পদ্মা সেতু চালুর পর নৌপরিবহন সেক্টর যাত্রী সংকটে ভুগছে। এতে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকা-বরিশাল রুটে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) স্টিমার সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়। তিন বছর পর সেই স্টিমারে যাত্রী ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি। গত কয়েক মাস ধরে ঘটা করে এর আয়োজন চলছিল। এবারও শুরুর দিনই হোঁচট খেয়েছে এ উদ্যোগ।
গতকাল শুক্রবার ‘প্যাডেল স্টিমার পিএস মাহসুদ’ ঢাকা থেকে যাত্রা শুরুর নির্ধারিত দিন ছিল। একজন যাত্রীও পায়নি। ফলে উদ্বোধনী যাত্রা বাতিল হয়েছে।
জানা গেছে, উচ্চমূল্যের যাত্রী ভাড়া নির্ধারিত হয়েছে। তাতে সাধারণ যাত্রীদের স্টিমারমুখী হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। শৌখিন যাত্রীদের ওপর নির্ভর করে স্টিমার চলাচল কতদিন সক্রিয় থাকে সেটিই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তবে বিআইডব্লিউটিসি শুরু থেকেই বলে আসছে, এটি হবে পর্যটন বাণিজ্যনির্ভর জাহাজ।
পদ্মা সেতু চালুর পর নৌপরিবহন সেক্টর যাত্রী সংকটে ভুগছে। এতে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকা-বরিশাল রুটে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) স্টিমার সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়। তিন বছর পর সেই স্টিমারে যাত্রী ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি। গত কয়েক মাস ধরে ঘটা করে এর আয়োজন চলছিল। এবারও শুরুর দিনই হোঁচট খেয়েছে এ উদ্যোগ।
গতকাল শুক্রবার ‘প্যাডেল স্টিমার পিএস মাহসুদ’ ঢাকা থেকে যাত্রা শুরুর নির্ধারিত দিন ছিল। একজন যাত্রীও পায়নি। ফলে উদ্বোধনী যাত্রা বাতিল হয়েছে।
জানা গেছে, উচ্চমূল্যের যাত্রী ভাড়া নির্ধারিত হয়েছে। তাতে সাধারণ যাত্রীদের স্টিমারমুখী হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। শৌখিন যাত্রীদের ওপর নির্ভর করে স্টিমার চলাচল কতদিন সক্রিয় থাকে সেটিই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তবে বিআইডব্লিউটিসি শুরু থেকেই বলে আসছে, এটি হবে পর্যটন বাণিজ্যনির্ভর জাহাজ।
সংস্কারের পর ‘মাহসুদ’ গত ২৪ অক্টোবর পরীক্ষামূলক চালানো হয়। ১৫ নভেম্বর এটির উদ্বোধন করেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা। প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, জাহাজটি প্রতি শুক্রবার সকাল ৮টায় ঢাকা থেকে বরিশালে রওনা হবে এবং শনিবার একই সময়ে বরিশাল থেকে ঢাকায় ফিরবে। সপ্তাহের অন্য দিনগুলোতে ঢাকার আশপাশে প্রমোদ ভ্রমণে ভাড়া দেওয়া হবে।
এক সময়ে ঢাকা থেকে বরিশাল :-
ঝালকাঠি-পিরোজপুর হয়ে খুলনা পর্যন্ত প্রতিদিন স্টিমার চলত। স্টিমার যাত্রা ছিল দক্ষিণাঞ্চলের আভিজাত্য। নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছতে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগত।
সড়ক যোগাযোগ উন্নত হওয়ায় এর যাত্রী কমতে থাকে। বেসরকারি লঞ্চগুলো কোনোভাবে টিকে থাকলেও বন্ধ হয়ে যায় সরকারি স্টিমার সার্ভিস।

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪৬
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:৫১
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করেছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। ঝড়টি ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকলেও এর প্রভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পাশাপাশি দমকা থেকে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে প্রকাশিত বিশেষ আবহাওয়া বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ও এনটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনেও ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান এবং দেশের আবহাওয়ায় সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টি উঠে এসেছে।
আবহাওয়া ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়ার কাছাকাছি ইয়ানাম এলাকায় ঘূর্ণিঝড়টির উপকূল অতিক্রমের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ সময় বাতাসের স্থায়ী গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দমকা হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির উপকূল অতিক্রমের প্রক্রিয়া কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে। পরবর্তী সময়ে ঝড়টির কেন্দ্র স্থলভাগে প্রবেশ করলে এটি ধীরে ধীরে শক্তি হারাতে শুরু করে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি অন্ধ্রপ্রদেশ ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এ সময় এর শক্তি ক্রমান্বয়ে কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের