্য সমন্বিত পল্লী উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সহায়তা প্রকল্পের (ইরেসপো) দ্বিতীয় পর্যায়ের মাঠ সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন সাইদুর রহমান নাজমুল। তিনি ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার সময় গ্রাহকদের কাছ থেকে উত্তোলন করা অর্থ তিনি অফিসে জমা দেননি।
সূত্র আরও জানায়, পরপর দুটি নোটিশ দেওয়ার পরও সাইদুর রহমানের সন্ধান না পাওয়ায় ১২ জানুয়ারি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি তাঁর দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্লকের ১২টি সমিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে। এ সময় সদস্যদের পাসবইয়ের সঙ্গে অফিসের হিসাবের গরমিল পাওয়া যায়। তদন্ত প্রতিবেদনে প্রায় তিন লাখ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান শিকদারের রেফারেন্সে এবং বিআরডিবির তৎকালীন মহাপরিচালকের একান্ত সচিব (পিএস) ও উপপরিচালক সাদেকুর রহমানের সুপারিশে সাইদুর রহমান চাকরি পেয়েছিলেন। রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কারণেও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে উপপরিচালক সাদেকুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সাইদুর রহমানের নিয়োগের সময় তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল।
এদিকে সাদেকুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাদেকুর রহমান মামলায় আসামি থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য সরকারি বিধান অনুযায়ী ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের কাছে আবেদন করছেন।
অভিযোগের বিষয়ে মাঠ সংগঠক সাইদুর রহমান নাজমুল বলেন, ‘টাকা পাওনা আছে। আমি পরিশোধ করে দেব। হেড অফিসের সঙ্গে কথা হয়েছে।’
বাউফল বিআরডিবি কার্যালয়ের সহকারী কর্মকর্তা (ইরেসপো) নাজমুন নাহার ইরানি অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালী জেলা বিআরডিবির উপপরিচালক হাসানুল হক মোল্লা বলেন, ‘বিষয়টি হেড অফিস সরাসরি মনিটরিং করছে। পরে জেনেছি, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
ইরেসপো হেড অফিসের উপপ্রকল্প পরিচালক এ এস এম সোলেমান বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছিল। তবে অভিযুক্তের টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস ও উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপের কারণে বিলম্ব হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়ে টাকা উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) একটি প্রকল্পের মাঠ সংগঠক মো. সাইদুর রহমান নাজমুলের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা উত্তোলন করে অফিসে জমা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটি। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিআরডিবি সূত্র জানায়, দারিদ্র্য নারীদের জন্য সমন্বিত পল্লী উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সহায়তা প্রকল্পের (ইরেসপো) দ্বিতীয় পর্যায়ের মাঠ সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন সাইদুর রহমান নাজমুল। তিনি ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার সময় গ্রাহকদের কাছ থেকে উত্তোলন করা অর্থ তিনি অফিসে জমা দেননি।
সূত্র আরও জানায়, পরপর দুটি নোটিশ দেওয়ার পরও সাইদুর রহমানের সন্ধান না পাওয়ায় ১২ জানুয়ারি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি তাঁর দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্লকের ১২টি সমিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে। এ সময় সদস্যদের পাসবইয়ের সঙ্গে অফিসের হিসাবের গরমিল পাওয়া যায়। তদন্ত প্রতিবেদনে প্রায় তিন লাখ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান শিকদারের রেফারেন্সে এবং বিআরডিবির তৎকালীন মহাপরিচালকের একান্ত সচিব (পিএস) ও উপপরিচালক সাদেকুর রহমানের সুপারিশে সাইদুর রহমান চাকরি পেয়েছিলেন। রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কারণেও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে উপপরিচালক সাদেকুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সাইদুর রহমানের নিয়োগের সময় তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল।
এদিকে সাদেকুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাদেকুর রহমান মামলায় আসামি থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য সরকারি বিধান অনুযায়ী ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের কাছে আবেদন করছেন।
অভিযোগের বিষয়ে মাঠ সংগঠক সাইদুর রহমান নাজমুল বলেন, ‘টাকা পাওনা আছে। আমি পরিশোধ করে দেব। হেড অফিসের সঙ্গে কথা হয়েছে।’
