
১৭ আগস্ট, ২০২৫ ০১:২৯
বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিম রহমান বলেছেন, 'গত ১৫ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেনি। বাংলার মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। অথচ সেই নির্বাচন পেছানোর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে তালবাহানা সহ্য করা হবে না। বিএনপি'র নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।' শনিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে বিএনপি'র ৩১ দফা কর্মসূচির সমর্থনে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এস.এম শফিউল আজম শাহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় বেগম সেলিমা রহমান আরও বলেন, 'আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে চান। যেখানে সকল মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হবে। সেই লক্ষ্যে তিনি রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতকল্পে ঐতিহাসিক ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এই ৩১ দফায় দেশের সকল শ্রেণিপেশার মানুষের অধিকার রক্ষার কথা বলা হয়েছে। ৩১ দফা বাস্তবায়ন হলে দেশের বেকারত্ব দূর হবে, আইনের শাসন ও বিচার ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হবে, দেশে সুশাসন ফিরে আসবে এবং জনগণের সত্যিকারের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জিত হবে। সর্বোপরি বাংলাদেশ স্বনির্ভর হবে। তাই তারেক রহমান ঘোষিত বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।'
বিএনপি'র ওই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ। বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি বলেন, 'বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশকে যখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, তখন বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশ বাঁচাতে লন্ডনে বসে ঐতিহাসিক ৩১ দফা ঘোষণা করেন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন গঠনের মাধ্যমে যেসকল সংস্কার প্রস্তাব এনেছেন তার প্রায় সবগুলোই তারেক রহমানের ৩১ দফার মধ্যে রয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকার শুধু মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়নি, বরং দেশের সমগ্র নির্বাচন ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। ঘোষিত ৩১ দফায় নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, ভোটাধিকার রক্ষা, আইনের সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের জীবনমানের উন্নয়নের পূর্নাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। তাই ৩১ বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বিনির্মাণ করতে হলে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে।'
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সাখাওয়াতের সঞ্চালনায় ওই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা বিএনপি'র সদস্য ও বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার, মুলাদী উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খান, বরিশাল জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মহসিন আলম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম লিপন, বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মজনু, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সদস্য পারভেজ মৃধা, মাধবপাশা ইউনিয়নের বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মিল্টন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান রিপন মেম্বার প্রমুখ।
উল্লেখ্য, শনিবার বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে ওই মতবিনিময় সভা উপলক্ষ্যে দুপুর থেকেই আলতাফ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে খন্ডখন্ড মিছিল নিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে। হাজার হাজার নেতাকর্মীদের পদচারণায় ওই মতবিনিময় সভাটি একপর্যায়ে জনসভায় রূপ নেয়। মুলাদীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খানের নেতৃত্বে মুলাদী উপজেলা থেকেও ট্রলারযোগে এবং সড়কপথে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ওই সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন। এসময় বাবুগঞ্জের কৃতি সন্তান পাকিস্তান পার্লামেন্টের সাবেক স্পিকার আবদুল জব্বার খানের মেয়ে বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান এবং বাবুগঞ্জের স্বনামধন্য আইনজীবী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদের নেতৃত্বে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। #
বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিম রহমান বলেছেন, 'গত ১৫ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেনি। বাংলার মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। অথচ সেই নির্বাচন পেছানোর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে তালবাহানা সহ্য করা হবে না। বিএনপি'র নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।' শনিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে বিএনপি'র ৩১ দফা কর্মসূচির সমর্থনে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এস.এম শফিউল আজম শাহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় বেগম সেলিমা রহমান আরও বলেন, 'আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে চান। যেখানে সকল মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হবে। সেই লক্ষ্যে তিনি রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতকল্পে ঐতিহাসিক ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এই ৩১ দফায় দেশের সকল শ্রেণিপেশার মানুষের অধিকার রক্ষার কথা বলা হয়েছে। ৩১ দফা বাস্তবায়ন হলে দেশের বেকারত্ব দূর হবে, আইনের শাসন ও বিচার ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হবে, দেশে সুশাসন ফিরে আসবে এবং জনগণের সত্যিকারের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জিত হবে। সর্বোপরি বাংলাদেশ স্বনির্ভর হবে। তাই তারেক রহমান ঘোষিত বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।'
বিএনপি'র ওই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ। বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি বলেন, 'বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশকে যখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, তখন বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশ বাঁচাতে লন্ডনে বসে ঐতিহাসিক ৩১ দফা ঘোষণা করেন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন গঠনের মাধ্যমে যেসকল সংস্কার প্রস্তাব এনেছেন তার প্রায় সবগুলোই তারেক রহমানের ৩১ দফার মধ্যে রয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকার শুধু মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়নি, বরং দেশের সমগ্র নির্বাচন ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। ঘোষিত ৩১ দফায় নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, ভোটাধিকার রক্ষা, আইনের সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের জীবনমানের উন্নয়নের পূর্নাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। তাই ৩১ বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বিনির্মাণ করতে হলে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে।'
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সাখাওয়াতের সঞ্চালনায় ওই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা বিএনপি'র সদস্য ও বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার, মুলাদী উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খান, বরিশাল জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মহসিন আলম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম লিপন, বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মজনু, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সদস্য পারভেজ মৃধা, মাধবপাশা ইউনিয়নের বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মিল্টন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান রিপন মেম্বার প্রমুখ।
উল্লেখ্য, শনিবার বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে ওই মতবিনিময় সভা উপলক্ষ্যে দুপুর থেকেই আলতাফ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে খন্ডখন্ড মিছিল নিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে। হাজার হাজার নেতাকর্মীদের পদচারণায় ওই মতবিনিময় সভাটি একপর্যায়ে জনসভায় রূপ নেয়। মুলাদীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খানের নেতৃত্বে মুলাদী উপজেলা থেকেও ট্রলারযোগে এবং সড়কপথে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ওই সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন। এসময় বাবুগঞ্জের কৃতি সন্তান পাকিস্তান পার্লামেন্টের সাবেক স্পিকার আবদুল জব্বার খানের মেয়ে বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান এবং বাবুগঞ্জের স্বনামধন্য আইনজীবী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদের নেতৃত্বে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। #

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.