পটুয়াখালীর গলাচিপায় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের জন্য দুই দলের নেতা-কর্মীরা একে অপরকে দোষারোপ করছে। তবে স্থানীয়রা দাবি করেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে মনোনয়ন নিয়ে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে বিরোধ থেকে এ সংঘর্ষ।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার চরকাজল ইউয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কপালভেড়া বাজারে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা না করা এবং এখান থেকে গণধিকার পরিষদের সভাপতি ভিপি নূর নির্বাচন করার ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গলাচিপা থানা পুলিশের ওসি মো. আসাদুজ্জামান জানান, কপালভেড়া বাজারে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন বলেন, আমরা ঘটনাটি শুনেছি, তবে এখনো পুরোপুরি জানি না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ করব, ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। সবাইকে শান্ত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ থাকতে হবে।
এর আগেও দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারাও ঘোষণা করা হয়।

১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৩২
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গর্ভবতী নারীকে মারধর, গর্ভপাত ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মোঃ সোহাগ শিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৮। মঙ্গলবার রাতে বরিশালের বাকেরগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ সেপ্টেম্বর তানিয়া বেগম ও তাঁর স্বামীর ওপর লোহার রড ও কাঠের লাঠি নিয়ে অতর্কিত হামলা চালান অভিযুক্তরা। এ সময় তাঁদের মারধর করে আহত করার পাশাপাশি তানিয়া বেগমের কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। একপর্যায়ে তাঁদের দীর্ঘ সময় আটকে রাখারও অভিযোগ রয়েছে।
হামলায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তানিয়া বেগমকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ সময় তাঁর সাত মাসের গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে নবজাতকের মৃত্যু হয় বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় তানিয়া বেগম বাদী হয়ে কলাপাড়া থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৮-এর একটি যৌথ দল অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান অভিযুক্ত সোহাগ শিকদারকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গর্ভবতী নারীকে মারধর, গর্ভপাত ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মোঃ সোহাগ শিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৮। মঙ্গলবার রাতে বরিশালের বাকেরগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ সেপ্টেম্বর তানিয়া বেগম ও তাঁর স্বামীর ওপর লোহার রড ও কাঠের লাঠি নিয়ে অতর্কিত হামলা চালান অভিযুক্তরা। এ সময় তাঁদের মারধর করে আহত করার পাশাপাশি তানিয়া বেগমের কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। একপর্যায়ে তাঁদের দীর্ঘ সময় আটকে রাখারও অভিযোগ রয়েছে।
হামলায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তানিয়া বেগমকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ সময় তাঁর সাত মাসের গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে নবজাতকের মৃত্যু হয় বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় তানিয়া বেগম বাদী হয়ে কলাপাড়া থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৮-এর একটি যৌথ দল অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান অভিযুক্ত সোহাগ শিকদারকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৪৬
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ইউনিয়ন চরমোন্তাজে একই দিনে দুই নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। একজনের জন্ম হয়েছে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে নদীর মধ্যে স্পিডবোটে, অন্যজনের জন্ম হয়েছে বাড়িতে স্থানীয় ধাত্রীর সহায়তায়। এ ঘটনায় দ্বীপাঞ্চলে জরুরি প্রসূতিসেবা ও চিকিৎসকসংকট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য থাকায় গর্ভবতী মায়েরা প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে এ দুই নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ চরমোন্তাজের বাসিন্দা সোহেল ও জিনিয়া বেগমের সন্তান প্রসবের জন্য মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে স্বজনেরা স্পিডবোটে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্দেশে রওনা হন। প্রায় ২০ মিনিট চলার পর নদীর মাঝখানে স্পিডবোটেই সন্তান প্রসব করেন জিনিয়া। পরে নবজাতকের মৃত্যু হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছানোর আগেই এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পরিবার।