বাউফল বিআরডিবি কার্যালয়ের সহকারী কর্মকর্তা (ইরেসপো) নাজমুন নাহার ইরানি অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালী জেলা বিআরডিবির উপপরিচালক হাসানুল হক মোল্লা বলেন, ‘বিষয়টি হেড অফিস সরাসরি মনিটরিং করছে। পরে জেনেছি, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
ইরেসপো হেড অফিসের উপপ্রকল্প পরিচালক এ এস এম সোলেমান বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছিল। তবে অভিযুক্তের টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস ও উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপের কারণে বিলম্ব হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়ে টাকা উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:২৪
জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই পাম্পে পাম্পে মাপজোকের হিসাব কষতে নেমেছে প্রশাসন। অভিযানে ধরা পড়েছে অনিয়ম—গ্রাহককে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম জ্বালানি দেওয়ার অভিযোগে বরিশালের দুই ফিলিং স্টেশনকে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে বরিশাল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনুজ ভৌমিক পিয়াসের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর বিমানবন্দরসংলগ্ন কামিনি ফিলিং স্টেশনকে ২০ হাজার টাকা এবং নগরীর গড়িয়ারপার এলাকার সারা ফিলিং স্টেশনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানসংশ্লিষ্টরা জানান, জ্বালানি তেলের সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মেশিনের মাপ পরীক্ষা করা হচ্ছে। অভিযানে দুটি স্টেশনে পরিমাণে কম দেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনুজ ভৌমিক পিয়াস বলেন, মাপে কম দেওয়ার অভিযোগে দুই ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা করা হয়েছে। সারা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার জয়কে মেশিন ঠিক করার জন্য সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কামিনি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সোহেলকে সতর্ক করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, বিএসটিআইয়ের উপ-পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান, পরিদর্শক আলামিন সরকারসহ মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই পাম্পে পাম্পে মাপজোকের হিসাব কষতে নেমেছে প্রশাসন। অভিযানে ধরা পড়েছে অনিয়ম—গ্রাহককে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম জ্বালানি দেওয়ার অভিযোগে বরিশালের দুই ফিলিং স্টেশনকে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে বরিশাল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনুজ ভৌমিক পিয়াসের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর বিমানবন্দরসংলগ্ন কামিনি ফিলিং স্টেশনকে ২০ হাজার টাকা এবং নগরীর গড়িয়ারপার এলাকার সারা ফিলিং স্টেশনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানসংশ্লিষ্টরা জানান, জ্বালানি তেলের সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মেশিনের মাপ পরীক্ষা করা হচ্ছে। অভিযানে দুটি স্টেশনে পরিমাণে কম দেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনুজ ভৌমিক পিয়াস বলেন, মাপে কম দেওয়ার অভিযোগে দুই ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা করা হয়েছে। সারা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার জয়কে মেশিন ঠিক করার জন্য সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কামিনি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সোহেলকে সতর্ক করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, বিএসটিআইয়ের উপ-পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান, পরিদর্শক আলামিন সরকারসহ মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৩৪
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সামনের বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক সংস্কারের কোন কাজ না করায় শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েছেন বরিশাল সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম।
মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল সওজ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ শুরু না হওয়ার কারণ জানতে চায়। এ সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল ইসলাম তাদের তোপের মুখে পড়েন বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত চলতি বছরের ৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন দপদপিয়া ব্রিজে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। তার মৃত্যুর পর বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক সংস্কারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