উপকূল অতিক্রম করলেও এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হচ্ছে। ফলে সমুদ্রবন্দর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা থেকে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সমুদ্রে যাওয়ার আগে আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতি ও সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টা বা পাঁচ দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের আট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বুধবার ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে। পাঁচ দিনের পূর্বাভাসের শেষভাগেও দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি এবং রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে।
বুধবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের কয়েকটি অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়।
এতে যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা জানানো হয়। এসব অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে। সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার মধ্যে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশের কয়েকটি অঞ্চলে চলমান মৃদু তাপপ্রবাহও প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এনটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি তাপমাত্রা হ্রাসের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বৃষ্টির পরিমাণ ও তীব্রতা অঞ্চলভেদে ভিন্ন হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের উপকূলে সরাসরি আঘাত না হানলেও এর প্রভাবে সাগর ও উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে। তাই মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারের চালক, উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দা এবং নদীপথে চলাচলকারীদের সতর্ক থাকার প্রয়োজন রয়েছে।
আবহাওয়া পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে বলে সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরের সর্বশেষ সতর্কসংকেত অনুসরণ করা এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), এনটিভি অনলাইন, আনন্দবাজার পত্রিকা ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রকাশিত প্রতিবেদন।
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করেছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। ঝড়টি ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকলেও এর প্রভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পাশাপাশি দমকা থেকে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে প্রকাশিত বিশেষ আবহাওয়া বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ও এনটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনেও ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান এবং দেশের আবহাওয়ায় সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টি উঠে এসেছে।
আবহাওয়া ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়ার কাছাকাছি ইয়ানাম এলাকায় ঘূর্ণিঝড়টির উপকূল অতিক্রমের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ সময় বাতাসের স্থায়ী গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দমকা হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির উপকূল অতিক্রমের প্রক্রিয়া কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে। পরবর্তী সময়ে ঝড়টির কেন্দ্র স্থলভাগে প্রবেশ করলে এটি ধীরে ধীরে শক্তি হারাতে শুরু করে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি অন্ধ্রপ্রদেশ ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এ সময় এর শক্তি ক্রমান্বয়ে কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের উপকূল অতিক্রম করলেও এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হচ্ছে। ফলে সমুদ্রবন্দর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা থেকে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সমুদ্রে যাওয়ার আগে আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতি ও সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টা বা পাঁচ দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের আট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বুধবার ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে। পাঁচ দিনের পূর্বাভাসের শেষভাগেও দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি এবং রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে।
বুধবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের কয়েকটি অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়।
এতে যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা জানানো হয়। এসব অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে। সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার মধ্যে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশের কয়েকটি অঞ্চলে চলমান মৃদু তাপপ্রবাহও প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এনটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি তাপমাত্রা হ্রাসের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বৃষ্টির পরিমাণ ও তীব্রতা অঞ্চলভেদে ভিন্ন হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের উপকূলে সরাসরি আঘাত না হানলেও এর প্রভাবে সাগর ও উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে। তাই মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারের চালক, উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দা এবং নদীপথে চলাচলকারীদের সতর্ক থাকার প্রয়োজন রয়েছে।
আবহাওয়া পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে বলে সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরের সর্বশেষ সতর্কসংকেত অনুসরণ করা এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), এনটিভি অনলাইন, আনন্দবাজার পত্রিকা ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রকাশিত প্রতিবেদন।

২২ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:২৩
পদ্মা সেতু চালুর পর নৌপরিবহন সেক্টর যাত্রী সংকটে ভুগছে। এতে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকা-বরিশাল রুটে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) স্টিমার সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়। তিন বছর পর সেই স্টিমারে যাত্রী ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি। গত কয়েক মাস ধরে ঘটা করে এর আয়োজন চলছিল। এবারও শুরুর দিনই হোঁচট খেয়েছে এ উদ্যোগ।
গতকাল শুক্রবার ‘প্যাডেল স্টিমার পিএস মাহসুদ’ ঢাকা থেকে যাত্রা শুরুর নির্ধারিত দিন ছিল। একজন যাত্রীও পায়নি। ফলে উদ্বোধনী যাত্রা বাতিল হয়েছে।
জানা গেছে, উচ্চমূল্যের যাত্রী ভাড়া নির্ধারিত হয়েছে। তাতে সাধারণ যাত্রীদের স্টিমারমুখী হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। শৌখিন যাত্রীদের ওপর নির্ভর করে স্টিমার চলাচল কতদিন সক্রিয় থাকে সেটিই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তবে বিআইডব্লিউটিসি শুরু থেকেই বলে আসছে, এটি হবে পর্যটন বাণিজ্যনির্ভর জাহাজ।
পদ্মা সেতু চালুর পর নৌপরিবহন সেক্টর যাত্রী সংকটে ভুগছে। এতে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকা-বরিশাল রুটে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) স্টিমার সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়। তিন বছর পর সেই স্টিমারে যাত্রী ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি। গত কয়েক মাস ধরে ঘটা করে এর আয়োজন চলছিল। এবারও শুরুর দিনই হোঁচট খেয়েছে এ উদ্যোগ।
গতকাল শুক্রবার ‘প্যাডেল স্টিমার পিএস মাহসুদ’ ঢাকা থেকে যাত্রা শুরুর নির্ধারিত দিন ছিল। একজন যাত্রীও পায়নি। ফলে উদ্বোধনী যাত্রা বাতিল হয়েছে।
জানা গেছে, উচ্চমূল্যের যাত্রী ভাড়া নির্ধারিত হয়েছে। তাতে সাধারণ যাত্রীদের স্টিমারমুখী হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। শৌখিন যাত্রীদের ওপর নির্ভর করে স্টিমার চলাচল কতদিন সক্রিয় থাকে সেটিই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তবে বিআইডব্লিউটিসি শুরু থেকেই বলে আসছে, এটি হবে পর্যটন বাণিজ্যনির্ভর জাহাজ।
সংস্কারের পর ‘মাহসুদ’ গত ২৪ অক্টোবর পরীক্ষামূলক চালানো হয়। ১৫ নভেম্বর এটির উদ্বোধন করেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা। প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, জাহাজটি প্রতি শুক্রবার সকাল ৮টায় ঢাকা থেকে বরিশালে রওনা হবে এবং শনিবার একই সময়ে বরিশাল থেকে ঢাকায় ফিরবে। সপ্তাহের অন্য দিনগুলোতে ঢাকার আশপাশে প্রমোদ ভ্রমণে ভাড়া দেওয়া হবে।
এক সময়ে ঢাকা থেকে বরিশাল :-
ঝালকাঠি-পিরোজপুর হয়ে খুলনা পর্যন্ত প্রতিদিন স্টিমার চলত। স্টিমার যাত্রা ছিল দক্ষিণাঞ্চলের আভিজাত্য। নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছতে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগত।
সড়ক যোগাযোগ উন্নত হওয়ায় এর যাত্রী কমতে থাকে। বেসরকারি লঞ্চগুলো কোনোভাবে টিকে থাকলেও বন্ধ হয়ে যায় সরকারি স্টিমার সার্ভিস।