জিনিয়া বেগমের ভাই মো. বাচ্চু বলেন, সকাল থেকেই আমার বোনের প্রসবব্যথা শুরু হয়। ধীরে ধীরে ব্যথা বাড়তে থাকলে স্পিডবোটের খবর দেওয়া হয়। কিন্তু সময়মতো স্পিডবোট ঘাটে না আসায় দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে নদীর মাঝখানে স্পিডবোটেই সন্তান প্রসব হয়। কিন্তু শিশুটিকে বাঁচানো যায়নি। এরপর বোনকে বাড়িতে নিয়ে আসি। তিনি অসুস্থ থাকায় স্থানীয় চিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, একই ইউনিয়নের দক্ষিণ চরমোন্তাজের ভাসমান মান্তা সম্প্রদায়ের মো.সজীব ও বিথী আক্তার আক্তারের নবজাতকের মৃত্যু হয় দুপুর ১টার দিকে। বিথীর মা মালা বেগম জানান, সকাল থেকেই তার মেয়ের প্রসবব্যথা শুরু হয়। পরে ব্যথা তীব্র হলে স্থানীয় একজন চিকিৎসককে দেখানো হয়। তিনি বিথীকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে যাওয়ার মতো টাকা না থাকায় তাঁরা যেতে পারেননি।
মালা বেগম বলেন, আমি চরমোন্তাজের স্থানীয় চিকিৎসকদের অনেক অনুরোধ করেছি, কিন্তু কেউ আমার কাছে আসেননি। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে গিয়েও কোনো চিকিৎসক পাইনি। পরে স্থানীয় ধাত্রী আসমা বেগমের সহায়তায় বাড়িতে সন্তান প্রসব হয়। কিন্তু আমার নাতিকে বাঁচানো যায়নি। সময়মতো হাসপাতালে নিতে পারলে হয়তো শিশুটিকে বাঁচানো যেত।
চরমোন্তাজ ইউনিয়নে প্রায় ৪৫ হাজার মানুষের বসবাস। ইউনিয়নটিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র থাকলেও প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় সেখানে প্রসূতিসেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
চরমোন্তাজ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক ইলিয়াস হোসাইন জানান, ইউনিয়নে প্রতি মাসে প্রায় ২০ থেকে ২৫টি স্বাভাবিক প্রসব হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব প্রসবের প্রায় সবই বাড়িতে অদক্ষ ধাত্রীদের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। বর্তমানে ইউনিয়নে প্রায় ১৬০ জন গর্ভবতী মা রয়েছেন।
ইলিয়াস হোসাইন বলেন, সরকার নির্ধারিত জনবলের অভাবে গর্ভবতী মায়েরা প্রসবপূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে একজন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার এবং একজন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকার (এফডব্লিউভি) পদ থাকলেও দুটিই শূন্য। এ কারণে প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি আরও জানান, চরমোন্তাজ ইউনিয়নে মাঠপর্যায়ে পরিবার কল্যাণ সহকারীর তিনটি পদ থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র একজন। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে লোকবল না থাকায় ওই কর্মীকেও কেন্দ্রে বসে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে চরমোন্তাজ ইউনিয়নের ৭.৮.ও ৯ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা পরিবার কল্যাণ সহকারী রুবি আক্তার রুপা বলেন, গর্ভকালীন সময়ে তিনি বিথী আক্তারের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছেন। তবে নবজাতকের মৃত্যুর খবর জানেন না। খোঁজ নেবেন বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে, বিথীর মা মালা বেগম দাবি করেন, রুবি আক্তার রুপা কখনো তার মেয়েকে দেখতে আসেননি। এ বিষয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে।
গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মেজবা উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। তবে রোগী আমাদের গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেননি; তারা চরমোন্তাজে চলে গেছেন। চরমোন্তাজের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জনবল দেওয়ার চেষ্টা করব।
স্থানীয়রা জানান, চরমোন্তাজ থেকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে নদীপথে প্রায় ৪০ কিলোমিটার পাড়ি দিতে হয়। তাদের দাবি, যাত্রায় চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে এবং জরুরি প্রয়োজনে সব সময় স্পিডবোটও পাওয়া যায় না। অন্যদিকে, রাঙ্গাবালী উপজেলায় পূর্ণাঙ্গ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স না থাকায় চিকিৎসার জন্য গলাচিপার ওপর নির্ভর করতে হয়।