ওই আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের সামনে এসে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম লিখিত প্রতিশ্রুতি দেন। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সড়কের বিটুমিন উঠে গেলে তা পুনরায় সংস্কার করা, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে সড়কের দুই পাশে ফুটপাত নির্মাণের কাজ শুরু করা এবং ১০ নভেম্বরের মধ্যে মূল সড়কে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ করার কথা ছিল। একই সঙ্গে সড়কের দুই পাশে আলোর ব্যবস্থা করারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আন্দোলনের পর মাত্র একবার সড়কের গর্তগুলো বিটুমিন দিয়ে সংস্কার করা হলেও পরবর্তীতে আর কোনো দৃশ্যমান কাজ হয়নি।
মঙ্গলবার সরেজমিনে দপদপিয়া সেতুর টোল প্লাজা থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ভোলা রোড পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে । বিশেষ করে দপদপিয়া সেতুর ওপর বেশ কয়েকটি বড় গর্ত দেখা গেছে। এতে যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটের সামনেও ড্রেনে পানি জমে থাকতে ও অসংখ্য ছোট বড় গর্ত দেখা যায়।
স্থানীয় ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ করে বলছে , সড়কের খানাখন্দের কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। গত এক মাসে প্রায় পাঁচটি থ্রি-হুইলার উল্টে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানান। এসব ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সদস্য মো. রাজীব বলেন, কথা ছিল আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে সকল প্রক্রিয়া শেষ করে রাস্তার দুই পাশে ফুটপাত নির্মাণের কাজ শুরু করতে হবে, পাশাপাশি ১০ নভেম্বরের ভিতর আরসিসি ঢালাই ও সড়কের পাশে আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। এই কাজের তদারকি করার জন্য সড়ক জনপদের কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটা প্রতিনিধি টিম গঠন করা হয়। আমরা দেখেছি তাদের প্রতিশ্রুতি মোতাবেক কোন কাজই হচ্ছে না। এখনো পর্যন্ত কোন কাজের টেন্ডারই করতে পারিনি। তাহলে তারা কিভাবে নির্ধারিত সময়ের ভিতরে কাজ শুরু করবে? তাদের কাজের সময় পার হচ্ছে যাচ্ছে সেটা জানান দিতেই আজ এখানে আসা।
আরেক সদস্য মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন, সড়ক ও জনপদের কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম বলেছিল রাস্তায় যতবার গর্ত হবে ততবার সেটা বিটুমিন দিয়ে সংস্কার করে দিবে। কিন্তু নামে মাত্র একবার সংস্কার করে দিয়েই সড়ক ও জনপদের লোক হাওয়া হয়ে গেছে। রাস্তায় অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে প্রতিদিনই কোন না দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় দুরবস্থার কারণে আমরা মাইশা, ইয়াসিন আরাফাতকে হারিয়েছি। এখন আর কত লাশ দিলে এই রাস্তার সংস্কার হবে? লিখিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত সড়ক সংস্কার, ফুটপাত নির্মাণ, আরসিসি ঢালাই ও সড়কের পাশে আলোর ব্যবস্থা করার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্যই এখানে আসা।
অপর দিকে বরিশাল সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে ফুটপাত নির্মাণ, আরসিসি রোড নির্মাণ, সড়কে লাইটের ব্যবস্থা করা। সে ব্যাপারে একটা প্রস্তবনা ইতিমধ্যে প্রেরণ করা হয়েছে। সেটা যদি অনুমোদন হয় তাহলে আমরা অতিশীগ্রই নতুন দরপত্র আহ্বান করে এই কাজগুলো করতে পারবো। তবে কবে নাগাত এই কাজ শুরু করতে পারবো সেটা বলতে পারছি না।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সামনের বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক সংস্কারের কোন কাজ না করায় শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েছেন বরিশাল সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম।
মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল সওজ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ শুরু না হওয়ার কারণ জানতে চায়। এ সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল ইসলাম তাদের তোপের মুখে পড়েন বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত চলতি বছরের ৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন দপদপিয়া ব্রিজে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। তার মৃত্যুর পর বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক সংস্কারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
