Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩০
শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে রাতেই গ্রেপ্তার
বরিশালে পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেওয়া সেই বাচ্চু খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরের দিকে মুলাদী উপজেলার মৃধারহাট-ভেদুরিয়া খেয়াঘাট এলাকায় জয়ন্তী নদী পার হওয়ার প্রাক্কালে পুলিশের নৌযান থেকে তাকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় চাউর হয়ে গেলে পুলিশ চাপের মুখে পড়ে এবং পালিয়ে যাওয়া আসামি বাচ্চুকে বাগে আনতে শনিবার বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালায়। একপর্যায়ে পুলিশ এই অভিযানে সফলতা পায়, গ্রেপ্তার করা হয় আলোচিত বাচ্চু খানকে।
পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মুলাদীতে জনৈক সালাম মুন্সির বাড়িতে শনিবার সকালে হামলা-ভাঙচুর-লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সেই হামলার খবর পেয়ে মুলাদী থানার পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. মমিন উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এবং সেখান থেকে বাচ্চু খানকে আটক করতেও সক্ষম হয় পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানিয়েছে, বাচ্চু খানকে নিয়ে পুলিশ জয়ন্ত নদী পার হচ্ছিল, তখন তাদের ট্রলারটিকে চারদিক থেকে থেকে অসংখ্য মানুষ নদীর মাঝেই ঘিরে ধরেন। এবং একপর্যায়ে তারা জোরপূর্বক পুলিশের কাছ থেকে বাচ্চুকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেয়। এই ছিনতাইয়ে বিশালাকায় অন্তত চারটি ট্রলারযোগে শতাধিক লোক অংশ নেয়।
পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনতাইয়ের এই ঘটনায় চাউর হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটির ভেতরে কানাঘুষা হয়। এবং ছিনিয়ে নেওয়া বাচ্চুকে অতিসত্ত্বর গ্রেপ্তার করাসহ ছিনতাইয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ করতে বরিশাল জেলা পুলিশের উচ্চমহল থেকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়। ফলশ্রুতিতে এক ধরনের চাপে পড়ে যায় মুলাদী থানা পুলিশ, বিশেষ করে যাদের কাছ থেকে আসামি পালিয়ে যায়, তারা ছিলেন চাকরি হারানোর আতঙ্কে।
ওই অভিযানে অংশ নেওয়া এসআই পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, শনিবার সকালে মাঝনদীতে পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দায়িত্বে অবহেলা হিসেবে নিয়েছিলেন। এবং তাদের তরফ থেকে পালিয়ে যাওয়া বাচ্চুকে ফের গ্রেপ্তারে একদিন সময় বেধে দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যেই মুলাদী থানা পুলিশ শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে বাচ্চুকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়, যা হাফ ছেড়ে বাঁচার ন্যায়।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরাফাত জাহান চৌধুরী শনিবার রাতে স্থানীয় চরকালেখান গ্রামের একটি বাসা থেকে বাচ্চুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা আমির হোসেন খানের ছেলে বাচ্চুকে আটক করে পুলিশ। কিন্তু তাকে থানায় নিয়ে আসার আগেই পথে মাঝনদীতে পুলিশের ট্রলার থেকে তাকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রাতে বাচ্চুকে ফের গ্রেপ্তারের পরপরই সালাম মুন্সির বাসায় হামলা-ভাঙচুর-লুটপাট-অগ্নিসংযোগের ঘটনায় একটি মামলা হয়। সেই মামলায় বাচ্চুসহ ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে ৪৫ জনের বিরুদ্ধে সালাম মুন্সির স্ত্রী রাশিদা বেগম বাদী হয়ে মামলা করেন। রোববার তাকে আদালতে পাঠালে বিচারক কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
এদিকে পুলিশ মামলার বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করাসহ মাঝনদীতে বাচ্চুকে ছিনতাইয়ে জড়িতদের শনাক্ত করতে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এজেডএম মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন। এবং জেলা পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, দুটি ঘটনায় মুলাদী থানা পুলিশকে শক্ত পদক্ষেপ রাখতে বলা হয়েছে, যা উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পর্যবেক্ষক করছিলেন। শনিবার রাতে খবর পাওয়া যায়, ছিনিয়ে নেওয়া বাচ্চুকে মুলাদী পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এবং পরবর্তীতে দুটি ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়।’
শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে রাতেই গ্রেপ্তার
বরিশালে পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেওয়া সেই বাচ্চু খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরের দিকে মুলাদী উপজেলার মৃধারহাট-ভেদুরিয়া খেয়াঘাট এলাকায় জয়ন্তী নদী পার হওয়ার প্রাক্কালে পুলিশের নৌযান থেকে তাকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় চাউর হয়ে গেলে পুলিশ চাপের মুখে পড়ে এবং পালিয়ে যাওয়া আসামি বাচ্চুকে বাগে আনতে শনিবার বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালায়। একপর্যায়ে পুলিশ এই অভিযানে সফলতা পায়, গ্রেপ্তার করা হয় আলোচিত বাচ্চু খানকে।
পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মুলাদীতে জনৈক সালাম মুন্সির বাড়িতে শনিবার সকালে হামলা-ভাঙচুর-লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সেই হামলার খবর পেয়ে মুলাদী থানার পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. মমিন উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এবং সেখান থেকে বাচ্চু খানকে আটক করতেও সক্ষম হয় পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানিয়েছে, বাচ্চু খানকে নিয়ে পুলিশ জয়ন্ত নদী পার হচ্ছিল, তখন তাদের ট্রলারটিকে চারদিক থেকে থেকে অসংখ্য মানুষ নদীর মাঝেই ঘিরে ধরেন। এবং একপর্যায়ে তারা জোরপূর্বক পুলিশের কাছ থেকে বাচ্চুকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেয়। এই ছিনতাইয়ে বিশালাকায় অন্তত চারটি ট্রলারযোগে শতাধিক লোক অংশ নেয়।
পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনতাইয়ের এই ঘটনায় চাউর হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটির ভেতরে কানাঘুষা হয়। এবং ছিনিয়ে নেওয়া বাচ্চুকে অতিসত্ত্বর গ্রেপ্তার করাসহ ছিনতাইয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ করতে বরিশাল জেলা পুলিশের উচ্চমহল থেকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়। ফলশ্রুতিতে এক ধরনের চাপে পড়ে যায় মুলাদী থানা পুলিশ, বিশেষ করে যাদের কাছ থেকে আসামি পালিয়ে যায়, তারা ছিলেন চাকরি হারানোর আতঙ্কে।
ওই অভিযানে অংশ নেওয়া এসআই পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, শনিবার সকালে মাঝনদীতে পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দায়িত্বে অবহেলা হিসেবে নিয়েছিলেন। এবং তাদের তরফ থেকে পালিয়ে যাওয়া বাচ্চুকে ফের গ্রেপ্তারে একদিন সময় বেধে দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যেই মুলাদী থানা পুলিশ শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে বাচ্চুকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়, যা হাফ ছেড়ে বাঁচার ন্যায়।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরাফাত জাহান চৌধুরী শনিবার রাতে স্থানীয় চরকালেখান গ্রামের একটি বাসা থেকে বাচ্চুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা আমির হোসেন খানের ছেলে বাচ্চুকে আটক করে পুলিশ। কিন্তু তাকে থানায় নিয়ে আসার আগেই পথে মাঝনদীতে পুলিশের ট্রলার থেকে তাকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রাতে বাচ্চুকে ফের গ্রেপ্তারের পরপরই সালাম মুন্সির বাসায় হামলা-ভাঙচুর-লুটপাট-অগ্নিসংযোগের ঘটনায় একটি মামলা হয়। সেই মামলায় বাচ্চুসহ ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে ৪৫ জনের বিরুদ্ধে সালাম মুন্সির স্ত্রী রাশিদা বেগম বাদী হয়ে মামলা করেন। রোববার তাকে আদালতে পাঠালে বিচারক কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
এদিকে পুলিশ মামলার বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করাসহ মাঝনদীতে বাচ্চুকে ছিনতাইয়ে জড়িতদের শনাক্ত করতে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এজেডএম মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন। এবং জেলা পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, দুটি ঘটনায় মুলাদী থানা পুলিশকে শক্ত পদক্ষেপ রাখতে বলা হয়েছে, যা উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পর্যবেক্ষক করছিলেন। শনিবার রাতে খবর পাওয়া যায়, ছিনিয়ে নেওয়া বাচ্চুকে মুলাদী পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এবং পরবর্তীতে দুটি ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়।’

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:২৬
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২