একই দিনে দুই নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় চরমোন্তাজের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দ্রুত জনবল নিয়োগ, নিরাপদ প্রসবসেবা, প্রসবপূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী পরিচর্যা এবং জরুরি রোগী পরিবহনের কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ইউনিয়ন চরমোন্তাজে একই দিনে দুই নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। একজনের জন্ম হয়েছে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে নদীর মধ্যে স্পিডবোটে, অন্যজনের জন্ম হয়েছে বাড়িতে স্থানীয় ধাত্রীর সহায়তায়। এ ঘটনায় দ্বীপাঞ্চলে জরুরি প্রসূতিসেবা ও চিকিৎসকসংকট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য থাকায় গর্ভবতী মায়েরা প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে এ দুই নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ চরমোন্তাজের বাসিন্দা সোহেল ও জিনিয়া বেগমের সন্তান প্রসবের জন্য মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে স্বজনেরা স্পিডবোটে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্দেশে রওনা হন। প্রায় ২০ মিনিট চলার পর নদীর মাঝখানে স্পিডবোটেই সন্তান প্রসব করেন জিনিয়া। পরে নবজাতকের মৃত্যু হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছানোর আগেই এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পরিবার।
জিনিয়া বেগমের ভাই মো. বাচ্চু বলেন, সকাল থেকেই আমার বোনের প্রসবব্যথা শুরু হয়। ধীরে ধীরে ব্যথা বাড়তে থাকলে স্পিডবোটের খবর দেওয়া হয়। কিন্তু সময়মতো স্পিডবোট ঘাটে না আসায় দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে নদীর মাঝখানে স্পিডবোটেই সন্তান প্রসব হয়। কিন্তু শিশুটিকে বাঁচানো যায়নি। এরপর বোনকে বাড়িতে নিয়ে আসি। তিনি অসুস্থ থাকায় স্থানীয় চিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, একই ইউনিয়নের দক্ষিণ চরমোন্তাজের ভাসমান মান্তা সম্প্রদায়ের মো.সজীব ও বিথী আক্তার আক্তারের নবজাতকের মৃত্যু হয় দুপুর ১টার দিকে। বিথীর মা মালা বেগম জানান, সকাল থেকেই তার মেয়ের প্রসবব্যথা শুরু হয়। পরে ব্যথা তীব্র হলে স্থানীয় একজন চিকিৎসককে দেখানো হয়। তিনি বিথীকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে যাওয়ার মতো টাকা না থাকায় তাঁরা যেতে পারেননি।
মালা বেগম বলেন, আমি চরমোন্তাজের স্থানীয় চিকিৎসকদের অনেক অনুরোধ করেছি, কিন্তু কেউ আমার কাছে আসেননি। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে গিয়েও কোনো চিকিৎসক পাইনি। পরে স্থানীয় ধাত্রী আসমা বেগমের সহায়তায় বাড়িতে সন্তান প্রসব হয়। কিন্তু আমার নাতিকে বাঁচানো যায়নি। সময়মতো হাসপাতালে নিতে পারলে হয়তো শিশুটিকে বাঁচানো যেত।
চরমোন্তাজ ইউনিয়নে প্রায় ৪৫ হাজার মানুষের বসবাস। ইউনিয়নটিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র থাকলেও প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় সেখানে প্রসূতিসেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
চরমোন্তাজ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক ইলিয়াস হোসাইন জানান, ইউনিয়নে প্রতি মাসে প্রায় ২০ থেকে ২৫টি স্বাভাবিক প্রসব হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব প্রসবের প্রায় সবই বাড়িতে অদক্ষ ধাত্রীদের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। বর্তমানে ইউনিয়নে প্রায় ১৬০ জন গর্ভবতী মা রয়েছেন।
ইলিয়াস হোসাইন বলেন, সরকার নির্ধারিত জনবলের অভাবে গর্ভবতী মায়েরা প্রসবপূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে একজন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার এবং একজন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকার (এফডব্লিউভি) পদ থাকলেও দুটিই শূন্য। এ কারণে প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি আরও জানান, চরমোন্তাজ ইউনিয়নে মাঠপর্যায়ে পরিবার কল্যাণ সহকারীর তিনটি পদ থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র একজন। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে লোকবল না থাকায় ওই কর্মীকেও কেন্দ্রে বসে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে চরমোন্তাজ ইউনিয়নের ৭.৮.ও ৯ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা পরিবার কল্যাণ সহকারী রুবি আক্তার রুপা বলেন, গর্ভকালীন সময়ে তিনি বিথী আক্তারের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছেন। তবে নবজাতকের মৃত্যুর খবর জানেন না। খোঁজ নেবেন বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে, বিথীর মা মালা বেগম দাবি করেন, রুবি আক্তার রুপা কখনো তার মেয়েকে দেখতে আসেননি। এ বিষয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে।
গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মেজবা উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। তবে রোগী আমাদের গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেননি; তারা চরমোন্তাজে চলে গেছেন। চরমোন্তাজের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জনবল দেওয়ার চেষ্টা করব।
স্থানীয়রা জানান, চরমোন্তাজ থেকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে নদীপথে প্রায় ৪০ কিলোমিটার পাড়ি দিতে হয়। তাদের দাবি, যাত্রায় চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে এবং জরুরি প্রয়োজনে সব সময় স্পিডবোটও পাওয়া যায় না। অন্যদিকে, রাঙ্গাবালী উপজেলায় পূর্ণাঙ্গ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স না থাকায় চিকিৎসার জন্য গলাচিপার ওপর নির্ভর করতে হয়।
একই দিনে দুই নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় চরমোন্তাজের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দ্রুত জনবল নিয়োগ, নিরাপদ প্রসবসেবা, প্রসবপূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী পরিচর্যা এবং জরুরি রোগী পরিবহনের কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৫৯
মা-ইলিশ রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলছে, চলছে প্রশাসনের অভিযানও। অথচ পটুয়াখালীর দুমকীর পায়রা নদীতে প্রকাশ্যেই চলছে মা-ইলিশ শিকার। নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একসঙ্গে ৩০ থেকে ৩৫টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে নদীতে জাল ফেলছেন জেলেরা। প্রশাসনের নজরদারি ও অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার পাঙ্গাশিয়ার হাজিরহাট ও রাজাগঞ্জের মধ্যবর্তী পায়রা নদীতে সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু পায়রা নয়, পাতাবুনিয়া ও লোহালিয়া নদীর বিভিন্ন পয়েন্টেও চলছে অবাধে ইলিশ শিকার। পাঙ্গাশিয়া, আলগী, লেবুখালী, আঙ্গারিয়া ও মুরাদিয়া এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্যের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, শক্তিশালী ইঞ্জিনচালিত নৌকা ব্যবহার করে জেলেরা প্রশাসনের টহল এড়িয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরে যাচ্ছেন। অন্যদিকে নদীতীরবর্তী হাজিরহাট, লেবুখালী ফেরিঘাট, আঙ্গারিয়া বন্দর, পাতাবুনিয়া, উত্তর মুরাদিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বরফের বাক্সে ইলিশ মজুত ও গোপনে কেনাবেচার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তবে এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ৮ থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত অভিযানে দুটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও ১১ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। এরপরও প্রকাশ্যে এতসংখ্যক নৌকা নিয়ে মাছ শিকারের ঘটনায় অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান বলেন, “আমাদের টহল দল একটু আগেই ওই এলাকা থেকে ঘুরে এসেছে। জনবল সংকট ও একটি মাত্র টহল দল থাকায় সব জায়গায় একসঙ্গে নজরদারি করা কঠিন। তবে টহল বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী জানান, সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সভায় ব্যস্ত ছিলেন তিনি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পাঙ্গাশিয়ার বাসিন্দা মো. ফারুক হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এভাবে মা-ইলিশ নিধন চলতে থাকলে একসময় নদীতে ইলিশের সংকট দেখা দেবে। শুধু লোকদেখানো অভিযান নয়, নিয়মিত কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োজন।”