ওই আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের সামনে এসে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম লিখিত প্রতিশ্রুতি দেন। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সড়কের বিটুমিন উঠে গেলে তা পুনরায় সংস্কার করা, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে সড়কের দুই পাশে ফুটপাত নির্মাণের কাজ শুরু করা এবং ১০ নভেম্বরের মধ্যে মূল সড়কে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ করার কথা ছিল। একই সঙ্গে সড়কের দুই পাশে আলোর ব্যবস্থা করারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আন্দোলনের পর মাত্র একবার সড়কের গর্তগুলো বিটুমিন দিয়ে সংস্কার করা হলেও পরবর্তীতে আর কোনো দৃশ্যমান কাজ হয়নি।
মঙ্গলবার সরেজমিনে দপদপিয়া সেতুর টোল প্লাজা থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ভোলা রোড পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে । বিশেষ করে দপদপিয়া সেতুর ওপর বেশ কয়েকটি বড় গর্ত দেখা গেছে। এতে যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটের সামনেও ড্রেনে পানি জমে থাকতে ও অসংখ্য ছোট বড় গর্ত দেখা যায়।
স্থানীয় ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ করে বলছে , সড়কের খানাখন্দের কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। গত এক মাসে প্রায় পাঁচটি থ্রি-হুইলার উল্টে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানান। এসব ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সদস্য মো. রাজীব বলেন, কথা ছিল আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে সকল প্রক্রিয়া শেষ করে রাস্তার দুই পাশে ফুটপাত নির্মাণের কাজ শুরু করতে হবে, পাশাপাশি ১০ নভেম্বরের ভিতর আরসিসি ঢালাই ও সড়কের পাশে আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। এই কাজের তদারকি করার জন্য সড়ক জনপদের কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটা প্রতিনিধি টিম গঠন করা হয়। আমরা দেখেছি তাদের প্রতিশ্রুতি মোতাবেক কোন কাজই হচ্ছে না। এখনো পর্যন্ত কোন কাজের টেন্ডারই করতে পারিনি। তাহলে তারা কিভাবে নির্ধারিত সময়ের ভিতরে কাজ শুরু করবে? তাদের কাজের সময় পার হচ্ছে যাচ্ছে সেটা জানান দিতেই আজ এখানে আসা।
আরেক সদস্য মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন, সড়ক ও জনপদের কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম বলেছিল রাস্তায় যতবার গর্ত হবে ততবার সেটা বিটুমিন দিয়ে সংস্কার করে দিবে। কিন্তু নামে মাত্র একবার সংস্কার করে দিয়েই সড়ক ও জনপদের লোক হাওয়া হয়ে গেছে। রাস্তায় অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে প্রতিদিনই কোন না দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় দুরবস্থার কারণে আমরা মাইশা, ইয়াসিন আরাফাতকে হারিয়েছি। এখন আর কত লাশ দিলে এই রাস্তার সংস্কার হবে? লিখিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত সড়ক সংস্কার, ফুটপাত নির্মাণ, আরসিসি ঢালাই ও সড়কের পাশে আলোর ব্যবস্থা করার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্যই এখানে আসা।
অপর দিকে বরিশাল সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে ফুটপাত নির্মাণ, আরসিসি রোড নির্মাণ, সড়কে লাইটের ব্যবস্থা করা। সে ব্যাপারে একটা প্রস্তবনা ইতিমধ্যে প্রেরণ করা হয়েছে। সেটা যদি অনুমোদন হয় তাহলে আমরা অতিশীগ্রই নতুন দরপত্র আহ্বান করে এই কাজগুলো করতে পারবো। তবে কবে নাগাত এই কাজ শুরু করতে পারবো সেটা বলতে পারছি না।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৪৩
উত্তর আরব সাগর থেকে পণ্যবাহী একটি জাহাজের ১৮ নাবিককে উদ্ধার করেছে পাকিস্তানের নৌবাহিনী। যার মধ্যে বাংলাদেশিও আছেন।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী।
এক বিবৃতিতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী জানায়, ‘গোল্ড অটাম’ নামের জাহাজটি থেকে সাহায্যের আবেদন পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নৌবাহিনীর সদস্যরা। পরে সেখান থেকে ১৮ নাবিককে উদ্ধার করে করাচিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে কী কারণে জাহাজটি থেকে সাহায্য চাওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, উদ্ধার হওয়া নাবিকদের মধ্যে বাংলাদেশ, চীন, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক রয়েছেন। তাদের নিরাপদে উদ্ধার করে চিকিৎসার আওতায় আনা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:১৬
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৪
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৪৬
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১৬