
১৭ আগস্ট, ২০২৫ ০১:২৯
বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিম রহমান বলেছেন, 'গত ১৫ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেনি। বাংলার মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। অথচ সেই নির্বাচন পেছানোর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে তালবাহানা সহ্য করা হবে না। বিএনপি'র নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।' শনিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে বিএনপি'র ৩১ দফা কর্মসূচির সমর্থনে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এস.এম শফিউল আজম শাহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় বেগম সেলিমা রহমান আরও বলেন, 'আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে চান। যেখানে সকল মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হবে। সেই লক্ষ্যে তিনি রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতকল্পে ঐতিহাসিক ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এই ৩১ দফায় দেশের সকল শ্রেণিপেশার মানুষের অধিকার রক্ষার কথা বলা হয়েছে। ৩১ দফা বাস্তবায়ন হলে দেশের বেকারত্ব দূর হবে, আইনের শাসন ও বিচার ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হবে, দেশে সুশাসন ফিরে আসবে এবং জনগণের সত্যিকারের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জিত হবে। সর্বোপরি বাংলাদেশ স্বনির্ভর হবে। তাই তারেক রহমান ঘোষিত বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।'
বিএনপি'র ওই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ। বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি বলেন, 'বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশকে যখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, তখন বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশ বাঁচাতে লন্ডনে বসে ঐতিহাসিক ৩১ দফা ঘোষণা করেন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন গঠনের মাধ্যমে যেসকল সংস্কার প্রস্তাব এনেছেন তার প্রায় সবগুলোই তারেক রহমানের ৩১ দফার মধ্যে রয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকার শুধু মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়নি, বরং দেশের সমগ্র নির্বাচন ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। ঘোষিত ৩১ দফায় নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, ভোটাধিকার রক্ষা, আইনের সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের জীবনমানের উন্নয়নের পূর্নাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। তাই ৩১ বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বিনির্মাণ করতে হলে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে।'
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সাখাওয়াতের সঞ্চালনায় ওই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা বিএনপি'র সদস্য ও বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার, মুলাদী উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খান, বরিশাল জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মহসিন আলম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম লিপন, বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মজনু, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সদস্য পারভেজ মৃধা, মাধবপাশা ইউনিয়নের বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মিল্টন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান রিপন মেম্বার প্রমুখ।
উল্লেখ্য, শনিবার বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে ওই মতবিনিময় সভা উপলক্ষ্যে দুপুর থেকেই আলতাফ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে খন্ডখন্ড মিছিল নিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে। হাজার হাজার নেতাকর্মীদের পদচারণায় ওই মতবিনিময় সভাটি একপর্যায়ে জনসভায় রূপ নেয়। মুলাদীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খানের নেতৃত্বে মুলাদী উপজেলা থেকেও ট্রলারযোগে এবং সড়কপথে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ওই সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন। এসময় বাবুগঞ্জের কৃতি সন্তান পাকিস্তান পার্লামেন্টের সাবেক স্পিকার আবদুল জব্বার খানের মেয়ে বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান এবং বাবুগঞ্জের স্বনামধন্য আইনজীবী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদের নেতৃত্বে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। #
বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিম রহমান বলেছেন, 'গত ১৫ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেনি। বাংলার মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। অথচ সেই নির্বাচন পেছানোর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে তালবাহানা সহ্য করা হবে না। বিএনপি'র নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।' শনিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে বিএনপি'র ৩১ দফা কর্মসূচির সমর্থনে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এস.এম শফিউল আজম শাহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় বেগম সেলিমা রহমান আরও বলেন, 'আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে চান। যেখানে সকল মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হবে। সেই লক্ষ্যে তিনি রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতকল্পে ঐতিহাসিক ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এই ৩১ দফায় দেশের সকল শ্রেণিপেশার মানুষের অধিকার রক্ষার কথা বলা হয়েছে। ৩১ দফা বাস্তবায়ন হলে দেশের বেকারত্ব দূর হবে, আইনের শাসন ও বিচার ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হবে, দেশে সুশাসন ফিরে আসবে এবং জনগণের সত্যিকারের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জিত হবে। সর্বোপরি বাংলাদেশ স্বনির্ভর হবে। তাই তারেক রহমান ঘোষিত বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।'
বিএনপি'র ওই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ। বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি বলেন, 'বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশকে যখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, তখন বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশ বাঁচাতে লন্ডনে বসে ঐতিহাসিক ৩১ দফা ঘোষণা করেন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন গঠনের মাধ্যমে যেসকল সংস্কার প্রস্তাব এনেছেন তার প্রায় সবগুলোই তারেক রহমানের ৩১ দফার মধ্যে রয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকার শুধু মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়নি, বরং দেশের সমগ্র নির্বাচন ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। ঘোষিত ৩১ দফায় নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, ভোটাধিকার রক্ষা, আইনের সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের জীবনমানের উন্নয়নের পূর্নাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। তাই ৩১ বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বিনির্মাণ করতে হলে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে।'
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সাখাওয়াতের সঞ্চালনায় ওই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা বিএনপি'র সদস্য ও বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার, মুলাদী উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খান, বরিশাল জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মহসিন আলম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম লিপন, বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মজনু, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সদস্য পারভেজ মৃধা, মাধবপাশা ইউনিয়নের বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মিল্টন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান রিপন মেম্বার প্রমুখ।
উল্লেখ্য, শনিবার বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে ওই মতবিনিময় সভা উপলক্ষ্যে দুপুর থেকেই আলতাফ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে খন্ডখন্ড মিছিল নিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে। হাজার হাজার নেতাকর্মীদের পদচারণায় ওই মতবিনিময় সভাটি একপর্যায়ে জনসভায় রূপ নেয়। মুলাদীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খানের নেতৃত্বে মুলাদী উপজেলা থেকেও ট্রলারযোগে এবং সড়কপথে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ওই সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন। এসময় বাবুগঞ্জের কৃতি সন্তান পাকিস্তান পার্লামেন্টের সাবেক স্পিকার আবদুল জব্বার খানের মেয়ে বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান এবং বাবুগঞ্জের স্বনামধন্য আইনজীবী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদের নেতৃত্বে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। #

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.