সচেতন মহলের প্রশ্ন, সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও নিয়মিত অভিযানের মধ্যেও দিনের আলোয় এত নৌকা নিয়ে কীভাবে চলছে ইলিশ শিকার? প্রজনন মৌসুমে মা-ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের আরও কার্যকর ও সমন্বিত অভিযান দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মা-ইলিশ রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলছে, চলছে প্রশাসনের অভিযানও। অথচ পটুয়াখালীর দুমকীর পায়রা নদীতে প্রকাশ্যেই চলছে মা-ইলিশ শিকার। নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একসঙ্গে ৩০ থেকে ৩৫টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে নদীতে জাল ফেলছেন জেলেরা। প্রশাসনের নজরদারি ও অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার পাঙ্গাশিয়ার হাজিরহাট ও রাজাগঞ্জের মধ্যবর্তী পায়রা নদীতে সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু পায়রা নয়, পাতাবুনিয়া ও লোহালিয়া নদীর বিভিন্ন পয়েন্টেও চলছে অবাধে ইলিশ শিকার। পাঙ্গাশিয়া, আলগী, লেবুখালী, আঙ্গারিয়া ও মুরাদিয়া এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্যের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, শক্তিশালী ইঞ্জিনচালিত নৌকা ব্যবহার করে জেলেরা প্রশাসনের টহল এড়িয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরে যাচ্ছেন। অন্যদিকে নদীতীরবর্তী হাজিরহাট, লেবুখালী ফেরিঘাট, আঙ্গারিয়া বন্দর, পাতাবুনিয়া, উত্তর মুরাদিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বরফের বাক্সে ইলিশ মজুত ও গোপনে কেনাবেচার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তবে এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ৮ থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত অভিযানে দুটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও ১১ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। এরপরও প্রকাশ্যে এতসংখ্যক নৌকা নিয়ে মাছ শিকারের ঘটনায় অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান বলেন, “আমাদের টহল দল একটু আগেই ওই এলাকা থেকে ঘুরে এসেছে। জনবল সংকট ও একটি মাত্র টহল দল থাকায় সব জায়গায় একসঙ্গে নজরদারি করা কঠিন। তবে টহল বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী জানান, সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সভায় ব্যস্ত ছিলেন তিনি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পাঙ্গাশিয়ার বাসিন্দা মো. ফারুক হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এভাবে মা-ইলিশ নিধন চলতে থাকলে একসময় নদীতে ইলিশের সংকট দেখা দেবে। শুধু লোকদেখানো অভিযান নয়, নিয়মিত কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োজন।”
সচেতন মহলের প্রশ্ন, সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও নিয়মিত অভিযানের মধ্যেও দিনের আলোয় এত নৌকা নিয়ে কীভাবে চলছে ইলিশ শিকার? প্রজনন মৌসুমে মা-ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের আরও কার্যকর ও সমন্বিত অভিযান দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

০৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১৫:৩৬
পটুয়াখালীর গলাচিপায় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের জন্য দুই দলের নেতা-কর্মীরা একে অপরকে দোষারোপ করছে। তবে স্থানীয়রা দাবি করেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে মনোনয়ন নিয়ে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে বিরোধ থেকে এ সংঘর্ষ।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার চরকাজল ইউয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কপালভেড়া বাজারে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা না করা এবং এখান থেকে গণধিকার পরিষদের সভাপতি ভিপি নূর নির্বাচন করার ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গলাচিপা থানা পুলিশের ওসি মো. আসাদুজ্জামান জানান, কপালভেড়া বাজারে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন বলেন, আমরা ঘটনাটি শুনেছি, তবে এখনো পুরোপুরি জানি না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ করব, ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। সবাইকে শান্ত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ থাকতে হবে।
এর আগেও দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারাও ঘোষণা করা হয়।
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৩৪
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৩১
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৪৫
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৩